গুরুচন্ডালী - ০২৯

ধুসর গোধূলি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর গোধূলি (তারিখ: বুধ, ০৫/০৫/২০১০ - ১১:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যাচ্ছে কেটে...

আগের সপ্তাহটা গেলো মোটামুটি দৌড়ের উপর। ছোটখাটো স্প্রিন্ট না, একেবারে রীতিমতো রিলে দৌড়। এরমধ্যে আমার দলে আবার আমি একা। হাতে কাঠি নিয়ে একা একাই দৌড়ে গেছি পুরোটা দূরত্ব। দৌড়াতে দৌড়াতে যখন হোঁচট খেয়ে পড়ার অবস্থা, তখন আচমকা হ্যান্ডসব্রেক টেনে গেলাম বসে। গুষ্ঠিকিলাই তোর দৌড়ের!

মাসের হিসেবে এখন টাটকা গরম থাকার কথা। মাঝখানে একটা সপ্তাহান্ত বাদ দিলে গতর থেকে এখনও শীতের কাপড়ই ঠিকমতো খোলা গেলো না। শীতের কাপড় না খুললে চোখের ব্যায়াম ঠিক মতো হবে কী করে, এই চিন্তায় মহা অস্থির আছি আপাতত। কারণ, আবার মাসখানেক পরেই শীতের আগমনীবার্তা শুরু হয়ে যাবে। এ বছর কি তবে তেমন কিছু দেখা হবে না!

তবে পাবলিক মনেহয় আমার চেয়েও উদগ্রীব হয়ে আছে। সেদিন মোটামুটি ঠাণ্ডার মধ্যেই জনৈক বালিকাকে দেখলাম ধলা বকের মতো ঠ্যাঙ বের করে ঘটাশ ঘটাশ করে হেঁটে যাচ্ছে! সাথে কে যেনো ছিলো, বললাম এই বালিকা কোন ব্রান্ডের ব্রান্ডি খায়, একটু খোঁজ নিয়ে দেখা দরকার। শালার আমরা এদিকে ঠাণ্ডায় জ্যাকেট আকড়ে ধরি, আর ঐ বালিকা চলে কোমর দুলিয়া, ছাম্মোক ছাল্লো ভঙ্গিতে। গব্বর সিংএর মতো ডায়ালগ বের হয়ে গেলো অটোমেটিক মুখ থেকে, "বহোত না ইনসাফি ইয়ে..."

কিন্তু কালিয়া আর সাম্বা না থাকায় বালিকাকে আস্তানায় তুলে এনে "নাচ মাতারি" বলে মুজ্রার পত্তন করার খায়েশটা মনের মাঝেই ধামাচাপা দিতে হলো ঐ যাত্রা।

ঘড়ি চলে না, চলে না...

বর্তমান সময় নিয়ে চিন্তা করতে গেলে হুটহাট এক বছর আগের একই দিনে চলে যায় ঘড়ির কাঁটা। পাগলা ঘড়িকে যতোই চটকে, থাবড়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, ব্যাটা নাফরমান খালি পেছনেই চলে যায়। গিয়ে ঠাঁয় দাড়িয়ে থাকে। আমার খেয়ে আমার পরে আমার সাথেই করে হাদুমপাদুম।

এই হাদুমপাদুম থেকে বাঁচতে নিজেকে অরণ্যে ফিরিয়ে নেওয়ার সমূহ চেষ্টায় আছি। ফিরিয়ে দিয়ে নগরের সব জৌলুস, যাবো চলে অরণ্যের গহীণে। একটু একটু করে সফলকাম যে হচ্ছি না, তা না। লোকজন প্রায়ই ঝারি মেরে দিচ্ছে, মোবাইলে পাওয়া যাচ্ছে না বলে। পর পর পাঁচদিন ফোন করে হয় ফোন পায় বন্ধ নাইলে আমার টিকিটি ধরা দেয় না। ভাই ফোন করে মেসেজ দিয়ে রাখে, আমার টনক নড়ে সপ্তাহ পর। মেইল আসে, দেখি, তারপর আবার ভুলে যাই। একেবারে নেহায়েৎ যে ফোনকলগুলো না হলেই চলে না, সে মেইলগুলো রিপ্লাই না করলেই না, সেগুলোতে গড়িয়ে গড়িয়ে অংশগ্রহণ করি। বাদবাকিগুলো, সাইওনারা।

খোমাখাতায় পুরাতন বন্ধু-বন্ধুনি সাঁড়াশি দিয়ে ধরে, বোন ঝারি মারে, ভাইরা ধামকি দেয়— তাতে কি আমার বয়েই যায়! আমি বাপু তোমাদের এইসবে নাই। তোমাদের এইসব দুনিয়াবী, ইহুদী নাছারার জিনিসে আমি নাই। আমি থাকি আমার ছোট্ট পৃথিবীর পরে। এক টুকরা টাইনি ওয়ার্ল্ড। একদমই আমার নিজের। আমার নিজের আঙিনা।

বইগুলি মোর...

নজু ভাইয়ের সঙ্গে গিভেনটেক সম্পর্ক বেশি সুবিধার না আমার। মোচড়ামুচড়ি করে পোভাটার গেলো নিকাহ হয়ে। এই দুঃখে আমি আর জর্মনবাসী এক পাপিষ্ঠ রুটিন করে কান্নাকাটি করে যাই। সেই কান্না প্রশমনে এক শুভ দিনে নজু ভাইকে প্রস্তাব দিলাম আমাদের দুজনকে নিয়ে একটা নাটক বানাতে। নাইকার নামও আমরা ঠিক করে দিলাম। গল্পকার, পর্বসংখ্যা, শ্যুটিং এর লোকেশানও ঠিক হয়ে গেলো। নাইকাদের থাকা খাওয়ারও সুবন্দোবস্ত হয়ে গেলো, দুই নাইকা থাকবে দুই নায়কের বাড়ি। বাদবাকিরা থাকবেন বদ্দার বাড়ি আর রেলস্টেশন মিলিয়ে (গরমের সময় রেলস্টেশনে থাকতে কোনো অসুবিধা হয় না)।

কিন্তু ব্যাটা হৈ হৈ করে উঠলেন পিলান শুনে। মুখের উপর না বলে দিলো! আমাদেরকে দিয়ে নাটক বানালে নাকি সেই নাটক তাঁর পরিবারও দেখবে না। উল্টা পঁচা টমেটো ছুঁড়ে টিভির স্ক্রীনের বারোটা বাজিয়ে ফেলতে পারে তাঁর পরিবার, মিসেস নূপুর বেগম। একটা হিট নাটক বানানো থেকে আমরা ভগ্নমনোরথে ফেরত চলে এলাম। তবে নাটকে নিজেরাই ডিরেকশন দিবো বলে জোরেশোরে অনুশীলন শুরু করেছি আমরা। আপনাদের দোয়াপ্রার্থী।

যাইহোক, পরিকল্পনা ছিলো অনেক আগের। বইমেলায় বের হওয়া বইগুলি হাতিয়ে নেওয়ার। সময় মতো সুযোগ করা না গেলেও অসময়ে সুযোগটা হাতে এসেই পড়লো শেষে। এবারের বইমেলায় বের সচলদের বইগুলি এখন আমার ঘরে, ভাঙা বেরার ফাঁকে উঁকি মারে...

ছোট ভাই দেশে যাবে, আগে থেকেই ঠিক করা ছিলো। সেটা ঘিরে বেশ কিছু পরিকল্পনাও ছিলো। সময়ের সাথে অবশ্য তাতে কিছুটা পরিমার্জন করতে হয়েছে। বই হাতিয়ে নেয়ার খায়েশ আলবাব বাউলকে জানাতে তিনি সিলেটেই আমন্ত্রণ জানিয়ে বসলেন ছোট ভাইকে। এখন সে হলো মহাব্যস্ত (!) মানুষ, আমার কয়েকটা বইয়ের জন্য সিলেট পর্যন্ত যাবে বলে মনে হলো না। বাধ্য হয়ে নজু ভাইকে সুন্দরী বালিকার গ্রীষ্মকালীন ফটুকের লোভ দেখালাম। সাথে সাথে কাজ হয়ে গেলো। "খালি কন কী কী বই লাগবো, যেইহান থাইকা পারি যোগাড় কৈরা দিমু মিয়া। খালি... হেহ হেহ... যেটা কৈলেন, সেইটা ইট্টু স্মরণে রাখলেই হৈবো...!

আমি তো খুশিতে বাকবাকুম। ফটুকের চিন্তা পরে, আগে বইগুলি হাতে পাইয়া নেই।

বই যোগাড় করে নজু ভাই ছোটভাইকে জানালে সে গিয়ে বইগুলো নিয়ে আসে। বই দেয়ার আগে অবশ্য নিজের উদ্যোগেই জানালেন কী কী বই দিচ্ছেন! সচলদের বই ছাড়াও নিজের সংগ্রহ থেকেও বই দিয়েছেন আমাদের এই পলান সরকার।

না চেনা, না জানার গণ্ডি পেরিয়ে নজু ভাই যতোটুকু করলেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতেও সংকোচ বোধ হয়! মাঝে মাঝে ভাবি, এই লোকটাকে যে পরিমান জ্বালানো হয়, তার সিকিভাগও নিজের উপর পড়লে সহ্য করে উঠতে পারতাম না!

নজু ভাই, নূপুর ভাবী, আপনারা ধন্যবাদ নেন আর না নেন, কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করেন বা না করেন, কিছু এসে যায় না। জাগায় বেজাগায় আমি ধন্যবাদ দিয়ে আপনাদের ছোট করেই যাবো...!

boi_guccho
[যে বইগুলো হাতে পেলাম নজু ভাইয়ের সৌজন্যে]


পরিশিষ্ট

বইগুলো এখনও ধরা হয় নি। পড়া শুরু করবো শীঘ্রই। অনেকদিন পর নিজের কাছে এক গাদা বাংলা বই এসে জড়ো হয়েছে, আপাতত এই খুশিতেই মজে আছি।

বুঝতে পারি বন্ধুদের সাথে, শুভাকাঙ্খীদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে। সেটা হয়তো সময়ে খর্ব করে নেবো। বন্ধুতার কাছে কোনো বাধকতা নেই। জিগলিন্ডের সাথে দেখা হলো বেশ অনেকদিন পর। সে কোনো অভিযোগ প্রকাশ না করে শনিবারটা চেয়ে বসলো হঠাৎ। আমি যদি এর মধ্যে বড় ধরণের কিছু ঘটে না যায়, তবে হয়তো শনিবারটা বন্ধুর জন্যে তোলা হয়ে থাকবে। আমার জন্য বন্ধু দিবস, বন্ধুর জন্য উৎসর্গীকৃত একটা সন্ধ্যা। নিজের ছোট্ট আঙিনা থেকে বের হয়ে একটুকরো আকাশ দেখার অবকাশ...


মন্তব্য

তিথীডোর এর ছবি

নাহ্, 'পভা' ম্যাডাম খাইছে খুবই খারাপ করেছেন কাজটা!
ধুগোদা, চিয়ার আপ বস...
কি আছে জীবনে? হাসি

[ঝারি > ঝাড়ি, বেরার > বেড়ার, আমি যদি এর মধ্যে > আমার যদি এর মধ্যে]

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- পোভা ম্যাডাম আমাদের কথা শুনলেন না, তিনি শুনলেন তার 'আজা মেরি বুলবুল'এর কথা। দিলে বড় কষ্ট পাইছিলাম। দুনিয়াতে ট্যালেন্টই সবকিছু না। ট্যালেন্ট কি আর সবার চিরকাল থাকে? মন খারাপ

নেন, আপনে একটা বাইদ্য শুনেন। ঘূর্ণনরতা চাক্কির সাথেই দিয়া দিতে চাইছিলাম। কিন্তু ভার মোচনের জন্য আর দেই নাই।

___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

কিন্তু ছবি কো? ওয়াদার বরখেলাপকারীকে ওয়েদার ক্ষমা করবে কেনু কেনু কেনু?
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আয়েঙ্গে মামুজান আয়েঙ্গে। চোখ টিপি

আপনেরে নিয়া প্রথম কথোপকথনটা শোনেন,

নজ্রুল ভাই কি ওয়েস্টার্ন ওয়েস্টার্ন?

ওয়েস্টার্ন মানে কি, ওয়েস্টার্ন মিলন?

ঐটা ক্যাডা?

ঐটা না। বল তিনি। জিজ্ঞেস কর তিনি ক্যাঠা? তা তোর নজু ভাইরে ওয়েস্টার্ন মিলন মনে হৈলো ক্যান?

না, গিয়া দেখি হাফপ্যান্ট পিন্দা ঘুরতাছে... খ্যাক খ্যাক খ্যাক...

হেরপর, স্কাইট্রেন কাঁপায়া দুইজনের দন্তমোবারক বিকশিত কইরা হাসি, হুদাই। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

ভাইরে, গরীব বইলা এইরকম অপমান করলেন?
আমি দোকানে গেছিলাম ফুলপ্যান্ট কিনতে, পুরা টাকা দিতারি নাই, তাই হাফপ্যান্ট ধরায় দিছে। আর এইটা নিয়া আপনেরা দুই ভাই মস্করা করলেন?

খাড়ান, দেশে আইসা লন... বুঝামুনে
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- মস্করা দুই ভাই করি নাই। আমি করছি! দেঁতো হাসি

ঐ ব্যাটা আপনের মতোই ওয়েস্টার্ন মিলন। জংলি ছাপার হাফপ্যান্ট পিন্দা খালি গায়ে নন্দন মন্দন ঘুইরা বেড়াইছে। কোন এক নদীতে না কৈ গেছে। গায়ে গতরে প্যাক কাদা মাইখা মুইখা বেরাছেরা অবস্থা। ঐত্তা ফটুক আবার খোমাখাতায়ও আপলোডাইছে।

এয়ারপোর্টে যখন বাইর হৈছে, তখন দেখি হিমু কালার হৈয়া গেছে। আমি কইলাম, তোরে তো দেহি ছয় ব্যাটারির টর্চ লাইট মাইরা বাইর করার দশা হৈছে রে!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সচল জাহিদ এর ছবি

এক্কেবারে ফকফকা হইয়া যাওয়নের পরে এইহানে গত পরশু থিকা আবার বরফ শুরু করছে। মেজাজটা খারাপ আছে এর লিগা।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- এদিকেও আশ্চর্য রকমের ব্যবহার করেছে আবহাওয়া। আমি যেদিকে থাকি, গত তিন চার দশকেও নাকি এতো ঠাণ্ডা পড়ে নাই এবারের মতো। আর এতো বরফ এই দিকের বাসিন্দারা শেষ কবে দেখছে সেটা হিসাব করতে কোলকাতার পঞ্জিকা নিয়ে বসা লাগে। বরফের পাট মূলত জানুয়ারিতেই চুকে যায়। কিন্তু এবার শেষ তুষারপাত দেখলাম গত মাসেও। আজকে রোদ ছিলো, কিন্তু বেশ ঠাণ্ডা। অথচ গত বছরও এই সময়ে দিনের বেলা টি-শার্ট পরে ঘুরে বেড়ানো গেছে। আর সামার জ্যাকেটেই কাজ চলে গেছে সন্ধ্যের পর।

আমি তো টেনশনে আছি। জুন-জুলাই মাসেই না ব্যাপকারে তুষারপাত দেখতে হয় আবার!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ঞঁ

কাকুল কায়েশ এর ছবি

'মৌজ্জা হি মৌজ্জা'......
গ্রীষ্মকালীন ফটুক দেখবার চাই!! চোখ টিপি

==========================
একটাই কমতি ছিল তাজমহলে,
......তোমার ছবিটি লাগিয়ে দিলাম!

==========================
একটাই কমতি ছিল তাজমহলে,
......তোমার ছবিটি লাগিয়ে দিলাম!

ধুসর গোধূলি এর ছবি
প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ধলা ব্ক! হা হা হা...

চাকার মতো এটা কী রে ভাই? মাথা ঘুরতেছে আমার খাইছে

ধুসর গোধূলি এর ছবি
অতিথি লেখক এর ছবি

আহা কান্দেন না মিয়া। আপ্নারে সান্ত্বনা দেওনের লগে আমি কদিনের মধ্যেই অতলান্তিক পার কইরতাসি, তাপ্রে দুজনে একসাথে মিলে কান্দুম। খালি আপ্নের আতাপতা দিয়েন।
কিন্তু কন কি? সুন্দরী ব্লন্দিনী নর্দিশি নন্দিনী'র দেশে এত ঠান্ডা? মুশকিল তো... আমি ভাইবলাম গ্রীষ্মের ইউরোপ বেশ মনোরম অইব...

কৌস্তুভ

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- মনোরম তো হওয়ারই কথা আছিলোরে ভাই। কিন্তু কে জানে কার অণলবর্ষী বদদোয়ায় এবার গ্রীষ্মের এই অবস্থা! মন খারাপ

আপনে আয়া পড়েন। আইসা একটা মেইল ঠুকে দিয়েন। আমার সাম্রাজ্যে আসবেন, আর আমাকে পাবেন না, এমনটা সাধারণতঃ হয় না। তবে কখন কী হয় বলাও যায় না! দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

শুক্রিয়া, ভাইজান, কিন্তু মেইল করুম ক্যাম্নে?

অনটপিক: বস্টনে এবার ভাল গরম পড়সে। গ্রীষ্মবালিকা দেখতে চাইলে এদিকে সবায় আয়া পড়েন।

কৌস্তুভ

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- এইটা কোনো ফ্যাক্টর হৈলো? লগড ইন অবস্থায় আমার নামের উপরে আল্লার নাম নিয়া টিবি দ্যান। দেখবেন আইসা পড়ছে ঠায়-ঠিকানা-আতা-পাতা সব।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

হায়, মিয়া, যদি কখনো 'অতিথি গোধূলি' হইতেন তবে আমাদের দুখদর্দ বুঝতে পার্তেন... ওইসব আতাপাতা অতিথদের জন্য গায়েবী...

কৌস্তুভ

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- তাই নি? লন মডুরামগো বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি। আমরণ অনশন, অবস্থান ধর্মঘট শুরু করি। আতাপাতা না দেখায়া যাইবো কই চান্দুরা!

এক দফা এক দাবী,
আতাপাতা দেখতে কবে দিবি! হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

আন্দোলন করলে পর মডুরামে হয় ড়্যাব নামাইবে নয় কান ধইরা সচল থিকা বাইর কইরা দিবে... তখন মুই কই যামু?

আপনারে খোমাখাতায় গোত্তা মারুম নাহয়...

কৌস্তুভ

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

বইগুলো এখনও ধরা হয় নি। পড়া শুরু করবো শীঘ্রই। অনেকদিন পর নিজের কাছে এক গাদা বাংলা বই এসে জড়ো হয়েছে, আপাতত এই খুশিতেই মজে আছি।

একই ঘটনা।

------------------------------------------------------------------
অভ্র আমার ওংকার

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমি কাল রাতে ধরে ফেলছি। অমিতরে দিয়া বিসমিল্লা করছি। কৈ, অমিতুদ্দীন আউলিয়ারে তো দেখি না ইদানিং এদিকে। তারে জানাইতে হবে, যে অধম তার বই পড়া শুরু করছে। হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নাশতারান এর ছবি

ঠকঠক ঠাণ্ডায় ধবল বলাকাদের ঠ্যাঙ প্রদর্শনের গল্প আগেও শুনেছি। উর্ধ্বাংশে উষ্ণবস্ত্র চাপিয়ে নাকি নিম্নাংশের ক্ষতিপূরণ করা যায়।

আপনার নাটকের জন্য দোয়া রইলো। বিশেষ করে নাটকের নাইকার জন্য। আর আপনাকে বই মোবারক।

আচ্ছা, দুনিয়াবী মানে কী?

|| শব্দালাপ ||

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ঊর্ধাংশ-নিম্নাংশের ঝামেলায় মাঝে মইধ্যে মাথামুথা আউলাইয়া যায়। তওবা পড়তে পড়তে নানা ওয়াক্তের নামাজ কাজা হৈয়া যায়! মন খারাপ

দুনিয়াবী মানে কৈতারিনা। মনে হয় এন্টি-আখিরাত সম্পর্কিত কিছু হৈবো! চিন্তিত
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সুমন চৌধুরী এর ছবি

তীব্র পেতিবাদ ...মন খারাপ



অজ্ঞাতবাস

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- সাম্মি কাপুরের মতো দুই পাক নাইচা নেই বদ্দা...
গিলি গিলি গাপ্পা, গিলি গিলি গাপ্পা... গাপ্পা গাপ্পা... দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

দ্রোহী এর ছবি

দেখছোনি শালার কপালটা!!!!!!!!!!!!

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হ, সাইজের দিক দিয়া মাশাল্লা, মাগার কনটেন্টের দিক দিয়া পুরাই বাদামের খোসার লাহান। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নৈষাদ এর ছবি

লেখা ভাল লেগেছে।

ভালই তো আছে লোকজন... চোখের ব্যায়ামও হচ্ছে, ফ্ল্যাট-মেট, মুভি-মেট, পাকস্থলী নর্তকীর ইশারা... আবার দেশেও...। বিদেশ যেতে বড় ইচ্ছা হয় ইদানিং।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আইসা পড়েন নৈষাদ'দা। কী আছে জীবনে। থাকা খাওয়া ফিরি। সাথে উপরি পাওনা 'এদিক-ওদিক' দেখার একপাক্ষিক বন্দোবস্ত। চোখ টিপি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

বোহেমিয়ান এর ছবি

পোভা আর নজু ভাই দুই জনকেই দিক্কার!!

_________________________________________

_________________________________________
ওরে! কত কথা বলে রে!

রানা মেহের এর ছবি

এখানেও ঠান্ডা গিয়ে আবার চলে এসেছে।
আজ রোদ কিন্তু ঠান্ডা।
অসহ্য মন খারাপ
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- অসহ্য ছাড়ায়ে কয়েক ডিগ্রি উপরে চলে গেছে এদিকে। আজকে রীতিমতো 'উইন্টার'। আর কতো সহ্য হয়! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

যাক- অন্ততঃ একটা বড় ভাই বুঝলো বুকা বালিকাদের দেক্লে আমাদের কী হয়...

ছুটি চলতাসে... আমগো ঘড়ি তাই লৌড়াইতাসে হালার...

হ, নজু ভাই লোক্টারে আমরা সবাই মিইল্যা বহু পেইন দেই। উনি লুক্টা ভালা বইল্যা রক্ষা...

বই পড়েন, আমার মত হারাদিন চাকভুম মুভি দেইখ্যা টাইম্পাস কইরেন্না...।

_________________________________________

সেরিওজা

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বুঝলাম তো কতো কিছুই। মন্নানের হাতের মোয়া তো খাইতেয়াছি সেই ঊনিশো তিপ্পান্ন সাল থাইকাই। পুলাপান বড় ভাইগো দিকে চাইয়াও দেহে না! গজব পড়বো রে বাবা, ঠাডা গজব পড়বো! মন্নানের মোয়ার উপরেই গিয়া পড়বো। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

পোভা আর নজু ভাইকে ধিক্কার !!!

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- সাথে বেগম নজু ভাইরেও। তিনিও পোভার প্রসঙ্গে কাইক্কা মাছের মতো পিছলানি মারছেন আমার লগে! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নজমুল আলবাব এর ছবি

আবহাওয়ার ওয়েদারকে তীব্র দিক্কার। সে কেনু এমুন করিচ্ছে। সে কেনু ধুগোর কথা শুনিচ্ছে না...

------------------------
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল

ধুসর গোধূলি এর ছবি
সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

টক-ঝাল-মিষ্টি ... হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

ধুসর গোধূলি এর ছবি
সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

হাহাহা
ঘটনা কী?
সক্কলেই দেখি আমাগো দেশী ফ্লেভারে কথা কওয়া ধরসে! দেঁতো হাসি

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

চলুক
পভা'র জন্য দুঃখ করতে হয় না।
শনিবার মোবারক!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- দুঃখ কি আর এমনি এমনি হয় খান ভাই? মন খারাপ
সবকিছু নিয়ে আসলেই বেশ ত্রিধায় আছি, আমিও আপনের মতোন।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার এই '' হাদুমপাদুম '' শব্দটা ব্যাপক ।। এইডা আমারে দিয়া দ্যান, দিবেন্নি দাদা ? (দিলে দুয়া দিমুনে, হের জোরে পভা আন্নের কাছে ভ্যাক কল্লেও কত্তে পারে ! ভাইবা দেইখেন !! ) চোখ টিপি

''চৈত্রী''

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- পোভারে কইষ্যা মাইনাস, তার ভ্যাক করার দুয়ার কাম নাই। আপনে বরং দুয়া দ্যান যাতে আমার মাইয়ার মা মাইয়ার নানির কবল থাইকা লোডশেডিং এর লাহান পিছলাইয়া বাইর হৈয়া আমার জীবনে আইসা বিয়া বাড়ির মরিচ্যা বাত্তির লাহান ঝিলকাইতে থাকে।

এই জনমে মনে হৈতাছে না নিজের মাইয়ার মা'টারে দেইখা যাইতে পারুম! মন খারাপ

হাদুমপাদুম শব্দের উদ্ভাবক তো আমি না। ব্যবহারকারী কেবল। আপনেও নিশ্চিন্তে ব্যবহার শুরু কৈরা দেন, আল্লা ভরসা।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

ঠিকাছে দিলাম দুয়া । তয় মাইয়ার মা আইসা হাদুম-পাদুম কল্লে বা ঝগড়াইলে কিন্তু দুয়া দেয়ার লাইগা আমারে বদ্দুয়া দিয়েন না । খাইছে

''চৈত্রী''

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমি মানুষ বেশি সুবিধার না। কাউরেই বদ্দুয়া দেই না, দুয়াও দেই না। হাসি

আচ্ছা, আপনি এই বৈশাখ মাসে চৈত্ মাস নাম নিয়া ঘুরতাছেন ক্যান, কন্দেখি! চিন্তিত
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

হো হো হো হুম তাইতো !! ঘটনাডা কি হইতারে ? নিশা-ঊষা-পভা বাদই দিলাম !! মনে লয়,আপনি যেই কারনে লাল না হইয়া ধূসর গোধূলি হইয়া ঘুরতাছেন, আমিও সেই কারনেই ব্যাবাক ঘুরতাছি । খাইছে

''চৈত্রী''

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

বাহ্, অনেক বই পাইলেন দেখা যায়। এইবার সময় করে ধমাধম সব পড়া শুরু করে দেন। তারপর রিভিউ লিখে ফেলেন হাসি

শনিবার কেমন কাটালেন?

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- পড়া শুরু করে দিছি তো! মজার ব্যাপার হলো, রাতে শুয়ে শুয়ে বই পড়ার অভ্যাসটা মনে হচ্ছিলো আমাকে ছেড়ে পালিয়েছে। কিন্তু, আমার ধারণা ভুল ছিলো। এখন বালিশে ঘাড় ঠেকিয়ে, আধাশোয়া হয়ে, পা নাচিয়ে নাচিয়ে প্রতিদিনই পড়ছি— অ-নে-ক দিন পর!

রিভিউ লেখা তো ভায়া আমার কম্ম না। ঐটা আপনাকে মানায়। আমি ঠিক করেছি যাঁর বই পড়া শেষ হবে, তাঁর দেয়ালে গিয়ে চিকা মেরে আসবো। তিন-চার লাইনের মিনি-রিভিউ বলতে পারেন।
অমিতের দেয়ালে মারা হয়ে গেছে। এখন পান্থ'র পালা। হাসি

শনিবার? হেহ হেহ হেহ...
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

স্বপ্নাহত এর ছবি

গুরু, জিগলিন্ডে কে কি ভাবী বলবো, নাকি আপু বলবো? হাসি

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।