বাংলাদেশ - ভারত ম্যাচের আগে চিলে আদৌ কান নিয়েছে কি না নিশ্চিত হয়ে নিন

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: বুধ, ১৮/০৩/২০১৫ - ৭:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ্বকাপ জমে উঠেছে। সেই সাথে জমে উঠেছে বাংলাদেশ এবং ভারতের সমর্থকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধকে উসকে দিচ্ছে কিছু অনলাইন পত্রিকা যাদের জন্মই হয়েছে যেকোনো উপায়ে মানুষের ক্লিক পেয়ে বিজ্ঞাপনদাতার কাছ থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা পকেটে ঢোকানোর জন্যে। এই পত্রিকাগুলোর নামের আগে নিউজ, বিডি, ২৪, ৭ ইত্যাদির বিশেষ সংযোজন পরিলক্ষিত হয়। এরা সাধারণত মানুষের ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক অনুভূতি নিয়ে ব্যবসা করে কিন্তু বর্তমান বিশ্বকাপের মৌসুমে দেশপ্রেমকেও তারা নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র হিসেবে আবিষ্কার করেছে। এরা ইচ্ছা করে মিথ্যে এবং ভ্রান্ত সংবাদ তৈরি করে সেটাকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংবাদগুলো এমন হয় যে হেডলাইন দেখেই মানুষের মেজাজ চড়ে যায়। নিজে গিয়ে নিউজটা পড়ে, রাগপ্রকাশের মাধ্যম হিসেবে সেটা শেয়ারও দেয়। ফলে একজন থেকে দুইজন এবং এভাবে দুইজন থেকে দশজন হয়ে শত শত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে মিথ্যে সংবাদগুলো।
গত তিন দিনে ফেইবুকে এ ধরনের মিথ্যে সংবাদগুলো দেখে একটা FAQ তৈরি করার প্রয়োজন বোধ করছি। তবে প্রশ্নগুলো কিন্তু মোটেও আমার তৈরি না। অনেকটা এভাবেই বন্ধু তালিকার মানুষরা অথবা বন্ধুর বন্ধুরা প্রশ্নগুলো রেখেছে তাদের স্ট্যাটাসে। আসুন জেনে নেই চিলে কি আদৌ কান নিয়েছে নাকি কান কানের জায়গাতেই আছে!

১) প্রশ্ন: ভাই, শুনলাম বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে নাকি দুইটা আম্পায়ারই ভারতের?

উত্তর: জ্বি না, ভাই। প্রথমত সেটা সম্ভব না। ICC’র যেকোনো ‘মেজর টুর্নামেন্ট’-এ নিরপেক্ষ আম্পায়ার থাকে। বিশ্বকাপ কোনো হোম সিরিজ না যে একটা আম্পায়ার দেশের এবং আরেকটা নিরপেক্ষ হবে। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ এবং ভারতের ম্যাচের আম্পায়ার ইতোমধ্যে আইসিসি ঘোষণা করেছে। মাঠে থাকবে পাকিস্তানের আলিম দার এবং ইংল্যান্ডের ইয়ান গোওল্ড। থার্ড আম্পায়ার থাকবে অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ডেভিস এবং ফোর্থ আম্পায়ার থাকবে তারই স্বদেশি পল রেইফেল। ম্যাচ রেফারি থাকবে শ্রীলঙ্কার এককালের স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান রোশন মহানামা। আমার কথা বিশ্বাস না হলে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আফিশিয়াল পেইজে গিয়ে দেখতে পারেন।

সূত্র: কোয়ার্টার ফাইনালের আম্পায়ার

২) প্রশ্ন: ভারত তাদের সুবিধার জন্যে ভেন্যু পর্যন্ত বদলায় ফেললো! এটার কোনো মানে আছে?

উত্তর: ভাই, থামেন! কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন হতে পারে, এটা যখন ফিকশ্চার তৈরি করা হয়েছিল, তখনই ICC জানিয়েছিল। তারা ‘ICC venue allocation criteria for ICC Cricket World Cup 2015 quarter-finals’ নামে একটা আর্টিকেল আগেই প্রকাশ করেছে। সেখানে তারা স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে,

...if the ICC Cricket World Cup 2015 co-hosts, Australia and New Zealand, were to qualify from Pool A, they will play their quarter-finals in Adelaide and Wellington on 20 and 21 March, respectively. ...Explaining the quarter-final venue allocations, ICC General Manager – Cricket, Geoff Allardice, said: “It is customary for the ICC to afford the hosts the opportunity to play knock-out matches at home where possible during an ICC Cricket World Cup.

শুধু তাই না, সেমিফাইনালের বিষয়েও ICC আগেই জানিয়ে রেখেছে যে,

As far as semi-finals are concerned, if Australia and New Zealand qualify, then they will play at home unless they are scheduled to meet each other. In this case, the side that finished higher in Pool A will host the match.

এরকম অবস্থায় যা দাঁড়িয়েছে: গ্রুপ পর্যায়ের পজিশনের কারণে বাংলাদেশ এবং ভারতের ম্যাচটা পড়েছে ওয়েলিংটনে এবং নিউজল্যান্ডও কোয়ার্টার ফাইনালে কোয়ালিফাই করেছে। অতএব, আমাদের নিউজিল্যান্ডের জন্যে ম্যাচ ছেড়ে দিতে হয়েছে। যদিও এর বিপরীতে ICC আমাদের ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মাঠ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (MCG)-এ আয়োজন করেছে। এই MCG-তে গ্রুপ পর্বেও বাংলাদেশ একটা ম্যাচ খেলেছে। মনে রাখা জরুরি এই মাঠ খুবই নাম করা। সারা পৃথিবীর চোখ থাকবে এই মাঠে। এখানে খেলতে পারায় বরং খুশি হওয়া উচিত।

সূত্র: আইসিসির বক্তব্য (আগেই প্রকাশিত)

৩) প্রশ্ন: ভারতের সাপোর্টাররা নাকি MCG’র ৯০ হাজারের মধ্যে ৮০ হাজার টিকেট কেটে ফেলছে?

উত্তর: কনমসেন্স আজকাল এত আনকমন কেন? টিকেট অনলাইনে ছাড়া হয়েছে। ঘরে বসেই টিকেট কাটা যায়। আমি নিজে এই মাত্র টিকেট কাটার চেষ্টা করলাম এবং টিকেট পেয়েও গেলাম। কালেক্টও করা লাগে না। টিকেট কেটে ঘরে বসে প্রিন্ট করে নিলেই হবে। নিচের ছবিটা দেখুন:

এখন কথা হচ্ছে কে টিকেট কাটবে আর কে কাটবে না, সেটা নির্ভর করছে সমর্থকদের উপর। ভারতের সমর্থকরা যদি ৮০ হাজার টিকেট কাটে, তাহলে অবশ্যই আমাদের বুঝতে হবে যে বাংলাদেশের সমর্থকরা টিকেট কাটার চেষ্টাই করে নি! কিন্তু তেমনটা হবার কথা না। প্রচুর বাংলাদেশি আছে অস্ট্রেলিয়াতে। তারা কি টিকেট সংগ্রহের চেষ্টা করবে না? অবশ্যই করবে। যদিও MCG-তে বাংলাদেশের ম্যাচটায় গ্যালারি প্রায় ফাঁকা ছিল কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশি ভাই-বোনেরা ভারতকে ছেড়ে কথা বলবে, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। হয়ত ৫০-৫০ হবে না। কিন্তু ৬০-৪০ পাল্লা কি হতে পারে না? আপনি যদি মেলবোর্ন বা সিডনিতে থাকেন, তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে একটা টিকেট কেটে মাঠে যেতে ভুলবেন না কিন্তু! আর সান, মুন, জুপিটার ইত্যাদি লাইকখোর পত্রিকার নিউজ পড়াও বন্ধ করুন।

বাংলাদেশ - ভারত ম্যাচের টিকেট কাটার অফিশিয়াল লিঙ্ক

৪) প্রশ্ন: সিধু এটা বলেছে, দাদা ওইটা বলেছে, ওমুক ওইটা বলেছে। এরা সব শয়তান; আমার দেশের খারাপ চায়। তাই না?

উত্তর: আপনি-আমি যা করছি, তারাও তাই করছে। আমরা আমাদের দেশের জন্যে কথা বলছি। তারা তাদের দেশের জন্যে। এখানে খারাপ-ভালো চাওয়ার কিছু নেই। তাদের টিভিতে বসে তারা নিজেদের দেশের প্রশংসা করছে, প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখছে, প্রতিপক্ষের সমালোচনা করছে। তো? এটা নিয়ে উত্তেজিত হবার কী আছে? যদি মনে করেন জবাব দিতে হবে; তাহলে সেটা দেয়ার আসল জায়গা মাঠ। ইংল্যান্ডের সাথে আমাদের ক্রিকেটাররা দিয়েছে। আশা করি ভারতের সাথেও দিবে। যদি না পারে, তাতেও দুনিয়া উলটে যাবে না। ভবিষ্যতে অন্য কোনো দিন দিবে। কিন্তু সিধুর হাসি দেখে দেখে আর ঐসব ফালতু পত্রিকার খবর পড়ে - তাও আবার টাইটেলে লেখা থাকে ‘ভিডিওসহ’ - ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে নিজের পরিবারকে কেন বিপদের মুখে ঠেলে দিবেন? প্রশ্নটা এবার আমিই রেখে গেলাম।

৫) প্রশ্ন: আমি আর জীবনে পেপসি খাবো না। পেপসি তাদের কমার্শিয়াল হিসেবে ‘মওকা মওকা’ ভিডিওটা বানিয়েছে। (প্রশ্ন না, রীতিমত পণ)

উত্তর: পেপসি না খাবার ডিসিশনটা ভালো ছিল। শরীরে বিনাকারণে শুধু চিনি ঢুকাতে হলে চিনি গুলিয়েই খেতে পারেন; পেপসির মাধ্যমে চিনি সেবন তেমন প্রয়োজনীয় না। কিন্তু, যে কারণে পেপসি খাওয়া বন্ধ করলেন, সেটা নিয়ে দুটো কথা বলার আছে। ভিডিওটা আপনি দেখেছেন? আশা করি দেখেছেন। তা না হলে এত উত্তেজিত হতেন না। ভিডিওটা এ্যামেচার ফ্যানমেইড ভিডিও। অত্যন্ত নিচু মানের (ভিডিও কোয়ালিটি + মেটেরিয়াল) একটা ভিডিও। পেপসির একটা কমার্শিয়ালের প্যারডি করে এক অখ্যাত ভারতীয় ফ্যান ভিডিওটা বানিয়েছে। অথচ আপনার-আমার মতো মানুষের লাফালাফিতে ভিডিওটা হিট হয়ে গেছে। সাথে বিভিন্ন বাংলা অনলাইন পত্রিকা এই ভিডিও নিয়ে আপনার-আমার মেজাজ যাতে আরো খারাপ হয় সে বিষয়টাকে মাথায় রেখে পত্রিকায় খবর ছাপাচ্ছে। ফলাফল, আপনার ব্লাডপ্রেশার বাড়ছে আর তাদের বাড়ছে হিট। আর এটা হয়ত জানেন, যত হিট, তত টাকা! পুরাই লালে লাল।

৬) প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নাকি নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কাছে বাংলাদেশকে হারতে। কিন্তু মাশরাফি নাকি সেটা মানে নাই? এছাড়া নাকি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্যে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা কলগার্লেরও ব্যবস্থা করছে?

উত্তর: বিশ্বব্যাপী তেল এবং গাঁজার দাম একই সাথে কমে যাবার কারণে এই নিউজটা জন্ম নিয়েছে। রিপোর্টার ভাই কোনো বিশেষ দলকে তেল দেয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অতিরিক্ত ঢেলে ফেলেছে। তবে এতে তাকে দোষ দেওয়া যায় না। যেহেতু গাঁজার দামও কমে গেছে, তাই টানটা ওইখানেও অতিরিক্তই হয়ে গিয়েছিল।
তো, এত কথাবার্তার কারণ হচ্ছে কানটা কানের জায়গা আছে কি না সেটা পরীক্ষা করে দেখা। কী মনে হয়? হাত দিয়ে দেখুন তো। কানটা কি ঠিক মাথার পাশেই ধরা যাচ্ছে? যদি যায়, তাহলে বুঝতে হবে চিলে নিয়ে যায় নি এখনও। তবে ঐ বিডি নিউজ বিস্ফোরণের কারণে তৈরি পত্রিকার খবর যদি বিশ্বাস করা এবং শেয়ার করা চলতে থাকে, তাহলে কিন্তু চিল, ঈগল, এ্যালবাট্রাস- যে-ই আপনার কান পাবে ছোঁ মেরে নিয়ে যাবে।
কানটা কি কানের জায়গাতেই রাখবেন নাকি পক্ষীকূলের বৃহৎ আকৃতির কোনো সদস্যকে আমন্ত্রণ করে ডেকে এনে দিয়ে দেবেন- সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব আপনার জন্যেই তোলা রইলো।

১৮ মার্চ ২০১৫
গ্লাসগো, স্কটল্যান্ড।

সংযুক্তি:

নো কমেন্টস!


মন্তব্য

জীবনযুদ্ধ এর ছবি

তর্করাজ তুষাড়রাও যখন ওই দু নম্বর পয়েন্টটি বলে বেড়ায় তখন ভাবি আমরা আসলেই " গাঞ্জা খোর" একটা জাতি

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি

আমিও লক্ষ্য করেছি, ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে অনেকেই না জেনে মন্তব্য করেছে। এর জন্যে সম্ভবত কিছু মেইনস্ট্রিম পত্রিকাও দায়ী।

নাশতারান এর ছবি

বিশ্বব্যাপী তেল এবং গাঁজার দাম একই সাথে কমে যাবার কারণে এই নিউজটা জন্ম নিয়েছে।

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি

বানান ঠিক করে দেয়ার জন্যে কৃতজ্ঞতা। অনেকদিন পর লিখতে বসে খুবই এলোমেলো একটা লেখা দাঁড় করিয়েছি। বানানগুলো ঠিক করে দেয়াতে তবু সেটা কিছুটা পাঠযোগ্য হয়েছে।

নাশতারান এর ছবি

নিজের চর্চার জন্যই বানান দেখি আমি। কিছুদিন লেখায় ছেদ পড়লে বানান বিগড়ে যায়। আপনার এমন কিছু ভুল ছিলোও না। হাসি

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

মুদ্রা সংগ্রাহক এর ছবি

হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে গেল। এমনি নিউজগুলো দেখলেই হাসি পায় সেটার এমন চমৎকার উপস্থাপন। হা হা হা

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি

এই নিউজগুলো দেখলে আমি নিজেও হাসি। অথচ মাঝে মাঝে অবাক লাগে যে কিছু মানুষ এটা সিরিয়াসলি নেয়। একদম শেষ পয়েন্টটা নিয়ে একজন সিরিয়াসলি পোস্ট দিয়েছে আজ!

বাংলাবাবা এর ছবি

কি আর কইতাম, সবচেয়ে দাম বেশী কমছে মনে হয় গাঞ্জা আর ব্যান্ডউইথের, সাথে অভ্র কিবোর্টটাও ফ্রী

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি

তা তো বটেই!

অতিথি লেখক এর ছবি

"শরীরে বিনাকারণে শুধু চিনি ঢুকাতে হলে চিনি গুলিয়েই খেতে পারেন; " হো হো হো
হাহহহ হাহহ এর চেয়ে ভাল জবাব আর হয় না।
উপরের এই ধরনের প্রশ্ন দেখে বুঝাই যাচ্ছে information overload কেমন হারে বাড়ছে, কয়েকদিন পরেই দেখতে পাবো bdnews24x7.dot সংবাদ সংস্থা

সাজ্জাদুর রহমান

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
মন মাঝি এর ছবি

-----

****************************************

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

এরা পারেও।

টিকেটের খবরটা পেয়ে আশ্চর্য হলাম। বেশ স্বনামধন্য একটি মূলধারার পত্রিকাতেও মনে হয় দেখেছিলাম যে আশি হাজার টিকেট ভারতীয়রা কিনে নিয়েছে। যা বুঝলাম, না খতিয়েই রিপোর্ট করাতে ভুঁইফোড় নিউজ পোর্টালগুলোর পাশাপাশি ঐ পত্রিকাগুলোও কম যায় না।

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি

টিকেট বিক্রির খবরটা কতটা আজব ছিল সেটা আজ আবার টের পেলাম। প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে সাউথ আফ্রিকা যখন ব্যাটিং করছিল, তখন ১৬.১ ওভারের বোলিং চলাকালে, কমেন্টেটর বলছিল বেশ কিছু টিকেট এখনও বাকি রয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের। তখন অফিশিয়াল সাইটের ওয়েব এ্যাড্রেস শেয়ার দিয়ে বারবার জানাচ্ছিল যেন টিকেট কিনে দর্শকররা।

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক

দেবদ্যুতি

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

দরকার ছিল চলুক

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

ধুর্মিয়া, আপ্নে তো www.yellowxxx24.pak এর পাঠকসঙ্খ্যা কমায়া ফালাইবেন, এই জন্যই "মূলধারার" পত্রিকা ও তার পাঠকগোষ্ঠি 'বলগ' জিনিসটারে বিষবৎ ডরায় গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

দিগন্ত এর ছবি

মাঠে থাকবে পাকিস্তানের আলিম দার এবং ইংল্যান্ডের ইয়ান গোওল্ড। থার্ড আম্পায়ার থাকবে অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ডেভিস এবং ফোর্থ আম্পায়ার থাকবে তারই স্বদেশি পল রেইফেল।

ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আগের দুই জয়ের সময়ে এরাই আম্পায়ার ছিলেন। ২০০৭ এ স্টিভ ডেভিস ও আলিম দার, ২০১২ তে পল রেইফেল আর ইয়ান গোওল্ড।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

Somnath Bachhar এর ছবি

হো হো হো হো হো হো হো হো হো
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।গত কয়েক দিন ধরে এই সব কথা বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম খেলাকে সামনে রেখে দুটি দেশের মানুষের মধ্যে অযথা বিতর্ক তৈরি করছে।তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার।মুনাফা।কিন্তু আমারা বোধহয় এদের ফাঁদেফাঁদে পড়ে গেলাম।

রানা মেহের এর ছবি

গাঁজা আর তেলের দাম যত কমেছে গাধাও বেড়েছে তত।
আপনার লেখাটা দরকার ছিল

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

মন মাঝি এর ছবি

আরে, আপনি এভাবে গাঞ্জাখোর আর গাঞ্জাব্যবসায়ীদের পিছে লাগলে কেমনে হবে বলেন দেখি! এজন্যেই বাঙালী ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি করতে পারে না। ঐ যে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন না - রেখেছ গাঞ্জাখোর করে, ব্যবসায়ী করনি! আমরা ঘরের 'শুক্‌না'-য় লম্বা লম্বা দম দিয়ে ফেসবুকের বনে মোষ তাড়াতে তাড়াতে এখন এই ডিজিটাল যুগে এটা নিয়ে একটু ব্যবসাপাতি করতে চাচ্ছি, তা নিয়ে আপনার এত গা-জ্বলুনি কেন রে ভাই? আমি নিজে এদিকে bdganja24x365 নামে একটা টিভি চ্যানেলের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি, অথচ আপনার কালাপাহাড়ি কর্মকাণ্ডে আমার চ্যানেলটা অঙ্কুরে না, বিচিতেই বিনাশ হয়ে যাবে দেখছি! ভাবুনতো, এটা হলে আরও কত ফেসবুকীয় শুক্‌নাসেবীরা করে কম্মে খেতে পারত, উন্নতির জোয়ারে দেশ কতটা ভেসে যেত! আপনার দিলে কি একটু মায়া-মহব্বত নাই এইসব বেচারা অকাল কুষ্মাণ্ড অকম্মার ধাড়ি এঁড়ে গাঞ্জাখোরগুলার জন্য??!!!

****************************************

অতিথি লেখক এর ছবি

দেশে আজকাল নতুন নতুন অনলাইন নিউজ তৈরি হচ্ছে আর যত্তসব ফালতু নিউজ বের করছে, আর সাধারন জনগণ তা শুধু পড়ছেনা রীতিমত গিলছে।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।