ইস্কুলবেলার গল্প(২৬)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: রবি, ০৬/১০/২০১৩ - ৭:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তখন আমরা নতুন উঠেছি ক্লাস নাইনে। তখন রাজ্যের শিক্ষানীতি অনুসারে শিক্ষাবর্ষ একটু বদলে গেছে, বার্ষিক পরীক্ষা আর নভেম্বরে হয় না, হয় মার্চ-এপ্রিলে, রেজাল্ট বেরোয় মে মাসে। তারপরে নতুন ক্লাসে ওঠা। ভরা গরমের দিনে নতুন ক্লাস, আগেকার দিনের সেই জানুয়ারীর নরম শীতে নতুন ক্লাসে ওঠার মজা আর নেই। নতুন ক্লাসে কিছুদিন পড়াশোনা হয়ে গ্রীষ্মের ছুটি পড়লো। ছুটি ফুরালে যখন স্কুল খুললো তখন ক্লাসে এসে দেখা গেল বোর্ডে বড় বড় করে লেখা "গবিস্‌"। গবিস্‌!!!! এর মানে কী? কে লিখলো এটা? এটা কি বাংলাভাষার কোনো শব্দ? আমাদের চৌখোশ আর রসিক বন্ধুনি শ্রীতমা বললো এটা হলো গবেটের বহুবচন। সম্মিলিত হাসাহাসির পরে দ্রুত ঝোলানো বোর্ডটা উল্টে দেওয়া হলো। বোর্ডের পিছনের দিকে গবিস রয়ে গেল, সামনের দিকে দিদিমণিদের বোর্ডওয়ার্ক (অথবা কখনো ছাত্রীদের বোর্ডওয়ার্ক) চলতে থাকলো।

ক্লাস নাইন ছিল আমাদের বহু-আকাঙ্ক্ষিত ক্লাস, কারণ ঐ ক্লাসে ক্লাস-টিচার ছিলেন বনবাণীদি। এই দিদিমণির কাছে পড়ার জন্য আমরা অল্পবিস্তর সকলেই আগ্রহী ছিলাম। বনবাণীদি ইংরেজী পড়াতেন। ইংরেজী আর বাংলাসাহিত্যের নানাদিকে বেশ ভালোরকম পড়াশোনা ছিল ওঁর। পড়াতেনও চমৎকার। শুধু ক্লাস নাইনেই তো না, ক্লাস সিক্সে যখন প্রথম ইংরেজী পড়া শুরু হলো আমাদের, সেই ক্লাসেও বনবাণীদি ইংরেজীর ক্লাস নিতেন আমাদের সেকশনে।

আমাদের সময়ে রাজ্যের শিক্ষানীতি অনুসারে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত ইংরেজীর কোনো পাট ছিল না সরকারী ও সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত বাংলামাধ্যমের স্কুলে স্কুলে। অবশ্য অনেক ইংরেজী-মাধ্যম প্রাইভেট প্রাইমারি স্কুল ছিল, সেখানে যারা পড়েছে তারা ইংরেজীতেই পড়েছে বটে। কিন্তু সে আবার ছিল আরেক মেরু। সেখানে সব বিষয়ই ইংরেজীতে পড়ানো হতো, শুধু বাংলার একটা ক্লাসে বাংলা। এ থেকে যারা পরে এসে সেকেন্ডারি স্কুলে ঢুকলো তাদের মানসিক অবস্থা কী হলো সে আমরাই বা বুঝবো কী করে?

আমরা যারা বাংলা মাধ্যমের, তারা প্রথম ইংরেজী বই পেলাম ক্লাস সিক্সে, বইয়ের নাম লার্নিং ইংলিশ। কিন্ডারগার্টেনে শেষ ইংরেজী পড়ে আসার পরে এই প্রথম। কী অদ্ভুত প্রহসনের মতন ব্যাপার! এই লার্নিং ইংলিশ বইয়ে গ্রামার টামার কিছুই ছিল না, কিছু কিছু ইংরেজী গল্পের অংশ আর কথোপকথন এইসব ছিল। বহুলোকে খুব খাপ্পা হয়ে গেছিলেন, এইভাবে আমাদের সর্বনাশ হচ্ছে বলে। ঐ বইকে তারা বলতেন বার্নিং ইংলিশ। এইভাবে আমরা কিছুতেই ঐ নতুন ভাষা শিখতে পারবো না ভালো করে লিখতে পারবো না-এই আশংকা ছিল। আশংকার কারণ ও ছিল, সত্যিই আমাদের ইংরেজী তেমন কিছুই শেখা হচ্ছিল না। আসলে যে পদ্ধতিতে শেখানোর কথা ছিল, সেটা অনুসরণ করা হচ্ছিল না প্রায় কোথাওই। শিক্ষিকারা সবাই আগের ব্যাকরণ-নির্ভর ভাষাশিক্ষার আমলের মানুষ, তাই এই নতুন পদ্ধতি তাঁদেরও বিশেষ সুবিধার মনে হচ্ছিল না।

আসলে ঐ বইয়ের নেপথ্যে ধারণা ছিল সরাসরি কথা শোনা আর বলার মধ্য দিয়ে ভাষাটা শেখা, শুকনো ব্যাকরণ পড়ে পড়ে নয়, বা শুধু লিখিত গদ্য পড়ে পড়ে নয়। ক্লাস সিক্সেই এটা আমাদের বনবাণীদি বুঝিয়েছিলেন, ক্লাসে ছোটো ছোটো গ্রুপ তৈরী করে ইংরেজী বলানোর চেষ্টাও উনি করিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ অবধি আর ঐ সৎ উদ্দেশ্য পূরণ হয় নি। মুখস্থনির্ভর শিক্ষা আর পরীক্ষার তাড়নার মধ্যে সমস্ত নতুন ধরণের চেষ্টাই বন্যায় ভেসে যায়।

তাই নাইনে উঠে আমরা দেখতে পাই ঐ নোট নিয়ে নিয়ে মুখস্থ করা টাইপ জিনিসই চলছে, এমনকি গোটা রচনা অবধি মুখস্থ করানোর ব্যবস্থাও দেখা যাচ্ছে। নিজে নিজে কিছু লেখার চেষ্টা একেবারে নো নো। কারণ ঐ করতে গিয়ে যদি নম্বর কম হয় মাধ্যমিকে? তখন তো টিউটরদের ঘাড়ে দোষ পড়বে।

ক্লাস নাইন থেকেই প্রাইভেট টিউটরদের কাছে যাওয়া প্রায় মাস্ট হয়ে গেল, অন্য বিষয়ে না হলেও ইংরেজী আর অংকের জন্য প্রায় স্বতঃসিদ্ধের মতন হয়ে গেল। অনেকে স্কুল ছুটির পরে স্কুল থেকেই সোজা প্রাইভেট পড়তে চলে যেত দল বেঁধে। কাছাকাছি বাংলা বয়েজ স্কুলের একজন জীববিজ্ঞানের শিক্ষকের প্রাইভেট পড়ানো ছিল খুবই বিখ্যাত, তাঁর নোট আর সাজেশন নাকি একেবারে মোক্ষম, তাই বহু ছেলেমেয়ে ওঁর কাছে পড়তে যেত।

"অন্বেষা, তোর মনে আছে সেই বিকেলের ব্যাচে আমাদের ঐ বায়োলজি স্যর এর কাছে পড়তে যাওয়ার কথা? তুই অবশ্য ওঁর কাছে পড়তিস না। তেমাথা মোড়ে তুই সাইকেল চালিয়ে তোর বাড়ীর দিকে চলে যেতিস আর আমরা সব ঐ স্যরের বাড়ীর দিকে।" আমি পকোড়ায় কামড় দিয়ে হাসতে হাসতে বলি।

অন্বেষার ওখানে সেদিনের গেট-টুগেদারের পরে আবার এই দেখা, আজ অবশ্য আমি একাই। পুরানো স্কুলের জন্য সেই ফান্ড রেইজিং এর ব্যাপারটা আর খুব বেশী এগোয় নি এখন অবধি। তবে ভবিষ্যতে হতেও পারে, আশা ছাড়া কখনোই উচিত না।

আজকে সাপ্তাহান্তিক ছুটির দিনে এমনিই দেখা করতে নেমন্তন্ন করেছিল অন্বেষা। আসলে সামনেই আমাদের একটা ছোটো ট্রিপ নেবার পরিকল্পনা আছে কিনা! ওর বানানো পকোড়া আর গরম চা খেতে খেতে গল্প করতে করতে অবধারিতভাবে উঠেছে স্কুলবেলার কথা, দুইজনেই আবার ডুবে গেছি স্মৃতিচারণে।

(চলমান)


মন্তব্য

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

চলুক

মুখস্থ বিদ‌্যা আমাদের কাছ থেকে আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা কেড়ে নিয়েছে। ছোটবেলায় খুব অংক ভয় পেতাম। অথচ বড়বেলায় এসে বুঝলাম এর মধ্যে কত মজা লুকিয়ে আছে! তখন মনে হচ্ছিল ইস, ছোটবেলায় যদি এভাবে কেউ একটু বুঝিয়ে দিত তাহলে কত ভালো হত!

লেখা ভালো পেলাম দিদি।

____________________________

তুলিরেখা এর ছবি

ধন্যবাদ প্রোফেসর হিজবিজবিজ।
ঠিক বলেছেন, আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষার ধারণাটাই হারিয়ে গেছে আমাদের থেকে, তাই শিক্ষার আসল উদ্দেশ্যটাও হারিয়ে গেছে।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

এক লহমা এর ছবি

তুলি দিদি গো, আরো লেখো না কেন এমন লেখা! এ লেখাও এত তাড়াতাড়ি থামাতে হয়! এমন লেখা পড়ার জন্য যে আকুল হয়ে বসে থাকি!

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

তুলিরেখা এর ছবি

ধন্যবাদ এক লহমা।
ইচ্ছে আছে লিখবো এখন থেকে এই সিরিজটা নিয়মিত। আসলে নানাকারণে সময় হয়ে ওঠে না।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক
ইসরাত

তুলিরেখা এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার স্কুলবেলার গল্পগুলো এতোই সাবলীল যে, মনে হয় আমারই গল্প। যদিও আমরা একই জেন্ডারের নই তারপরও স্কুলগুলোতো একইরকম। সেই চক, ডাষ্টার, ব্ল্যাকবোর্ড, সিটবেঞ্চ, হাইবেঞ্চ, রোলকল, বেত আর সারি সারি জ্বলজ্বলে চোখ।

ভালো থাকবেন তুলিরেখাদি।
পরের পর্বের জন্য বেশী দেরী যেন না হয়।

------------------------------
কামরুজ্জামান পলাশ

তুলিরেখা এর ছবি

আসলেই আমাদের স্কুলের দিনগুলোতে অনেক জায়গায় মিল আছে। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

ঐ যে বলে না, ভাষা শুদ্ধরূপে 'বলিতে', 'লিখিতে''পড়িতে' পারা যায়! বাস্তবে কিন্তু তার কিছুই হয় না। না বাংলায়, না ইংলিশে। 'বলিতে', 'লিখিতে' ও 'পড়িতে'র আগে 'শুনিয়া বুঝিতে পারা'র ব্যাপারটা থাকা দরকার ছিল। সেটা না থাকায় আমরা কথা শুনেও কিছু বুঝি না।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যেভাবে ভাষা শিক্ষা দেয়া হয় তাতে 'বলা'র ব্যাপারটা একেবারেই থাকেনা, সেটার ওপর কোন পরীক্ষাও হয় না। ফলে আমরা আর ভাষা শুদ্ধ করে বলতে পারি না। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বলার মতো 'পড়া'র ব্যাপারটাও নেই (এবং তার ওপর পরীক্ষাও নেই) বলে আমাদের মধ্যে পড়ার ব্যাপারটাও নেই। তাহলে হাতে রইল কেবল 'লেখা'। ক্রিয়েটিভ রাইটিং ব্যাপারটা আমাদের ব্যবস্থায় না-পছন্দ বলে 'উচ্চ নম্বরের সিঁড়ি' জাতীয় গাইড বই, নোট বইয়ের ব্যবসা প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে রমরমা।

তাই বছরের পর বছর বাংলা দুই পেপার, ইংলিশ দুই পেপার, আরবী/সংস্কৃত এক পেপার পড়েও আমরা বাংলা/ইংলিশ/আরবী/সংস্কৃত কোন ভাষাই জানি না।

আমাদের ভাষা শিক্ষকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই - তারা ছাত্রাবস্থায় একই পদ্ধতির শিক্ষা পেয়েছিলেন। বিদ্যমান ব্যবস্থার আগাগোড়া পাল্টানোর মতো মানসিকতা শিক্ষা বিভাগের কর্তাদের থাকে না। সংসদীয় কমিটি আর মন্ত্রী মহোদয়দের কথা আর নাইবা বললাম। এই ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য যীশুখৃষ্টের পুনরাবির্ভাব ধরনের ঘটনা ছাড়া আর কোন উপায় দেখছি না।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

তুলিরেখা এর ছবি

যা বলেছেন। একেবারে শুকনো কেঠো ধরণের সবকিছু। ভাষাশিক্ষাই বলুন, সাহিত্যই বলুন আর বিজ্ঞানশিক্ষাই বলুন, কোনো মুক্ত চিন্তার আবহ নেই, প্রশ্ন করতে পারার জায়গা নেই, নতুন ধরনের ভাবনার কোনো পুরস্কার নেই বরং তার উল্টোটা আছে। পুরো ব্যাপারটা হয়ে দাঁড়িয়েছে মুখস্থ করে উগরে দাও ফাইনাল পরীক্ষায়, ব্যস তারপরে বেরিয়ে যাও ক্লীন, আর কিছু মনে রাখার দরকার নেই। ভালো নম্বর নিয়ে বেরিয়ে কোনোরকমে মোটাটাকার একটা চাকরি বাগাতে পারো তো কাফি, নাহলে সব বৃথা।
খুব ভয়ের ব্যাপার, আমাদের চিন্তাভাবনার শক্তিকে কেড়ে নিচ্ছে, তার ফলে নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে পারিনা আমরা, অন্যেরা গুগল বানায়, ফেসবুক বানায়, সারা দুনিয়া জুড়ে এইসব ছড়িয়ে পড়ে, আমরা বড়জোর শুধু মেইনটেনান্স সার্ভিস দিতে পারি।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

অতিথি লেখক এর ছবি

আমাদের শিক্ষার সিস্টেমটা এখনো চেইঞ্জড হলো না তেমন! ভালো লিখেছেন আপু।

-নিয়াজ

তুলিরেখা এর ছবি

হ্যাঁ, কোনো পরিবর্তন নেই। কবে যে ভালোর দিকে একটা পরিবর্তন হবে কেজানে!

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

গান্ধর্বী এর ছবি

বেশ ভালো লাগলো দিদি চলুক

গান্ধর্বী

তুলিরেখা এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ গান্ধর্বী ।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

ছেলে হোক আর মেয়েই হোক স্কুলের দিনগুলোর গল্প বোধহয় সবার প্রায় একই রকম হয়।
সেই সব দিনগুলোর কথা স্মরন করিয়ে দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

তুলিরেখা এর ছবি

উহুঁ, সবার স্কুলের গল্প মনে হয় একরকম নয়। এটা পাতি মধ্যবিত্ত স্কুলের গল্প, কচু-ঘেঁচু খাওয়া ছেলেমেয়েদের গল্প, দেয়ালে ফাটলা ধরা ক্লাসঘরের গল্প, ধূলাভরা বন্ধ লাইব্রেরীর গল্প, ইংরেজী বলতে গেলে হোঁচট খাবার গল্প, রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠাণের গল্প।
যারা বড় বড় সাহেবী কেতার স্কুলে পড়েছে, তারা তো ছোটো থেকেই ফটফটিয়ে ইংরেজী বলতো, চিকেন কেইসাডিয়া দিয়ে টিফিন করতো আর এলভিস প্রিসলি, মাইকেল জ্যাকসন শুনতো। তারা আমাদের এই রুটি তরকারি দিয়ে টিফিন করতে করতে "গাঙের জোয়ার এলো ফিরে তুমি এলে কই" গান করার গল্পকে ভারী অদ্ভুত ভাববে। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

হ্যাঁ, তাইতো। ইংরেজী মাধ্যমওয়ালা স্কুলের কথা ভাবিনিতো। আমিও ছোটবেলায় মফস্বল শহরের সরকারী স্কুলেই পড়েছি। আমাদের বন্ধু-বান্ধবরা অধিকাংশই মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত এমনকি নিম্নবিত্তেরও ছিল। তাইতেই বলছিলাম........।

তুলিরেখা এর ছবি

সেইজন্যেই মিল পেয়েছেন এত। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

তুলিরেখা এর ছবি

দেঁতো হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।