| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
পাতা বড় দ্রুত উল্টায় সচলায়তনের। এতো দ্রুত, মন ওর সাথে পারে না। মন পিছিয়ে পড়ে, পুরনো লেখার মমতায় নিজের হাত-পা জড়িয়ে পড়ে থাকে। আর সচলের বিরাম নাই, কাল যাকে শীর্ষে রেখেছিল আজ সে বিস্মৃতির তলদেশে। তবু সচল তো শিশু এখন অব্দি, দর্জির দোকান থেকে তার বানানো ইউনিফর্ম সে গায়ে পরেছে মাত্র। সেই ইউনিফর্ম, অজস্র প্রশ্নের ফুলঠোকায় প্রশ্নবিদ্ধ, ভ্রুকুটিবিদ্ধ, যেনবা ওর গায়ের মাপ থেকে ছোটই হয়েছে ! সঙ্গত কারণেই আমাদের পোশাকী সচলায়তন যেন বা একটু আড়ষ্ট, যেন বলছে, দেখো, এই পোশাকে আমার গা তো ঢাকছে না, তবু তোমরা আমায় জোর করে এর ভেতরেই ঢুকাচ্ছ!
হ্যাঁ তো। ঢুকাচ্ছি আমরা। ঘরপোড়া বলে কথা। সামহোয়ারের সন্ত্রাস এখানে দেখতে চাই না। তাই মেঘ সিঁদুরে হবার আগেই ভয় পেতে ভালবাসি আমরা। ভালবাসি ভয় ছড়াতেও।
তাই বলে এতো এতো চেকপোস্ট! চিত্ত আমার যে হারায়, এই ঘন ঘন পুলিশি প্রহরায়!
ভাবছি, আচ্ছা, নিজের ব্লগে আমি কতটুকু স্বাধীন? নীতির খপ্পর এড়িয়ে নিজের ঘরেই ঘাপটি মেরে বসে থাকবো নাকি? যদি তাইই থাকি, যদি প্রথম পাতায় ঠা ঠা অট্টহাসিসমেত হাজির না হই, তবে পাঠক, এসো এসো আমার ব্লগে এসো আমার ব্লগে!
২
অরূপ, কবিসভা নামক একটা ইয়াহু গ্রুপে লেখালেখি করছি বছর তিনেক ধরে। এই গ্রুপের মডারেটর ব্রাত্য রাইসু। তিনি এই গ্রুপ চালাবার জন্য কোনো প্রকাশ্য নীতি ঘোষণা করেন নাই। তবে কবিসভার অ্যাকসেস মডারেটর নিয়ন্ত্রিত, সচলেরও তাই। আর এ কারণেই আমি সচলায়তনের ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছি, অথচ সামহোয়ারে আমার সদস্যপদ ছিল প্রায় গোড়া থেকেই। অনিয়ন্ত্রিত গ্রুপ বলে সেখানে লিখি নাই। কবিসভার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রিত হলে তেমন বড় কোনো সমস্যা হয় না। আর যদি হয়ই, সেটা কেস-বাই-কেস মিটিয়ে ফেলা যায়।
নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমার ধারণা হল, নীতিমালা দিয়ে এর উদ্দীষ্ট পপুলেশন খুব কমই এফেক্টেড হন। নীতিমালা সবচে বেশি সমস্যায় ফেলে এর প্রণয়নকারীকে।
যন্ত্রশাস্ত্রে একটা নীতি আছে, কোনো যন্ত্র যতক্ষণ পর্যন্ত চলমান থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত তার ট্রাবলশুট না করা।
তবু, প্রণীত নীতিমালাকে আমি স্বাগত জানাই। শুধু ভয় এটাই যে, এইসব নীতির রক্ষণাবেক্ষণে কর্তাদের ব্লগারসত্তার না অপমৃত্যু ঘটে!
অরূপ আমার ফোন নম্বর আপনাকে ব্যক্তিগত মেইলে দিই? দয়া করে আপনার মেইল অ্যাড্রেসটা পাঠিয়ে দেন।
৩
আমরা বহুরকম এক্সপিরিমেন্ট করছি কিভাবে ক্লোজড গ্রুপ ম্যানেজ করা যায়। কবিসভা নিয়েও বহু গল্প (ভালো/মন্দ) শোনা..
দেখা যাক কি হয়..
৪
ঠিক। নীতিমালায় কড়াকড়া পয়েন্ট আছে। তবে আসল কথা হইলো বাস্তবায়ন। মিষ্টিকথা বইলা বাঁশ দেওয়ার চাইতে কড়া কথার নীতিমালা রাইখা একটা ভালো পরিবেশ নিশ্চিত করাটা কাম্য।
উলটাপালটা কাম করলে গালির টার্গেট হিসেবে মডুগণতো আছেনই।
৫
ইললিবারাল ডেমোক্র্যাসি! সচল যেন সিঙ্গাপুর না হয়!
৮
সিঙ্গাপুরের খান-পড়েন, সিঙ্গাপুরেরই নিন্দা করেন!
আপনে দাদা কঠিন নেমকহারাম! ![]()
-------------------------------------
রামছাগলের সামনে, খচ্চরের পেছনে আর নিবোর্ধের ধারেকাছে না থাকাই শ্রেয়!
৯
সচলায়তনকে নিয়ে শুধু আশঙ্কা করে গেলে তো মুশকিল
... আশার কথাও শুনতে চাই।
তার আগে আরো গল্প পড়তে চাই।
১০
অরূপের ফর্মূলা, হিমু। লেইখ্যা লেইখ্যা ভয় কাটাইতেছি!তবে আমার ভয় আপনাদের ভয় থেইকা আলাদা। আপনেরা ভয় পাইতেছেন ফ্লাডিং, ট্রলিং আর গালাগালি। আর আমি ভয় পাই প্রাণহীন ঐকমত্যের মনোটনি। আপনেরা আপনেগো ভয় থেইকা নীতিমালা দিছেন, আমি আমার ভয় থেইকা ব্লগর ব্লগর করতেছি!
খালি গল্পই পড়বেন? কবিতা পড়েন না ক্যান? ![]()
১১
বস,
পোলাপাইনরে ক্ষেপাইয়েন না,
শেষে ইস্পাতের জাঙ্গিয়া কিনতে হবে ![]()
-------------------------------------
রামছাগলের সামনে, খচ্চরের পেছনে আর নিবোর্ধের ধারেকাছে না থাকাই শ্রেয়!
১২
কবিতা একটু রয়েসয়ে পড়তে হবে। কবিতার ভয়টা কাটুক আগে একটু।
প্রাণহীন ঐকমত্যের মনোটনি মাশাল্লাহ এই বাঙালি জাতির মধ্যে হবে না। ইতিহাস অন্তত তাই বলে। তর্ক চলবে সমানে।
১৩
প্রথম অভিযোগ করছি স্বয়ং নীতিপ্রণেতার বিরূদ্ধে। মাননীয় অরূপ তার উপর্যুপরি দুই মন্তব্যে আমার বিরূদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক ও অশ্লীল ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। এবং তারই প্রণীত সচলায়তন নীতিমালার ৪ ও ৬ ধারা লংঘন করেছেন।
যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টা ভেবে দেখবেন।
১৪
!
-------------------------------------
রামছাগলের সামনে, খচ্চরের পেছনে আর নিবোর্ধের ধারেকাছে না থাকাই শ্রেয়!
১৫
অর্থ বুঝলাম না অরূপ। এটা কি গালি?
১৬
বস,
মানে Rolling on Floor Laughing, আপনি যদি ইয়াহুতে কখনো চ্যাট করেন তাহলে দেখবেন এরকম একটা শর্টকাট আছে ওখানে। এটা গালি নয়।
১৭
ঠিকাছে হিমু। নীতিমালা পইড়া দেখুম এইটা কোন্ ধারায় পড়ে? আমার অভিযোগ পইড়া অরূপ গড়াগড়ি দিয়া হাসতেছেন ক্যান! আমি কি ওনারে প্রশংসা করছি?
১৮
হ্যাঁ, আমার মনে হয় আপনি নীতিমালা নিয়ে এমন কিছু ফাঁকফোঁকর খুঁজে বের করে ফেলতে পারবেন যা হয়তো আমাদের চোখেই পড়তো না কোনদিন। ভবিষ্যতে সেগুলি বোঁজানোরও ব্যবস্থা হয়ে যাবে তাহলে।
১৯
আমার ধারনা এখানে অযথাই একটা ভুলবোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে নীতিমালাকে ঘিরে। নীতিমালাকে সিরিয়াসলি নেয়ার কোন দরকার নেই। নীতিমালা তৈরী করেছে ভবিষ্যতের কথা ভেবে যখন সচলায়তনকে খুলে দেয়া হবে। এখন যেমন সবাই সবাই মোটামুটি চিনি, এবং আমাদের মধ্যে বিশ্বাস আছে। সচলায়তন উন্মুক্ত হবার পর এটা থাকবে না। তখন আস্তমেয়ে, তেলাপোকা টাইপের ট্রোলদের নিয়ন্ত্রন করার জন্য কিছু পন্থা দরকার, বিশেষ করে গোলাম আজমের পক্ষ নিয়ে, অথবা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ছড়াতে এখানে কেউ যেন ঢুকে না পড়ে। এ মুহুর্তে যারা সদস্য তাদের বিচলিত হওয়ার কোন কারন দেখি না। লিখে যান নিজের মতো, কোন বাধা আসার সম্ভাবনা নেই। সচলায়তনকে নিয়মের ফাদের বেধে ফেলাটা উদ্দ্যেশ্য নয়, শুধু ভবিষ্যতে কেউ সচলায়তনের সুযোগ নিয়ে ছাগুরামের মতো করলে তাদেরকে কিভাবে আটকানো যায় সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা হচ্ছে। আর সব নীতিমালাই সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, এটা কারো প্রেরিত গ্রন্থ নয়।
আমি সচলদের আহ্বান করবো, নীতিমালা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে সময় নষ্ট না করতে। কারো লেখাই বাধাগ্রস্ত হবে না।
২০
অরূপ বেচারাকে ছেড়ে দিন সুমন ভাই। সে একমাস না ঘুমিয়ে আছে। এমনিতে অরূপ খুব ইমোশনাল। অরূপ আর এসএম৩কে নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য আরো অনেকে আছে। ওরা বেয়াড়া হয়ে গেলে শাস্তি দেয়া যাবে।
২১
ব্যক্তিগতভাবে আমি নীতিমালা-বিচলিত না উৎস। আমি আমার পোস্টে লিখেছিলাম যে, প্রণীত নীতিমালা এর প্রণয়নকারীকেই প্রথমে খায়। এরই প্রমাণ হিসেবে অরূপের বক্তব্যের ব্যাপারে নীতিমালাসম্মত উপায়ে আপত্তি করছি। আমার বক্তব্য অযৌক্তিক হলে অরূপ বা কর্তৃপক্ষের যে কেউ আমার ভুল ধরিয়ে দেবেন নিশ্চয়।
২২
আসলে অরূপ নীতিমালাটা প্রনয়ন করেছে বলে মনে হয় না। সে আমাকে বলেছিলো এটা সে লিখিয়ে এনেছে, যেহেতু অন্য কেউ পোস্ট করে দায়িত্ব নিতে চায় না তাই সে পোস্ট করেছে। নীতিমালায় বাগাড়ম্বর বেশী ছিল, নানারকম অসঙ্গতিও আছে। তবে আমার মনে হয় না কমনসেন্সের উপরে কোন নীতিমালা সচলায়তনে আছে। অরূপের সুনাম আছে মাথা গরম করার জন্য। সেরকম হলে অরূপকে কয়েকদিনের জন্য ব্যন করা যায়। তবে আপাতত নীতিমালা প্রসঙ্গটা বাদ দিয়ে লেখালেখিতে মন দেই। সচলায়তনের টার্গেট ভালো লেখা, ভালো লেখক, ভালো পরিবেশ। ছাগুরাম, রাজাকার, ফ্লাডারদের হাত থেকে মুক্তি দরকার। এ মুহুর্তে এসবের উৎপাত নেই। কিন্তু একসময় না একসময় সবার জন্য হয়তো দ্বার খুলে দিতে হবে, তখনকার কথা ভেবে নীতিমালার চিন্তাভাবনা আছে অনেকদিন ধরেই। জেবতিক ভাই, শোমচৌ এরা সিনিয়র ব্লগার হিসেবে তাদের বক্তব্য দিয়েছেন। এসবের ওপর ভিত্তি করে কি করা যায় সেসব নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চলছে। কোনটাই নিশ্চিত না। শুধু সচলকে সামহ্য়্যার হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করাটাই লক্ষ্য।
২৩
অরূপকে ব্যন করার পক্ষপাতী আমি না উৎস। তিনি এত পরিশ্রম করেছেন সচলায়তনের জন্য। এর প্রতিদানে উনার দুয়েকটা মাথা গরম কথা তো আমি সহ্য করতেই পারি!
২৪
অরূপের জাঙ্গিয়ার ব্যাপারটা ভালো লেগেছে। একটা ছোট্ট প্রশ্ন ছিল এ ব্যাপারে, জাঙ্গিয়াতে কি জিপার সংযুক্ত করা হবে নাকি তালা-চাবি? ![]()
__________
কি মাঝি? ডরাইলা?
২৫
দেশি হুড়কোও মন্দ ন্য়।
----------------------
বিড়ালে ইঁদুরে হলে মিল, মুদির কিন্তু মুশকিল ।
২৬
দ্রোহী, আমি কিন্তু অরূপের জাঙ্গিয়ার ব্যাপারটাকে অশ্লীল ইঙ্গিতপূর্ণ বলে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেছি। আপনার ভাল লাগলে ওর জাঙ্গিয়া আপনি পরে দেখতে পারেন। দরকার হলে দুজনে শেয়ার করে পরতে পারেন সকাল বিকাল। সেটা নিজেদের ব্লগে বলুন এবং করুন। এসব আলাপ শুনবার ধৈর্য বা রূচি কোনোটাই আমার নাই।
সচলায়তন এবং তাকে ঘিরে জড়ো হওয়া মানুষজনের ব্যাপারে আমি ইতিবাচক থাকতে চাইছি।
২৭
নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমার ধারণা হল, নীতিমালা দিয়ে এর উদ্দীষ্ট পপুলেশন খুব কমই এফেক্টেড হন। নীতিমালা সবচে বেশি সমস্যায় ফেলে এর প্রণয়নকারীকে।
সুমন ভাই আপনের এই বক্তব্য এক্কেরেই খাটি! যুগে যুগে কালে কালে নীতিমালা কিন্তু প্রণয়নকারীগোই বিপদে ফেলে। তয় নীতিমালাতে যদি পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস থাকে তাইলে ভিন্ন কথা।
লেখা মডারেশন নিয়া আমার বক্তব্যও আপনের কাছকাছি। সামহোয়্যার ইনে ত্রিভুজ তরীকা আটকাইতে আসলে মডারেশন কোন কামে লাগে না। কারন ত্রিভুজ তরীকা আসলে ফিক্সড বিলিফ থেইকা আসে...যেইটার একটা যুক্তি বচন সেইটা হইলো বিশ্বাস। নীতিমালাও সেইরম বিশ্বাস হইয়া গেলেতো সমস্যাই....
২৮
সেইটাই ভাস্কর। আমি সতর্ক করার জন্য কিছু প্রশ্ন রেখেছিলাম, তারপরেও কিন্তু নীতিমালাকে স্বাগত জানাইছিলাম। জানানোর পরেও এই আলোচনা আইসা অরূপের জাঙ্গিয়াতে কেন ঠেকল তার জবাব অরূপ এবং অন্যান্য মৌনব্রতীরা ভাল দিতে পারবেন। উৎস বললেন ওরে ছাইড়া দিতে। ছাইড়া দিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের অনেকেরই ভিন্নমত সহ্য করবার অভ্যাস গড়ে ওঠে নাই। নিজের বা নিজেদের মতকে দুনিয়ার শেষকথা বলে মানার প্রবণতা আছে আমাদের। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, এটা কিন্তু আরো কঠিন মৌলবাদ, যতই প্রগতিশীলতার মোড়কে জড়ান থাক।
তবে, নীতিমালা যে একটা পরিবর্তনযোগ্য বিষয় সেটা সচলের কর্তাব্যক্তিদের মনে হয়েছে দেখে স্বস্তি পাচ্ছি। তাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
২৯
ভিন্ন মত যদি ত্রিভুজীয় তরীকার হয় তাইলে আমারো খুব একটা ভালো লাগে না। কিন্তু যদি সেইটা যুক্তিবচনের উপর দাড়ায় তাইলে আমিও আছি সেই তর্কে।
কর্তা ব্যক্তিরা আসলেই পরিবর্তনের কথা কইতেছেন...এইটা অন্য ব্লগসাইটের চাইতে সচলায়তনরে আলাদা কইরা দিবো নিঃসন্দেহে।
গালি কিম্বা খোঁচা আসলেই অনেক সহজে দেওন যায়...যুক্তিরে যুক্তি দিয়া ঠেকানটা আসলেই সহজ না।
৩০
সেটাই।
প্রতিটা অবস্থানেরই একটা রাজনৈতিক বক্তব্য থাকে। সচলায়তনেরও আছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যে সবসময় সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে হবে তা তো না। এইখানে যেইটা আসলে পক্ষপাতিত্বের জায়গা সেইটা হইল ইন্টেলেকচুয়াল তর্কবিতর্কের অ্যাকাডেমিক স্ট্যান্ডার্ডের বাইরে ফ্যাসিবাদীঅবস্থানরে ঠেকানো হইছে।এইখানে কেউ যদি ওয়ালীর মতো বলে যে ইসলাম বিরোধী কথা বললে বেইসবল ব্যাট দিয়া পিটানো হবে তাইলে সচলায়তনের মডুরাম ঠাকুর তারে লাত্থি দিয়া বাইর কইরা দিবো। তার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার উদারতা সচলায়তনের নাই। ব্রাত্য রাইসু সেই সময় সামহোয়ারে ওয়ালীর পক্ষ নিতে গিয়া আমার আর মুখফোড়ের হাতে ধোলাই হইছিলেন।তো সেই অবস্থান সচলায়তনে নিতে গেলে সম্ভাব্য সকল প্রকার নিষ্ঠুরতা করতে আমরা প্রস্তুত।
তবে কেউ যদি ইন্টেলেকচুয়াল আর্গুমেন্ট তুলতে পারেন যে কোন জায়গা থিকা। সেইটা অনুমোদিত যতক্ষণ সেইটা অ্যাকাডেমিক ভব্যতার আওতায় পড়বে। সন্ত্রাসের রকমফের নিয়া যেমন এখনি একটা তর্ক উঠতে পারে। উঠান কোন সমস্যা নাই। তর্কে আমার হর্ষ হয়। নিজের ভুল গুলাও ধরা পড়ে। বৃহত্তর অর্থে ডায়ালেকটিকস ছাড়া শিক্ষা অসম্পূর্ণ থাইকা যায়।
তো সেই ডায়ালেকটিকস এর জায়গা থিকাই বলতেছি যে প্রতিটা প্লাটফর্মেরই কোন না কোন জিরো টলারেন্সের জায়গা থাকে। আমাগো জিরো টলারেন্সের জায়গা হইল ধর্ম ব্যবহারকারী ফ্যাসীবাদ।
কেউ যদি উত্তরাধুণিকতার মুখোশ পইড়া গো আ মুখী প্রচার চালায় তাইলে তাকে ততক্ষণ সহ্য করা হবে যতক্ষণ সে তার মুখোশ ধইরা রাখতে পারে। খুইলা গেলেই বোলারস ব্যাক ড্রাইভ।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ
৩১
আকর্ষনীয় পোস্টে জম্পেশ আলোচনা।পুরোটাই পড়ে গেলাম।
-----------------------------------
কিস্তিমাতের যুদ্ধ শেষে,সাদাকালো ঘুটিগুলো এক বাক্সেই ফেরত যাবে...
৩২
উত্তরাধুনিকতা মানে কি পরিত্যক্ত, পরিত্যাজ্য বিষয়গুলোরে মাথার উপরে স্থান দেয়া। আলোচনার টেবিলে নিয়া আসা। এই ব্যাখ্যা কে বা কারা চালু করলো? হ্যা উত্তরাধুনিকতা মানে সব ধরনের উচ্চারণকে টেবিলে আসতে দেয়া। সেটা তো কখনও কোনো একটা বিষয়ের নিলজ্র্জ পক্ষপাত করার উদ্দেশ্যে না। অবহেলিত, দৃষ্টির আড়ালে পড়ে যাওয়া বিষয়গুলোও যাতে বিবেচনায় আসে সে দরোজা খোলার চেষ্টা।
মহত্ চেষ্টার অসত্ সুযোগ নেয়াটাকে পাশ করিয়ে দেয়ার জন্য উত্তরাধুনিকতার অজুহাত ব্যবহার করলে কি আর হবে? এসব সাধারণ বা মৌলিক বিষয় নিয়ে তর্ক তোলাটাকে আমার কাছে মাথামোটাত্বই মনে হয়।
-----------------------------------------------
সচল থাকুন ---- সচল রাখুন
৩৩
মাথামোটা লোক যেহেতু আছে সুতরাং সুযোগ নেওয়ার লোকও আছে। একই কারণে ছাগু খেদানো লোকও আছে। ![]()
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ
৩৪
সুমন চৌধুরী, এত "যদি" আর "তবে" দিয়া যে কাহন আপনে গাইলেন তাতে আমার কোনো দ্বিমত থাকনের দরকার আমি দেখি না। আপনার বক্তব্য সম্ভাবনাময়। অর্থাৎ এইটা হৈলে এইটা হৈবে, এইরকম হৈলে লাত্থি মাইরা খেদায়া দিমু, এইরকম হৈলে সম্ভাব্য সকল প্রকার নিষ্ঠুরতা দেখামু, ইত্যাদি ইত্যাদি। বাহ। বেশ চমৎকার!
ভাল কথা, এইসব থ্রেট এই পোস্টের লেজে দেওনের দরকার কেন ফিল করলেন? পোস্টে পোস্টকারীর বক্তব্য তো যথেষ্ট পরিষ্কার। বোঝার সমস্যা থাকলে জিগাইতে পারেন। সেইটা না কৈরা আপনের অনাগত এবং বিগত সকল প্রকার উদ্বেগ নিয়া এই বক্তব্যের ওপর ঝাপায়া পড়তে যাওয়ার হেতু কি? ওয়ালি বা ব্রাত্য রাইসুর দৃষ্টান্ত এখানে আনার অর্থ কি? আমার বক্তব্য কোন্ জায়গায় তাদের প্রতিনিধিত্ব করে দেখায়া দেন। আপনে কবে কাকে ধোলাই দিছিলেন এই গল্পে এই আলোচনার কী লাভ, সন্ত্রাস ছড়ানো ছাড়া?
এইসব রাইখ্যা সরাসরি একটা কথা বলেন: আমার নাম সুমন রহমান, এই ব্লগে লিখতেছি অল্প কিছুদিন। আমার যা বক্তব্য আমি সরাসরি বলি, কোন "যদি" বা "কিন্তু"র ধার ধারি না। টেক্সট আপনার সামনে হাজির আছে, সেইখান থেকে কথাবার্তা বলেন। গায়েবী প্রকল্প প্রণয়ন কৈরা কথা কৈলে আমার বুঝতে সমস্যা হয়।
শুধু প্লাটফর্ম কেন, প্রতিটা মানুষেরই জিরো টলারেন্স ইস্যু আছে। আমার বেলায় সেইটা হৈল, ছদ্মবেশী অসম্মান। অরূপের বক্তব্য অসম্মানজনক ছিল, প্রতিবাদ করেছি বিধি মোতাবেক। আপনার বক্তব্যেও তার আলামত দেখতেছি। বোঝা যাচ্ছে, প্রতিবাদে আর লাভ নাই। প্রস্থানই শ্রেয়তর বিষয়। আপনার/আপনাদের ক্লারিফিকেশন শোনার আকাঙ্ক্ষা থেকে একটু সময়ক্ষেপণ করি, তার আগে। তারপর বিদায়ী পোস্ট।
৩৫
এইবার মনে হয় বিষয়টা এট্টু ভুল বুঝাবুঝির দিকে যাইতেছে। আমার বক্তব্যের সারবস্তু ছিল পোস্টের দিকে। আর মাইর ধইর বা খেদানোর উপমা ব্যবহার করা হইছে কিছু সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্ররে বুঝাইতে। যেইটা অরূপের প্রথম মন্তব্যে আছে। অভিজ্ঞতার জায়গা থিকা কড়াকড়িগুলি উচ্চারণ করা হইছে। কোন ক্ষেত্রে মডারেশনের প্রয়োজন হইতে পারে তার উদাহরণ হিসাবে একটু স্মৃতি হাতড়াইলাম। আমার শব্দ ব্যবহার কিছুটা কর্কশ হইয়া গেছে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থী। তবে সেই ধারালো বাক্যের টার্গেট আপনি কোন অবস্থাতেই না। আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনারে কোনরকমের কষ্ট দিয়া থাকলে পুর্ণমাত্রায় লজ্জ্বিত।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ
১
বেশী কইরা ল্যাখেন
আপনেরো ভয় কাটবো, আমাগোরো
ঘটনা হল গতবছরের শুরুসামহয়ার একটা অসাধারন জায়গা ছিল। তারপর আমরা ফ্লাডিং, ট্রলিং বহু কিছু দেখে বেশ ধাক্কা খাই। তাই নীতির কঠোর একটা খাঁচা তৈরি করা হয়েছে। সেই খাঁচায় তো সুমন রহমানকে আটকানোর সুযোগ দেখা যাচ্ছে না..
সবাই চাইছেন সাইট বড় হোক, উন্মুক্ত হোক
সেই সময়টার কথা ভেবে চিন্তিত। সবাই সুমন রহমান না যে লিখতে ভালো লাগে বলে লিখে যান। তাদের জন্য কিছু কালাকানুন না রাখলে বিপদ, কারন ধূর্ত মানুষের সাথে যীশু খ্রীষ্টের নীতি চলে না..
অসুবিধা হলে জানাবেন। আপনার আমন্ত্রিতকে নতুন পাসওয়ার্ড এখনও পাঠাইনি বলে দুঃখিত। বাড়ি গিয়ে করে দেব। ফোন নাম্বার দিলে আলাপ করা যাবে
-------------------------------------
রামছাগলের সামনে, খচ্চরের পেছনে আর নিবোর্ধের ধারেকাছে না থাকাই শ্রেয়!