ঐ দূর পাহাড়ের ধারেঃ পর্ব-১

সচল জাহিদ এর ছবি
লিখেছেন সচল জাহিদ (তারিখ: রবি, ০৫/০৭/২০০৯ - ১২:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমরা সমতল ভূমির মানুষ তাই পাহাড় আর সমুদ্রের প্রতি গভীর টান অনুভব করি সমসময়। কানাডাতে পূর্বে আর পশ্চিমে যারা থাকে তাদের পাহাড় আর সমুদ্র দূটো দেখারই সুযোগ থাকে, আমরা যারা মাঝখানে আছি ( যেমনঃ আলবার্টা) তাদের কাছাকাছি সমুদ্র দেখতে হলে যেতে হয় ব্রিটিশ কলম্বিয়ায়, তাই ছোটখাট ভ্রমনের জন্য পাহাড় আর হ্রদই একমাত্র ভরসা।আলবার্টায় দেখার মত জায়গা আছে মোটে দুটোঃ কানাডিয়ান রকির ব্যান্‌ফ আর জ্যাসপার আর তার আশে পাশের লেকগুলি, সুতরাং প্রত্যেক গ্রীষ্মেই এইখানে যাওয়া হয়। বরাবরের মত এবারও যখন একটা ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলাম ঘুরে ফিরে ঐ দুটো জায়গারই নাম এল, কিন্তু আপত্তি তুলল নজু ( আমাদের এডমন্টনের নজরুল , সচলের নয় !!), এবারে ভিন্ন কিছু একটা করতে হবে। সবাই গম্ভীর ভাবে ভিন্ন কিছু একটা চিন্তা শুরু করল কিন্তু উইকিপিডিয়া আর পর্যটনের ওয়েবসাইট গুলো ঘুরে আমাদের মস্তিস্ক থেকে খুব বেশী কিছু আমদানী হলনা। অবশেষে পরিকল্পনা করা হলো একটা ক্যাম্পিং করার। ক্যাম্পিং !! মানে বনে গিয়ে রাত্রি যাপন, তাও আবার ভল্লুকের দেশে? খোঁজ নিয়ে দেখা গেল এখানে স্বীকৃত কিছু ক্যাম্পিং সাইট আছে যেখানে মোটামুটি পানি, বিদ্যুৎ, কাঠ সহ বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। ভল্লুকের ভয় আছে, তবে তাবুতে খাবার দাবার না রাখলে সেই ভয় অনেকাংশেই কমে যায়। রাকিবের প্রতি দায়িত্ত্ব পড়ল ভাল মতন একটা ক্যাম্পিং সাইট খুঁজে বের করার। কিন্তু শুধু ক্যাম্পিং করলেইত আর ভ্রমণ শেষ হবেনা তাই পরিকল্পনা হলো সেই সাথে আমরা লেক লুইস আর জ্যাসপার ঘুরে আসব।

সর্বশেষ পরিকল্পনা হল আমরা এডমন্টন থেকে শুক্রবারে বিকেলে রওনা দিয়ে রাতে রকি মাউন্টেইন হাউজের ডেভিড থমসন ক্যাম্পিং গ্রাউন্ডে থাকব, পরদিন সকালে উঠে লেক লুইস দেখে আবার জ্যাসপারে যাব, সেখানে একরাত্রি থেকে সারাদিন জ্যাসপার ঘুরে রাতে আবার এডমন্টন ফিরে আসব। সব মিলিয়ে ১২ জনের একটা দল হল, দায়িত্ত্ব ভাগাভাগি হয়ে গেল সেই সাথে। এক গ্রুপ দায়িত্ত্ব পেল ক্যাম্পিং গিয়ার সংগ্রহ করার, এক্ষেত্রে সেই বহু পূরাতন বাংলা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হলোঃ ওয়ালমার্ট থেকে তাবু, স্লিপিং ব্যাগ, আইসবক্স, এয়ার মেট্রেস সব কিনে সুযোগ মত ফেরত দিয়ে দেয়া। ফারহান, রাকিব আর নজু আস্ত ভেড়া রোষ্ট করার পরিকল্পনা করলেও তা গিয়ে ঠেকল শেষ পর্যন্ত গরুর রোষ্টে তবে আস্ত না নিশ্চয়ই। সেই সাথে চিকেন গ্রিল, নানরুটি আর আলু পোড়ার পরিকল্পনা করা হল। অল্প খরচে ভ্রমনের জন্য আদর্শ পদ্ধতি হলো পুরো সময়ের জন্য খাবার আগে থেকেই রান্না বান্না করে আইসবক্সে ভরে নিয়ে যাওয়া। সেই গুরু দায়িত্ত্ব পড়ল আমাদের ফুড কমিটির উপর। আমি, রাজিব, রিপন, ফয়সাল, ইমরান মিলে মেন্যু ঠিক করে বাজার ঘাট করে ফেললাম। লোভনীয় মেন্যুর মধ্যে ছিল ভূনা খিচুড়ী, গরুর মাংস, ফ্রাইড রাইস আর সেই সাথে পহেলা বৈশাখে যা খাওয়ার অপূর্ণতা থেকে পান্তা-ইলিশ ও চিংড়ী ভর্তা। হামিদ ভাই দু’টা জিনিসই ভাল পারেঃ গীটার বাজানো আর লাল চা বানানো, সুতরাং ভ্রমণের সময় সকাল বিকাল আর রাতে চা’র দায়িত্ত্ব পড়ল তার উপর। ঐদিকে গরুর রোষ্ট বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহের কাজ চলল। ইউ অফ এ’র (ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টা)স্ট্রাকচার ল্যাব থেকে রড সরিয়ে মোটামুটি শৈল্পিক মানের চাপা মেরে রিপন ঠিকই ল্যাবের মামুকে দিয়ে রড গুলি সাইজ করে নিল। কয়েক দফা মিটিং শেষ করে আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম। আগের দিন শুরু হল রান্না বান্নার কাজ। রাজিবদের বাসায় আমি, রাজিব, রিপন, তাজুল, ফয়সাল রান্না বান্নার কাজ শুরু করলাম সাথে যোগ দিল ফারহান, শাবিব, সৈকত আর হামিদ ভাই। রান্না শেষে ঠান্ডা করে সব প্যাকেটে ভরে আইসবক্সে রাখা হলো। পেট তখন খিদেয় চৌ চৌ করছিল, কিন্তু খাবার উপায় নাই। যাই হোক সব প্রস্তুতি শেষ করে রাখলাম রাতেই।

DSC02272

ছবিঃ রান্না বান্না শেষে খাবার প্যাকেটে ঢুকানো হচ্ছে ( যদিও পেটে তখন চৌ চৌ করছে খিদেয়)

পরদিন মানে শুক্রবার জুমার নামাজের পর সব কিছু উঠিয়ে দুটো ভ্যান নিয়ে আমরা রওনা দিলাম, প্রথম গন্তব্য ক্যাম্পিং গ্রউন্ড, এডমন্টন থেকে সাড়ে তিনশ কিলোমিটারের ড্রাইভ। বিকেলের সোনা রোদে সুরের মূর্ছনায় আমাদের ভ্রমণ শুরু হলো। যাবার পথে আমরা সবাই সিলভ্যান লেকের ধারে নামলাম। চমৎকার আবহাওয়া আর অবসরের আনন্দে আমরা তখন আত্মহারা। কেউ কেউ বেশী আবেগী হয়ে লেকের পানিতেই প্রাকৃতিক কাজ সারার প্রস্তুতি নিল।


DSC02345

ছবিঃ বিকেলের সোনা রোদে সিলিভান লেকের ধারে

যাই হোক কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে আমরা আবার রওনা দিলাম আমাদের ক্যাম্পিং গ্রাউন্ডের উদ্দেশ্যে। পথে পাহাড়ের ধারে এক অসম্ভব সুন্দর লেক দেখে আমরা নেমে পড়লাম রাস্তার ধারে। তখন পড়ন্ত সূর্য, পাহাড়ের চূড়ায় সূর্য্যের লাল আলো আর পাদদেশে ছায়া, সেই সাথে নীল স্বচ্ছ পানি সব মিলিয়ে এক দারুণ ল্যান্ডস্কেপ।


DSC02406
ছবিঃ পড়ন্ত সূর্য, পাহাড়ের চূড়ায় সূর্য্যের লাল আলো আর পাদদেশে ছায়া, নীল স্বচ্ছ পানি সব মিলিয়ে এক দারুণ ল্যান্ডস্কেপ

যাই হোক প্রচন্ড বাতাস আর ঠান্ডায় জমে যাবার মত অবস্থায় বেশীক্ষন প্রাকৃতিক দৃশ্য দর্শনের অবস্থা ছিলনা তাই আবার গাড়িতে চড়ে বসলাম। রাত দশটা নাগাদ আমরা ক্যাম্পিং গ্রাউন্ডে এসে পৌছালাম, চারিদিকে পাহাড় আর অরন্য ঘেরা নিরিবিলি একটা জায়গা।আমরা চেক ইন করে কাঠ নিয়ে চলে আসলাম আমাদের বুকিং দেয়া জায়গাতে। সবার পেটে তখন পাহাড় সমান খিদে তাই দেরী না করে এক গ্রুপ ফায়ার স্পেসে আগুন জ্বালিয়ে রান্না-বান্নার যোগাড় যন্ত্র শুরু করল আর আরেক গ্রুপ তাবু টানানোর কাজে লেগে পড়ল।

DSC02411

ছবিঃ তাবু টানাইয়া এভারেষ্ট জয়ের হাসি

একদিকে বার্বিকিউ মেশিনে চিকেন আরেক দিকে ফায়ারস্পেসের দুইদিকে শিক গেড়ে তাতে বিফের রোষ্ট করার কাজ এগুতে থাকল, আর সেই সাথে জম্পেশ আড্ডা আর গান। আমাদের আশে পাশে সবাই বিশাল আরভিতে (রিক্রিয়েশনাল ভেহিকেল) আস্তানা গেড়ে বসেছে দেখে আমাদের কয়েকজনের ধারনা বদ্ধমূল হলো যে এইখানে নিশ্চইয় ভল্লুকের আনাগোনা আছে, তা না হলে আর তাবু নেই কেন।পাশের আর ভির এক বুড়াকে ভ্রু কুঁচকে আমাদের দিকে তাকাতে দেখা গেল, ভাবখানা এরকম যে এই রাত্রিতে কি এক উপদ্রুপ এসে জুটল। যাই হোক ফায়ার স্পেসে টানা দুই ঘন্টা পুড়িয়েও বিফ রোষ্টের যখন কিছু কিছু করা গেলনা তখন রণে ক্ষান্ত দিয়ে আমরা চিকেন দিয়ে কিছুটা উদর পূর্তি করে বিফকে স্লাইস করে কেটে বার্বিকিউ মেশিনে দিয়ে দিলাম।



DSC02437

ছবিঃ চিকেন গ্রীল কোপানো চলতাছে


DSC02420

ছবিঃ বিফ রোষ্টের কাজ চলছে

আরো আধঘন্টা পড়ে সেটা দিয়েও বাকী উদর পূর্ন করে আমরা প্রস্তুতি নিলাম তাবুর আশে পাশে আসর জমানোর। আসলে আমরা তিনটি স্পট নিয়েছিলাম যার একটিতে টাবু টানিয়েছিলাম শুধুমাত্র ঘুমানোর জন্য,একটিতে রান্না বান্না আর অন্যটিতে গাড়ি। সব কিছু গুছিয়ে যখন তাবুতে ফিরে আসব তখন এক মজার কাহিনী ঘটল। আমি আর ইমরান হাত ধুবার জন্য পানির খোঁজ করছিলাম, আশে পাশে পানি না পেয়ে ইমরান বুদ্ধি দিল চলেন ভাইয়া পানি নিয়ে আসি। পানির কল আমাদের ক্যাম্পিং গ্রউন্ড থেকে একটু দূরে ছিল, দুজনে গল্প করতে করতে যাচ্ছি, তেমন একটা আলো নেই। হঠাৎ কালো মতন কিছু একটা দেখে ইমরান থমকে গিয়ে একটা কথাই বলতে পারল ‘বস দৌড়ান’। আসার আগে ভাল মত শিখে এসেছি যে ভল্লুক দেখে দৌড় দিতে হয়না এমনকি ক্যাম্পিং এ আসার পড়েও হামিদ ভাই দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে ভল্লুককে নেচে নেচে ‘হাই বিয়ার হেল্লো বিয়ার’ দেখাতে হয়। সেই সব কিছুই মনে ছিলনা, আমি আর ইমরান জান বাঁচানোর জন্য যখন দৌড় দিয়েছি তখন উহার ঘেউ ঘেউ শব্দে মনে হলো যে সেটি আসলে ভল্লুক নয়, সামান্য কুত্তা থুক্কু কুকুর মাত্র।

আমরা তাবুর পাশে আগুন জ্বালিয়ে জম্পেশ আড্ডার প্রস্তুতি নিলাম। শুরু হলো ফকিরান্তি গানের মূর্ছনা আর সেই সাথে ফারহান আর তাজুলের স্পেশাল (!!) কালেকশনস।

DSC02457

ছবিঃ ক্যাম্প ফায়ার ঘিরে জম্পেশ আড্ডা

আমাদের অনেকেরই সুপ্ত প্রতিভার এহেন বিকাশে একমাত্র বয়ঃজোষ্ঠ হামিদ ভাই (আমার থেকে মাত্র দুই বছরের বড় কিন্তু মজা করে আমরা সবাই তারে চাচামিয়া ডাকি )যার পর নাই বিস্মিত হলেন। পাঠক মহোদয় ইতমধ্যে নিশ্চই বুঝতে পারছেন আমি কি প্রতিভার কথা বলছি।রাত আড়াইটার দিকে সব প্রতিভা বিকাশ শেষ হলে আমরা তাবুতে ঘুমাতে গেলাম। কারোরই ঘুম আসছিলনা, তার উপর আমাদের শাবিব মিয়া বিভিন্ন প্রজাতির ভল্লুক আর তাদের দেহাকৃতি ও বিচরণ নিয়ে এক বিশাল লেকচার শুরু করল।আমরাও মোটামুটি বিশেষজ্ঞ মতামত দিলাম যে ঠিক কিসের কিসের ভিত্তিতে আমাদের ভল্লুকের শিকার হবার কোন যুক্তি নেই।কিছুটা শঙ্কা আর তার শতগুন আনন্দের একটি রাত কাটল সবার। সকালে উঠে প্রাকৃতিক কর্ম সেরে নাস্তা খেয়ে সব কিছু গুছিয়ে আমরা আবার যাত্রা শুরু করলাম, এবারের গন্তব্য লেক লুইস।

(চলবে)


মন্তব্য

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

আগামী বছর গেলে আমিও সঙ্গে যাব। ভাই, আমারে না নিয়ে গেলে আমি কিন্তু দোয়া করতে থাকব যেন দু'চারটি ভাল্লুক আপনাদের সাথে মোলাকাত করে...

মনে হচ্ছিল আমি নিজেও আপনাদের দলের একজন। আচমকা গল্পটা শেষ হয়ে যাওয়ায় বড় কষ্ট পেলাম...
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

সচল জাহিদ এর ছবি

নারে ভাই ঐ দোয়া কইরেননা, চলে আসুন এডমন্টনে, অবশ্যই নিব।

গল্পটা শেষ হয়নি, আরো এক বা দুই পর্ব হবে।

---------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ফারুক হাসান এর ছবি

চলবে মানে দৌড়াবে!

সচল জাহিদ এর ছবি

ধন্যবাদ ফারুক

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

ছবিলেখায় আমিও যেন আপনাদের সাথে ছিলাম।

সচল জাহিদ এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আমাদের একজন করে নিলাম।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ছায়ামূর্তি [অতিথি] এর ছবি

চলুক

সচল জাহিদ এর ছবি

ধন্যবাদ

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

রিজভী [অতিথি] এর ছবি

রূপালী সিলিভান লেকের ধারে এখনি একছুটে চলে যেতে ইচ্ছে করছে...অনেকদিন পর আবার একটা ভ্রমণকাহিনী পড়ছি...সেই তিন গোয়েন্দায় এরকম কাহিণী পড়তাম...পরের পর্বের জন্য বসে আছি...

রিজভী

--------------------------------
কেউ যাহা জানে নাই- কোনো এক বাণী-
আমি বহে আনি;

সচল জাহিদ এর ছবি

রিজভী, ধন্যবাদ ।চলে আস আমাদের এইদিকে জম্পেশ আড্ডা আর ভ্রমন হবে। পরবর্তী পর্ব লিখছি।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

অতিথি লেখক এর ছবি

এই ধরনের একটা লেক আপনারা মাছ ধরেন নি?

সচল জাহিদ এর ছবি

এখানে সব লেকে মাছ ধরা যায়না, আবার লাইসেন্সও লাগে। আসলে লেকগুলি এত সুন্দর যে আর কিছু করতেই ভাল লাগেনা শুধু তীরে দাঁড়িয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

অতিথি লেখক এর ছবি

ভালই জীবন-যাপন

সিরাত এর ছবি

ছবি দেখতে পাইলাম না ফ্লিকর ব্যানড হওয়ায়, বাসায় গিয়ে দেখে নিবো।

আপাতত একটা প্রশ্ন: আপনি কি ইউনিভার্সিটি অফ অ্যালবার্টার জাকারিয়া বা শিবলিকে চেনেন? চোখ টিপি

সচল জাহিদ এর ছবি

আপনি কেমিকেল/মেটেরিয়ালস এর জাকারিয়ার কথা বলছেন ? '০২ ব্যাচের? এই কনফিগারেশনের হলে চিনি এবং জানি খুব ভাল মতই।

শিবলি কে চিনতে পারছিনা? কোন ডিপার্টমেন্টের বলতে পারেন ?

---------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

মামুন হক এর ছবি

লেখা , ছবি দুটোই খুব ভালো লাগল। পরের পর্বের অপেক্ষায়।

সচল জাহিদ এর ছবি

ধন্যবাদ মামুন ভাই। ছবির কৃতিত্ত্ব পুরোপুরি রাজিবের (প্রথম ছবিতে যে খাবার প্যাক করছে )

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

মজা করে নাও। আর কয় দিন। মিতু আর নির্ঝর আসলে তখন আর এসব ক্যাম্পিং করতে হবে না।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সচল জাহিদ এর ছবি

ঠিক বলেছেন আরিফ ভাই। সব ঠিক থাকলে ওরা এই মাসেই চলে আসবে।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

লেক লুইসের অপেক্ষায় থাকলাম। আপনাদের ক্যাম্পগ্রাউন্ডে দেখি খড়খড়ে নুড়ি শুধু, ঘাস নাই? সবখানেই কি এরকম?

বাঙালি পদ্ধতিতে জিনিসগুলো ফেরত যদি দেন তাহলে এখনি মাইনাস দিয়ে রাখলাম দেঁতো হাসি

সচল জাহিদ এর ছবি

আমাদের ক্যাম্পগ্রাউন্ড টাতে নুড়িই ছিল কারন সব গাড়ি গুলোও অখানেই পার্ক করে রাখতে হয় তাই মনে হই ইচ্ছে করেই এই ব্যবস্থা করা।

শেষ খবর হলো সব গিয়ার গুলি সফল ভাবে ফেরত দেয়া হয়েছে।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

এনকিদু এর ছবি

কেউ কেউ বেশী আবেগী হয়ে লেকের পানিতেই প্রাকৃতিক কাজ সারার প্রস্তুতি নিল।

আর কেউ যেন সেই পানিতে না নামতে পারে তার ভাল ব্যবস্থা করা হয়েছে ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

হেব্বি মজা হইছে দেখি হাসি
____________
অল্পকথা গল্পকথা

সচল জাহিদ এর ছবি

ধন্যবাদ শিমুল ভাই।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

রানা মেহের এর ছবি

এতো ঘোরাঘুরি ভালো না মন খারাপ
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

সচল জাহিদ এর ছবি

হুম বুঝছি । এক কাম করেন চইলা আসেন এই দিকে দেখি ভাল লাগানো যায় কিনা (!!)
-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।