Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

বাকস্বাধীনতা

এ বছরে সিনেমা কাটাকুটি

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ১৩/১২/২০১৫ - ১০:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম চাকমা ভাষার চলচ্চিত্র 'মর ঠ্যাংগারি' সেন্সর বোর্ডে আটকে যাওয়ার খবর শুনে আমার মনে কৌতুহল জেগেছে সেন্সর বোর্ডে সাধারণত কি কি কারণে কাটাকুটি করা হয় সেটি জানার জন্য। তারপর তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে এ বছরের কাটাকুটির তালিকা পেয়ে ভাবলাম সবাইকে দেখাই। বেশ ইন্টারেসটিং!


মুক্তচিন্তা ও বাকস্বাধীনতা: একটি ভীষণ দুর্বল জরিপ

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বুধ, ২৫/১১/২০১৫ - ২:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছুক্ষণ আগে একটি জরিপের লিংক আমার হাতে আসে। এটি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের একজন মাস্টার্স শিক্ষার্থী তৈরি করেছেন (আমি ওনার পরিচয় জানার চেষ্টা করিনি তবে ওনার বন্ধুর মাধ্যমে আমার মতামত জানিয়েছি)। তার পরিকল্পনা প্রাথমিক ভাবে নিউএজ পত্রিকায় এটির উপর প্রতিবেদন প্রকাশ করা আর পরে সম্ভব হলে কোন জার্নালে প্রকাশ করা।


মুক্ত চিন্তা-যুক্তি-বুদ্ধি চর্চার ভবিষ্যৎ ও আমাদের করণীয়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৭/০৮/২০১৫ - ১:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লিস্ট থেকে আরেকটি নাম খসে গেছে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল – নীলয় নীল (নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায়)। এ খবরের রেশ এর মধ্যে কেটে গেছে এবং আমরা আমাদের সাদামাটা দৈনন্দিন কাজে মনোনিবেশ করেছি। সেলফি কিংবা নামী রেস্টুরেন্টে দ্বিপ্রহরের কিংবা সান্ধ্য ভোজের ছবি আপ্লোড দিচ্ছি। প্রত্যেক এক্টিভিস্ট ব্লগারের হত্যাকাণ্ডের পর এরিমধ্যে অনেক লিখালিখি হয়েছে। দুঃখজনকভাবে এ ধরণের অপরাধ দমন প্রক্রিয়া কিংবা সামাজিক এ দূর্যোগ পরিস্থ


বাকস্বাধীনতা ও ধর্মানুভূতি সংক্রান্ত আমাদের তিনটি আইন

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/০৬/২০১৫ - ১:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগাম সতর্কতা: আমার আইনের উপর কোন আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ বা পেশাগত অভিজ্ঞতা নেই।

কিছুদিন আগে অপেশাদার কৌতুহল থেকে আমি আমাদের তিনটি আইনের কথাগুলো পড়ছিলাম। আইনগুলো হল:

১. পেনাল কোড, ১৮৬০ এর ২১ নম্বর অধ্যায়ের বর্ণিত - মানহানির প্রতিকার আইন
২. পেনাল কোড, ১৮৬০ এর ১৫ নম্বর অধ্যায়ের বর্ণিত - ধর্মপালনে বাধার প্রতিকার সংক্রান্ত আইন


আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা: ‘আইন কানুন সর্বনেশে!’

সাঈদ আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন সাঈদ আহমেদ (তারিখ: সোম, ০৯/০৯/২০১৩ - ১২:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশে মাতাল হয়ে অন্যের সম্পত্তিতে অনুপ্রবেশ করে কাউকে উত্যাক্ত করা কিংবা অন্যকোন ভাবে কারো মানহানি করা কিংবা মরণাস্ত্র হাতে সহিংস দাঙ্গায় যোগ দেয়ার অপরাধের চেয়ে এখন অনলাইনে লেখালেখি করা বহুগুন বেশি শাস্তিযোগ্য অপরাধে পরিণত হতে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, অনলাইনে লেখালেখি সংক্রান্ত অভিযোগসমূহকে ‘আমলযোগ্য’ ও ‘অ-জামিনযোগ্য’ করায় এ অপরাধে কাউকে গ্রেফতারের জন্য আদালতের কোন ওয়ারেন্টের প্রয়োজন হবেনা, নিরাপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কোন জামিনও মিলবে না, এবং লেখালেখি সংক্রান্ত অভিযোগ যত ক্ষুদ্রই হোক, প্রমাণিত হলে এর সর্বোনিম্ন শাস্তি হবে ৭ বছরের জেল এবং অনধিক এক কোটি টাকা জরিমানা!
আপনি যদি ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে’, অর্থাৎ ব্লগ, ফেসবুক বা ইউটিউবে কখোনও কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে থাকেন, তাহলে আপনিও পড়তে পারেন এই ‘একুশে আইনের’ ফাঁদে।


অসন্তুষ্ট না হওয়ার অধিকার?

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: শুক্র, ১৯/০৮/২০১১ - ৬:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শেখ হাসিনার থাকা না থাকায় কার কী আসে যায় জানা নাই, কিন্তু বাংলাদেশের আসে যায়; যারা একমত না, তাদের সাথে তর্কে প্রবৃত্ত হব না। কেবল বিনীতভাবে এই মত দিতে চাই, বৃহৎ বঙ্গের বাঘ এ কে ফজলুল হক থেকে প্রয়াত আহসানুল্লাহ মাস্টারের নবীন পুত্র পর্যন্ত যারাই বাংলাদেশে রাজনীতিবৃত্তি করেছেন শেখ হাসিনা তাদের মধ্যে গণতন্ত্রায়ণের পক্ষে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র - তার সভাসৎ যতই তাতে অন্ধকার ঢেলে দিক না। শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা কতবার কারা কারা করেছে সেবিষয়েও পাঠকের জ্ঞানকে খাটো করতে চাই না। ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদক থেকে শুরু করে নিখিল-পাকি-পেয়ারা জেনারেল, বাড়িওয়ালা থেকে ফেরিওয়ালা, শেখ হাসিনার মৃত্যুতে কেউ কেউ খুশি হবেন এই আশঙ্কাও করি। তবু আমি শেখ হাসিনাকে অভিশাপ দেয়ার ‘স্বাধীনতা’কে সমর্থন করি। যদিও আমি নিজে এই অভিশাপ দিব না। এমনকি যারা দিবে তাদের বিষয়েও আমার বিশেষ আগ্রহ নাই। শেখ হাসিনার থাকা না থাকায় যোগাযোগমন্ত্রীর কিছু যায় আসবে না, তিনি সকল গণ/অগণতান্ত্রিক সরকারের আমলেই সদানন্দ, স্বৈরাচার কিংবা তার স্ত্রী(গণে)র আদুরে, পীরবাবার আশির্বাদধন্য; শেখ হাসিনার না থাকায়, ছাত্রলীগের তালিকাবাসীদের সাময়িক দুশ্চিন্তার অতিরিক্ত কিছুও হয়ত হবে না; কিন্তু আমি, ব্যক্তি, নাগরিক, দীর্ঘমেয়াদী অন্ধকারের আশঙ্কা করব। এই রচনার বিষয় শেখ হাসিনা নন। এর বিষয় ভিন্ন।