খনার সন্ধানে

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ০১/০৪/২০১৯ - ৭:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খনাকে নিয়ে বহুদিন থেকে কৌতূহল। সেই ছোটোবেলা থেকে খনার বচন আর খনার বিষয়ে নানারকম কিংবদন্তী শোনার সময় থেকেই। খনার বচন নামে প্রচলিত ছোটো ছোটো দ্বিপদী কবিতা, যা নাকি আবহাওয়া, চাষবাস, শুভযাত্রার গণনা ইত্যাদি নানাধরণের ব্যাপারের সঙ্গে জড়িত, সেই দ্বিপদীগুলো খুব চমৎকার লাগতো।

"যদি বর্ষে মাঘের শেষ/ ধন্য রাজার পুণ্য দেশ" (মাঘমাসের শেষে বর্ষণ দেশের পক্ষে খুব শুভফলদায়ী, সম্ভবতঃ কৃষিকাজের সুবিধার কথা ভেবেই হয়তো এটা বলা। )
"দূর শোভা নিকট জল/ নিকট শোভা দূর জল" (চাঁদকে ঘিরে গোল শ্বেতাভ বৃত্ত দেখা গেলে তাকে বলে চন্দ্রশোভা। এই বৃত্তের আকার বড় হলে বৃষ্টি আসন্ন, ছোটো হলে বৃষ্টি হবে না। )
"ভরা হতে শূন্য ভালো যদি ভরতে যায়/ আগে হতে পিছে ভালো যদি ডাকে মায়"(জল ভরতে যাচ্ছে খালি কলসী নিয়ে, এই ক্ষেত্রে ভরার চেয়ে শূন্য ভালো। এমনিতে যদিও খালির চেয়ে ভরা ভালো। পিছু ডাকা এমনিতে ভালো নয়, কিন্তু যদি মা পিছু ডাকে, তাহলে ভালো।)
"কলা রুয়ে কেটো না পাত/ তাতেই কাপড় তাতেই ভাত" (কলাগাছ লাগিয়ে পাতা কাটা উচিত না, বাড়তে দিতে হবে, যাতে মোচা আসে, কলা হয়। তাতে অনেক বেশি লাভ। পরে কলা নামিয়ে নিলে তো পাতাসমেত গোটা গাছই (ভাড়ালিও) পাওয়া যাবে। )
"কচুবনে ছড়ালে ছাই/ খনা বলে তার সংখ্যা নাই"(কচু ক্ষেতে ছাই ছড়াতে হবে, অসংখ্য ভালো কচু পাওয়া যাবে।)
"মঙ্গলে ঊষা বুধে পা/ যথা ইচ্ছা তথা যা" (ঊষাকালে মঙ্গলগ্রহ আর সন্ধ্যাবেলায় বুধগ্রহ দেখা গেলে সেই সময় যাত্রা শুভ । )
"স্বর্গে দেখি কোদাল কোদাল মধ্যে মধ্যে আইল /ভাত খাইয়া লও শ্বশুরমশায়, বৃষ্টি হইবে কাইল।"(আকাশে কোদালে-কুড়ুলে মেঘ, মধ্যে মধ্যে আবার আলের মতন ফাঁক ফাঁক। বৃষ্টির সময় কাছিয়েছে। রাজদরবারের জ্যোতিষী বরাহমিহির বৃষ্টি কবে হবে এই গণনায় এত চিন্তিত আর উদ্বিঘ্ন যে খাওয়াদাওয়া ভুলেছেন। খনা শ্বশুরমশাইকে আশ্বস্ত করছেন, ভাত খেয়ে নিন বাবা, চিন্তার কিছু নেই, বৃষ্টি হবে আগামীকাল। )

এইসব কবিতাগুলো নাকি মুখে মুখে রচনা করতেন খনা নামে এক জ্যোতির্বিদ, জ্যোতিষী ও কবি মহিলা, যিনি আসলে যে কে, কোথায় ছিলেন, কেউই ঠিক করে বলতে পারে না। কোনো গল্পে শোনা যায় তিনি বঙ্গভূমির দেউলিয়া (অধুনা চব্বিশ পরগণার চন্দ্রকেতুগড়) গ্রামের কন্যা, অটনাচার্যের মেয়ে। কোনো গল্পে শোনা যায় তিনি উড়িষ্যার মেয়ে, আসল নাম লীলাবতী। কোনো গল্পে শোনা যায় তিনি সিংহলের রাজকন্যা,শুভক্ষণে জন্মেছিলেন বলে নাম হয়েছিল ক্ষণা । পরে মুখে মুখে ক্ষণা থেকে খনা হয়ে যায় । কোনো গল্পে শোনা যায় তিনি বরাহমিহিরের পুত্রবধূ । বিক্রমাদিত্যের রাজসভায় যে নবরত্ন ছিলেন, সেই নবরত্নের একজন যে বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ ও জ্যোতিষী বরাহমিহির, সেই তিনিই নাকি এই খনার শ্বশুরমশাই । সেই ক্ষেত্রে অবশ্য খনাকে উজ্জ্বয়িনীতে( বর্তমান মধ্যপ্রদেশ) থাকতে হয় । সব গল্পেই অবশ্য শেষটা মিলে যায়, জিভ কেটে ফেলে খনার মৃত্যু হয় । প্রতীকী কিনা তাই বা কেজানে ।

মুশকিল হল গল্পগুলো সব জোড়া দিলে সময়কালের দিশা পাওয়া কঠিন । খনা যদি বিক্রমাদিত্যের(দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের) নবরত্ন সভার একজন রত্ন বরাহমিহিরের পুত্রবধূ হন, তবে তিনি গুপ্তযুগের মানুষ । এদিকে অনেক জায়্গাতেই বলছে ৮০০ থেকে ১২০০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে যেকোনো সময় তাঁর সময়কাল হতে পারে। খুবই জটিল অবস্থা।

চন্দ্রকেতুগড়ে "খনা মিহিরের ঢিবি" বলে পরিচিত একটা প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ আছে। প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখননের ফলে সেখান থেকে অনেক কিছু পাওয়া গিয়েছে, বহু প্রত্নতাত্ত্বিকের মতে জিনিসগুলো গুপ্তযুগের। কিন্তু যেকোনো কারণেই হোক, এই প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা খুব একটা এগোয় নি, হয়তো ফান্ডিং এর অভাবে। (প্রসঙ্গতঃ প্রখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় হরপ্পা মহেঞ্জোদাড়ো র উৎখনন কার্যের আগেই এই চন্দ্রকেতুগড়ের প্রত্নস্থল আবিষ্কার করেন ও জায়্গাটিতে উৎখননে উৎসাহী ছিলেন। কিন্তু দেখাই যাচ্ছে যে সেই কাজ সেভাবে হয় নি, ওঁর হরপ্পা মহেঞ্জোদাড়োর কাজ যেভাবে প্রচার ও অর্থসাহায্য পেয়েছে, তার কিছুমাত্রও এই চন্দ্রকেতুগড়ে হয় নি ) চন্দ্রকেতুগড়ে কাজ হলে হয়তো খনার সময়কাল ও কার্য্যকলাপ বিষয়ে নতুন করে আলোকপাত হতে পারে। হয়তো প্রতিষ্ঠিত হল, যে খনা সত্যিই দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলের মানুষ, আর বাংলায় হয়তো অবজার্ভেটরি তৈরী করেছিলেন রাজার নির্দেশে ও আর্থিক সহায়তায়। সেই সঙ্গে গুপ্তযুগে বাংলার রাজনৈতিক- সামজিক-আর্থিক অবস্থা কীরকম ছিল, হয়তো সেই ব্যাপারেও জানা যাবে নতুন কিছু।

তাই ভাবলাম সচলায়তনে লিখি, হয়তো কেউ বিস্তারিত সন্ধান দিতে পারবেন।


মন্তব্য

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি

বরাহমিহির চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের রাজদরবারের সুপ্রসিদ্ধ একজন পণ্ডিত ছিলেন, কিন্তু বঙ্গীয় প্রবাদ অনুসারে খনার জীবনে বরাহ এবং মিহির ভিন্ন ভিন্ন ব্যাক্তি; একজন তার শ্বশুর, অন্যজন স্বামী। সে কারনে পণ্ডিত বরাহমিহির যদি কোন সময় উজ্জয়িনি থেকে বাংলায় এসেও থাকেন এবং তার স্ত্রী কিংবা পুত্রবধু খনা যদি বাংলায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেও থাকেন, তবুও তার পক্ষে বাংলা ভাষায় এইসব অমূল্য বচন রচনা করার সম্ভাবনা সুদূর পরাহত, কারন ২য় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকাল ছিল ৪র্থ শতকের শেষাংশ থেকে ৫ম শতকের শুরুর দিকে, বাংলা ভাষা বলে যখন কোন কিছুই ছিল না। ৮ম থেকে ১২শ সালের মধ্যে কোন এক সময় খনার বচনের আদি শ্লোকগুলো রচিত হয়ে থাকতে পারে বলে পণ্ডিতগণ অনুমান করেন। তবে এতে অনেক শ্লোকই প্রক্ষিপ্ত এবং তা হয়েছে বেশ পরে। সে কারনে শ্লোকগুলোর ভাষায় কালগত পার্থক্য বেশ স্পষ্ট। খনা বলে বিশেষ কেউ একজন হয়ত আসলেই ছিলেন এবং তার পিতার নাম অটন- "আমি অটনাচার্য্যের বেটি। গণতে গাঁথতে কারে বা আঁটি(ভয় করি)।।"। খনার বচনের সূচনা অবশ্যই বৌদ্ধ যুগে, কারন তৎপরবর্তী সেন যুগে দেবতাদের প্রশস্তি না গেয়ে কোন কিছু রচিত হতে দেখা যায় না, যেটা খনার বচনে লক্ষণীয় ভাবে অনুপস্থিত। তবে বাংলায় মিহিরকুল বলে বিশেষ এক ব্রাম্মন কূল ছিল, তাদের মধ্যে বরাহ নামীয় কেউ তার স্বামী বা শ্বশুর হয়ে থাকতেও পারেন। নিচে খনার বচনের একটি প্রথম দিকের রচিত শ্লোক ও অন্য দুটি পরবর্তী যুগের শ্লোক সন্নিবেশিত হল-

১। আষাঢ়ে কাড়ান নামকে।
শ্রাবণে কাড়ান ধানকে।।
ভাদরে কাড়ান শীষকে।
আশ্বিন কাড়ান কিসকে।।
(এটা প্রথম দিকের রচনা, ভাষা অনেকটাই দুর্বোধ্য)

২। খাটে খাটায় লাভের গাঁতি।
তার অর্দ্ধেক কাঁধে ছাতি।।
ঘরে বসে পুছে বাত।
তার ভাগ্যে হা ভাত।।
(মর্ম- মজুরের সাথে যে নিজেও পরিশ্রম করে, তার লাভ পূর্ণ লাভ, যে শুধু মজুর খাটায়, নিজে পরিশ্রম করে না, তার লাভ অর্ধেক, আর যে ঘরে বসে নির্দেশ প্রদান করেই ক্ষান্ত থাকে, তার অন্ন জোটে না)।

৩। যদি বরে আগনে।
রাজা যান মাগনে।।
যদি বরে পৌষে।
কড়ি হয় তুষে।।
যদি বরে মাঘের শেষ।
ধন্য রাজা পুন্য দেশ।।
যদি বরে ফাগুনে।
চিনা কাউন দ্বিগুণে।।
* বরে=বর্ষে
(রাজা যায় মাগনে, অর্থাৎ ফসল কম হওয়ায় রাজাকে ধান কর্জ করতে যেতে হয়। কড়ি হয় তুষে অর্থাৎ ধান এত বেশী হয় যে তার তুষ বিক্রি করেই অর্থ উপার্জন হয়)

তুলিরেখা এর ছবি

আপনার বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। কিছু অল্প-শোনা খনার বচনের সন্ধান দিলেন, তার জন্য আরো ধন্যবাদ। বৌদ্ধ যুগে বলতে কি পাল যুগের কথা বলতে চেয়েছেন? মানে পালরাজাদের সময়ের কথা? বৌদ্ধযুগ বলতে বুদ্ধের সময়কাল হলে তো সে বহুকাল আগের কথা, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি

সেন যুগ পূর্ববর্তী বৌদ্ধ যুগ, অর্থাৎ বাংলারা বৌদ্ধ যুগ, অর্থাৎ পাল যুগ। দেঁতো হাসি

মন মাঝি এর ছবি

চলুক চলুক

****************************************

মন মাঝি এর ছবি

সচল ষষ্ঠ পাণ্ডব কৈ?

****************************************

তুলিরেখা এর ছবি

হ্যাঁ, সচল ষষ্ঠ পান্ডবের অপেক্ষায় আছি তো আমিও। কিন্তু তিনি কোথায়?

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মন মাঝি এর ছবি

কে জানে! তবে আব্দুল্লাহ ভাইই অনেকখানি জবাব দিয়েছেন ---

****************************************

তারেক অণু এর ছবি

জানতে আগ্রহী-

তুলিরেখা এর ছবি

হ্যাঁ, আমিও জানতে আগ্রহী। খনাকে নিয়ে প্রবাদ, গল্প, ইতিহাস, কিংবদন্তী সব কিছু এমনভাবে জট পাকিয়ে আছে, যে এর থেকে সত্যিকার ঘটনা নির্ণয় করা খুবই কঠিন।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

নজমুল আলবাব এর ছবি

খনাকে নিয়ে ঢাকায় একটা মঞ্চ নাটক হয়েছে।

তুলিরেখা এর ছবি

আরে বাহ, তাই নাকি? নাটকটার লিংক থাকলে দেখতে পেতাম।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

এক লহমা এর ছবি

ভাল লাগল। আশা করি আরো মন্তব্য আসবে।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

তুলিরেখা এর ছবি

আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনি খনা বিষয়ে কিছু আলোকপাত করতে পারেন? কোনো ইতিহাসের টুকরো বা কোনো কিংবদন্তী?

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মন মাঝি এর ছবি

****************************************

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি

এই জ্যোতিষ বাবাজিও যথারীতি একপ্রস্থ গাঁজাখুরি গালগল্প শুনিয়ে গেলেন। প্রথম কথা চন্দ্রকেতু গড়ে দুটি অনুরুপ ঢিবি পাওয়া গেছে বটে এবং সেই প্রত্ন নিদর্শন গুলো গুপ্ত যুগের বলে অনেকে অভিমত প্রকাশ করেছেনও বটে, তবে সেগুলো যে চন্দ্রগুপ্তের নবরত্নদের একজন বরাহ এবং তৎপুত্র মিহিরের, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার কোন উপায় নেই। গল্প অনুযায়ী বরাহ তাঁর পুত্র মিহিরকে সমুদ্রজলে ভেলায় ভাসিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই ভেলা ভাসতে ভাসতে সিংহল দ্বীপে গিয়ে পৌঁছে। সেখানেই এক পরিবারে বরাহ বড় হন এবং খনা নাম্নী এক ক্ষণজন্মা নারীকে বিয়ে করে তাকে নিয়ে ভারতে চলে আসেন। ভারতে এসে পিতৃভূমি উজ্জয়িনিতে(মধ্যপ্রদেশে) না গিয়ে গেলেন প্রাগজ্যোতিষপুরে(আসামে)। খনা সিংহল কন্যা হলেও অতি দ্রুত বাংলা ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করলেন এবং সে ভাষায় কালজয়ী সব শ্লোক রচনা করলেন। এইখানেই এই গল্পের সবচেয়ে বড় অসংগতি। খনা যদি ঐতিহাসিক চরিত্র বরাহমিহিরের পুত্রবধু হয়ে থাকেন, তাহলে সেটা চতুর্থ-পঞ্চম শতকের ঘটনা। তখন বাংলা ভাষার জন্ম হয় নি, তাই বাংলা ভাষায় শ্লোক রচনা করার জন্য খনাকে আরও কয়েকশ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এই খনা শুধু ক্ষণজন্মাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অকল্পনীয় দীর্ঘায়ু সম্পন্না এক নারী। তাঁর আয়ু ছিল কম করে পাঁচশ বছর, এমনকি তা আটশ বছরও হতে পারে। ভাবা যায়?

মন মাঝি এর ছবি

****************************************

রণদীপম বসু এর ছবি

বহুকাল আগে মনে হয় একটু চেষ্টা করেছিলাম। চেখে দেখতে পারেন এখানে।।।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।