Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

বুলগেরিয়া

সোফিয়া থেকে দূরে কোথাও

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৭/১১/২০১৫ - ৪:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]


ভিতুশা পাহাড়ের নিমন্ত্রণে

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৯/১০/২০১৫ - ৪:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমার সেজ মামা আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এলে আমি রীতিমতো ভয়ে কুঁকড়ে থাকতাম। কারণটা হল মামার চোখে পরা মাত্রই মামা নানাভাবে প্রমাণে চেষ্টা করতেন যে ছাত্র হিসেবে আমি খুবই নিম্নপদস্থ। কারক, সমাস, ক্রিয়া-পদ এসব নিয়ে নিরন্তর প্রশ্ন তো করতেনই, মাঝে মাঝে আবার বলতেন তার হটাৎ মনে আসা কোনও বিষয়ে ইংরেজিতে ক’পাতার রচনা লিখতে। বলাই বাহুল্য তাত


বুলগেরিয়ার গল্প-০৫

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩০/০৬/২০১১ - ৩:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. লেখক


বুলগেরিয়ার গল্প-০৪

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৪/২০১১ - ৪:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. ভালোবাসাবাসির জায়গা

দুপুরে এমা বসের রুমে গিয়ে বললো, “আমার শরীরটা খুব খারাপ লাগছে। আমি কি এখন চলে যেতে পারি”? কাজের চাপ কম থাকায় যাবার অনুমতি মিললো। অফিস থেকে বের হতে এমা দেখলো অফিস বিল্ডিং-এর বাইরে পল অপেক্ষা করছে। পল ভাবলো, ছ’টা বাজতে এখনো অনেক দেরী। তারমানে এমার স্বামী বাসায় ফেরার আগে যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে। তাহলে আজ কোথায় হতে পারে? শেষবার বড় সুপার মার্কেটটার মাটির নিচের কার পার্কিং-এ হয়েছিলো। কয়েকশ’ গাড়ির মধ্যে কে কোন গাড়িতে কী করছে কেউ সেটা বুঝতে পারেনি। আশে-পাশে লোকজনের আনাগোনার সম্ভাবনা যতোটা বাড়ে, এমার মধ্যে উত্তেজনাও ততোটাই বাড়ে। যে জায়গা যতো বেশি বিপদজনক সেখানে মিলিত হবার মজা ততো বেশি!


বুলগেরিয়ার গল্প-০৩

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বুধ, ১৬/০২/২০১১ - ১:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. কে? ইভান নাকি?


বুলগেরিয়ার গল্প-০২

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ১২/০২/২০১১ - ৪:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিঁড়ি

শয়তান জিজ্ঞেস করলো, “কে তুমি”?
সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়ানো লোকটা উত্তর দিলো, “আমি এক জনমদুঃখী, সব দীন-দরিদ্ররা আমার ভাই। কি ভয়ঙ্কর এই দুনিয়াটা, আর এর মানুষগুলো কত কষ্টেই না আছে”!


বুলগেরিয়ার গল্প-০১

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৯/০১/২০১১ - ৫:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দরবেশের বীজ

সত্যি বলতে কি এই প্যাঁচটা লেগেছে আমার বয়স চৌদ্দ হতে না হতেই। তার আগেই বাবা মরেছিল ষাঁড়ের গুঁতায়, আর মা জ্বরে ভুগে। ফলে বুড়ো দাদা-দাদীর হাতেই বড় হয়েছি। দাদীর ডান হাতটা কীভাবে যেনো অকেজো হয়ে গিয়েছিল, তাতে ঘরের কোন কাজ ঠিকমতো করতে পারতেন না। সুতরাং দাদা ভাবলেন দাদীকে সাহায্য করার জন্য আমাকে বিয়ে দিয়ে ঘরে বউ আনা দরকার।