যাচ্ছি কেওকারাডং |
আজ রাতে রওনা দিচ্ছি কেওকারাডং, বাংলাদেশের অন্যতম পর্বতশীর্ষ। দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলাম কীভাবে যাওয়া যায়। সুযোগ মিলে গেল। চোদ্দজনের দল, আমিই সবচেয়ে বুড়ো। আশা করছি ফিরে এসে একটা সচিত্র পোস্ট দিতে পারব।
সচলায়তনকে মিস করব খুব।
এটা কী হল, বদরু ভাই? |
অনেক অনেক বছর পর আজ ময়মনসিংহ গিয়েছিলাম। উপলক্ষটা ছিল একটা বিয়েতে হাজিরা দেওয়া। কিন্তু আমার উত্তেজনা ছিল বদরু ভাইয়ের সাথে দেখা করার। আমার সহযাত্রীদের ঢিলেমির কারণে বারে বারে বিরক্ত হচ্ছিলাম। আমি চাইছিলাম এগারোটার মধ্যেই কবরখানা রোডে তাঁর ডেরায় পৌঁছাতে। কিন্তু আমরা পৌঁছুলাম একটা পার করে।
রিকশা নিয়ে চলে এলাম ছোটবাজারের আজাদ মেডিক্যাল হলে। এখানেই মিলবে সব খবর; জানা যাবে এই স...
হায় শিশির, এমন করে এই অবেলায়... |
১৯৭৯-৮০ সালের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলেও আর্ট কলেজেই বেশি ঘোরাফেরা। শরীফ মিয়া-রমজান মিয়ার ক্যান্টিনে আড্ডা থেকে শুরু করে হবু-আর্টিস্ট বন্ধুদের সাথে আউটডোরে যাওয়া পর্যন্ত কিছুই বাদ যেত না। বলা বাহুল্য, অনেকেই পছন্দ করত না তাদের কলেজে এই বহিরাগতের আনাগোনা, যেখানে কিছু মেয়েও জুটেছিল বন্ধু হিসেবে। ওখানেই আমাদের এক বন্ধু ছিল, নাম কামাল। ওর প্রিয় কবিতা ছিল শঙ্খ ঘোষের 'আর...
যুদ্ধাপরাধী না, যুদ্ধপাপী |
অনেকদিন পর সচলায়তনে আসতে পারলাম। এসেই চোখ পড়ল ব্যানারে। মনে হল, অপরাধের চেয়ে পাপ অনেক বড়। কেমন হয় যদি ব্যানারে (এবং অন্য সর্বত্র) 'যুদ্ধাপরাধী' শব্দটির বদলে 'যুদ্ধপাপী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়?
ঈশ্বরের সম্পন্ন প্রতিমা |
প্রথম যৌবনের কেশোদগমের মত বাঙালি যুবকদের কবিতাও গজায়। বিডিআর-এর একটা ব্যক্তিগত মেসেজের উত্তরে কী কুক্ষণেই না এগুলোর কথা বলেছিলাম। তারপর থেকে জ্বালিয়ে খেল একেবারে। অথচ ভীষণ লজ্জা লাগছে। মনে হচ্ছে পিতৃত্ব অস্বীকার করি। কিন্তু বিডিআর আর আমাকে আস্ত রাখবে না- এই ভয়ে প্রথম যৌবনের সেই স্খলনগুলো এখানে পোস্টাতে রাজি হয়েছি। সেই যুগের পর অবশ্য আর কখনো কবিতার আশেপাশে যাইনি।
ঈশ্বরের ...
নিউজিল্যান্ড আরেকবার |
আসেন ভাই, নিউজিল্যান্ডকে আরেকবার মুরগি-ধরা ধরি। সাত উইকেটে ১০০!
ফোনবাণী |
জলদস্যুর 'শিরোনামহীন'-এর মধ্যে ফোন নিয়ে তার অভিজ্ঞতা শুনে (না, পড়ে) মনে হল ফোন-বিষয়ক কয়েকটা বাণী সচলদের জন্য দিয়ে দিই:
* একটা ফোন থাকা দরকার, দুটো থাকা বিল...
হঠাত্ বড় হয়ে গেলাম |
ভাই, আজ সকালে আমি হঠাত্ করে বড় হয়ে গেলাম। তোমার চলে যাওয়া আমাকে বড় করে দিল। আমি কিন্তু দিব্যি ছিলাম তোমার ছায়ার নিচে... দায়-দায়িত্ব তো সব বড়র। মেজ হিসেবে ফা...
দি সিটিজেন অভ্ দি ওয়ার্ল্ড |
লন্ডনে অস্থায়ীভাবে বাস করতে আসা সুসংস্কৃত এক চৈনিক পরিব্রাজকের জবানিতে লেখা এই চিঠিগুলো, যা লন্ডনের একটি পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পরব...
দি সিটিজেন অভ দি ওয়ার্ল্ড
লিখেছেন আনিস মাহমুদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-০৯-১১ ১৮:৫৪)
ক্যাটেগরী: সাহিত্য | লিয়েন চি আলতাংগি | সববয়সী |
অনুবাদকের কথা
অলিভার গোল্ডস্মিথ-এর নাম আগে শুনলেও তাঁর লেখার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ‘দি সিটিজেন অভ্ দি ওয়ার্ল্ড’-এর মাধ্যমে। বইটি আমি প্রথম দেখি...