আগামীকালের বকেয়া সংবাদ

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: শনি, ১৩/০৯/২০০৮ - ৩:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধাক্কাটা কিসের সাথে লাগল বুঝে উঠার আগেই ডান দিকে পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি এঙ্গেলে উড়ে গিয়ে পানিতে ঝপাৎ। গল্লুৎ করে এক দলা পানি ঢুকে যাচ্ছিল মুখে। আটকানোর জন্য মুখ ঝামটা দিতেই পানিগুলো পেটে না ঢুকে ঢুকে গেলো তালুতে। হাঁচচু দিয়ে তালু পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখি আরো বড়ো একটা চালান সরাসরি ঢুকে গেছে পেটে

একটা ছটফটানি দিয়ে একটু শ্বাস নিতে চাইলাম। বাতাসের বদলা ভেতরে ঢুকে গেলো পনি। মাছেদের মতো একটা কানকো থাকলে এখন খুব কাজে লাগতো। পানি চিবিয়ে অক্সিজেন বের করে ফেলতে পরতাম। কিন্তু চোখ আর কানগুলোকে ভেতর থেকে কেউ যেন ঠেলাঠেলি করছে বাইরের দিকে। বুকের ভেতরে যেন বেলুন ফোলাচ্ছে কেউ

একটা মোচড় দিয়ে দুয়েক হাত উপরে উঠে ধীরে ধীরে নামতে থাকলাম নিচে। বাতাসের মতো পানিরও একটা শিনশিন শব্দ আছে। বাতাসের শব্দ লাগে কানে কিন্তু পানির শব্দ টের পাওয়া যায় দুই কানের মাঝখানে মাথার ভেতরে

পায়েই প্রথম মাটি ঠেকল। কাদা কাদা মাটি। অনেকটা ঢুকে গেলো। তারপর লাগল মাজা। তারপরে মাথার পেছন দিকে নরম কাদার একটা ধাক্কা টের পেলাম। কান পর্যন্ত ঢুকে গেলো ভেতরে। সব শেষে এসে মাটিতে স্পর্শ করল মেরুদণ্ড

পানি এখানে দেয়ালের মতো স্থির। চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে খারাপ লাগছে না। অনেকটা দোলনায় পিঠ ঠেকিয়ে পা আর মাথা নিচে ঝুলিয়ে শুয়ে থাকার মতো। পা আর মাথা মাটির অনেক নিচে। কিন্তু পিঠটা আলতো করে লেগে আছে কাদায়

হয়তো কিছুক্ষণ না হয় কয়েকদিন পরে হাতের ঘড়িটা বেশ টাইট হয়ে গেলো। মাজার বেল্টটাও ঠেসে বসল মাংস কামড়ে। পরনের জুতা জিন্স এমনকি ঢোলাঢালা ফতুয়াটাও ছোট হয়ে এলো আমার শরীরের মাপে

একটা ঝাঁকি খেলাম। মাজাটা বেশ উঁচুতে উঠে ঝুলে থাকল। মাথাটাও কাদার ভেতর খেকে কিছুটা উঠে এলো। আরো কিছুক্ষণ কিংবা কিছুদিন...। আরেকটা ধাক্কায় হাঁটু পর্যন্ত শূন্যে উঠে এলো। আরো কিছুক্ষণ পরে পা দুটোও উঠে গিয়ে শুধু মাথার পেছনটাই পড়ে থাকলো কাদায়...

এবার পানির ভেতরে চ্যাং দোলা হয়ে উঠতে থাকলাম আমি। পেট আর বুক উপরে। ঠ্যাং আর মাথা ঝুলে আছে দুই মাথায়। আর সাম্পানের বৈঠার মতো ভাসতে ভাসতে যাচ্ছে দুই হাত

পেটের চামড়ায় রোদ লাগার একটু পরেই কাউয়া কা করে আমার উপর একটা কাক এসে বসে হাউকাউ শুরু করে দিলো। তার ডাক অন্য কাকেরা শোনার আগেই ভুসভুস করে একটা ইঞ্জিন বোট উঠে গেলো আমার উপর। অনেক দূর পর্যন্ত ঠেলে নিতে নিতে আলকাতরা মাখানো পুরো শরীরটা পিছলে পার করে দিলেও ঝামেলা বাঁধালো স্টিলের দাঁড়। ঘ্যাচাং করে এসে পেটের একপাশে লাগল দাঁড়টা। উপর থেকে কেউ দু তিনবার ঝাঁকি মেরে খুলতে চাইল। কিন্তু দাঁড়ের কোনা আমার পেটের ভেতর ঢুকে গিয়ে আটকে আছে চামড়া মাংস প্যান্ট আর বেল্টের সাথে

ট্রলারটা আস্তে আস্তে থেমে গেলো। কেউ একজন বাঁশ নামিয়ে কিছুক্ষণ খোঁচাখুঁচি করে ছাড়াতে না পেরে নেমে এসে পা দিয়ে দিলো নিচের দিকে এক ধাক্কা। আমি দাঁড় থেকে খুলে বেশ নিচে নেমে গিয়ে আবার ভেসে উঠতে লাগলাম উপরে...

ততক্ষণে ভটভটি আবার চলতে শুরু করেছে। ওর পানির টানে আমিও কিছু দূর এগোলাম। এর মধ্যেই ঝুপুত করে কাকটা এসে বসল। সঙ্গে আরো একটা। খপাৎ করে নাভির কাছে দাঁড়ে কাটা জায়গায় একটা কামড় বসিয়ে দিলো

আমিও ভাসছি। কাক দুটোও ভাসছে। হঠাৎ দুইটাই দিলো উড়াল। কয়েক সেকেন্ডের মধে খচাৎ করে পাঁজরে লগির একটা ধাক্কা খেলাম। হাতা নৌকায় যেতে যেতে মাঝি খোঁচা মেরে দেখে নিলো গরু নাকি মানুষ

ধাক্কায় ঢুকে গিয়েছিলাম পানিঘাসের ভেতরে। কাক দুটো বসছে কি বসেনি। নৌকাটা আবার ফিরে এলো। পানি থেকে দুই তিন ইঞ্চি নিচে ডোবা জিন্সের বাম পকেটে লগির মাথা দিয়ে একটা গুঁতা মারল লোকটা। এরপরে নৌকার ভেতর থেকে একটা মাথা বাঁকা দাও নিয়ে এসে দাওয়ের মুখটা আমার পকেটে ঢুকিয়ে টান দিলো। একহাতে ফতুয়া মুঠো করে ধরে একটা আঙুল ঢোকানোর চেষ্টা করল পকেটের ভেতর। না পেরে দাওয়ের মাথা ঢুকিয়ে ঘষে ঘষে পকেটের এক পাশ কেটে মোবাইলটা নৌকায় রেখে জিন্সের ডান পকেট কেটে দেখে পানিভেজা বিড়ির প্যাকেট...

একটা ভটভটির আওয়াজ শুনে লোকটা নৌকা ঘুরিয়ে আমার উপর তুলে দিয়ে আস্তে আস্তে চালাতে লাগল। ভটভটি চলে যেতেই আবার বের করে দাওয়ের কোঁকড়া মাথা দিয়ে টেনে আমার বাম হাত পানির উপরে তুলে দেখল কিছু আছে কি না। কিছু নেই। ডান হাত থেকে দাও দিয়ে বেল্ট কেটে ঘড়িটা তুলে নিলো নৌকায়। এবার আমাকে উপুড় করে সরাসরি দাওয়ের মাথা ঢুকিয়ে দিলো ফুলে থাকা পেছনের ডান পকেটে। মানিব্যাগটা বের করে টিপে দেখল বাম পকেটে কিছু নেই...

মানিব্যাগ খুলে টাকাগুলো গলুইয়ে রেখে কাগজপত্র ছুঁড়ে ফেলতে লাগল পানিতে। ন্যাশনাল আইডি কার্ডটা ফেলতে গিয়েও ফেলল না। আমার ফতুয়ার বুকে গুঁজে দিয়ে এক ধাক্কায় আবার পানিঘাসের ভেতরে ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে চলে গেলো লগি ঠেলে...

উপরে কাউকাউ কাক। নিচে বিরিবিরি মাছ। যেতে আসতে দুয়েকটা লগির খোঁচা। দুয়েকবার ভটভটির তলায় ঢুকে পড়া আর ন্যাশনাল আইডি বুকে নিয়ে শুরু হলো আমার ভেসে চলা হাওরের পানি থেকে পানির ভেতর...
২০০৮.০৯.০৬ শনিবার


মন্তব্য

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ভয়ংকর !
তবে শুনেছি ছেলেদের লাশ পানিতে ভেসে যায় উপুড় হয়ে, আর মেয়েদের চিৎ হয়ে। এটা কি সত্যি?
প্রশ্নটা বোকাবোকা হয়ে গেলে লজ্জিত।

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

মাহবুব লীলেন এর ছবি

উল্টোটা শুনেছেন
ছেলেরা ভাসে চিৎ হয়ে আর মেয়েরা ভাসে উপুড় হয়ে

মুশফিকা মুমু এর ছবি

তাইনাকি এটাতো জানতাম না, কারনটা কি? অ্যাঁ
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এই সিস্টেমটা করা হয়েছে পানিতে ডোবার পরে মেয়েদের ওড়না পরার ঝামেলা এড়ানোর জন্য

স্বপ্নাহত এর ছবি

দুনিয়ার সব সিস্টেম দেখি মাইয়াগো সুবিধার কথা চিন্তা কইরা হইসে। চিত হয়ে থাকলে পোলাগোরেও কিসু প্রব হইতে পারে। সেইটা কেউ দেখলোনা।

লীলেন ভাই, নেক্সট টাইম সিস্টেম নির্ধারণ করতে গিয়া পোলাগো ব্যাপারটাও মাথায় রাইখেন।

---------------------------------

বিষণ্ণতা, তোমার হাতটা একটু ধরি?

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

পলাশ দত্ত এর ছবি

পানি দিয়েও এভাবে আক্রমণ করা যায় লীলেন ভাই! আপনার লেখাটা পড়ার আগ পর্যন্ত তা টের পাই নাই।

==========================
পৃথিবীর তাবৎ গ্রাম আজ বসন্তের মতো ক্ষীণায়ু

মাহবুব লীলেন এর ছবি

তুমি আবার এর মধ্যে অস্ত্র আবিষ্কার করে বসে আছো?

অনিন্দিতা এর ছবি

এসব হচ্ছেটা কী?
বার বার এরকম কেন?

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এইটাকে বলে সুরতহাল রিপোর্ট
পুলিশ ভায়েরা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যস্ত বলে এখন আইন হয়েছে নিজের সুরতহাল নিজেই করে রাখার

অনিন্দিতা এর ছবি

মশাই, এসব সুরতহাল রিপোর্ট বাদ দিন না।
আপনি সকল কাজের কাজী বুঝতে পারি, কিন্তু
সব নিজে করলে অন্যদের জন্য তো কাজ থাকবে না।
সব আইন মানতে নেই..........

অতিথি লেখক এর ছবি

হুম ......... অন্যরকম ...... সুন্দর ।
নিবিড়

দেবোত্তম দাশ এর ছবি

লীলেনদা, এতো সুন্দর করে কি করে লেখেন ? কতো চেষ্টা করি কিন্ত কিছুতেই কিছু হয়ে ওঠে না। কিছু টিপস দাও গুরু
------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি

------------------------------------------------------
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন’রা কি কখনো ফিরে আসে !

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এইটা লেখা কোনো বিষয়ই না
হাত পা দড়ি দিয়ে বেঁধে আশপাশের নদী নালায় (অন্তত ম্যানহোলে) ঝাঁপ দেন
দেখবেন এর চেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা আপনি লিখতে পারবেন

দেবোত্তম দাশ এর ছবি

কি যে বলেন ? সাত সমুন্দর সাঁতরাইয়া পাইরাইয়া আইলাম। শুরুও করসিলাম ম্যানহোলের হোল দিয়া ? তয় আমার কি চোক কান বন্দ আচিল ? হুমম আবার লাফ দেওন লাগব মনে ঐতাছে।
------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি

------------------------------------------------------
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন’রা কি কখনো ফিরে আসে !

বিপ্লব রহমান এর ছবি

তারপর? নরকবাসে সেই জলযাত্রার কাহিনীটি কবে লিখবেন বস? ওই যে যেবার মেরিলিন মনরো আর আপনার একান্ত ককটেল পার্টি হলো!... চোখ টিপি
---
অফটপিক: অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। লেখাটি একেবারে সেই রকম জাঝা। হাসি


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মেরিলিনের সাথে ককটেল পার্টিটা যখন খালি জমে উঠবে উঠবে করছে তখন এক বাঙালিন ডাইনোসর গিয়ে খপ করে আমার হাত কামড়ে ধরে তুলে নিয়ে আসলো...

না হলে কিন্তু...

পরিবর্তনশীল এর ছবি

তিয়াস পাইছে?
পানি খান পানি।

লেখা ভালৈছে ম্যান।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

মাহবুব লীলেন এর ছবি

কিন্তু মানুষের সিস্টেমটাই চুতিয়া কিসিমের
বাতাসে থাকলে মনে হয় পানি খাই
আর পানিতে থাকলে মনে হয় বাতাস খাই

মুশফিকা মুমু এর ছবি

ইয়ে, মানে... হায় হায়! কি ভয়ংকর! ইয়ে, মানে...
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

মাহবুব লীলেন এর ছবি

হায় হায়
(ইমো দিতে জানলে একখান বেক্কলের ইমো দিতাম)

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

লেখা পড়তে পড়তে ভাবতেসিলাম কখন যেন কইবেন যে 'ঘুম/দুঃস্বপ্ন ভাঙল'। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভাঙল না যে! ইয়ে, মানে...
_______________________________
বিষন্নতা ছোঁয় আমায় মাঝে মাঝেই, কখনো কি ছোঁয় না তোমায়?

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ঘুম ভাঙলেই লস
বিড়ি খাইতে হয়
চা খাইতে হয়

খেকশিয়াল এর ছবি

লীলেনদা কি খাইতেসেন এই কয়দিন ?!! আমারেও একটু দেন, আমিও খাইবাম !!

------------------------------
'এই ঘুম চেয়েছিলে বুঝি ?'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মাহবুব লীলেন এর ছবি

খাইয়ানাচন টেন এমজি
ডেইলি তিনটা

রণদীপম বসু এর ছবি

পয়লাবারে গাড়ির চাকায় থেতলাইয়া এইবার ভৌতিক লীলেনের সলিল সমাধি দেখলাম। ভূতেরা যে মরে না সেটা আমারে কে জানি কইছিলো। তাই আশা করতেছি পরেরবার নিশ্চয়ই ফাঁসিতে ঝুলবো। আর নইলে পুলিশের প্যাদানি খাইয়া পুনরায় ভুতদশা !

এ তো দেখি বড় পিছলা ভুতের পাল্লায় পড়ছি ! নিজে ভুত হইছে তো হইছে, আমাগোরেও ভুত বানাইবার ধান্ধা ধরছে ! চাইরদিকে এতো ভুতের ভীড় !

হা হা হা ! লেখার জবাব নাই !

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ভূতেগো দেশে এখন জায়গাজমি বন্দোবস্ত দেয়া হচ্চে বিনা পয়সায়
আমি আবার ওখানকার এক কন্ট্রাকটারের ঠিকাদার কি না
তাই আদম সাপ্লাইয়ের মার্কেটিং করি আরকি

আসেন আসেন
বুকিংটা দিয়া ফালান

তয় পুলিশে মরা ভূতের কিন্তু স্ট্যাটাস বেশি ওখানে
যান
সেই স্ট্যাটাসটা আপনারে দিয়া দিলাম

জুলিয়ান সিদ্দিকী এর ছবি

লীলেন ভাই শেষপর্যন্ত ভূত হইয়া লিলুয়া বাতাসে ভাসতাসেন নাকি?
____________________________________
ব্যাকুল প্রত্যাশা উর্ধমুখী; হয়তো বা কেটে যাবে মেঘ।
দূর হবে শকুনের ছাঁয়া। কাটাবে আঁধার আমাদের ঘোলা চোখ
আলোকের উদ্ভাসনে; হবে পুন: পল্লবীত বিশুষ্ক বৃক্ষের ডাল।

___________________________
লাইগ্যা থাকিস, ছাড়িস না!

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ভাসি না
ভাসি না
হাতড়াই

রানা মেহের এর ছবি

আর কতবার
লীলেন ভাইয়ের লাশ দেখতে হবে?
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আরে এইগুলা লাশ না লাশের রিহার্সেল
রিহার্সেল যত বেশি হবে ফাইনাল শো তত ভালো হবে
এইজন্য একটু বেশি বেশি রিহার্সেল করে নিচ্ছি আরকি

হাসান মোরশেদ এর ছবি

আমি বহুদিন 'সন্দীপন' পড়িনা ।
পড়িনা মানে, পড়ার সুযোগ হয়না ।

তোমার গল্পগুলো পড়লে মাঝেমাঝে সন্দীপনকে ভুলে যাই ।
কেন? সেই প্রশ্নে আবার আমাকে চেপে ধরোনা । আমি নির্বাক থাকবো ।
-------------------------------------
"শিয়রের কাছে কেনো এতো নীল জল? "

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এই প্রশ্নটা এখন আর আমি করি না
কারণ এখন আমি বিশ্বাস করি কারো না কারো চিন্তাই হয়তো আমি করি
কিংবা আমার কোনো না কোনো চিন্তাও হয়তো অন্য কেউ করে কোথাও না কোথাও

মানুষ হিসেবে আমরা যতটা আলাদা
তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি কমন...

মাঝে মাঝে নিজের লেখাকে নিজের কাছেই মনে হয় অন্য কারো নকল
কিংবা অন্য কারো লেখা দেখলে মনে হয় সে হয়তো আমার লেখাটাই লিখে ফেলেছে...

দ্রোহী এর ছবি

হুম! পড়তে গিয়ে আগের কোন এক গল্পে গাড়ির ধাক্কায় মরে যাওয়া লোকটার কথা মনে আসছিল।

লেখা যথারীতি লীলেনীয়!


কী ব্লগার? ডরাইলা?

মাহবুব লীলেন এর ছবি

কেন ভাইজান
কার্টুন ছবিতে একেক্টা বিলাই ইন্দুর যদি কয়েকশোবার মরতে পারে তো আমরা দু তিনবার মরলে দোষ্টা কীসের?

উন্নয়নের ঠেলায় আমরাও কার্টুন পদে উন্নত হচ্ছি না দিন্দিন?

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।