ক্ষমতা এখন আমজনতার তর্জনীতে

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি
লিখেছেন মাসকাওয়াথ আহসান (তারিখ: মঙ্গল, ০১/০৬/২০১০ - ৪:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে গতি সঞ্চার করেছিলো রেল যোগাযোগ।ভারতবাসীর ক্ষোভের মশালটাকে রেলগাড়ীতে করে সারা ভারতে বয়ে বেড়িয়েছেন গান্ধীজী।শিক্ষিত সচেতন সমাজ রেল যোগাযোগের দ্রুতিকে কাজে লাগিয়ে দেশপ্রেম আর জাগরণের বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন জনসমুদ্রে।
র্যা ডক্লিফের পেন্সিলের খোঁচায় ভারত বিভাজিত হলে ট্রেন টু পাকিস্তান বা ইন্ডিয়ার ট্রাজেডী নেমে আসে।ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবে ব্যবহৃত রেলগাড়ীতেই সঙ্ঘটিত হয় ভারতবর্ষের স্প্যানীশ বেদনাগাথা।

ব্রিটিশ আমলারা যেভাবে রাণীমাতাকে অজনপ্রিয় করে তুলেছিলো, সেই প্রায় আদিম কৌশলের প্রেতাত্মা আজো দৃশ্যমান ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রে। ফেসবুক ইস্যুতে লর্ড ক্লাইভ ইসলামাবাদ এবং ঢাকায় দুরাত কাটালেন।সেনাকর্মকর্তা তথ্যনিয়ন্ত্রক আমলাদের দিয়ে কাজটা করিয়ে নিলেন। এখনো তার আক্ষেপ রেলযোগাযোগ বন্ধ করে দিলে ওই প্রতিক্রিয়াশীল মধ্যবিত্ত নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারতো না। কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিলে আরো ভাল।আহ যদি কেবল অল ইন্ডিয়া রেডিওটাই থাকতো।বিলেত ফেরত নেটিভরা চারুলতার বাড়ির নীচতলায় পত্রিকা ছাপাতে শুরু করেছিল। রেল গাড়িতে করেই সেগুলো সারা ভারতে ছড়িয়ে গিয়েছিল।পাকিস্তানের আমলাকে ক্লাইভ বল্লেল, তোমার তো কোন অসুবিধা নেই মোল্লার দেশ।কাজটা অনেক সহজ।বাংলাদেশ নিয়ে ঝামেলা আছে। জাযগাটা ব্রিটিশ আমল থেকেই ভারতের অন্য এলাকার তুলনায় অসাম্প্রদায়িক।খানিকটা মিস্টিক।বাংলাদেশে মোল্লাদের মিছিলটা আকারে অনেক ছোট।তাই রাণীমাতার অবমাননা ইস্যুটাকেই কাজে লাগাও।

বাংলাদেশ জনপ্রশাসনে অনেক দক্ষ দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা আছেন। কিন্তু যোগ্যলোকের পদায়ন যে হচ্ছে না, সেটা যে সরকারের জনপ্রিয়তার সূচক রাতারাতি নামিয়ে দেবার মত সুইসাইডাল হতে পারে তা বোঝার মত বুদ্ধাংক আওয়ামী লীগের নেই, ভাবতে হতাশ লাগে।

কিংবা লর্ড ক্লাইভ বুঝিয়েছে ফেসবুকে মধ্যবিত্ত সংগঠিত হচ্ছে, গরীব মানুষের মিডিয়া হয়ে যাচ্ছে অনলাইন।আত্মকেন্দ্রিক উচ্চবিত্ত যখন গোল্ড কার্ড খরচ করে অনলাইন ফ্রয়েড নিয়ে ব্যস্ত মধ্যবিত্ত ছোকরা গুলো তখন এক ধরণের দেশপ্রেমের নেশায় বুঁদ।সূর্যসেন কিংবা মঙ্গল পান্ডের মত প্রোফাইল ছবি।গরীব মানুষগুলো কোন কম্যুনিটি সাইবার ক্যাফের হাত ধরে এই পরিবর্তনের মিছিলে যোগ দিলে রক্তপাতহীন রেশমী বিপ্লব ঘটে যেতে পারে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভবত অভিমন্যুর অগ্নি ল্যাবিরিন্থ, ঢোকার পথটাই শুধু জানা ছিল তার।এই শ্লোগানের মশাল নিয়ে ব্রুট মেজরিটির মখমল অভিষেক নেবার সময় লর্ড ক্লাইভ আক্ষেপ করে মেইল করেছিলেন, রেলগাড়ির মত সর্বনাশা হতে পারে ইন্টারনেট।

খুব বেশীদূর নয়, ফেসবুকের অনুপস্থিতিতে sachalayatan.com বা e-bangladesh.org ক্লিক করে লর্ড ক্লাইভ সূর্যসেন, প্রীতিলতাদের দেখতে পায়।আন্তর্জালের পথ ধরে একটা মিছিল চারপাশ থেকে ক্ষমতা কাঠামোকে ঘিরে ফেলেছে।রাজনীতিক কিংবা আমলা শূণ্যে মাউস তুলে যখন ক্লিক করতে চেষ্টা করছেন, লাখ লাখ তরুণ তরুণী তখন আস্থা এবং ঐক্যের সামাজিক যোগাযোগের মিছিলে যোগ দিচ্ছে।শাসক এবং ব্যবসা সফল গোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতার সূত্র কিংবা লুটপাটের ষড়যন্ত্রের আলোছায়া স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন।

স্কুল পালানো ছেলে বিলগেটস কী বাত্তি লাগাইলো যে রাষ্ট্রগুলোর শাসকদের সাজানো পাশার চালগুলো খেলাঘরে শিশু দাবাড়ুদের কাছেই হাস্যকর লাগছে।এতোদিন রাষ্ট্রীয় বা কর্পোরেট মিডিয়ায় যে নিরন্তর বামন সাফল্যগাথা দেখানো হয়েছে, তা আজকাল যেন সার্কাস বিনোদন ।

একদিন ঝড় থেমে যাবে, পৃথিবী আবার শান্ত হবে, বসতি আবার উঠবে জেগে, জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে, এই ভাবালুতাগ্রস্ত জীবন মুখী গানটি আর যেন অপ্রাসঙ্গিক নয়, আন্তর্জালে লাখ লাখ পৃষ্ঠায় যেখানে পরাজিতের ইতিহাস লেখা হচ্ছে, সেখানে আয়োডিনের অভাবগ্রস্ত ভাড়া করা ভাঁড় বুদ্ধিজীবী, দালাল সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ মুহুরী আর পরগাছা আমলা গোমেস্তাদের দিয়ে আর কী লেখাবেন শাসকেরা।

এবার বরং তারা সার্টিফিকেটগুলো জাদুঘরে জমা দিয়ে বিজয়পিতাদের দিয়ে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীতে কম্পিউটার শিখুন।তার পর আপনাদের প্রিয় মোল্লাদের নিয়ে পরাজিতের ইতিহাস পড়ুন।পবিত্র কুরআনের প্রথম শব্দটাইতো ইকরা।বিদ্যা অর্জনের জন্য চীন দেশে না গিয়ে, আন্তর্জালে আসুন।আমি জানি সেটা ক্ষমতা হস্তান্তরের মত মনে হচ্ছে।ঠিকই ধরেছেন।রাণীমাতাযুগল!কেউ আপনাদের ঐটুকু ক্ষমতার পরোয়া আর করেনা। ।ক্ষমতা এখন আমজনতার তর্জনীতে।


মন্তব্য

নৈষাদ এর ছবি

চলুক... চমৎকার লাগল আপনার প্রকাশের ভঙ্গিটা।

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

ভালো লাগলো আপনার প্রশংসার ভঙ্গিটা।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

ধন্যবাদ। ফ্রান্সিস বেকনের মত টাইটেলটা।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

নৈষাদ এর ছবি

হিমু, ব্যাক্তিগত ভাবে আমি কার্টুন এবং ক্যারিকেচারের দারূণ ভক্ত। আপনার ‘অলঙ্করণ’ গুলি কিন্তু চমৎকার হচ্ছে (এবং সাজ্জেস্টিভ)। (রথেতো রাণীমাতা, তবে যে নাম দিলেন অফ মাউস এন্ড ম্যান... নাকি রাণীমাতা(দ্বয়) এবং সিম্পল মাউস ক্লিক যে দেশের তাবত ‘ম্যানদের’ চালাচ্চে তারই ইঙ্গিত দিলেন...।)

হিমু এর ছবি

বোঝাতে চাইছিলাম যে মাউস যার, মূকুটও তার। রথে আমজনতার একজনই দাঁড়ানো [পুংলিঙ্গ, খুব খিয়াল কইরা]। রাণীমাতারা আউট অব দ্য বিল।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

নৈষাদ এর ছবি

'লিঙ্গ' নিয়ে কনফিউসনে পুরো মিসইন্টারপ্রিটেশন। মনে হয় কন্ডিশন্ড হয়ে গেছি - রাণীমাতাদের দেখতে দেখতে মূকুট দেখলেই কনফিউজড...।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ঃ)

আরিফ জেবতিক এর ছবি

আর যাই করেন, শনিবারে ছবি আইকেন না। শনিবারের ছবি প্যাটেন্ট করা। শনিবারে তারা একেছিনু ছবি।@ হিমু

মামুন হক এর ছবি

লেখা ভালো হইসে, কিন্তু আসল ক্ষমতা কি আসলেই আম জনতার তর্জনীতে?

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

নির্বাচন কমিশন অভ্রকে নিয়ে, সামনে সংসদ নির্বাচনে ই-ভোটিং করাতে পারলে হয়ত উত্তরটা পাওয়া যাবে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি

লেখাটা ভালো লাগলো। এই অর্থে যে, ঘটমান বিষয়ে লেখাটি একটি ভাষিক কাঠামো দিল।

পৃথিবীর তাবত সরকারকে ধীরে ধীরে দুর্বল করা দরকার। লক্ষ করুন, অকার্যকর নয়, দুর্বল। একটা কার্যকর দুর্বল সরকারেই ক্ষমতা সত্যিকার অর্থে আমজনতার তর্জনীতে থাকতে পারে।

লর্ড ক্লাইভের নানা চালের ভিড়ে আরেকবার একজন কার্টুনিস্টের উপর যে নিষ্পেষণ চলছে, আমরা সে ব্যাপারটা ভুলে যাচ্ছি। ফেইসবুক আজ নয়তো কাল মুক্ত হবে, কিন্তু দুর্বল কিছু মানুষকে শক্তিশালী ক্ষমতাবান গোষ্ঠী বিনা বিচারে অত্যাচার করেই যাবে। আমাদের এই ব্যাপারটাতে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। গতবারও সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন ছিল আরিফুর রহমানের ব্যাপারে। যথেষ্ঠ হই নি। আমরা অনেকে হয়ত আর্মি আর হুজুরের ভয় পেয়েছি। এবারেও হয়ত পাবো মিলিটারীর, র্যাবের, ছাত্রলীগের বা পছন্দের দলের বিপক্ষে যাবার ভয়।

এগুলো অতিক্রম করতে হবে। ফেইসবুক অনেক বড় সংগঠন, এটা বন্ধ হলে আমাদের সকলের অধিকার হরণ হয়, তাই আমরা এ ব্যাপারে সোচ্চার। কিন্তু একজন কার্টুনিস্টকে যখন জেলে যেতে হয়, তখন আমরা চুপ থাকি, কারণ ওটা আমজনতার ক্ষমতা খর্ব করে না। তেমনটাই আমরা ভাবি। কিন্তু ওখানেই কিন্তু ক্ষমতাবান তার ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে নোংরা চর্চাটা করে। একজন কার্টুনিস্টকে জেলে পাঠিয়ে গণমানুষের মানসিক ক্ষমতাকে কিন্তু ধর্ষণ করে দেয়া হলো। নীরবে। মনে মনে। যাতে করে ওই কালো হাতের অবৈধ ক্ষমতা নিয়ে আমরা আর চিন্তাও না করি।

ক্ষমতা এখনো কালো হাতে, আমরা ক্ষমতা-ধর্ষিত গণস্বার্থপর আফিমখোর আমজনতা। ইন্টারনেট তাকে একত্র করতে পারে, মুক্তি দিয়ে দিতে পারে না। নিজেকেই নিজে জাগাতে হবে।

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

ধন্যবাদ। আপনার পর্যবেক্ষণে সহমত।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

সাইফ শহীদ এর ছবি

রাণীমাতাযুগল! কেউ আপনাদের ঐটুকু ক্ষমতার পরোয়া আর করেনা।

এক সামান্য কথার জন্যে আজই জার্মান প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। কিন্তু আমাদের 'তেনারা' কি কখনো এসব দেখে শিখবেন???

সাইফ শহিদ

http://www.saifshahid.com

সাইফ শহীদ

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

তেনারা শিখবেন কী! আমাদের রাণীমাতা যুগল সব জানেন !!

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

প্রখর-রোদ্দুর এর ছবি

একদিন ঝড় থেমে যাবে, পৃথিবী আবার শান্ত হবে, বসতি আবার উঠবে জেগে, জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে, এই ভাবালুতাগ্রস্ত জীবন মুখী গানটি আর যেন অপ্রাসঙ্গিক নয়, আন্তর্জালে লাখ লাখ পৃষ্ঠায় যেখানে পরাজিতের ইতিহাস লেখা হচ্ছে, সেখানে আয়োডিনের অভাবগ্রস্ত ভাড়া করা ভাঁড় বুদ্ধিজীবী, দালাল সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ মুহুরী আর পরগাছা আমলা গোমেস্তাদের দিয়ে আর কী লেখাবেন শাসকেরা।

আহা!
আম জনতার তর্জনীতে আসুক দিন - আমরা চলি যেন সেই আলোর মিছিলে ।

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

কিংবা প্রখর রোদ্দুরের মিছিলে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

অতিথি লেখক এর ছবি

লেখাটি পড়ে ভাল লাগলো। দেশে এমনি সাহসী উচ্চারণের দরকার। অবশ্য, সামাজিক ওয়েবসাইটে এই ধরনের উচ্চারণ চোখে পড়ে। আর সেজন্যেই তেনারা ক্ষমতার মসনদে থেকে ভয় পাচ্ছেন তারুণ্যকে। প্লিজ, নতুন প্রজন্মকে বুঝতে শিখুন, মিছে ভয় পাবেন না। কিছু চাটুকার হয়তো আপনাদের ভুল বোঝাচ্ছেন। এদের থেকে বেরিয়ে আসুন। তারুণ্যকে বুঝতে শিখুন। কারণ, এই তারুণ্যই সামনের দিনগুলোতে কাজে আসবে।

মাসকাওয়াথ আহসান, ভাইয়া আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

সাদ আব্দুল ওয়ালী
তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালেখিতে সচেষ্ট
(আমারদেশ, টেকনোলজি টুডে)

নিবন্ধন নাম: ওয়ালীসার্চ
ই-মেইল:

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

ধন্যবাদ ওয়ালী। লেখার চেষ্টাটা যেন জারী থাকে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

স্পর্শ এর ছবি

বিদ্যা অর্জনের জন্য চীন দেশে না গিয়ে, আন্তর্জালে আসুন।আমি জানি সেটা ক্ষমতা হস্তান্তরের মত মনে হচ্ছে।ঠিকই ধরেছেন।রাণীমাতাযুগল!কেউ আপনাদের ঐটুকু ক্ষমতার পরোয়া আর করেনা। ।ক্ষমতা এখন আমজনতার তর্জনীতে।

খাটি কথা। চলুক


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

অণুপ্রাণিত বোধ করছি, ধন্যবাদ।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

চমৎকার !!!

অবশ্যই প্রচলিত গণমাধ্যমগুলোর চেয়ে আন্তর্জাল এখন অনেক বেশি কার্যকরী এবং দ্রুততর মাধ্যম...

ফ্রান্সিকো পিঁজারোদের চালাকিতে বোকাসোকা আতাহুয়াল্পারা এই যুগে আর ভুলবে না...

_________________________________________

সেরিওজা

সাইদুল এর ছবি

কবে আমাদের (প্রশাসকদের) বোধোদয় হবে।

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

সভ্যতা চালাক যুগের অন্ধকার গ্যাস চেম্বার থেকে বেরিয়ে বোকা আলোয় আরেকবার অক্সিজেন নিতে চায়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

আলোর মিছিল এগিয়ে যাক, সমস্ত শক্তি ও অহংকার নিয়ে আঘাত করুক ঘুমন্ত পশুদের বুকে ... ওরা যেনো মানুষ হয়ে জেগে উঠে ...

===============================================
ভাষা হোক উন্মুক্ত

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

চমৎকার !!!

-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

তাসনীম এর ছবি

দারুণ।

ফর দ্য রেকর্ড, সচল হওয়ার পর প্রথম পাঁচতারা আপনার এই লেখাতেই দিয়েছি হাসি

++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

ভাল্লাগলো।

-----------------------------------------------------------------
অভ্র আমার ওংকার

কনীনিকা এর ছবি

চলুক

------------------------------------------------------------------
It is impossible to be a mathematician without being a poet in soul.

------------------------------------------------------------------
It is impossible to be a mathematician without being a poet in soul.

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

দারুণ লাগলো
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

নীড় সন্ধানী এর ছবি

আগের যুগে কাজী নিজ কানে শুনে বিচার করতো, এখনকার কাজী অন্যের মুখে ঝাল খেয়ে বিচার করে। ফলাফল যা দেখছি তার চেয়ে ভালো হবার কথা নয়।

পদায়ন গুলো ঠিক হচ্ছে না। এই কথার সাথে সম্পূর্ন একমত। মুষ্টিকয়েক ব্যতিক্রম বাদে, প্রযুক্তিকে ভয় পায় না এমন প্রবীণ কর্মকর্তা রাজনীতিবিদ মেলা ভার। আর সেখানে যদি মোস্তফা জব্বারের মতো ডিজিটাল ব্যক্তিত্ব থাকে তাহলে তো কথাই নেই।

তর্জনীর জয় হোক।

-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
সেই সুদুরের সীমানাটা যদি উল্টে দেখা যেত!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক

>>>আইজুদ্দীন<<<

সাইফ তাহসিন এর ছবি

নমস্য: আপনে গুরু গুরু গুরু গুরু
অসাধারণ প্রকাশভঙ্গী, পড়ে মাথা ঝিমঝিম করতেছে, আমাদের ক্ষমতাবান দেশবাসীদের অপারেটিং সিস্টেম এতই পুরানো যে কি বলব! কিছুটা ডস প্রম্প্টের মত, না জানলে দেখে কিছু করতে পারবেন না, তাদের আপগ্রেড করা জরুরী। আর তারচেয়েও বড় সমস্যা তারা কেউ আপগ্রেড হবেন না বলে গোঁ ধরে বসে আছেন।

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

মাসকাওয়াথ আহসান এর ছবি

"বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী," আপনাকেও অভিবাদন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনি,নইলে কোন দিন নয়।

অতিথি লেখক এর ছবি

ভাল হইছে।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।