প্রেম বড় ধন তাই মন উচাটন - ১

আলমগীর এর ছবি
লিখেছেন আলমগীর (তারিখ: শুক্র, ০৩/০৯/২০১০ - ৪:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
দীর্ঘ প্রায় সাত বছর বাসের পর ছেড়েছি অস্ট্রেলিয়া। অভ্যেস যায় না চলে, তাই প্রতিদিনকার মতো নিউজ.কম সাইটটা খুলে অস্ট্রেলিয়ার খবর পড়ি। এ পত্রিকা পড়েই এক সময় কস্কি মমিন লিখেছিলাম। শিক্ষকতায় ফিরব আবার, এ পরিকল্পনা ছিল না তখন। মমিন আর পড়া হয় না, তবে রাজনীতির খবর পড়ি।

প্রথম যখন অস্ট্রেলিয়া যাই নির্বাচনে আসে লিবারেল পার্টি (ডানপন্থী), নেতৃত্বে ছিলেন জন হাওয়ার্ড। তিন বছর সফলতার সাথে দেশ শাসন করেন। বিরোধী দল লেবারের (মূলত শ্রমিক সংগঠনভিত্তিক, কিছুটা বাম) তখন খাবি খাই দশা। চাকরির বাজার, অর্থনীতি, ব্যবসা, ডলারের দর - সবই ভাল। এর পরও পরের বার নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য লিবারেল খুব হীন একটা কৌশল অবলম্বন করে। আফগানিস্তান আর ইরাক যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত মানুষ তখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিচ্ছে। এদের কেউ কেউ নৌকায় চড়ে ইন্দোনেশিয়া হয়ে অস্ট্রেলিয়া আসে। মিডিয়ার ভাষায় 'বোট পিপল'।

শরণার্থীদের প্রতি অস্ট্রেলিয়া ঐতিহ্যগতভাবে সহানুভূতিশীল। অনেকের মতে এটা আবার গরু মেরে জুতা দান। ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর অনুশোচনা ঢাকতে অস্ট্রেলিয়া বহু ভিয়েতনামিকে আসতে দেয়। ৭০ এর দশকে প্রচুর লেবাননিও আসে। 'বোট পিপল' যখন বেশী বেশী আসা শুরু হয়, সাধারণ জনগণের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হয় নৌকায় চড়ে আল কায়েদা আসছে নাতো! একবার একটা নৌকায় আগুন লাগে, বাঁচার জন্য অনেক মা তাদের শিশুদের ছুঁড়ে দেন জলে। পরদিন পত্রিকায় ছবি আসে বোট পিপল সহানুভূতি পাবার জন্য নিজেদের বাচ্চা ছুঁড়ে মারে। এরা সহানুভূতি পেতে পারে না। জন হাওয়ার্ড ঘোষণা দেন, দিস ইজ আর কান্ট্রি; উই উইল ডিসাইড হু কামস এন্ড হু ডাসন্ট। এটা খুব হিট করে জনগণের কাছে, জন হাওয়ার্ড বিপুল ভোটে পুনঃনির্বাচিত হন। শরণার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক ডিটেনশনের ব্যবস্থা করেন নাড়ু দ্বীপে (স্বাধীন দেশ)। সমস্যা দেখা দেয় বছর খানিক পরে যখন প্রকাশ পায় ছবিগুলোকে ইচ্ছেমতো ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। শিশুদেরকে ছুঁড়ে দিতে বলেছিল জলে থাকা অস্ট্রেলিয় উদ্ধারকর্মীরাই। ইরাক আর আফগানিস্তানের যুদ্ধও আর তত ভাত পাচ্ছিল না। তখনও জনপ্রিয় ছিলেন ট্রেজারার (আমাদের অর্থমন্ত্রী) পিটার কস্টেলো; কিন্তু জন হাওয়ার্ড নেতৃত্ব ছাড়তে রাজী ছিলেন না। ফলে পরের নির্বাচনে বিশাল পতন ঘটে জন হাওয়ার্ডের, সাথে লিবারেলের।

বিপুল ভোটের ব্যাবধানে ক্ষমতায় আসে লেবার। নেতা ক্যারিশম্যাটিক চরিত্রের কেভিন রাড। নির্বাচনের কদিন পর প্রকাশ পায় রাড নিউ ইয়র্ক গিয়ে স্ট্রিপ ক্লাবে সময় কাটিয়েছে। লিবারেলের আশা ছিল রাডের প্রধানমন্ত্রীত্ব শেষ। 'হি ইজ আ ম্যান লাইক আস'- বলে অসিরা আরো বেশী মাত্রায় গ্রহণ করে তাকে। রাডের আরেকটা পলিসি ছিলো শরণার্থীদের প্রতি নমনীয় মনোভাব। যদিও পরে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় এটাই। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দাও গ্রাস করে। টেকনিক্যাল রিসেশন থেকে বাঁচতে ক্যাশ ইনজেকশন করা হয়। সব ট্যাক্সদাতাকে ৮০০-২০০০ ডলার ধরিয়ে দেয়া হয় খরচ করার জন্য। অর্থনীতি সচল রাখার জন্য বেশ কিছু ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট হাতে নেন।

এ সময়কালে বিরোধী লিবারেলে নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটে তিন বার। প্রথমে আসেন ব্রেন্ডন নেলসন যিনি ক্ষমতায় থাকাকালে প্রথমে শিক্ষা ও পরে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। এরপর তাকে চ্যালেঞ্জ করে আসেন ম্যালকম টার্নবুল যিনি মূলত ব্যবসায়ী। ম্যালকমও আবার আরেক চ্যালেঞ্জে হেরে যান টনি এবটের কাছে। কেভিন রাড এতটাই চৌকষ ছিলেন যে তার শাসনকালে প্রতিপক্ষ দল কোন নেতৃত্বই দাঁড় করাতে পারেনি। তার বিরুদ্ধে একেকটা স্ক্যান্ডাল তিনি প্রথমে ছড়াতে দিতেন, শেষ সময়ে এসে উল্টো প্রমাণ দিয়ে কাবু করে দিতেন।

তবু কেভিন রাডের শেষ রক্ষা হয় না। তখন শ্রীলংকায় সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। দলে দলে শরণার্থী নৌকায় করে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি দিচ্ছে। এক বছরে প্রায় দু'শ নৌকা ধরা পড়ে অস্ট্রেলিয়ান বর্ডার ফোর্সের হাতে। এরা আবার ভারতীয় বিএসএফের মতো গুলি করে মেরে ফেলে না। যথাযথ আন্তর্জাতিক নিয়মে (অস্ট্রেলিয়ারই) একটা ছোট দ্বীপে রাখে। যাচাই বাছাই করে প্রকৃত শরণার্থী হলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সুযোগ দেয়। জন হাওয়ার্ডের বাধ্যতামূলক ডিটেনশনের চেয়ে অনেক মানবিক ছিল এ ব্যবস্থা। অনেক লোক চলে আসতে থাকায় কেভিন রাডের এ নমনীয় নীতি তখন সাধারণ জনগণের কাছে অপ্রিয় হওয়া শুরু করে। তামিল গেরিলারা শরণার্থী সেজে আশ্রয় নিচ্ছে এ ধরনের কথাও ছড়ায়। পার্টি হিসাবে লেবারের জনপ্রিয়তাও কমে যায়। এক সময় পার্টি মিটিঙে চ্যালেঞ্জে হেরে যান তার ডেপুটি, জুলিয়া গিলার্ডের কাছে।

লিবারেল নেতা টনি গোঁড়া ক্যাথলিক। নারীদের পা জড়ো করে রাখতে পরামর্শ দেন। গে-লেসবিয়ানদের ডেইমন বলেন। এবরশন ইস্যুতে পুরো স্যারাহ প্যালিন। শুধু তাই না, বিরোধী নেতা জুলিয়ার বাই চয়েস সিঙ্গেল থাকাকে কটাক্ষ করেন। নিজে আবার লাউজি মডেল এও স্বীকার করেন। কারণ, ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডে তার একটা ছেলে আছে এক সহপাঠীর গর্ভে (এটা নিয়ে টনি যখন টিভি ক্যামেরায় বক্তব্য দেন, দুর্ভাগা সে ছেলেটা তখন মাইক্রোফোনের বুম ধরে রেখেছিল টনির মুখে!)। এত কিছুর পরও গত মাসের নির্বাচনে টনির লিবারেল যথেষ্ট ভাল করে। সিটের হিসাবে প্রায় সমান সমান। কে সরকার গঠন করবে তার জন্য স্বতন্ত্র এমপিদের কাছে দৌড়াচ্ছে দুজনই। গত পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে এ ঝুলন্ত সংসদ সম্ভবত দ্বিতীয়বার।

সিট সংখ্যার মারপ্যাঁচে লেবার হারেনি আবার জেতেওনি। কিন্তু প্রেফারেন্স ভোটের হিসাবে হেরেছে। হারুক তবু মানবতার জয়টুকু উদাহরণ হয়ে থাকুক।

২.
আমার মাথায় মনে হয় কিছু সমস্যা, বলি ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। খুব বেশীদিন হয়নি। কোথা থেকে শুরু সেটা আর না বলি। কারণ, শুরুটা মানবিক দুর্দশার। দুর্দশার সময়ে আমি কারো সহানুভূতি আশা করি না কারণ সেটা এক ধরণের অনুগ্রহই। বেঁচে থাকার জন্য সহানুভূতির প্রয়োজন নেই, সস্পৃহ জীবনীশক্তিই যথেষ্ট। জন্ম, জীবন-যাপন, মৃত্যু নিয়ে আমার নিজের কিছু ভাবনা আছে, যেগুলো অনেকের ভাবনার সাথে মিলবে না। অনেকের কাছে ভয়াবহ মনে হবে। বেশ কিছু পোস্টের প্রেক্ষিতে একবার ভেবেছিলাম ভাবনাগুলো লিখেই ফেলি, দেখা যাক কী হয়। লিখতে শুরু করার পর দেখা গেল মোটেই সুবিধার না। অনেকে ভয় পেয়ে যেতে পারেন। তার উপর পেশায় শিক্ষক হওয়ার বিড়ম্বনা আছে। ছাত্র-শিক্ষক-বন্ধুরা নানা কথা বলে। পাথর হয়ে বেঁচে থাকা যায়, তবে চলাফেরা দায়।

এর উপর বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছে ফেসবুকে। যাদের সাথে আমি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি তাদেরই ফেসবুকের বন্ধু বানাতে চাই। শুরুটা করেছিলাম এক বন্ধুর অনুরোধে, তালিকায় তারাই ছিল বেশী। পরে সচলের কয়েকজন যুক্ত হয়েছেন। সেও ঠিক আছে। এর পর আসছে নিজের আত্মীয়-স্বজন। এটা একটা বিপদ। এর পর আছে বিভাগের ছাত্র-কাম-জুনিয়র বন্ধু। যাদের চিনি, ঠিক আছে। বড় বিপদটা শুরু হয়েছে সম্প্রতি ইউনির রিইউনিয়ন আর এলুমনাই করা নিয়ে। অতি আগ্রহীরা ঢাকায় মিটিং করছেন, ফেসবুকে জনসংযোগ করছেন। একজন দু'জন করে এখন ইউনির প্রথম তিন ব্যাচের যত সিনিয়র, ব্যাচমেট আছে ফেসবুকে তাদের সাথে দেখা-সাক্ষাত শুরু হয়েছে। সবাই ভালো নন, তস্করও নন। তবু সবার সাথে সংযোগ রাখতে সমান উৎসাহ পাই না, নিজেরই সীমাবদ্ধতা। মরে যাই যখন একটা কোন ইস্যুতে কেউ ছবি পোস্ট করে ট্যাগ করে দেয়। আর ফেসবুকের যে সিস্টেম, এমন কোন অকথা-আকথা নাই যার নোটিফিকেশন দেয় না। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে প্রতি ঘণ্টায় পুরো পৃষ্ঠা পাল্টে যায় নতুন নোটিফিকেশনে।

আমোদের ব্যাপারও আছে। ডানদিকে 'ইউ মাইট নো'তে কদিন ধরে সুন্দরীদের ছবি দেখাচ্ছে। ক্লিক করলে দেখাচ্ছে ৮-১০জন কমন বন্ধু। বিষয়টা কী! প্রোফাইলে দেখায় তার মোট বন্ধুর সংখ্যা কয়েক হাজার। দেয়ালে শারীরিক প্রশংসামূলক কথা। বুঝতে বাকী থাকে না আমার অনেক ফেসবুক বন্ধু ভুয়া বান্ধবীদের পেছনে সময় দিচ্ছে। কার কী দায় পড়ে এসব প্রোফাইল বানিয়ে এ চাতুরী করার আমার মাথায় ঢোকে না।

৩.
সনাতন বা হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে আমার জ্ঞান সীমিত। কাছের একজন আছেন শ্রী অনুকূল চন্দ্রের ভক্ত। অনুকূল ঠাকুর সম্পর্কে আমি প্রথম জানি কলেজে পড়া অবস্থায়, ড. আশরাফ সিদ্দীকির একটা বক্তৃতায়। পাবনার হেমায়েতপুরে ঠিক যে জায়গাটায় মানসিক হাসপাতাল, যেটাকে আমরা 'সুস্থ' মানুষেরা পাগলা গারদ বলি, সেখানে। সত্য কথা হলো মানসিক হাসপাতালের ইট-কাঠ-চুন-সুরকি সবই সেই অনুকূল পরিবারের ঐতিহাসিক আবাসস্থল।

অনুকূল হিন্দু ধর্মপ্রথার কিছু আমূল পরিবর্তনের জন্য কাজ করে গেছেন। হিন্দু ছাড়াও ভিন্ন ধর্মের মানুষও আছে তার ভক্তের তালিকায়। (প্রসঙ্গক্রমে বলা দরকার শাহজালালের ভক্তদের মধ্যে কেবল মুসলমান নন, ভিন্ন ধর্মের লোকও আছেন।) বর্ণপ্রথা, দেব-দেবী, জীবনাচরণ এবং ধর্ম; সব ধর্ম সম্পর্কেই তিনি বহু কথা বলে গেছেন। তার কথাগুলো অনেকটা শ্লোকাকারে বাণীবদ্ধ আছে। সিলেটের অনুকূলের আখড়া (সৎসঙ্গ বিহার) হচ্ছে কড়ের পাড়, আমার আবাসস্থলের বেশ কাছেই।

ভারতে এবং বাংলাদেশে অনুকূলের বিরাট ভক্তকূল। তাদের কাছে ঠাকুরের জন্মস্থান পাবনার একটা তীর্থ মর্যাদা আছে। সম্ভাব্য পর্যটন স্থান হওয়ার সুযোগও আছে। প্রণববাবু যখন ঢাকায় আসলেন, ভক্তদের দাবী ছিলো, বিষয়টা যেন তিনি শেখ হাসিনার কানে তোলেন। ঠাকুর ভক্তরা মানসিক হাসপাতাল দখল করে নেবে না; বড়জোর একটা কোঠা চায় স্মৃতি হিসেবে। ভারতীয় দূতাবাসের দূতিয়ালি না প্রণবের কমজোরি না হাসিনার অসম্মতি; কারণ যাই হোক জায়গাটা পাবার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। আসছে অক্টোবরে অনুকূলের জন্মদিন।

৪.
গ্রামীণের নেট কানেকশন নিয়ে কানা-মামার মতো সন্তুষ্ট ছিলাম। এক গিগা ৩৫০টাকা, ব্যবহারের সময় সীমা ৩০দিন। স্পিড কোন রকম, কিন্তু ডিএনএসই হবে, বেশ সমস্যা করে ইদানিং। প্রায় সময় ঝিম মেরে বসে থাকে। যখন চলে ওয়েব পেজ দেখা যায় যদিও কোনমতে, জিমেইলে ঢুকতে খবর হয়ে যায়। ইউটিউব দেখার কথা কল্পনাও করা যায় না। মেয়েটা নেটে কিছু ফ্লাশ গেম খেলত। এক ক্লিকে যে গেম চলে আসতে সেটা এখন লোড হতে দশ/বারো মিনিট চলে যায়। নেটের স্পিডটা কেমনে করে বোঝাই তাকে? আমার নিজেরই হাত পুড়ে অস্ট্রেলিয়ার নেট কানেকশনের জন্য। দেখি আর না দেখি, শুনি আর না শুনি, কত নাটক সিনেমা আর গান যে নামাতাম। যদ্দিন দেশে আছি নেটের আফসোস আমার মনে হয় যাবে না।

৫.
আমার এক স্নেহাস্পদই বলা চলে, বন্ধু ছিল। তার সাথে বহু কফি-কাপাচিনোর ক্ষণ কেটেছে। সেগুলোর কোন এক ক্ষণেই মেয়েটা বলেছিল তার গায়ের রঙ কালো হওয়ার বেদনার কথা। সে মেয়েটিকে একটা ছেলের সাথে মিল করে দেয়ার চেষ্টাও করেছিলাম, কিন্তু হয়ে ওঠেনি। তবে আশাবাদী হয়েছিলাম নিজেই একজনকে খুঁজে পেয়েছে অমন কানকথা শুনে। সেটা যে সত্য ছিলো তার প্রমাণ পেয়েছিলাম একদিন শপিং মলে দুহাতভর্তি ব্যাগসহ ছেলেটাকে দেখে। মেয়েটার হাতে কিছু ছিলো না, চোখে আনন্দ ছিলো কেবল। আমি বিদায়ের আগে মেয়েটা উধাও হয়ে গিয়েছিল। কোথায় গিয়েছিল জানা হয়নি। আজকে মেইলে জানাল সে কিনা প্রতি সপ্তাহে আমার লেখার খোঁজ করে।

আরো একটা এমন ঘটনা ঘটেছিল। সচলের একজন একটা ছোট্ট মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। সাধারণ কুশল জিজ্ঞাসা, কিন্তু আমার কাছে বড় মর্মছোঁয়া ছিলো সেই বার্তাটা। উত্তর লিখেছিলাম, `ভাইরে, আমি চির সংখ্যালঘু। জাত-কাল-দেশ ভেদে আমার চ্যুতি নাই। আপনি যে কুশল জানতে চেয়েছেন তাতেই আমি ভীষণ আর্দ্র।' অপারগতার বিষয় লেখা কথাটুকু তাকে পাঠানো হয়নি। পাঠিয়েছিলাম ভিন্ন উত্তর।

মানুষ বড় তুচ্ছ কারণেই গলে যায়।

৬.
গত বুধবার গেল শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিন। বেচারা নাকি খ্রীষ্টের জন্মেরও হাজার তিনেক বছর আগে জন্মেছিলেন। কৃষ্ণ একটা বিষয়ই শিখিয়েছেন: প্রেম, যাকে অনেকে আবার লীলাও বলেন। সে সময়কার সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রেম কী আর লীলা কী ছিল জানি না; ধর্মের রূপ কী ছিল, ন্যায়-অন্যায় কী রূপে নির্ধারিত হতো; তাও জানি না। তবে তিনি যে প্রকারান্তরে মানবপ্রেমী ছিলেন সেটা জানা যায়।

সবাইকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা।
প্রেমময় হোক সবার
সারা জীবন।


মন্তব্য

তাসনীম এর ছবি

একটানে পড়লাম এবং দারুণ লাগলো।

দুর্দশার সময়ে আমি কারো সহানুভূতি আশা করি না কারণ সেটা এক ধরণের অনুগ্রহই। বেঁচে থাকার জন্য সহানুভূতির প্রয়োজন নেই, সস্পৃহ জীবনীশক্তিই যথেষ্ট।

আসলেই। আশা করছি নিজের শক্তিতেই দুঃসময় পার করবেন। শুভেচ্ছা রইল।

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

আলমগীর এর ছবি

দুঃসময় কিছু না ভাই। ভালো থাকুন।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

মানুষ বড় তুচ্ছ কারণেই গলে যায়।
হুম।

আলমগীর এর ছবি

হুম।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

আলমগীর এর ছবি

ভাবলাম রেস্ট্রিক্ট করে দিছেন, এখন দেখি কিছু্ই লিখেন নাই মন খারাপ

পাঠক [অতিথি] এর ছবি

রুপার্ট মারডকের (মধ্য ডান) নিউজডটকমডটএউতে কেন যান? (মধ্য বাম) দ্যা এজ/এসএমএইচ নয় কেন?

আলমগীর এর ছবি

ব্যাপারটা কোক-পেপসির মতো। পড়ে আরাম লাগে, বিপুল সিন্ডিকেশন। খবরের সাইট হিসাবে নিউজ.কম ভাল কিছু এওয়ার্ড পেয়েছে।

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

ভালো লাগলো, এক টানে পড়ে গেলাম। হাসি

আলমগীর এর ছবি

ধন্যবাদ হাসি

নৈষাদ এর ছবি

বেশ অনেক দিন পর লিখলেন। সবসময়ের মতই, ভাল লাগল।

আলমগীর এর ছবি

সুযোগ হয় না, আজ ভাবলাম লিখে ফেলি একটা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সাঈদ আহমেদ এর ছবি

খুব ভালো লাগলো।
-----------
চর্যাপদ

-----------
চর্যাপদ

আলমগীর এর ছবি

থ্যাংকু।

ভাঙ্গা পেন্সিল [অতিথি] এর ছবি

স্পিড কোন রকম, কিন্তু ডিএনএসই হবে, বেশ সমস্যা করে ইদানিং। প্রায় সময় ঝিম মেরে বসে থাকে।

গুগল ডিএনএস

আলমগীর এর ছবি

থ্যাঙ্কু। ওপেন ডিএনএস ব্যবহার করতাম একসময়। এখানে দেখি সমস্যা করে।

দ্রোহী এর ছবি

যা স্পীড! গুগল ডিএনএসে কানেক্ট হইতে হইতেই রিকোয়েস্ট এরর দেখায়। দেঁতো হাসি


কি মাঝি, ডরাইলা?

অনিকেত এর ছবি

বহুদিন পর তোমার লেখা দেখলাম,বস।
ভাল লাগল--

মানুষ বড় তুচ্ছ কারণেই গলে যায়।

কথাটা বড় মর্মস্পর্শী!

ভাল থেকো, সকল সময়।

আলমগীর এর ছবি

হালহকিকত কী আপনার?

অতিথি লেখক এর ছবি

পাবনার হেমায়েতপুরে ঠিক যে জায়গাটায় মানসিক হাসপাতাল, যেটাকে আমরা 'সুস্থ' মানুষেরা পাগলা গারদ বলি, সেখানে।
কথাটা খুব ধাক্কা দিল, আমরা কি আসলেও সুস্হ ? আশেপাশে তাকালে আমার তা মনে হয়না। হায়নার মত একটা বিশ্রী প্রতিযোগিতা চলছে সবজায়গায়।

একটানে পড়লাম, দারুণ লিখেছেন।

সাজিদ.

আলমগীর এর ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

ভালো লাগলো লেখাটা।

এডিএসএল +২ নিয়ে দেখতে পারেন। খারাপ না হাসি
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

আলমগীর এর ছবি

ধন্যবাদ।
ফোন লাইন কই পাব?

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

এখানে বিস্তারিত দেয়া আছে হাসি
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

আলমগীর এর ছবি

সন্ধান করেছিলাম, বহু হ্যাপা দেখায়। দু্ই দিনের জিন্দেগি এখন আবার তার টেনে নেটের জন্য কে ফোন নেয়? থ্যাংকু।

দ্রোহী এর ছবি

এডিএসএল +২!!!!!!!!!!!!! ব্যান্ড্ইডথ কত মেগাবাইট?


কি মাঝি, ডরাইলা?

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

এখানে বিস্তারিত দেয়া আছে হাসি
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

দ্রোহী এর ছবি

জিগাইলাম, মশা মারুম ক্যামনে? আর আপনে একটা কামান আগায়া দিলেন! ধুর মিয়া!


কি মাঝি, ডরাইলা?

অতিথি লেখক এর ছবি

দারুণ লেখা পড়েছি এক নিঃশ্বাসে,
স্বপ্ন দেখি ভাল কিছু করার বিশ্বাসে !!!

যাচাই করে আপনার লোকেশন,
নিতে পারেন ওয়াইম্যাক্স কানেকশন !!!

ফিসফিস

আলমগীর এর ছবি

ওয়াইম্যাক্সটা দেখতে হবে। শুনছি ভালো। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

শান্ত [অতিথি] এর ছবি

ভালো লাগলো পুরো লেখাটা। পবনার হাসপাতাল যে অনুকুল ঠাকুরের ছিল সেটা জানা ছিলনা। ধন্যবাদ জানানোর জন্য।

আলমগীর এর ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ রইল।

দ্রোহী এর ছবি

শুরুটুকু পড়ে ভাবলাম 'কস কী মমিন'। মন খারাপ


কি মাঝি, ডরাইলা?

আলমগীর এর ছবি

এবার বৌয়ের যত্ন নিন দেঁতো হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

মানুষ বড় তুচ্ছ কারণেই গলে যায়।

বড় ভালো লাগলো। পুরো লেখাটাই চমৎকার!

সুমিমা ইয়াসমিন

আলমগীর এর ছবি

ধন্যবাদ পড়ার জন্য ও মন্তব্য করার জন্য।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

কাকতালীয় আলমগীর ভাই। কালকে না পড়শু জানি ভাবতেছিলাম, আহা কতোদিন কস্কি মমিন পড়ি না! আজকেই দেখলাম লিখলেন। কিন্তু হায় হোসেন, কস্কি মমিন কোথায়! মন খারাপ
নিদেনপক্ষে অসি প্রাইম-মিনিস্টারের একখানা ফটুক পোস্টের সাথে ঝুলাইলেও নাহয় মনে শান্তি পাইতাম! গরীবের কথা কেউ ভাবে নারে ভাই, কেউ ভাবে না! মন খারাপ



বিএসএফ—
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ

আলমগীর এর ছবি

কোন দেশের কাক? জর্ম্মন দেশের? আর তাল গাছ কোন দেশে অবস্থিত ছিল? এই জমানায় কাকের ডাকের এমন কেরামতি টিকে আছে ভাবতেই তালের রস খাইতে ইচ্ছা করতেছে দেঁতো হাসি

ছবি মুমু ফেসবুকে মার্ছিলো মিস করছেন মুনহয়।

বিএসএফ আজকেও দু্ইজনরে কুপাইছে, সাইট আপডেট করছেন তো? ভবিষ্যতে কাজে দিবে আপনের এ উদ্যোগটা।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

বিএসেফের খবরের লিংকটা দিয়েন তো আলমগীর ভাই। আমি তো দেখলাম না। আর ঐটা আমার উদ্যোগ নারে ভাই।

তালের রস! আহা, জিনিসই একখান! মাথা পুরা বনবন কইরা ঘুরায়। হাসি



বিএসএফ—
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ

আলমগীর এর ছবি

টিভির টেলপে দেখাচ্ছিল কাল। আজ নিশ্চয়ই খবরে আসবে।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

টনি তো মনার্কিস্ট, নাকি? আচ্ছা এই বিষয়টা কী আসলে?
___________________________
Any day now, any day now,
I shall be released.


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

আলমগীর এর ছবি

মন্তব্যটা ধরতে পারলাম না, দুঃখিত।

টনি ব্লেয়ার (ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী) আর টনি এবট (অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল দলের নেতা) দুজন ভিন্ন ব্যক্তি।

টনি এবট খুব মেধাবী কিন্তু গোঁড়া ক্যাথলিক। তবু লেবারের প্রতি বিরক্ত হয়ে অসিরা লিবারেলকে ভোট দিয়েছে। কে সরকার গঠন করবে তা নির্ভর করছে তিনজন স্বতন্ত্র এমপির উপর।

অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে রাণীর একটা স্থান আছে। রাণী নিয়োগ করেন গভর্নর জেনারেল, যিনি সংসদ ভেঙে দিতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন। পার্লামেন্ট যদিও ইচ্ছে করলে গভর্নরকে ইমপিচ করতে পারে, সেটা কখনও হয়নি। এটা গেল ফেডারেল গভর্নমেন্ট।

এর বাইরে প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থায় আলাদা সংসদ থাকে, প্রেমিয়ার (মুখ্যমন্ত্রী) থাকেন। এখানেও একজন গভর্নর থাকেন। বর্তমানে প্রায় সবকটি প্রদেশ লেবার শাসিত।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

২য় টনির কথাই বলসিলাম। প্রশ্ন ধরতে না পারলেও, উত্তর ঠিক পাইলাম চোখ টিপি
___________________________
Any day now, any day now,
I shall be released.


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

যাক, বহুদিন পর আপনার লেখা পড়লাম...

নেটের স্পিডের এ অবস্থায় ব্লগিং মাঝে মাঝে বড় বিরক্তিকর ঠেকে। ... ফেসবুকের ভূয়া সুন্দরীদের কথাও কিছু বলার নাই।

অসিদের জীবনযাপন আমার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং লাগে। আজব এক জাত। খেলার মাঠেই দ্যাখেন। গালি খাইলে ওরা মনে হয় প্রতিপক্ষ হিসেবে গালিদাতারে আরো পছন্দ করে ফেলে...

_________________________________________

সেরিওজা

আলমগীর এর ছবি

ধন্যবাদ সুহান। আমার অড্রে কেমন আছে চোখ টিপি

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এ তো দেখি রিভার্স কালচার শক

আলমগীর এর ছবি

ইন্টারন্যাশনাল কালচার ধরতে পারি নাই কী করুম।

গৌতম এর ছবি

শ্রীকৃষ্ণের চেয়েও বড় মানবপ্রেমী আছে ধর্মের মিথে। বিশ্বরূপ দেখানোর কারণে তাঁর গুরুত্বটা একটু বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

শিক্ষাবিষয়ক সাইট ::: ফেসবুক

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

আলমগীর এর ছবি

মিথ না ইতিহাস অত জানি না। ভজন-কীর্তন শুনতে আরাম লাগে মাঝে মধ্যে এতেই সুখী।

অদ্রোহ এর ছবি

আজি দুঃখের রাতে, সুখের স্রোতে ভাসাও তরণী
তোমার অভয় বাজে হৃদয় মাঝে হৃদয় হরণী।

খোমাখাতায় আজকাল অ্যাডানোর ব্যাপারে কিঞ্চিত সামলে সুমলে চলতে হয়। মেকি সুন্দরীদের হ্যাপা না হয় বাদ দিলাম, এদিকে ময়-মুরুব্বিরাও আজকাল এইসব বেদাতি কায়কারবারে মশুগুল হয়ে পড়ছেন। কী ঘোর কলিকাল রে বাবা মন খারাপ

--------------------------------------------
যদ্যপি আমার গুরু শুঁড়ি-বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু নিত্যানন্দ রায়।

আলমগীর এর ছবি

'Want to know who clicked on my profile: এরকম ফিচারের একটা দাবী আছে। এটার বাস্তবায়ন হলে খবরাছে দেঁতো হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

এখনও এরকম একটা ব্যাপার প্রচলিত। তবে সেটা তেমন কাজের কিছু না। মন খারাপ

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

---R

হিমু এর ছবি
আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ব্যাপারটিকে যদি এভাবে দেখেন?
R

আলমগীর এর ছবি

এ বিষয়ে আমি আগেও আমার অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছি। বারবার এটিকে টেনে আনার কোন মানে দেখি না। বাকী অংশ স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় রেস্ট্রিক্ট করে দিলাম।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত, আলোচনা চলতে পারে।

R

আলমগীর এর ছবি

আমি কোন আলোচনায় আর আগ্রহী নই। ধন্যবাদ।
রেস্ট্রিক্টেড:

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

যা বলেছেন তার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত হয়ে আলোচনায় ইতি টানছি। ধন্যবাদ এবং একটি কথা R

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

বেশ

R-

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

বাহ্‌। বেশ বেশ।

আর--

-----------------------------------------------------------
অভ্র আমার ওংকার

আলমগীর এর ছবি

সন্দেশ আইসা পিটা দিব। দেঁতো হাসি

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

দুঃখিত, একমত হতে পারলাম না। এ প্রসংগে সকলেরই কিছু বলবার থাকতে পারে।

_________________________________________

সেরিওজা

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

গোপনালোচনা দারুণ লাগলো।
তার আগে দারুণ লাগছিলো পুরা পোস্টটা
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

ভালা পুস্ট। আর্দ্র হইলাম।

-----------------------------------------------------------
অভ্র আমার ওংকার

মহাস্থবির জাতক এর ছবি

হৈয়েন্না।

ফর্হাদসাবে ইলিয়াস্রে নিয়া সাম্প্রতিক লেখায় কৈসেন,

"বৃষ্টি, বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া, আর্দ্রতা, জলের চুপসানো আদর কিম্বা আলিঙ্গন–এই সকল প্রতীকাদির মধ্যে যৌনতা প্রবল ভাবে হাজির থাকে। এর একটা সহজ ব্যাখ্যা হোল, সঙ্গম ক্রিয়া একটি আর্দ্র ব্যাপার। হিন্দি সিনেমাগুলো সেন্সরের কারণে নায়কনায়িকাদের মিলন দেখাতে পারে না। কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে একটি কামার্ত গানের সঙ্গে নৃত্যের সিকোয়েন্স থাকে। এমনকি বিরহের মধ্যেও কাম আছে, বিচ্ছেদের মধ্যে শারীরিক আলিঙ্গনের সাধ তীব্র হয়ে ওঠে।"
চোখ টিপি
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

জোহরা ফেরদৌসী এর ছবি

আলমগীর, আপনার লেখাটি পড়ে অসম্ভব ভাল লাগল । কোন এক অদ্ভুত কারনে মন আর্দ্র হয়ে গেল, ………… অস্ট্রেলিয়ার "বোট পিপল"দের জন্য, সচলের সেই অচেনা "চির সংখ্যালঘু"র জন্য । সম্ভব হলে তাঁকে বলতাম, এই পৃথিবীতে আমরা সবাই একটিই জাতি, মানব জাতি । কেউ সংখ্যালঘু নই । সবাই আমরা মানুষ ।
……………………………………
বলছি এক জ্যোতির্ময়ীর কথা

__________________________________________
জয় হোক মানবতার ।। জয় হোক জাগ্রত জনতার

আলমগীর এর ছবি

নজু ভাই, শুভাশীষ দা, জোহরা আপা
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

নেট কানেকশনের দুর্বলতার জন্য আলাদা করে উত্তর দিতে পারছি না বলে দুঃখিত।

দময়ন্তী এর ছবি

বেশ ঝরঝরে চমত্কার ব্লগরব্লগর৷
কৃষ্ণ সম্পর্কে পড়ে মজা পেলাম৷ কথায় বলে 'আমরা করলে বিলা আর কৃষ্ণ করলে লীলা' হো হো হো
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

Nezam এর ছবি

শ্রী অনুকূল চন্দ্রের ভক্তের সংখ্যা কেমন? মানে জানতে চাচ্ছিলাম, এর সংখ্যা কি এত বেশি যে সেখানে একটা পর্যটন প্ল্যান নেয়া বিজনেস পয়েন্ট থেকে ভায়াবল হবে? যদি হয় তো কিছু সোর্স দেন।

একটা স্টোরি করতে চাই এটা নিয়ে।

আর লেখা খুবই প্রাঞ্জল হয়েছে, একটানে পড়ে ফেল্লাম।

আয়নামতি [অতিথি] এর ছবি

ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম ভাইয়া!

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

অনেক ঝরঝরে একটা লেখা। পড়ে ভালো লাগলো।

অতিথি লেখক এর ছবি

একটানে পড়ে ফেললাম। চমৎকার লাগলো। হাসি

- মুক্ত বয়ান

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।