Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গল্প

একটি বিচ্ছেদ গল্প......

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ৩১/১০/২০১০ - ৩:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক.

অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমার সাথে আমার ডিভোর্সটা হয়েই গেল।ঘটনাটা যে ঘটবেই আর আমরা দু'জনের কেউই যে তা রুখতে পারবোনা তাতো একরকম নিশ্চিতই ছিল।তারপরও গভীর নদীর তীব্র স্রোতে ডু্বন্তপ্রায় মানুষ যেমন সামান্য খরকুটোও সামনে পেলে বাঁচবার আশায় তা আকড়ে ধরতে চায়, আমরা দু'জনেও সেরকম নিস্ফল ব্যর্থ একটা চেষ্টা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে।কিন্তূ না, শেষ ...


রাইনাসের সুর

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০৯/২০১০ - ৮:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

বুড়ো রাইনাস আজ বাঁজাবে। প্রায় এক শতাব্দীর স্বেচ্ছা-নির্বাসনের পর। সবুজ গ্রহের অধিবাসীরা আসছে বন্ধুত্বের বার্তা নিয়ে। তাঁদের সম্মানে বাঁজাবে রাইনাস। প্ল্যানেট ভরবিসে আজ তাই উৎসবের দিন।

নগরীর ধারে এক বাবা প্রাতঃভ্রমনে বের হলেন তার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে।
- বাবা, বুড়ো রাইনাস নাকি সবুজ গ্রহের অতিথিদের বাঁজিয়ে শোনাবে?
- হ্যাঁ মা। আমরাও শুনতে পাব। খুব খুশির একটা দিন মা।
- রাইনা ...


বিধ্বস্ত

সিরাত এর ছবি
লিখেছেন সিরাত (তারিখ: শনি, ২৮/০৮/২০১০ - ১০:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হ্যালো, আমি ডেভিড।

হাই, আমি ক্যামিল!

খুব অন্তরঙ্গ একটা পরিস্থিতি ছিল কিন্তু এটা।

কোনটা?

এই যে, আমরা সিগারেট ধরাতে একই আগুন ভাগাভাগি করলাম।

যদি আপনার মনে হয়। হাসি

তাই। আপনার কিছুই মনে হয় না?

হুঁম?

আমাদের হাত কিন্তু একজন আরেকজনেরটা প্রায় ছুঁয়ে গিয়েছিলো। খেয়াল করেননি বোধ হয়; আমি আপনার দিকে তাকালাম, আপনি আস্তে করে নিজের মাথা তুললেন। আমরা একজন আরেকজনের দিকে তাকালাম। কি জানি, জিন ...


অনিন্দ্য ও মনামীর জন্য গল্প : আন্ধা কুসুম অথবা ছৈলাবৃক্ষনামা

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১১/০৮/২০১০ - ৩:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

smallকাউখালিতে কাউ আছে। আর আছে রহিম।

--কাউ কেডা? গরু?

--উহু, গরু হৈব ক্যান। কাউফল। হলদে সিন্দুর। ভিতরডা লোদ লোদ। খাইলে টক—না খাইলে মিঠা। পুরা গেদেকম্বল।

--আর রহিম? রহিম বাদশা?

--রূপভান আইলে কুনহানে? উনি আব্দুর রহিম। আলেম। মোডা মোডা মেলা কিতাব লেখসেন । দ্যাখলে পিয়াস লাগে।

--আর কি?

--উনি জালেম। জামাতি। উনি কইছিলেন, সগোল সুমায় মানুষ মারণ গুণাহ না ...


মহসিন ঢালী; একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ গল্প

কাজী মামুন এর ছবি
লিখেছেন কাজী মামুন (তারিখ: রবি, ০৮/০৮/২০১০ - ১০:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“মানুষের মস্তিষ্ক প্রচন্ড ক্ষমতার অধিকারী। একটি মানুষ বহুপ্রতিভার অধিকারী হতে পারে। একটি উদহারন দিতে চাই। মার্কিন বিজ্ঞানী অ্যাডলম্যান একুশ শতকের কম্পিউটার জগতে চূড়ান্ত চমক আনতে চলেছেন। বিজ্ঞানর সব শাখাতেই ডঃ অ্যাডেলম্যান এক বিস্ময়। জীববিজ্ঞান থেকে গণিত শাস্ত্র,কম্পিউটার, রসায়ন, সবখানেই তার গবেষণার চমক। অ্যাডলম্যানের প্রিয় বিষয় হচ্ছে ভাবনা। তিনি ভাবতে খুব ভালবাসেন ...


শুয়াচান পাখি অথবা মাইক্রো ক্রেডিটনামা-- (দুই পর্ব একসঙ্গে)

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২০/০৭/২০১০ - ১১:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

............................................
প্রথম পর্ব--
............................................
কেউ রোদ কুড়ায়। কেউ ছায়া কুড়ায়। মাঝে মাঝে পাতা। কোন পাতা? আমপাতা জামপাতা-- বেনে বউ রূপকথা।। হি হি হি। জলকথা মলকথা। পদতল চুপকথা।। এরপর আকাশ। এরপর বাতাস। এরপর ধরনী, দ্বিধা হও গো মা জননী।এ প্রাণ রাখি কেমনে!

এইখানে এসে সুতো ফুরিয়ে গেছে। সুঁইটা চোখের সামনে ধরলে ফুটোর মধ্য দিয়ে দেখা গেল—বেলা বিলের মাঝখানে উঠে পড়েছে। দরিয়াবানু পাতিলের মধ্ ...


শুঁয়াচান পাখি-- পর্ব. এক

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৭/০৭/২০১০ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেউ রোদ কুড়ায়। কেউ ছায়া কুড়ায়। মাঝে মাঝে পাতা। কোন পাতা? আমপাতা জামপাতা-- বেনে বউ রূপকথা।। হি হি হি। জলকথা মলকথা। পদতল চুপকথা।। এরপর আকাশ। এরপর বাতাস। এরপর ধরনী, দ্বিধা হও গো মা জননী।এ প্রাণ রাখি কেমনে!

এইখানে এসে সুতো ফুরিয়ে গেছে। সুঁইটা চোখের সামনে ধরলে ফুটোর মধ্য দিয়ে দেখা গেল—বেলা বিলের মাঝখানে উঠে পড়েছে। দরিয়াবানু পাতিলের মধ্যে হাত দিয়ে বলল, ভাইগো, দুটো খুদ কুড়ো ফুটাই।
ততক ...


প্রথম গল্প : বেদনা কে ভাসায় রে

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৯/০৬/২০১০ - ১১:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কখনো লেখা হয় নি। লিখে কি লাভ? লেখা হলে প্রকাশের তাড়া থাকে। মাথার মধ্যে একটা যন্ত্রণা কাজ করে। আমার লেখক বন্ধুদের দেখেছি লেখা প্রকাশের জন্য কী দৌড়ঝাপ। লেখা মেইল করছে। সম্পাদকের কাছে ঘোরাঘুরি করছে। প্রেসে ছুটোছুটি করছে। বাপের পকেট মারছে। দোকানে দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিজ্ঞাপনের জন্য। ভয়ংকর দশা।
আমি একবার এক উঠতি সাহিত্য সম্পাদকের কাছে গেলাম। তিনি হাসি হাসি মুখে কথা বললেন। বলল...


আগুনে যখন পুড়ছি--

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৬/০৬/২০১০ - ১১:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার বাবা যেদিন মারা গেল সেদিনই আগুনের বিভূতি টের পেলাম। আমাদের চোখের সামনে বাবা একটু একটু আগুনে ভস্মিভূত হচ্ছে। আর আমাদের চোখ থেকে জল ঝরছে। তবু ধরে আছি অগ্নি শলাকা। ঘুরে ঘুরে বাবার মুখে ছুঁইয়ে দিচ্ছি। বলছি-- হে অগ্নি, আমার বাবাকে গ্রহণ কর। একটা জীবনের পাপ নাও। পূণ্য নাও। ভাল নাও। মন্দ নাও। পঞ্চভূতে মিলিয়ে দাও আমার বাবাকে। এই অগ্নিস্নানের মধ্য দিয়ে আমরাও পূনর্জাত হই।
এই তো আগু...


চৈত্র বিলাস এবং তিনি

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: সোম, ১২/০৪/২০১০ - ১০:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চৈত্র মাসের “কাট ফাটা গরম” কথাটা ব্যবহার করতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু সেটা করা যাচ্ছে না। এই দেশে চৈত্র মাস আসে না। এখানে আসে “সামার”। শীতের শেষে যখন গরম ওভারকোট থেকে শরীরকে বের করে আনতে শুরু করে সবাই, যখন সূর্যের তাপ জানিয়ে দেয় সে মধ্য গগনে রাজত্ব করতে মাস কয়েকের জন্যে হাজির হতে যাচ্ছে, যখন বিকিনি পরিহিতা সুতন্বীরা সমুদ্র সৈকতে তাদের শরীরের বক্ররেখাগুলো উন্মুক্ত করে লাস্যময়ী হাসি দিয়ে ছেলে বন্ধুক