১৯'শে মে ১৯৬১। একটি রক্তাক্ত দিন। ভাষার জন্য...

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৯/০৫/২০১২ - ১১:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ ১৯শে মে । আজ থেকে প্রায় ৫১ বছর আগে এমনি একটা দিনে ভাষার জন্য রক্ত ঝরেছিল। সেই ভাষা আমার বাংলা ভাষা।
বাংলা ভাষার কথা আসলেই ৫২'র সেই রক্তিম পুষ্পাঞ্জলির কথা মনে পড়ে। কিন্তু এই ভাষার জন্যই যে আরেকটা বৃহৎ আন্দোলন হয়ে গিয়েছিল তার খবর কেউ রাখেনা। ইতিহাসের খাতাতেও এই আন্দোলন চিরকাল ব্রাত্য।

আজ সেই রক্তঝরা ১৯শে মে। ১৯৬১ সালে এই দিনটিতেই বাংলা ভাষাকে রাজ্য ভাষা কারার দাবীতে আন্দোলনরত মানুষদের উপর আসাম সরকারের কেহের নেমে আসে। ১১ জন সত্যাগ্রহী নাগরিককে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর গোপন নির্দেশে শিলচর রেল স্টেশনে গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে আসাম পুলিশ এই বর্বর হত্যাযজ্ঞের প্ল্যান করে। আহত হন আরও অজস্ত্র মানুষ।

আজ সেই ১৯শে মে। আজকের দিনেই বাংলা ভাষা কন্ঠে জড়িয়ে শহিদ হয়েছিলেন - কমলা ভট্টাচার্য, চন্ডীচরণ সূত্রধর, হিতেশ বিশ্বাস, শচীন্দ্র পাল, কুমুদরঞ্জন দাস, সুনীল সরকার, বীরেন্দ্র সূত্রধর, তরণী দেবনাথ, সত্যেন্দ্র দেব, কানাইলাল নিয়োগী, সুকোমল পুরকায়স্থ’রা...

সেইদিন নির্মম প্রশাসন ভাষার জন্য মানুষকে মেরেছিল। কেউ এগিয়ে আসেনি। সেই দিন আসাম রাজ্যেই ( তৎকালীন আসামের রাজধানী শিলং ) উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু। একটা টু শব্দও তিনি করেন নি। পরে দিল্লি ফিরে গিয়ে নাম কে ওয়াস্তে যে কমিশন বানিয়েছিলেন তার রিপোর্ট এখনো সঠিকভাবে সামনে আসেন নি। স্বাধীন ভারতের বুকে এই গণহত্যার বিচার আজ অবধি হল না। এখনো সেই ভাষা সৈনিকরা বিচার পাননি। যদিও এই হত্যাযজ্ঞের পর আসাম সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যস্থতায় বাংলা ভাষাকে আসামের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে সরকারী স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।

...... এই ইতিহাস এখানে শেষ হয়ে যায়নি। এরপরও ১৯৭২-এ কিংবা ৮৬'তেও ভাষার জন্য রক্ত ঝরেছে। এর বিচার এখনো হয়নি। হয়তো কেউ জানেনও না ৭২’এর ১৪ আগস্ট রাস্তায় লুটিয়ে পরা সেই যুবক বিজন চক্রবর্তীর নাম। কি করেছিল আসাম সরকার? অসমীয়া ভাষাকে জোর করে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল বাঙালিদের মুখে। শিখতেই হবে অসমীয়া ভাষা, শিক্ষা দেওয়া হবে কেবলমাত্র অসমীয়া ভাষায়।প্রতিবাদে হত্যা! গণতন্ত্রের বুকে বিচারের বাণী নীরবে কাঁদে...

ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের বাংলা ভাষা, মানুষ, সাহিত্য - সব সময় উপেক্ষিত। বাংলার দুই বলয় ( পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ) যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় ভুবন এর বাইরেও যে একটা বৃহৎ বাঙালি বলয় আছে তার খবর কেউ রাখেন না। বরং দেখা যায় আমাদের প্রতি একটা অবমাননার কিংবা অবহেলার রূপরেখা। পশ্চিমবাংলার তথাকথিত সাহিত্য বোদ্ধারা এদিকের সাহিত্য কিংবা ভাষার মানুষদের প্রতি বরাবরই অবজ্ঞা এবং তাচ্ছিল্য মনোভাব পোষণ করে এসেছেন! অথচ বাংলা ভাষার এই তৃতীয় ভুবন ভাষার চর্চায় কিংবা সাহিত্যের আঙিনায় যথেষ্ট বলিষ্ঠ। এখানে এখনো পাহাড়ের গায়ে ভাষার গুঞ্জন শোনা যায়। কর্পোরেট জগতের কালি এখনো এখানকার ভাষার গর্ভে নিক্ষেপ হয়নি। এক অদ্ভুত সরলতা নিয়ে ভাষার গতিপথ বরাক ভ্যালির বালুচরে কিংবা মণিপুরের ঘন অরণ্যে অথবা ত্রিপুরার লংতড়াই পাহাড়ে চম্প্রেং এর মিহি ছন্দে বেজেই যাচ্ছে। কবিতা, গল্প, উপন্যাস কিংবা নানা গবেষণার ব্যাপ্তি নিয়ে একটা নিজস্বতা অনেক আগেই তৈরি হয়েছে। আর মানুষের প্রকাশে একটা ভাষা যাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে এই তৃতীয় ভুবন। তথাকথিত বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যের মাতব্বর কিংবা উচ্চে অবস্থানকারীরা আমাদের গেঁয়ো বলে তিরস্কার করতেও পিছুপা হন না।

তবুও থেমে নেই আমার মায়ের ভাষা, আমার মুখের ভাষা। ভাষার বুকে যখনই আঁচর পড়েছে নিজের রক্তে তার মলিনতা ধুয়ে দিয়েছে পাহাড়ের বাঙালিরা।

সেই ভাষার শ্রমিকদের সালাম। ভাষার সৈনিকদের সালাম। সেই ভাষার শহিদদের লাল সালাম।

----------------------------------

এখানে বিস্তারিত ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে।


মন্তব্য

চরম উদাস এর ছবি

চলুক
অনেকদিন পর লিখলেন

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ। আসলে ইদানিং একটু ব্যাস্ত হয়ে গেছি, তাই সময়াভাব কিংবা লেখার জন্য চিন্তার অভাব যাই বলেন সেটাই হয়ে গেছে আরকী। আশা করি সময় সময় একটু ডুবে থাকলেও নিয়মিত হবার চেষ্টা করব।

অচেনা  এর ছবি

আসলে আমরা সব বাঙ্গালি যদি একটা দেশ হতাম তা হলে ভাল হত।

তাপস শর্মা এর ছবি

হতে পারতো মনে হয়!

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

দারুণ লেখা।
একটা অনুরোধ করি। এই লেখাটাতে অনেকটা আবেগ আছে। নিশ্চয়ই ন্যায্য আবেগ। কিন্তু সবার আগে স্পষ্ট শুদ্ধ অলংকারবিহীনভাবে ইতিহাসটা জানা দরকার সবার। তারপরে সেই ইতিহাস কথনে আবেগ আনা চলে, অলংকার চলে। সেইজন্য, আপনি একটু বড় করে স্পষ্ট ভাষাতে খানিকটা রেফারেন্স সহ এই ইতিহাসের উপর একটা লেখা লিখে ফেলুন। ব্লগে একটা লেখা থাকুক। কে না জানে, ব্লগ হচ্ছে আগামী দিনের ইতাহাস।

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

এই ব্যাপারে সচল শামীমের লেখার লিঙ্ক, হাসান মোরশেদের লেখার লিঙ্ক এবং উইকিপিডিয়ার এন্ট্রির লিঙ্ক


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

তাপস শর্মা এর ছবি

রতন'দা ইচ্ছে আছে। লিখব সময় করে নিশ্চয়ই। এই তৃতীয় ভুবনের বাঙালিদের জীবনচিত্র নিয়ে তাদের লড়াই নিয়ে লিখব আশা রাখি।

পান্ডব'দা লিঙ্কগুলির জন্য ধন্যবাদ। পড়েছি।

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

ধন্যবাদ পাণ্ডব'দা হাসি

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

তাপস শর্মা এর ছবি

রতন'দা এই লেখার নীচে যে লিঙ্কটা দিয়েছি সেখানে নক করে দেখুন। অনেক কিছুই জানতে পারবেন আশা করি।

অমি_বন্যা এর ছবি

অনেক দিন পর আপনার লেখা - অনেক ভালো লাগলো ।

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ আপনাকে। হাসি

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

এই আন্দোলনের কথা যদিও জানা ছিল, আপনি নতুন করে মনে করিয়ে দিলেন। মন্তব্য থেকে কিছু লিঙ্ক পাওয়া গেল।
ধন্যবাদ, আপনাকে। ভাল থাকুন।

তাপস শর্মা এর ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ। ভালো থাকা হোক দাদা।

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

ভাল্লাগলো।

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ।

দময়ন্তী এর ছবি

হ্যাঁ আন্দোলন ইত্যাদি তো ঠিকই আছে৷ তবে সব প্রদীপ জ্বলবার আগেই তো সলতে পাকানোর একটা ব্যপার থাকে৷ ব্রিটিশ রাজত্ব শুরু হওয়ার পর পরই আসাম ও তদ্সন্নিহিত অঞ্চলে (তখন আসাম এর সীমানা আরও ব্যপক ছিল) বাঙালি বাবুরা হয়ে ওঠেন ব্রিটিশ প্রভুদের ডানহাত৷ এই সময় এঁরা ইংরেজের হয়ে যথেচ্ছ অত্যাচার করেছেন৷ তা সেইথেকে বাঙালির প্রতি, বাংলা ভাষার প্রতি একটা বিজাতীয় ঘৃণা ও আক্রোশ গড় উঠেছিল, যার রেশ আজও টের পাওয়া যায়৷ মানে বলতে চাইছি যে বাংলা খেদানোর আন্দোলনটা একেবারে আকাশ থেকে টুপ করে পড়ে নি আর কি৷ হাসি

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

তাপস শর্মা এর ছবি

এই দিকটায় আলো ফেলার জন্য ধন্যবাদ দিদি।

আমি নিজেও ঐ সময়ের কিছু কথা শুনেছি। খোদ অসমীয়া কিছু প্রবীন মানুষের কাছেও বাঙালিদের জন্য ঘৃণা দেখেছি।
কিন্তু একটু বিবেচনার প্রয়োজন আছে বৈকি। ঐ সময় যারা ইংরেজদের হয়ে নিপীড়ন চালিয়েছিলেন ওরা আসলে কারা? সাধারণ একেবারেই খেয়ে বেঁচে থাকা বাঙালিরা? নাকি সামন্ত প্রভুরা? ইতিহাস বলে ওরা ছিল সামন্ত প্রভুরাই? এইবার কথা হল এই সব আবাল বাঙালিদের দোষের প্রায়শ্চিত্ত হাজার হাজার আম বাঙালি করবে কেন? ওদের কি দোষ? আমাদের কি দোষ? স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে যারা বাস্তুচ্যুত হয়ে উঠে এসেছিলেন ওরা কারা? তাদের দেশ কোনটা? --- পূর্ববাংলা? স্বাধীন বাংলাদেশ? আসাম? মণিপুর? ত্রিপুরা? কাছার? সিলেট? ভারত? কোথায়? লাথি কোথায় না খেতে হয়েছে !

আর যাদের কথা বলছেন, যারা এইসব 'আন্দোলন ইত্যাদি' করেছে ওরা এই সব লাথি খাওয়া মানুষরাই। সামন্ত প্রভুরা এখানে অনুপস্থিত। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওরা নিজের ঘর সামলে নিয়েছে। কেটে পড়েছে, ভারতের অন্যত্র! আর শেষে যে আন্দোলনটার কথা বললেন, বাঙালিদের বিরুদ্দে আসামীদের সেই কুখ্যাত 'বঙ্গাল খেদা' আন্দোলন! তাকে কেন্দ্র করে যে অন্যায় নির্যাতন হয়েছে তার ইয়েত্তা নেই! সেই ইতিহাস কত জঘন্য তা আর নূতন করে বলার মতো নয়। কিন্তু সেই নির্যাতনের শিকার কারা? সেই সামন্ত প্রভু কতিপয় বাঙালি, নাকি হাজারো লাথি খাওয়া না ঘর-এর না ঘাট-এর বাঙালিরা?? কারা??

আসলে কি জানেন। দেশ ভাগ কিংবা বাংলাদেশের জন্ম। সবটাই গেছে এ অঞ্চলের বাঙালিদের বুকের উপর দিয়ে। নিজের দেশটা প্রথমে ভাগ হয়ে যেতে দেখল তারা, এরপর নতুন দেশটাও তাদের হল না, সেখানেও একটা লাথি। এরপর রিফিউজি হয়ে ভারত নামক দেশে আগমন বাঁচার আশায়! এখানেও লাথি! এই দেশ দিয়ে দিল যাযাবরের তকমা, আর এখানকার ভূমি পুত্ররা খুলে বসল নির্যাতনের নূতন দোকান! --------- আসলেই আমাদের দেশ কোনটা বলতে পারেন? আমি পারিনা!

দময়ন্তী এর ছবি

সামন্ত প্রভু তো আর মাটি ফুঁড়ে গজায় না, 'সাধারণ মানুষ'রাই ক্ষমতা পেয়ে আস্তে আস্তে এক একটি সামন্ত প্রভু হয়ে ওঠে৷ অসম চা বাগান অঞ্চলে তো সেটাই হয়েছিল৷ অমনি কম্পার্টমেন্টাইলাইজড হয়ে খুব একটা কিছু হয় না৷ যাই হোক নীচের মন্তব্যে আপনার উগ্র প্রতিক্রিয়া দেখে এই আলোচনায় উত্সাহ পাচ্ছি না৷

আপনার এই মন্তব্যের সাথে একমত নই এইটুকু জানিয়ে আপাতত বিদায় নিচ্ছি৷

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

তাপস শর্মা এর ছবি

জ্বী। ঠিক কথাই বলেছেন। সামন্ত প্রভুরা সাধারণ মানুষ থেকেই উঠে আসে, কিন্তু সেটাও দেখতে হবে সেই প্রভুরা কোন সময়ের সৃষ্টি। এবং ওদের কোন অংশটা কোথায় তাদের শেকড় গেড়েছিল।

যাই হোক আমার কোন কথা আপনাকে অনুৎসাহিত করেছে জেনে দুঃখিত হলাম। আর আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে।

ধন্যবাদ দিদি।

তানিম এহসান এর ছবি

হাসি

অনার্য সঙ্গীত এর মন্তব্যটায় সায় দিয়ে গেলাম।

তাপস শর্মা এর ছবি

চেষ্টা করব তানিম ভাই।

কাজি মামুন এর ছবি

বাংলা ভাষার তৃতীয় বলয়, মানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল আমার কাছে সবসময় কৌতূলের বিষয়! 'বরাক ভ্যালির বালুচরে কিংবা মণিপুরের ঘন অরন্যে অথবা ত্রিপুরার লংতড়াই পাহাড়ে' বাংলা ভাষাভাষিদের যে আখ্যান রচিত হয় বা উথলে উঠে জীবনের যে ঢেউ, তা নিশ্চিতভাবেই বৃহৎ বাংলা পরিমন্ডলের অনন্য সম্পদ! অথচ এই সম্পদ এখনো লুকোনো মানিকই রয়ে গেছে! সেই মানিকদের আরো পরিচয় যদি জানান তাপসদা, তাহলে কৃতজ্ঞ থাকব!
বরাক উপত্যাকার ভাষা শহীদদের আমার শ্রদ্ধা

তাপস শর্মা এর ছবি

চেষ্টা থাকবে মামুন ভাই।

ভালো থাকুন।

ক্রেসিডা এর ছবি

ভালো লাগলো লেখাটা অনেক তাপসদা।

__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ।

এবিএম এর ছবি

দাদা, এই ব্যাপারটা জানা ছিল না আমার । মন খারাপ
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখাটার জন্য। চলুক

তাপস শর্মা এর ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ। কোলাকুলি

কল্যাণ এর ছবি

ভালো লেখা। এদ্দিন কই ছিলা? আবার ডুব দিলা নাকি?

_______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

তাপস শর্মা এর ছবি

আছি তো আশেপাশে। এদিক ওদিক ইট্টু ঢুঁ মারতেই হয়, তাই একটু সময় ডুবে থাকি আরকি। তবে সত্যি বলতে সামান্য দৌড়ের উপর ছিলাম গত দু'সপ্তাহ। আবার ডুব দেওয়ার আগে তোমারে কইয়া যামুনে... হাসি
তোমার খপর কিতা? ঐ যে একটা টোপ মাইরা গায়েব হৈলা মিয়া আর তো লিখছ না। লিখ তাত্তারি।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

এই আন্দোলন সম্পর্কে শুনেছিলাম। কিন্তু বিস্তারিত পড়ার সুযোগ হয়নি। ইস্যুটা তুলে আনার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

তাপস শর্মা এর ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ নীড় দাদা।

ধুসর জলছবি এর ছবি

সেই ভাষার শ্রমিকদের সালাম। ভাষার সৈনিকদের সালাম। সেই ভাষার শহিদদের লাল সালাম।

শ্রদ্ধা
এই ব্যাপারটা সম্পর্কে জানতাম না। আরও বিস্তারিত করে লিখুন । অপেক্ষায় থাকলাম।

তাপস শর্মা এর ছবি

চেষ্টা করব!
ধন্যবাদ।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।