সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতিঃ মেধার মূল্যায়ণ

রাফি এর ছবি
লিখেছেন রাফি (তারিখ: শনি, ১৯/০৭/২০০৮ - ৯:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই পোস্টের উদ্দেশ্য ব্লগার “অছ্যুৎ বলাই” এর "পাবলিক পরীক্ষা ও কলেজ-ইউনি ভর্তিপরীক্ষা" পোস্টের জবাবে কিছু তথ্য দেয়া। আকারে বড় বিধায় আলাদা পোস্ট হিসেবে দিতে হল।

সরকার একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু নিয়ে হোচঁট খাবার পর সম্প্রতি(২০০৮ সালের প্রথম দিকে) একটি নতুন পরীক্ষা ব্যবস্থা কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন(অন্যনাম সৃজনশীল প্রশ্ন; কাঠামোবদ্ধ নামটাই নাকি ভয় ধরান) চালু করার চেষ্টা চালায়। সেটা প্রায় বাস্তবায়নের দিকে চলেই গিয়েছিল, সমস্যা হল সরকার এ বিষয়ে স্কুলের শিক্ষকদের পরিপূর্ন ধারনা দিতে ব্যর্থ হয়। মফস্বলের বিদ্যালয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠায় একেবারে শেষ পর্যায়ে, মাত্র দুইদিনের একটা কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষকদের সেরকম প্রশ্ন তৈরির প্রশিক্ষন দেয়া হয়; যা পদ্ধতি সম্বন্ধে সম্যক ধারনা দেয়ার পরিবর্তে শিক্ষকদের আতংকগ্রস্ত করে তোলে। অনেক শিক্ষক স্কুলে ফিরে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের জানান যে এই পদ্ধতি চালু হলে পাশের হার অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে,GPA 5 পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে।

আরেকটি সমস্যা ছিল সরকার এই পদ্ধতি প্রস্তাব করে নবম শ্রেনী হতে অর্থাত ২০১০ সালের এস.এস.সি হতে পাবলিক পরীক্ষায় এর বাস্তবায়নের কথা ছিল। সরকার আরেকটি বিষয়ের উপর জোর দেয়- পাবলিক পরীক্ষার কোন প্রশ্নই মূলবই অথবা বাজারে প্রচলিত কোন গাইডবইয়ের হুবহু হতে পারবে না; তবে পরীক্ষার প্রশ্ন সম্বন্ধে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের তৃণমূল পর্যায়ে অবহিত করার লক্ষ্যে NCTB গাইড প্রকাশনা সংস্থাগুলোকে এ ধরনের মডেল প্রশ্ন সম্বলিত বই বাজারে ছাড়ার জন্য নির্দেশনা দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই নতুন পদ্ধতি আলোর মুখ দেখেনি। গ্রামাঞ্চলের শিক্ষকরা নীতিনির্ধারকদের বিবেচনাবোধের উপর আস্থা রাখলেও ঢাকার অভিভাবকবৃন্দ প্রকাশ্যে বিক্ষোভ শুরু করেন; বুদ্ধিজীবি মহলে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং সকলের বিরোধিতার মুখে একেবারে শেষ মুহুর্তে সরকার পদ্ধতিটি বাতিল করে. এবং ২০০৯ সাল থেকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেনীতে এটি চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

আসুন দেখি পদ্ধতিটি কেমন—
এ পদ্ধতিতে সকল বিষয়ে ৬০%(যে সমস্ত বিষয়ে ব্যবহারিক আছে তাতে ৪০%)প্রশ্ন থাকবে কাঠামোবদ্ধ আর ৪০% থাকবে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন। তবে মুল বিষয় হল প্রশ্নের বিন্যাস এমন হবে যাতে কোন শিক্ষার্থী শুধু মুখস্থ করে খুব বেশি নম্বর অর্জন করতে না পারে।

কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নঃ
কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন বলতে বোঝায় প্রশ্নটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত। এ ধরনের তিনটি বা চারটি অংশ থাকবে। প্রত্যেকটি কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নের প্রথম অংশের উত্তর দেয়া সহজ, পরবর্তী অংশগুলো ক্রমশ কঠিন। সকল কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন একটি দৃশ্যকল্প দিয়ে শুরু হবে; ঐ
দৃশ্যকল্পটিতে অধীত বিষয়ের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নের জন্য ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে(১-২-৩-৪ অথবা ২-২-৪).

বহুনির্বাচনী প্রশ্নঃ
এ ধরনের প্রশ্নেরও তিনটি ধাপ থাকবে।

ক) সাধারন বহুনির্বাচনী প্রশ্নঃ এ ধরনের প্রশ্নের সূচনা প্রশ্নের আকারে অথবা অসম্পূর্ন বাক্য হিসেবে দেয়া থাকবে। ৪ টি বিকল্প উত্তর থাকবে, যার মধ্যে একটি সঠিক উত্তর। সোজা কথায় এটিই বর্তমানে প্রচলিত MCQ.

খ) বহুপদী সমাপ্তিসূচক প্রশ্নঃ এস.এস.সি পরীক্ষার জন্য এ ধরনের প্রশ্ন নতুন। এর ব্যবহারে বৈচিত্র্য আসবে এবং মুখস্থনির্ভর নয় এ ধরনের প্রশ্ন তৈরী করা সহজ হবে। এ ধরনের প্রশ্নের সূচনাতে ৩ টি তথ্য দেয়া থাকবে। এগুলো সম্পর্কিত ৪ টি উত্তর থেকে ১টি শিক্ষার্থীকে বাছাই করতে হবে।

গ) অভিন্ন তথ্যভিত্তিক প্রশ্নঃ এতে সরবরাহ করা একই তথ্য থেকে কয়েকটি প্রশ্ন করা হবে। প্রশ্নগুলো পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত হবে। প্রশ্নটির কাঠামো বহুপদী সমাপ্তিসূচক অথবা অভিন্ন তথ্যভিত্তিক হতে পারে।

জানিনা আমি কতটুকু বোঝাতে পারলাম।তবে আমি যেহেতু পদ্ধতিতে একটি প্রকাশনা সংস্থার মডেলপ্রশ্ন সম্বলিত বই লেখায় জড়িত ছিলাম, আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি প্রচলিত পদ্ধতির বিপরীতে এ পদ্ধতিটি দারুন কার্যকরী হবে। শুধু এস.এস.সি নয়, সকল পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন চালু করলে তাতে আমাদের দেশের শিক্ষার হার শুধু নয় শিক্ষার মানও বাড়বে। তবে যে কোন নতুন পদ্ধতি চালুর পূর্বে অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিক্ষার্থী্দের জানানো ও শিক্ষকদের মতামত গ্রহন ও প্রশিক্ষন প্রদান অত্যাবশ্যক। এবং সরকারকেই তা করতে হবে।

প্রচলিত গ্রেডিং পদ্ধতির সংস্কারের ক্ষেত্রে ৫ নম্বরের ব্যবধানে গ্রেডিং ও গ্রেড পয়েন্ট(যা বর্তমানে বুয়েটে চালু আছে) করা উচিত। আমি আশাবাদী।কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন এবং তার সাথে সংশোধিত এই গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হলে আমি মনে করি গ্রেডিং পয়েন্ট মেধার মূল্যায়নে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।এবং কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে বয়সের জ্যেষ্ঠতা অথবা লটারীর মত হাস্যকর পদ্ধতিরও অবসান ঘটবে।


মন্তব্য

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

সরকারের সাম্প্রতিক চিন্তাভাবনা সম্পর্কে অবহিত করে এবং প্রশ্নপত্রের ধরণ নিয়ে চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

তবে পদ্ধতিটি নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে যে আতঙ্ক বিরাজ করেছে, তা আমাকেও কিছুটা হলেও স্পর্শ করলো। পদ্ধিতিটি কাগজে কলমে যেমন, বাস্তবায়নও যদি তেমন হয়, তাহলে পরীক্ষার্থীদের জন্য আসলেই ভোগান্তির ব্যাপার হবে। পদ্ধতিটি কেন জটিল, তা সম্পর্কে আলোচনা করা যাক:

১। প্রত্যেক বিষয়ের প্রত্যেক প্রশ্নকেই কাঁঠামোতে ফিট করা সহজ কাজ নয় এবং তার দরকারও নেই। উদাহরণস্বরূপ, বাংলা সাহিত্যের কোনো প্রশ্নের কথা ধরুন, যেখানে যাচাই করা হবে পরীক্ষার্থীর বাংলা লেখার দক্ষতা। সেক্ষেত্রে, ক্রিয়েটিভিটির অংশটুকু কি হবে, তা ডিফাইন করা অসম্ভব না হলেও খুব কঠিন কাজ।

২। পরীক্ষা এখনও একটা বৃহৎ সংখ্যক ছাত্রের জন্য ভীতিকরা কাজ। পরীক্ষার হলে মাথা খাটিয়ে উত্তর বের করার জন্য শুধু মেধা না, মানসিকভাবে শক্ত হওয়া দরকার। ৯৯% ছেলেরই এই বিষয়টা পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই বলেই মনে করি। সেক্ষেত্রে ক্রিটেভিটির অংশটা প্রত্যেক প্রশ্নেই জুড়ে দিলে একটা একটা পরীক্ষা শেষ করতে এদের ওপর যে মানসিক ধকলটা যাবে, তা সামলাতে গিয়েই অসুস্থ হয়ে পড়বে।

৩। প্রত্যেকেরই ক্রিয়েটিভ হওয়ার দরকারও নেই। যারা পাস করতে পারলেই খুশী, সিলেবাসের ৫০% পড়তেই যাদের নাভিশ্বাস ওঠে, তাদেরকে ১০০% পড়তে বাধ্য করে ক্রিয়েটিভ করতে গেলে হিতে বিপরীত হবে।

৪। পদ্ধতিটি আসলেই বাস্তবায়ন করতে গেলে ফেলের হার ভয়াবহ রকমে বাড়বে, জন-অসন্তোষ সৃষ্টি হবে। শেষ পর্যন্ত অসন্তোষ ঠেকাতে প্রশ্নপত্র সহজ করা হবে, যাতে সিস্টেমটির আসল উদ্দেশ্যই মার খাবে।

৫। তবে গতবাঁধা প্রশ্ন মুখস্ত করা ঠেকাতে প্রাথমিক চিন্তা হিসেবে এটা একটা ভালো পদক্ষেপ। এর থেকে কি করতে হবে, বা কি করতে হবে না, তা সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায়।

-------
একটি সিস্টেমকে সার্বিকভাবে প্রয়োগ করতে গেলে তা যতোটা সম্ভব সহজবোধ্য হওয়া দরকার। টার্গেট ঠিক করে টার্গেট পুরণের জন্য সবচেয়ে সহজ পথটা ধরাই বেস্ট অপশন। এক্ষেত্রে টার্গেট যারা বই পড়ে, তাদেরকে পাস করানো, যারা বই পুরোটা পড়ে, তাদেরকে আরো ভালোভাবে পাস করানো এবং যারা বই পুরোটা পড়ে এবং ক্রিয়েটিভিটিও আছে, তাদেরকে ক্রিয়েটিভির জন্যও মূল্যায়ন।

এক্ষেত্রে সহজ সিস্টেম হলো, কিছু প্রশ্ন পাসের জন্য রাখা (কমন পড়া সিস্টেম), কিছু প্রশ্ন ভালোভাবে পাসের জন্য রাখা (বই পুরোটা পড়ানো সিস্টেম), কিছু প্রশ্ন ক্রিয়েটিভিটির জন্য রাখা (অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগ) । বিভাজনটা 'প্রত্যেক' প্রশ্নে না রেখে কিছু প্রশ্নে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত, সবাইকে একই সিস্টেমের মধ্য দিয়ে যেতে বাধ্য করার দরকার নেই; কারণ, আইনস্টাইন সবাইকে হতে হবে না।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

এই পোস্টে অন্যান্যদেরও বক্তব্য চাই। তর্ক-বিতর্ক-মাইরপিট নিয়া টেনশন কইরেন না। মারপিট যা হয় নেটে হোক, দেশ একটা কাজের শিক্ষাব্যবস্থা পাক।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

রাফি এর ছবি

কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার সাথে দ্বিমত পোষন করছি--
১) পরীক্ষা ব্যাপারটিতে ক্রিয়েটিভ ব্যাপারটাকে অবশ্যই বাধ্যতামূলক করতে হবে, আইনস্টাইন সকলের হ ও য়ার দরকার নাই ঠিক কিন্তু আইনস্টাইন হতে গেলে যে বেসিক জ্ঞানটুকু লাগে তা নিশ্চিত করা না গেলে শিক্ষাপদ্ধতি পুরোপুরি ব্যর্থ হবে.
২) নতুন পদ্ধতিতে পাশের হার অনেকাংশে কমে যাবে এই সন্দেহ আমার কাছে অমূলক বলেই মনে হয়। কারন কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নের প্রথম দুইটি অংশ মুখস্থ করে জবাব দেয়া সম্ভব এবং তা মোট নম্বরে প্রায় ৩০ শতাংশ।বাকি প্রশ্নগুলোতে আংশিক নম্বর(partial mark) দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেটা নিশ্চিত হলে পাশের হারে কোন ধ্বস নামবে না যদি তারা আসলেই যোগ্য হয়।

------------------------------------
অর্থ নয়, কীর্তি নয় ,স্বচ্ছলতা নয়-
আরো এক বিপন্ন বিস্ময়
আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভেতরে
খেলা করে;
আমাদের ক্লান্ত করে;

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

১ বিষয়ে, ক্রিয়েটিভিটির বিষয়টা বাধ্যতামূলক করা গেলে খুবই ভালো হতো। কিন্তু এটাকে বাস্তবসম্মত মনে হয় না। আর খুব একটা দরকারও নেই। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য কাজের ক্ষেত্রও বিবেচনা করা দরকার। সব কাজে একাডেমিক শিক্ষার ওপর বেইজ করে সৃজনশীলতা দরকারও নেই।

২এ আপনার তোলা পয়েন্টটা আমিও ভেবেছিলাম। প্রশ্নের পার্শিয়াল মার্ক্সের মাধ্যমে যোগ্যতার শ্রেণী বিভাগ আইডিয়া ভালো। কিন্তু একটা ছোট্ট ফাঁক আছে। ওই পদ্ধতিতে সারা বই না পড়ে পাস করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে। যেমন ধরেন, ১০টা প্রশ্ন আছে, যার প্রত্যেকটাই কাঠামো অনুসরণ করে। প্রতিটা প্রশ্ন ১০ মার্ক্সের, যার ভাগ ২, ২, ৩, ৩। লাস্ট ৩ মার্ক্স ক্রিয়েটিভিটির। এখন একটা ছেলে যে বইয়ের ৫০% ভালো করে পড়েছে; কিন্তু পরীক্ষার হলে মাথায় বাড়তি চাপ নিতে পারে না, সে সর্বোচ্চ ৩৫ মার্ক্সের (5*(2+2+3)) উত্তর করতে পারবে। এই সংখ্যাটা বইয়ের ৮০% ভালো করে পড়া একটা ছাত্রের ক্ষেত্রে ৫৬ এ গিয়ে দাঁড়াবে। তাহলে শুধু পাস করতে গেলেই বইয়ের অন্তত ৭০-৮০% ভালো করে পড়তে হবে।

বিষয়টা বাস্তব-সম্মত নয়। সীমাবদ্ধ টাইমফ্রেমে নেয়া একটা পরীক্ষার হলে মাথা পুরাপুরি ঠান্ডা রেখে ক্রিয়েটিভি প্রয়োগ করতে পারা স্টুডেন্ট হাজারে ১টা পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ।

তবে ওভারঅল আপনার পোস্ট থেকে বেশকিছু ভালো আইডিয়া পেয়েছি। পুরো ব্যাপারটার ওপরে সময় করে একটা বড়সড় পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

রাফি এর ছবি

দিন লেখা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। ব্যাপারটার সুরাহা করা দরকার; নিজের ভেতর জেগে থাকা যুক্তিগুলোর বিপক্ষ যুক্তিগুলোও শোনা দরকার।

---------------------------------------
অর্থ নয়, কীর্তি নয় ,স্বচ্ছলতা নয়-
আরো এক বিপন্ন বিস্ময়
আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভেতরে
খেলা করে;
আমাদের ক্লান্ত করে;

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

গৌতম এর ছবি

সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি বিষয়টা আসলে কী এটা নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। পড়ে মন্তব্য করলে উপকৃত হবো - http://www.sachalayatan.com/goutam/14007
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ ::: ফেসবুক

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

selina এর ছবি

রাফি ভাইয়ের লেখার রেফারেন্স ধরে সৃজনশীল বিষয়ের উপর একটি সাইট শেয়ার করতে চাচ্ছি। সেটি হলোঃ www.srijonshil.com । এইখানে বেশ অনেকগুলো সৃজনশীল প্রশ্ন আলোচনা করা হয়েছে। সেইসাথে সৃজনশীল প্রশ্ন যাতে ভালোভাবে উত্তর করা যায় সেইজন্য এই সাইটটিতে কঠিন কঠিন বিষয়ের উপর ভিডিও টিউটোরিয়াল দেয়া আছে। সেই সাথে এইখানে মডেল টেস্ট দেয়ারও ব্যবস্থা আছে (তৃতীয় শ্রেণী থেকে বিসিএস পর্যন্ত)। ইচ্ছা করলে এইসব পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সারা বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিজের মেধা যাচাই করতে পারেন।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।