Warning: Invalid argument supplied for foreach() in _fb_social_comments_seo_view() (line 304 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/fb_social/plugins/fb_plugin/comments.inc).

আমার ববি রায়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৮/২০১২ - ৮:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই খেলার মাঠ, দুপুরের তপ্ত রোদেও এমন ধূসর কেন? চারিদিক ঝাপসা, কেমন ধোঁয়াটে। একটুপর চোখে পড়ল এক কিশোরী। মুখটা যে বড় চেনা! ব্যাকুল হয়ে কার জন্য অপেক্ষা করছে? অপেক্ষার যেন শেষ নেই, দাঁড়িয়ে আছে তো আছেই। ওকি কাঁদছে? অভিমানে মুখটা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। আমার অস্থির লাগতে থাকে, বুকের মাঝে ভীষণ কষ্ট হতে থাকে। ছটফট করতে করতে একসময় বুঝতে পারি সেই স্বপ্নটা আমি আবার দেখেছি। কেন এই স্বপ্নটা ঘুরেফিরে বারবার আসে? প্রচণ্ড পানি পিপাসা লাগছে, কিন্তু উঠে পানি ঢালতে ইচ্ছে করছে না। কিশোরীর অর্থহীন অভিমান আমাকেও গ্রাস করে ফেলে। এক বুক অসহ্য তৃষ্ণা নিয়ে আমি পাশ ফিরে শুই, ঠিক যেভাবে পাশ কাটাতে চেয়েছিলাম জীবনের এক বড় সত্যকে।

সেই সত্যের নাম দেয়া যাক ববি রায়। অনিকেতদার "আমার রুবি রায়" পড়ে ভাল লাগায় অনেকক্ষণ আচ্ছন্ন হয়ে ছিলাম। মন বলছিল আমারও এমন কেউ ছিল যার প্রবল আকর্ষণে সম্মোহিত হয়েছিলাম দিনের পর দিন। ছিলাম বলছি কেন? আজো সে সামনে এসে দাঁড়ালে বুকের কাঁপন আটকাতে পারব কি? আমি জানি, আজো আমার সমস্ত পৃথিবী থমকে যাবে সেই আগের মতো।

আমার একেবারে কৈশোরে তার আগমন। আমরা এক পাড়ার এক দঙ্গল ছেলেমেয়ে তখন কৈশোরের দুরন্তপনায় মগ্ন। ১০/১২ জনের সেই দলটিতে মেয়ে ছিলাম মাত্র দুজন। কিন্তু খুব ছোটবেলা থেকে একসাথে বড় হওয়ায় আমাদের মাঝে ছেলে মেয়ের বিভাজন বলে কিছু ছিল না। কুতকুত বা এক্কাদোক্কা কখনও খেলা হয়নি, ডানপিটে বন্ধুদের সাথে ফুটবল, সাতচারা, ক্রিকেটে কাটছিল সুন্দর দিনগুলো। কিন্তু এরমাঝেই হঠাৎ ছন্দপতন, আমার ববি রায়ের আগমন। অনেকটা ভিলেনের মতই আবির্ভাব বলতে হবে। কারণ সে এসেই জানিয়ে দিল মেয়েদের সাথে সে খেলতে ইচ্ছুক নয়। তারপর তীব্র সমালোচনাগুলো কেন জানি ধেয়ে আসল আমার দিকেই। আমি ভাল করে ব্যাট করতে পারি না, দৌড়াতে পারি না ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে পড়ে বাসায় ফিরে সেদিন কেঁদেছিলাম, জেদ চেপে গিয়েছিল, ওকে দেখিয়ে দিতে হবে আমিও পারি।

কিন্তু পারিনি কখনোই। ঘটা করে নৈপুণ্য দেখাতে গিয়ে বরং হাসির পাত্র হয়ে উঠছিলাম দিন দিন। ফুটবলে গোলকিপার হিসেবে একেবারে মন্দ ছিলাম না, কিন্তু তখন বল আসার আগেই ঝাপিয়ে পড়ি; ব্যাডমিন্টনে "চাপ" ঠেকাতে গিয়ে আমার র‍্যাকেট সুদ্ধ ছিটকে যায়; ক্রিকেটে অতি সহজ ক্যাচ আমাকে বিদ্রুপ করে অনায়াসে মাটিতে গড়ায়। আমার আনাড়িপনায় স্মার্ট ববি রায় আরও স্মার্ট ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাকায়।

ববি রায় ছিল আমাদের সবার থেকে আলাদা। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া ছেলেটি এত সাবলীল ভাবে ইংলিশ বলত, আমরা হাঁ হয়ে যেতাম। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও পড়াশুনা করতে শিখলাম ববি রায় কে দেখে। সেবা প্রকাশনী আর হুমায়ূন আহমেদ ছাড়িয়ে বিশ্বসাহিত্য ভাণ্ডারের স্বাদ পেলাম ববি রায়ের বাসার বিশাল সংগ্রহের কল্যাণে । আমরা সবাই বুঝতে পারলাম এই অসম্ভব মেধাবী ছেলেটির তুলনায় আমরা অতি সাধারণ। কিন্তু জনপ্রিয় হবার বদলে ববি রায় ক্রমশ একা হয়ে যাচ্ছিল তার অহংকারী আচরণের জন্য। তারপরও আমার মনে হতো, অহংকার তো ওকেই মানায়। এই আমি, যাকে সবচে বেশি অপমান সইতে হতো, সেই আমি শুধু তলিয়েই যাচ্ছিলাম। আমার অজান্তেই তখন আমার সুখদুঃখ সবকিছু ববি রায়।

বিকেল হলেই আমরা সবাই জড়ো হতাম আমাদের সেই খেলার মাঠে। ববি রায় রোজ আসতো না, কোনদিন গানের টিচার, কোনদিন প্রাইভেট টিউটরে আটকে যেত। বলতে ভুলে গেছি, চমৎকার রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইত সে। যেদিন আসতো না, সেদিন সবকিছু অর্থহীন মনে হতো, প্রিয় বন্ধুদের অসহ্য ঠেকত, মনে হতো ইচ্ছে করে আমার পরীক্ষা নিচ্ছে ববি রায়। আজ বুঝতে পারি, চৌকশ ববি রায়ের আদৌ মনোযোগ ছিল না নিতান্ত সাধারণ ওই মেয়েটির প্রতি।

এরমাঝে আরেক কাণ্ড শুরু করলাম। ববি রায়ের বাসায় ফোন করে চুপ করে কণ্ঠস্বর শুনি। অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে প্রানখুলে গল্প করি, কিন্তু সাহসে কুলোয় না। ও প্রান্তে হ্যালো হ্যালো করে বিরক্ত ববি রায় একসময় সশব্দে ফোন আছড়ে রাখে। তারপরও আমার প্রচণ্ড ভাল লাগে, মনে হয় কিছুক্ষনের জন্য তো তাকে পেলাম। একসময় বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারি ববি রায় বুঝে ফেলেছে আমিই ফোন করি।। এবার চারিদিকের হাসিঠাট্টা আর টিটকারিতে আমি কুঁকড়ে যেতে থাকি। আমার একান্ত অনুভুতির, নিঃস্বার্থ ভালবাসার এমন কাটাছেঁড়ায় আমার চারিদিক কেমন অন্ধকার হয়ে যায়। নির্বোধ বালিকার এমন সাজায় ববি রায়ের কিছুই এসে যায় না।

আশ্চর্য, তারপরও আমি থেমে থাকিনি বা থেমে যেতে পারিনি। ছায়ানটে ভর্তি হয়েছি শুধু সে যায় বলে। আমাদের বাসার ছাদ থেকে ওদের বাসা দেখা যেত বলে ভীষণ ভিতু এই আমি সন্ধ্যায় একা দাঁড়িয়ে থেকেছি একটুখানি দেখতে পাব এই আশায়। আমার ছবি আঁকার হাত ভালই ছিল। ওর জন্মদিনে উপহার দেব বলে একবার একমাস ধরে ছবির পর ছবি এঁকেছি একটুখানি মুগ্ধতা পাবার আশায়।

কতদিন এভাবে চলত আমি জানি না। কিন্তু হঠাৎ আমার পরিবারে, বিশেষ করে আমার জীবনে বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। আমি সেই প্রচণ্ড শোকের মাঝে অপেক্ষা করতে থাকলাম শুধু তার জন্য। মনে হচ্ছিল এমন সময়ে সে না এসে পারে না, আমাকে ভাল না বাসুক, কিন্তু আমার এতদিনের এত অর্ঘের একটুখানিও কি তাকে স্পর্শ করেনি? পরিচিত সবাই ভালবাসায়, সহানুভুতিতে হাত বাড়াল আমার দিকে, শুধু যে হাতটির অপেক্ষায় ছিলাম, সে একবারও এলো না।

এরপরের গল্প অতি সংক্ষিপ্ত। তারপর থেকে আমি প্রাণপণ চেষ্টা করে গেছি আর কোনদিন যেন আমার সাথে তার দেখা না হয়, আর কোনদিন যেন আমার দুর্বলতার লেশমাত্রও সে জানতে না পারে। আমার ববি রায়ের গল্প কি তাহলে এখানেই শেষ? শেষই তো। একটা সাদামাটা ব্যর্থ প্রেমের উপসংহার আর কতোটাই বা আকর্ষণীয় হতে পারে? কিন্তু কেন জানি গল্পটা শেষ হয় না। স্বপ্নে, দুঃস্বপ্নে ববি রায় ফিরে ফিরে আসে। কৈশোর, তারুণ্য পেরিয়ে সেই নির্বোধ বালিকা আজো মনে মনে তারই প্রতীক্ষা করে।

এক জোনাকি


মন্তব্য

মোখলেছুর রহমান সজল  এর ছবি

অতি চমৎকার লাগল।

এক জোনাকী দুই জোনাকী তিন জোনাকী ওরে
তোমার লাগি বন্ধু আমার মন যে কেমন করে
এক পহর দুই পহর তিন পহর রাতি
তোমার লাগি বন্ধু আমার ঘরে জ্বলছে বাতি
এক পশলা দুই পশলা তিন পশলা ঝড়ে
তোমার লাগি বন্ধু আমার পরাণ কাপে ডরে
এক আশ্বিন দুই আশ্বিন তিন আশ্বিন গেলো
তোমার লাগি বন্ধু আমার বসন এলোমেলো । । ।

গানটার লিঙ্ক দিতে পারলাম। লিরিকের খানিকটা তুলে দিলাম। নজরুল ইসলাম বাবুর লেখা এই গানটার সাথে আপনার গল্পটা মিলে গেলো যেন!!
আরও লিখুন।

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক অনেক আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- । পরান কিন্তু সত্যি কাঁপছে ডরে। সচলে এটা আমার প্রথম লেখা, বোদ্ধা পাঠক আর লেখকরা লেখাটি কেমন ভাবে নেবেন, ভাবছি। আপনার মন্তব্য পড়ে অনেকটা সাহস পেলাম।
-এক জোনাকি

তিথীডোর এর ছবি

এই যে এক জোনাকি গানের লিঙ্ক। হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

কবিয়াল এর ছবি

মেয়েরা অহংকারি পুরুষকেই কেন সবসময় বেশি পছন্দ করে ? (বিশ্বাস করুন , এটা গবেষণালব্ধ , আমার মত মাত্র নয়)

অতিথি লেখক এর ছবি

উত্তরটা আমারও জানা নেই। মানুষের মনস্তত্ত্ব বড়ই জটিল।

-এক জোনাকি

তাসনীম এর ছবি

সচলে স্বাগতম।

ভালো লাগলো লেখাটা।

এটাই কি আপনার প্রথম লেখা?

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

অতিথি লেখক এর ছবি

তাসনীম ভাই, আপনার লেখা সবসময় গোগ্রাসে গিলি। আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি লাগছে। আর হ্যাঁ, এটা আমার প্রথম লেখা।

-এক জোনাকি

সত্যপীর এর ছবি

ভারি চমৎকার চলুক

..................................................................
#banJamaat

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ সত্যপীর। যাদের লেখা পড়ে মুগ্ধতায় বুঁদ হয়ে থাকি, তাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে খুব ভাল লাগছে।
-এক জোনাকি

তিথীডোর এর ছবি

হায়, বালিকা জানে না তো পুষবে অনুরাগ/ হৃদয়ে কতোদিন, কার বা চলা-পথে...
বালিকা জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে,
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।
জলের চোরাস্রোত গোপনে ব'য়ে যায়,
বালিকা ভুল করে নেমেছে ভুল জলে.....' মন খারাপ

খুব ভাল্লাগলো লেখাটা। চলুক
নীড়পাতায় নিয়মিত আপনাকে দেখতে চাই। হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

অতিথি লেখক এর ছবি

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- তিথী। আমি মনে হয় অনেক বানান ভুল লিখেছি। অনেকদিন বাংলায় লেখা হয়না। আমি ভাবছিলাম তিথী ভুল বানানে খুব বিরক্ত হবে হাসি

-এক জোনাকি

তাসনীম এর ছবি

এইসব কারণেই আমি বালিকাদের জল থেকে দূরে থাকতে বলি।

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

তানিম এহসান এর ছবি

নিয়মিত লিখবেন আশা করি হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

আশা রাখছি হাসি

-এক জোনাকি

ক্রেসিডা এর ছবি

দা---রু-----ন----!

__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;

অতিথি লেখক এর ছবি

ধ--ন্য--বা--দ অ--জ--স্র--! হাসি

-এক জোনাকি

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

ভাল লেগেছে। লিখুন নিয়মিত, নির্দ্বিধায়। হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

হাসি

-এক জোনাকি

অতিথি লেখক এর ছবি

খুব মন কেড়ে নেয়া লেখা, খুব সুন্দর লেগেছে চলুক
সারাজীবন

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

-এক জোনাকি

নিলয় নন্দী এর ছবি

আশির দশকে পড়েছিলাম ইউ. ইয়াকভলেভের লেখা রাশিয়ান গল্পসংকলন রূপের ডালি খেলা।
বহু দিন পর মনে পড়ে গেল।
একটু খুঁজে দেখুন বইটা কোথাও পান কি না। ভাল লাগবেই।

আপনার লেখাও ভাল লেগেছে।
ছেলেরা অনায়াসেই পছন্দের মেয়েটিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে। সেই তুলনায় মেয়েদের হাত থেকে এমন লেখা খুব কম।
আমাদের সামাজিক বাস্তবতা এমনই।
চলুক

নাসির এর ছবি

'রূপের ডালি খেলা' পল্টনে পুরনো বইয়ের ফুটপাথে পাবেন , আমি কিনে রেখে দিয়েছি ।

অতিথি লেখক এর ছবি

ধন্যবাদ। যেই তেপান্তরে থাকি বইয়ের নাগাল পাওয়া মুশকিল । অবশ্যই খুঁজব।

ছেলেরা অনায়াসেই পছন্দের মেয়েটিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে। সেই তুলনায় মেয়েদের হাত থেকে এমন লেখা খুব কম।
আমাদের সামাজিক বাস্তবতা এমনই।

সহমত।
-এক জোনাকি

অচল এর ছবি

খুব মায়া দিয়ে লিখছেন গল্পটা, অসাধারণ লাগছে আমার কাছে। তবে আপনার গল্পটা আমার দেখা একটা বড় ভাই আর আপুর কাহিনী মনে করিয়ে দিল। (গুড়)

সাফি এর ছবি

আপনার নামটা পছন্দ হলোনা, এইরকম নামের মন্তব্য সচরাচর ছাড়া হয়না বলেই জানি। আশা করি নতুন নাম পছন্দ করে নেবেন।

অচল এর ছবি

আপনি কি নিক-নেম টার কথা বলছেন ?? আসলে নিকটা আমার খুব পছন্দের আর আমি সামান্য পাঠক মাত্র, কোন সমস্যা হবার কথা না। আর কোন সময়, যদি আমার কাছে নিক-টা ভাল না লাগে তখন না হয় বদলাবো 'খন চোখ টিপি

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়বার জন্য।
-এক জোনাকি

সুমন চৌধুরী এর ছবি

ভালো লাগে নাই একদমই। প‌্যানপ‌্যানানি মনে হয়েছে। একান্তই ব্যক্তিগত মত।

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার মন্তব্যের পর আমার কাছেও মনে হছছে প্যানপ্যানানি হাসি । কিন্তু এই প্যানপ্যানানি গুলো ছাড়া জীবন যে একেবারে আলুনি।
-এক জোনাকি

অচল এর ছবি

চলুক

শাব্দিক এর ছবি

দারুন লাগল আপনার লেখা। লিখতে থাকুন হাত খুলে, মন খুলে।

---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

-এক জোনাকি

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

এটা আপনার প্রথম লেখা?
চমৎকার মায়াময় বিষন্ন লেখা। হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

চমৎকার মায়াময় বিষন্ন লেখা।

বিশেষণটা খুব ভাল লাগল হাসি

-এক জোনাকি

বন্দনা এর ছবি

কেমন মায়ায় ভরা আপনার স্মৃতিকথন, কোথাই যেন আমার নিজের সাথে ও এক্টুখানি মিল খুঁজে পেলাম। আপনার লেখা আর ও পড়বো এই প্রত্যাশা করছি।

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ বন্দনা। আপনার লেখা আমার বেশ ভাল লাগে।
-এক জোনাকি

দুর্দান্ত এর ছবি

চারটা শব্দঃ manic pixie dream girl.

ক্লোন৯৯ এর ছবি

চলুক চলুক

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

মোটামুটি লেগেছে বা ভালো লাগে নি বলা যায়। বিষয়বস্তুটাই কারণ। তবে একটা দিক স্পষ্ট যে আপনার গদ্য লেখার হাত ভালো, অর্থাৎ অন্য বিষয়ে লেখার চেষ্টা করুন, ভালো হবে মনে হয়।


_____________________
Give Her Freedom!

অতিথি লেখক এর ছবি

ধন্যবাদ। লেখনি নিয়ে সমালোচনা করলে মাথা পেতে নিতাম।কিন্তু বিষয়বস্তুটা ভাল লাগেনি কেন বলবেন কি? প্রেমভালবাসার প্রকাশ অপছন্দ? নাকি রুবি রায়দের নিয়ে লেখা মেনে নিতে পারেন, ববি রায়দের নিয়ে নয়? কৌতূহল থেকেই জানতে চাইছি, পাল্টা প্রশ্নে বিরক্ত হবেন না আশা করি।

-এক জোনাকি

মৃত্যুময় ঈষৎ(অফলাইন) এর ছবি

প্রেম ভালোবাসার সাধারণ বা সস্তা প্রকাশ অপছন্দ। যদিও বাস্তবিক বা ব্যক্তিগত জীবনে প্রেম ভালোবাসা সাধারণ বা সস্তা ভাবেই ঘটে। তবুও লেখায় এর প্রকাশ কেন যেন আরো রহস্যাবৃত বা পরোক্ষ বা অলংকৃত দেখতে ভালো লাগে। কন্ট্রাডিক্টরি পয়েন্ট অবশ্য।

রুবি রায়, ববি রায়ে কোন সমস্যা নাই।

বিরক্ত হবার কোন চান্সই নাই। আপনি সুন্দর প্রতিমন্তব্য দিয়েছেন। আশাকরি সচলে নিয়মিত হবেন, অন্যের লেখা পড়বেন-সেখানে মন্তব্য করবেন, নিজেও নানা বিষয়ে সুন্দর সুন্দর লিখবেন। ধন্যবাদ।

অতিথি লেখক এর ছবি

লেখাটা পড়ে একটা গান মনে গুনগুনিয়ে উঠল--"আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই,বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে!!" ভালবাসা কখনও কখনও অপ্রাপ্তিতেই বোধহয় পূর্ণতা পায়!লেখা ভাল্লাগলো।।।

সুবর্ণনন্দিনী

অতিথি লেখক এর ছবি

ভালবাসা কখনও কখনও অপ্রাপ্তিতেই বোধহয় পূর্ণতা পায়!

হয়তো তাই।

-এক জোনাকি

সাফি এর ছবি

পড়ার পরে চিন্তা করছিলাম আমিই ববি রায় কিনা? চোখ টিপি

অতিথি লেখক এর ছবি

বুঝে ফেললেন কিভাবে ? অ্যাঁ

যুমার এর ছবি

ভাল লেগেছে।

অনিকেত এর ছবি

চমৎকার --ভীষন চমৎকার লাগল লেখাটা!
আপনার প্রকাশভঙ্গীটা খুব প্রাঞ্জল (একেবারে শিব্রামের ভাষায়, প্রাণ জল করে দেয়া)
সচলায়তনে আপনাকে সু-স্বাগতম
আপনার আরো অনেক লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম

শুভেচ্ছা নিরন্তর!

অতিথি লেখক এর ছবি

অনিকেতদা, আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় ছিলাম। "আমার রুবি রায়" ভীষণভাবে মন ছুঁয়েছিল, সেই ভাল লাগা থেকেই এই লেখার সূত্রপাত। নাহলে হয়তো বরাবরের মতো পাঠক হিসেবেই সচলায়তনে থেকে যেতাম। আমিও যে কিছু লিখতে পারি, এটাই হয়তো জানা হতো না। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

-এক জোনাকি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।