গোলাম আযমের সাক্ষাৎকার— একজন রাজাকারের মিথ্যাচার এবং বাংলাদেশের মিডিয়া হাউজ

ধুসর গোধূলি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর গোধূলি (তারিখ: শুক্র, ১৩/০১/২০১২ - ১১:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বছরের শুরুতেই যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে কোঁকাচ্ছিলাম, আমার ফ্লোরমেট খোঁজ-খবর নিয়ে যাচ্ছিলো হরদম। তো একবার তাকে জিজ্ঞেস করলাম তার এই খোঁজ-খবর করার মাহাত্য কী! উত্তরে সে জানালো, আমি এর মধ্যে মরলাম কীনা, এটা নিশ্চিত হতেই সে বারবার এসে খোঁজ নিয়ে যাচ্ছে!

তার এই কথা শুনে আমি কোঁকাতে কোঁকাতেই বললাম, তুমি আমার মৃত্যুকামনা করলা? তোমার নামে আমি মামলা করবো, বাংলাদেশের আদালতে! দেখি তোমার জেল-ফাঁসী এড়ায় কে!

বেচারা খানিকটা ভয় পেয়ে বলে, আমার অসুখের সময় যে তুমি আমাকে কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে পুরান কোনো কবরে ঢুকিয়ে দিতে চাইলা, সেটার কোনো শাস্তি হবে না?

এবার আমি তাকে আশ্বস্ত করলাম। আমাদের দেশে কাউকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিলে, চল্লিশজন ছাত্রকে খাদে ফেলে মেরে ফেললে, সড়ক দুর্ঘটনা নামক নাটকের একই দৃশ্যের বারবার মঞ্চায়নে কীর্তিমানদের হত্যা করা হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনোদিন 'বিচার-শাস্তি' এসব শব্দ কার্যত ব্যবহৃত হতে শুনেছে, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এমনকি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে ত্রিশ লাখ মানুষ হত্যায় যার/যাদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিলো তাদের শাস্তি তো দূরের কথা তারা বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে আজও। বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতা করে বাংলাদেশেরই সরকারের মসনদে অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য নির্বাচিত হয় তারা। বাংলাদেশের মানুষই এদেরকে ভোট দেয়। আমাদের দেশে গণহত্যাকারীর বিচার হয় না, আমাদের মুক্তিসংগ্রামের বিরোধীরা থাকে ক্ষমতার সিটাডেলে, বোমাবাজ'রা হয় অভিনন্দিত, সড়ক দুর্ঘটনার দায়ী ব্যক্তি হয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

কিন্তু, 'মৃত্যুকামনা' করলে শাস্তি না হোক, মামলা অবধারিত। এর কোনো হেরফের নাই।

একজন বিদেশী হয়েও আমার ফ্লোরমেট আমার এই কথাগুলোর মর্ম বুঝতে পারে। কিন্তু আমি একজন বাংলাদেশী হয়েও অনেক কিছুই বুঝতে পারি না।

সাংবাদিকদের বলা হতো 'জাতির বিবেক'। তাঁরাই এই পেশায় যেতেন যাঁরা এই পেশাটার গুরুত্ব বুঝেন, যাঁরা অনেক কিছুই জানেন, বুঝেন। যাঁরা অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেন না, করতে পারেন না। যাঁরা নৈতিক দিক দিয়ে অনেক উপরে অবস্থান করেন। আমাদের দেশের ঘুণেধরা রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরাই ছিলেন সাধারণের কাছের মানুষ। কিন্তু সেইসব মানসিকতার 'সাংবাদিকতা'র দিন গত হয়েছে অনেক আগেই। সত্যিকারের সাংবাদিকেরা চলে গেছেন নির্বাসনে। রেখে গেছেন কিছু দু'পেয়ে চতুষ্পদী-ইতর-প্রাণী-বিশেষ।

পকেটে মেমোরি স্টিক, হাতে মাইক্রোফোন আর সাথে ক্যামেরাম্যান থাকলেই একেকজন নিজেকে বিশাল বড় সাংবাদিক মনে করতে শুরু করেন। এদেরকে নিয়োগ দেয় আবার আমাদের দেশের বড় বড় আর নামকরা মিডিয়া-হাউজগুলো। এইসব মিডিয়া হাউজ আর তাদের নিযুক্ত তথাকথিত 'সাংবাদিক'দের কাজকারবার দেখে হূমায়ুন আজাদের সেই কথাটাই মনেহয় একটু অন্যভাবে, এরা জানে না কার ইন্টারভিউ করতে হয় আর কার কাছে পাছা উদোম করে দিতে হয়!

গোলাম আযম, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতিটা রক্তাক্ত পাতায় যার নোংরা হাতের দাগ লেগে আছে। ডিসেম্বরের শেষভাগে তার সাক্ষাৎকার প্রচারের জন্য হিড়িক পড়ে গিয়েছিলো বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সবক'টি টিভি চ্যানেলের মধ্যে। সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলো উপরোল্লিখিত 'সাংবাদিক' সম্প্রদায়। তাদের একজন আবার বেশ গদগদ হয়ে গোলাম আযমের কাছে তার নিজের অবস্থান থেকে নিজের সম্পর্কে বলতে বলেছিলো, "হয়তো আমরা বর্তমান যে প্রজন্ম, অনেক কিছুই জানি না"- এই বলে!

ঠিক এর আগ মুহূর্তেই যেখানে গোলাম আযম "মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তার কর্মকাণ্ড ভুল ছিলো কি-না" এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছে 'না'-বোধক।

যে সাংবাদিক গোলাম আযমের ব্যাপারে 'অনেক কিছুই' জানে না, তার গোলাম আযমের ইন্টারভিউ করতে যাওয়াটা কতোটা প্রফেশনালিজম আর কতোটা ফাত্রামী! এরকম একজন মূর্খ ফাত্রাকে যে মিডিয়া-হাউজ নিয়োগ দিয়েছে, তারা ঠিক কী পরিমান বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের দ্বারা পরিচালিত হয়!

একজন যুদ্ধাপরাধীর ইন্টারভিউ করা আর তাকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে সুযোগ করে দেয়া- এই দুইয়ের মধ্যে আকাশ আর পাতাল ফাড়াক যে আছে, সেগুলো কি মিডিয়া হাউজের হর্তাকর্তা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীরা তাদের এইসব অকাল-কুষ্মাণ্ড সাংবাদিকদের বুঝাতে কোনোভাবেই সক্ষম নয়?

নাৎসী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে সংগঠিত প্যারামিলিটারি ফোর্স 'শ্যুৎস-স্টাফেল' বা এসএস (SS) এর কোনো নেতা, কর্মী, সমর্থক কেউই কোনো প্রকার প্রচার মাধ্যমেই নিজেদের সাফাই গাওয়ার জন্য বিবেচিত হয় না। এসএস-এর কর্ণধার হাইনরিশ হিমলার তো দূরের কথা, আসিফ নজরুল কিসিমের সাধারণ একজন নাদান সমর্থকও যদি জার্মান টিভি চ‌্যানেলে এসে বলে বসে, 'এসএস এমন কিছুই করেনি যার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে'- তাহলে সেই নাদান সমর্থকের কী পরিণতি হবে সেটা সহজেই অনুমেয়! প্রচলিত আইনে বিচারের সম্মুখীন হওয়ার আগেই উক্ত সমর্থককে ইন্টারভিউকারী/উপস্থাপকের যুক্তির সামনে ঝাঁঝরা হতে হবে।

এসব তথ্য ন্যুরেনবার্গ ট্রাইব্যুনালের নাম ভুল উচ্চারণে খৈ এর মতো পটপট করে ফুটতে থাকা এইসব মিডিয়া হাউজের হর্তাকর্তা এবং এদের সাংবাদিকদের জ্ঞানের সাগর পর্যন্ত পৌঁছুতে পারে না।

পাকিস্তানী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গঠিত হওয়া প্যারামিলিটারি- রাজাকার বাহিনীর কর্ণধার গোলাম আযমের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে দৌড় লাগায় এরা। সাক্ষাৎকার গ্রহণের নামে গোলাম আযমকে বিনা প্রশ্নে, বিনা বাঁধায় তার মনের মাধুরী মেশানো মিথ্যাচার সগৌরবে দেশবাসীর সামনে প্রচার করার সুযোগ করে দেয় এই সাংবাদিকেরা এবং এদের কর্তা মিডিয়া হাউজগুলো।

বিন্দুমাত্র লজ্জা হয় না এদের। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি যে দায়বদ্ধতা মিডিয়ার আছে, থাকতে পারে- সেটা একটা মুহূর্তের জন্যও তাদের ভাবনায় আসে না। কিংবা সেই ভাবনা ধারণ করার জন্য যেটুকু গ্রে-ম্যাটার আবশ্যক, সেই গ্রে-ম্যাটারটুকুই হয়তো এইসব তথাকথিত সাংবাদিক আর তাদের মিডিয়া হাউজগুলোর নেই।

তাই গোলাম আযম নামক নরপশুটির জাতির উদ্দেশ্যে মিথ্যাচারের জবাব দিতে এগিয়ে আসতে হয় ব্লগারদের। তার প্রতিটা কথার, প্রতিটা লাইনের মিথ্যাচারের জবাব দেয়া হয় প্রমাণ সহকারে। এরজন্য কোনো মিডিয়া হাউজ, কোনো সাংবাদিক কিংবা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী-নেতার নেকনজর আকর্ষণের দরকার পড়ে না। ব্লগাররা হলেন 'রিপোটার্স উইদাউট বর্ডার্স'।

দেশের পদবী-সর্বস্ব সাংবাদিকেরা যখন নিজেদের বিবেক বন্ধক রেখে নিজের স্বার্থের সাথে সমন্বয় সাধন করে কলমের ছিপি খোলেন-বন্ধ করেন। তখন ব্লগাররা সোচ্চার হবেই। আইন-আদালত-শালিশের ধামকি সম্বলিত কোনো অনলাইন মিডিয়া-হাউজ-কর্তার চোখ রাঙানীকে ব্লগাররা আমলে নেয়ার মতো গুরুত্ব কখনোই দেয় না। কতিপয় 'রাসভ' পরিবেষ্টিত হর্তাকর্তারা এটা যতো তাড়াতাড়ি অনুধাবন করবেন, ততোই মঙ্গল। শুভস্য শীঘ্রম...

এটিএন নিউজ, বাংলা ভিশন-সহ বেশ কয়েকটি চ্যানেলে প্রচারিত রাজাকার শিরোমণি গোলাম আযমের সাক্ষাৎকারের মিথ্যাচারগুলো তুলে ধরার প্রচেষ্টায় আট খণ্ডের ভিডিও'র প্রথম খণ্ডটি এখানে তুলে দিলাম-

আর সবগুলো খণ্ড একসঙ্গে পাওয়া যাবে এই প্লে-লিস্টে-
http://www.youtube.com/playlist?list=PLC1F60D8FBB8280CE

বাংলাদেশ ত্রিশ লাখ মানুষের রক্ত ঝরিয়ে তবেই স্বাধীন হয়েছে পাকিস্তানের করাল-গ্রাস থেকে। পাকিস্তানের কোনো রাজনৈতিক দলকে মাটিতে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা এই স্বাধীনতা অর্জনের উদ্দেশ্য ছিলো না। বাংলাদেশের জন্মের সর্বাংশে বিরোধিতা করেছে এমন একটি দলকে তো অবশ্যই নয়।

গোলাম আযম যখন দম্ভ ভরে প্রকাশ করে "জামাতের হেড কোয়ার্টার তখনও ছিলো লাহোর (পাকিস্তান) এখনও লাহোর (পাকিস্তান)"- তখন স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আপনি ভাবুন জামাত এবং এর সমর্থকদের ব্যাপারে।

ভাবুন, এই জামাতকে আশ্রয় দেয়া রাজনৈতিক দলটি'কে নিয়েও।

খুব ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন, যে পাকিস্তান থেকে আমাদের পূর্বসূরীরা নিজের শরীরের রক্ত ঝরিয়ে আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই স্বাধীনতার নামে আমরা সেই রক্তখেকো পাকিস্তানেরই একটি দলকে আমাদের শাসকের আসনে বসাতে চাইবো কি-না!

গোলাম আযম এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা এখনও স্বীকার করে না যে তারা একাত্তরে ভুল করেছে। ভেবে দেখুন, এদের বিচার না হলে এরা একদিন আমাদেরকেই বিচারের কাঠগড়ায় তুলে দিবে কিনা, 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা সমর্থন' করেছি বলে!


মন্তব্য

চরম উদাস এর ছবি

চলুক

guesr_writer rajkonya এর ছবি

গোলাম আজম ও এর সাংগ পাংগরা, কি সত্য বলবে বলে আশা করেছিলেন নাকি? আজব!

স্বাধীন এর ছবি

ঐতিহাসিক কাজ হয়েছে, হ্যাটস অফ ধুগো চলুক

দ্রোহী এর ছবি

ভায়রা ভাই হের মনির হোশেনের জয় হোক!

গুরু গুরু গুরু গুরু গুরু গুরু গুরু গুরু গুরু গুরু

তারেক অণু এর ছবি
তিথীডোর এর ছবি

গুল্লি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

তানিম এহসান এর ছবি

এখনও স্বীকার করেনা, কোনদিন করবেওনা। এভাবেই তৈরী করা হয় এদের ....

ডাইনোসর এর ছবি

এসব হচ্ছে মিডিয়ার চালাকি। যারা ইন্টারভিউ নিয়েছে তাদেরকে এই ব্যপারে প্রশ্ন করে নাস্তানাবুধ করা দরকার।

তাপস শর্মা এর ছবি

অসাধারণ একটি কাজ করেছেন দাদা। যদিও এদের কথা কিই বা আর বলার আছে । গত দুদিন আগরতলা হয়ে উঠেছিল আবারও মুক্তি যুদ্ধের শহর , যেন ৭১ এর বৃষ্টি নেমে এসেছিল......

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

সংবাদ প্রকাশে দায়িত্বহীনতা, ভুল সংবাদ প্রকাশ আর দেশোদ্রোহীদের কথা বলার প্লাটফর্ম করে দেয়ার জন্যে এদের বিরুদ্ধে সপ্রনোদিত হয়ে রীট করার মত কেউ কি নেই? আমাদের প্রধাণমন্ত্রীর মৃত্য কামনার মত বিষয়ে সপ্রনোদনার অভাব হয় না! আর এরকম গুরুত্বপূর্ণ আর যেখানে দেশের স্বার্থ আসলেই জড়িত তাদের বিপক্ষে কাজ করার লোক নেই?

আর লেখার জন্যে, হ্যাটস অফ

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ধুসর গোধূলি এর ছবি

পৃথিবীর আর কোনো দেশেই স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধীকে এতো জামাই আদরে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দানের সুযোগ দেয়া হয় নাই, দেয়া হয় না।

গোলাম আযমের মতো একজন স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী, যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রত্যক্ষ বিরোধী আজও— তাকে মিডিয়াতে এমন অশ্লীল কাভারেজ দেয়ার উদাহরণ কেবল বাংলাদেশেই সম্ভব। দুর্ভাগ্যজনক হলো, জনাব তৌফিক ইমরোজ খালিদী গোলাম আযমের এই মিডিয়া কাভারেজ নিয়ে কোনো কথা বলেন না। তিনি কেবল মুখ খুলেন, কী করে ব্লগারদের কণ্ঠরোধ করা যায়, সেটা নিয়ে।

আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে কী করবে সাংবাদিক নামের এইসব মস্তিষ্কহীন এনটিটিগুলোর যদি দায়িত্বজ্ঞানই না থাকে!

সাজ্জাদ সাজিদ এর ছবি

চলুকচলুক

পদ্মজা এর ছবি

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে রাজাকারদের বিচার চাই। যুদ্ধাপরাধী বললে আমার কেন যেন মনে হয় ঘৃণা প্রকাশ ঠিক মত হয়না। আর রাজাকারদের বিচার করতে সাক্ষী সাবুদ কেন লাগবে, গো.আ. কে কেন জিজ্ঞেস করতে হবে?

স্যাম এর ছবি

চলুক চলুক

কীর্তিনাশা এর ছবি

গুরু গুরু !!

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

ভুলজন্ম এর ছবি

আপনে নিজেও তো একই কাজ করলেন ... শুয়োরের বাচ্চাডার কথাবার্তা আর ভিডিও পাবলিক ব্লগ-এ আপলোড কইরা দিলেন ... যারা এই ইন্টারভু দেহে নাই ... তারা আপনের ব্লগ পড়তে গিয়া দেখবো ... ব্লগ কি মিডিয়ার বাইরে পইড়া গেলো ??? ... আমি তো শুনসি সিটিজেন জার্নালিজম হইলো সাংবাদিকতার ভবিষ্যত ... আমি টুকটাক ব্লগিং টগিং করি ... এহনো শিখতেসি ... দয়া কইরা আমারে এট্টু এক্সপেলেইন কইরেন ...

চরম উদাস এর ছবি

দুটোর মধ্যে কিন্তু বিস্তর ফারাক আছে।

কালো কাক এর ছবি

এখানে তো আর গোলাম আযমের প্রতি ভক্তিতে গদগদ হয়ে কিছু বলা হচ্ছেনা। বরং গো.আ.র মিথ্যাচারগুলো তুলে ধরা হচ্ছে। দুইটা এক হলো কী করে ?

সালমিন এর ছবি

ইন্টারভিউ যখন নেওয়া হয়েছে আর ভিডিও আপলোড হয়েছে, এটা তো এখন কোনোভাবে লুকায়ে রাখা যাবে না। তার চেয়ে মিথ্যা কথাগুলি ধরায়ে দিয়ে প্রতিবাদ করাই উচিত না? দুইটা কাজ কে আপনি কীভাবে এক করে ফেললেন বোধগম্য হলো না।

shafi.m এর ছবি

তার চেয়ে মিথ্যা কথাগুলি ধরায়ে দিয়ে প্রতিবাদ করাই উচিত না?

জি, ধুসর গোধূলি যথাযথভাবে সেটাই করেছেন। উনার আপ্লোড করা ভিডিওটা দেখলে ও পোস্টটা পড়লে বুঝতে পারবেন আশা করছি।

শাফি।

সালমিন এর ছবি

জ্বি ভাই, ধূসর গোধূলি কী করছেন সেটা আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু আমি কী বলছি আর কাকে বলছি সেইটা আপনি বুঝতে পারেন নাই। একটু সময় নিয়ে মন্তব্য পড়ে তারপর মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ।

shafi.m এর ছবি

জ্বি, ঠিক বলেছেন। আমি দুঃখিত, না বুঝে আমার মন্তব্য করা উচিৎ হয়নি। হাসি

শাফি।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

জ্বী, আমিও একই কাজ করলাম। এবং আমাদের দেশের সাংবাদিক নামধারী রামছাগলের পাল যতোদিন যাবৎ এধরণের বালছাল কাজ করে যাবে, ততোদিন যাবৎ এই একই কাজ ব্লগের পাতায় দেখতে থাকবেন। আমি না করলেও আরেকজন করবে, নিশ্চিন্ত থাকেন।

আপনি ঠিকই কইছেন, ব্লগ মিডিয়ার বাইরে না। কিন্তু ব্লগ 'মিডিয়া হাউজ' নামক সার্কাসের তাবুর বাইরে। মিডিয়া হাউজ তাদের মনের হাউশ পূরণের জন্য যতোই 'সিটিজেন জার্নালিজম' কিংবা 'দাউ দাউ, বদলে দাউ' শ্লোগান তুলুক না কেনো, তাদের পরিচয় দিনশেষে সার্কাসের টাট্রু ঘোড়াই!

আপনে যদি টুকটাক 'ব্লগিং টগিং' করেই থাকেন, তাইলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কী করে গোলাম আযমের মতো কুখ্যাত রাজাকারের ভাষণ প্রচারিত হয় বাংলাদেশের গণমাধ্যমে! সেই ভাষণে মুক্তিযোদ্ধাদের 'বিদ্রোহী' হিসেবে গণ্য করার পরেও কেনো তারা নিশ্চুপ সেটা প্রচারকারী মাধ্যমগুলোর বিপক্ষে! বাংলাদেশে বসে, বাংলাদেশেরই গণমাধ্যমে গোলাম আযমের বক্তব্য প্রচারিত হয়, সে একাত্তরে নিজের ভূমিকার জন্য অনুতপ্ত না। এটা তো সরাসরি চ্যালেঞ্জ আমাদের স্বাধীনতার প্রতি। স্বাধীনতা বিরোধীর এমন চ্যালেঞ্জ বিনা প্রশ্নে, বিনা বাঁধায় প্রচার করার পরেও কেনো তথ্য মন্ত্রণালয় রহস্যজনক নীরবতা পালন করছে?- জানতে চান এটা।

আর যদি আপনি নিজেকে কোনো এক মিডিয়া হাউজের 'সিটিজেন জার্নালিজম'এর পূজারী ভেবে থাকেন, তাইলে আপনি সেটাতেই থাকেন আর আপনার জনৈক খলিফার মনোরঞ্জন করতে থাকেন। এইসব 'ব্লগিং-টগিং' আপনাকে দিয়ে হবে না। মাঝে মাঝে খলিফার সাথে বজ্রকণ্ঠে আওয়াজও তুলতে পারেন, এইসব অভব্য ব্লগার-ট্লগারদের টুটি চেপে ধরা হোক। এরা বড়ই বদ। বড়ই বেদ্দপ!

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

গুরু গুরু গুরু গুরু

বড়ই ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা, চোখকান খোলা রাখতে হবে সবার...........


_____________________
Give Her Freedom!

উচ্ছলা এর ছবি

খুনী ধর্ষক রাজাকার শয়তান! একটা একটা করে দাঁড়ী টেনে ছিঁড়ে ফেলা দরকার ঐটার! মিথ্যাবাদীর স্পর্ধা কতো !

অমিত এর ছবি

গুরু গুরু

ফাহিম হাসান এর ছবি

ুর্দান্ত কাজ করলেন ধুগোদা

ফাহিম হাসান এর ছবি

দুর্দান্ত কাজ করলেন ধুগোদা

জিজ্ঞাসু এর ছবি

প্রচলিত আইনে বিচারের সম্মুখীন হওয়ার আগেই উক্ত সমর্থককে ইন্টারভিউকারী/উপস্থাপকের যুক্তির সামনে ঝাঁঝরা হতে হবে।

এ কথাটি আমিও বলতে চাই যে গোলাম আযমের সাক্ষাতকার যারা নিল তারা তার কথায় সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল। আবার তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কোন সম্পূরক প্রশ্ন করা বা ক্রস এক্সামিনেশন করা থেকে কেন বিরত থাকল এসব সাংবাদিক।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা আত্মপক্ষ সমর্থনের বিচারে গোলাম আযমের সাক্ষাতকার প্রকাশ করাকে আমি দোষ দেই না। কিন্তু এক্ষেত্রে শিক্ষানবিশ সাংবাদিকদের না পাঠিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দায়িত্ব দেয়া প্রয়োজন ছিল।

তাদের দেখে মনে হচ্ছিল তারা গল্প বলার আসরে গল্প শুনতে গেছে।

___________________
সহজ কথা যায়না বলা সহজে

ধুসর গোধূলি এর ছবি

শোনা কথায় আসলে কান দিতে নাই। কিন্তু এমন কথাও কানে আসছে যে গোলাম আযম গ্রেফতার হতে পারে এই আশঙ্কাকে সামনে রেখে জামাতে ইসলামী চ্যানেল গুলোর কাছ থেকে বেশ ভালো দামে এয়ার-টাইম কিনে নিছে। গোলাম আযমের গল্প বলার আসর (হয়তো) সেই এয়ার-টাইমেরই ফসল!

মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। কিন্তু একটা স্বাধীন দেশে মুক্তিসংগ্রামের আপাদমস্তক বিরোধিতাকারীদের এমন মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিশ্বের আর কোন দেশে আছে বাংলাদেশ ছাড়া?

'৭৫ পরবর্তী সময়ে কিছু বাঞ্চোতের কারণে স্বাধীন বাংলাদেশে চিরতরে নিষিদ্ধ বেঈমান, মাদারচোদ রাজাকারগুলো পুনর্বাসিত হয়েছে। তারা এমনকি বাংলাদেশ বিরোধী, পাকিস্তানপন্থী একটা দলকে টেনে হিঁচড়ে সরকার পর্যন্ত নিয়ে গেছে স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের কাঁধে ভোটের বন্দুক রেখে। রাজাকারদের পুনর্বাসনকারী বাঞ্চোৎগুলো না থাকলেও তাদের অনুসারীরা তো এখনও বাংলাদেশেই আছে। এই অবস্থায় সাক্ষাৎকার তো প্রচারিত হবেই। কিন্তু, সেই সাক্ষাৎকার কেনো বিনা প্রশ্নে, বিনা বাঁধায় এক পাক্ষিক একটা ভাষণে পরিণত হবে?- আপত্তিটা সেখানেই। যে সাংবাদিকরা গোলাম আযমের সাক্ষাৎকার নিতে গেলো, তারা কি গোলাম আযমের বাল ফালানির জন্য সাংবাদিক হইছে?

অরফিয়াস এর ছবি

মানুষ নামধারী সব অমানুষেরও বিচার করা উচিত.... মজার ব্যাপার হচ্ছে, যুদ্ধপরাধীদের পক্ষে লড়ার জন্য আমাদের দেশে আইনজীবীর অভাব হয়না, এদের পক্ষে কথা বলার জন্য মানুষেরও অভাব হয়না, এদের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো আবার কর্মসূচিও দেয়, মানুষ উঠেপড়ে লাগে এদের বিচার আন্তর্জাতিক মানের হচ্ছে কিনা দেখার জন্য, যখন এরা অজস্র মানুষের খুন করেছে, ধর্ষণ করেছে তখন কোথায় ছিলো এই আন্তর্জাতিক প্রশ্নগুলো?? তখন একটা প্রশ্ন থাকে, বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের কি গর্ব করা উচিত নাকি এদের কীর্তির জন্য আমাদেরও লজ্জিত হওয়া উচিত..

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

মেহদীর স্ট্যাটাসটা মনে পড়ল, এইটুকু দেশে এতো বেঈমান কীভাবে জন্মায় তা একটা রহস্য!
লেখায় গুরু গুরু

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

সচল জাহিদ এর ছবি

চলুক চলুক চলুক


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

shafi.m এর ছবি

চলুক

শাফি।

শ্যামল এর ছবি

ধুগোদা, দারুণ সময়োপযোগী একটা লেখা, অসাধারণ।
যিনি বা যারা গোলামের বক্তব্যের যুক্তিখন্ডন করেছেন তাদের সাধুবাদ জানাই।

মুস্তাফিজ এর ছবি

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা পেশা হিসাবে খুব নিকৃষ্ট পর্যায়ের পেশা গুলোর অন্যতম। আমাদের দেশে খুব কম, মানে খুব কম সাংবাদিকই আছেন যাদের আমরা সত্যিকার অর্থে সাংবাদিক বলতে পারি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, পরিচর্যা, সমসাময়িক ঘটনাবলীর সম্পর্কে সাধারণ ধারণা, সততাবোধ এবং দেশপ্রেমের অভাব এর মূল কারণ। অন্য অর্থে বলা যায় এসব গুনাবলী না থাকাটাই আজকাল সাংবাদিক হওয়ার অন্যতম একটা শর্ত হয়ে দাঁড়ায়।
যারা এসব গুনাবলী কিছুটা ধারণ করে এ পেশায় আসেন তাদের সিংহ ভাগকেই পরবর্তীতে বদলে যেতে দেখেছি সংশ্লিষ্ট মিডিয়া হাউসের নীতিমালার কারণে যাদের বেশীর ভাগের মালিকানাই হয় কোন বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠির হাতে কিংবা নিজেদের লুটপাট কিংবা দূর্নীতি ঢাকা দেওয়ার প্রেসার গ্রুপ তৈরীর জন্য সৃষ্টি।
এদের দালালী করতে যেয়ে এই জীবনে বেশিরভাগ সাংবাদিককেই দেখেছি তাদের মালিকদের পথ ধরে অনৈতিক পথে পা বাড়াতে, সিগারেট কুড়িয়ে টানা ক্লাশের শেষ বালকটি কিংবা সুশিল দেহপসারিনীর এ পেশায় ঢুকে বাড়ি গাড়ির মালিক বনে যাওয়াটা একটু চোখ মেলে তাকালেই দেখা যায়। সে হিসাবে সাক্ষাৎকারের নামে জামাতের বক্তব্য প্রচার একটা স্বাভাবিক ঘটনা।
এই বক্তব্য এমন এক সময় প্রচারিত হয়েছে যখন গোলাম আজমের গ্রেফতার একটা সময়ের ব্যাপার ছিলো এবং গ্রেফতার পূর্ব সহানুভূতি তৈরির লক্ষ্য সামনে রেখেই এটা প্রচারিত হয়েছে। মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার যেহেতু শুরু হয়েছে তা এক সময় শেষ হবেই, রায় যেটাই হউক তাকে প্রশ্নবিদ্ধ/সমালোচনা করার ক্ষেত্র তৈরির জন্য স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রোপাগান্ডার (“যুদ্ধের বিরোধিতা আর যুদ্ধাপরাধ এক নয়, গোলাম আজম যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, যুদ্ধাপরাধ করে নাই”) অংশ হিসাবেই এসব তথাকথিত সাক্ষাতকার প্রচার কিংবা সংবাদ শিরোনামে “'৭১-এর যুদ্ধাপরাধী স্বাধীনতা বিরোধী পাকিস্থানী দালাল গোলাম আজম” না লিখে “জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আজম” লেখা হয়।

Rafi এর ছবি

ভিডিও ফুটেজ টা প্রকাশ করে সেইসব গণ্ডমূর্খ সাংবাদিকদের থেকে আপনি আলাদা তা প্রমান করলেন কিভাবে? আমরা যারা বাঙ্গালী জাতির প্রতিনিধিত্ব করি টিভিতে এই ফুটেজ টা দেখার 'দুর্ভাগ্য' হয়েছিল না, আপনি সেটা আরও আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করে আমাদের দেখালেন , তাই নয় কি? বেপারটা হল আদালতে লোক ভর্তি মানুসের সামনে অস্ত্র মামলার আসামিকে জিজ্ঞেস করা যে আপনি কিভাবে পাইপগান তৈরি করেন।
এই ফুটেজটা দেখার পর কিছু মানুষ তো আছেই যারা রাজাকার গোলাম আজমের কথায় যুক্তি খুজবে আমরা যারা রাজাকারদের ( শু... বা...) বিচার চাই তাদের(যারা রা গো আ এর কথায় পজিটিভ যুক্তি খুজবে)
সেই সুযোগটা তৈরি করে দেব কেন?
ফিচার টা ভালো লেগেছে ভিডিও ফুটেজ টা দেয়া যুক্তিযুক্ত মনে করিনা।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

নিজেকে আলাদা প্রমাণ করার জন্য তো ভাই এই ভিডিও ফুটেজ দেই নাই। বরং নিজে তাদের চেয়েও বড় গণ্ডমূর্খ বলেই এই কাজটা করেছি। কিন্তু আপসুস, এই ব্যাপারটা আপনের মতো জ্ঞানী-গুণীজন বুঝলেন না!

যারা গোলাম আযমের কথায় যুক্তি খুঁজবে তারা এই ভিডিও ফুটেজ এর জন্য অপেক্ষা করে আছে, এমন ধারণা যে বা যারা পোষণ করবে তাদের সাথে কথা বাড়ানোর মতো এলেম আমার নাই। আর সুযোগ তৈরীর কথা যদি জিগান, তাইলে বলতে হয় গোলাম আযমের সাক্ষাৎকার বিনা বাঁধায় সব কয়টা চ্যানেলে প্রচারিত হলে বোধ'য় তাদেরকে সুযোগ দেয়া রহিত হয়, ঠিক না?

ভাই, আপনে আগে দেয়ার ডাক আর গোয়া'র ডাকের মধ্যে পার্থক্য বুঝেন। তারপর কোন ভিডিও'তে কে কী যুক্তি খুঁজবে, সেটা নিয়ে আলোচনা করা যাবে নে।

সাফি এর ছবি

রাস্তায় একটা ঢাকনাহীন ম্যানহোল আছে। একজন এসে একটা সাইনবোর্ড লাগালো - "সাবধান সামনে খোলা ম্যানহোল"। তখন আপনি আইসা বললেন, কেন সাইনবোর্ড লাগালেন? আমরা যারা জানতাম না এখানে ম্যানহোল আছে, তারাও তো এখন জেনে গেলাম। তাই না ভাইড?

নীল ঘূর্ণী এর ছবি

সহমত।।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

কী কারণে যুক্তিযুক্ত মনে করেন না? আপনি বোধহয় ভিডিওটা দেখেননি। ওখানে শুয়োরটার সব কুযুক্তির মোক্ষম জবাব দেয়া আছে। সেটা একবার দেখেন।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

দাদা - নাতি এর ছবি

আপনার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই, কিন্তু ভিডিও তে লিখে লিখে মন্তব্য দেখাটা অনেক ধৈর্যের ব্যাপার

সমস্ত সাক্ষাৎকারটার লিখিত সংস্করণ পাবেন এইখানে http://www.shahriar.info/post-item/5698.html

লিখিত জবাবটা ফাকে ফাকে বসিয়ে দিলে পড়তে আরাম হত আর বাংলাদেশের ইন্টারনেটের জন্যও সুখকর হত

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি

চলুক চলুক দুর্দান্ত!

এই পোস্টটা স্টিকি করার আবেদন জানাই।

___________________
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি না,
স্বপ্নরাই সব জাগিয়ে রাখে।

তানভীর এর ছবি

চলুক

এটা তো স্টিকি হলে ভালো হতো।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

জব্বর!

কল্যাণ এর ছবি

গুরু গুরু গুরু গুরু

দীর্ঘজিবী এই বুড়ো শুয়োরটার চেহারা দেখলেই কেন যেন মুখে থুতু জমে যায়। কত দরকারী লোক অকালে চলে যায়, কিন্তু এই গুঁড়া ক্রিমিটা মরে না, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাড়াতাড়ি এর ফাঁসি দেয়া দরকার। বিছানায় শুয়ে বাংলাদেশে মরলে এর দেহটা দেশের মাটির সাথে মিশে যাওয়ার সুযোগ পাবে, সুদৃশ্য এপিটাফ সহযোগে সগৌরবে খাঁড়া হয়ে থাকবে দিনের পর দিন। তখন আবার ছাম্বাদিক ভায়ারা ক্যামেরা মাইক্রোফোন নিয়ে দৌড়াবে মরনোত্তোর ঘটনবলী কাভার করতে যেন কত না বড় মহামানবের মহাপতন ঘটেছে।

খুব দরকারি পোস্ট।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA