দুপুরবেলা ব্ল্যাকবেরীটা বিশ্রীভাবে দুবার গোঁ গোঁ আওয়াজ করে থেমে গেল। আমার অধিকাংশ মেইলই রেমিডি থেকে পাঠানো অ্যালার্ট - এই কলটা লগ হল, সেই কলটা এখনও রিজলভ্ হয় নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। গত তিন মাসে কাজের ইমেল এসেছে সম্ভবত এক ডজন, তাই খানিকটা বিরক্তি নিয়ে জগহুইলটায় চাপ দেই। "সাও পাওলোতে মিটিং, ঘুরিয়া আইসো আসো, জ্ঞান হইবে", বিলিতি লাটসাহেবের বার্তা পেয়ে মাথার ভিতরে সুমন চৌধুরী ফ্যাসফেসে গলায় বলে ওঠে, "খাইসে!"
-----
বহুআগে ঠিক করা হয়েছিল আমাকে ব্রাজিলে পাঠানো হবে। যাবো যাচ্ছি করতে করতে দেখা গেল প্রজেক্টটাই বন্ধ হয়ে গেল। আমি পড়ে রইলাম মরার কেএল-এ, তার বছর খানেক পর, মুড়িওয়ালা (ব্লগার) সেই একই প্রজেক্টের বদৌলতে পাড়ি জমালেন সাও পাওলোতে।
আগের দপ্তরে ওড়াউড়ির কোন প্রসঙ্গই আসতো না। তাই পেলের দেশে যাবার একটা সুযোগ হওয়াতে, পাছা দুলিয়ে সাম্বা নাচার নাজায়েজ খায়েশ হল, হয়তো সেইখানেই যতো গোলমালের সূত্রপাত।
-----
বিজনেস ক্লাসে ব্রাজিল যেতে প্রায় ৯ লাখ টাকার মতো লাগে। সব গৌরীসেনের পয়সা। বিজনেস ক্লাস হোক আর ফার্স্ট ক্লাসই হোক, যাত্রার সময় প্রায় ২২ ঘন্টা। এর আগে ১৩ ঘন্টার ফ্লাইট পার করেছি আট পেগ দ্রক্ষাসুধা খেয়ে, ২২ ঘন্টায় বোধহয় কোন সুধাতেই কাজ হবে না। যাই হোক টিকিট কেটে, আইটিনেরারি ফিক্স করে, চিঠিপত্র রেডি করলাম। পরদিন সকালে ট্রাভেল এজেন্টের লোক গিয়ে কাগজ জমাও দিয়ে এল। সন্ধ্যাবেলা দেখি গানচোঙওয়াই এর ফোন। গানচোঙওয়াই এর কোড নেম সঙ্গীত ভাই (লাস্ট নেম "গান" হবার জন্য)। আমার সঙ্গে সেও যাচ্ছে এই মিটিং এ।
"দেয়ার ইজ আ প্রবলেম, কার্মেন টোল্ড মি দ্যাট মি. জেফার্সন টোল্ড দ্যাট দ্য লেটার স্টেটস আবাউট দ্য প্রজেক্ট আন্ড হি থিঙক্স দ্যাট ইউ আর গোয়িং ফর ওয়ার্ক। সো হি রিজেক্টেড ইউর অ্যাপ্লিকেশন", নির্বিকারভাবে বলে গেল সঙ্গীত ভাই। মালেশিয়ান বলে ব্রাজিল যেতে "ইয়ের ভাই"টার ভিসা লাগে না, আর আমি হতভাগা কোন দেশের উপর দিয়ে উড়ে গেলেও ভিসা নিতে হয়!!!
---
ব্রাজিল থেকে পাঠানো চিঠিতে ভ্যাজাল আছে, সেটা শুনে ঠিক করাতে পাঠালাম। প্রজেক্ট অফিসে কাজ করে যে মেয়েটা তার নাম ড্যানিয়েলি। আমাকে খবর দেওয়া হয়েছিল ব্রাজিলিয়ানরা হল কঠিন রকম ঢিলা। এই খবরে চিন্তিত হয়ে ড্যানিয়েলিকে টাইট দেবার কোন চেষ্টাই বাদ রাখিনি। কিন্তু ফল হল না, ভদ্রমহিলার মাথায় ঘিলুর চেয়ে মাংসপেশীর পরিমান বেশী। সৃজনশীল ভুলভ্রান্তির জন্য একে আন্তর্জাতিক পুরস্কারের নমিনেশন দিতে কেউ দ্বিধা করবে না।
পরদিন আবার আবেদন এবং যথারীতি রিজেক্টেড। মানইজ্জতের লুঙ্গি নিয়ে টানাটানি শুরু হলে ভালো লাগেনা। নিজেই ফোন করলাম, কনসুলার জানালেন তার ধারনা আমি মিটিং এর নামে কাজে যাচ্ছি, চিঠিও পরিস্কারভাবে কিছু ব্যাখ্যা করেনি। তবে আখেরী দেখা করতে রাজী হলেন।
---
"ফাইভ ডে'স অনলি, নেক্সটটাইম ইফ ইউ কাম নো ভিসা"
আমি বাকরুদ্ধ হয়ে শুনি জনৈক ...... এর ভাই এর ব্যাখ্যা। তার বিশ্বাস থেকে টলানো যায়নি। তবে খাতির করে ৫দিনের ভিসা দিচ্ছেন। বুঝানোর চেষ্টা করি ৫দিনের ভিসা দিলে মিটিং এর মাঝের তিনটা দিন শুধু ধরতে পারবো, এতো ঝামেলা করে গিয়ে ২ দিন মিস করার কোন মানে হয় না। কে শোনে কার কথা...
অনেকটা ক্রোধ-ঘৃনা আর ক্ষোভ নিয়ে গাড়িতে বসি। সবুজ পাসপোর্টের দোষ দেই না। মারফি সাহেব বলে গেছেন, "ক্যাচাল হওয়ার সুযোগ থাকলে অবশ্যই হবে"। মারফি সাহেব সত্য বলেছেন, আমি দুঃখিত, সেই সত্য ধুয়ে পানি খেতে পারছি না বলে।
----
আগামীকাল আমি আবার এম্বেসীতে যাচ্ছি। যে ভদ্রলোক আমাকে গাড়ি করে নিয়ে যাবেন তিনি কোম্পানীর শীর্ষ ব্যবস্থাপকদের একজন (হায়ারার্কিতে তিনি এতোই উঁচুতে বসেন যে তার পশ্চাৎদেশ দেখতে হলেও আমার দূরবীন লাগবে!!)। আমাদের জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকবেন স্বয়ং সাম্বাদেশের রাষ্ট্রদূত। আর এই বিশাল আয়োজনের উছিলা হবে শ্যামলাবরন একটা বাংলাদেশীর বিজনেস ভিসার সময় ৫ থেকে ৭ দিনে বাড়ানো!!!!
মাথার ভিতর থেকে একজন বলে ওঠে, অরূপরে তোর কপাল বড়ই ভালো! আরেকজন সাথেই সাথেই বলে, ইয়াহ, রাইট!
অবসন্ন আমি ভাবতে থাকি, কতোটা হতভাগ্য হলে একটা মানুষকে এহেন যন্ত্রনা আর হেনস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়!
----------------------------
* পুনশ্চঃ: এই হতাশার গল্পটায় একটা আশার চরিত্র আছে। এই চরিত্রটা এতোই দৈব যে তাকে ফুটনোটেই উল্লেখ করলাম। এই দৈব চরিত্র হলেন আমার সাবেক বড়কর্তা, মামুন ভাই। কালকের বিশাল আয়োজনটা সম্ভব হয়েছে এই ভদ্রলোকের জন্য। মাঝে মাঝে মনে হয় সবারই দুঃসময়কে কাছ থেকে দেখা দরকার, কারন জীবনের সবচে' সুন্দর আর ভালো ঘটনাগুলোর দেখা পাওয়া সম্ভব কেবল দুর্দিনেই...
মন্তব্য
চিয়ার্স।
রোনাল্ডোর ১৯৯৮ সালের বান্ধবীটার (সুজানা নাকি কি নাম?) সাথে দেখা হইলে ইট্টু জাঝা দিয়েন ।
ক্যামেরা নিতে ভুইলেন না।
(আচ্ছা, মুড়িওয়ালা কই এখন? উনার কমেন্ট মিস্করি)
- জিজু, যাইওনা। ব্রাজিলিয়ানরা একদম ভালো না। এখন গরমের দিন, পর্দা টর্দা মানে না শালিরা।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
আহারে দক্ষিন আমেরিকান চিকিতা রমনী আমার বড়ই পছন্দ। ছবি টবি তুইলা পোস্ট দিও।
আমার ইদানীংকার দিলকা ধাড়কান সোলেডাড ও'ব্রায়েন:

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
হুমম। ছবি দেখে তো চিত্ত হয়ে গেলো সমুন্নত আর উচ্চ হয়ে গেলো শির
...
হাঁটুপানির জলদস্যু
মহাশয়া, সিএনএন এর খবর পাঠিকা। হাভার্ড পাস করা এনার বয়স ৪২। কিন্তু বয়সে ডরেনা বীর।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
- বয়স ডোন্ট ম্যাটার ফর...
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
কোথায় চিত্ত, কোথায় শির, কে বলে তা বহুদূর...
সবুজ পাসপোর্টের গল্প আগের কোন ব্লগে বলছিলাম। ম্যারিকান পাসপোর্টের লোভ নাই।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
দিন আমাদেরও আসবে। আমি নিশ্চিত জানি। সবুজ পাসপোর্টের অপমানের দিন ফুরাবে, ফুরাবেই। আমরা থাকি আর না থাকি।
হাঁটুপানির জলদস্যু
একটু প্যাসিফিকটা ঘুইড়া যাও পারলে।
অ্যা!
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
মাপ্করো
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
- গেলেই বান্বো। পাকিস্তানে না, ফ্রাংকফুর্টে!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
সবগুলা মন্তব্যে জাঝা দিলাম।
কী আর কমু...........
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
হাহাহা খুব মজার করে লিখেছেন। আসলেই অসি পাসপোর্টের জন্য খেয়াল করেছি অনেক সুবিধা। এমনকি নিজের দেশে গেলেও। আমরা যে লাইনে দাড়াই এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ার সময় সেটা করা হয় অনেক তারাতারি আর দেশি পাসপোর্টের লাইনের লোক প্রায় ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সময় নিয়ে করেন, হয়ত ভাবে আমার দেশি লোকজনইতো এত তারাহুরার কি।
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে
অরুপভাই, লেখা আর মন্তব্য দুইই খাসা হয়েছে ।
------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি
------------------------------------------------------
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন’রা কি কখনো ফিরে আসে !
কোন বিষয় নাহ! হয়ে যাবে।
ব্রাজিল্যারা কি ল্যাটিনা?
হইলে আমার ফেবারিট আছে
হ ব্রাজিলীয়রা ল্যাটিন আমেরিকার একটা অংশ বলেই বিবেচনা করা হয়। সুইত কিঙ্কি লাতিনো চিকিতা।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
শুকনা একটা টাওয়েল লবি
?
হাঁটুপানির জলদস্যু
সব মাছে গু খায় খালি হিমুর দোষ!
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
- হিমু "সেন্সর্ড" খায়?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
- ছুটু বেলায় অনেক আশা আছিলো, "বড় হইয়া ব্রাজিল যামুই যামু...!"
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
ইউরোপ থেকে ফিরছিলাম
শিপ থেকে নেমেই সবাই চলে গেলো
আমরা সবুজ তিনজন এককোণায় লাগেজ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম
ইমিগ্রেশন অফিসাররা খুব ভদ্র ব্যাবহার করছিলেন।
কিন্তু সেইযে সবার চলে যাবার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা.....
ভালো লাগেনা
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস
আপনার সঙ্গে আমার একটা দীর্ঘশ্বাস সঙ্গী হউক...
মনে বড় আশা ছিলো যাবো ব্রাজিলে...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
পারলে টেকসাস ঘুড়ে যাও ।
এম. এম. আর. জালাল
"ফিরে দেখুন একাত্তর ঘুরে দাঁড়াক বাংলাদেশ।"
এম. এম. আর. জালাল
"ফিরে দেখুন একাত্তর ঘুরে দাঁড়াক বাংলাদেশ।"
আমার কোনো পাসপোর্ট নাই, আমার কোনো যন্ত্রণা নাই।
কয়দিন আগে একটা মুভি দেখলাম, ট্যুরিস্টাস। ব্রাজিলে বেড়াইতে যাওয়া নিয়া কাহিনি, ট্যুরিস্টদের ভুলাইয়া ভালাইয়া ধইরা নিয়া খবর করে দেয়।
এইটা দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছিলাম যে ব্রাজিলে যাবো না।
-----------------------------------
তুমি যা জিনিস গুরু আমি জানি, আর কেউ জানে না
-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ ।
আমার এরকম অভিজ্ঞতা আছে। জুরিখ এয়ারপোর্টে উড়োজাহাজের গেটে ৪০ মিনিটের উপর দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমাদের সামনে দিয়ে পুরো বিমানের লোক নেমে গেলো, কেউ কেউ আবার তাকিয়ে অন্যরকম অর্থের মুচকি হাসিও দিলো । অথচ বিজনেস ক্লাসের যাত্রী (নিজের পয়সায় কেনা না) হয়ে সবার আগেই বিমান থেকে নেমেছিলাম আমি আর আমার স্ত্রী হাতে সবুজ পাসপোর্ট। শেষ পর্যন্ত ইমিগ্রেশন থেকে ওরা ঢাকায় ফোন করে নিশ্চিত হয়ে যেতে দিয়েছিলো।
ভালোকথা যদি সম্ভব হয় 'ইগুয়াসু ফল্' দেখে আসবেন
...........................
Every Picture Tells a Story
একটা গান শোনেন। মাথা ঠান্ডা হইবো। লাল স্বল্পবস্ত্র পরা মাইয়াটা আরব-ব্রাজিলিয়ান সংকর, নাম ব্রুনা আবদুল্লাহ। ব্রাজিলের মডেল।
ব্রাজিলের মাইয়ারা খুব মিশুক হয়। পারলে গায়ে আইসা পইড়া মেশে। অভিজ্ঞতা থাইকা কইলাম।
আবার লিখবো হয়তো কোন দিন
ব্রাজিলের লোকজন আরবকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। এদের আইপিসহ ব্যান করা হোক।
হাঁটুপানির জলদস্যু
কিন্তু হিন্দী গান গায় কেন?
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
অভিজ্ঞতা ডিটেলসে বলো। প্রথম থিকা।
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
ব্রাজিলের মাইয়ারা খুব মিশুক হয়। পারলে গায়ে আইসা পইড়া মেশে। অভিজ্ঞতা থাইকা কইলাম।
স্যারের সাথে ১মত।
আর কইয়ো না ম্যান। হিমু আর গোধুলী কান্নাকাটি শুরু করব।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
হে হে।
কান্না করলে এইটা দেখতারে...। মিস ব্রাজিল২০০৮ ফাইনালিস্টাস।
ওই মিয়া তুমি তো নিজেই দেখি ইউটিউব মারা শুরু করলা!
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
জনজরিপে দেখা গেছে, এসব সেলিব্রিটি ক্লিপে সমস্যা নাই
ইনি মিনি মাইনি মো ...
কিন্তু এরা এইরকম মোচড়ামুচড়ি করে কেন?
হাঁটুপানির জলদস্যু
যুব সমাজ "সেস" হয়ে যাচ্ছে...
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
হ
অজ্ঞাতবাস
অজ্ঞাতবাস
- তাইলে এই য়্যুট্যুব দেইখেন না। সীমিত স্টক 'সেস' হৈয়া গেলে পিরোবলেম!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
ব্রাজিল যাওয়ার আগেই অরূপদার প্রিপারেশান দেখি খুব ভালো।
এইবার পরীক্ষা কেমন হয় দেখা যাক।
-----------------------------------
তুমি যা জিনিস গুরু আমি জানি, আর কেউ জানে না
-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ ।
অরূপ দা'র ব্রাজিল যাত্রা শুভ হোক।
বেশি কইরা কোমরের বেয়াম কইরা লন দাদা।
সাম্বা নাচতে গিয়া আবার কোমর ভাইঙেন না।
-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।
-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।
অরূপ মহোদয় সাম্বা নৃত্য দিচ্ছেন কোন এক ল্যাটিনার কোমর ধরে ...ভাবতেই ঈর্ষায় চোখে জল চলে আসছে ।
যাত্রা শুভ হোক । ( ২২ ঘন্টার যাত্রা কেমনে শুভ হয় , সেটা ভেবে পাচ্ছি না ।)
যাত্রা শুভ হোক, হোক ঘটনাবহুল। আমরা আরো একটা পোস্ট যেন পাই সেটা নিয়ে, আর বোনাস হিসেবে কিছু সাম্বানৃত্যের ছবি পেলেই হবে
তবে পাসপোর্টসংক্রান্ত এইসব ব্যাপার-স্যাপার খুবই হতাশাজনক। শুনলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, কিন্তু কিছুই করার থাকে না!
নতুন মন্তব্য করুন