সেই কাল ও সাইকেল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৮/০৫/২০১৩ - ৮:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(বড়বেলা!) টাইমলাইন: শুণ্য হইতে প্রাইমারি

আমি বেশ বড়ো হয়ে সাইকেল চালানো শিখেছি। বড়ো হয়ে বলতে ক্লাস সিক্সে পড়ি খুব সম্ভবত তখন। যে সব বুদ্ধিমান মানুষ ক্লাস সিক্সকে বড়ো বলায় হয়তো চোখ ছোট কিংবা 'বড়ো' করে ফেলেছেন তাদের জন্য বলতে হচ্ছে বড়ো হয়ে বলার কারণটা হচ্ছে আমার বড়ো(!)ভাই।

একসময় ভাড়ায় সাইকেল পাওয়া যেত। এখনো পাওয়া যায় নিশ্চই! বাচ্চা বাচ্চা ছেলেরা দুই টাকায় আধা ঘন্টার জন্য সাইকেল ভাড়া করে কি সুন্দর করে চালাতো। আমার ভাই তার সমবয়সী কাজিনদের সাথে খুব ছোটবেলায় (বুঝতে হবে তাহলে সেইটা আমার কতো ছোট বেলা! ভাইয়া আমার চেয়ে প্রায় ৬ বছর বড়ো!) সাইকেল চালানো শিখে ফেলে একটা 'সানসি' নামের সাইকেল কিনে ফেললো! সেই সাইকেলের পিছনে চড়েই আমার চলা শুরু।

সাইকেলের পিছনে ক্যারিয়ারটা ছিলো বেশ শক্ত! উচুনিচু রাস্তায় দিয়ে গেলে পাছার পুরা বারোটা বেজে যেতো। জুরাইনের চিপা চাপা গলি দিয়ে যখন আমাকে নিয়ে যেতো আমার প্রায়ই মনে হতো একটু ভুল করে কি পাশের ড্রেনে পড়ে যেতে পারে না ভাইয়া?! সে বলতো, 'দূর বোকা, গলিতে সাইকেল চালানো উল্টা সোজা! শক্ত করে বসে থাকা, পাছা নাড়াস কেন!' আমিও শক্ত হইয়া বসে থাকতাম আর চিন্তা করতাম এই দুইচাক্কার জিনিসটা চালায় কেমনে! সাইকেলটা আমার জন্য বেশ বড় ছিলো। তাই ট্রাই করার প্রশ্নই আসে না! পিছনে বসে থাকতাম আর ভাইয়ার কথা শুনতাম "দেখ কতো ছোট ছোট ছেলে সাইকেল চালাইতাছে, আর তুই পারস না!" এইভাবেই আমি বড়ো হতে লাগলাম!

(রান রিয়েল রান!) টাইমলাইন: ক্লাস সিক্সের শেষে।

আমার ছোট খালার বাসা ছিলো বুয়েট কোয়ার্টারে। এক বার্ষিক পরীক্ষার ছুটিতে অনেকদিন বন্ধ পেয়ে খালার বাসায় বেড়াতে গেলাম। তার বাসাটা ছিলো একদম বুয়েট মাঠটার পাশেই। চমৎকার রাস্তা। আমার কাজিন নাহিদ। সেও আমার ছোটো। তো নাহিদের বেশ ছোটখাটো একটা সাইকেল ছিলো। চমৎকার সাইকেল চালাচ্ছে আর আমি ঈর্ষার চোখে দেখছি! কিচ্ছু করার নাই!

যা হোক! বেশ কিছুদিনের জন্য বেড়াতে গিয়েছি, পারি আর না পারি সময় পেলেই সাইকেলটা নিয়ে বের হতাম, পা দিয়ে ঠেলে ঠেলে, খানিক ঢালু জায়গা থেকে সুউউ করে নামতাম। তাতেই শান্তি! সুন্দর পিচ ঢালা রাস্তা। কোন গাড়ি টাড়ি আসে না। তো এইখানে যদি না শিখতে পারি তাহলে আর পারবো না ভেবে খুব চেষ্টা করা শুরু করলাম। প্রথম দু'দিন নাহিদ একটু দেখানোর চেষ্টা করলো, কিন্তু আমার কিছুতেই দুইটা প্যাডেলের বেশি দেয়াতে পারলো না! শেষে হাল ছাইড়া দিলো।

বেড়ানো শেষ হয়ে আসলো। সেইদিন বিকালেই চলে যাবো। দুপুর বেলা। শুনশান রাস্তা। আমি একা একা চেষ্টা করে যাচ্ছি যে এই ঘুড়াড্ডিমটায় ব্যালান্স রাখে কিভাবে! হঠাৎ ই কি হলো! যেন বর প্রাপ্ত হলাম!! কিভাবে যেন তিনবার প্যাডেল করে ফেললাম! আবার ট্রাই করলাম। আবারো তিনবার প্যাডেল করে পা পড়ে গেলেো! কি রে!! আরেকবার ট্রাই করতেই আমার সাইকেল চলতে শুরু হলো। আমার খুব পরিস্কার মনে আছে, চালায়াই একটা বিশাল জোরে চিৎকার দিলাম। এক্কেবারে ফরেস্ট গাম্প স্টাইলে! রান রিয়েল রান!! বাসা থেকে সবাইকে ডেকে আনলাম! কিছুদুর গিয়েই পা পরে যাচ্ছিলো। কিন্তু আমি বুঝে গেছিলাম যে আমি শিখে ফেলেছি! "আমি শিইক্ষা ফালাইছি!"

(ক্যারিয়ার!) টাইম লাইন: ক্লাস সিক্স - এস, এস সি।

বাসায় প্রত্যাবর্তনটা ঘটলো খুব রাজসিক ভাবে। যেয়ে ভাইয়ারে বললাম, দ্যাও তোমার সাইকেল আমি চালানো শিখে ফেলছি! ভাইয়া খুব খুশি মনেই যখন সাইকেল বের করলো। কিন্তু তারপরেই আমার রাজসিক ভাবের গুষ্টি উদ্ধার হয়ে গেলো যখন দেখলাম এইটার সিট থেকে এখনও পা পাইনা ঠিক মতো। কিন্তু সাইকেল তো আমাকে চালাতেই হবে! তো কেউ কোনদিন এইভাবে শুরু করেছে কিনা জানি না কিন্তু আমি আমার সেই ছোটবেলায় বসা ক্যারিয়ারে উপর বসেই এবার সাইকেলটা "চালানো" শুরু করলাম! খুবই হাস্যকর দৃশ্য! একটা ছেলে সামনে সিট রেখে পেছন থেকে সামনের দিকে প্রায় শুয়ে পড়ে সাইকেল চালাচ্ছে! কেউ অবাক হয়ে তাকালে আমি ভাব ধরতাম আমি ইচ্ছা করে এমন করে চালাচ্ছি!

ধীরে ধীরে সিটে উঠেছি। স্কুলে গিয়েছি। কোচিং এ এক মেয়েকে পছন্দ করে তার রিকশার পিছনে পিছনে গিয়ে বাসা চিনে এসেছি! সে গুলো ইতিহাস!

(ইন্টারমিশন!) টাইমলাইন: ইন্টারমিডিয়েট!

ইন্টারে উঠলাম। ততদিনে সাইকেলটার অনেক বয়স হয়ে গিয়েছিলো। ভাললাগতো না! ভাইয়ার এক বন্ধুর সাইকেল নিয়ে মাঝে মাঝে চালাতাম! একদিন বাসার সামনে সাইকেলটা রেখে একটু ভিতরে গিয়েছি। ভেবেছি, বাসার সামনেই তো! একটু পরে ফিরে এসেই দেখি নাই! আরেকজনের সাইকেল এইভাবে হারিয়ে ফেললাম? লজ্জায়, ক্ষোভে দুঃখে এবং সম্ভবত সাইকেলের অভাবেও চালানোটা বন্ধ হয়ে গেলো।

(প্রত্যাবর্তন) টাইমলাইন: দু' বছর আগে !

অনেকদিন পর। আমার আরেক কাজিন। অতুল। তাকে একটা সাইকেল কিনে দিতে হবে। কেনা হলো একটা চাইনিজ রোডবাইক! ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে আমার সেই ক্লাস টেন এর জায়গাটা নিয়ে নিলো সে আর আমি তো এতদিনে উঠে গেছি ভার্সিটির মাঝামাঝি! কিন্তু সাইকেল কিনে আবার সেই নস্টালজিক সময় মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো। ইচ্ছে হলেই ওর সাইকেলটা নিয়ে বের হয়ে পড়তাম! এই এদিক সেদিক বনানী , ধানমন্ডি, মতিঝিল!একসময় দেখা গেলো সাইকেলটা ওকে কিনে দিলেও আদতে সেইটা আমার বাসাতেই পরে থাকে!

(বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও!) টাইমলাইন: দু'বছরের থেকে কিছুদিন কম!

ওরকম ই কোন একদিন মহাখালি ফ্লাইওভারের নিচে দিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ খেয়াল করলাম পাশেই হেলমেট পড়া একটা ছেলে বেশ ভালো সাইকেল নিয়ে যাচ্ছে। সহজেই চোখে পড়ে। কারণ তখনো অতটা সচরাচর না ওরকম গেট আপ বা সাইকেল। তো মহাখালি থেকে গুলশান লিংক রোডে ঢুকতেই হারিয়ে ফেললাম ছেলেটাকে। তিতুমীর কলেজের কাছে আসতেই আবার দেখতে পেলাম ছেলেটা পিছনে থেকে আসছে। কাছাকাছি আসতেই আমি তাকিয়ে বুঝলাম কিছু একটা বলবে সে। স্লো করতেই পাশে এসে খুবই ফ্রেন্ডলিভাবে বললো "আপনি রেগুলার কমিউট করেন সাইকেলে?" এই সাইকেলটা ততদিনে আমার হয়ে গেছে। প্রতিদিন যাই আসি। তো খুব স্বাভাবিক ভাবে বললাম, "হ্যা"। "এই তো এখন জুরাইন থেকে আসলাম, বনানী যাবো, এ আই উ বি তে।" শুনে সে দ্বিগুন আগ্রহী হয়ে বললো, আমি ব্র্যাক এ পড়ি। আমাদের একটা গ্রুপ আছে। গ্রুপের নাম বিডিসাইক্লিস্ট। আমরা যারা নিয়মিত সাইকেল চালাই তাদের গ্রুপ। আপনি জয়েন করতে পারেন। আমিও খুব উৎসাহের সাথে গ্রুপের নামটা মনে রাখলাম। কিন্তু তার নামটা জিজ্ঞেস করার কথা আর মনে রইলো না! তো বেশ হাতটাত মিলিয়ে বিদায় নিয়ে চলে গেলো সে। আমিও চলে আসলাম। কিন্তু বাসায় এসে ফেসবুকে বিডিসাইক্লিসট নামে কিছু খুঁজে পেলাম না! একটু খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অন্যকাজে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। ধীরে ধীরে আর মনেও রইলো না।

(অত:পর!) টাইমলাইন: দেড় বছর আগে!

তারও প্রায় পাঁচ ছয় মাস পর হবে হয়তো আমার বন্ধু ফাহমিম এর করা একটা পোস্ট আমার ফেসবুকের হোম পেজে আসলো। পোস্টটা পড়তে গিয়েই খেয়াল করলাম, আরে! এইটাই তো সেই গ্রুপ যেইটার নাম আমি শুনেছিলাম ছেলেটার কাছে! কেনো খুঁজে পাইনি তাও বুঝলাম! কারণ গ্রুপটার নাম bdcylist ছিলো না । ছিলো bdcylists! এক 's' ই ঝামেলা করে দিয়েছিলো তখন! খুবই মজা পেলাম। সাথে সাথেই জয়েন!

(মোজাম্মেল ভাই এন্ড কোং!) টাইমলাইন: এক বছর আগে।

জয়েন করেই জানলাম ক্রিটিকাল ম্যাস। বাইক ফ্রাইডে। কিন্তু যাই যাই করেও আর যাওয়া হয় না। তো শেষমেষ একবার ঠিক করলাম নেক্সট ইভেন্টে যাবই!! আর যখনই যাব ঠিক করলাম সেইটাই কি করে বিডিসাইক্লিসট্‌স এর প্রথম জন্মদিন হয়ে গেলো ঠিক করে মনেও করতে পারছি না!! প্রথম রাইডেই জন্মদিন! এমন ঘটনা কয়জনের সাথে হয়! মনে আছে পান্থপথে কারো এক বাসায়(আমি জানি না কার বাসা! আমার কেন জানি নাম জানা হয়ে ওঠে না! ) সে এক বিশাল কেক! কোক! প্রাইজ! হুলুস্থূলুস অবস্হা!

(ঈদ মুবারক!!) টাইমলাইন: আজকে!

আগামিকাল এই বিডিসাইক্লিস্টস্ এর দ্বিতীয় জন্মদিন! আমার নিজস্ব কিছু বন্ধুবান্ধব ছাড়া এই গ্রুপের আমি প্রায় কাউকেই চিনি না। তবু এই গ্রুপটাকে অকারণেই কেন জানি খুব আপন মনে হয়। নিজের মনে হয়! এক সময় ছিলো যখন কারো সাইকেল দেখে মনে হলেই ঐ ছেলেটার মতো জিজ্ঞেস করতাম বিডিসাইক্লিস্টস্ এর? "হ্যা", বললে খুব ভাব নিয়ে বলতাম, "হুম আমিও!" যেন ঐটাতো আমার হাত ধইরাই আসলো! তারা যে আমাকে খুব পাত্তা দিতো তা না! তবু! কিন্তু এখন আর জিজ্ঞেস করি না।

কারণ, একজন হেলমেট পরে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে আর সে বিডিসাইক্লিস্টস চেনে না এইটা হতে পারে না! এইখানে এই গ্রুপটার সার্থকতা। এই গ্রুপের মানুষগুলোর সার্থকতা।

- অপ্রকৃতিস্থ

ছবি: 
24/08/2007 - 2:03পূর্বাহ্ন

মন্তব্য

কৌস্তুভ এর ছবি

আরে মিয়া সাইকেলের গল্প রাখেন, ওই যার পিছু পিছু গেছিলেন তারপর কী হল? চোখ টিপি

অপ্রকৃতিস্থ এর ছবি

হাহ হাহ হা। দেঁতো হাসি নিজের আজাইরা কিচ্ছা কাহিনী দিয়া ভরা এই সাত খন্ড রামায়ন কেউ পইরা কমেন্ট ৰলকরতে পারে এইটাই আমি আশা করি নাই !! (আমি নিজে হইলেই পড়তাম না! )তার উপর আরেকটা? খাইছে যাক, কৌস্তভদা কমেন্ট পইরা দিনটাই ভাল হইয়া গেলো! দেঁতো হাসি

কাহিনী বড় প্যাথেটিক ছিলো! ছোট একটা প্রেমপত্র দিবার গিয়া কোচিং P.T.H (প্রাইভেট টিচিং হোম - আমরা বলতাম "পিডায়া থাবরায়া হালায়াদিম!" ) এর প্রধান মুবারক স্যার এর হাতে পরে গিয়েছিলাম! বাকিটা সরল অনুমেয়। মন খারাপ

কৌস্তুভ এর ছবি

আহারে! এইসব বিপদ অনুমান করেই আমি ছুডুবেলায় সাইকেল জানলেও চালাতুমনা!

শাব্দিক এর ছবি

হো হো হো খাইছে

---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।

শাব্দিক এর ছবি

আমি এখনো সাইকেল চালাতে শিখি নাই, মন খারাপ এখন শিখলে পারা যাবে?

---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।

চেরাগদান এর ছবি

আমি সাইকেল চালানো শিখেছি প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে, মাত্র চার বছর বয়সে চাল্লু , আমার বাবার উৎসাহে। কিন্তু সেটা মুখ্য নয়।
আসল ব্যাপারটা হইলো
"আরে মিয়া সাইকেলের গল্প রাখেন, ওই যার পিছু পিছু গেছিলেন তারপর কী হল?"

অপ্রকৃতিস্থ এর ছবি

আপনার মতো মানুষগো লিগাই আমার 'বড়বেলা'টা অ্যাতো খারাপ গ্যাছে! আপনারে পিছনে যাওয়া গল্পটা কইতাম না! >:(

কৌস্তুভ এর ছবি

হো হো হো

চেরাগদান এর ছবি

দেঁতো হাসি

ছাইপাঁশ  এর ছবি

কার ছাইকেল হারাইছিলি? ভুইলা গেছি! অ্যাঁ

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার কোন বন্ধুর জানি সাইকেল দেঁতো হাসি
--বিবর্ণ

Tanim এর ছবি

আমি সাইকেল চালানো শিখেচি ক্লাস ৭ এ থাকতে, কিন্তু সাইকেল টা বেশি চালাতো আমার বড়অ ভাই। ভাইয়ার এস।এস।সি পরীক্খার পর সাইকেল টা পুরুপুরি আমার হয়ে যায়। এস।এস।সি পাশ করার পর আমার সাইকেল টা গ্রামের আমার চাচাতো ভাইকে দিয়ে দেই। প্রায় ৭ বচর পর আমি আবার সাইকেল চালাচ্চি, সত্য়িই রোমান্চ্কর

ফাহমিম এর ছবি

মামা, আমার নাম নিয়া পোস্ট করসো, বিডিসি পেইজে ফীচার্ড হইসো, নতুন সাইকেল ভি কিনসো! খাওয়াইবা না?

অতিথি লেখক এর ছবি

হাহ হাহ হা। অবশ্যই! নাম এর র‍য়্যালিটি বইলাও একটা ব্যাপার আছে!!

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

বাহ! লেখাটা ভালো লেগেছে। আমিও তো কইত্থেকে এসে কেমন করে বিডিসাইক্লিস্টসদের সাথে একটা ইভেন্টে যোগ দিয়ে ফেললাম। হাসি ২৬ মার্চ, ২০১৪ রাইডে অনেকে অংশ নিয়েছেন দেখলাম, আশাকরি আপনিও ছিলেন। ঢাকায় সাইকেল আরও পপুলার হয়ে গেলে দারুণ হয়।

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

সাফি এর ছবি

সাইকেল কাহিনী ভাল্লাগসে।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA