কৌস্তুভ এর ব্লগ

দীপ জ্বেলে যাই

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৩/২০১৩ - ১১:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের ছোটোবেলাতেও (মানে বেশিদিন আগে না) শহরেই একটু নিরিবিলির দিকে দিব্যি জোনাকিদের দেখা মিলত। এখন নগরায়ণের ঠেলায় তারা সব উধাও। তা কেউ যদি প্রশ্ন করে, জোনাকিদের ‘কনজার্ভেশন’ প্রয়োজন কেন, তাদের আদৌ দরকারটা কী, তাহলে কী উত্তর দেবেন?

আমি বলব, গত দুই সপ্তাহে যে একগুচ্ছ ছানাপোনার প্রেজেন্টেশনের পরীক্ষক হয়ে এলাম, অ্যালঝাইমার্স (স্মৃতিভ্রম) আর বার্ধক্যের উপর, সেগুলোর প্রতিটা – প্রতিটাই – কাজ করা গেছে কেবলমাত্র সামুদ্রিক জোনাকিদের জ্যোতি ধার করে!


তথ্য’বিনা মিথ্যা বোনা

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: বুধ, ২৭/০২/২০১৩ - ৫:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চল্লিশ বছর হয়ে গেল তবু কিছু লোক এখনও একাত্তরে যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা নিয়ে খোঁচাখুঁচি চালিয়ে যায়। এইসব নাস্তিক-ইসলামবিরোধী-আওয়ামীলীগার-ভারতের দালাল এখনও প্রমাণ করার চেষ্টা করে চলেছে যে তাদের ‘মুক্তিযুদ্ধে’ নাকি তাদের তিরিশ লাখ লোক মারা গেছিল। একথা যে সর্বৈব মিথ্যা, তা এটা স্মরণ করলেই বোঝা যাবে – প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া বলেছিলেন, “Kill 3 million of them and the rest will eat out of our hands” – তাই বাংলাদেশ যে স্বাধীন হয়ে যেতে পেরেছিল, এটাই যথেষ্ট প্রমাণ যে দয়ালু পাকিস্তানি সেনারা তাদের তিন মিলিয়ন ছুডুভাইকে আসলে মেরে উঠতে পারেনি।

তবুও ব্যাটারা থামে না, তাদের নির্লজ্জ মিথ্যাচার চালিয়েই যায়। তাদেরকে ডাউন দেবার জন্য কিছু কট্টর প্রমাণওয়ালা বিপরীত প্রোপাগাণ্ডার দরকার পড়েছে। এক শ্রদ্ধেয় বড়ভাই আমাকে বোসম্যাডামের বইটা ধরিয়ে দিয়ে বললেন, এর চেয়ে নিরপেক্ষ, বাস্তবনিষ্ঠ অনুসন্ধানপূর্ণ বই আজকাল পাওয়াই অসম্ভব, এবং এটা অকাট্যভাবে আমাদের কথা প্রমাণ করে দিয়েছে; আমি যেন এটা নিয়ে কিছু লিখি যাতে ঈমানদার ভাইবোনেরা ব্যাপকহারে শেয়ার দিতে পারেন।


আম্মো গেছি ভ্যাঙ্কুভার

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: শনি, ০৫/০১/২০১৩ - ২:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ক্যালিফোর্নিয়াকূলে বৈকালকালে

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/১২/২০১২ - ১০:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ইয়োসেমিটি ন্যাশনাল পার্ক

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: রবি, ০২/১২/২০১২ - ১০:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


দা ম্যাজিক অফ রিয়ালিটি

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: সোম, ২৭/০৮/২০১২ - ৮:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডকিন্সখুড়োর বইখানা মূলত বাচ্চাদের বিজ্ঞান-পরিচিতির জন্য লেখা; তাই সম্প্রতি বেশ হইচইয়ের মধ্যে দিয়ে প্রকাশিত হলেও পড়ার আকাঙ্খা তেমন একটা ছিল না। কিন্তু পোলাপান যখন বইটা আমার বাড়িতে কয়দিনের জন্য রেখেই গেছে, তখন হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেললে পাপ হবে।

কিশোরদের জন্য বিজ্ঞান-পরিচিতর বইগুলো লেখকেরা যথাসম্ভব আগ্রহোদ্দীপক করেই লেখার চেষ্টা করেন। ডকিন্স কিন্তু একটা অন্য পন্থা নিয়েছেন – চিরকাল আকর্ষণীয় যে কাহিনীগুলো, সেইসব উপকথা-রূপকথা-প্রবাদকাহিনী দিয়েই শুরু করেছেন তাঁর প্রতিটা অধ্যায়।


মরুপ্রথা

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: শুক্র, ০৩/০৮/২০১২ - ২:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“বাকি সবার মতই আমাদের পরিবারও ছিল সোমালিয়ার মরুভূমির পশুপালক। সেখানে আমরা ছোটোরা, মুক্ত আদিম প্রকৃতির সঙ্গ উপভোগ করতে পারতাম একশ’ভাগ। আমরা খোলা মাঠে সিংহদম্পতিকে রোদ পোয়াতে দেখতাম, জিরাফদের সঙ্গে দৌড়োতে পারতাম, মরু-খরগোশদের ধাওয়া করতাম।

কিন্তু বড় হবার সাথে সাথেই সেই সব স্বাধীনতাগুলো ফুরিয়ে আসতে থাকে। আমরা শিখতে থাকি, একজন আফ্রিকান রমণী হওয়ার অর্থ।


দা ফানি সাইড অফ পেরেন্টহুড

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: বুধ, ২৫/০৭/২০১২ - ২:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Reasoning with a two-year old is about as productive as changing seats on the Titanic.

বস্টনের মতই লন্ডনে এসেও পুরোনো বইয়ের দোকানগুলোয় মাঝেসাঝে উঁকি মারি। চ্যারিং ক্রস রোডের উপর পরপর কয়েকটা ভালো দোকান আছে কিনা। কালকে এমনই একটা দোকানের এক কোনার রোগামত একটা শেলফে দেখি একগুচ্ছ বই রয়েছে, পুরোনোকালের ব্রিটিশ হিউমারের উপর। বেশিরভাগই আবার দুষ্টু হিউমার। মাত্তর এক টাকা দাম, টপাটপ গুটিকয় ব্যাগবন্দী করে বাড়ি নিয়ে চলে এলাম।


কিউবাগিচায় – ১

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: রবি, ১৫/০৭/২০১২ - ৯:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পুরী’তে গিয়ে জগন্নাথ দর্শন না করা যেমন নাকি মহাপাপ, তেমনই মনোভাব আমার বাগানের বিষয়ে। লন্ডনে গতবার অল্পদিনের জন্য এসেও কিউ বোটানিকাল গার্ডেনে ঢুঁ মেরে গিয়েছিলাম, কিন্তু তখন ছিল মার্চ মাসের শুরু, গাছপালা ন্যাড়া ন্যাড়া, গাইড ভদ্রমহিলা আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন এপ্রিল-মে মাসে যখন বসন্তের জোয়ার আসে তখন আসতে। সেবছর তো উপায় ছিল না, এবার এসে বাড়িটাড়ি খুঁজে গুছিয়ে বসে’পরেই মে-র মাঝামাঝি নতুন ডিএসএলআর’খানা নিয়ে হানা দিলাম ওই বাগানে।


বর্ণপরিচয়

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৭/২০১২ - ১০:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আহা, অআকখ না, আজকের পর্ব হচ্ছে বর্ণ মানে রঙ নিয়ে। সাজগোজ করে রঙচঙ কেন বাড়ানো হয়, তা একটু যেমন বুঝব, তেমনই, ভেরি ইম্পর্টেন্ট, আমরা দেখব কেন বাঙালি পাত্রপক্ষ কেবলি ফর্সা মেয়ে খোঁজে...

রঙের কথায়, একটা সহজ পরীক্ষা দিয়েই ব্যাপারটা শুরু করা যাক। উপরের ছবিটা দেখছেন? একেকটা শব্দ একেকটা রঙের। রঙগুলোর নাম ঝটপট বলে ফেলুন তো দেখি!