বাংলাদেশ ব্যাঘ্র কর্মপরিকল্পনা ও 'মিনি সুন্দরবন'

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৭/০১/২০১০ - ৮:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[উর্ধ্বটীকা: প্রথমে ভেবেছিলাম হিমু ভাইয়ের পোষ্টে মন্তব্য করি। বন বিভাগের হোমপেজ থেকে 'টাইগার একশন প্লান ' নামিয়ে প্রিন্ট করে পড়তে পড়তে ভাবলাম আলাদা একটা পোষ্ট দিইনা কেন? এই সুযোগে সচলায়তনে আমার অভিষেকও হয়ে যাক! হিমু ভাইয়ের বদৌলতে তাই এটা আমার প্রথম লেখা]

০১

বাঘ সংরক্ষনে বন বিভাগ "বাংলাদেশ বাঘ কর্মপরিকল্পনা (২০০৯-২০১৭)" প্রনয়ন করেছে। উপক্রমনিকায় এ কর্মপরিকল্পনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বন সংরক্ষক মহোদয় যা বলেছেন তার সারমর্ম হচ্ছে বাঘকূলের উপর ক্রমবর্ধমান 'অশনি সংকেত' মোকাবেলার জন্য এর মূল কারণ গুলো জানা এবং বাঘ-মানুষ বিরুপ সম্পর্কের (conflict) কারনে উভয়ের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা। আর যেহেতু মানবসৃষ্ট নানা কারনে আজ বাঘকূলের এই দশা, তাই মানবকূলকে নিয়েই অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে বাঘ সংরক্ষনের কথাও বলা হয়েছে উপক্রমনিকায়। কর্মপরিকল্পনার টেক্সটিতে বাঘকূলের অবস্থা, অবস্থান, বিচরন, ব্যবস্থাপনা, সমস্যা আর সম্ভাবনার অনেক কথাই বলা হয়েছে। আমি শুধু আট বছর মেয়াদে (২০০৯ থেকে ২০১৭) কি কি পরিকল্পনা বন বিভাগ করেছে, শুধু সেইটুকুই সংক্ষেপে বলে যাই।

যে অবজেকটিভ সামনে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে, তার পূর্ন বাস্তবায়নের কথা চিন্তা করেই মূলত একে ৮ বছর মেয়াদি করা হয়েছে। আর এই আট বছরের কর্মপরিকল্পনা শেষে বন বিভাগ ২০১৮ সালে যা আশা করছে সেগুলো হলো: ১) বাঘের সংক্ষা বাড়বে, না হলেও স্তিতিশীল থাকবে ২) বাঘের খাদ্য সংকট থাকবে না (বাঘ তার খাদ্য তালিকায় মনুষ্য প্রজাতিকে নিয়মিত করে খাদ্য সংকট দূর করবে কি-না, তা অবশ্য বলা হয়নি) ৩) ব্যাঘ্রকূল ও তার শিকারকূল উভয়ের সুন্দর আবাসস্থল নিশ্চিত হবে। ৪) সুন্দরবনের মত পার্বত্য চট্টগ্রামেও বাঘ 'চাষ' করা যায় কি-না তা ভেবে দেখা হবে।

এবার দেখি কোন কোন লক্ষ্য পূরণে কি কি 'কর্ম' বন বিভাগ 'পরিকল্পনা' করেছে আগামী ২০১৭ সাল অবধি।

লক্ষ্য: বাঘের সংখা বাড়ানো বা স্থিতিশীল রাখা।

পরিকল্পনা:
- বনে বাঘের অপটিমাম অকুপেন্সি নির্ধারন করে সে অনুযায়ী কত সংখ্যক বাঘ থাকতে পারে তা নির্ধারন
-যথাযথ আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করে বেআইনী শিকার কমিয়ে আনা
-বাঘ-মানুষ বিবাদ কমানোর মাধ্যমে বাঘ নিধন বন্ধ করা
-পার্বত্য চট্টগ্রামে 'বাঘ চাষ'-এর সম্ভাব্যতা যাচাই

লক্ষ্য: বাঘ ও তার শিকারের সুন্দর আবাসস্থল নিশ্চিতকরন

পরিকল্পনা:
-বাসযোগ্য আবাসস্থলের পূর্ব শর্তগুলো পূরণ ও সময়ের সাথে তার পরিবর্তন মনিটর করা
-অ-টেকসই বনজসম্পদ আহরণ কমিয়ে নিয়ন্ত্রন
-বনে বেআইনী কাজকর্ম নিয়ন্ত্রন
-জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত পরিবর্তন (যেমন সুপেয় পানি হ্রাস, লবনাক্ততা বৃদ্ধি) অনুযায়ি অভিযোজনের পদক্ষেপ গ্রহন
-ভবিষ্যতে খনিজ আহরনের চিন্তাভাবনা থাকলে পূর্নাংগ পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন

লক্ষ্য: বন বিভাগের নিজস্ব দক্ষ ব্যবস্থাপনা-ক্ষমতা বৃদ্ধি

পরিকল্পনা:
-সুদক্ষ লোকবল সৃষ্টি, যারা বাঘ ব্যবস্থাপনায় ডেডিকেটেড হবে।
- পরিবর্তনশীল (adaptive) ব্যবস্থাপনা-পদ্ধতি নিশ্চিতকরন
-মাঠ পর্যায়ে বাঘ-মানুষ সংঘর্ষ কমানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন ও উন্নয়ন, বিশেষ করে লোকালয়ে হামলাকালীন সময়ের কর্তব্য বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি
-বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উচ্চতর পড়াশোনা ও ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা
-সুন্দরবনের সামগ্রিক অর্থনৈতিক মূল্য (সোজা কথায় 'সুন্দরবনের দাম কত?') নির্ধারন

লক্ষ্য: আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বাঘ ও তার আবাস এবং খাদ্যের সুরক্ষা

পরিকল্পনা:
-বন কর্মকর্তাদের আইন ও তার প্রয়োগে অধিকতর সুদক্ষ করে তোলা
-বাঘ সংরক্ষনের সাথে সংস্লিষ্ট দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশন রিভিউ

লক্ষ্য: শিক্ষা ও জনসচেতনতা সৃষ্টি

পরিকল্পনা:
- বাঘ বিষয়ক একটি জাতীয় ভিত্তিক শিক্ষা ও জনসচেতনতা সৃষ্টির পরিকল্পনা গ্রহন
-সংরক্ষন যোগাযোগ ও সোশাল মার্কেটিংয়ের উপর ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা

লক্ষ্য: বাঘ বিষয়ক গবেষনা ও মনিটরিংয়ের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি

পরিকল্পনা:
-সরকারি, বেসরকারি, একাডমিক ও ব্যক্তি পর্যায়ে বাঘ সংরক্ষন গবেষনার প্রায়োরিটি নির্ধারন
-বাঘ সংরক্ষনের উপর বর্তমানের নলেজ বেজ সুদৃঢ় করা ও নতুন প্রজন্মের একদল সায়েন্টিস্ট গড়ে তোলা।

লক্ষ্য: পারস্পরিক সহযোগীতা বৃদ্ধি

পরিকল্পনা:
- বন বিভাগের সাথে অন্যান্য টেকনিক্যাল ও দাতা প্রতিষ্ঠনগুলোর পারস্পরিক সহযোগীতার প্ল্যাটফর্ম সৃষ্টি
-স্থানীয় জনসাধারনকে সংরক্ষন কাজে অংশিদার করা।

০২

সুন্দরবনের বাইরে আরেকটি 'মিনি সুন্দরবন' করা যায় কি?

উত্তর হচ্ছে না। যায় না। নতূন জেগে ওঠা চরে প্যারাবন করা যায়, কিন্তু সুন্দরবন করতে কিছু টেকনিকাল প্রবলেম আছে। সুন্দরবন গড়ে উঠেছে শত শত বছরের সাকসেশন (succession) এর ফলে। বর্তমানে বনে যে উপাদান গুলো আছে- বড় গাছ, মাঝারি গাছ, ছোট গাছ, লতা, গুল্ম, ঘাস, পাখ-পাখালি, পশু, পোকা-মাকড়, এমনকি বায়ু-পানি (সোজা কথা সকল বায়োটিক এবায়োটিক উপাদান)- এ সবই দীর্ঘদিনের মিথস্ক্রীয়ার ফসল। এমনও সম্ভাবনা আছে যে একটির প্রয়োজনে আর একটির জন্ম। কাজেই বুঝতে পারছেন কেন মিনি সুন্দরবন হটাৎ করে করা সম্ভব না।
তাছাড়া, নতুন চরের মাটি থাকে অস্থিতিশীল। আর এর নরম মাটিতে শুধুমাত্র কেওড়া আর বাইনই জন্মাতে পারে, অন্য কোনো গাছ না, সুন্দরী তো নয়ই। দীর্ঘদিন কেওরা আর বাইনের বন থাকা অবস্থায় মাটি ধীরে ধীরে শক্ত হওয়া শুরু করে, সেই সাথে কিছু ছোট ছোট ঘাস, গুল্ম জন্মানোর উপযুক্ত হয়। এ অবস্থায় বড়জোড় কয়েকটা হরিণ ছেড়ে দিতে পারেন এই প্যারাবনে, কারন হরিণের প্রধান খাদ্য কেওড়াপাতা। কিন্তু হরিনতো আর গাছের মগডালে উঠে পাতা ছিড়তে পারবে না। এ অবস্থায় আপনি কয়েকটা বান্দর ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবতে পারেন, যেন বান্দরগুলো খেলার ছলে কিছু পাতা মাটিতে ফেলে। তার আগে কিন্তু বানরের খাবার নিশ্চিত করতে হবে, অর্থাৎ কিছু ফলমূলের গাছের ব্যবস্থা করতে হবে। এবার একটা বাঘ ছাড়বেন? ছাড়তে পারেন, তবে সংগবিহিন কয়দিন থাকবে বেচারা? তাইলে দুইটা ছাড়েন। এই দুই বাঘ মিলে ছোট্ট একটা বনে কি তুলকালাম করবে ভেবে দেখবেন? তাছাড়া বনের রাজার থাকার উপযুক্ত প্রাসাদ আর প্রতিবেশ কি নিশ্চিত হয়েছে? না। অথচ ৩০-৪০ বছর কিন্তু ইতিমধ্যেই পার হয়ে গেছে। তাহলে আপনার স্বপ্নের মিনি 'সুন্দরবন' আর কতদুর? আসলে অনেকদুর। এভাবে হয়না, হলে পৃথিবির সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ থাকতো ভিয়েতনাম কিংবা ফিলিপিনে।

আর সুন্দরবনের বাইরে প্যারাবন সৃষ্টি করে যে বাঘের সংখ্যা বাড়ানো যাবে না, তা কিন্তু Tiger Action Plan দেখলে বোঝা যায়। বাঘের উপযোগি সবচেয়ে সম্ভাব্য জায়গা হিসেবে পারবত্য চট্টগ্রাম বেছে নেয়া হয়েছে- কারন এখানে প্রাকৃতিকভাবেই হয়তো বাঘের বসতির জন্য আদর্শ পরিবেশ-প্রতিবেশ রয়েছে।
আসলে মূল কথা হচ্ছে "বন্যেরা বনে সুন্দর"। 'বন' মানে বনই, বৃক্ষের বাগান না। সারা বাংলাদেশ জুড়ে আপনি গাছে গাছে ভরিয়ে দিতে পারেন, কিন্তু তাতে এক টুকরো বন যোগ হবে না। বন শুধু চোখে দেখা গাছপালা না, এটা একটা কনসেপ্ট। দেখা-অদেখা শত জীব-জড় উপাদান ও তার মিথস্ক্রিয়ার নাম বন।

[পাদটীকা: বাঘ কর্মপরিকল্পনার (Tiger Action Plan) অংশটুকু আমি মোটামুটি মূল পয়েন্টগুলো ধরে সংক্ষেপে লিখেছি। বিস্তারিত পড়ার জন্য মুল টেক্সট দেখুন।]

বন্যরানা
rana_forএটyahoo.com


মন্তব্য

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

ভাল লিখেছেন। সচলে স্বাগতম হাসি
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আপনি রেজিঃ করেছেন তো?

রানা ভাই, কাজের পোস্ট। আপনার একাডেমিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে ভালো হবে। ব্যস্ততার কারণে আমার অংশগ্রহণ করতে দেরী হবে। তবে চোখ রাখছি।

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

জ্বী পিপিদা, রেজি: করেছিলাম, এখনো এক্টিভেট হয়নি।

লেখার প্রথম অংশটুকু অনেকটা 'দেখে দেখে লেখা'।
তবে দ্বিতীয় অংশটুকু আমার একাডেমিক অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা, এজন্য কোনো হোমওয়ার্ক করিনি।

তানভীর এর ছবি

চলুক

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

ধন্যবাদ তানভীর ভাই।

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি

সচলে স্বাগতম।
লেখাটি ভালো লাগল। বিশেষ করে উদাহরণ সহকারে 'কৃত্রিম সুন্দরবন' সৃষ্টি কেন সম্ভব নয় তা বুঝিয়ে বলতে পারা।
আরো লিখুন।

==============================
ঢাকার মৌন ঘ্রাণে বকুলফুলের নাভি
==============================
হা-তে এ-ক প্র-স্থ জো-ছ-না পা-ড়ে-র ঘ্রা-ণ

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।

হিমু এর ছবি

সুন্দরী গাছ ছাড়া মিনিসুন্দরবন ... হুমমম।

সুন্দরবন যে কয়েক হাজার বছরের প্রাকৃতিক মিথষ্ক্রিয়ায় গড়ে ওঠা বন, তাতে আমার কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু যদি মানুষের হস্তক্ষেপে নতুন বন তৈরির চেষ্টা করা হয়, অত সময় কি লাগবে? প্রাকৃতিক বনে নতুন উপাদান যোগ হয় দৈবযোগে (যেমন একটা ঘাসের বীজ উড়ে বা ভেসে এসে বনের মাটিতে যোগ হবে, এবং টিকে গিয়ে বংশবৃদ্ধি করবে), কিন্তু মানুষ যখন বন নকশা করবে, তখন অনেক কিছুই দ্রুত করা সম্ভব। একটা ১০০% সুন্দরবনের বনসাই আমরা হয়তো পাবো না, কিন্তু যা পাবো, সেটা কি ভবিষ্যতের জন্যে সুন্দরবনের বীজ হিসেবে কাজ করবে না?

আমার একটা জিজ্ঞাসা আছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম তো জনঅধ্যুষিত এলাকা। এখানে বাঘ ছাড়া হবে কীসের ভিত্তিতে? সেই বাঘ খাবে কী? পাহাড়িদের গ্রামগুলি যে বাঘের হামলায় বিপন্ন হবে না, তার কী নিশ্চয়তা? বাঘের বিচরণের জন্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম কি উপযোগী? পার্বত্য চট্টগ্রামে চিতাবাঘ আর ভালুকই তো সীমিত হয়ে পড়েছে খাদ্য আর নিরাপত্তার অভাবে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

সুন্দরী গাছ ছাড়া মিনিসুন্দরবন ...

সেটাই হিমু ভাই। সুন্দরী হচ্ছে সুন্দরবনের ক্লাইমেক্স প্রজাতি। বাংলাদেশের উপকূলের অনেক জায়গায়ই সুন্দরী চেষ্ঠা করা হয়েছে- ফেল করেছে।

মিথস্ক্রিয়ার ব্যাপারে আপনার ধারনা ঠিক আছে, সাকসেশনটা অনেকটা এভাবেই হয়। কিন্তু সুন্দরবনকে রেপ্লিকেট করা একেবারেই সম্ভব না। সবচেয়ে কাছাকাছি কিছু একটা হয়তো করা যায় নিঝুম দ্বীপে, যেখানে কেওরা বন অনেকটা স্টেবল হয়েছে। ১৯৭৪ সালে এখানে মাত্র একজোড়া হরিণ ছাড়া হয়েছিলো, সেগুলো এখন বাড়তে বাড়তে উপদ্রুপে পরিনত হয়েছে। আপনার স্বপ্নের সুন্দরবনের ধারেকাছে কিছু একটা সেখানে করা যেতে পারে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘ ছাড়ার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। Tiger Action Plan এ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। আমি নিশ্চিত তারা সম্ভাব্যতা যাচাইকালে আপনার এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই খুঁজবেন। তবে আমার ধারনা পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু গহীন বন আছে যেখানে মানুষের পদচারনা নেই এবং বাঘের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেশও আছে। সেখানে চেষ্ঠা চালানো যেতে পারে।

হিমু এর ছবি

সেটাই ভাবছিলাম। পার্বত্য চট্টগ্রামেও সুন্দরী গাছ নেই, যেমনটা নেই সম্ভবত উত্তর আর মধ্য ভারতের জঙ্গলেও।

আচ্ছা, বাঘের সাথ সুন্দরী গাছের সম্পর্কটা ঠিক কেমন?



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

তিথীডোর এর ছবি

আপনার মন্তব্য চোখে পড়ছে কিছুদিন ধরেই...
সচলে স্বাগতম!

--------------------------------------------------
"আমি তো থাকবোই, শুধু মাঝে মাঝে পাতা থাকবে সাদা/
এই ইচ্ছেমৃত্যু আমি জেনেছি তিথির মতো..."
*সমরেন্দ্র সেনগুপ্ত

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

যাক, আমার মন্তব্য অন্তত একজনের চোখ এড়ায়নি।
ধন্যবাদ তিথীডোর।

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

ধন্যবাদ ধুগোদা।

দ্রোহী এর ছবি

ভালো লেখা। চলুক

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ দ্রোহী ভাই।

মুস্তাফিজ এর ছবি

ভালো লাগলো, ঐ রিপোর্টটি নিয়ে বিশ্লেষনধর্মী লেখা আশা করছি।

...........................
Every Picture Tells a Story

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

ধন্যবাদ মুস্তাফিজ ভাই, মাথায় রইলো।

চড়ুই এর ছবি

মানুষের বসতিতে বাঘ চলে এলে কি করে উদধার করা হবে, জানতে পারলে ভাল হতো

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

ধন্যবাদ।
কি উদ্ধার, বাঘ না মানুষ?

চড়ুই এর ছবি

সবই
বাঘের হাত থেকে মানুষকে আর মানুষের হাত থেকে বাঘ কে

অতিথি লেখক এর ছবি

"পার্বত্য চট্টগ্রামে 'বাঘ চাষ'-এর সম্ভাব্যতা যাচাই" ---- কিভাবে সম্ভব এই ধরনের উর্বর মস্তিস্কোপ্রসুত ধারনা প্রসব করা? বায়োডাইভারসিটি কন্সাভেশন প্রকল্পে একটা প্রস্তাব ছিল 'সুন্দরবনে মহিশ চাষ করা'।
নতুন প্রকল্প তো আরেক কাঠি সরেশ

বন্যরানা [অতিথি] এর ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে, নাম দিলেন না যে?
'চাষ' শব্দটা আমি এমনিতেই মজা করে লিখেছি, কর্মপরিকল্পনায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘ বিচরনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। উপরে হিমু ভাই যে প্রশ্নগুলো করেছেন সেগুলোর উত্তর পাওয়া গেলে বাঘের নতুন চারনভূমি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম খারাপ কি?

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।