ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পর্ব- তিন।

জাহিদ হোসেন এর ছবি
লিখেছেন জাহিদ হোসেন (তারিখ: বুধ, ১৪/১১/২০০৭ - ৩:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এই পর্বের আগের অংশটুকুর জন্য আমার "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পর্ব-আড়াই" এবং "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পর্ব-পৌনে তিন" টি পড়তে হবে। সেগুলো না পড়লে এই পর্বের মাথামুন্ডু কিছুই বুঝবেন না। রিয়্যালি!)

বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে ফিরবার সময় আমি আর মিজান নিউমার্কেটের কাছে নেমে গেলাম। অন্যরা হলে চলে গেল। আমাদের গন্তব্য বলাকা বিল্ডিং।
সেসময়ে বলাকা বিল্ডিংয়ের দোতলায় একটি ছোট্ট ফটো স্টুডিও ছিল। নাম "সিকো স্টুডিও"। এখনও আছে কিনা জানিনা। কে যে এর খোঁজ আমাদের দিয়েছিল, আজ মনে নেই। তবে আমরা আমাদের যাবতীয় ফটোগ্রাফী বিষয়ক কাজকর্ম এখানেই করাতাম।
ছোট্ট চিপা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয় দোতলায়। কাউন্টারে ছোকরা বাবুল বসা।
মিজান বলে,"ওসতাদ কই?"
বাবুল আমাদের দেখেই মুখ কালি করে ফেলে। ওর অবশ্য বেশী দোষ নেই। আমরা প্রতিবারই যখন আসি কোন না কোন ঝামেলা নিয়েই আসি।
বাবুল বলে, "ওস্তাদ চা খাইতে নীচে গেছে। পরে আসেন।"
মিজান সে কথায় টলকায় না। সে শান্ত স্বরে বলে,"মিছা কথা কইস না। ওস্তাদ জিন্দেগীতেও চা খাইতে নীচে যায়না। তার চা তুই উপরে নিয়া আসোস। যা-ওসতাদরে ডাক। বিরাট ঝামেলায় পড়ছি। তোর লগে বাহাস করনের টাইম নাই।"
অতিশয় বিরস মুখে বাবুল ভিতর থেকে ওসতাদকে নিয়ে আসে। ওস্তাদ নামের লোকটির বয়েস প্রায় পন্চাশ। উনি নেগেটিভ ডেভেলপ করা, প্রিন্ট রেডী করার কাজটি করেন। তার ছবির ভাবই আলাদা। আমাদেরকে উনি পছন্দ করেন কিন্তু তার পরেও ভাব দেখান যেন আমাদের পাল্লায় পড়ে তার বারোটা বেজে গেছে।
মিজান ওসতাদের হাত জড়িয়ে ধরে। "মহা ফাইসা গেছি ওসতাদ। আপনার সাথে শেষ দেখা করতে আসলাম। আমার জানাজায় আইসেন।"
এরকম নাটকীয় ডায়ালগেও ওসতাদের বিশেষ ভাবান্তর হয়না। তিনি নির্বিকারে বলেন,"কি ব্যাপার বলেন।"

সংক্ষেপে তাকে ঘটনা বলা হোল। মিজানের কথা হচ্ছে যে ওসতাদ যেন ঘন্টা খানেকের মধ্যে নেগেটিভ তৈরি করে ফেলে। যদি দেখা যায় যে কোন ছবি ওঠেনি, তাহলে মিজান রাতের বাসে করে চম্পট দেবে। মাস খানেকের আগে সে আর ফিরছে না। জহিরকে বলা হবে যে হঠাত্ত দেশের বাড়ী থেকে খারাপ খবর পাওয়ায় মিজানকে চলে যেতে হয়েছে।
আর আমাদের দায়িত্ব হবে আমরা যেন আরও একটা বুদ্ধি বার করি জহিরের জন্য। এক মাসের মধ্যে জহির যদি লুনাকে কব্জা করে ফেলতে পারে, তাহলে মিজানের এই গর্হিত অপরাধের কথা জহির ভুলে যাবে। আর জহির যদি লুনার কাছ থেকে ছ্যাঁক খায়, তাহলে তার তখন থাকবে দেবদাসের মতো অবস্থা। মিজানের শাস্তির কথা তার কাছে তখন গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে না।

ওস্তাদকে ফিল্মের রোলগুলো গছিয়ে দিয়ে আমরা দুইজন এক চায়ের দোকানে গিয়ে বসলাম। মিজান চড়া দাম দিয়ে একটা বেনসন কিনলো। "শালা, মরি মরি, খাইয়া মরি।"
তারপর আমার দিকে ফিরে বললো, "ব্যাপারটা থেকে কি শিখলাম জানিস। মানুষের উপকার করতে নাই। তাতে নিজেরই সমস্যা হয়। জিনিসটা মনে রাখবি।"
আমি সম্মতিতে মাথা নাড়ি।

একঘন্টা পর দুরুদরু বুকে সিকোয় গেলাম।
ওস্তাদ হাসিমুখে বললেন,"ছবি উঠছে, তয় মিজান সাহেব, আপনার সাথে একটা কথা আছে। কথাডা হইলো এই যে আপনার চেহারাসুরত বাঘের মতো হইলেও আপনার কইলজা হইলো বিলাইয়ের। এতো ভয় পাইলে দুনিয়া পার করবেন কেমনে মিয়া? আরে, পরের বিয়া দিতে যদি এতো টেনশন করেন, তাইলে নিজের বিয়ার রাইতে তো বৌয়ের মুখ দেখার আগেই তো শহীদ হইয়া যাইবেন।"
আনন্দে মিজানের মুখ ঝলমল করে। সে এই অপমান গায়ে মাখে না।
সে শুধু বলে, "কাইল সকাল এগারোটার দিকে আসুম। সবগুলা রোলের কনট্যাক্ট প্রিন্ট তৈরি কইরা রাইখেন।"
রিকশায় উঠে মিজান গান ধরে, "আনন্দধারা বহিছে ভুবনে।"

পরদিন আমি আর সিকোতে যাইনি। মিজানই এক একা গিয়েই ছবির অর্ডার দিয়ে এলো। বিকেলে চায়ের আসরে জহিরের আগমন।
"কেমন হয়েছে ছবিগুলো?"
মিজান বলে,"ছবি নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নাই। চিন্তা করেন কালকে আপনি কিভাবে প্রপোজ করবেন।"
জহির বলে,"কাজটা কি ঠিক হচ্ছে? মেয়েটার মন খারাপ বাবার শারিরীক অবস্থা নিয়ে। এর মধ্যে এইসব প্রেম ভালবাসার কথা বলাটা কি ঠিক?"
আমরা বললাম,"তীর ছোঁড়া হয়ে গেছে। এখন হয় মিসফায়ার এবং আপনার গালে জুতার বাড়ি, আর তা না হ'লে প্রেমবিদ্ধ পাখি লুটিয়ে পড়বে আপনার বুকে।"
এ জাতীয় বাণীতে জহির আরো ঘাবড়ে যায়। সে আর বেশীক্ষণ থাকেনা আমাদের আড্ডায়।

পরদিন দুপুর বেলায় মিজানের সাথে দেখা হোল টিএসসিতে। তার হাতে বিরাট এক এনভেলাপ।
"ছবি ডেলিভারী নিয়ে এলাম।"
"এত বড় খাম কেনরে?"
"কয়েকটা ছবি স্পেশালি ভাল হয়েছে। সেগুলো এনলার্জ করানো হয়েছে।"
"তা খামটা খোল। দেখি ছবিগুলোকে।"
"না। বন্ধ খাম খুলবোনা। একেবারে জহিরকে দেবো।"
"আচ্ছা- ঠিক আছে। ছবি দেখার দরকার নেই। এমনিই বল, কেমন হয়েছে ছবিগুলো?"
"আমার এযাবত তোলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছবি। এই ছবিতে যদি কাজ না হয়, তাহলে আর কিসে হবে খোদা মালুম।"

বিকেল বেলা জহিরকে দেয়া হোল খামটি। সে সন্ধ্যার দিকে লুনার হলে যাবে দেখা করার জন্য। তাকে আমরা ঠেলেঠুলে আগেই পাঠালাম।
"শুনেন, শেষ বিকেলের আলোয় এইসব কারবার জমে ভাল। লুনাকে ছোট ছবিগুলো আগে দেখাবেন, পরে বড়গুলো। কথা বলবেন একদম চোখের দিকে তাকিয়ে। কথা কম বলবেন, কিন্তু যা বলবেন গাঢ় স্বরে বলবেন। আমরা আমাদের ঘরে চলে যাচ্ছি। কি হোল জানিয়ে যাবেন। ঠিক আছে?"
জহিরের তখন টেনশনে টালমাটাল অবস্থা। তাকে দেখে মায়াই লাগছিল। প্রেম জিনিসটা যে কি ভয়ানক, সেটা সেদিনই হাড়েহাড়ে টের পেয়েছিলাম, এবং বোধকরি সেই ভয়েই আমাদের কারোরই ভাগ্যে সে শিকে ছেঁড়েনি কোনদিন।

ঘরে ফিরে টেনশন শুরু হোল আমাদের। "কামার পদ্ধতি"তে কাজ হবে তো? জহিরই হোল আমাদের প্রথম গিনিপিগ। সেই কি হবে প্রথম শহীদ?

আমরা ভেবেছিলাম ঘন্টখানেকের মধ্যে জহির ফিরে আসবে। ঘড়ির কাঁটা চলতে থাকে, কিন্তু জহিরের কোন দেখা নেই। আমরা ভাত খেতেও যেতে পারছিনা, যদি সে এসে আমাদের না পেয়ে ফিরে যায় এই ভয়ে। একটা পিচ্চিকে ডেকে নীচের দোকান থেকে পাঁউরুটি আর কলা দিয়েই রাতের খাবার সারলাম আমরা।

জহির যখন এলো, তখন রাত সাড়ে এগারোটা। তার মুখ ঈষত্ত গম্ভীর।
"কি ঘটনা?"
"একটু বাইরে চলেন। আপনাদের সাথে কথা আছে।"
"চায়ের দোকানে যাবেন?"
"না। একটু ফাঁকা জায়গায় চলেন। একটু উঁচা জায়গায় চলেন। বিশেষ কথা আছে।"
আমরা একে অন্যের দিকে তাকাই। ফাঁকা এবং উঁচা জায়গা কোথায় পাবো। ছ্যাঁক খেয়ে কি জহিরের মাথা পুরোটাই এলোমেলো হয়ে গেল নাকি?
"তাহলে তো মাউন্ট এভারেস্টে যেতে হয়।"
জহির আরও গম্ভীর ভাবে বলে,"চলেন হলের ছাদে যাই।"

মাঝে মাঝে পূর্ণিমা রাতে আমরা হলের ছাদে যেতাম। আসাদ ভাল বাঁশি বাজাতে পারতো। চাঁদের আলোর নীচে বসে তার বাঁশির সুর শুনে আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো বসে থাকতাম।
কিন্তু আজ তো পূর্ণিমা রাত নয়। কিন্তু কি আর করা। পড়েছি মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে। সবাই মিলে ছাদে গেলাম।

হলের ছাদটি বিশাল বড়। অন্ধকার রাতে সেখানে রীতিমত গা ছমছম করে। ছাদে উঠে জহির সোজা ছাদের কিনারার দিকে হেঁটে চলে যায়। আমরা আরো ঘাবড়ে যাই। এখান থেকে লাফ-টাফ দেবে না তো? আমরা তার পিছু নেই তাড়াতাড়ি। শেষমেশ খুনের মামলায় আবার ফেঁসে না যাই।

ছাদের কিনারার কাছাকাছি যেয়ে জহির থামে। তারপর সে ঘুরে দাঁড়ায় আমাদের দিকে। ছাদের স্বল্প আলোয় দেখলাম তার চোখে পানি টলমল করছে। হাতের উল্টোপিঠ দিয়ে চোখ মোছে সে। তারপর বললো, "আপনাদেরকে একটা বিশেষ কথা বলবার জন্য এখানে ডেকে নিয়ে এসেছি।"
আমরা সমবেতভাবে ঢোঁক গিললাম। "বলেন।"

সাতই মার্চের শেখ মুজিবের ভংগীতে আকাশের দিকে তর্জনী তুলে জহির গর্জে ওঠে। শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে সে চিত্কার করে বলে, "পুরা ঢাকা শহর বর্তমানে আমার কন্ট্রোলে আছে। তোমরা সবাই খেয়াল করো। সারা ঢাকা শহর আমার কন্ট্রোলে আজ। আমার কথা ছাড়া গাছের একটা পাতাও নড়বেনা। তোমরা সবাই মন দিয়ে শোন আমার কথা। আজ রাতে ঢাকা শহর আমার কন্ট্রোলে।"
আমরা তার দিকে দৌড়ে যাই। জহিরের চোখ দিয়ে দরদর করে পানি পড়ছে। এর মধ্যেও তার মুখে ঝলমল করছে হাসি। সে হাসির দীপ্তি পূর্ণিমার আলোকেও হার মানায়। হলের ছাদটি জহিরের হাসিতে আলোকিত হয়ে উঠলো।

আমরা জহিরকে জড়িয়ে ধরি। "কি হয়েছে বলেন।"
জহির ফিসফিস করে মন্ত্রোচ্চারণের ভংগীতে বলে,"শী সেইড ইয়েস। লুনা সেইড ইয়েস।"

আহা-সে কি সময়, সে কি রাত। অদৃশ্য দেবদূতেরা আমাদের উপর পুস্পবৃষ্টি করছে। কোথা থেকে ভেসে আসছে স্বর্গীয় সংগীত। চন্দ্রহীন অথচ আলোকিত সেই রাতে আমরা অনেকক্ষণ ছাদে বসে ছিলাম।

সেই রাতে একটা জিনিস টের পেয়েছিলাম। একটি অতি সাধারণ আটপৌরে মেয়ের ভালবাসাও একজন পুরুষকে এতখানি শক্তিশালী করতে পারে যা তাকে পৃথিবী শাসন করার মতো ক্ষমতাধর করে তোলে। জহির যথার্থই ভাগ্যবান পুরুষ। তার ছোঁড়া ভালবাসার তীরে অন্য হৃদয়টিকে সে বিদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। একজন পুরুষের কাছে এর চেয়ে মূল্যবান জিনিস আর কিই বা হতে পারে?

এর পর সে রাতে আর কি ঘটেছিল সে কথা খুব বেশী মনে নেই। মনে রাখার দরকারটাই বা কি?

________________
ফুটনোট:
১। লুনার বাবার শরীর খারাপের খবরটি সত্য ছিলনা। উনি মিথ্যে কথা বলে লুনাকে ডেকেছিলেন উনার পছন্দের পাত্রের সাথে বিয়ের আলোচনা করতে। জহির যদি সে রাতে লুনাকে কথাটি না বলতো, তাহলে এ গল্পের শেষটা হয়তো এরকম হোত না।
২। এই ঘটনার প্রায় এক বছর পর জহির-লুনার বিয়ে হয়। সে বিয়েতে আমাদেরকে ভিআইপির মতো খাতির-যত্ন করা হয়েছিল। অবশ্য মিজান বাদে। বিয়ের ছবি তুলতে তুলতে বেচারা খাওয়াটাই মিস করছিল অলমোস্ট।
৩। রোজীর সাথে আমাদের আর কোনদিন দেখা হয়নি। কিন্তু তার সাথে কার প্রেম হওয়ার সম্ভাবনা বেশী ছিল, এটা নিয়ে আসাদ আর রফিক বহুদিন সিরিয়াস তর্ক চালিয়ে গেছে।
৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়বার পর জহির বা লুনার সাথে আমাদের যোগাযোগ আর থাকেনি। জানিনা এখন তারা কোথায় এবং কেমন আছে। জানিনা ঢাকার শহর এখনো জহিরের কন্ট্রোলে আছে কিনা।


মন্তব্য

হিমু এর ছবি

হে ক্ষণিকের অতিথি, আপনি যদি সচলে নিবন্ধন করে থাকেন তবে লেখার শেষে আপনার নিবন্ধিত আইডি এবং ইমেইলঠিকানাটি যোগ করুন দয়া করে।


হাঁটুপানির জলদস্যু

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ভাল লেগেছে প্রতিটা বর্ণনা। তৃতীয় পর্বটা সিম্পলি অসাধারণ! সেই সাথে জহির-লুনা কেমন আছে সেটা আমার বড় জানতে ইচ্ছে করছে।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

জাষ্ট টু সে- ওয়াও!
দুর্দান্ত,দুর্দান্ত । কাহিনী যতোটা না,আপনার বর্ননা তার থেকে ও বেশী প্রাঞ্জল । সবপর্ব পড়তে চাই ।
-----------------------------------------
'প্রিয়তম পাতাগুলো ঝরে যাবে মনে ও রাখবেনা
আমি কে ছিলাম,কি ছিলাম--কেন আমি
সংসারী না হয়ে খুব রাগ করে হয়েছি সন্ন্যাসী
হয়েছি হিরন দাহ,হয়েছি বিজন ব্যথা,হয়েছি আগুন'

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

এতো সাবলীল আর সরস বর্ণনা! মুগ্ধ না হয়ে পারলাম না।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

নব্য এর ছবি

আপনার 'পৌনে তিন' সহ তিন পর্বের লেখাটি বেশ ভাল লাগলো। পড়ে বেশ শব্দ করে হেসে উঠলাম। শব্দটা বেশ জোরালো শোনালো কারণ আমি তখন লাইব্রেরীর 'silence room' এ। চারপাশে চোখ বুলিয়ে নিলাম; না কোনো বাঁকা চোখ চোখে পড়ল না! আমার কি দোষ বলেন? আপনার লেখাটা পড়েই না......

ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনাদের সবার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আপনারা আমার স্মৃতিচারণের সংগী হবেন আশা রাখি।

আই ডি: নির্বাসিত

অমিত আহমেদ এর ছবি
লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

অসাধারন!! অতি অসাধারণ!
এরকম লেখা অনেক কম পড়া হয়। মন ভরে রেটিঙ দিলাম হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে।
-নির্বাসিত

সাইফ তাহসিন এর ছবি

জাহিদ ভাই, অসাধারণ এই সিরিজ পড়ে আবারো বিমুগ্ধ! উত্তেজনায় টান টান হয়ে ছিলাম এই পর্ব পড়ার সময়।
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।