আকাশঢাকা পাথুরে পর্বতগণ: সপ্ত হ্রদ ও একটি পর্বত (প্রায়) জয়

রিক্তা এর ছবি
লিখেছেন রিক্তা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ২:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের পর্ব

ইতিমধ্যে জ্যাস্পারের কাছাকছি এসে টোলগেট পার হওয়ার পরেই জিপিএস সম্বিত ফিরে পেয়েছে। তার দেখানো পথে আমাদের জ্যাস্পারের আস্তানা টেকারা লজে যখন পৌঁছালাম তখন রাত প্রায় দশটা। রিসিপশনের মেয়েটা তার জিনিসপত্র গোছাচ্ছে। আমাদের দেখেই খুবই স্বস্তি প্রকাশ করলো। ঘরের চাবি নিলাম এবং জিজ্ঞেস করতে ভুললাম না যে আসেপাশে ডিনারের ব্যবস্থা কি। ভদ্রমহিলা বেশ কিছু রেস্টুরেন্টের বিজ্ঞাপন ধরিয়ে দিয়ে বললেন আর্লে যাও, ওইটা এখনো খোলা আছে। ক্যারিওন ল্যাগেজ নামাতে গিয়ে বুঝলাম ক্ষুধা তৃষ্ণায় ক্লান্তিতে হাত পায়ের সমন্বয় পুরাই জোম্বি ধাঁচের হয়ে গেছে। অনেক কষ্টে ব্যাগে রুমে রেখে রেস্টুরেন্টের দিকে রওয়া দিলাম। আধা কিলোমিটার রাস্তা যেতে পাক্কা পঁচিশ মিনিট লাগলো! এইবার অবশ্য জিপিএস কোন তেড়িবেড়ি করে নাই, মস্তিস্কের রেসস্পন্স টাইমের কারণে ঘটনা ঘটেছে। জিপিএস বলে ডাইনে যাও। আমরা দুইজন দুইজনের মুখের দিকে তাকাই। এরপর হাতের দিকে তাকাই। কোন হাত দিয়ে ভাত খাই মনে করতে করতে ডাইনের মোড় পার হয়ে যায়।

রেস্টুরেন্টে গিয়ে প্যাটিওতে বসলাম। যথারীতি এইখানের দৃশ্যে একটা নীলাভ পর্বত ফ্রি। পর্যাপ্ত শক্তির অভাবে কানি আংগুলের নখ দিয়ে মেনু উল্টায়ে ফিসফিস করে ওয়েট্রেসকে অর্ডার দিলাম। খাবার আসলে আবার দুই জন দুইজনের দিকে তাকাই। হাতের দিকে তাকাই। তিলতিল করে হাতের আঙ্গুল প্লেটের দিকে এগিয়ে প্রথম গ্রাস মুখে দেওয়ার পরে পাহাড় পর্বত, চেয়ার টেবিল, ওয়েটার ওয়েট্রেস সব মিলিয়ে গেলো। পুরাই স্বর্গের খাবার। আমি নিয়েছিলাম চিকেন উইং আর সালাদ, আর ভদ্রলোকে চিংড়ি মাছের বার্গার। আহা কি স্বাদ। দ্রুততম সময়ে খাওয়া শেষ করে কিভাবে লজে পৌঁছে বিছানায় ধপাস করে করে পড়েছিলাম সেইটা এখনো একটা ধোঁয়াশা!

সকালে ঘুম ভাংলো, কিছুক্ষণের মধ্যে একটা জিনিস টের পেলাম, ওয়াশরুমের দরজা উলটা দিকে লক হয়। তার মানে হল দাতঁ তাত মেজে আপনাকে হাঁক দিতে হবে ওগো শুনছো, দরজাটা একটু খুলে দাও! লজের ভাড়া কিন্তু এইদিক দিয়ে পাঁচতারা হোটেলের সাথে পাল্লা দেয়। তাও আমরা সবচেয়ে সস্তা বারোয়ারী লজে ছিলাম। তবে চোখ মুছতে মুছতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ভাড়া ডাবল উসুল। একটা হরিণ (নাকি এল্ক?) উদাস মনে হাঁটাহাঁটি করছে।

যথারীতি কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট (মানে ফ্রি) ধরার জন্য দৌড় দিলাম। আজ কিকি খাবো তা চিন্তা করতেই দাঁত লুকাতে পারছিলাম না। আগেই বলেছি ব্রেকফাস্ট আমার ফেভারিট মিল। একটা ব্যপার এতোদিনে টের পেয়েছিঃ এরা খুব সেজেগুজে ব্রেকফাস্ট করতে আসে। আমি তাদের সাথে পাল্লা দেওয়ার জন্য কড়া লাল লিপস্টিক দিলাম, মিনিট পনেরো পরেই আবার কফির সাথে সেইটা গিলেও ফেললাম।

আজকের প্রথম গন্তব্য হুইসলার মাউনটেন্ট ট্রামওয়ে। চারিদিকে ঝকঝকে রোদ। কাজেই নির্দ্বিধায় কেবলকারে করে সওয়া দুই হাজার মিটারের যাত্রা। ঘন পাইনের বনে এর মাথার উপর সরু তারে একটা বাক্সের ছায়া নাচতে নাচতে উঠতে লাগলো। নিচের দিকে তাকালে কেমন একটা শূণ্যে পড়ে যাচ্ছি অদ্ভুত অনুভূতি হয়। ভাগ্যিস বাক্সের চারদিক কাঁচের জানালা দরজা দিয়ে বন্ধ। এর মধ্যে অপারেটর (যে কিনা অস্ট্রেলিয়ান) তার বক্তৃতা শুরু করলো। কেবলকার উঠতে যে সময় লাগে তার জন্য এদের একটা বক্তৃতা তৈরী থাকে। দেশের ক্যানভাসারদের মত গাড়ি চললে বক্তৃতা শুরু আর কি। তবে দেশী ক্যানভাসারদের গলার নাটকীয়তা ওঠানামা পুরাই মিসিং। বদলে একটা দুইটা ০.১২৫ রিকশা জোক্স।

উপরে উঠে দেখি ওরে খাইছে! চারিদিকে অসংখ্য নীলাভ পর্বত। যেন সমুদ্রের ঢেউ কারো অভিশাপে পাথর হয়ে গেছে। পর্বতের গায়ে মেঘের ছায়া ভাসছে। আকাশের মেঘ গুলো হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় এমন। উপরের স্টেশন থেকে নিচে তাকালে অনেক নিচে কেবলের মঝের খুঁটি চোখে পরে। মাটির উপরে পা রাখতেই কেমন যেন ভয়ভয় করতে লাগ্লো। স্টেশন থেকেও চূড়া প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে। যাওয়ার পথটা ফুট পাঁচেক চওড়া আলগা পাথরে ভর্তি। পা পিছলালেই কুমড়া গড়ানি দিয়ে একেবারে পপাত চ মমার চ। অনেক সাহস করে অর্ধেক পথ উঠে স্যান্ডেল পিছলা, ইত্যাদি অজুহাতে আর যাবো না বলতে বলতেই দেখি এক বয়স্ক ভদ্রমহিলা স্পঞ্জের স্যান্ডেল পায়ে লাঠি হাতে চূড়া থেকে নামছেন। দুনিয়াতে আসলেই কোন ইনসাফ নাই। কাজেই স্বীকার করতেই হল ভয় লাগে। পথের ধারে একটা পাথর ঠিক করে দাঁড়ানো অবস্থা থেকে বসতেই ভয়ে আমার মাথা ঘুড়তে লাগলো। প্রায় হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে বসে নিজেকে ধাতস্ত করতে মোবাইলে ফেইসবুক ব্রাউজ করতে করতেই ভদ্রলোক বুদ্ধমূর্তিবিহীন সামিট করে এলেন।

পরের গন্তব্য পিরামিড পর্বতের পাশে পিরামিড হ্রদ। এতো এতো পানি দেখেও নৌকায় না চড়াটা ঠিক টুরিস্টের স্পিরিটের সাথে যায় না বিধায় এখানে আমরা নৌকায় চড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। যথারীতি এইখানেও নৌকা ভাড়া দেনেওয়ালা লোকজন অস্ট্রেলিয়ান এবং দেখতে গ্রিক দেব দেবীর মত। আমরা দুইজন বিরাট আইলসা তাই ইচ্ছা ছিল মাঝ হৃদে গিয়ে নৌকা থামায় ঝিমাবো। কিন্তু স্রোতের কারণে নৌকা বার বার সরে যাওয়ায় ঠিক অপটিমাম কষ্টে নৌকাভ্রমন শেষ করতে পারলাম না। এরমধ্যে পিরামিড পর্বত যা দেখলাম মনে হল নামকরণ সার্থক। চুড়াটা ঠিক পিরামিডের মতই তিনকোণা, কেমন পাথর কুদে বানানো মনে হয়।

দিনের দ্বিতীয় হ্রদ হল পাট্রিসিয়া: কোমর পানিতে নেমেও পায়ের পাতা স্পষ্ট দেখা যায়। এমনকি যত গভীর পানির তলার দিকেই তাকাই সব ফকফকা। তৃতীয় ও চতুর্থ হ্রদ হল এডিথ ও অ্যানেট। যথারীতি অদ্ভুত নীল পানির হ্রদ। দুই বোনের নামে নাম। লেক দেখতে দেখতে বিরাট খিদা লাগলো। ফেরার পথ ধরলাম। কিন্তু পুরা অভিযানেই যেহেতু আমাদের খাওয়াদাওয়া ব্যপারটা কেমন অভিশপ্ত তাই একটু আগাতেই দেখি এক জায়গায় গাড়ির লাইন লেগে গেছে। জিরাফের মত গলা লম্বা করে চারিদিকে টেবিলফ্যানের মত মাথা ঘুরায়ে অবশেষে উলটা দিকে এক গাড়ির কাছে কারণ খুঁজে পেলাম। কারণ আরকিছুই না,এক দংগল ছাগল মানে পার্বত্য ছাগল। এরা দল বেঁধে রাস্তা পার হচ্ছিল। এরমধ্যে একজনের আজকের ল্যাঞ্চটা গাড়ির চাকায় লেগে থাকা কাদা দিয়ে করতে শখ হয়েছে। তিনি সেই শখ মিটাচ্ছেন আপন মনে। অন্য রাস্তা পার হওয়া ছাগলরা সেই ঘটনা মন্ত্রমুগ্ধের মত দেখছে।

অনেক কষ্টে ছাগলের বূহ্য ভেদ করে আবার আর্লেই আসলাম। আর্লে কারণ গত রাতের খাবার কি স্বপ্নে না বাস্তবে খেয়েছি তা পরীক্ষা করতে। পাশের পর্বতকে সংগী করে আবার একই খাবার অর্ডার করলাম। পরীক্ষার ফলাফল ১০০ তে ১০০ পেয়ে পাশ। দুঃখের বিষয় টরন্টোর আর্ল কোনমতে ৩৩ পেয়ে পাশ করে।

দিনের পঞ্চম হ্রদ হল ওষুধ হ্রদ মানে কিনা মেডিসিন লেক। ছোট বেলা হালকা নীল রঙ্গের পলিথিন ফাটানোর জন্য ফুলিয়েছেন কখনো? হৃদের ঢেউগুলো তেমনি মসৃন ফুলোফুলো আর হালকা নীল রঙের। এই একটা ব্যপার এখানেঃ দুইটা হৃদের রঙ এক রকম দেখলাম না। আশ্চর্য সব নীল রঙ! পাশে হৃদের বর্ননায় পড়লাম এই হ্রদ নাকি মাঝে মাঝেই উধাও হয়ে যায়।

দিনের শেষ লেক হল ম্যালিগ্নি হ্রদ। যারা নড়েচড়ে বসছেন বলার জন্য শিরোনামে সাত হৃদের কথা বলে ছয়ে শেষ করে দিচ্ছে তাদের বলিঃ তালিকায় সাতটার কোওর্ডিনেট ছিল কিন্তু শেষ হৃদের যাওয়ার পথ বন্ধ হওয়ার আর যাওয়া হলো না। তবে সাতের হিসাব মিলেছে শেষ পর্যন্তঃ পরে বলছি। ম্যালিগ্নি হ্রদ ব্যানফ জ্যাস্পারে আমার দেখা সবচেয়ে বড়। অন্যগুলোর মত পর্বতের ঠিক কোলে চড়ে নাই বরং পর্বতগুলো যতদূর চোখ যায় কূলে কূলে পর্বত সাজানো। এইখানে এসে একটা বেঞ্চিতে বসে একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। এক এক টা লেক এতো শ্বাসরুদ্ধকর সুন্দর যে নিশ্বাস ফেলার এই সুযোগ কিভাবে হেলায় হারাই? ভুল বুঝবেন নাঃ এই লেকও শ্বাসরুদ্ধকর। তবে যেহেতু এইটা আকারে বড় তাই প্রতিবর্গফুটে শ্বাসরোধের পরিমান সমান ধরলে নিঃশ্বাস নেওয়ার যায়গা একটু বেশি আর কি। আর দিনের শেষ দেখার বিষয় বলে তাড়া ছিলো না বলে নীলচে সোনালী বিকাল কিছুটা কাটানো গেলো মুগ্ধ হয়ে। লেকের পারে এলাকার পাহাড় পর্বত আর লেকের একটা ত্রিমাত্রিক মডেল দেওয়া ছিল। সেটা দেখে ঘটনা বুঝার চেষ্টা করে কিছুক্ষণ পর হাল ছেড়ে লজের পথ ধরলাম।

কানাডার একটা সুবিধা হচ্ছে গ্রীষ্মকালে বিকাল প্রায় অনন্তযৌবনধারী। এক বিকালে লেকের পাড়ে হাওয়া খেয়ে লজে ফিরে দেখি তখনো চকচকে রোদ। দুইজনে দুইকাপ কফি বানিয়ে লজের সবার জন্য বসার ঘরে গিয়ে বসলাম। খুব সুন্দর, ঘরোয়া আর আরামদায়ক ভাবে সাজানো। আসবাব সব পাইন কাঠের। এতো সুন্দর দেখতে যে সিদ্ধান্ত নিলাম একদিন না একদিন আমি একটা লাইব্রেরী টাইপের অফিস বানাবো পাইন কাঠের আসবাব দিয়ে। অন্য আরো লোকজন চলে আসায় আমরা লজের মধ্যে হাটতে বের হলাম।

আসেপাশে একেবারে নিজের মত থাকার জন্য ছোট ছোট ছবির মত কটেজ। লজের পেছনের দিকটা অপূর্ব। একটা খাদের কিনারে। অনেক নিচে পানি বইছে (মুহাহা লেক নম্বর সাত) । খাদের অপরদিকে জঙ্গুলে পাহাড়। একদম কিনারা ঘেঁষে কিছু চওড়া আরামকেদারা ধাঁচের চেয়ার বসানো। সেখানে বসে বসে বিকালের রূপ দেখছি। সুখ যেন সত্যি সত্যি বাতাসের মত বইছে এখানে। এরমধ্যে হঠাত বৃষ্টিতে সেইসব সুখেরা ঘনীভূত হয়ে টপ টপ ফোঁটায় কফির কাপে পড়তে লাগলো।

পরের পর্ব

পুনশ্চঃ বকা হইতে বাঁচতে আমাদের সুপ্রাচীণ কালের প্রায় শূণ্য মেগা পিক্সেলের ক্যামেরার আর আমার মোবাইলে তোলা কিছু ছবি যোগ করলাম। অনেক ছবিই আমার বরের তোলা। ভদ্রলোকের জীবন যৌবন মান এর সাথে সাথে এখন ছবিতেও ভাগ বসাচ্ছি শয়তানী হাসি ঝাপ্সা, বাকা, আউট অফ ফোকাস অথবা লেন্সে আংগুলওয়ালা ছবিগুলো আমার। (সুক্ষ হাতের কাজে এইজীবনেও দক্ষতা আসবে না আমার মন খারাপ)

নীলাভ পর্বতের পাশে আর্লে খানাদানা

কেবলকারের নিচের স্টেশন

পাইনের উপর কেবলকারের ছায়া

উপরে পৌঁছে গেছি প্রায়

হুইসলার মাউন্টেন্টে মেঘের কাছাকাছি

কেবলকার আমাদের ফেরত নিতে আসছে। অনেক নিচে অর্ধেক পথের তারের খুঁটি দেখা যায়

এসে পরেছে কেবলকার

পিরামিড হ্রদ ও পর্বত

পাট্রিসিয়ার ফকফকে পরিস্কার পানি

দুনিয়া জুড়ে প্রচুর ছাগল

কাদা দিয়ে দুপুরের খাবার

ছাগলের বূহ্যভেদ

মেডিসিন লেক

ম্যালিগ্নি লেক

লজের পেছনের লেক


মন্তব্য

আয়নামতি এর ছবি

আল্লা আপ্নের দিলে এত রহম কেম্নে পয়দা করলেন ভাবতেছি চিন্তিত
এইটার প্রথম পর্ব দিছিলেন চার মাস আগে, এই পর্ব এত তাত্তাড়ি কেম্নে লিখলেন আপামনি?

রিক্তা এর ছবি

বুঝেনই তো চোখ টিপি

পরেরটা দ্রুত দিয়ে সিরিজ শেষ করতে পারবো আশা রাখি!

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

এক লহমা এর ছবি

লেখা যথারীতি ভাল লাগল।
গোটা লেখা জুড়ে হ্রদ এর জায়গায় হৃদ পড়তে গিয়ে ক্রমাগত হোঁচট খেতে হল। পরবর্ত্তী পড়ুয়াদের সুবিধার্থে ঐ সংশোধনটা তাড়াতাড়ি সেরে ফেলা যায়?

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

রিক্তা এর ছবি

অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ। এইরকম একটা ভুল করে অনেক লজ্জা লাগছে। ঠিক করে দিলাম

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

মরুদ্যান এর ছবি

আপনার সেন্স অফ হিউমার চমৎকার! পড়তে মজা লাগে। হাসি

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে

রিক্তা এর ছবি

ধন্যবাদ!

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

বন্দনা এর ছবি

জিপিএসের সেন্স অফ হিউমার যে সেই লেভেলের কোন সন্দেহ নাই,পাহাড় পর্ব্তের মাঝে দিয়ে যাবার সময় আমাদের ও সেই রকমের নাকানি চুবানি খাওয়ায়ে ছাড়ছে। আপনাদের অবস্থা অনুধাবন করতে পারলাম সেই অভিজ্ঞতা থেকেই।ম্যালিগ্নি লেকের ছবিটা পুরাই বান্ধায়ে রাখার মত ।

রিক্তা এর ছবি

ঝাপসা না হলে আর আমার প্রায় শূণ্য মেগাবাইট ক্যামেরা না হলে রাখতাম বান্ধায়ে।

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

দীনহিন এর ছবি

অপূর্ব সব ছবি, এবং পোস্টও!
ভাল লেগেছে, রিক্তা আপু!

.............................
তুমি কষে ধর হাল
আমি তুলে বাঁধি পাল

রিক্তা এর ছবি

ধন্যবাদ!

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

তিথীডোর এর ছবি

আপনার সেন্স অফ হিউমার ভাল।
আপনার পরিপাকতন্ত্রও মনে হয় ভাল। ন‌‌য়তো আমার বদদোয়া লাগলো না ক্যান?
(হিংসায়) পেটখারাপ হওনের জন্য কত দোয়া পড়লাম! শয়তানী হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

রিক্তা এর ছবি

আমার পরিপাক তন্ত্র শুধু ভালো না একটু বেশি ভালো। মোটামুটি লোহা হজম করতে পারি দেঁতো হাসি

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

অতিথি লেখক এর ছবি

(অসাধারণ)∞ চলুক

আপনি এত মজার একজন মানুষ যে আমার আপনাকে দেখতে ইচ্ছা করছে আর সুযোগ পেলে আপুও বানানোর ইচ্ছা। হাসি

ফাহিমা দিলশাদ

রিক্তা এর ছবি

ধন্যবাদ! আপনি টরন্টো থাকলে দেখা হতেই পারে। আর আপু তো ওভার দ্য ইন্টারনেটেই সম্ভব দেঁতো হাসি

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

যেমন ছবি, তেমন পোস্ট। আপনের পিলিজ লাগে পরের পোস্ট টা তাত্তাড়ি দিয়েন।

____________________________

রিক্তা এর ছবি

ধন্যবাদ! পরের পর্ব আসলে খুব ছোট হবে, শেষদিনের বর্ননা থাকবে যে খালি।

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

আর্লের আলোআঁধারিতেই চোখ আটকে থাকলো অনেকটা সময়। লেখা-ছবি দুই-ই দারুণ! চলুক

রিক্তা এর ছবি

ধন্যবাদ!

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

এতো উপরে উঠছেন, আপনের ডর করে নাই? আমি হইলে তো কইলজা ফাইট্টা হার্টফেল করতাম!

রিক্তা এর ছবি

কিছু কথা থাক না গুপন চোখ টিপি

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

অভিমন্যু . এর ছবি

দারুন চলুক

________________________
সেই চক্রবুহ্যে আজও বন্দী হয়ে আছি

রিক্তা এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

--------------------------------
হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
আমিও তোমার মত বুড়ো হব – বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব বেনোজলে পার
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার ।

স্বপ্নহারা এর ছবি

জব্বর!

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।