নীড়পাতা | সন্দেশ | গ্যালারী | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

প্রবাসের পানি সমস্যা


লিখেছেন আলমগীর (তারিখ: শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২০:০৫)
ক্যাটেগরী: | | | |

বাংলাদেশে পানীয় জলের প্রধান উৎস মাটির নিচে। বেশী তোলার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে আবার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেশ নীচে নেমে গেছে, তাই চাহিদা মেটাতে নদীর পানি শোধন করে সরবরাহ করা হয়। কিছু জেলা শহরেও ব্যবস্থা আছে; তবে সেই ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভর করেই। প্রায় উপজেলাতেই কেন্দ্রীয়ভাবে সরবরাহের কোন ব্যবস্থা নেই, গ্রামে তো প্রশ্নই আসে না। টিউবওয়েল, আর ক্ষেত্র বিশেষে পাতকুয়ার পানি গ্রামের লোকের ভরসা। কৃষিজমিতে সেচের জন্যে প্রচুর পানির দরকার হয়। সেটাও সাধারণত মাটির নীচ থেকেই তোলা হয় গভীর বা অগভীর নলকূপ দিয়ে। ভাল ব্যবস্থার অভাবে পানির প্রচুর অপচয় হয়। সেচের বেলায় সেটা শুনতাম ২০-৩০ শতাংশ। এ অপচয় রোধ করার জন্য, আর সরবরাহ নালার জন্য ব্যবহৃত জমির অপচয় ঘোচাতে একসময় বিএডিসি মাটির নীচে দিয়ে পাইপ বসিয়ে একটা ব্যবস্থা চালু করেছিল। (কৃষির উৎকর্ষ সাধনে বিএডিসির একটা দারুণ ভূমিকা একসময় ছিল। এখন কৃষির অবস্থাও ভাল না, বিএডিসি নিজেই লুপ্তপ্রায়।) তবু আমাদের দেশে পানির যথেচ্ছ অপচয় হয়। তার কারণ পানির কোন অভাব আমাদের নেই।

মেলবোর্ন তথা সারা অস্ট্রেলিয়ার এখন প্রধান সমস্যা এই পানি। সিডনি, পার্থ, ডারউইন প্রতিটি বিভাগীয় শহরে তা আসে বাঁধ দিয়ে জমিয়ে রাখা বৃষ্টির পানি থেকে। কেবল এডেলেইডে নদীর পানি ব্যবহারের সুযোগ আছে, আর পার্থে সাগরের পানির লবণাক্ততা দূর করে তা ব্যবহৃত হয়। সঙ্কট যে কতটা তা কিছু পরিসংখ্যান দিলে বোঝা যাবে। মেলবোর্নে সিটি ও তার পাশের সব সাব-আর্বের পানি আসে গোটা কয়েক ড্যাম থেকে। এসব ড্যামের ধারণকৃত পানি প্রতিদিনই মাপা হয়।

এবছর এখন ড্যামগুলোতে ধারণক্ষমতার মাত্র ৩০% পানি আছে। গতবছরও একই রকম ছিলো, তার আগের বছর ছিল ৫০%। গত বছর অগাস্টে ভাল বৃষ্টি হয়ে তা খুব দ্রুত ৪০% এর মতো হয়েছিল। ভয়ের কথা, এবছর বৃষ্টির আভাস পাওয়া যাচ্ছে না। এত কিছু জানার কারণ হচ্ছে প্রায় প্রতি রাতের নিউজে আবহাওয়ার খবরের সাথে এ ডেটাগুলোও দেয়া হচ্ছে।

পানির এই দৈন্যদশায় প্রাদেশিক সরকার পানি ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। গত কয়েক মাস ধরেই সেটা থ্রি-এ পর্যায়ে। থ্রি-এ মানে, গোসল করা যাবে, খাওয়া যাবে, কিন্তু বাগানে দেয়া যাবে না, গাড়ী ধোয়া যাবে না। পুল, ফোয়ারা সব বন্ধ। পাবলিক বাসে ক্ষমা চেয়ে বাস অপরিষ্কার থাকার কারণ জানিয়ে নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে।

আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে এটা হাস্যকর মনে হতে পারে যে, পানি দিয়ে আমি কী করলাম তা কে দেখবে। কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে এখানে প্রায় সবাই বাস্তবতাটা মেনে নিয়েছে। আমাদের দেশে ২০১২ সালে গ্যাসের বর্তমান মজুদ নাকি শেষ হয়ে যাবে। আহা রে! ঢাকায় কোন বাসায় কেউ চুলা বন্ধ করে রেখেছে এমন দেখিনি। ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে চুলা চালু রাখা।

বৃষ্টি কম হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির অস্তিত্ব তেমন নেই। বৃষ্টি কেন কম হয় তার বহুবিধ কারণ নিয়ে কথা হচ্ছে। এর মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং তার ফলশ্রুতিতে এল নিনো, লা-নিনার কথা বেশী চলছে। তবে অস্ট্রেলিয়াতে বৃষ্টি যে ঠিক কী কারণে হয় তাও আমি জানতে পারিনি। আমরা ভূগোলে পড়তাম আমাদের দেশের বৃষ্টির প্রধান কারণ হিমালয়ের অবস্থান। সাগরের পানি বাস্প হয়ে, মেঘ হয়ে হিমালয়ে গিয়ে একটা ধাক্কা খায়। ফেরার পথে বৃষ্টি হয়ে ঝরে। অস্ট্রেলিয়াতে সেরকম বড় কোন পর্বত নেই যে তা হবে। প্রধান শহরগুলো সব সাগরের তীর ঘেঁসে অবস্থিত। সেকারণে জলাবায়ুতে সাগরের প্রভাব খুব বেশী। গাছপালার প্রাচুর্য তেমন নয়। আর গাছপালা কী আসলেই বৃষ্টিপাতে কোন ভূমিকা রাখে?

বৃষ্টির অভাবে গত ক'বছর অস্ট্রেলিয়াতে খরা চলছে। খরার কোন এক সময়ে প্রতিদিন গড়ে পাঁচজন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। এখানকার পাঁচজন কৃষক ঠিক বাংলাদেশের পাঁচজনের মতো না। একজন কৃষক পুরো একটা ফার্ম জুড়ে থাকে, কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করে। কৃষকদের বাঁচাতে সরকার দানের ব্যবস্থা
করেছে। কী আর করবে বৃষ্টিতো আর কেউ এনে দিতে পারে না। সরকারের অর্থ সাহায্য নিয়ে খরাপীড়িত কোন কৃষক ইচ্ছে করলে কৃষিকাজ ত্যাগ করতে পারে। কৃষকেরা বোধ হয় সবদেশেই গরীব, বিকল্প কিছু করার কোন দক্ষতা থাকে না। ভবিষ্যতের কথা ভেবে অল্পসংখ্যক কৃষকই তাদের জমি ত্যাগ করেছে।

এই যখন প্রায় সব প্রদেশের অবস্থা তখন ব্যতিক্রম হলো কুইন্সল্যান্ড। কুইন্সল্যান্ডের আবহাওয়ার সাথে বাকী অস্ট্রেলিয়ার কোন মিল নেই। সারা বছর গরম, ঘাম চিট-চিটে অবস্থা। চৈত্র মাসে আমাদের দেশে যে অবস্থা হয় অনেকটা তেমন। কিন্তু পার্থক্য হলো তাপমাত্রা অত থাকে না, রোদ থাকে না। কেবল প্যাঁচ-প্যাঁচে বৃষ্টি আর আর্দ্রতা। সারাদেশে যখন খরা চলছে, বছরে সবমিলিয়ে ২০০মিলি বৃষ্টি হয়নি, তখন কুইন্সল্যান্ডে দু'ঘণ্টায় ২০০মিলি নেমে গেল। ফলে বন্যা।

মূলত অভিবাসীদের কল্যাণেই অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা বাড়ছে। কেবল মেলবোর্নে প্রতিবছর প্রায় সত্তুর হাজার নতুন মানুষ আসছে। এসব মানুষের চাহিদা মেটাতে নতুন বসতি
হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর চাপ পড়েছে। আর পানির অভাব তো আছেই। সে জন্যে সরকারের ভাবনা চিন্তাও আছে।

পানি সমস্যা মেটাতে প্রথম করণীয় ভাবা হচ্ছে শিল্প কারখানায় রিসাইকেল করা পানি সরাবরাহ করা। একটু ভেঙে বলা, এখন শিল্প কারখানাগুলো যে পানি ব্যবহার করে তা মোট ব্যবহৃত পানির সিংহভাগ। অর্থাৎ দৈনন্দিন কাজের জন্য মানুষ খুব অল্প পানি ব্যবহার করে। মানুষের ব্যবহৃত এসব পানি, বিশেষত গোসল আর ধোয়ার কাজে ব্যবহৃত পানিকে রিসাইকেল করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরাবরাহ করা যায়। কিন্তু শিল্প মালিকরা এতে রাজি না, আর জনগণ তো উহহুহুহু, এ্যা এই পানি! বর্তমানে গৃহস্থালী ও শিল্পের সব ব্যবহৃত সব পানি সাগরে যায়।

দ্বিতীয় বুদ্ধি হচ্ছে সাগরের লোনা পানিকে লবণমুক্ত করে সরাবরাহ করা। এর পেছনে তোড়জোড় বেশী শোনা যাচ্ছে। কারণ, সম্ভবত প্রচুর টাকার বিনিয়োগ। সাইটের জন্য
সম্ভাব্য জায়গাও দেখা হয়ে গেছে। কিন্তু পরিবেশবাদীদের প্রতিবাদও থেমে নেই। সমুদ্রের পানিকে লবণমুক্ত করতে প্রচুর শক্তির দরকার হবে, আর তার জন্য দরকার হবে পারমাণবিক প্রকল্প। অস্ট্রেলিয়াতে আবার ইউরেনিয়ামের প্রচুর মজুদ (সম্ভবত সবচেয়ে বড় খনিটা এখানেই)। পরিবেশবাদীদের মাথাব্যথার আরেকটা কারণ হলো, পানিকে লবণমুক্ত করার পর যে উৎপাদ থাকবে তার ডাম্পিং নিয়ে। যেখানে ডাম্পিং করা হবে সেখানকার লবণাক্ততা বাড়বে, সে সাথে পরিবেশ ভারসাম্য হারাবে।

এসব ভাবনা কেবল প্রাদেশিক পর্যায়ের। ফেডারেল সরকারের কাজ হলো দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করা। কী পন্থায় পানির স্থায়ী সমাধান করা যাবে তা নিয়ে তারা ব্যস্ত। এজন্য এই প্রথমবারের মতো তারা সব প্রদেশকে নিয়ে বৈঠকে বসেছে। বৈঠকের অন্যতম বিষয় হলো অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নদীজোড় মারি-ডার্লিং এর পানি বণ্টনের একটা নিয়ম করা।
বলে রাখা ভাল, প্রায় প্রত্যেকটি প্রদেশ বহুবছর ধরে লেবার শাসিত। কিন্তু ফেডারেলে লিবারেল। (এটাও একটা ধাঁধাঁ।) বহু বছর পর লেবার একই সাথে প্রাদেশিক এবং ফেডারেল পর্যায়ে ক্ষমতায় এসেছে। কাজেই পানি বণ্টনের এটাই সময়। এর আগে লিবারেলের কোন উদ্যোগে প্রাদেশিক সরকারগুলো তেমন সাড়া দেয়নি। মারি-ডালিং নদীজোড় সাউথ-অস্ট্রেলিয়া, ভিক্টোরিয়া, নিউসাউথ ওয়েলস ও কুইন্সল্যান্ডের জুড়ে বিস্তৃত। কৃষিকাজের সেচের পানির ৭০%এর মতো আসে এখান থেকে। তারপর, সাউথ-অস্ট্রেলিয়া (এডেলেইড) এর পানীয় জলের প্রধান উৎস এই মারি। এক জাতি এক কালচার কিন্তু পানি বণ্টনের বেলায় কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজী না। প্রধানমন্ত্রী
কেভিন রাড শেষ পর্যন্ত একটা সমঝোতা করছেন।

অনেকের মতে পানি সমস্যার কোন নির্দিষ্ট সমাধান না করতে পারলে অস্ট্রেলিয়া ধীরে ধীরে মরুভুমি হতে শুরু করবে। আবার অনেকে দেখাচ্ছেন যে, ২৫/৩০ বছরে একটা
চক্রের ব্যাপার আছে। এ চক্রটা পুরো হলেই অস্ট্রেলিয়া পানিতে ভেসে যাবে। কোনটাই আমার কাছে ভাল ঠেকছে না।

বহুবছর আগে নাকি খুব খরা চলছিল। পানির এত অভাব যে গোসলের কোন উপায় নেই। কী করা, বিয়ারের ড্রাম খুলে বড় ট্যাংকে ঢেলে দিয়ে গোসল সারা হত। সে রকম

তেমন একটা কিছু এখন হলে মন্দ হয় না।


গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন আলমগীর (তারিখ: শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২০:০৫)
উদ্ধৃতি | আলমগীর এর ব্লগ | ১৭টি মন্তব্য | ২৪২বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, আলমগীর. Sachalayatan.com can not be held responsible.

ইফতেখার এর ছবি
১ | ইফতেখার (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২০:৩১

বিয়ার দিয়ে দিয়ে গোসল ?


দেবোত্তম দাশ এর ছবি
২ | দেবোত্তম দাশ | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২০:৩৬

চিন্তার বিষয় ।

------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি


শামীম এর ছবি
৩ | শামীম | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২১:৪৬

জেনে খারাপ লাগলো।

সাথে একটু ভাল লাগলো কারণ দেশে সুবিধা না করতে পারলে অস্ট্রেলিয়াতে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে এই ভেবে। হাসি
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।


রাফি এর ছবি
৪ | রাফি | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২২:০৬

২০১২ সালে এই তথ্যটা আমার বিশ্বাস হয় না; কথাটা অনেকেই বলেন কিন্তু এর তথ্যসূত্রটা কী?
পানির জন্যই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে এ নিয়ে সেদিন একটা প্রবন্ধ পড়ছিলাম। সেখানে ৩০০ স্পর্শকাতর জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে যেকোন সময় যুদ্ধ বাধতে পারে।
ফারাক্কা সমস্যা সেই তিনশর একটা...

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!


আলমগীর এর ছবি
৪.১ | আলমগীর | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২৩:৩৮

জ্বালানী উপদেষ্টার উপদেষ্টা বুয়েটের ড. তানিমের বরাতে শুনেছি। হিসাবটা তার হতে পারে, আবার অন্যেরও হতে পারে।


দেবোত্তম দাশ এর ছবি
৫ | দেবোত্তম দাশ | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২২:০৬

সমস্যা গুরুতর

------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি


নিঘাত তিথি এর ছবি
৬ | নিঘাত তিথি | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২২:১৮

পড়লাম।
প্রতি বছর সত্তুর হাজার অভিবাসী আসে?!
বাসের গায়ে যে এই নোটিস ঝুলিয়েছে দেখি নি তো! পানি নিয়ে কত ক্যাচাল...আমার এইদিকে কখনই আল্লাহর রহমতে পানি সমস্যা হয় নি, গত এক বছরে। কিন্তু বাকি অংশের অবস্থা তো ছেড়াবেড়া। ব্রিসবেনে এরকম বৃষ্টির কথা শুনে কেমন যেন যেতে লোভ হচ্ছে, অবশ্য এই দেশের বৃষ্টি যে জঘণ্য! ঝুম বৃষ্টি কত দিন দেখি না, আহারে মন খারাপ
----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ


আলমগীর এর ছবি
৬.১ | আলমগীর | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২৩:২৫

সত্তুর কেবল মেলবোর্নেই আসে।
বাসে ড্রাইভারের পেছনে একটা বাস্কেট আর ঝাড়ু দেখবেন। তার কাছে একটা নোটিশও ছিল। না দেখলে, ড্রাইভারকে গাড়ী নোংরা কেন বলে একটা ঝাড়ি দিয়ে দেখেন।
পানির সমস্যা নেই মানে? ক্রাউনের ফোয়ারা প্রায় এক বৎসর ধরে বন্ধ! পানির রেসট্রিকশনের জন্যই। বাসায় গাড়ী ধোয়াও নিষেধ।


দ্রোহী এর ছবি
৭ | দ্রোহী | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২২:২০

এই জাতীয় সমস্যা যত বাড়বে আমার চাকুরি পাবার সম্ভাবনা ততোবেশি বাড়বে!


কী ব্লগার? ডরাইলা?


১০

ফেরারী ফেরদৌস এর ছবি
৭.১ | ফেরারী ফেরদৌস [অতিথি] | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২৩:১৭

হুমম... কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ!


১১

আলমগীর এর ছবি
৭.২ | আলমগীর | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২৩:৩৩

কারো সর্বনাশ, কারো পৌষ মাস।


১২

কবি এর ছবি
৮ | কবি [অতিথি] | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২৩:৫৮

ভালাই আছি তাইলে আমরা ঢাকায়।
তয় ভালা দিন মনে ওয় শ্যাষ হঅইয়া আইতাছে।


১৩

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি
৯ | প্রকৃতিপ্রেমিক | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৭:৫১

আলমগীর ভাই, এখানে চলে আসেন। পানির কোনো সমস্যা নাই। তবে ঠান্ডা আছে।


১৪

মুশফিকা মুমু এর ছবি
১০ | মুশফিকা মুমু | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৯:২৪

কিন্তু ভাইয়া এখানেও তো পাহাড় আছে, ব্লু মাউন্টেন তারপর আলপস। অবশ্য সেগুলো হিমালয়ের মত না। মজার লাগে ব্যপারটা, অস্ট্রেলিয়ার চারপাশে মহাসমুদ্র আর এখানে পানির রেস্ট্রিকশন খাইছে
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍


১৫

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
১১ | অতন্দ্র প্রহরী | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ১০:২৪

সমস্যাটা আসলেই প্রকট মনে হলো। উপায় একটা না একটা বের হবে নিশ্চয়ই। তবে বিয়ার দিয়ে গোসল! মজা পেলাম হাসি


১৬

শামীম এর ছবি
১২ | শামীম | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ১২:১২

এখানে একটা ব্যাপারে আবার নাক না গলিয়ে পারছি না ... ... সেটা হল বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার পানির সমস্যার তুলনা।

বাংলাদেশে জনপ্রতি পানির সরবরাহ আর অস্ট্রেলিয়ার সরবরাহের ব্যাপক পার্থক্য আছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার ঐ সকল স্থানে গাড়ি ধোয়া এবং লনে পানি দেয়া বন্ধ থাকার পরেও জনপ্রতি ঢাকার মানুষের চেয়ে ওখানে পানির ব্যবহার বেশি বলেই মনে হয়।

দেশে সবচেয়ে বেশি সুবিধাপ্রাপ্ত লোকদের জনপ্রতি ৪০০ লি./দিন (400 lpcd) সরবরাহের নকশা করা হয়। মফস্বল শহরে এই পরিমানটা ৫০-১০০লিটার/জন/দিন।

একটা বাথটাবেই কিন্তু প্রতিবারে প্রায় ৫০০ লিটার পানি লাগে .... শাওয়ারে সেই তুলনায় অনেক কম লাগে।

যা হোক একটা বিজ্ঞাপন দিয়ে শেষ করি। বিশেষত ঢাকার ভূগর্ভের পানিস্তর নেমে যাওয়া প্রতিরোধের উপায় নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম এখানে: ভূ-গর্ভে পানি সঞ্চয়
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।


১৭

আলমগীর এর ছবি
১৩ | আলমগীর | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ১৩:৫৪

সমস্যার তুলনা করতে চাইনি, অপচয় আর অভাবের দিকটা আনতে চেয়েছিলাম। লেখার শুরুত যা থাকে, শেষে এসে কেমন যেন পাল্টে যায়।


নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ফায়ারফক্সান » কেন?

লগইন করুন