রোদ হচ্ছে বৃষ্টি হচ্ছে প্রজাপতির বিয়ে হচ্ছে…

কাজী আফসিন শিরাজী এর ছবি
লিখেছেন কাজী আফসিন শিরাজী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১২/২০০৯ - ৬:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ কবিতার দিন, ভেজা শাড়ি রোদে শুকাবে না।

আবু হাসান শাহরিয়ার

করকরা রোদে শুকাবে বলে দড়িতে ঝুল খাচ্ছে আমার কাপড় চোপড়। শুকাচ্ছে না। মেঘের শাওয়ারে গোসল সারছে নগরতলী। আজ কী তবে কবিতার দিন?

#

টোয়ালাইট নিউ মুন হলের শো শেষে এক্সিট গেটের কাছে মানুষের ভীড়। চরিত্র দুজন দাঁড়িয়ে আছে মুখোমুখি, ঐখানেই সিনেমার শেষ। চরিত্রগুলোর কী সহযে ‘দি এন্ড’-এর সাথে ঘটনা থেকে ছুটি মিলে। আর যারা এত এত বছর ধরে অভিনয় করে যাচ্ছে নাগরিক মেগাসিরিয়ালে তাদের ছুটির নোটিশ আসেনা। নাটক শেষেও তারা আবেগী সুতার হুকে বাধা থাকে। নিউ মুন দেখে ঘরে ফেরা মানুষদের মধ্যে কোন এক দর্শক হঠাৎ আবিষ্কার করে তার ফিরে যাবার কোন ঘর নাই। তবু সে হাঁটছে রবার্ট ফ্রোস্টের সহস্র মাইল, একটা ঘুমের বড়ির খোঁজে। এই বর্ষনে ভীজছে না তার চুল, প্রতিস্থাপিত এক আমব্রেলা হাতে ধরে সে হাঁটছে, ভিজছে তার প্যান্ট গুটানো পা। ছেলেটার ভাবনার হলোগ্রাফিক স্ক্রিনে দেখছে রিক্সায় একটা ছেলে একটা মেয়ে কী প্রচন্ড শিহরনে তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে। আবু হাসান শাহরিয়ারও কী ঐ ছবিটা দেখেছিল? ওনার কবিতার দু-লাইন ঐ ছবির ক্যাপশন হতে পারে,

বোধের মিছিল মৌন ছিল, কোনও কথাই হয়নি বলা-
এক দুপুরের ভালবাসার শাক্ষী শুধু রিকশাঅলা।

#

হতে পারে ওটা কোন ঘোর কল্পনা। হতে পারে ওটা একটা শুধুই কথার কথা। হতে পারে………… কী আর হতে পারে? বাস্তব! স্বপ্ন থেকে ঐ মেয়েটা কী বিডিয়ার বিয়েসেফের চোখ ফাঁকি দিয়ে একদিন ঢুকে পরেছিল এই জাদুবাস্তবতার শহরে?

#

প্রজাপতি ফুল গাছে বাসা বাঁধে না। তার বাড়ি জলভাসি এক নদীর দেশে। সে হয়ত আর কোনদিন ছেলেটার পরিশ্রমী বাগানে মধুর খোঁজে আসবে না। আসবে অপেক্ষার নির্বাসন। আজন্ম মুগ্ধ নক্ষত্রের রাতে কার্ণিশের পা দুলিয়ে বসে থাকবে পাখির মত ছোট্ট কোন আশা। হয়ত আগামিকাল… অগুনতি আগামিকালের পিছে যে অসহ্য সুন্দর দিন লুকিয়ে আছে হয়ত সেইদিনই… হয়ত…

#

আমার জীবন বিগ ব্যাঙ্গ থিউরী মেনে চলে। স্বপ্ন ও জীবনের নেট মাসের কেন্দ্রে কোথাও একটা বিষ্ফোরন হয়েছে। ক্রমে অনন্ত প্রসারিত হতে হতে দূরে সরে যেতে থাকি সবার থেকে। আলোকবর্ষ দূরে। যত দূরে গেলে কবেকার কাছের সব কিছু বিন্দুর মত দেখায়। কোন অভিকর্ষ আর টুকরোগুলোকে এক করবে না। একজন মানুষ ও তার স্বপ্ন এখন অসংখ্য বিচ্ছিন্ন প্ল্যানেট।

#

চোরের ঘরে ধুলোয় মলিন বুকশেলফে কেমন আছো?
চোর কি জানে, চোর কি জানত,
আমি তোমাকে মুখস্ত পাই অদ্যোপান্ত?

আবু হাসান শাহরিয়ার

আমি এক বোকা পতঙ্গের মত, যে কিনা খাদ্যের লোভে চালের বস্তায় আকড়ে ধরেছিল, অতঃপর ঘটনা চক্রে বিশাল কোন বানিজ্যিক জাহাজে করে চলে আসে অন্য দেশে। যখন সে ফিরে যেতে চায় আবার পুরাতন দেশে, তখন সে মরিয়া হয়ে জাহাজ খুঁজে পায় না। চলে যায় আবার অন্য দেশে। পতঙ্গ কী আর সাগর সাঁতরে পারি দিতে পারে(?)…

#

প্রজাপতির পরনে লাল শাড়ি। ঝন ঝন। কী চুড়ি ঐগুলো? এত দূর থেকে আমি শুনতে পাই! স্পষ্ট। তোমার পাশে ঐ স্মার্ট ছেলেটা কে? তুমি কী পানি বন্টনের চুক্তি করেছ ভিনদেশিদের সাথে? সব নদী কেন নিজের মত বয়ে চলতে পারে না? আমন ধানের ক্ষেতের পাশে যে লাশ পরে আছে সেই বা কে?

#

সুখী হও…


মন্তব্য

অতিথি লেখক এর ছবি

চমৎকার লিখেছেন। কিন্তু এই সক্কালবেলা মনটা খুউব বেশি খারাপ করে দিলেন যে। ভাল থাকবেন!!!
এস হোসাইন

---------------------------------
"মোর মনো মাঝে মায়ের মুখ।"

নুহিন এর ছবি

সক্কালবেলা দাঁত ব্রাশ করে এইসব মন খারাপের ময়লা পরিষ্কার করতে হয়। তাই করলাম।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

ইয়ে মানে, প্রজাপতির তো বিয়ে হয়ে গেছে বলেই জান্তাম চিন্তিত চোখ টিপি
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদ্বপি গরীয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

নুহিন এর ছবি

না অক্ষনও হয়নাই। শপিং চলতাসে। তার বিয়া তে করব কিছু যায় আসে না। হঠাৎ কেন জানি সকালবেলা ফুসফুসের মধ্যে পিন পিন ব্যাথা লাগতেছিল। কেন জানি না। লিখালাইলাম তাই।

জুয়েইরিযাহ মউ এর ছবি

মনটা এমনিতেই ভালো নেই, বিষন্নতা বাড়ালে খানিকটা।
তবে ঐ টুকরো টুকরো কবিতাগুলো পড়তে বেশ লাগলো আর কবিতাকে ঘিরে গড়ে ওঠা লেখাটাও হাসি

----------------------------------------------------------
জানতে হলে পথেই এসো, গৃহী হয়ে কে কবে কি পেয়েছে বলো....


-----------------------------------------------------------------------------------------------------

" ছেলেবেলা থেকেই আমি নিজেকে শুধু নষ্ট হতে দিয়েছি, ভেসে যেতে দিয়েছি, উড়িয়ে-পুড়িয়ে দিতে চেয়েছি নিজেকে। দ্বিধা আর শঙ্কা, এই নিয়েই আমি এক বিতিকিচ্ছিরি

নুহিন এর ছবি

মৌ, এইটা কোন লেখার জাতই না। লিখতে গেসিলাম আজকে আবহাওয়া লইয়া। হঠাৎ মন থেকে একটা ব্যথা ফনা তুইলা উঠল। কী লিখসি পরে পড়ে নিজেও বুঝি নাই। কিছু যায় আসে না।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

দীর্ঘশ্বাস...

...........................

কেউ আমাকে সরল পেয়ে বানিয়ে গেছে জটিল মানুষ

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

নুহিন এর ছবি

এইসব দীর্ঘশ্বাসের ওজন কত?

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

আবু হাসান শাহরিয়ার ও পড়া হয় নাই...
কত কিছু যে বাকি আছে পড়ার...

_________________________________________

সেরিওজা

নুহিন এর ছবি

হাজিরা খাতায় মেলা লোকসান।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

আমারো শেষ বাক্য- সুখী হও!
..........................................................................

আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ ব'সে অপেক্ষা করার সময় আছে।

নুহিন এর ছবি

সুখ কী? আমার তা কতটুকুইবা জানি?

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

শুরুতে ভাবছিলাম আমারও পছন্দের কবি আবু হাসান শাহরিয়ারকে নিয়ে একটু গল্প করবো তোমার সাথে (যদিও উনাকেও অনেক কমই পড়া আমার)।

কিন্তু, নুহিন, তুমি যে একটা কী! এত্ত মন খারাপ সব-সময়! সব সময়ই মেঘ-কুয়াশায় ঘুমাও তুমি! এত সুন্দর এত মায়ামাখা এই ঘুম! আর এত বেশি ভেজা! কয়টা রবির রোদ লাগবে এগুলো শুকাতে!

শোনো ভাইটা, আমি সাত সমুদ্র পাড়ি দেই নাই, কিন্তু, তোমার মধ্যে আমি কয়েক বছর আগের আমাকে দেখতে পাই। এইরকম সাদৃশ্য খুব আনন্দদায়ক না, অস্বস্তিকর কেমন কেমন!
তোমার লেখা আজকেও পড়তে পড়তে মনে হ'লো- সামনে কোনোদিন দেখা হ'লে তোমার সামনের চুল-ক'টা আলতো স্নেহে নাড়িয়ে দেবো হাতের আঙুলে। বলবো- "ক্যান্ রে ভাই?! ..." মন খারাপ

বেশ ভালো লেখো তুমি। ভালো থাকো ভাই।

___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

নুহিন এর ছবি

আবু ভাইয়ের আরেকটা লাইন মনে পরে গেল-

অল্পতে আমার ভরবে না মন, ভিক্ষা যদি করি তুমি মোহর দিও।

আমি মোটেও দুঃখী মানুষ না। আমি একটু খাপছাড়া। এই যা। দেখা হবে অবশ্যই খুব চমৎকার কোন দিনে। আপনাকে অনেক গল্প শুনাবো। আপনিও থলেতে এখন থেকেই কিছু গল্প ভরে রাখেন, পরে যদি হুরো হুরি করে গল্পগুলো মনে না পরে...

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

তুমি মোটেও দুখী মানুষ না- এই আশ্বস্তি পেয়ে অনেক ভালো লাগলো। সিন্সিয়ারলি।
ঠিক আছে ভাই। গল্পমোহর জমা ক'রে রাখছি তোমার জন্য। তেমার গল্পের জন্যও তৃষ্ণা বাঁচিয়ে রাখবো, যতোদিন না সেই সুন্দর দিনটা আসে। হাসি
ভালো থাকো। অনেক। প্রাণ খুলে।

___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

নুহিন এর ছবি

সুন্দর দিনের কাছে যাওয়ার নৌকা-ছৈ তালাশ করতে থাকি তাহলে...

রাফি এর ছবি

লেখাটা অনেক ভাল লাগল। আবু হাসান শাহরিয়ার কে তাহলে চোখের সামনে ধরতেই হবে।
সবকয়টি টুকরো কবিতাই চমৎকার...

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

নুহিন এর ছবি

কবিতাগুলো জীবন নিয়ে লেখা। জীবনের ঘটনাগুলোই চমৎকার সুন্দর। সম্ভবত ঐ কারণেই কবিতাগুলোও বিচ্ছিরি রকমের সুন্দর!

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

ভালো লাগলো নুহিন... আপনার লেখা পড়তে ভালো লাগে খুব... কষ্ট নিয়ে লিখলেও...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

নুহিন এর ছবি

হঠাৎ 'আপনি' করে বললেন যে! আপনার লগে কথা বলা দরকার সময় করে...

নিবিড় এর ছবি

ভাল লাগল ছোট ছোট লাইন গুলো কে কেন্দ্র করে লেখাটা।


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

নুহিন এর ছবি

ইদানিং অবশ্য কেন্দ্র থেকে পরিধিতে আবেগের দাগ বেশি দেখি...

রাহিন হায়দার এর ছবি

নুহিন মিয়া, তোমার নামের বানান না নুহীন?

আমি বড়ই অপাঠক, অনেকের মতই আবু হাসান শাহরিয়ারেরও শুধু নামই শুনে গেলাম। মন খারাপ কোন লিংক থাকলে দিও।

বিষাদগ্রস্ত হলেও অতি চমৎকার তোমার লেখনী, বলাই বাহুল্য।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

নুহিন এর ছবি

রাহিন ভাই, আমার মত এত বড় অপাঠক দ্বিতীয়টা নাই। আবু হাসান শাহরিয়ারের কবিতার বইটাও আমার এক বন্ধু আমাকে উপহার দিসিলো। আমার প্রিয় কবিদের একজন এই লোক। খুব বেশি বিখ্যাত না। কিন্তু দুর্দান্ত লিখেন। আমি বই পড়িনা বলতে গেলে। সবাই তাগাদা দেয় আমাকে বই পড়ার জন্য। মরার আলসেমি ধরে গেসে।

আমি নামের বানান নুহিন লিখি, কিন্তু আমার মা সব সময় নুহীন লিখে। আমার আবার চিঠি লেখার বাজে স্বভাব আসে। আমার মাকে লেখা চিঠির ফিরতি চিঠিতে আম্মা সব সময় নুহীন লিখে, এই নিয়ে সব সময় হাঙ্গামা করি। আমার পুরো নামের বানানও আমার বাবা মা অন্য লিখে। আমি ছোট কাল থেকেই স্বাধীনচেতা। ছোটকালেই নিজে নিজের নামের বানান পরিবর্তন করে ফেলসি। বাবা-মা কে বলসি তাদের দেখানো নামের বানান ভালো লাগে না।

তানবীরা এর ছবি

সুন্দর লেখা - সুখ পাঠ্য

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

নুহিন এর ছবি

তাতাপু কেমন আছেন? তাতাপু যতবার লিখি কেন জানি মনে হয় আমার বড় বোনকে ডাকতেসি। আমারতো কোন বোন নাই। হয়ত আছে! অন্য কোন মায়ের পেটে জন্মেছে হয়ত ...

তানবীরা এর ছবি

এতো বড় কথার পর অফিস থেকে লগ ইন না করে থাকতে পারলাম না। "তাতা" নামটার ওপর আমার অনেক রাগ ছিল কিন্তু আজ থেকে নামটাকে ক্ষমা করে দিলাম শুধুমাত্র নুহিন এর জন্য।
*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

নুহিন এর ছবি

হাসি প্রায়ই মনে হয় আমার অবেক ভাই বোন লুকিয়ে আছে, খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে ওদের। এইটা একটা লুকোচুরি খেলা...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

ছেলেটা একটা...

নুহিন এর ছবি

নিপাতনে সিদ্ধ!

স্পর্শ এর ছবি

কষ্ট পেলাম, নাকি ভালো লাগলো, বুঝলাম না।
হয়তো কষ্ট পেতে ভালো লাগলো...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

নুহিন এর ছবি

কষ্টের মধ্যেই তো সুখ, সুখের জন্যই দহন...

মামুন হক এর ছবি

নুহিন একটা খনিজ হীরা দিয়ে বানানো এলিয়েন। সব সময় মন খারাপ করা লেখা দিয়ে চুপ করিয়ে দেয়, তবুও ছেলেটারে ভালো না বেসে পারা যায়না।

ভালো থাকিস ভাই, আবার দেখা হবে, হয়তো খুব অল্পদিনের মধ্যেই।

নুহিন এর ছবি

সত্যিই!!! কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গেল মামুন ভাই। দেখা হবে আবার, হতেই হবে!

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হুমম।

নুহিন এর ছবি

ওহে পিপিদা, প্রকৃতি কি মনের কথা পড়তে পারে? নাইলে ঐসময়গুলাতেই বৃষ্টি আসে কেন?

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

কষ্ট লাগল খুব..

নুহিন এর ছবি

কষ্টগুলো বুক পকেটে রেখে দিসি... নিরিবিলি দু-পাতা উলটে পালটে দেখি...

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।