খেকশিয়াল এর ব্লগ

দরজার ওপাশে

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/১১/২০১৪ - ৬:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"দরজা খোল অনি!" জেদ চেপে যায় বনি'র, কাঁপতে থাকে অল্প অল্প।

"না। দরজা খোলা যাবে না।" অনির শান্ত জবাব।

হঠাৎ হুটোপুটি শুরু হয়ে যায় দুজনের মাঝে। একই চেহারার দুই কিশোর। বনি গরাদের ফাঁক দিয়ে দুই হাতে অনির টুঁটি টিপে ধরে। গাঁক গাঁক করতে করতে একসময় ছাড়িয়ে নেয় অনি, আর এগিয়ে এসে প্রবল শক্তিতে ধাক্কা দেয় বনির বুকে। ছিটকে পড়ে বনি। তাকিয়ে দেখতে দেখতে ধপ করে বসে পড়ে অনি। হাঁপাতে থাকে দুইজন।


কালেকশন

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: শুক্র, ১৮/০৪/২০১৪ - ৪:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"ও বুড়া, তুমি যাবা কোনমুড়া?" ওস্তাদে মজা করে।

বুইড়া কোন কথা কয় না। মাথায় চাদর টাইনা, দুই হাতে হাঁটু প্যাচাইয়া টেরেনের তালে দুলে। তখন থিকা ওস্তাদে হালার লগে কথা কওয়ার চেষ্টা করতাছে। কিন্তু বুইড়া তাকায়ো না একবার। হালার সমস্যা কী?


আয় তোর মুণ্ডুটা দেখি

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: মঙ্গল, ১৭/১২/২০১৩ - ১২:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আয় তো তোদের মুণ্ডুগুলো আয় দেখি ‘ফুটোস্কোপ’ দিয়ে,
দেখি কত ভেজালের মেকি আছে তোদের মগজের ঘিয়ে।
কোনখানে বেশি স্যামকাকুডর, কোনপাশে কম ভাজা কার
কোন বামে তোর তেল গ্যাস নাই, কোন ডানে চাটে রাজাকার


কাইদান ছয় : ফেরা

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/১২/২০১৩ - ১২:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাত অনেক। ওতাকু বাড়ি ফিরছিলো। কিয়োতো'য়, রাস্তার এক পাশে তার বাড়ি। এখনো অনেক দূরের পথ। সারাটা শহর কবরের মত নিশ্চুপ হয়ে আছে।
কিইয়ো কি এখনো অপেক্ষা করে আছে বাড়িতে?


কেরামতি

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৭/২০১৩ - ৫:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছেলেটা আমাদের স্কুলে ক্লাস সিক্সের ফার্স্ট টার্ম পরীক্ষার ঠিক এক সপ্তাহ আগে ভর্তি হয়েছিল। ইংরেজীর ক্লাস চলছিল, রঞ্জন স্যার ক্লাস নিচ্ছিলেন। রবিন আর ঝন্টু বেঞ্চের উপর একে অন্যের কান ধরে দাঁড়িয়ে ছিল, আর মাথা নীচু করে কুটকুট করে হাসছিলো। আর আমরা হাসছিলাম ডেস্কের তলায় মুখ গুজে। স্যার একখানা রামধমক দিবেন এমন সময় হেডস্যার একটা ছেলেকে নিয়ে ক্লাসে ঢুকলেন। ঢুকেই রবিন আর ঝন্টুর দিকে তাঁর বিখ্যাত ভ্রু উলটানো হাসি দিয়ে একটু দেখলেন। রঞ্জন স্যার গদ্গদ মুখে এগিয়ে আসলে হেডস্যার আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন,


গ্রাম বাংলার উপকথা : ছালাবুড়ির গল্প

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৩/০৬/২০১৩ - ৫:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক গ্রামে টুইন্না কইয়া এক পোলা আছিলো। বড্ড দুরন্ত আছিলো টুইন্না, সারাদিন দুষ্টামি করতো। কখনো এর গাছের আম পাড়ে, কখনো তার গাছের লিচু খায়। সবসময় একটা না একটা কিছুতে তার দুষ্টামি আছেই। টুইন্নার জ্বালায় তার বাপ মাও অতিষ্ঠ। পড়াশুনায় মন নাই। পাঠশালায় গেল কি গেল না, সারাদিন হয়তো দেখা যাইবো খেলার মাঠে, নয়তো কারো বাড়ি গিয়া ফলমূল চুরি, এই-ই চলে। লোকজন আগে বাপ মারে নালিশ করতো, এখন নিজেরাই লাঠি নিয়া দৌড়ায়।


গ্রাম বাংলার উপকথা : বাইল্লাচুলীর গল্প

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: শুক্র, ০৭/০৬/২০১৩ - ৪:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোন এক গ্রামে এক বুড়ি আর তার মাইয়া থাকতো। বুড়ির চাল-চুলাই সম্বল। বুড়া মারা গেছিল সে অনেকদিন আগে। রাইখা গেছিল একটা ছাগল। গ্রামের এক কোনায় বুড়ির বাসা। বাসার থিকা একটু হাঁটলেই বন। বুড়ির মাইয়া ঐ বনে ছাগল চড়াইতো, পথের ধারের শাক-লতা-পাতা, গাছের ফল কুড়াইতো, লাকড়ি টুকাইতো। সেই শাক লতাপাতা খাইয়া আর বাড়ি বাড়ি লাকড়ির যোগান দিয়া কোনমতে তাগো দিন কাটতো। বুড়ির মাইয়ার নাম আছিলো দুলি।


ছাগু কথন

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: রবি, ০৬/০১/২০১৩ - ৫:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সলিড ছাগু বললে ডেকে ওরে ছুপা ছাগু
হাগতে বসে এতো লুকা-লুকি কেনো কাগু?
ছুপা ছাগু দাঁত কেলিয়ে বললো, কথা ঠিক
যুক্তি দিয়ে হাগবো হবো উত্তরাধুনিক!


শাকাহার

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: মঙ্গল, ১১/০৯/২০১২ - ১০:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হাঁটু বলে, 'ছাগু রে
কই গেলি কাগু রে?
আয় ব্যাটা পাতা খাই
আর করি হাগু রে'


হে পাষাণ

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: সোম, ২৫/০৬/২০১২ - ৫:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রতিদিন লিখো তুমি করে এত কষ্ট,
খটাখট টিপে কর চাবিগুলা নষ্ট
আদাজল খেয়ে লাগো পদে পদে জুড়তে,
ভাবে ভাবে গিট মারি পারো ল্যাসো ছুড়তে