মহাভারত; মাতৃলাঞ্ছনার এক অনন্য প্রতিশোধ

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/০১/২০১১ - ৭:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুনিয়াতে ধর্ষণ আর ধর্ষিতার অবাঞ্ছিত সন্তানের ইতিহাস কত পুরানা আমি জানি না। কিন্তু মাতৃলাঞ্ছনার অনন্তকালব্যাপী প্রতিশোধ সম্ভবত একটাই আছে দুনিয়ায়; কৃষ্ণ দ্বৈপায়নের মহাভারত

রাজবংশজাত মুনি পরাশর জেলেকন্যা সত্যবতীকে নৌকায় ধর্ষণ করলে লজ্জিত মৎস্যগন্ধা পাটনি যমুনার দ্বীপে স্বেচ্ছাদ্বীপান্তর নিয়ে জন্ম দেয় জেলেদের মতো এক কালা-কৃষ্ণ দ্বীপের মানুষ দ্বৈপায়ন। তারপর...

তারপর অর্জুনেরা মরে যাবার বহুকাল পরে অর্জুনের ছেলের ছেলের ছেলে জন্মেজয় যখন রাজা। তখন চব্বিশ হাজার শ্লোকের একখান বিশাল পুথি নিয়ে হাজির হয় দ্বৈপায়নের শিষ্য বৈশম্পায়ন- নিন রাজা। গুরু দ্বৈপায়ন লিখেছেন আপনার বংশের বীরত্বের কথা...

জন্মেজয় তো লাফ দিয়ে আকাশে উঠে। এমন বীরত্বগাঁথা দুনিয়াতে আর লেখেনি কেউ। সুতরাং করো প্রচার। জানিয়ে দাও সবাইকে যে জন্মেজয় সেই মহান ভারত বংশের উত্তরাধিকার...

লোকজন জানল জন্মেজয়ের পূর্বপুরুষের কথা। শুনল দ্বৈপায়নের মহাভারত। ধন্যি ধন্যি করে প্রণাম ঠুকল কপালে। কিন্তু কেউ খেয়াল করল না সেই মহাভারতের সকল পূজনীয়ই দ্বৈপায়নের মতো জারজ। এবং নিজেই নিজেকে সেই কাহিনীর চরিত্রে বসিয়ে ছোট ভাইর বৌ অম্বিকার গর্ভে ধৃতরাষ্ট্র-পাণ্ডুর জন্ম দিয়ে দ্বৈপায়নই শুরু করলেন সেই মহান জারজতার ইতিহাস। তারপর মায়ের যৌন দাসত্বের লজ্জা ঢাকতে বীরমাতা কুন্তী-মাদ্রী আর বীরবধূ দ্রৌপদীর জীবন ভরিয়ে দিলেন যথেচ্ছ যৌনাচারে। বললেন- বীরগাঁথা গাইবি যদি জাউরার গাঁথা গা...

এবং তারপর সব কাহিনী শেষ করে সবগুলা বীরের মাথায় এনে বসিয়ে দিলেন চাবুক হাতে এক কালাকৃষ্ণ ঘোড়ার রাখাল। বললেন- পূজা যদি করবি তবে কালার পূজা কর...

এবার চোখ ফিরালেন যাগযজ্ঞ সাধনায় পাওয়া মুনির ভড়ংয়ের দিকে। মুনিদের যে ক্ষমতায় দ্বৈপায়ন-জননী বাধ্য হয়েছিল তার শরীর খুলে দিতে পরাশরের ইচ্ছার কাছে। তিনি আবার ঘোরালেন তার কলম। মহাভারতের বাঘ- সিংহের লড়াইয়ে এইসব সাধকেরা হয়ে গেলো মশা-মাছি-ছাগ-ভেড়া-কেঁচো। তারপর এক থাবায় মুনিদের রক্ষাদুর্গ বেদ দখলে নিয়ে প্রমাণ করে দিলেন একমাত্র দ্বৈপায়নই বেদের সমঝদার। দ্বৈপায়ন বেদব্যাস। এবং তারপর নিজের লেখা কাহিনীকে পঞ্চম বেদের আসনে বসিয়ে বললেন- মহত্ত্বে এবং ভারত্বে ইহা সর্বোত্তম তাই এর নাম মহাভারত। আর মনে মনে বললেন- যা এইবার কাইল্যা- জাইল্যা- জাউরা- চইরা- দানব- নমশূদ্রের ব্যাখ্যায় বেদ বুইঝা খা...
২০১১.০১.০৫ বুধবার


মন্তব্য

হাসান মোরশেদ এর ছবি

অয়।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

শামীম এর ছবি

খাইছে রে ....

রেফারেন্স আছে নি?!

________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মহাভারত নিজেই এর রেফারেন্স স্যার

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

আপনার লেখা পড়ে রাজশেখর বসুর মহাভারত পর্তে মঞ্চাইলো খুব।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

পইড়া ফালান। নেটেও এখন মহাভারত পাওয়া যায়

ফাহিম হাসান এর ছবি

আফসোস, মহাভারতের পুরোটা ঠিকমত পড়া হয় নি। ছোটবেলায় ক্লাসিকগুলো পড়া না হলে মুশকিল, পরে আর পরিশ্রম করতে ইচ্ছা করে না। চটি একটা অনুবাদ পড়েছিলাম " ছোটদের মহাভারত"। এখন কিছুই আর মনে নেই। আপনার লেখা পড়ে আবার সেই তাগিদটা পেলাম।

আপনার লেখাটা ভিন্ন স্বাদের। মজা পেলাম।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ধন্যবাদ পড়ার জন্য
মহাভারত কিন্তু আস্তে আস্তে পড়া যায়। একটা একটা চ্যাপ্টার করে। উপেন কিশোরের ছোটদের মহাভারত কিন্তু মহাভারতের বড়োজোর একটা শিশোতোষ বিজ্ঞাপন। মহাভারত না

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

কথা সত্য।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

কবি ভনে

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

আচ্ছা, যোজনগন্ধাও কি সত্যবতীর আরেকটা নাম ছিল? মনে পড়ছে না মন খারাপ

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আরো তাকান। বহুত দেখতে পাবেন

সুরঞ্জনা এর ছবি

প্রতিশোধ বলে প্রতিশোধ।

মনে মনে বললেন- যা এইবার কাইল্যা- জাইল্যা- জাউরা- চইরা- দানব- নমশূদ্রের ব্যাখ্যায় বেদ বুইঝা খা...

নিদারুণ প্রতিশোধ। হাসি

............................................................................................
এক পথে যারা চলিবে তাহারা
সকলেরে নিক্‌ চিনে।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মহাভারতের প্রচুর জায়গায় কিন্তু নিরস্ত্রের প্রতিশোধের প্রচুর উদাহরণ আছে
কোথাও তা অভিশাপে কোথাও তা অন্যভাবে
কিন্তু দ্বৈপায়নের নিজের প্রতিশোধের বিষয়টা পুরোটা কযেকবার পড়ে ঝিমানোর সময় আবিষ্কার করা যায়

সবজান্তা এর ছবি

দারুণ। বিতর্কিত কিংবা বিস্ফোরক কিছু লিখেন নাই, শুধু দেখার চোখটা একটু বাঁকা করসেন।

এমনিতে নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুরীর ব্যাখ্যা দারুণ, তবে উনি বিশ্বাসী মানুষ- তাই কড়া সমালোচনা অনেক ক্ষেত্রেই মনে হয় করতে আগ্রহী নন। তারপরও তাঁর ব্যাখ্যা দারুণ।

ভিন্ন ধরনের সাহসী ব্যাখ্যা পড়েছিলাম প্রতিভা বসুর মহাভারতের মহারণ্যে, সেটার সাথেই আপনার লেখার কিছুটা মিল পেলাম। লেখাটা আরো একটু বড় করতে পারতেন। বিদুরকেও টানা যেতে পারতো।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

নতুন কিছু তো লিখি নাই। ফাটানোর চিন্তাও নাই আর চোখটা তো বেকাই...

০২

প্রতিভা বসুর লেখাটা পড়তে পারিনি। অনেকের কাছে বইটার বিভিন্ন আলোচনা শুনেছি। মিল থাকতে পারে

০৩

লেখাটা আর বড়ো করার জায়গা পাইনি। বিদুরকে বাদ দিয়েছি দাসীপুত্র বলে। খালি রাজা- উজির মারাই এই লেখার উদ্দেশ্য ছিল। তাই

কৌস্তুভ এর ছবি

বেশ বলেছেন। তবে সত্যিই ওইটাই প্রাইম মোটিভ ছিল কি না সে আর এখন কে বলবে...

ধৃতরাষ্ট্র-পাণ্ডু বলতে চেয়েছেন বোধহয়?

মাহবুব লীলেন এর ছবি

পাণ্ডর সাথে লেগে থাকা বাড়তি র বাদ দিলাম। ধন্যবাদ ধরিয়ে দেবার জন্য

০২

মোটিভ তো জানি না কী ছিল। তয় আমার মনে হইল আর কি

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

ওরে খাইছে রে... চ্রম তো!

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

মাহবুব লীলেন এর ছবি

হ চ্রম

প্রতি ৫-৬ বচ্ছর পরপর বইটা একবার করে পড়ি আর একেকটা বুঝি
কে জানে পরেরবার পড়লে কী বুঝুম

রণদীপম বসু এর ছবি

এখন বুঝলাম আপনি ক্যান ৫-৬ বছর পরপর এই আদিরসাত্মক মহাকাব্যগ্রন্থটা বারবার পড়েন !

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

স্বপ্নহারা এর ছবি

ব্যাপক লাগলো...চিন্তা জাগানিয়া!

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

মাহবুব লীলেন এর ছবি

চিন্তা জাগানিয়া!

আমি কই চিন্তা ঘোলানিয়া

অতিথি লেখক এর ছবি

অসাধারন বিশ্লেষন... এভাবে চিন্তা করি নাই! সত্যিই অসাধারন!
--- থাবা বাবা!

মাহবুব লীলেন এর ছবি

একখান ছুডু প্রশ্ন
থাবা বাবা মানে কী

বাবারে আমরা থাবড়ামু না বাবার থাবড়া খামু?

অতিথি লেখক এর ছবি

বিভিন্ন ফোরাম আর ব্লগে আমার আইডি হল CLAW... আমার খুব প্রিয় একটা গেইম। সেটা বাংলা করলে হয় থাবা!!! তাই আমি থাবা বাবা!

আর থাবরার জন্য রেকমেন্ডেড... হীরক রাজার দেশে ছবির বাঘ মামা গান... হে হে হে!

খেকশিয়াল এর ছবি

দারুণ কইছেন, প্রতিভা বসুর মহাভারতের মহারণ্যে'র কথা মনে পইড়া গেলো।

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মাহবুব লীলেন এর ছবি

প্রতিভা বসুর লেখাটা পড়তে হবে। পড়া হয়নি এখনও। যতদূর লেখাটার কথা জেনেছি তাতে শুনেছি তিনি বলেছেন মহাভারত মূলত দ্বৈপায়নের পরিবারের ইতিহাস; ভারতের ইতিহাস নয়। কিন্তু আমার বিষয়টা দ্বৈপায়নের প্রতিশোধ। ইতিহাস নয়

তুলিরেখা এর ছবি

যা কইছেন। "যা এইবার কাইল্যা- জাইল্যা- জাউরা- চইরা- দানব- নমশূদ্রের ব্যাখ্যায় বেদ বুইঝা খা"
কাইল্যা র ব্যাপার এককেরে সইত্য। যে পাঁচজন মহাভারতের সবচেয়ে পিভটাল চরিত্র, সেই সত্যবতী, ব্যাস, কৃষ্ণ, অর্জুন, দ্রৌপদী- পাঁচজনেই কালো।
সত্যবতীর সাথে পরাশর একটা ডীল করেছিলো। পরাশর বলেছিলো সে নিজের পুত্র চায়, যাতে কিনা তার নিজের পরম্পরা থাকে। তাকে সে নিজেই মানুষ করবে। কিন্তু যে পর্যায়ে মা ছাড়া চলবে না, সেটুকুর জন্য সত্যবতীকে দরকার, সে কোঅপারেট করবে কিনা। সত্যবতী বলেছিলো যদি সামাজিকভাবে তার নিজের ক্ষতি না হয় আর পরবর্তীকালে অসুবিধা না হয় তাহলে সে রাজি আছে। তো তাই হলো, ছেলেকে মানুষ করার ভার পরাশর নিয়েছিলো, সত্যবতী পরে রাজরাণী হয়ে পরমানন্দে রাজনীতি করেছিলো। তখন সে সেন্ট টেন্ট মেখে মুছে ফেলেছে তার পূর্বজীবন। যদিও নৌকা বাওয়ার স্বাধীন জীবনটাও তার কাছে পরম আদরের ছিলো বলেই মনে হয়। এইটাই ব্যক্তিগতভাবে আমার ঠিক লাগে। সত্যবতীর মতন তেজীয়ান স্বাধীন মেয়েকে জোর করা পরাশরের পক্ষে সম্ভব ছিলো না। সে তো আমাদের ললিতলবঙ্গলতা নয়।
সেটাই পয়েন্ট। পরাশর নিজে অনেক আর্যকন্যা পেতে পারতো, বামুন ক্ষত্রিয় কী নয়! সেসব মেয়েরা রাজি হয়ে একেবারে গদগদ হয়ে যেতো। অত বড় মুনি বলে কথা। কিন্তু পরাশর তার আর্যমন্ডলে আরেকটা সত্যবতী পেতো না। তাই ওর সাথে ডীল। মনুমহারাজের বিধানে পরাশরের এই অপরাধ এত বেশী যে তা কোনোরকম প্রায়শ্চিত্তের বাইরে, কোনোকিছুতেই এই শূদ্রাকে গ্রহণ নাকউচু আর্যসমাজে গ্রহনীয় নয়।পরাশর জোর করে এই ব্যারিয়ার ভাঙতে চাইলো, সে নিজের ছেলেকে উইকলিং চায় নি, সে চেয়েছিলো খুব মেধাবী আর তেজস্বী সন্তান। মা হিসাবে তাই সত্যবতীকে চাওয়া।
এও আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণমাত্র। মহাভারত পুরাণ এসবের বিরাট গুণ হলো প্রতি নতুন কালে নতুন মানুষেরা নিজেদের মতন ব্যাখা খুঁজে পায়। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মহাভারত পুরাণ এসবের বিরাট গুণ হলো প্রতি নতুন কালে নতুন মানুষেরা নিজেদের মতন ব্যাখা খুঁজে পায়।

সেই সাহসেই তো আগাইলাম

ধ্রুব এর ছবি

চলুক

দুর্দান্ত এর ছবি

বস মহাভারতের পুরোটাই যে দ্বৈপায়ন রচিত, এটার প্রমান কি?
এটা কি হতে পারে যে দ্বৈপায়নের রচিত ৮হাজার ৮শ' হাজার চরনে (জয়) কে কার জারজ সন্তান তা নিয়ে বিশেষ মাতামাতি নেই। এগুলো মূলত সন্জয়-এর সাথে ধৃ্তরাষ্ট্রের কথোপকথন যাকিনা ১৮ দিনের যুদ্ধবর্ননার বাইরে খুব বেশী কিছু আলোচনা করেনি।
আমনও কি হতে পারে যে দ্বৈপায়নের জয় পর্বকে কেন্দ্রে রেখে বৈসম্পায়ন রচিত ২৪ হাজার চরন (ভারত) ও তারো পরে উগ্রস্রাবের ১ লাখ চরনেই কে কার কি, এসব বিষয এখানেই যত মাতামাতি, এমনকি মহাভারতকে বেদের আসনে ওঠানোর কাজটিও এরাই এদের লেখা চরনগুলোতেই করেছে।
যদি তাই যদি হয় তাহলে তো মাতৃলাঞ্ছনার অনন্তকালব্যাপী প্রতিশোধের কতিত্ব বৈসম্পায়ন ও উগ্রস্রাবের পাওনা।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এই যুক্তিটা এক্কেবারে ঠিক। মহাভারত পুরোটা দ্বৈপায়নের লেখা না এটা মোটামুটি সবার জানা এবং মানা
কোনো কোনো বইয়ে প্রক্ষিপ্ত অংশ বলে কিছু শ্লোক চিহ্নিত করা থাকতেও দেখেছি; ধারণা করা হয় এগুলো পরবর্তী সংযোজন

মহাভারত পড়তে পড়তে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় একই ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন আচরণ আর বৈশিষ্ট্য দেখেও সন্দেহ হয় এর ভিন্ন লেখক নিয়ে

কিন্তু মহাভারত নামে বিশাল যে খণ্ডটা (কিংবা দুই খণ্ড) আমাদের হাতে আসে তা এক ধরনের বিশ্বাস থেকেই নেয়া হয় যে এটা দ্বৈপায়নের লেখা অখণ্ড মহাভারত
পুরোটাই একসূত্রে গাঁথা

আমার লেখাটা সেই স্বতসিদ্ধকে ধরেই

০২

আমার জানামতে এরকম নির্ভরযোগ্য কোনো গবেষণা দেখিনি যা মহাভারতের ভিন্ন ভিন্ন লেখকের লেখাগুলোকে আলাদা করে দেখিয়েছে। আছে কি? জানা থাকলে একটু বলেন

ওটা পাওয়া গেলে হয়তো অন্য এক পাঠ হবে মহাভারতের

দুর্দান্ত এর ছবি
মাহবুব লীলেন এর ছবি

ধন্যবাদ স্যার
দেখে নিয়ে আগাই। খাড়ান

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

এইটা অতি সত্য কথা....[quote যা এইবার কাইল্যা- জাইল্যা- জাউরা- চইরা- দানব- নমশূদ্রের ব্যাখ্যায় বেদ বুইঝা খা...]

চলুক

অতিথি লেখক এর ছবি

পড়ে নতুন ভাবনা এল। এমনিতে মহাভারত পড়িনি। কিন্তু স্টার প্লাস এ সিরিয়ালে দেখেছি। বিরাট পলিটিক্যাল স্ট্রাটেজি। জোস লিখেছেন আপনি।
ইসরাত অমিতাভ

মাহবুব লীলেন এর ছবি

পইড়া ফালান। সংক্ষেপে পড়ার জন্য সবচে ভালো রাজশেখর বসুর মহাভারত...

০২
স্টার প্লাসেরটা মহাভারত না। মহাভারতের বিজেপি ভার্সন

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।