| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
কয়েকদিন ধরে ভারী যন্ত্রণায় আছি। খালি স্বপ্ন দেখি। ঘুমাইতে ঘুমাইতে দেখি। আবার জেগে থাকতে থাকতেও দেখি। ঘুমাইতে ঘুমাইতে যেগুলা দেখি সেগুলা আবার নানা কিসিমের। হরর, কমেডি, ফ্ল্যাশব্যাক,ড্রামা, থ্রিলার - মানে যতরকমের হতে পারে আর কি। তাদের মধ্যে কিছু আছে যেগুলা সবাইকেই বলা যায়। আবার কিছু আছে কাউকেই বলা যাবেনা।
এত সব স্বপ্ন দেখার কারণ বোধহয় মিড সেমিস্টার শেষ হবার পর থেকে শুরু হওয়া নন স্টপ ঘুম। পরীক্ষার সাতটা দিন টানা এত বেশি ধকল গেল তা পুরণ করতে গিয়ে শেষ কয়দিন খুব বেশি বিছানা ছেড়ে ওঠা হয়নি। এখানেই যদি সব শেষ হত তাও ভাল ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শেষের পর প্রথম ল্যাবের জন্য রিপোর্ট রেডী করতে গিয়ে বেক্কল হয়ে আবিস্কার করলাম আমার ঐ সাবজেক্টের সব ল্যাব রিপোর্ট পুরা ফাইল সুদ্ধ গায়েব হয়ে গেছে। গায়েব মানে একেবারে গায়েব। যেরকম ভাবে গায়েব হয়ে গেলে দশ হাজার বার ইন্নালিল্লাহ পড়লেও মুখ ব্যাথা ছাড়া আর কোন লাভ হয়না। পড়লাম মহা বিপদে। আমার ঘুম উর্ধ্ব পাতন প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি উবে গেল। এবার শুরু হল জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা রাউন্ড। আরেকটু নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে দু:স্বপ্ন দেখার শুরু। দিনের বেলাতেও পারতপক্ষে এই সাবজেক্ট টীচারটার ছায়া মাড়াতে চাইনা। আর সে কীনা আমার রাতের ঘুমের সময়েও ওভারটাইম করা শুরু করলো। মাস্টার মশাই আমার নিদ্রার ভেতরে রুটিন মাফিক দর্শন দিতে লাগলেন। স্বপ্নে খালি দেখি বিশাল একটা মাঠের উপর দিয়ে আমি জান প্রাণ নিয়ে দৌড়াচ্ছি। আর পিছনে পিছনে ঐ স্যারটা। তার হাতে আমার হারানো ফাইল খানা ভীমের গদার মত করে ধরা। আমি দৌড়াচ্ছি তো , দৌড়াচ্ছি। কিন্তু মুশকিল হল আমার পা খানা যেখানে ছিল সেখানেই আটকে আছে। একচুলও এগোচ্ছি না। অনেকটা ঘরের ভিতর দৌড়াদৌড়ি করার যে একখানা মেশিন আছে যেটাতে জায়গায় দাঁড়িয়েই লোকজন ম্যারাথন দিয়ে আসতে পারে ঐ রকম। এদিকে আমার আর স্যারের মধ্যকার ব্যবধান প্রতিদিনকার দু:স্বপ্নে একটু একটু করে কমতে থাকে। ঠিক ধরে ফেলবার আগ মুহুর্তে এক সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হল ফাইলটা আমার টেবিলেই আছে। এবং সেটা অন্য একটা ল্যাব রিপোর্ট ফাইল এর ভেতরে ছদ্মবেশে সহাবস্থান করছে। যেই ভাবা সেই কাজ। আমি ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগেই টেবিলের বইয়ের স্তুপে আবার হুমড়ি খেয়ে পড়ি। কিছুক্ষণ খোঁজাখুজির পরই আমার হারিয়ে যাওয়া রিপোর্টগুলো আরেকটা রিপোর্ট ফাইলের ভেতর থেকে কাঁচুমাচু মুখে বেরিয়ে এল।আমি তখনই ঐ অবস্থায় রিপোর্ট হাতে একপাক নেচে নিলাম। ঘুম থেকে উঠে বাকি দুই রুমমেট আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইলো। বোধহয় বোঝার চেষ্টা করলো তারা জেগে উঠেছে না এখনো ঘুমিয়েই আছে।
অনেকদিন পর সে রাতে আমার খুব ভাল ঘুম হলো। এবং কোন রকম স্বপ্ন কিংবা দু:স্বপ্ন দেখা ছাড়াই। ![]()
..........
প্রায় দেড়মাস পর বাসায় গিয়েছিলাম। শবে বরাতের বরাতে এবার টানা তিনদিন বাসায় থাকা হলো। ছুটি শেষে আজই ক্যাম্পাসে ল্যান্ড করলাম। চলে আসার আগে আগে বাসার গেটে দাঁড়িয়ে মা আমার উদ্দেশ্যে বললেন। অনেক কিছুই বললেন। ভালোমত থাকিস। খাওয়া দাওয়া করিস। রাত এগারোটায় ঘুমিয়ে যাবি(!)। বেশি রাত না জেগে ভোরে উঠে পড়ার চেষ্টা করবি(!!)।সবসময় রুমে খাবার জন্য কিছু না কিছু রাখবি। দিনের পড়া দিনেই শেষ করবি(!!!)। .....।.......। কথাগুলো শুনতে শুনতে হঠাৎ আমি খেয়াল করে দেখলাম ঠিক একই কথাগুলোই আমি ক্লাস সিক্সে প্রথম যেদিন ঘর ছেড়ে বেরোই সেদিন থেকে শুনে আসছি। কোন হেরফের নেই। ৯৮ থেকে ২০০৮। দশ বছরের এই সময় ব্যবধানে কত কিছুই বদলে গেছে। খালি মায়ের চোখে সেই সেদিনের আমিই আটকা পড়ে আছি। আর তাকে নিয়েই মায়ের এত দুশ্চিন্তা। এত কিছু বলা। তারপরও প্রতিদিন ঘড়ির কাটা অন্তত সাড়ে তিনটায় না এনে বিছানায় ওঠার কথা মনে পড়বেনা। সপ্তাহে বড়জোর একদিন ব্রেকফাস্ট করার মত বিলাসিতা দেখাতে টাইমলি ঘুম থেকে উঠবো। ঘুমের কল্যানে হয়তো সুর্যোদয় বা সুর্যাস্ত কোনটাই ঠিকঠাক দেখা হবেনা। এবং খুব সম্ভবত শোনা কথাগুলোর কোনটাই শেষমেষ আর মানা হবেনা। তবু তখন মুখে হু হ্যা করে সায় দেই।
বলতে বলতেই মার চোখ কেমন ঝাপসা ঝাপসা হয়ে আসে। শুধু আমিই না, আমার মা ও সেই আগের সময়েই আটকা পড়ে আছে। এতদিন হয়ে গেল তারপরও এতটুকু বদলালো না। এদিকে হোম সিকনেস ব্যাপারটাকে ছুটি দিয়ে দিয়েছি অনেক আগেই। তারপরও আমি সরাসরি মায়ের মুখের দিকে তাকাতে পারিনা। কোনমতে বিদায় নিয়ে নিস্পৃহ মুখে সামনের দিকে এগোই। একবারও পেছন ফিরে তাকাইনা আর।
মায়ের চোখের জল তাকিয়ে তাকিয়ে দেখার মত শক্তি বোধকরি পৃথিবীর কোন ছেলেরই নেই।
.......
কয়েকদিন ধরে আরেকটা ব্যাপার ঘটছে। মাথার মধ্যে দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা খালি একটা গান ঘুরঘুর করে। আজকে ঢাকা টু কেন্দুয়া "বিনিময়" বাসে যখন আসছিলাম তখনও। আবার চন্দ্রা টু বোর্ডবাজার "বনশ্রী"তে করে আসার সময়ও। সারাক্ষন খালি কেউ একজন মাথার ভেতর বসে বসে বিষণ্ণ ভারী গলায় গাইছে, জনি জনি প্লীজ তুমি কেঁদোনা। আর একটুও কেঁদোনা
কাঁদতে মানা করা এই গানের সুর শুনতে শুনতে আমার নিজেরই এখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি টাইপ অবস্থা। গানটা শোনা হয়না অনেক দিন। তারপরও ক্যান যে হঠাৎ আমার উপর ভর করলো ঠিক বুঝতে পারছিনা। তবে এটা ঠিক গানটা আমার খুব খুব প্রিয় একটা গান। যতবারই শুনি না দেখা মানুষ দুজনের কথা ভেবে মনটা কেমন বিষণ্ন হয়ে যায়। গানের লিরিকের ভাঁজে ভাঁজে জমে থাকা কষ্ট গুলো বুঝতে পেরে চুপ করে থাকি। মনে হয় জিমি আর জনি দুরের কেউতো নয়। নিজের জীবন থেকেই উঠে আসা চেনা দুটো চরিত্র। পৃথিবীর সব জিমিরাই বোধহয় এমন বোকা। সময় থাকতে ভালোবাসা বুঝতে পারেনা। যখন বোঝে তখন its too late.এরপর জনি কে কাঁদতে মানা করে নিজেই ঝাঁপসা চোখে মন খারাপ করে নিরর্থক অপেক্ষায় থাকে। কেউ এক মাস, কেউ এক বছর, আর কেউবা এক জীবন।
জনি তবু ভাল থাকুক। বর্ষা ভুলে সারা বছর জনির দু চোখে বসন্ত লেগে থাকুক।
জনি, তবুও তুমি কেঁদোনা.... প্লীজ আর কেঁদোনা।
| Don't Cry Joni.mp3 |
৩
০১
স্বপ্নের মধ্যে সমাধান পাওয়ার ব্যাপারটা আমারও একবার হয়েছিল। তখন আমার বাসায় নতুন ব্রডব্যান্ড লাইন, আমার নেটের নেশাও তখন তুঙ্গে। এরই মধ্যে একদিন বিগড়ে গেল এম এস এন মেসেঞ্জার। সার্ভিস প্রোভাইডার কিছুতেই আর ঠিক করতে পারে না। হপ্তা দু'য়েক পার হয়ে গেল - চিন্তায় চিন্তায় আমার চোখের কোনে কালি। ওয়েব মেসেঞ্জারে চেষ্টা করি - এই স্পীডে পোষায় না। সংকট যখন গুরুতর, একদিন দুপুরে ঘুমের মধ্যে দেখতে পেলাম, সার্ভিস প্রোভাইডারের সেই ছেলে এসে আমাকে বলছে, " ভাইয়া, এই সফটওয়্যার ইন্সটল করেন, সব ঠিক হয়ে যাবে"। সেই সন্ধ্যাতেই ছেলেটা এসে দিয়ে গেল, Dr.TCP। আমার দীর্ঘ বিরহের ইতি ঘটলো তৎক্ষণাৎ । স্বপ্ন নিয়ে ফ্রয়েড চাচ্চুর অনেক প্যাঁচাল আছে - সেগুলো পড়ে দেখতে হবে এর মাজেজা কী। তবে স্বপ্ন নিয়ে আরো একটা খুব ভয়ঙ্কর ব্যাপার আমার সাথে মাঝে মধ্যে ঘটে। সেটা আর কারো সাথে শেয়ার করতে চাই না।
০২
জনাব স্বপ্নাহত, আপনার লেখার হাত ভালো, তবু এত কম লেখেন কেন ?
অভিযোগটা এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন করলাম।
৪
১ নং প্রশ্নের উত্তর:
স্বপ্নের ব্যাপারগুলা আমাকেও খুব ভাবায় মাঝে মাঝে। তবে এখন বেশ কেয়ারফুলি ভাবি। বারবার স্বপ্নাহত হইতে মন চায়না ![]()
২ নং প্রশ্নের উত্তর:
আপনার অভিযোগ গুরুত্বের সহিত মাথায় রাখিলাম। দেখি, এই ব্যাপারে অাজকে আবার স্বপ্নে কোন দিক নির্দেশনা পাই কীনা ![]()
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
৫
স্বপ্নাহত তুমি দেখি আমার পথের পথিক। আমিও ঠিক ক্লাস সিক্সে বাড়ি হতে বের হয়েছি; সেই ১৯৯৬ সালে। একযুগ হয়ে গেল এখনো বাড়ির জন্য মন কাঁদে ঠিক আগের মতোই। মাঝে মাঝে হিসেব করি এই জীবনে বোধবুদ্ধি হওয়ার পরে আব্বু আম্মুর সাথে কয়দিন থেকেছি?
গত বারো বছরে একটানা একমাস আম্মুর সাথে কাটাইনি।
বড় বেশি স্মৃতিকাতর করে দিলে।
---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!
৬
হুম। প্রথম প্রথম কেমন যে উথাল পাথাল লাগতো....
সময় জিনিসটা খুব অদ্ভুত। সব কিছুকেই কেমন পোষ মানিয়ে ফেলে।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
৭
সব স্বপ্নের লিস্ট করে রাখা দরকার। স্বপ্ন আসলে একটা সিনেমা। সেই সিনেমার পরিচালক, মুখ্য অভিনেতা, সম্পাদক, চিত্রগ্রাহক সবই আমি। পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছে যে সিনেমা বানায় না। নাই। কারণ ঘুমের মধ্যে ২০% সময়ই আমরা স্বপ্ন দেখে কাটাই।
স্বপ্নাহত তো অন্তত একটি স্বপ্নের বর্ণনা লিখে ফেলল। এটাকে কি বলা যায়? নির্দেশনামূলক চলচ্চিত্র!?
৮
নির্দেশনামূলক চলচ্চিত্র!?
এইডা আবার কি জিনিস? সাথে একটা উইকি লিংক দিয়া দিলে সুবিধা হইতো।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
১০
স্বপ্ন বোধহয় ব্যাখ্যার অতীত। কখনো কখনো কোনো তত্ত্বের সঙ্গে মিলে যায়, আবার অনেক সময় থেকে যায় জটিল ধাঁধার মতো। আমি প্রায়ই স্বপ্নে বিস্তর লেখালেখির জিনিস পেয়ে যাই, কিন্তু ঘুম ভাঙলে বেশিরভাগ সময় তার কিছুই আর মনে থাকে না
।
অকারণে কোনো গানের সুর মাথার মধ্যে ক্রমাগত বাজতে থাকার ঘটনাও আমার প্রতিদিনের। গত দু'দিন ধরে মাথায় ঢুকে আছে নজরুলের 'জানি জানি প্রিয়, এ জীবনে মিটিবে না সাধ'। কোনো ব্যাখ্যা নেই।
লেখাটা ভালো লাগলো।
-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!
১১
হু।
স্বপ্ন আর গান- দুটো ব্যাপারেই যা বললেন সেটা বোধহয় মোটামুটি সবার ক্ষেত্রেই কমন।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
১২
ঝনি ঝনি কান্দিচ্চা...কান্দিচ্চা ঝনি... কাইনলে আই কিত্তাম...লালালা
সুন্দর আত্মকথন।
--------------------------------------------------------
দুঃখ তোমায় দিলেম ছুটি...
বুক পাঁজর আজ ফাঁকা।
দুঃখ বিদায় নিলেও সেথায়...
দুঃখের ছবি আঁকা।
১৩
ঝনি ঝনি কান্দিচ্চা...কান্দিচ্চা ঝনি
দৃশাফার ধমকানি শুইনা ঝনি তো পুরা দিশাহারা হয়া গ্যাসে মনে হয়। ![]()
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
১৪
বর্ষারে ভুলতে হবে ক্যান? কাহিনী কি? ![]()
পুরা লেখা পর একটা কথাই কমু। সেইটা নীচে আছে।
=============================
তু লাল পাহাড়ীর দেশে যা!
রাঙ্গা মাটির দেশে যা!
ইতাক তুরে মানাইছে না গ!
ইক্কেবারে মানাইসে না গ!
১৬
হায়রে!!
কাছের বন্ধুরাও আইজকাল ভুল বুঝে। যাউজ্ঞা ভাবছিলাম একমাস পরে মরমু, তুই যখন কইলি এখনি লাফ দিমু। টা টা। দোযখে দেখা হইবো।
=============================
তু লাল পাহাড়ীর দেশে যা!
রাঙ্গা মাটির দেশে যা!
ইতাক তুরে মানাইছে না গ!
ইক্কেবারে মানাইসে না গ!
১৭
ফি আমানিল্লাহ।
একটু দেখে শুনে ভাল জায়গা দেখে লাফ দিস।
তুই মরার পর যেন সবাইরে শুনায় বলতে পারি আমগো রায়হাইন্যার চয়েস ভাল।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
১৮
জ্বি, আমার চয়েস খুবই ভালো। বিশ্বাস না হইলে মুমু বেগমরে জিজ্ঞেস করে দেখ। হ্যায় আমারে কইছে এই ব্যাপারে তোরে কিছু শিক্ষা দিতে। ![]()
=============================
তু লাল পাহাড়ীর দেশে যা!
রাঙ্গা মাটির দেশে যা!
ইতাক তুরে মানাইছে না গ!
ইক্কেবারে মানাইসে না গ!
১৯
তোর চয়েস ভাল? হ্যায় এই কথা কইসে?
স্যরি,ব্যাপারটা আর আমার হাতে থাকলোনা। ডাউট লিস্টে মুমু বেগম এর নামও তাইলে তোর পরেই রাখা হইলো।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
২০
আবীরের কাছ থেকে টিপস নেয়া দরকার তোমার স্বপ্নাহত, সিরিয়াসলি। জনি জিমির কান্নাকাটি বাদ দিয়ে আবীরের কাছে দিক্ষা নেয়া শুরু কর। ![]()
কি যেন একটা কথা আছেনা শুভই শিঘ্রম না কি জানি।
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে
২১
আর তুমি আমার কাছ থেকে নিও। শুভস্য শীঘ্রম কথাটা তোমার জন্য আরো বেশি দরকারী। বয়স তো আর কম হইলোনা
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
২৩
স্বপ্নাহত - তাইলে হইসে! তোমার কাছে শিক্ষার আশায় থাকলে আমার আর এই জীবনে কিছুই হবেনা।
ধু-গো ভাই দেখেনতো, এই কলিরকালের পোলাপান বড় ফাজিল!, অবশ্য কারে কি কই...
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে
২৪
গুরু, আপনারে কয় ফাজিল!!
দেন দেহি, আপনের বদনাটা আমার হাতে দিয়া লন। সাইজ করতে তাইলে সুবিধা হইবো।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
২৫
আমি বুঝিনা এই ছেলেটা এতো চমতকার লিখে কিন্তু নিয়মিত না কেন ! লেখা দুর্দান্ত হইছে ভাই.. তবে একটু নিয়মিত লেইখেন ।
২৬
কি যে কন ভাই। কে বলে আমি রেগুলার না।
আমি তো নিয়ম করে অনিয়ম করি। ![]()
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
২৭
ভাল্লাগছে।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
৩০
ই স্নিপস লিংক জেনারেটর দিয়ে ই- স্নিপস থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
৩১
চমৎকার লেখা !
খুব ভাল লাগল।
৩৩
স্বপ্নাহত, দুনিয়ার সব মায়েরা একরকম বোঝা যাচ্ছে।
আমি অনেক আগেই ছাত্রত্বের পাঠ চুকিয়েছি।
কিন্তু প্রায়ই এখনও স্বপ্নে দেখি পরের দিন পরীক্ষা অথচ কিছুই পড়া হয়নি।
প্রচন্ড টেনশনে ঘুম ভেঙ্গে যায়। তখন হাঁফ ছেড়ে বাঁচি। এখন ও কেন এরকম স্বপ্ন দেখি জানি না।
গানের ক্ষেত্রে আমার অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। যে গান আমি পছন্দ করছি না সেটার সুর মাঝে মাঝে মাথায় ঢুকে যায় । তখন না চাইলেও সেটা গুন গুন করতে হয় । কী যে বিরক্তিকর অবস্থা!
লেখাটা সম্পর্কে নতুন করে কী বলবো?আগের কমেন্ট প্রযোজ্য ।
পরিবর্তনশীলের খবর কি?
৩৪
হা হা হা।
আপনার এই দু:স্বপ্নটা এত বেশি কমন যে, যে লোকটা কোনদিন পাঠশালার পথ মাড়ায়নি সেও বোধহয় ডজেন খানেক বার এই স্বপ্নটা দেখে। ![]()
গানের ব্যাপারটা পড়ে মনে হল আমিও অদ্ভুত কিসিমেরই কিছু একটা হব। কারণ চরম অপছন্দের গানগুলিই আমি সবচে বেশি গুনগুন করি।
অদ্ভুতই বৈকি। তারমানে বোঝা গেল দুনিয়ার সব মা ছাড়াও আরো অনেক মানুষই অনেকক্ষেত্রে একরকম ![]()
পরিবর্তনশীলকে তো ভালই দেখি। মুভি ছাড়া আর কোন দিকে তার তেমন একটা ইন্টারেস্ট দেখা যাচ্ছেনা ইদানিং। হয়তো কয়দিন পর দেখা যাবে মুভির ভুত ছেড়ে অন্য কোন ভুত ঘাড়ের ওপর চাপবে।
লেখা নিয়ে কিছু বলার দরকার নেই। কমেন্ট এর ঘরে আপনার অনিন্দ্যসুন্দর নামটা দেখলেই সবকিছু পেয়ে যাবার আনন্দ হয়।
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
৩৫
যাক মিল আছে অনেক তাই না?
পরিবর্তনশীলকে বলো আমরা ওকে খুব মিস করছি।
সচলায়তনে যেন তাড়াতাড়ি হাজিরা দেয়.......
৩৬
সব বুঝলাম। কিন্তু জনিটা কে? আমি তো জানতাম জনি পোলাদের নাম হয়। নাকি জনি নামের মাইয়া পাইয়া গেছস। কী যুগ আসল! নাম দেইখা ঠাউর করন যায় না। পোলা না মাইয়া। ![]()
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল
৩৭
ডরাইস না, ডরাইস না। আর যাই হোক, অন্তত তোর ভাবীর নাম জনি হবেনা ![]()
---------------------------
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...
৩৯
১
মায়ের কাছে সন্তানের বয়স কখনোই বাড়ে না। সব মায়েরাই এরকম।