সঞ্জীব'দা

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: শনি, ০১/১২/২০০৭ - ৬:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সঞ্জীব'দা। সঞ্জীব চৌধুরী। হাল্কা পাতলা এক হারা গড়নের গুম্ফধারী লোক। মাথায় গোঁফের সাথে মানানসই এলোমেলো চুল। এবং অতি অবশ্যই, গোঁফের নীচে মেঘের আড়াল থেকে ওঠা এক ফালি চাঁদের মত অনাবিল এক টুকরো হাসি।

এই লোকটির সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি। তার সাথে আমার পরিচয় খবরের কাগজের পাতায়। তখন তিনি 'ভোরের কাগজে' কাজ করছেন। ছোটদের পাতা দেখা শোনা করেন। যে কারনে তার সাথে পরিচয় হল, সেটা হল ---- কবিতা।

খুব ঝরঝরে ভাষায় লেখা। ছোট ছোট বাক্যে সাজানো। ঠিক যেন তাঁর অবয়বটির মত অমায়িক, সংযত। আমি কবিতা ঠিক বুঝিনা। কিন্তু সেইটা স্বীকার করতে আমার আবার বাঁধে। কাজেই প্রতি শুক্কুর বার সাহিত্য পাতা খুলে নানান লোকের কবিতা পড়ি। নিজের লেখা 'কবিতা' গুলোর দিকে তাকিয়ে হা-হুতাশ করি। কেন যে ব্যাটা সম্পাদক আমার মত 'প্রতিভা'-র মুল্য বুঝছে না! তখন আমার জীবনের লক্ষ্য ছিল দুইটা। প্রেমে পড়া ও কবিতা লেখা(আসলে কবিতা লেখার চেয়ে, কবি তক্‌মাটার প্রতি লোভ ছিল বেশি)। সঞ্জীব'দা-র কবিতাটা হঠাৎ করেই চোখে পড়ে যায়। কিছুক্ষন মুহ্যমানের মত বসে রইলাম ঐ পাঁচ-ছ লাইনের কবিতা পড়ে। আমি আগেই স্বীকার করে নিয়েছি যে আমি কবিতার মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝিনা। সালভাদর দালি'র ছবি আর কবিতা আমার কাছে একই রকম দুর্বোধ্য, রহস্যময় কিন্তু সেই সাথে প্রচন্ড আকর্ষনীয়।

সঞ্জীব'দা-র সেই কবিতা পড়ে আমি বুঝলাম, এ এক অন্যস্তরের জিনিস। এইটা এক ধরনের 'অলৌকিক আনন্দের ভার/ বিধাতা যাহারে দেন/ তাঁর বক্ষে বেদনা অপার'। শুধু সাধনায় এই বস্তু হাতে ধরা দেয় না। এই 'জিনিস'টি নিয়ে জন্মাতে হয়।

সঞ্জীব'দা সেই 'জিনিস'টি প্রচুর পরিমানে সাথে নিয়েই এসেছিলেন। আর সেইটা প্রতিভাত হয়েছে কেবল তার উচ্ছল জীবনাচরনে নয়, তাঁর গান বাধা , গান গাওয়া সহ আরো বহু সৃষ্টিশীল কাজে। বস্তুতঃ সঞ্জীব'দা আমাকে চমকে দেন বাপ্পা মজুমদারের সাথে জোট বেঁধে 'দলছুট' ব্যান্ডটি গঠন করে। আমি সঙ্গীতের ক্ষেত্রে নিজেকে 'শুদ্ধতা বাদী' ভাবতে পছন্দ করতাম (যদিও পরবর্তিতে আমি বুঝতে শিখেছি যে, এইটা এক ধরনের 'অন্ধত্ব' ছাড়া কিছুই নয়)। কাজেই ব্যান্ড সঙ্গীতের কথা শুনলেই নাক কুঁচকানোটা আমার প্রায় অভ্যাসের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। 'দলছুট' আমাকে একটা 'অনুপেক্ষনীয়' সন্ধি-প্রস্তাব দিল। চমৎকার বাণী আর সহজিয়া সুর প্রথমেই দলছুট কে সমসাময়িক ব্যান্ডগুলো থেকে আলাদা করে দিয়েছিল। তাদের প্রথম এলবামটির নাম ছিল 'আহ্‌'। আহা, আসলেই একটি দুর্দান্ত প্রকাশনা। 'সাদা ময়লা রঙ্গিলা পালে/ আউলা বাতাস খেলে' কিংবা সঞ্জীব'দা-র কন্ঠে 'আমার ভাল্লাগে না, ভাল্লাগে না মনের অসুখ' ,'ইয়াসমীন' ---- এক প্রানময় পসরা। 'সাদা ময়লা' গানটির লিরিক্স আমাকে মুদ্ধ করে দিল।

এই মুগ্ধতার রেশ কাটতে না কাটতে দলছুট ফিরে এলো 'হৃদয়পুর' নিয়ে। খুব সম্ভবত দলছুটই প্রথম ব্যান্ড যারা বাউল শাহ আব্দুল করিমের গান নিয়ে কাজ করেছে।ঐ এলবামটির সবক'টি গানই আমার প্রচন্ড পছন্দের। কোনটি ছেড়ে কোনটির কথা বলি। বাপ্পা'র পারঙ্গমতা নিয়ে আমার কোনো কালেই সন্দেহ ছিল না। বিশেষত তার পরিবারটি আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান সঙ্গীত পরিবার। আমাকে যেটা চমকে দিল, সেটা হল সঞ্জীব'দার গান। তার গাওয়া শুনলেই বোঝা যাবে যে লোকটি তার কন্ঠের 'খামতি' পুরিয়ে দিচ্ছে হৃদয়ের প্রাবাল্যে। সারা এলবামটি আলো করে থাকা গানটি সঞ্জীব'দার গাওয়া। " আমি তোমাকেই বলে দেব........"

নির্দ্বিধায় বলে ফেলা যায় যে, এই বিগত দশকের অন্যতম গান গুলোর মধ্যে এইটি একটি। আমাদের নাগরিক জীবন তার সমস্ত আঙ্গিক নিয়ে উপস্থিত এখানে।
"আমি তোমাকেই বলে দেব
কত একা দীর্ঘ রাত
আমি হেটে গেছি বিরান পথে

আমি তোমাকেই বলে দেব
সেই ভুলে ভরা গল্প
কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়

ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া "

কি অসাধারন চিত্রকল্প ! সঞ্জীব'দা কান্নার রঙ ছুঁয়ে সুর দিয়ে যান এই ছবিটায়। আমার মত যারা হতাশবাদী, তাদের অলিখিত জাতীয় সঙ্গীত হওয়া উচিত এই গানটি।

বস্তুতঃ এই গানটি এবং ঠিক তার বিপরীতে রাখা 'চাঁদের জন্য গান'----এই দুই গান সঞ্জীব'দা কে তুঙ্গস্পর্ষী জনপ্রিয়তায় নিয়ে যায় বলে আমার ধারনা। আমাদের দীর্ন ক্লিষ্ট প্রেমের গান নুতুন ভাষা পেল 'চাঁদের জন্যে গান'-টি তে। আমাদের চেনা শব্দে, সহজিয়া সুরে নিবদ্ধ এই গান।

এই গানগুলো বুকে নিয়ে আমি চলে আসি বিরান প্রবাসে। আমার মনে পড়ে, কত রাত একটা নির্জন পার্কের দোলনায় বসে অনবরত শুনে গেছি এই গানগুলো। দেশের জন্য মন বড্ড কাঁদত। কাঁদত কিছু মানুষের জন্য। কাঁদত কিছু পরিচিত দৃশ্য ফিরে পাওয়ার জন্য। সঞ্জীব'দা সেই সময়টা আমাকে বুকে করে রেখেছিলেন। এমন না যে গানটাতে মন ভালো করার কিছু ছিল('তোমাকেই বলে দেব' গানটির প্রসঙ্গে বলছি)। আমার শুধু মনে হত, অনেক মানুষকে আমার কিছু কথা বলার ছিল। কথা গুলো কখনো বলা হয়ে উঠেনি। অনেক মানুষের হাত ধরে আমার বলার কথা ছিল, তাদের আমি কত ভালোবাসি। অনেকের চিবুকে চুমু খেয়ে বলার কথা ছিল, আমি আছিই আশে পাশে,থাকব সব সময়। নাহ বলা হয়নি সেটাও। সঞ্জীব'দা আমাকে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলেন যে, যদি কোন দিন দেশে ফিরি, আমি যেন আমার এই অসমাপ্ত কাজটি সম্পুর্ন করি।

এখানে থাকতে থাকতেই, বেরুলো দলছূটের 'আকাশচুরি'। সত্যি বলতে কি, একটু হতাশ হলাম। হয়ত মনে মনে অনেক কিছু ভেবে বসেছিলাম। কিন্তু আমার মনের সমস্ত দোলাচল ঝড়ের মুখে খড়ের মত উড়িয়ে দিয়ে সঞ্জীব'দা এলেন তার 'নিজের' একক এলবামটি নিয়ে।'স্বপ্নবাজী' । আমি আবারো ডুবলাম তার কথায়-সুরে। আমার মতে ঐ এলবামটির সব চাইতে সুন্দর গানটি হল, 'বাড়ি ফেরার গান'।

'যাই পেরিয়ে এই যে সবুজ বন
যাই পেরিয়ে ব্যস্ত নদী, অশ্রু আয়োজন
যাই পেরিয়ে সকাল-দুপুর-রাত
যাই পেরিয়ে নিজের ছায়া, বাড়িয়ে দেয়া হাত

রাত জাগা পথ তাকে ছুয়েছে কি এমন
ছোয়া যায় তবে পথ নিরবধি........"

আমি আসলেই মুহ্যমানের মত হয়েছিলাম এই গানটি শুনে।এই গানটি নিয়ে আমি আসলে আর কিছু বলতে চাই না। এ আমার একেবারেই 'আপনার' গান আর কিছু 'আপন' জিনিস সকলের সাথে ভাগ করার মত নয়। শুধু এইটুকু বলি, আমরা সাধারনত কোনো কিছুর প্রশংসা করতে 'বাহ' শব্দটি ব্যবহার করি। আর কোনো কিছু যখন স্পর্শ করে হৃদয়ের গহীনতম তন্ত্রী, তখন আমাদের ভেতর থেকে আসে--'আহা'। সঞ্জীব'দার এই গানটা সেই শ্রেণীভুক্ত।

এই গানটি নিয়ে আমার পাগলামি বন্ধু মহলে বেশ প্রসিদ্ধ। আমাদের ডিপার্টমেন্টে সকলের আড্ডা দেয়ার জন্য এক প্রকান্ড রুম বরাদ্দ আছে। সেখানে আছে বি-শা-ল এক ব্ল্যাক-বোর্ড। পদার্থবিদদের আলাপ আর আড্ডা কি পরিমান বিরক্তিকর, সেইটা এইখানে এসে বসলে টের পাওয়া যায়। আমি ঠিক করলাম, এই বিরক্তির হাত থেকে বাঁচতে হবে। আমি প্রতিদিন সকাল বেলা বোর্ডটার এক কোনায় লিখে আসতাম এই গানটির অন্তরা, সঞ্চারী। ঠিক কি কারনে আমার মনে হয়েছিল যে এই ধরনের অদ্ভুত কাজে আমাদের বিরক্তি কাটবে, আজ সেটা তত পরিষ্কার মনে নেই। তবে এইটা মনে আছে, কিছু দিনের মাঝে লোক জন আবিষ্কার করে ফেলল, এই 'দুষ্কর্ম'টি কার এবং শাস্তি স্বরুপ তাদেরকে এর মানে ইংরেজিতে বুঝিয়ে দিতে হল। এত আরামের শাস্তি আমি সারা জীবনে আর কখনো পাই নি।

গানটি শেষ পর্যন্ত এমন জনপ্রিয় হল যে, আমার রুমমেট, তামিল ভাষাভাষী ছেলেটা, প্রায় শুদ্ধ উচ্চারনে এই গানটি গাওয়া শুরু করল।শুধু তাই নয়, সে এই গানটাকে তার 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ' গানের একটি বলে ঘোষনা দিয়ে দিল।

আমি ঠিক করে ফেললাম, আমি দেশে ফিরে সঞ্জীব'দার সাথে দেখা করে এই কথাটা বলব।

কিন্তু সঞ্জীব'দা-র মনে ছিল অন্যকোন প্ল্যান। আমার যেন তার সাথে দেখা না হয়, তার চুড়ান্ত ব্যাবস্থা পত্র করে গেলেন। হঠাৎ করে বিনা নোটিসে পেরিয়ে গেলেন ব্যস্ত নদী, অশ্রু আয়োজন।

চলে গেলেন এতদুরে যে আমার বাড়িয়ে দেয়া হাত সেখানে কোনো ভাবেই পৌছোয় না।

আমি তোমার কথা মত প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যাকে যাকে যে কথা বলার, তাকে সেটা বলে দেব দেরী না করেই। তোমাকেও কিছু বলার ছিল দাদা। সব কিছুর মত এখানটায় ও আমার দেরী হয়ে গেল সঞ্জীব'দা।

"হাতের ওপর হাতের পরশ রবে না
আমার বন্ধু, আমার বন্ধু হবে না......."


মন্তব্য

কারুবাসনা এর ছবি

মাতাল রাতে সে বরাবর হেঁটে গেছে কালোতম পিচের রাস্তায়।


----------------------
বিড়ালে ইঁদুরে হলে মিল, মুদির কিন্তু মুশকিল ।


----------------------
বিড়ালে ইঁদুরে হলে মিল, মুদির কিন্তু মুশকিল ।

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

সবাই বাপ্পার পাগল, কিন্তু আমি বলতাম যে আগে সঞ্জীব পরে অন্য যে-কেউ। ভাবিনি যে যাবার বেলায়ও সেটাই হবে।

শোহেইল মতাহির চৌধুরী এর ছবি

সঞ্জীবকে নিয়ে কিছু লিখতেই হয় আমাকে।
কত দীর্ঘ রাত, কত অলস দুপুর কত না আড্ডা দিয়েছি সঞ্জীবদা'র সাথে।
কিন্তু লিখতে সাহস হয় না।
বলবার মতো এতো কথা, কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি।
-----------------------------------------------
খড়বিচালি জোগাড় করি, ঘর বানাবো আসমানে

-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না

আইলসা এর ছবি

প্লিজ লিখেন। আমার খুব প্রিয় গায়ক। ছুরি-চিকিৎসা গানটা শুনে আমি এত আলোড়িত হইছিলাম!!!

হাসান মোরশেদ এর ছবি

মানুষটা বড় কাঁদিয়ে গেলো
-----------------------------------------
মৃত্যুতে ও থামেনা উৎসব
জীবন এমনই প্রকান্ড প্রচুর ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার এই অ-সা-ধা-র-ণ লেখার জন্য ধন্যবাদ নয়।কারন তাতে আপনার লেখাকে ছোট করে ফেলা হবে।
ভালো থাকবেন।
-নিঝুম

অনিকেত এর ছবি

নিঝুম, আসলে ধন্যবাদ দিলে ভালোই করতেন। লেখাটা বেশ বড় হয়ে গিয়েছে। আপনার ধন্যবাদ পেলে 'ছোট' করার চান্স নেয়া যেত।

দুর্বল টাইপের রসিকতা হয়ে গেল।

কিন্তু আসলেই আপনাকে ধন্যবাদ, এই লেখাটা পড়ার জন্য।
আমার ভাবতে খুব অবাক লাগে, একজন মানুষ কত শত জনকে ছুঁয়ে যান, তার নিজের অজান্তে।

সঞ্জীব'দা বেঁচে থাকতে এইটা দেখে গেলে হয়ত খুশি হতেন।

আপনি ও ভালো থাকবেন।

অনিকেত এর ছবি

আমার মাঝে মাঝে এতো অদ্ভুত লাগে। কোনো দিন দেখা নেই, চেনা নেই, কথা নেই। কিন্তু তারপরো কতটা কাছের মানুষ।

তার চলে যাওয়া এই অসময়ে----বড় অন্যায়,বড় অন্যায়।

অতিথি লেখক এর ছবি

অনিকেত'দা ,সঞ্জীব দা ই আমাকে গীতিকার বানিয়েছেন।জীবনের প্রথম গান লিখে আমি তার কাছ থেকেই রিকগ্নিশন পেয়েছিলাম।দাদার জন্য কিছু লিখব লিখব করে দেখলাম আপ্নিই আসলে চমতকার একটা লেখা লিখে ফেল্লেন।আমার মনের কথা গুলো খুব সুন্দর করে লিখেছেন।খুব ভাল্লাগ্লো।আমাদের লেখার মাঝে দাদা বেঁচে থাকুক,এই কামনা।
মঙ্গল হোক।
-নিঝুম

সুমিমা ইয়াসমিন এর ছবি

অনেক মানুষকে আমার কিছু কথা বলার ছিল। কথা গুলো কখনো বলা হয়ে উঠেনি। অনেক মানুষের হাত ধরে আমার বলার কথা ছিল, তাদের আমি কত ভালোবাসি। অনেকের চিবুকে চুমু খেয়ে বলার কথা ছিল, আমি আছিই আশে পাশে,থাকব সব সময়। নাহ বলা হয়নি সেটাও। সঞ্জীব'দা আমাকে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলেন যে, যদি কোন দিন দেশে ফিরি, আমি যেন আমার এই অসমাপ্ত কাজটি সম্পুর্ন করি।

অনিকেতদা, সত্যি চমৎকার! অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পূর্ণ হোক।

অনিকেত এর ছবি

ধন্যবাদ সুমিমা'পু

কড়িকাঠুরে এর ছবি

আমি সারাজীবন এই ব্যথা বয়ে বেড়াবো যে- আমি এই মানুষটিকে কখনো সামনে থেকে দেখিনি...

অনিকেত এর ছবি

আমি সারাজীবন এই ব্যথা বয়ে বেড়াবো যে- আমি এই মানুষটিকে কখনো সামনে থেকে দেখিনি...

কষ্টটা আমারও---

সচল জাহিদ এর ছবি

এ আমার অহংকার।


sanjibda by zahidripon, on Flickr


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

অনিকেত এর ছবি

এবং সঙ্গতকারণেই ঈর্ষান্বিত---

অতিথি লেখক এর ছবি

এস এম সোলায়মান,রুদ্র মোহাম্মাদ ,সঞ্জিবদা এবং________?সবাইকে এইদিনে আপনার এই হৃদয়
ছোঁয়া,চমৎকার লেখনির মাধ্যমে স্মরণ করছি।বাংলাদেশের জন্মের পর এই সময়য়েই তাদের মত "মানুষ" এর প্রয়োজন এবং অভাব অনুভুত হচ্ছে যে কোন সময়ের চেয়ে !!!!!!
শাকিল অরিত

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।