আসল নাম
মোঃ এহসান উল ইসলাম চৌধুরী
এক.
তারপর জানা যায় কোন এক ভুল বুঝে চলে গেছে কেউ,
কোন এক কথা তবু থেকে গেছে বাকি; --
থেকে যায় অপসৃত ফোঁটা জল, প্রতিশ্রুত ঢেউ!
--------------------------------------------------------------------------
দুই.
মুগ্ধতা ঝরে পড়ে!
ঘাস নয়, ফুল নয়, চাঁদ নয় জোছনায়,
সমুদ্র পাহাড় নয়, নয় ফুল প্রজাপতি ..
পৃথিবীর এপিঠ-ওপিঠে আর কিছু নয়,
বিস্ময়াভিভূত এই জীবনে তবু,
শুধু মুগ্ধতা ঝরে পড়ে ....
---------------------------------------------------------------------------
তিন.
একটি জ্বোনাক পোকার কাছে ঋণী থেকে গেছি, ঋণী থেকে যাই;
প্রতিদিন জেনে যাই মানুষের মুখোশ কত অকৃত্রিম হতে পারে!
জেনে গেছি -
বাস্তব এতোটা সহজ বলে কোনদিন সহজ হবোনা অনায়াসে।
একটি জ্বোনাক আলোর কাছে প্রতিটি ভোর কেবলই থেকে গেছে ঋণী।
মন্তব্য
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল
ধন্যবাদ

------------------------------------------------------------
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি সবচেয়ে বড় দুর্নীতি-আবুল ফজল।
আমার চারপাশ ডট কম।।।ফেবু
সবুজ পাহাড়ের রাজা’র দেখা পাওয়া গেলো তাহলে। ধন্যবাদ ভাই।

------------------------------------------------------------
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি সবচেয়ে বড় দুর্নীতি-আবুল ফজল।
আমার চারপাশ ডট কম।।।ফেবু
দারুন
মুগ্ধ
----------------------------------------------------------------------------------------------
"একদিন ভোর হবেই"
একদিন ভোর হোক! ধন্যবাদ।

চমৎকার।
বসন্তাভিনন্দন
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
ধন্যবাদ। আপনাকেও বসন্তের অভিনন্দন।

ভালোই তো
-------------------------------------------------
ক্লাশভর্তি উজ্জ্বল সন্তান, ওরা জুড়ে দেবে ফুলস্কেফ সমস্ত কাগজ !
আমি বাজে ছেলে, আমি লাষ্ট বেঞ্চি, আমি পারবো না !
আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !
ধন্যবাদ আশফাক আহমেদ।

অসাধারণ! চারদিক শুধু মুখোশ। কেউই সহজ হতে চায় না অনায়াসে। তবু, আপনার কবিতা পড়ে ''শুধুই মুগ্ধতা ঝরে পড়ে''।
কাজি মামুন! অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন ভাই।

চমৎকার লাগলো তিনটাই।
অনেক ভালোলাগা।
_____________________________________________________________________
বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।
অনেক ধন্যবাদ।

চমৎকার লেগেছে তানিম, চারটেই।
আচ্ছা নামগুলো দিলে কি হতো?!
------------------------------------------------
দিগম্বরে কভূ নাহি ভীত
ঘোর তষ্করময় যথা পরিপার্শ্বের ডরে।
ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রেই রয় প্রীত;
ক্ষীনধারে সঞ্চে প্রেম, হৃদ-সরোবর ভরে।
চারটে কই? তিনটেতো।
আমি কেন জানি নাম দিতে পারিনা, নাম দিতে গেলেই দারুণ সমস্যায় পড়ে যাই, কোনটাই পছন্দ হয়না, আবার পছন্দ করে যেটা দেই পরে সেটা আর ভালো লাগেনা।
ধন্যবাদ হে রাতঃস্মরণীয় রাতের পথিক

হ, তাইতো! তিনটাই তো।
------------------------------------------------
দিগম্বরে কভূ নাহি ভীত
ঘোর তষ্করময় যথা পরিপার্শ্বের ডরে।
ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রেই রয় প্রীত;
ক্ষীনধারে সঞ্চে প্রেম, হৃদ-সরোবর ভরে।
শিরনাম যে নামহীন-চার।:p
ও।
বেশ হয়েছে , প্রথমটা অনেক বেশী ভালো লেগেছে।
অনেক ধন্যবাদ।

অপূর্ব শ্রুতিমাধুর্য, কবিত্ব!!!
_____________________
Give Her Freedom!
ধন্যবাদ তোমাকে ওলি

কবি নামে পরিচিত হতে চাইনা হে বালক, ভেতরের আলোড়নগুলো প্রকাশ করতে পারছি এতেই খুশী। কবি হতে গেলে সবকিছু থেকে নিজেকে উর্ধ্বে নিয়ে যে নির্বাপিত জীবনযাপন করতে হয় সেই সামর্থ্য আমার এখন আর নেই। আমার বড়জোড় ‘ট্যাগ’ হিসেবে কবিতা জুড়ে দিয়েই জীবন সার্থক
..
ভালো লাগল তানিম ভাই, ২ নম্বরটা কেন জানি জীবনানন্দের বোধ কবিতার কথা মনে করিয়ে গেল, সেটার দ্বারাই উদ্দীপ্ত হয়ে লিখেছিলেন কি ।
না; নিঃশর্তভাবে এবং হাসিমুখে একটা কাজ করে দেয়ায় প্রিয় একজন মানুষকে এসএমএস পাঠাতে যেয়ে লেখা এটা; পরে পছন্দ হওয়ায় আরো কয়েকজন তেমন মানুষকে পাঠালাম, তারপর সেভ করে রেখেছিলাম। একটা লাইন যোগ করে এখানে দিয়েছি। দেয়ার সময় মনে হচ্ছিলো কোথায় যেন একটা মিল পাই, মিল পাই।
ভালো থাকবেন প্রিয় উড়ন্ত ঘুড়ি, নিরন্তর শুভেচ্ছা। আর, দেশে আসলে একটা আওয়াজ দিয়েন, আপনাকে রঙবেরঙের ঘুড়ি কিনে দেবো
একটি কবিতার কাছে ঋণী হয়ে গেছি .....
আসলেই.....
মুগ্ধতা ঝরে পড়ে.....
নিজের ফুলদানীতে যারা পৃথিবীর সব ফুলকে আঁটাতে চায় তারা মুদি; কবি নয়। কবির কাজ ফুল ফুটিয়ে যাওয়া তার চলার পথে পথে। সে ফুল কাকে গন্ধ দিলো, কার খোঁপায় বা ফুলদানীতে উঠলো তা দেখা তার কাজ নয়।
___________________________ [বুদ্ধদেব গুহ]
আপনাকে ধন্যবাদ ঝরাপাতা

মুগ্ধ হয়ে পড়ে গেলাম।
-----------------------------------------------------------
স্নান স্নান চিৎকার শুনে থাকো যদি
নেমে এসো পূর্ণবেগে ভরাস্রোতে হে লৌকিক অলৌকিক নদী
নতুন মন্তব্য করুন