দ্য অ্যালকেমিস্ট-৪

মামুন হক এর ছবি
লিখেছেন মামুন হক (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৬/২০০৯ - ১১:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দ্য অ্যালকেমিস্ট-৩
অনেক চেষ্টার পরেও বইতে আর ছেলেটির মন বসলনা। অস্থিরতা আর উত্তেজনা তাকে চেপে ধরে, লোকটির কথার বাস্তবতা তাকে নাড়া দিয়ে যায়। উঠে গিয়ে চিন্তামগ্ন ভাবে সে রুটি কিনতে বেকারীতে ঢোকে, একবার ভাবে রুটিওয়ালাকে জানাবে কী না মেলশিজদেক তাকে যা বলেছেন। কিন্তু কী হবে এসব বলে?, জীবনকে তার স্বাভাবিক গতিতেই চলতে দেয়া উচিৎ -এসব ভেবে সে চুপ থাকে। যদি সে রুটিবিক্রেতার ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খোলে, তাহলে দেখা যাবে লোকটি কাজ-কর্ম সব ভুলে দিন-রাত শুধু এ নিয়েই ভাববে, সব ছেড়েছুড়ে পথে নেমে যাওয়ার কথা বিবেচনা করবে। মানুষকে এ ধরনের অযাচিত জটিল ঝামেলায় ফেলতে তার মোটেও ভালো লাগবেনা। সেখান থেকে বেরিয়ে শহরের মধ্যে নিরুদ্দিষ্টের মত হাঁটতে হাঁটতে সে এক পর্যায়ে নগর তোরণের সামনে চলে এল। তার পাশেই ছোট একটি দালান, যার খোলা একটি জানালা দিয়ে লোকজন আফ্রিকা যাবার টিকেট কেনে। ছেলেটি জানত যে মিশর আফ্রিকায়।

‘কিছু লাগবে?’ – জানালার পেছনের লোকটি জানতে চাইল।

‘আজ লাগবে না, কাল আসব’- ছেলেটি দূরে সরে যেতে যেতে বলে। মাত্র একটি ভেড়া বিক্রীর টাকা দিয়েই সাগর পাড়ি দেয়া সম্ভব। এত সস্তায় অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাতছানি তাকে ভয় পাইয়ে দিল।

‘আরেকজন স্বপ্ন বিলাসী। পকেটে পয়সা নাই, কিন্তু দুনিয়া দেখার শখ’- টিকেট বিক্রেতা তার সহকারীকে বলে।

ওখানে দাঁড়িয়েই তার ভেড়ার পালের কথা মনে পড়ল, আর মনে পড়তেই সে রাখাল জীবনে ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। গত দুই বছরে পশুপালনের সমস্ত খুঁটিনাটি শিখে নিয়েছে। ভেড়ার পশম ছাঁটা, গর্ভবতী ভেড়ীর যত্ন নেয়া, নেকড়ের আক্রমণ থেকে তাদের রক্ষা করা ইত্যাদি সব তার জানা হয়ে গেছে। আন্দালুসিয়ার সমস্ত মাঠ আর পশুচারণভূমি তার নখদর্পণে। এমনকি পালের প্রতিটা পশুর ন্যায্য মূল্য সম্পর্কেও তার পরিস্কার ধারণা আছে।

সে সবচেয়ে লম্বা পথটি ঘুরেই বন্ধুর আস্তাবলে যেতে মন স্থির করে। চলার পথে শহরের দুর্গের পাশে এসে সে একটু থামে, তারপর পাথুরে ঢালু পথটি বেয়ে দুর্গের দেয়ালের উপরে উঠে পড়ে। ওখান থেকে অনেক দূরে আফ্রিকার পটভূমি চোখে দেখা যায়। কেউ একজন তাকে একবার বলেছিল যে ওখান থেকেই মুর জনগোষ্ঠীর লোকেরা এসে স্পেন দখল করে নেয়।

দুর্গের ওপর থেকে শহরের প্রায় পুরোটাই চোখে পড়ে, সে বাজারের সেই প্রাঙ্গন যেখানে তার মেলশিজদেকের সাথে দেখে হয়েছিল সেটাও দেখতে পেল। কী কুক্ষণেই না ঐ বৃদ্ধ লোকটির সঙ্গে দেখা হয়েছিল! - সে ভাবে। স্বপ্নের অর্থ জানতেই তার শহরে আসা। কিন্তু সেই জিপসী মহিলা বা মেলশিজদেক কাউকেই তার রাখাল জীবন নিয়ে সামান্য উৎসাহিত হতেও দেখা যায়নি। সব কিছুর উপরেই বিশ্বাস হারানো বিচ্ছিন্ন কিছু মানুষ তারা, পশুপালের সাথে একজন রাখালের সম্পর্কের গুরুত্ব বুঝতে একেবারেই অক্ষম। তার পালের প্রতিটা পশুকে সে হাতের তালুর মতো করে চেনে, সে জানে কোনগুলো দূর্বল ধাতের , কোন ভেড়ীটা আর মাসদুয়েক পরেই বাচ্চা প্রসব করবে, কোনটি সবচেয়ে অলস প্রকৃতির। সে জানে কীভাবে তাদের পশম ছাঁটতে হয় , কেমন করে তাদের জবাই করতে হয়। সে যদি ওদের ছেড়ে চলে যায়, বেচারারা খুব কষ্টে পড়বে।

বাতাসের বেগ বাড়তে থাকে। লোকে এই বাতাসটিকে বলে লিভেন্টর, কারণ এই বাতাসের সাহায্যেই ভূমধ্য সাগরের পূর্ব প্রান্তের লিভেন্ট থেকে মুরেরা এসেছিল।

লিভেন্টর তার গতির তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দেয়। আমি এখন আমার পশুপাল আর গুপ্তধনের অন্তর্দ্বন্দে বন্দী- সে ভাবে। তাকে অভ্যস্ত জীবন আর স্বপ্নের হাতছানির মধ্য থেকে যে কোন একটাকে বেছে নিতে হবে। এর মাঝে সেই ব্যবসায়ীর মেয়েটির কথাও তার বিবেচনায় আসে, যদিও মেয়েটিকে নিয়ে তেমন ভাবনার কিছু নেই, পশুদের ভালো থাকা তার উপর নির্ভরশীল, মেয়েটির জীবন নয়। হয়তও মেয়েটি এতদিনে তাকে ভুলেই গেছে। সে এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে কবে সে মেয়েটির কাছে গিয়ে হাজির হয় তাতে কিছু আসে যায় না, কারণ মেয়েটি যেখানে থাকে সেখানে প্রতিটা নুতন দিন আগের দিনটির মতোই, লোকে এমনকি প্রতিদিন যে সূর্য ওঠে তার সৌন্দর্যও খেয়াল করেনা।

আমি আমার বাবা, মা, জন্মভূমি সব পেছনে ফেলে এসেছি। তারা আমার অনুপস্থিতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন, আমি নিজেও তাদের ছেড়ে ভালো আছি । ভেড়াগুলোও আমাকে ছাড়া বাঁচতে শিখে যাবে- ছেলেটি ভাবে।

দুর্গের ওপরে বসেই সে বাজারে লোকজনের আনাগোনা লক্ষ করতে থাকে। রুটিবিক্রেতার দোকানে ক্রেতাদের ভীড়। বৃদ্ধ লোকটির সঙ্গে তার যে বেঞ্চটিতে আলাপ হয়েছিল সেখানে এক কমবয়সী দম্পতি বসে, বসে তারা চুমু খায়।

‘আহ রুটিওয়ালা’- সে স্বগতোক্তি করে । লিভেন্টরের তীব্রতা তার মুখে এসে লাগে। এই বাতাসটি মুরদের সাথে সাথে মরুভূমির ঘ্রান আর ঘোমটাওয়ালী মেয়েদের সৌন্দর্যও এখানে নিয়ে এসেছে। তার পাশাপাশি রোমাঞ্চপ্রিয় পুরুষদের ঘাম আর স্বপ্নকেও বয়ে এনেছে যারা আবিস্কারের নেশায়, সৌভাগ্যের সন্ধানে আর পিরামিডের খোজে একদিন ঘর ছেড়ে বেড়িয়ে এসেছিল। বাতাসের স্বাধীনতা তাকে ঈর্ষান্বিত করে তোলে, এর মাঝেই সে তার মুক্তির সম্ভাবনাকে দেখতে পায়। নিজে ছাড়া আর কিছুই তার পথে বাধা হতে পারবেনা। ভেড়ার পাল, ব্যবসায়ীর সুন্দরী মেয়ে আর আন্দালুসিয়ার প্রান্তরগুলো তার অদৃষ্টের পথের নিয়ামক মাত্র।

পরদিন দুপুরে ছেলেটি ছয়টি ভেড়া সাথে নিয়ে বৃদ্ধ লোকটির সাথে দেখা করতে যায়।

‘আমি খুব আশ্চর্য হয়ে গেছি,’-ছেলেটি বলে। ‘আমার বন্ধু বাকী সব কয়টি ভেড়া বলা মাত্রই কিনে নিল। সে নাকি অনেক আগে থেকেই রাখাল হবার স্বপ্ন দেখে আসছে। এটা বেশ ভালো একটি লক্ষণ’।

‘এমনই হয়,’-বৃদ্ধ লোকটি বলেন। ‘এটাকে বলে আনুকুল্য নীতি। প্রথমবারের মতো তুমি যখন তাস খেলতে বসবে, বিজয় তোমার প্রায় সুনিশ্চিত। নবিশের সৌভাগ্য’।

‘এমন কেন হয়’?

‘কারণ আমাদের চারপাশে এমন একটা শক্তি আছে যেটা চায় আমরা যেনো আমাদের নিয়তিকে বুঝে নেই। শুরুতেই সাফল্যের মিষ্টি স্বাদ পেতে দিয়ে এটি আমাদের ক্ষুধাকে বাড়িয়ে তোলে’।

লোকটি ভেড়াগুলোকে খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করে। একটি ভেড়া একটু দূর্বল প্রকৃতির, ব্যাপারটা তার দৃষ্টি এড়ায় না। ছেলেটি ব্যাখা করে যে এটি বড় ধরনের কোন সমস্যা না, দূর্বল হলেও ভেড়াটি খুব চালাক আর সবচেয়ে বেশি পশম এটির কাছ থেকেই আসে।

‘আমার গুপ্তধন কোথায়’?-ছেলেটি প্রশ্ন করে।

-‘মিশরে, পিরামিডের কাছে’।

ছেলেটি চমকে ওঠে। জিপসী বৃদ্ধাও তাকে একথা বলেছিলেন, কিন্তু কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই।

‘গুপ্তধন খুজে পেতে হলে তোমাকে সংকেতগুলো অনুসরণ করতে হবে। সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেকের জন্যই চলার পথ তৈরী করে রেখেছেন। তোমার কাজ শুধু তাঁর ছড়িয়ে রাখা সংকেতগুলোকে অনুসরণ করে চলা’।

ছেলেটি কিছু বলার আগেই কোত্থেকে যেন একটি প্রজাপতি তার আর মেলশিজদেকের মাঝে এসে ডানা ঝাপটাতে শুরু করে। হুট করে তার দাদার কথাটি মনে পড়ে যায়- তিনি বলছিলেন প্রজাপতি সৌভাগ্যের লক্ষণ। আরো যেমন ঝিঁঝিঁ পোকা, এবং গভীর প্রত্যাশা, গিরগিটি বা চার পাতার ব্যতিক্রমী ক্লোভার গাছ-এরাও সৌভাগ্যের সংকেত নিয়ে আসে।

‘একদম ঠিক’- বৃদ্ধ লোকটি এমন ভঙ্গীতে বললেন যেন তিনি ছেলেটির চিন্তা-ভাবনা সব পড়তে পারছেন, ‘ঠিক যেমনটি তোমার দাদা বলেছিলেন, এগুলো সবই সৌভাগ্যের সংকেত’।

বৃদ্ধ তার আলখাল্লা খুলে ফেললেন। ছেলেটি হতভম্ব হয়ে দেখল- লোকটির আলখাল্লার নিচে খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে তৈরী , দামী রত্নে সজ্জিত একটি বর্ম তার বুক ঢেকে রেখেছে। গতকালও এই বৃদ্ধের অসাধারণ ক্ষমতার সাক্ষর সে দেখেছে।

উনি নিশ্চয়ই সত্যিকার একজন রাজা হবেন! হয়তো দস্যুদের থেকে আত্মগোপন করতেই তিনি সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশ নিয়েছেন।


মন্তব্য

মামুন হক এর ছবি

শ্রদ্ধেয় হাসান মোরশেদ ভাইয়ের পিডা থেকে বাঁচার আশায় তাড়াহুড়া করে দিলাম। ভুল ত্রুটি মাফ করে দিয়েন বস।

তুলিরেখা এর ছবি

আগ্রহ নিয়ে পড়ছি। বেশ ভালো লাগছে।
আপনাকে শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন।
-----------------------------------------------
কোন দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

সাইফ তাহসিন এর ছবি

মামুন ভাইয়ের নামের পাশে অতিথি শব্দটা আর দেখছি না, ঘটনা কী, মামুন ভাই তাহলে হাচল থেকে সচল হয়ে গেলেন, সচল হবার জন্য অভিনন্দন রইল। অনুবাদ বরাবরের মতই পাংখা, ঘুমান কেমনে বস আপনে এত প্রতিভা নিয়া

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

হ, ঘটনা কী? তেব্র পেত্তিবাদ... থুক্কু সাধুবাদ জানাই। হাসি

সচল পরিবারের অন্যতম "হোস্ট" হিসেবে স্বাগতম। দেঁতো হাসি

তুলিরেখা এর ছবি

আরে, এতক্ষণে লক্ষ করলাম! স্বাগতম মামুন হক। পূর্ণ সচল হয়ে সচল করে রাখুন এ সচলায়তন। হাসি
-----------------------------------------------
কোন দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

ফারুক হাসান এর ছবি

শুভেচ্ছা, সচল মামুন ভাই!

রেনেট এর ছবি

হেহে এখন কিন্তু আপনি আর অতিথি না... তাই নিজের রান্না নিজের করে খেতে হবে হাসি
---------------------------------------------------------------------------
No one can save me
The damage is done

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

মামুন হক এর ছবি

আমিও খেয়াল করিনাই, দুনিয়া জুড়া পুরাই তেলেসমাতি! করলে তো ইনিয়ে বিনিয়ে একটা লেখা দিতাম, এই কাঠ খোট্টা অনুবাদটা না। অনেক ধন্যবাদ সবাইকে হাসি

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

মামুন ভাই, খুদাপেজ।

(অতিথি থেকে সচল হলেই সবাই ডুব দেয় কিনা... খাইছে )

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

বইটা খুব প্রিয়... কয়েকবার পড়েছি...আবারও পড়তে ইচ্ছা করলেও এখন উপায় নাই, কে জানি কোন বদমাশ বইখানা হাপিস করে দিয়েছে...:|

অনুবাদ ভাল হয়েছে...

--------------------------------------------------
একটি কথার দ্বিধাথরথর চূড়ে ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী...

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

কে জানি কোন বদমাশ বইখানা হাপিস করে দিয়েছে...:|

বালিকা বড়ই দুষ্ট, গড়াগড়ি দিয়া হাসি

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

কেন কেন?...যা করার ঐ বদমাশ [ না জানে কে...:-s] করেছে... আমি কিস্যু করিনাই, প্রমিস!

--------------------------------------------------
একটি কথার দ্বিধাথরথর চূড়ে ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী...

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

অনিকেত এর ছবি

মুবারাক হো, মামুন ভাই, মুবারাক হো--- !!!!

আকতার আহমেদ এর ছবি

অভিনন্দন!

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

অতিথিকালে লুকজন ব্যপক লেখে, সচল হইলেই লেখালেখি আর করে না...
দুস্ত... তুমি লিখে যাও। অভিনন্দন
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

কালো জাদুকর এর ছবি

অসম্ভব প্রিয় একটা বই। অনুবাদ পড়তে পারব জানলে কে কষ্ট করে ইংলিশ পড়ত। চোখ টিপি অনেক ধন্যবাদ মামুন ভাই।
_____________________________
ইচ্ছে হল এক ধরণের স্বপ্ন আমার...
মরব দেখে বিশ্বজুড়ে যৌথ খামার...

______________________________
ইচ্ছে হল এক ধরণের স্বপ্ন আমার...
মরব দেখে বিশ্বজুড়ে যৌথ খামার...

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

চালিয়ে যান। তবে পরের পর্ব আরেকটু তাড়াতাড়ি ছাড়লে ভাল হয় আর কি... খাইছে

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।