বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৫/০৭/২০১১ - ১০:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লক্ষ্মীপুরের মেয়র আবু তাহের ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জন্মের আগে থেকে এই রাজনীতিতে যোগদানের সুযোগ থাকলে তিনি সুযোগ মিস করতেন না। কিন্তু তার ছেলে এএইচএম বিপ্লবের কেসটি আলাদা। জন্মের আগে থেকেই সে আওয়ামী লীগ করছে। তার রাজনৈতিক ত্যাগ তিতিক্ষা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই তার বাবার। আবু তাহের একজন গর্বিত বাবা।

বিপ্লব নামের এই ছেলেটি বিএনপির নেতা এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামকে দলবল নিয়ে খাটের নিচ থাকে ধরে নিয়ে টুকরো টুকরো কেটে মেরে ফেলেছিল। সে কারণে নূরুল ইসলাম মারা যান বলে খবর প্রকাশিত হয়। নূরুল ইসলামের স্ত্রী বিধবা হন। তার সন্তানেরা এতিম হয়। সর্বোচ্চ আদালত বিপ্লবকে দলবলসহ ফাঁসি দেয়। বিপ্লবের ফাঁসিটি সঙ্গে সঙ্গে হয়নি। ফাঁসি কার্যকর করার অনেক কায়দা কানুন আছে। ফাঁসির সেলে শেষের সেই ভয়ঙ্কর দিনটির অপেক্ষায় ছিল।

এই অবসরে বিপ্লবের ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করে দিয়েছেন আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তিনি মহানুভব। হত্যাকাণ্ড তাঁর নাপছন্দ। তাঁকে সেলাম।

মুশকিল বাঁধিয়েছেন বিপ্লববিরোধী বিএনপির মওদুদ আহম্মদ। এই লোকটি অতিশয় ঘড়েল। তাঁর চরিত্র বলে কিছু নেই বলে রটনা আছে। জন্মের পর থেকেই মওদুদ সকল সরকারের সঙ্গে থাকার সৌভাগ্য অর্জন করে রেকর্ড গড়েছেন। বিএনপি-জামাতের আইনমন্ত্রী হিসাবে মওদুদ সে সময় কানাডা গিয়ে ঝিন্টু নামের এক ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বাংলাদেশী খুনীর মেহমান হন। শোনা যায় ঝিন্টু তাঁকে মেলা কানাডিয়ান ডলার উপহার দেন। খুশি হয়ে ঝিন্টুকে মওদুদ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুপ করার ব্যবস্থা করেন। মওদুদ কারো চোখের পানি সহ্য করতে পারেন না। তিনি কেবল বিদেশী মদ্য সহ্য করতে পারেন। বলেন মারহাবা।

মওদুদ বলেছেন বিপ্লবকে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করে ঠিক করেননি। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন এইখানে রাষ্ট্রোপতি ভুল করেন নাই। ভুলটি আসলে সাহারা খাতুনের। মানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের। সাহারা খাতুনের সঙ্গে কি সুরঞ্জিতের কোনো পেশাগত দ্বন্দ্ব আছে? সে প্রশ্ন এখানে নয়। সুরঞ্জিত স্বভাবসুলভ বিজ্ঞতায় বলে দিয়েছেন-- আইন মন্ত্রণালয়কে বাদ দিয়েই ফাইলটি পুটআপ করেছে রাষ্ট্রপতির কাছে। ফাইল পুট আপ হলে রাষ্ট্রপতির সই না করে পারেন না। সই দেওয়াই তাঁর কাজ। সই না করলে তাঁর রাষ্ট্রপতিত্ব ক্ষুণ্ন হয়। তাই রাষ্ট্রপতিকে দোষ দেওয়া অন্যায়। দোষটা আসলে মওদুদের। তালিয়া হবে।

বিপ্লবের বাবা তাহের খুব সৎ মানুষ। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলেন না। তিনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন-- আমি ও আমার পরিবার মওদুদের চক্রান্তের শিকার। ‘নূরুল ইসলাম হত্যা মামলায় আমার পরিবারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত জড়ানো হয়েছে। এটি ব্যারিস্টার মওদুদের একটি হীন চক্রান্ত। তিনি ৯৬ সালের উপ-নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হন। তিনি এর জন্য আমাকে দায়ী করেন। মওদুদ সাহেব সে সময় আমাকে দেখে নেবেন বলে হুমকিও দিয়েছিলেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় পুলিশ বিভাগকে ব্যবহার করে তিনি তদন্তের মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করে আমার পরিবারকে বিভিন্ন সাজা দেন। আমি এবং আমার পরিবার নূরুল ইসলাম হত্যার সাথে কোনভাবে জড়িত নয়।‘ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

কিন্তু নিহত নূরুল ইসলামের স্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফের কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি আবু তাহেরের সংবাদ সম্মেলনের আগেই রাষ্ট্রপতির কাছে দুটো প্রশ্ন করেছেন :
১. প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর পিতার হত্যার বিচার চাইতে পারেন, আমার পিতৃহারা সন্তানেরা কেন বিচার চাইতে পারবে না?
২. রাষ্ট্রপতির স্ত্রী আইভি রহমানের হত্যাকারীদের যদি ফাঁসির আদেশ হয়, তিনি কি তাদের ক্ষমা করবেন?

এই কথার উত্তর পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে। তিনি খুবই বিজি। তাঁর মনেও একটা দুঃখ আছে। তাঁর স্ত্রী আইভি রহমানকে বিএনপির চক্রান্তে গ্রেনেড হত্যা করেছে। সেই বিচারটি চলছে। সে বিচারে তিনি এবং তার মাতৃহারা ছেলেমেয়েরা তাদের স্নেহময়ী মায়ের খুনীদের নিশ্চয়ই ফাঁসিই চান। মুশকিল হল বিচার প্রক্রিয়াটি বড় ধীরগতি সম্পন্ন। এই খুনীদের ফাঁসি হোক দেশবাসীও কামনা করে। সে ক্ষেত্রে কি মৃতদ্বার রাষ্ট্রপতি কি তাঁর মহানুভতার ঝুলিটি খুলতে পারবেন? কঠিন প্রশ্ন।

এইসব কঠিন প্রশ্ন নিয়ে সকলের মাথা গরম। গরম মাথায় এইসব নরম প্রশ্ন করা ঠিক নয়। নরম মাথা দরকার। নরম মাথা আছে ডঃ হাছান মামুদের। কারণ তিনি বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী। তার বনে গরম নাই। তার মনে শরম নাই।

এই বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ডঃ হাছান মাহমুদ আবু তাহেরের খুনি-সন্তান বিপ্লবের ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করার উপযুক্ত কারণটি বলে দিয়েছেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আইনমন্ত্রী থাকাকালে নূরুল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, মওদুদ আহমদ প্রভাবিত করায় আদালত বিপ্লবকে দণ্ড দেয়। রাষ্ট্রপতি এসব বিবেচনায় এনে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এ ধরনের ঘটনা বিভিন্ন মেয়াদে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালেও ঘটিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ড. হাছান মাহমুদ বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, যাদের রাজনীতি মিথ্যা ও হত্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত, তারা বিপ্লবকে ক্ষমা করে দেয়ার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার নৈতিক ক্ষমতা রাখেন না। খুব সহি বানী।

ডঃ হাছান মাহমুদের এই বানী থেকে বোঝা গেল--
--------------------------------------------------------
এক। বিচার বিভাগকে প্রভাবান্বিত করা যায়।

দুই। বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করেছিল বিএনপির মওদুদ।। এই প্রভাবিত করার কাজটা আওয়ামী লীগ মওদুদের কাছ থেকে শিখে ব্যবহার করছে। সুতরাং আওয়ামী লীগের দোষ নাই। সব দোষ মওদুদ বা বিএনপির দোষ। যেহেতু মওদুদ করেছে--তাদের করতে দোষ থাকার কথা নয়। দোষ ধরাটাও ঠিক নয়। দোষ ধরলে মওদুদের ধরেন।

তিন। বিপ্লব আসলে খুবই ভাল ছেলে। শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট। সে অপরাধ করতেই পারে না। সে খুন করতেই পারে না। ভাল করে অনুসন্ধান করলে মৃত এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাবে। তিনি হয়তো মারাই যাননি। খাটের নিচে পালিয়ে আছেন। উপযুক্ত সময় এলেই তাকে পাওয়া যাবে। আর তাকে লুকিয়ে রেখে বিপ্লবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
মওদুদ আদালতকে প্রভাবিত করেছিল বলে এই আলাভোলা ভালো ছেলেটিকে অন্যায়ভাবে বিচার বিভাগ দণ্ড দিয়েছিল। মওদুদ প্রভাব বিস্তার না করলে তাকে বিচারকরা ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি পাঠিয়ে দিতেন। বলতেন, বাপা বিপ্লব, শান্তিতে ইউনুসের নয়, তোমারই নো-বেল পাওন দরকার। সেটার ব্যবস্থাও ছিল। মাঝখান থেইকা ব্যাটা ইউনুস বাগড়া দিয়ে তোমার নো-বেলটি ছিনিয়ে নিয়েছিল। হাসিনা ইউনুসের কাছ থেইকা নো-বেলটি উদ্ধারের ব্যবস্থা করছে। উদ্ধার হইলে নো-বেলটি হাসিনারেও ভাগ দিও। একা খাইও না।

চার। মওদুদের কথা শুনে বিপ্লবকে দণ্ড প্রদানটি বিচার বিভাগের ঠিক হয়নি। এটা বিচার বিভাগের একটি মারাত্মক ভুল। তাই বিচার বিভাগের ভুলটি সংশোধন করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে পারেন না। এই বিচার বিভাগের অন্যায়টির প্রতিকার হিসাবে বিপ্লবকে দণ্ড মওকুফ করেছেন তিনি। রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে এই জন্য সংক্ষুদ্ধ কারও কোনো মামলা করারও সুযোগ নাই। তিনি সবার উর্দ্ধে। তাকে উর্দ্ধে থাকতে দিন।

পাঁচ। এই ধরনের কাজকাম বিএনপি আমলেও বিস্তর হয়েছে। এটা নতুন নয়। সুতরাং এটা মৃত এ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামের স্ত্রী জানেন না। জানলে রাষ্ট্রপতিকে প্রশ্ন করতে পারতেন না যে, আপনার স্ত্রীর খুনীদেরও কি মাফ করে দেবেন। হায় বিধবা রমণী। অবোধ রমণী। উতলা হইও না। বাস্তবতাকে শেখো। বেশী ফালাফালি করিও না।

ছয়। বিএনপির উচিত তাদের দেখানো পথ আওয়ামী অনুসরণ করায় আওয়ামী লীগকে হাততালি দেওয়া। ইত্যাদি।

হাছান মাহমুদ ইদানিং বেশ সুন্দর সুন্দর বানী দিচ্ছেন। তার বানী সকল বানী চিরন্তনীতে ঠাই পাওয়ার যোগ্য। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডঃ আনু মুহাম্মদকে তিনি টোকাই বলেছিলেন। বলেছিলেন আনু সাহেবের টাকা পয়সা নাই। তার গায়ে ময়লা বা ছেড়া বা কম দামী জামা। এইসব টোকাইদের চিক্কুর পাড়া ঠিক নয়। চিক্কুর পাড়তে হলে আনু মুহাম্মদকে বামবিপ্লবী নয়-- আবু তাহেরের ঘরে এএইচএম বিপ্লব হয়ে জন্ম নিতে হবে। গ্রেট হাছান মাহমুদ। আপনার কথা বার্তা শুনে মনে হচ্ছে--আনু মুহাম্মদের গায়ে ছেঁড়া জামা হলেও তো আছে। কিন্তু আপনার গায়ে তো কোনো জামা কাপড়ই নাই। ঘটনা কি?

ঘটনা হল--খুব গরম পড়েছে। গরমে অনেক স্বভাব পাগল ল্যাংটা পাগল হয়ে যাচ্ছে।


মন্তব্য

সচল জাহিদ এর ছবি

চলুক চলুক চলুক


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

কুলদা রায় এর ছবি

ধন্যবাদ সচল জাহিদ।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

আশফাক এর ছবি

অছাম মাহমুদ সম্পর্কে যা বলেছেন, দাদা হাসি

কুলদা রায় এর ছবি

আশফাক, দেশে গরম কেমন?

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

শিরোনামে হাজার তারা...

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

কুলদা রায় এর ছবি

নজরুল ভাই, এই হাজার তারা আপনাকে দিলাম। আপনার বিপ্লবদের জন্য একটু দোআ খায়ের করেন। সে অচিরই যেন বিশেষ ক্ষমায় মাফ বাড়ি চলে আসার সুযোগ পায়। আরও কিছু লোকজন ফ্রি খুন হওয়ার অপেক্ষায় আছে। বিপ্লব ছাড়া কে আছে এই ভুনে যে এই সহি আশা পূর্ণ করতে পারে।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

কুলদা রায় এর ছবি

নজরুল ভাই, আপনাএক লইক্ষ তারা।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

আশালতা এর ছবি

"আবু তাহের একজন গর্বিত বাবা।"

হ।

----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি

কুলদা রায় এর ছবি

আবু তাহেরের বাবা বিপ্লবের একজন নেকবরদার দাদাজান।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

কুলদা রায় এর ছবি

আবু তাহেরের বাবাও একজন গর্বিত দাদাজান। তারেও দর্পিত সেলাম।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

ইস্কান্দর বরকন্দাজ এর ছবি

মারহাবা
তালিয়া হাততালি

গুল্লি

কুলদা রায় এর ছবি

মারথাবা।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

জি.এম.তানিম এর ছবি

গুল্লি

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

কুলদা রায় এর ছবি

তানিম, প্রাণিটা কি করে? গান গাহে? না, ঘুরিয়া ঘুরিয়া গুলি করে?

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

কুলদা রায় এর ছবি

তানিম, এইটারে কন, বিপ্লব আসতেছে। দেরী নাই। একটু তামুক খাইয়া লরে বেটা।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

ফারুক হাসান এর ছবি

গুল্লি

কুলদা রায় এর ছবি

ফারুক, এইখানে একটি পেরাণি কেনু? বাকীগুলান গেলু কৈ?

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

Gypsy এর ছবি

গুল্লি গুল্লি উত্তম জাঝা! গুল্লি উত্তম জাঝা! গুল্লি

কুলদা রায় এর ছবি

জিপসী, এইটা কুত্তা না বিল্লি? এইটার আগে সমাধান হোক। তারপর বাকী প্রশ্ন।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

কুলদা রায় এর ছবি

ওরা কুত্তা না বিলাই? ওরা কি করে? ওরা কি ঘুরিয়া ঘুরিয়া গুলি করে বিপ্লবকে সঙবর্ধনা দেওয়ার জন্য?

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

কুলদা রায় এর ছবি

একটা পেরানী ক্যান? আর গুলা গেলু কনে?

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

জহির  আহমাদ এর ছবি

এ লেখা সুবিধাবাদের ইশকুলে কেলাস লাইনে অবশ্যপাইঠ্য করুম ।
আয়েন গান গাই, “ইশকুল খুইলাছে রে মওলা ইশকুল খুইলাছে”।
সালাম ।
মারহাবা ।
তালিয়া ।
বিপ্লব চীরজীবি হোক ।
বিপ্লব টিপ্লব করুম না, এক্কেরে বিপ্লব হমু !! ( আল্লায় মাফ করুক )
দেশের বাড়ী লক্ষ্মীপুর । গরমে মাথা নষ্ট । লেইখা কি হইব জানি না, তয় লেখা চরম হইছে । প্রতিবাদ জারী থাকুক লেখায় লেখায় ।

র ব এর ছবি

সবকিছু বিপ্লবদের দখলেই যাবে...

রব

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

চলুক
অসাধারণ লেখা। বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক। এই পোস্টটাকেও স্টিকি করে দীর্ঘজীবি করা হউক। এরকম ধারালো লেখা অনেকদিন পড়িনি।

কুলদা রায় এর ছবি

আপনার ভয় নাই? বিপ্লব আসতেছে ফুলের মেলা গলায় দিয়া। তখন?

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

জহির  আহমাদ এর ছবি

“অপহরন”--হিন্দী সিনেমার কথা মনে আছে তো দাদা ! বিপ্লব এখন আর আসে না গো দাদা !! মাঝে মাঝে শুধু বাহির হয় !

আসেন আমরা পালিয়ে যাই ! পালিয়ে খাটের নীচে লুকাই !! ততক্ষন পালিয়ে থাকি, হায়াত যতক্ষন লেখা আছে । তারপর বিপ্লব এসে আমাদের বের করে আনবে টেনে হিঁচড়ে ! তারপর বিপ্লব আমাদের বলি দিবে !! আমরা হব বিপ্লবের বলির পাঠা ।

অথবা কোনও কোনও বিপ্লব গোপনেই ঘটে যায় এখানে সেখানে !!! কোন গোপন বিপ্লবে প্রান দিয়েছিলেন কমরেড নুরুল ইসলাম !?!? কোন গোপন বিপ্লবে প্রান দিয়েছিল তমোহর ?!?! -----

আসেন এইসব ফালতু প্যাচাল ভুলে গিয়ে সাভার, আমিনবাজার যাই ! গ্যাজায় কয়টা দম মেরে আসি, ভয়ের কিছু নাই, পুলিশ ভায়েরা আছে না ।

জহির  আহমাদ এর ছবি

পোষ্ট স্টিকি না করার কারন খুঁজে পাইতেছি না ! চিন্তিত

অভ্রনীল এর ছবি

জীবনে বিপ্লব হওয়া উচিত ছিল - বড়ই ভুল করে ফেলেছি দেখা যায়! মন খারাপ

কুলদা রায় এর ছবি

এখনো সুযোগ আছে। হেলায় হারাইবেন না। পরীক্ষা প্রার্থনীয়।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

তারাপ কোয়াস এর ছবি

গুল্লি
'বিল্পব দীর্ঘজীবি হোক' ছুম্মা আমিন।


love the life you live. live the life you love.

কুলদা রায় এর ছবি

আমিন। আমিন।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

শ্রীকৃষ্ণ এর ছবি

দাদা কুপায়ে দিছেন গুরু গুরু গুরু গুরু ...... হাসান মাহমুদ এর মত এই সব বোকাচুদা গুলা কি জন্ম থেকেই এই রকম
" " চুষে বেড়ায় নাকি, শালারা ক্ষমতাতে গিয়ে এই স্বভাব রপ্ত করে

কুলদা রায় এর ছবি

আমাদের কি কুপানোর ক্ষমতা আছেরে ভাই। কুপানো তো বিপ্লবরাই করে। আমরা ম্যান্দা পাবলিক কোপ খাই, কোপে পড়ি।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

কুলদা রায় এর ছবি

এইখানে মন্তব্য পোস্ট একবার করেছি। দেখি পোস্ট হয় না। তাই আবার লিখেছি। এখন দেখি--ডাবল হয়ে গেল। এটাও এক ধরনের বিপ্লব। বিপ্লবের হাত থেকে রেহাই নাই দেখছি।

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

স্বাধীন এর ছবি

গুল্লি

কুলদা রায় এর ছবি

বাঘের বাচ্চা

...............................................................................................
'এই পথ হ্রস্ব মনে হয় যদিও সুদূর'

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বিপ্লবই দীর্ঘজীবি হবে। মানুষ সব সাফা হয়া যাবে!

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

ফাহিম হাসান এর ছবি

অসাধারণ শিরোনামে ধারালো একটা লেখা।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

গত শতকে নোয়াখালী অঞ্চলে বিষ্ঠামস্তক গডফাদার জয়নাল হাজারিকে ছাড়িয়ে আবু তাহের নামের যে আরেকটি বিষ্ঠামস্তকের উদয় ঘটেছিল, আমরা তা ভুল গিয়েছিলাম গত দশ বছরের গোলমালে। রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ দিতে হয় সেই নামটিকে আবার সামনে আনার জন্য। মানুষ আবার কিছু থুথু ছিটাক আবু তাহেরের নামে।

হাসান মাহমুদের অমৃতবানীগুলি এই সরকারের জন্য সম্পদবিশেষ। বাধিয়ে রাখতে পারে তারা চাইলে।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা বিষয়ে কিছু বলতে রুচি হচ্ছে না। মুখ দিয়ে যে শব্দই বের করি, বমি উগড়ে আসতে চায়।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

জহির  আহমাদ এর ছবি

বৃহত্তর নোয়াখালির মানুষজন নিয়া নানারকম আলোচনা-সমালোচনা আছে । বৃহত্তর নোয়াখালির অন্তর্গত লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা হিসেবে প্রায়শই বন্ধুবান্ধব, পরিচিতজনদের ঠাট্টা-মশকরা, আলোচনা-সমালোচনা সামলে চলতে হয় ! হাসি সত্যি বলতে গেলে নোয়াখাইল্লাগো নিয়া এইসব ঠাট্টা-মশকরা, আলোচনা-সমালোচনা আমরা খুবই উপভোগ করি; নিজেরাও অনেক সময় সোৎসাহে এসব আলোচনা-সমালোচনায় অংশ নেই !! চোখ টিপি নিজেরা কয়েক প্রজন্ম নোয়াখালি অঞ্চলের বাইরে বসবাসের কারনে ভাষার কিছুটা পরিবর্তন আসায় অনেক সময় স্বল্প পরিচিত লোকজন সহজে ধরতে পারে না যে আমরাও আসলে “নোয়াখাইল্লা” । এই সূযোগে আমরাও দু-চারটা নোয়খাইল্লারে মনের সুখে গালি দিয়ে নেই । আর যাই হোক নোয়াখাইল্লাগোরে গালি দিয়া শান্তি আছে !!! দেঁতো হাসি

এতদিন তো মনের সুখে গান গাইতাম
“ নোয়াখালি গর্ব আঙ্গো নোয়াখালি সুক
নোয়াখাইল্লা কইলে আঙ্গো হুলি উডে বুক ”---

কিন্তু আজকাল নোয়াখালি-লক্ষীপুর-ফেনী র আলোচনা উঠলে খুব খারাপ লাগে । হাজারী-তাহের-বিপ্লব কোনও মনুষ্যসন্তান নয় ! এমনকি এদেরকে কুকুর-বিড়াল-শুয়োরের সন্তানও বলা যাবে না । তাতে শুধুশুধু প্রানীগুলারে অপমান করা হবে !! এগুলি সাক্ষাৎ শয়তান । বিপ্লব তো শয়তানের বাচ্চা শয়তান !!!

দেশবাসীর কাছে আমরা এসব হারামজাদা শয়তানগুলার জন্য লজ্জিত ! গতবার ভেবেছিলাম ইয়ে... বোধহয় বদলাইছে । এখন দেখি বদলায় নাই বরং বলদাইছে ! মনে তো হয় পুরাই বধির আর অর্ধেকটুকুন আন্ধা হয়ে গেছে । !! বঙ্গবন্ধুরে, এইসব অছাম ছামার পুতেরাই কুবুদ্ধি দিয়া ডুবাইছিল, ক্যামনে ভুইলা গেলি !!!

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

দুর্দান্ত লেখা।

তানিম এহসান এর ছবি

যাক, এখানে এসে বগা ফাঁদে পড়ে কান্দেনি চোখ টিপি লেখা চলুক!

আব্দুল ওয়ারেশ এর ছবি

কুল'দা আপনাকে অভিনন্দন এরকম একটা লেখা আমাদের উপহার দেবার জন্য, শেয়ার দিলাম আমার বন্ধুদের পড়তে...

নুর-নবী-দুলাল এর ছবি

হবুচন্দ্র রাজার দেশের আমরা গবুচন্দ্র (ম্যাংগো) জনগণ। রাজার বায়ুতেও বেহেস্তী খুশবু পাই আমরা। তাই যাহা ঘটে তাহাতেই আমাদের খুশী থাকার ভান করতে হয়। সুন্দর পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।