
২০০৭ সনে যখন আমি আয়ারল্যান্ড আসি তখনও বাংলাদেশে হ্যালোউইন-এর চলটা এতটা ছিল না যতটা এখন দেখা যায়। অন্তত ফেইসবুকের কল্যাণে এখন দেখতে পাচ্ছি তরুণ-তরুণী, কিশোর-কিশোরী এমন কি শিশুরাও বেশ হ্যালোউইন উজ্জাপন করছে। তবে হ্যালোউইনের প্রেক্ষাপট, ইতিহাস এবং ঐতিহ্য অনেকেরই জানা নেই। এটা কতকটা অনিচ্ছা আর কতকটা এ বিষয়ে লেখালেখী না হওয়ার কারণে হয়েছে। প্রথমটা বদলানোর সাধ্য আমার নেই, তবে দ্বিতীয়টার একটা আংশিক সমাধান দেয়ার প্রয়াস নেয়া যেতে পারে।
“বারে ঢুকে একটা ড্রিঙ্কস ওর্ডার করে বসতেই আমার প্যান্টের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দিলো পাশের জন”, ঠিক এভাবেই গল্প শুরু করলো ফিলিপ। “এরপর ছিটকে সরে আসলাম পরে সে জিজ্ঞেস করলো আমি তাঁর বাসায় যেতে চাই কিনা- আমি বললাম- দেখো- আমি ঠিক এমন না! এরপর সে জিজ্ঞেস করলো কেন তুমি জানতে না এটা পুরুষ সমকামীদের বার? বাইরে কিছু লেখা নেই, আমি কি করে জানবো! তবে ভিতরে ঢুকে প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম যখন দেখলাম শ-খ ...
ভাদ্রমাসের ক্লান্ত বিকেল। ভ্যাপসা গরম। খাঁ-খাঁ করা একটি জনশূন্য ফুটপাতে বসে ভাবছি, সকলেই যেন কিছু না কিছু চাইছে, কিছু না কিছু খুঁজছে। কি চাইছে, কিংবা খুঁজছে? কিছু একটা তো নিশ্চয়ই।
পাত্র’র বাবা-মা পাত্রী খুঁজছে, পাত্রী’র অভিভাবকরা পাত্র।
উপেক্ষিতা স্ত্রী অপেক্ষা-প্রতীক্ষা’র পার্থক্য নিয়ে ভাবতে ভাবতে গোপনে গোপনে চোখের জলে বুকটি ভাসায় মধ্যরাতে।
নির্যাতিতা স্ত্রী, নারী সংগ ...
জহিরুল ইসলাম নাদিম
খেলাধুলো জীবনেরই অংশ। তবে জীবনের যে সার্থক অনুবাদ ক্রিকেটে পাওয়া যায় তা অন্য ডিসিপ্লিনে কোথায়? গৌরবময় অনিশ্চয়তার যে অভিধা তা কেবল অভিধান খুলে লাগিয়ে দেয়া হয়নি। খাটে বলেই খাটানো হয়েছে। একদম মশারি খাটানোর মতো! মশারি যেমন আমাদের বিছানাকে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রাখে ক্রিকেটও তেমনি জীবনকে আলিঙ্গন করে আছে। কোনো কিছুই জীবনের বাইরে নয়। সবই জীবন থেকে নেয়া। কী নেই ক্ ...
[বিষণ্ণ বাউন্ডুলে]
* * * * *
অভিমানে; এই আধাঁরে,
স্বপ্ন হারায় মন..
চাঁদ ছোয়া ওই আকাশ খোজে,
আমার হাসির ক্ষণ।
* * * * *
সময়,
পদ্মপাতার জল বুঝি তুই?
ইচ্ছে আমার,
আদর করে একটু তোরে ছুই..
* * * * *
দিনভর শুভ্র আলো,
রাতের আকাশ নিকষ কালো..
সুরের আগুনে;
ঝলসে যায়,
সাদাকালো পথচলা..
চোখ খুললেই,
রঙিন স্বপ্নের ফুলঝুরি..
চোখ মুঁদলেই;
স্মৃতির রাজ্যপাট,
হাসি কান্নার হুড়োহুড়ি..
কে বলে তুমি নেই..?!
-৪-
আমি এরকম কিছুই পাইনি, কমল পেয়েছে কড়ি,
শিশির পেয়েছে শঙ্খ, আর নীরা যা চেয়েছে তা-ই।
দেখে দেখে অবাক হয়েছি আমি,
এ যেন সমুদ্র নয়, স্রেফ কোনো পোষা হাতী,
কিংবা কোনো আলাদীন সার্কাসের বাঘ।
না কড়ি, না শঙ্খ, না শামুক,
আমার দু চোখে শুধু শস্যমগ্ন সমুদ্রের জল।
দ্যাখো- দ্যাখো কী সুন্দর অস্ত- বলতেই
পশ্চিমের সমুদ্রের ক্ষুধা গিলে খেলো পূর্বের সূর্যকে।
অমিত, শিশির, নীরা, আবছার, শাজাহান,
বন্দী হলো ...
না, এখন আমি আর ভালোবাসি না!
আমি ভুলেছি প্রেম, অভিমান, আকর্ষণ
আমার কাছে এ সবই শুধু কিছু বর্ণের অর্থহীন সহবাস।
আমি চন্দ্রাহত নই—
তবুও এখন আর পূর্নিমা দেখি না।
শীতল নিরবতার ডাকে আমি হাটি সারা রাত,
আমি একবারের জন্যও তারাদের মিছিল দেখি না।
সূর্যের তপ্ত স্বর্নিল আলো আমায় অভিশাপ দেয়
আমি তাই এই অন্ধকুঠুরিকে বানিয়েছি অভেদ্য দুর্গ,
এখানে আলোদের আসতে মানা;
তবুও এখানে কিছু আলো আসে— অ ...
তৈল মর্দন
মোঃ সহিদুর রহমান সুমন
পিএস টু ডিজি, বিআরডিবি
বারোটা বাজে কর্তা মশায় দপ্তরেতে আসেন,
দপ্তরী দেয় চেয়ার টেনে আয়েশ করে বসেন।
চায়ের সাথে নাস্তা আসে আসেন চাটুকার,
এতটা পথ আসতে কষ্ট হয়েছে যে কর্তার।
পত্রিকাতে দৃষ্টি রেখে কর্তা জানতে চান,
কেমন চলছে কাজ কর্ম কেমন সেবার মান?
চাটুকার কয় অতি উত্তম, অতি সুন্দর সেবা,
আপনি ছাড়া এমন চালনা আর করেছে কে বা?
জানতে চাইল কর্তা মশায় জরুরী কি ...
১
অদ্ভূত একটা মুডের মধ্যে এ লেখাটা লিখতে বসলাম। কেমন যে রাগের ঢেউ আর 'এই তো জীবন' ধরনের অনুভূতিগুলির মাঝ দিয়ে যাচ্ছি। রাগ নিয়ে আমার কোন আপত্তি নেই, রাগ দমন করাও সম্ভব। আমার তত্ত্ব হল, অবগাহনে (ইনডালজেন্স অর্থে আরকি) আপত্তি কি? হিংসা, রাগ, লোভ, সবকিছুই পরিমিত পরিমানে উপকারি। যাহোক, একই সাথে আগুন নিয়ে খেলাও বটে।
এই কিছুক্ষণ আগে অফিসের একজনকে কাজ শেষ করে একটা মেইল পাঠালাম। এখন বাজে ...
যে পথে ঘরে ফিরি সে পথ কেবলই আমার
নীল -ভূমি জললূপ্ত সাপ
ধূলো-মগ্ন নাচকুমারীর পাপ
যে ঘরে ফিরে আসি সে ঘর ছিলো যেন কার ?
যে পথ ফেলে আসা সে পথে পড়ে থাকে সুখ
কুয়াশায় কুড়িয়ে পাওয়া ভোর
অধীর দূরহ বৃষ্টির পর
থাকে অচল আধুলির সমান অসুখ
-সমুদ্র সন্তান