অভ্র, বিজয়, চুইংগাম

অভ্রনীল এর ছবি
লিখেছেন অভ্রনীল (তারিখ: রবি, ১৮/০৪/২০১০ - ১২:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‌॥০॥

খবরটা পাই গত কালকে। মিথ্যা খবরটা পড়েই প্রচন্ড রাগে মেজাজটা খিঁচড়ে গেল। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা করলাম মেজাজটাকে বাগে আনতে। মেজাজটা বাগে আসলেও কিছু লিখতে ইচ্ছা করছিলনা। তাই আজকে আবার বসলাম ব্যাপারটা নিয়ে। ইতিমধ্যে দেখলাম হিমু ভাই একটা পোস্ট করেছেন। তারপরও মেজাজটাকে ঠান্ডা করার আর কোনো বিকল্প কিছু না দেখে নিজে আরেকটা লিখলাম। যদি কারো বিরক্তি উদ্রেক করে থাকি সেজন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

॥১॥

যখন দেখতাম লোকজন কম্পিউটারে বাংলায় লিখতো, খুব আশ্চর্য হতাম। এটা কিভাবে সম্ভব? খোঁজ নিয়ে জানলাম, বিজয় নামে এক সফটওয়্যার দিয়ে নাকি বাংলা লেখা যায়। সেই সফটওয়ারের আবার বেজায় দাম। আমি তখন মোটামুটি বাচ্চা মানুষ, নটরডেমে পড়ি। বিজয় কেনার সামর্থ্য আমার ছিলনা। তাই এক আত্মীয়ের কাছে যখন শুনলাম যে তার পিসিতে বিজয় আছে, জীবনে প্রথমবারের মত বাংলা লেখার লোভে তার বাসায় পড়িমরি করে ছুটে গেলাম। আগ্রহ নিয়ে পিসির সামনে বসে পিসি অন করে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম। সে সময় বিজয়ের একটা বুটআপ স্ক্রিন দেখাতো। (এখনো দেখায় কিনা জানিনা) সেই স্ক্রিণে দেখলাম একজন বদরাগী চেহারার লোক তার নাতীকে কোলে নিয়ে ভেংচীকাটা মুখ নিয়ে পোজ দিয়েছেন। (পরে অবশ্য জানতে পারি সেটা নাকি ঐ বদরাগী লোকের ছেলে!) সেই ছবি দেখে আক্ষরিক অর্থেই কিছুটা দমে গেলাম। পরে সফটওয়্যার চালাতে গিয়ে দেখি আলাদা কিলেয়াউট মুখস্ত করতে হবে। সাথে সাথে ওখানেই বিজয়কে ইস্তফা দিলাম। qwerty নিয়েই সেসময় ভ্যাজালে থাকতাম, তারউপর বাংলার জন্য আলাদা কিলেয়াউট মুখস্ত করা আমার পক্ষে সম্ভব না। ঐসময়ে বাংলা টাইপিংয়ে ইস্তফা দেবার সময় কখনো চিন্তা করিনি যে কোনদিন আবার কম্পিউটারে বাংলা লিখতে পারবো।

‌॥২॥

২০০৭ এর দিকের কথা। অভ্র নামের এক বাংলা সফটওয়ারের খবর পাই যেটা দিয়ে নাকি ফনেটিক উচ্চারণে বাংলা লেখা সম্ভব। অর্থাৎ ইংলিশ উচ্চারণে বাংলা লিখলে সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলা বর্ণমালায় লেখা হয়ে যাবে। চমৎকৃত হলাম শুনে কিন্তু কোন আগ্রহবোধ করলাম না। বিজয়েরই যে দাম, আর অভ্র'র মত এরকম একটা সফটওয়ারতো আরো দামী হবে। তাই আর এগুনো হয়নি। একসময় অভ্র'র কথা ভুলেও গেলাম।

২০০৮ এর কথা। কিভাবে কিভাবে যেন একদিন অমিক্রনল্যাবের সাইটে গিয়ে হাজির হই। সেখানে অভ্রকে দেখে বেশ অবাক হলাম। আরো অবাক হলাম ফ্রি ডাউনলোড দেখে। ডাউনলোড করলাম, ইন্সটল করলাম এবং ঠিক দুইদিনের মাথায় আমি ঝরঝরে বাংলা লেখা শুরু করে দিলাম! বিজয় যে কাজটা আমাকে দিয়ে করাতে পারেনি সেটা অভ্র করিয়ে নিল দুই দিনে! সেই থেকে আমি অভ্রের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ - নিজের ভাষায় ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় আমাকে হাত ধরিয়ে লেখা শিখাবার জন্য।

॥৩॥

একটা সময় ছিল যখন ইন্টারনেটে রোমানাইজড বাংলা ভয়াবহভাবে চালু হয়েছিল। অনেকে আশংকা করেছিলেন যে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা বর্ণগুলো মনে হয় হারাতে বসেছে। আর এখন ফেসবুক থেকে শুরু করে জিমেইলের একাউন্ট সবখানে বাংলা বর্ণের ছড়াছড়ি। এর পেছনের সিংহভাগ কৃতিত্বই কিন্তু অভ্রের। অভ্র আছে বলেই লোকে এত সহজে বাংলা লিখতে পারছে। অভ্র আছে বলেই ইন্টারনেটে বাংলা ব্লগ, ফোরামসহ বিভিন্ন বাংলা সাইটের এত আনাগোনা। ইন্টারনেট থেকে রোমাইনজড বাংলার জঘন্য সংস্কৃতি থেকে মুক্ত করে বাংলা বর্ণকে তার প্রাপ্য সম্মান দিয়েছিল অভ্র। অভ্রের ছায়াতলে এসে জড়ো হয়েছিল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনও। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই পর্যন্ত বাংলায় ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের সব চাইতে বড় প্রকল্প 'ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতকরণ' প্রকল্পে অভ্র ব্যবহার করা হয়েছিল। তাদের প্রথম পছন্দ বিজয় হলেও বিজয়ের প্রস্তুতকারক কম্পানি বিজয়ের জন্য কম্পিউটার প্রতি পাঁচ হাজার টাকা লাইসেন্স ফি চেয়েছিল যা পরে বাতিল করে দিয়ে অভ্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য নির্বাচন কমিশনের অভ্রকে দেয়া একটা স্বীকৃতিমুলক সনদের জন্য একটা কাগজ আর সামান্য কালি ছাড়া আর কিছুই খরচ করতে হয় নি। শুধু তাইনা, আমরা যারা উবুন্টু-মিন্ট নিয়ে চিল্লাচিল্লি করি তারা এতদিন পালে বাতাস পেতামনা, কারণ লোকজন যখন জিজ্ঞেস করত যে উবুন্টুতে অভ্র চলে? তখন চুপসে যেতাম। অভ্র টিমের কাছে উবুন্টুতে অভ্রের সাপোর্ট নিয়ে ঘ্যানরঘ্যানর করতাম। আমাদের সেই চুপসানো পালে আবার বাতাস দিয়েছিল অভ্র টিম- উবুন্টুর জন্য অভ্র বানিয়ে দিয়ে। তাই আমার চোখে অভ্র টিম হচ্ছে আধুনিক ভাষা সৈনিক। ভাষাকে নিয়ে ব্যবসা নয় বরং ভাষাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়াটাই যাদের লক্ষ্য। আমি এজন্য সবসময় সবাইকে বলি যে যদি কখনো কোনোভাবে প্রধানমন্ত্রীগোছের কিছু হয়ে যাই তাহলে পুরো অভ্র টীমকে একুশে পদক দিব।

॥৪॥

দৈনিক জনকন্ঠে মোস্তফা জব্বারের লেখা "সাইবার যুদ্ধের যুগে প্রথম পা ॥ একুশ শতক" নামের কলামের একটি অংশ তুলে ধরলামঃ

"... আমাদের দেশের হ্যাকাররাও কম বিপজ্জনক নয়। আমার বিজয় সফটওয়্যারের পাইরেটেড সংস্করণ ইন্টারনেটে প্রদান করার ক্ষেত্রে এই হ্যাকাররা চরম পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছে। এই হ্যাকার ও পাইরেটদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির নামও যুক্ত আছে। অভ্র নামক একটি পাইরেটেড বাংলা সফটওয়্যারকে নির্বাচন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন সেলের ওয়েবসাইট হ্যাক হলে তার দায় থেকেও ইউএনডিপিকে ছাড় দেয়া যায় না..."

॥৫॥

জব্বার সাহেবের (!) ভাষায় অভ্র ডেভেলপাররা হচ্ছে পাইরেট ও হ্যাকার! কিভাবে সেটা সম্ভব জানিনা। কিন্তু আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে। আমি নিশ্চিত এই উক্তির প্রেক্ষিতে যদি প্রমাণপত্র দিতে বলা হয় তবে তিনি কিছুতেই সেটা পারবেননা। অবশ্য অভ্র'র সাথে উনার এই বিবাদ অনেক পুরোনো। যখন থেকে উনি বুঝতে পেরেছেন যে বিনামূল্যের অভ্র তার মূল্যবান (!) বিজয়কে দুমড়ে মুচড়ে ফেলছে তখন থেকেই উনি অভ্রের পেছনে লেগেছেন। উনার ব্যাকগ্রাউন্ড ঘাটলে দেখা যায় উনি এককালে সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন পরবর্তীতে আনন্দ মাল্টিমিডিয়া নামে এক কম্পানি খুলে সেখান থেকে বিজয় বাজারজাত করে ব্যবসায়ী হয়ে যান। বিজয়ের প্রোগ্রামরও উনি না (আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে যে উনি বিজয়ের সোর্স কোডের একলাইনও বুঝেন কিনা!), বরং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনকে দিয়ে উনি সেটা লিখিয়েছেন। অথচ অন্যদের বানানো এই জিনিসটার জোরেই তিনি বাংলাদেশের আইটি সেক্টরের প্রধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে রয়েছেন, শুধু তাইনা তিনি সরকারকে আইটি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন, বিভিন্ন পত্রিকায় উপসম্পাদকীয় লিখছেন এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা তিনি মাধ্যমিক শ্রেণীর "মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা" বইটিরও লেখক! অবাক লাগে নিখাদ ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে তিনি একটা দেশের মাধ্যমিক স্তরের কম্পিউটার বইয়ের লেখক হন? যারা বইটি পড়েননি তাদের জন্য ছোট্ট একটা টীকা দিয়ে যাই, বইটাকে "মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা" বই না বলে "মাধ্যমিক উইন্ডোজ ও ভিজ্যুয়াল বেসিক শিক্ষা" বললে বেশি মানানসই হত।

॥৬॥

এরকম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির কাছে জানতে খুব ইচ্ছা করে, অভ্রকে পাইরেটেড বলে এত চেঁচামেচি করছেন, অথচ কম্পিউটারের দোকানগুলোতে যে দেদারসে পাইরেটেড সব উইন্ডোজ বিক্রি হচ্ছে সেগুলো নিয়ে লেখেননা কেন? উইন্ডোজ বন্ধ হয়ে গেলে আপনার সাধের বিজয় মাঠে মারা পড়বে বলে? তখন উবুন্টু-মিন্টের জন্য বিজয় লিখতে আরেকজন ডেভেলপারকে ভাড়া করতে হবে বলে? কি লাভ হচ্ছে অভ্র'র প্রতি মিথ্যাচার করে? নিজের সম্মানটুকু ধরে রাখার কোন বোধই কি সৃষ্টিকর্তা আপনাকে দেয়নি?

‌॥৭॥

এক চুইংগাম অনেকক্ষণ চিবোনো যায় ঠিকই কিন্তু কিছুক্ষণ পরই সেটা স্বাদহীন আবর্জনায় পরিণত হয়। তখন নিজের অজান্তেই মুখ থেকে থুথুর সাথে তা বেরিয়ে আসে। এক বিজয় দিয়েও অনেকদিন...


মন্তব্য

হিমু এর ছবি

মেহদী বয়সে আমার অনেক ছোটো, কিন্তু তাকে আমি শ্রদ্ধা করি তার অন্তকরণের জন্য। যে কাজটা আমি একজন প্রকৌশলী হয়ে শুরু করতে পারিনি, সে কাজটা একজন চিকিৎসক হয়ে মেহদী শুরু ও শেষ করেছে। আমি নিজে এরকম একটা সফটওয়্যার তৈরি করলে হয়তো সেটা বিক্রির কথা ভাবতাম, মেহদী ও তার সহকর্মী-সহমর্মীরা সেটা বিনামূল্যে বিতরণ করার জন্যে একটা ওয়েবসাইট মেইনটেইন করে। আমি এরকম একটা সফটওয়্যার তৈরি করলে নিজের ঢোল পিটিয়ে সবার কান ঝালাপালা করে ফেলতাম, মেহদীকে লোকে জোর করেও একটা সাক্ষাতকার নিতে রাজি করাতে পারে না। মোস্তফা জব্বার আমার পেছনে লাগলে আমি হয়তো সচলায়তনে বা আমার নিজের ব্লগে তার ছাল তুলে লবণ লাগানো একটা পোস্ট লিখতাম, বিনয়ী মেহদী একটা টুঁ শব্দ করেনি দিনের পর দিন জব্বারদের কুৎসা শুনেও।

মোস্তফা জব্বারকে ক্ষমা চাইতে হবে অভ্রের এই অসত্য বদনাম করার জন্যে। পত্রিকায় এই মর্মে একটা লেখা পাঠান কেউ। আমরা ফেইসবুকে একটা পিটিশন খুলে সেখানে সকলকে ইনভাইট করতে পারি।

একটা মূর্খ গোষ্ঠী আমাদের সবকিছুর ওপর ছড়ি ঘোরানো শুরু করেছে। এর প্রতিবাদ জানাতে যদি আমরা ব্যর্থ হই, এই মূর্খদের অধিকারেই সবকিছু যাবে, এবং সেজন্যে আমাদের সন্তানদের কাছে আমাদের জবাব দিতে হবে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি

হিমু ভাই, ফেইসবুক দিয়াই শুরু করেন, অন্তত ওনার ঘাট পর্যন্ত পানি পৌঁছাবে।

অভ্রনীল এর ছবি

পত্রিকায় এই মর্মে একটা লেখা পাঠান কেউ।

এটাই সবচেয়ে কার্যকরী হওয়া উচিৎ, কিন্তু ব্যাপারটাতে ভরসা পাইনা। আইটি নিয়ে বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোর ভয়াবহ অজ্ঞতাকে পুঁজি করে জব্বররা পত্রিকাগুলোর উপর ছড়ি ঘোরায়- এরকম বহু নজির নিজেই দেখেছি। সেদিনের একটা উদাহরণ দিই: "কালের কন্ঠ" পত্রিকায় বাংলাদেশের আইটি নিয়ে একটা লেখা ছাপা হয়েছিল, সেখানে অভ্রের প্রশংসা করায় জব্বর সেই সাংবাদিককে বকাও দেন!

_______________

::: উবুন্টু ও মিন্টকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে! :::

সাঈদ আহমেদ এর ছবি

লেখা ও মন্তব্যটা লিংক সহ কপি-পেস্ট করে ফেকবুকে একটা নোট হিসেবে পোস্ট করে জব্বর সাহেবের সাথে আমার যত জন "mutual friends" আছে, তাদের ট্যাগ করে দিলাম। হিসাব অনুযায়ী এটা তার feed-এ চলে যাবার কথা।

-----------
"সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে"

-----------
চর্যাপদ

পাঠক [অতিথি] এর ছবি

আপনার এই লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ। অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসলো। আমার মনে হয় এগুলো নিয়ে এখন ভাবা দরকার। মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটা আমি এককালে পড়েছিলাম, অত্যন্ত নিম্নমানের একটা পাঠ্যপুস্তক। বাংলা ভাষা নিয়ে একজন লোক ব্যবসা করবে, আবার আমাদের মত সাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য অভ্রের মত একটা সহজ আর ফ্রি সফটওয়্যার যারা বানিয়েছেন, তাদের নামে আজেবাজে কথা বলবে, এটা সহ্য করা ঠিক না। মোস্তফা জব্বারের এই মানসিকতাকে তীব্র ধিক্কার জানাই।

রেনেট এর ছবি

অভ্র ও মেহদী ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। জব্বর কাগুর মত মানুষের হীনতা দেখে ঘৃণা হয়, কিন্তু মন ততটাই ভালো হয়ে উঠে এই ভেবে, এখনও মেহদী ভাইয়ের মত মানুষেরা আছেন, যারা সবকিছু টাকা দিয়ে মাপেন না।

চমৎকার পোস্ট চলুক
---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

দুর্দান্ত...
শেয়ার দিলাম
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

সাইফ তাহসিন এর ছবি

জব্বার মিয়ার জন্যে আমার কাছে আছে খালি একগাল থুতু। আমার সরকার এই গরুটাকে আইটি বিশেষজ্ঞ বানাইল কি খেয়ে? লেখাটা শেয়ার করলাম।

অভ্রের সাথে পরিচয় হবার পর নিজের উদ্যোগেই মেহদীর সাথে যোগাযোগ করি খোমাখাতায়, তারপর জানতে পারি যে এই মানুষটা আমার থেকে বয়সে অনেক ছোট, কিন্তু কী অসাধারণ সাফল্যের সাথে এমন সুন্দর একটা প্রোগ্রাম বানিয়ে ফেলেছে এবং এরপরে উবুন্টুর নেশায় যখন আমি প্রায় কানা, তখন উবুন্টুর জন্যেও অভ্রের ভার্ষন বের করে ফেলে। এরপরে একদিন আমাদের কনফুসিয়াস বস খোমাখাতায় মেসেজ করেন, কেউ কি উবুন্টু ৯.১০ এর জন্যে অভ্র লোড করতে পেরেছেন কিনা? তার ১ দিনের মাথায় এই তড়িৎকর্মা মেহদী হাজির করে অভ্রের নতুন ভার্ষন, কতটা ডেডিকেটেড হলে একজন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারে?

অন্যপক্ষে জব্বার নামের এক নরাধম কি করে বেড়াচ্ছে, তা সবাই কমবেশি জানেন। জানিনা, দেশের সাংবাদিকরা কি ঘাস খাচ্ছেন? প্রতিটা সংবাদপত্রে কেন এই ব্যাপারে কোন প্রতিবাদ আসল না?

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

অভ্রনীল এর ছবি

অন্যপক্ষে জব্বার নামের এক নরাধম কি করে বেড়াচ্ছে, তা সবাই কমবেশি জানেন।

নারে ভাই, বেশিরভাগ মানুষের কাছেই এই লোক আইটি- ফিল্ডে-অতি-বিশেষজ্ঞ একজন। বেশিদূর যেতে হবেনা, তার ফেসবুকের প্রোফাইলে গেলেই বোঝা যায় লোকজন তাকে কিভাবে স্যার স্যার বলে বিগলিত হয়ে পড়ে। মজার কথা হল মানুষজন ইদানিং এই লোকের নামে আইটিসেন্টারের নামও রাখতে শুরু করেছে!

_______________

::: উবুন্টু ও মিন্টকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে! :::

সাইফ তাহসিন এর ছবি

বিশেষজ্ঞ = বিশেষ ভাবে (সবকিছুতে) অজ্ঞ। সেই হিসাবে উনি সোনার মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ। এইসব লোকদের দেখলে আমার মুখে সুশীল সমাজে বলার মত শব্দ খুজে পেতে অনেক কষ্ট হয়। খোমাখাতাইয় দেখলাম মোজবের একাউন্টে প্রায় ৫০০০ বন্ধু, শালা লুল কাকে বলে। আর সবচেয়ে মজার কথা হল, তার খোমাখাতায় পড়লাম "আমার সম্পর্কে:Hardworking simple man with a vision to establish Digital Bangladesh"

আরে ব্যাটা, বাংলাদেশ ডিজিটাল করবি, আগে তো নিজের খোমাখাতাটা বাংলায় কর, এতই যদি ক্ষমতা তোর, তাহলে পারলে বাংলায় একটা মন্তব্য কর খোমাখাতায়। আর কর্মঠ হইলি কেমনে? চুরি বাটপারি ধান্দাবাজি তো হিসাবে ধরা হয় বলে জানতাম না। সাধারণ মানুষ হয়ে এমন ছোটলোকি কিভাবে করে আমাদের মোজব, জাতি জানতে চায়। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বে আমার মোজব, ব্যাটা একটা ফ্রি-ওয়ারের ভয়ে রাতে ঘুমাইতে পারে না, এমন ভয় পেয়েছে যে বানোয়াট ধুনফুন বলে জনগনের মাথা খাইতেছে।

জানি অনেকেই আমার এসব কথা আপত্তিকর বলবেন, কেন তাকে ব্যক্তিগত ভাবে আঘাত করছি, কিন্তু এটা তো আমি শুরু করিনি, শুরু করেছে আমাদের মোজব, অভ্রের পিছা এই চান্দুকে ছাড়তে হবে, দৈনিক পত্রিকায় ক্ষমা চাইতে হবে মেহদী এবং অভ্রের নামে মিথ্যাচার করার জন্যে এবং দেশবাসীকে দিকভ্রান্ত করার জন্যে। সর্বশেষে পদত্যাগ করতে হবে তাকে আইটি বিশেষজ্ঞের পদ থেকে এবং ঐ পদ দখল করার জন্যে আলাদা করে মাফ চাইতে হবে।

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

স্পর্শ এর ছবি

চলুক


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

মেহদী ভাই - তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানানোর বা তাঁর কাজকে বর্ণনা করার মতন ভাষা আমার জানা নেই...

_________________________________________

সেরিওজা

তানভীর এর ছবি

চলুক

নাশতারান এর ছবি

২০০৪ এ প্রথম কম্পিউটার কিনি। আইডিবি'র সেলসম্যান যখন বাংলা বর্ণখচিত কিবোর্ড দেখাচ্ছিলেন, আমি একটু ভড়কে গেলাম। এমন কেন? k চাপলে আসবে এমন কিবোর্ড নাই? ভদ্রলোক এমন তাচ্ছিল্যের একটা হাসি দিলেন যেনো পাগলের প্রলাপ শুনছেন। বিজয় দিয়ে আমার বাংলা লেখালিখি বেশিদূর এগোয়নি বলা বাহুল্য। কিন্তু আমার কল্পনায় যে প্রত্যাশিত কিবোর্ড ছিলো সেটা পূরণ করেছে অভ্র। তারপর থেকে কম্পিউটারে, আন্তর্জালে সবখানে আমি বাংলায় লিখি। এমনকি চ্যাটেও।

অভ্র টিমের প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা। আর জব্বার সাহেবের হীন মনোবৃত্তির প্রতি রইলো ধিক্কার।

অফটপিকঃ সময় থাকলে নীচের লিঙ্কে গুঁতো দিয়ে আসেন।
---------
|| শব্দশুদ্ধি ||

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

এই যে লেখালেখি এতকিছু সব তো অভ্রের জন্য-ই।

অভ্র আমার ওংকার।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

আমারো

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

লীন এর ছবি

খুবই ভালো লিখেছেন। শেয়ার করছি।

______________________________________
লিনলিপি

______________________________________
লীন

মামুন হক এর ছবি

সব ছাপিয়ে অভ্র এখন আমার জীবনেরই একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মন খুলে মাতৃভাষার চর্চা করতে না পারলে নিজের পরিচয়ই হারিয়ে ফেলতাম। জব্বার কাগুর বিজয় প্যাকেজের শুরুর দিকের ক্রেতাদের মধ্যে আমিও একজন, কিন্তু নানা জটিলতার কারণে সেটা আমার তেমন কোন কাজেও আসেনি। মেহেদীর অভ্র আমাকে একদিনে ঝরঝরে বাংলা লিখতে শিখিয়েছে, আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিত্রাতার মতো নির্লোভ হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। জব্বার কাগু চায়নার যেই ফ্যাক্টরী থেকে কীবোর্ড বানায় তাদের খুব সম্ভবত আমি চিনি। যেই দামে কেনে আর যেই দামে বেচে সেটা জানা থাকলে পাবলিক বুঝতো কতোটা মুনাফা লুটে নিচ্ছে এই আগাগোড়া ভাষা ব্যবসায়ী।

যে যাই বলুক অভ্রের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা মিশ্রিত ভালোবাসা আর ব্যক্তি মেহেদীর প্রতি অপার মুগ্ধতা কোনোদিনই এক বিন্দু কমবেনা।

আমরা মেহেদীকে সোনার মুকুট না দেই, টিভিতে টক শোতে না ডাকি, রাষ্ট্রীয় পদকে ভূষিত না করি- তাতে কিছু যায় আসেনা। আপনার আমার মতো হাজার হাজার অভ্র প্রেমিকদের হৃদয়ের মণিকোঠায় অভ্র স্থান করে নিয়েছে চিরদিনের জন্য। আর মেহেদী সত্যিকারের একজন দেশপ্রেমিক , ভাষা সৈনিক, ভালো মানুষ।

অভ্রের সাথে আছি, থাকবো।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বিজয়ে কখনো লিখি নাই। লেখার বাসনা খুব যে ছিলো তাও না। ইন্টারনেটে আমার বাংলা লেখা শুরু হয়েছে ব্লগকে কেন্দ্র করে, সেটা অফলাইনে গিয়ে ঠেকেছে অভ্র'র কল্যানে। এখন ফেসবুকে ধুমায়ে স্ট্যাটাস দেই মিনিটে মিনিটে, মেইলে লিখি, মোদ্দাকথা ব্লগের বাইরে বাংলা লেখার জন্য অভ্রই আমাকে নিয়মিত হাত ধরে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিজয় কিংবা তার কর্তাব্যক্তিরা আমাদের মতো অন্ধের সাহায্যে আসেন নি। এসেছেন মেহেদীরা তাঁদের অভ্র নিয়ে।

এই যে প্রতিনিয়ত বাংলায় লিখে যাচ্ছি অভ্রের কল্যানে, এর জন্য অবশ্যই কৃতজ্ঞ আমি। এর জন্য অবশ্যই আমি অভ্র টিমকে আজীবন সম্মান দিয়ে যাবো।

আর মোস্তফা জব্বার সাহেবও দেখুক ওনার কোয়ার্টার বয়সী ছেলেপেলেরা ব্যবসার চেয়ে নিজের ভাষাকে কী করে শ্রদ্ধা দেখায়। উনি শিখুন তাঁদের থেকে, দায়বদ্ধতা কাকে বলে! অন্য কেউ পত্রিকায় ওনার মূর্খতা তুলে ধরার আগে যেনো উনি নিজেই বুঝতে পারেন তার চণ্ডালপনা। তিনি যেনো মেহেদী তথা অভ্র'র কাছে ক্ষমা চান অন্য কেউ তাকে সেটা করতে বাধ্য করার আগেই।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

কাগুর লেখার নীচে ট্যাগ

বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যার এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রণেতা

প্রণেতা!! বিজয় সফটওয়্যার উনি নিজে বানিয়েছেন? বিল গেটস তো এটা বলবে না যে সে উইন্ডোজের প্রণেতা!!!

অভ্রের ওয়েব ভার্সন যেটা bnwebtools.sourceforge.net এর আওতায় তৈরী করছিলাম সেটা সম্পূর্ণ করে অমিক্রনল্যাবকে আমি ডোনেট করে দিবো। ওয়েবেও কাগুর নিস্তার নাই।

এছাড়া আরও কিছু প্রজেক্ট করতে চাই। সেটা এখনই প্রকাশ করে তার মূল্য নষ্ট করতে চাইনা।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- তুমি মিয়া বাংলার জন্য যা করছো, সেটার কখনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা হয় না। হয়তো কাছের মানুষ বলেই করার প্রয়োজনটুকু করি না। কিন্তু ওয়েবে বাংলা লেখার কাজকে অনেকদূর এগিয়ে দিয়েছো তুমি আর অরূপ মিলে। মেহেদী আর অভ্র'র পাশাপাশি এখানে আমি তোমাকেও স্যালুট জানিয়ে গেলাম মুর্শেদ। কখনো প্রকাশ করা হয়নি এটা আমার ব্যর্থতা। আমার নতমস্তক শ্রদ্ধা জানবে সবসময়। গুরু গুরু
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ ধুগো। হাসি
তবে আরো অনেক কিছু করার আছে। এন্ড ইয়েস, উই ক্যান।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

আপনার এবং অরূপদার বানানো বাংলা ওয়েব টুলস সাইটটা যে কতোভাবে আমাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত তা বলে শেষ করা যাবে। আমার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা রইল।
--------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------

রণদীপম বসু এর ছবি

মুর্শেদ ভাই, আপনার ও অরূপদার বানানো বাংলা ওয়েব টুলস আমার কম্পুর বুকমার্ক টুলবারে সবসময় শোভা পায়। কারণ এটা না হলে আমি অচলই বলা যায়। যেহেতু দেশে থাকি, বিজয়ে ওয়ার্ড ফাইল লিখি এবং এর পরই ইউনিকোডে কনভার্ট করতে এই সফটঅয়্যার ছাড়া আমার চলেই না ! মাঝখানে ক'দিন বন্ধ রেখেছিলেন বলে আমার যা কষ্ট হয়েছিলো না ! অভ্র-কনভার্টরে বড় ফাইল কনভার্টে সমস্যা করে তখনই বুঝেছিলাম।
আপনাদের এই সফটঅয়্যারে কেবল ক্ষ বর্ণটা কনভার্ট হয় না। এটা আবার লিখে দিতে হয়, এই যা। আর যুক্ত বর্ণ হিসেবে ল কখনো কখনো আসে না, যেমন ক্লিন শব্দটা কনভার্ট হয়ে কিন হয়ে যায়। এটাও ম্যানুয়্যালি ঠিক করে দিতে হয়। আর কখনো কখনো র-ফলা যুক্ত হ্রস্ব-উকারটা না এসে দুটো উর্ধ্বকমা হয়ে যায়। এটাও ম্যানুয়ালি ঠিক করে দিতে হয়।
তবে সব মিলিয়ে আমার জন্য অত্যবশ্যক একটা ওয়েবটুল। যা-ই করেন, এটা থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না যেন। সচলে এবং অন্য সব ব্লগে আমার সবগুলো পোস্ট আপনার এই টুলস দিয়ে কনভার্ট করা। এডিট করি অভ্র দিয়ে। এই টুলস না থাকলে অনলাইনে লেখালেখি প্রায় ছেড়ে দিতে হবে আমাকে। এটার কোন ফোল্ডিং ভার্সন থাকলে আমি রেখে দিতাম যক্ষের ধনের মতো।
এক্ষেত্রে আপনাদেরকে কেবল ধন্যবাদ জানিয়ে খাটো করার কোনো অবকাশ নেই।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

লীন এর ছবি

মুর্শেদ ভাইকে লাল সালাম

______________________________________
লিনলিপি

______________________________________
লীন

আব্দুর রউফ এর ছবি

বলিহারি লেখা হয়েছে। আসলে অভ্র না থাকলে আমাদের মত অনেক পাঠক বাংলা লিখতেই পারতনা। ধন্যবাদ।

ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

প্রথম কম্পিউটার কেনার পর সম্ভবত প্রশিকার বাংলা লেখনি সফটওয়্যার এবং বিজয় দুটোই পেয়েছিলাম। কিন্তু একি ! এমন কঠিন পদ্ধতিতে বাংলা লিখতে গেলে তো আমি টাইপ করাই ভুলে যাবো ... তাই কয়েকদিনের মধ্যেই আমার হাল ছেড়ে দিতে হয়েছিল। বাংলা লেখালেখিতে তাই অনেকদিন রণে ক্ষান্ত দিয়ে চুপচাপ বসে ছিলাম। ২০০৮ এর দিকে আমার অভ্র'র সাথে পরিচিতি ঘটে। এবং অভ্র'র কাছে আমার কৃতজ্ঞতা সারা জীবনের। এই সফটওয়্যার না থাকলে আমি জীবনেও বাংলা টাইপ করা শিখতে পারতাম না। মেহেদীভাই এবং অভ্র তোমাদের জন্য আমার হাজার সেলাম।
--------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------

_প্রজাপতি এর ছবি

অভ্র ছাড়া বাংলা লেখার কথা চিন্তা করলেও জ্বর আসে। মেহেদী আর অভ্র'র পেছনে যাদের অক্লান্ত অবদান আছে তাদের কৃতজ্ঞতা জানাই ।

খোমাখাতায় শেয়ার করলাম।

----------------------------------------------------------
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা ...

ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা ...

সাইফ তাহসিন এর ছবি

"মেহদী", মেহেদী না, খুব খিয়াল কইরা!

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

নীড় সন্ধানী এর ছবি

যে সফটওয়ার খুললে তার মালিকের খোমা দেখতে হয়, সেই সফটওয়ারের মান কতটা ভালো তার আগে চলে আসে সেই মালিকের রুচির প্রশ্ন। দশ বছর আগে বিজয় দিয়া বাংলা চেষ্টা করছিলাম ব্যর্থ হয়েছি। তার উজবুকি কীবোর্ড দেখে আমি বাংলা শিখতেই পারবো না এরকম হতাশায় সাত বছর ভোগার পর অভ্র পাই। বিজয় যে কাজ আমি ছমাসেও পারিনি, অভ্র দিয়া সাত দিনে তা করছি। আমার বাংলার পুরো কৃতিত্ব অভ্রকে দেবো।

মোস্তফা জব্বার সাহেব আগাগোড়া ধান্ধাবাজ লোক। সে কম্পিউটার সমাজের নায়করাজ রাজ্জাক, এই অহমিকায় দিন কাটে তার। কাগুরে বলবো বিজয়ের মতো বিদঘুটে জিনিস বাদ দিয়ে তার নিজেরই উচিত অভ্র টাইপিং শেখা। ব্যাটা তুমি পচা জিনিস দিয়ে এতদিন কোটি টাকা কামাইছ তার কিছু শ্রাদ্ধ করার সময় আসছে। যে প্রোগ্রামিং এর 'প'ও বোঝে না সে মাল্টিমিডিয়ার স্কুল দিয়া বসছে। বুড়া বয়সেও ধান্ধাবাজি কমে নাই।

বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো কি মাথামোটাদের আখড়া? নইলে এই আধামূর্খ লোকের কলাম ছাপায় কেমনে?

সবশেষে মোস্তফা জব্বারকে বলি, বিজয়ের বিদঘুটে লেআউটের কারণে আমার সাত বছর নষ্ট হয়েছে বাংলা না শিখে, আমি সেই সাত বছর ফেরত চাই না। কিন্তু মেহেদী হাসানকে ত্যক্ত করলে তোমার পিঠের ছাল তুলে ফেলবো কাগু। শান্তি চাও তো পথ ছাড়ো, ভাগো, দুরে গিয়া মরো!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
সেই সুদুরের সীমানাটা যদি উল্টে দেখা যেত!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

সাইফ তাহসিন এর ছবি

গুরু, মন্তব্যে লক্ষ কোটি তারা, এক্কেবারে মনের কথাটা কইছেন, মেহদীর নামে মিথ্যা রটনা করলে কাগুরে গালি দেওয়া জীবনের লক্ষ বানায়া ফালামু, মোজব [শুনতে আরেকটা শব্দের সাথে মিল আছে ;)] হইব নতুন গালি, বরাহ থেকে এর অবস্থান খুব দূরে কোথাও হবে না। আসেন আজকে থিকা নতুন গালি দেই, "তুই একটা মোজব"

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

অনিন্দ্য এর ছবি

"যে সফটওয়ার খুললে তার মালিকের খোমা দেখতে হয়, সেই সফটওয়ারের মান কতটা ভালো তার আগে চলে আসে সেই মালিকের রুচির প্রশ্ন।"-খুবই ভালো পয়েন্ট। windows লোড হবার সময় কিন্তু আমাদের বিল গেটসের ছবি দেখতে হয় না।
যে কোন সফটওয়্যারেই ডেভেলপারদের সম্পর্কে জানতে হলে "about" নামে কোন লিঙ্কে ক্লিক করলে তারপর শুধু যারা কাজ করেছেন,তাদের নাম দেখানো হয়,কখনো আবার ওয়েব লিঙ্ক দেয়া থাকে,ওই লিঙ্কে ডেভেলপারদের সম্পর্কে বলা থাকে।

অতিথি লেখক এর ছবি

অভ্র না থাকলে বাংলা কখনই লিখতে পারতাম না।মেহদীকে ধন্যবাদ।আর জব্বারকে ফ্যান থেকে উলটা করে ঝুলানর জোর দাবী জানাই

ঘুম পরী

বর্ষা এর ছবি

অভ্রের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার সীমা নেই। লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। সবাইকে ছড়িয়ে দেবার ব্যবস্থা করছি।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

বোহেমিয়ান এর ছবি

চলুক

আমার কাহিনীও সেইম, প্রথম পিসি কেনার পর তো অবাক! বাংলা লিখে কেম্নে জানতাম না । অভ্র না হলে বাংলা লেখা হত কী না সন্দেহ ।
অভ্রের কর্মীবাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধা ।
মোস্তফা জাব্বার বুঝবে মজা, ভবিষ্যতের বাংলাদেশিরা ওকে শুধু ঘৃণাই করবে ।
_________________________________________

_________________________________________
ওরে! কত কথা বলে রে!

অভ্রনীল এর ছবি

লোকজন যে জব্বারের বিরুদ্ধে ক্ষেপচুরিয়াস সেটা মনে হয় জব্বারের কানে গেছে... দেঁতো হাসি আজকে জব্বারের ফেসবুক স্ট্যাটাসঃ
auto

নির্লজ্জের মত এখনো বড় গলায় বলে বেড়াচ্ছে যে অভ্র পাইরেটেড। দেশের সবার সামনে প্রকাশ্যে অভ্র টিমের কাছে এই লোকের ক্ষমা চাইবার সময় এসেছে... পত্রিকায় সচলের যারা যারা আছেন তারা কি একটু গা-ঝাড়া দিয়া উঠবেন??
_______________

::: উবুন্টু ও মিন্টকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে! :::

নাশতারান এর ছবি

জব্বার সাহেবের ইংরেজি স্ট্যাটাসকে বঙ্গানুবাদ করলে (kayboard কে keyboard করে ) দাঁড়ায়ঃ "আমি অবাক হচ্ছি যে ইউএনডিপি, নির্বাচন কমিশন আর অভ্রসহ আরো অনেকেই মনে করে না যে অভ্রতে বিজয় কিবোর্ডের অন্তর্ভুক্তি পাইরেসি নয়। তাহলে পাইরেসি কী?"

অর্থ কী দাঁড়ালো? জব্বার সাহেব মনে করেন না যে এইটা পাইরেসি? চিন্তিত

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

অন্য একটি ব্লগ সাইটের একটি পোস্ট পাঠানো হয়েছিলো জব্বার সাহেবকে। জবাবে তিনি নিচের কথাগুলো লিখেছেন...
Please be informed that I shall write again on Piracy (next week) and request you and your friends to look for my writings in the newspapers. I have not lied a single word as AVRO has included Bijoy Keyboard layout in it without my permission. Please go through the Copyright Act 2005, Patent and Design Act 1911, Berne convention and than tell me if my claim is unjustified. You might not have learnt that Bijoy Keyboard has the patent right and under any law no one can copy it.
I do not know Nasim and I did not make any comemnt about him. Is he one of the devloper? Than he is also a pirate.
Please note that I am not at all frustrated and my business has never been affected by AVRO. But I shall fight for recognition till my death.
Thanks
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

অভ্রনীল এর ছবি

কাহিনী কি? এই লোক বাংলা-বেইচা-পেট-চালাই টাইপ হয়েও বাংলায় কিছু লেখেনা কেনো? বাংলা লেখা পারেনা নাকি? ওরে কে আছেন! শিগ্গিরি এই বাংলা-বেইচা-পেট-চালাই এর হাতে অভ্র ফনেটিক তুইল্যা দেন! গড়াগড়ি দিয়া হাসি
_______________

::: উবুন্টু ও মিন্টকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে! :::

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

যে লোক বাংলায় একটা মন্তব্য লিখতে পারে না সে নিছে বাংলার ইজারা... গড়াগড়ি দিয়া হাসি
তার ওয়ালে অভ্র ফোনেটিক টিউটোরিয়াল লিখে দেওয়া দরকার। আমি নিশ্চিত তখন সে আর বিজয় ব্যবহার করবে না, অভ্ররেই মাথায় তুলে রাখবে চোখ টিপি
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

সাইফ তাহসিন এর ছবি

এইখানেই শেষ না, ব্যাটা যে ইংরেজিতে স্ট্যাটাস দিচ্ছে, ইংরেজিও তো ঠিকমত লিখতে পারে না, উপরের লাইনগুলো পড়ে হাসতে হাসতে আমার মুখ দিয়ে খাবার বের হয়ে গেছে। এই ব্যাটা তো মহা কমেডি, এরে সাইজ করা জরুরী হয়ে দাড়াইছে, আর এর চামচার দেখি অভাব নাই, এ ছাগলের স্ট্যাটাস পইড়া তার চামচারা ছুটে এসেছে।

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

অনিন্দ্য এর ছবি

আমার সবচেয়ে আশ্চর্য লাগে যে,এই লোকটা আমাদের "মাধ্যমিক শ্রেণীর "মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা" বইটিরও লেখক"। মানুষকে কি করে বোঝানো যায় যে কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু না জেনেও সফল ব্যবসায়ী হওয়া যেতে পারে,কিন্তু তার মানে এই না যে উনি আইটি বিশেষজ্ঞ।আর কোনো দেশে এই রকম ভাবে আলগা ক্রেডিট নিয়ে একটা মাধ্যমিক পর্যায়ের বই লেখা সম্ভব না।আর বইটাও সেই রকম একটা বই!!!!!!!!

উনার ক্লেইমঃ
"AVRO has included Bijoy Keyboard layout in it without my permission."
মানে কি????? এই লোক কি খায়??????

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মুস্তফা জব্বার এবং বিজয়কে আমি কয়েকটা কৃতিত্ব সবসময়ই দিতে চাই
তার প্রথমটা হলো সর্বস্তরে (সরকার এবং পাব্লিক) কম্পিউটার ব্যবহার প্রমোশনের অক্লান্ত চেষ্টা
বিশেষ করে সরকারের পলিসি মেকারদের সাথে লেগে থাকা এবং তাদেরকে কনভিন্স করা
যে কাজটা করা উচিত ছিল বিশেষজ্ঞ একাডেমিকদের

দ্বিতীয়ত বাংলা প্রকাশনা
আমার ধারণা বিজয় না থাকলে বাংলা প্রকাশনা আরো অনেক কিছুর মতো ভারতীয় টেকনলজি নির্ভর হয়ে থাকত দীর্ঘদিন
মুস্তফা জব্বারের সবচে বড়ো কৃতিত্ব হিসেবে আমি এটাকেই দেখি

০২

মুস্তফা জব্বার যদি সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের হতেন তাহলে হয়তো তিনি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হয়ে খুব বড়ো এক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ হযে উঠতেন

কিন্তু আমার মনে হয় তার এই ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকাটাই আমাদের মতো আম বাঙ্গালদের জন্য শাপে বর হয়েছে

মুস্তফা জব্বার বেছে নিয়েছেন একাডেমির বাইরের অংশ
সাধারণ পাব্লিক আর সরকার
এই জায়গাটাতে আসা উচিত ছিল বিশেষজ্ঞ প্রফেসর আর একাডেমিকদের
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য সাধারণ লোকজনের জন্য বিশেষজ্ঞদের অবদান কিংবা প্রচেষ্টা চোখে না পড়ার মতোই

০৩

মুস্তফা জব্বার এ যাবৎকালে যা করেছেন কিংবা করার চেষ্টা করেছেন তার জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ দিতে চাই এবং কৃতজ্ঞই থাকতে চাই

০৪

অভ্র মুস্তফা জব্বারের মাথা খারাপ করে দিয়েছে তার অন্ধকার ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়ে
এটাকে বোধহয় বলে নিজের নিঃশেষ হয়ে যাবার আশংকায় আউলা হয়ে যাওয়া

এর জন্য তাকে করুণা করা যেতে পারে
কিন্তু তাকে সমালোচনা করে বেশি সময় নষ্ট করার পক্ষপাতি আমি নই
তাহলে বিষয়টা দাঁড়াবে ভবিষ্যতকে নির্মাণ না করে অতীতকে ঘাঁটাঘাঁটি করে জীবন অপচয় করা...

০৫

দীর্ঘদিন বিজয় ব্যবহার করে (তার আগে আরো দুয়েকটা করেছি) অভ্র ব্যবহার করার পর অবাক হয়ে লক্ষ করলাম অভ্রের উদ্যোক্তা মেহদীও সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক নয়

অথচ মেহদীর সমসাময়িক অসংখ্য বিশেষজ্ঞ থাকতেও সাধারণ পাব্লিকের জন্য এগিয়ে এসেছে মেহদী...

সম্ভবত এই কারণেই যে সে সিএসইর প্রফেসর হবার স্বপ্ন দেখে না

(আমার নিশ্চিত ধারণা মেহদী সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের হলে অভ্র না করে নিজের ক্যারিয়ারে জন্য অন্য কিছু করত)

০৬

আমার মনে হয় মুস্তফা জব্বারকে বেশি সময় না দিযে আমাদের সময় দেয়া উচিত অভ্রকে
কারণ অভ্রর এখনও অনেক পথ পার হতে হবে দি অভ্র হয়ে উঠতে

আর অভ্র স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠলে নিজেই তার নিজের পরিচয় বহন করবে

০৭

অভ্রর একটা স্পেল চেকারের লিংক এবং পোস্ট সচলে আছে
এই স্পেল চেকার তৈরিতে আমরা খুবই কম সময় দিচ্ছি
প্রত্যেকে দৈনিক ১০০টা শব্দ চেক করে দিলে দ্রুত তৈরি হয়ে যেতে পারে এই ডিকশনারি আর স্পেল চেকার
এবং এই একটা শুদ্ধ স্পেল চেকারই অসংখ্য মুস্তফা জব্বারকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবার জন্য যথেষ্ট

০৮

যাদের টেকনিক্যাল বিদ্যা আছে তাদের এগিয়ে আসা উচিত অভ্রকে প্রিন্ট মিডিয়ার উপযোগী করতে সহযোগিতা করা

০৯

বাংলা ভাষায় ব্যবহারে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবার জন্য অভ্রর মধ্যে যেসব উপযোগিতা থাকা দরকার তা হলো

ইমেইল (এই অংশটা প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণই আছে)
পিসি কেন্দ্রিক ব্যবহার (সব ক্ষেত্রে এখনও উপযোগী নয়)
প্রিন্ট (এই অংশটা এখনও অনুপস্থিত)
অভিধান (কাজটা শুরু হয়েছে। কিন্তু গতি খুব ধীর)

১০

চলেন
বিজয়কে বাদ দিয়ে অভ্রকে সময় দেই

ধুসর গোধূলি এর ছবি

মুস্তফা জব্বার এবং বিজয়কে আমি কয়েকটা কৃতিত্ব সবসময়ই দিতে চাই
তার প্রথমটা হলো সর্বস্তরে (সরকার এবং পাব্লিক) কম্পিউটার ব্যবহার প্রমোশনের অক্লান্ত চেষ্টা
বিশেষ করে সরকারের পলিসি মেকারদের সাথে লেগে থাকা এবং তাদেরকে কনভিন্স করা
যে কাজটা করা উচিত ছিল বিশেষজ্ঞ একাডেমিকদের
লীলেন্দা, মোস্তফা জব্বার যে শ্রমটুকু দিয়েছেন সেটার পিছনে আমি কেবল নিজের ব্যবসায়িক লাভ আর নিজের পকেটের স্বাস্থ্যস্ফীতিই দেখছি। দুঃখিত, কোনো জনকল্যানকর কিছু চোখে পড়ছে না বলে! একটু মিলিয়ে দেখবেন নাকি? 'সর্বস্তরে কম্পিউটার ব্যবহার' প্রকল্পটা গৃহীত হলে এতো বিশাল সংখ্যক কম্পিউটার কি সরকার যেকোনো জায়গা থেকে নিতে পারতো নাকি নিতে হতো আনন্দ কম্পিউটার্স থেকেই?

০২

এখানেও তার ব্যবসার ধান্দাই। আবারও বলছি, কেবল আমাকে আপনাকে কম্পিউটারে দক্ষ করে তোলাটা তার উদ্দেশ্য না, আমাকে আপনাকে দিয়ে তার ব্যবসা করাটাই এখানে মূখ্য।

০৩

দ্বিমত। যখন সব ভাষা ইন্টারনেটের কল্যানে উন্মুক্ত হচ্ছে তখন মোস্তফা জব্বার বাংলা ভাষার জন্য কী করেছেন? তিনি যদি তখনও নিজের ব্যবসাটা ধরে না রেখে বাংলাকে উন্মুক্ত করে দিতেন, তাহলেই বুঝতাম তার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়াটা মানায়। কিন্তু এই লোক সেটা তো করেই নাই বরং যারা করেছে তাদের পা ধরে টেনে নামানোর অক্লান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছে মারতে দম তক!

এমন একজন আপাদমস্তক ব্যবসায়ীর প্রতি কোনো কৃতজ্ঞতা থাকার কথা না! আপনার কৃতজ্ঞতা আছে শুনলে কষ্ট পাই লীলেন্দা।

০৪

অতীতকে ঘাঁটাঘাটি করা হবে কেনো? এই ভদ্রলোক তো বর্তমানেই পত্রিকা মারফত বিবৃতি দিচ্ছে। নিজের 'ব্লাডি প্রফেশনাল' চেহারাটা নিজেই তুলে ধরছে আমাদের সামনে। যারা ব্যবসায়িক বিবেচনা ছেড়ে নিজের ভাষাকে ছড়িয়ে দিতে চাইছে তাদেরকে উলটা পালটা কথা বলে যাচ্ছে উন্মাদের মতো! একে যা-খুশি-তা, ফ্রি স্টাইলে বলতে দেয়াটাই কি সমিচীন বলে মনে করছেন?

০৫

সিএসই ব্যকগ্রাউন্ড না হলেও অন্তত কর্মক্ষেত্রে এই ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেকেই বাংলার জন্য অনেক কিছুই করেছেন, সেটা বোধয় এড়িয়ে গেছে আপনার দৃষ্টি। এই যে আমরা সচলায়তনে লিখছি, কাদের কারণে লিখতে পারছি লীলেন্দা? অরূপ আর মুর্শেদের যে টুলটা আছে কনভার্টিং-এর, এটা যে কতো বড় একটা মাইলফলক হয়ে থাকবে ইন্টারনেটে বাংলার বিস্তারের ইতিহাসে, সেটা কি আমরা ভুলে যাবো? অরূপ-মুর্শেদ কি পারতো না এই কনভার্টারটার বিনিময়ে আমার, আপনার কাছ থেকে পয়সা দাবী করতে? পারতো না নিজের ব্যবসায়িক চিন্তাটা সর্বাগ্রে চিন্তা করতে? কই, করলো নাতো! খুব সম্ভবতঃ মোস্তফা জব্বারের মতো তারা সেই চিন্তাটা করতে পারে নাই কেবল একটা পর্যায়ে নিজেকে সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের কেউ ভাবতে পেরেছে বলেই!

০৬

অভ্রকে অবশ্যই আমাদের সময় দিতে হবে, সাপোর্ট দিতে হবে, চলার পথে সাহস যোগাতে হবে। আর এটা করতে গিয়েই অভ্র'র উপরে যেকোনো অযাচিত আক্রমণের সমুচিত জবাব দিতে হবে একাট্টা হয়ে।

০৭

মোস্তফা জব্বার ভাসবে তার নিজের কারণেই। একটা স্পেল চেকারের কি দায় পড়ে আছে তার মতো এক নিপাট বেনিয়াকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবার!

০৮

শোনা যাচ্ছে, এই গ্রীষ্মেই ফটোশপের যে ভার্সন বের হচ্ছে সেটাতে পূর্ণ ইউনিকোড সাপোর্ট থাকবে। তখন আশা করা যায় নিতান্ত বিজয় প্রেমিক না হলে প্রকাশনা জগতে আর কেউ বিজয় ব্যবহার করবে না!

০৯

পিসি কেন্দ্রিক ব্যবহার বলতে কী বুঝিয়েছেন বুঝি নাই লীলেন্দা। যতোদূর শুনলাম, অভ্র লিনাক্সেও সাপোর্ট দিচ্ছে। তাইলে কোন ক্ষেত্রে উপযোগী নয় এখনও?

"প্রিন্ট" বলতে কী বুঝালেন, এইটাও বুঝি নাই। সাধারণ প্রিন্টারের কথা যদি বুঝে থাকি তাইলে বলতে পারি, আপনি অভ্রতে লিখে প্রিন্ট আউট নেয়ার কথা বলছিলেন কি? এটা সম্ভব তো! খুব স্বাভাবিক পদ্ধতিতেই।

১০

অবশ্যই। চলেন। অভ্রকে বিজয়ের চেয়ে বেশি সময় দেয়ার চেয়ে বরং ব্যবহারের দিকে নজর দেই বেশি। বিজয়কে একেকটা আছোলা বাঁশ দেই আমরা একেকজন মিলে।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি

পিসি কেন্দ্রিক ব্যবহার বলতে কী বুঝিয়েছেন বুঝি নাই লীলেন্দা। যতোদূর শুনলাম, অভ্র লিনাক্সেও সাপোর্ট দিচ্ছে। তাইলে কোন ক্ষেত্রে উপযোগী নয় এখনও?

ম্যাকের জন্য অভ্র নেই। প্রিন্টিং এর কাজে কি এখনো ম্যাকের ব্যবহারই প্রধান? কেউ জানলে জানাবেন? নতুবা এটা কোনো প্রধান বাঁধা নয়। আর যদি ম্যাকের ব্যবহারই প্রধান হয়ে থাকে, তবে এই দিকটাতে নজর দেয়া খুবই জরুরি।

মুর্শেদ ভাই আর অরূপদার অবদান অনস্বীকার্য।

লীলেনদা মোস্তফা জব্বারকে কৃতজ্ঞতা দিতে চাইছেন, আর ধুগোদা চাইছেন না। আমার মত, নিজের ব্যবসার সঠিক স্বার্থ দেখতে গেলে তাতে একটা ভালো কিছু পাশাপাশি ঘটে যাওয়াটা পুঁজিবাদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তাতে উদ্যোক্তার মাহাত্ম্য খোঁজাটাও অপ্রয়োজনীয় আবার লাভজনক ব্যবসা করতে গিয়ে একটা ভালো কিছু হয়ে গেছে, এটা অস্বীকার করাও অপ্রয়োজনীয়। ব্যবসায়ীর কাজ সঠিকভাবে ব্যবসা করে মুনাফা বৃদ্ধি করা। তাতে ম্যাসের কখনো কল্যাণ হয়, কখনো হয় অকল্যাণ।

আর ব্যবসায়ী যেমন তার লক্ষ্য অর্জন করছে, ম্যাংগো জনতা হিসেবে আমাদেরও উচিত আমাদের লক্ষ্য অর্জন করা, বিনামূল্য সফটয়্যার অভ্রর জন্য ক্যাম্পেইন করা।

লীলেনদা, সি এস ই ব্যাক গ্রাউন্ডের মানুষদের ক্যারিয়ারকেন্দ্রিক বা প্রফেসর-হওয়া-ভিত্তিক ব্যাপারগুলো নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ আর বক্তব্যগুলো বিস্তারিতভাবে কখনো সময় করে জানাবেন, আগ্রহ রইলো।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বাংলাদেশে অন্তত প্রিন্টিং এর কাজে ম্যাকমেশিন প্রধানত ব্যবহার করা হয় না।

আমার আসলে কৃতজ্ঞতা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। আমি যেটা বলতে চাইছি সেটা হলো, মোস্তফা জব্বার জনকল্যানের কথা মাথায় রেখে কিছুই করে নি। তার কথাবার্তা, কাজকর্মই বলে দিচ্ছে তিনি চূড়ান্তরূপে একজন বণিক।

মোস্তফা জব্বার যদি জনকল্যান কিংবা ভাষার জন্য ভালোবাসা থেকেই কিছু করতেন, অবশ্যই কৃতজ্ঞ থাকতাম। যেমনটা থাকতে পারছি অভ্র'র প্রতি।

আর, এখন তো দেখি কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে পড়ছে। মোস্তফা জব্বার নিজেকে যে কম্পিউটিং—এ বাংলায় নিজেকে পথিকৃত হিসেবে দাবী করেন, সেটাই তো একটা ভূয়া দাবী! তিনি তো তথ্য না খালি, ইতিহাসও চুরি করে বসে আছেন। নিজে আরেকজনের প্রাপ্য সম্মান চুরি করে এখন আসছেন লে-আউটের ধোয়া তুলে অভ্র'র জনকল্যানকর কাজকে "পাইরেসি" বলতে।

আমার ধারণা জব্বার সাহেব এই লেখাগুলো পড়তে পারবেন না, কারণ তার পিসিতে বিজয় শিট ছাড়া আর কিছু থাকার কথা না। কিন্তু তার এই লেখাগুলো পড়া উচিৎ। তার জানা উচিৎ তাকে মানুষ কতোটা নিচুমানের একজন ভাষাব্যবসায়ী হিসেবে দেখে।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি

আমার ধারণা জব্বার সাহেব এই লেখাগুলো পড়তে পারবেন না

ফেইসবুকে দেখলাম উনি বাংলা মন্তব্য পড়তে পারছেন। যদিও উত্তর করছেন ইংরেজিতে। ভিস্তা ইনস্টল করলেই সম্ভবত বাংলা পড়তে পারার কথা, বা বড়জোর ফন্ট ইনস্টল করা লাগতে পারে।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- সেটাই বলছিলাম, ঘুরেফিরে ইউনিকোড অর্থাৎ ওপেন সোর্স। বিজয় দিয়ে তো আর ভিস্তা চলে না! ফেসবুক পড়ার জন্য ফন্ট নিতে গেলেও তো জব্বার সাহেবের নিজের বিজয়ের সীমানা ছাড়তে হয়।

তবে কেনো এই মিথ্যে অহঙ্কার! কেনো বিজয়কে সেই বৃটিশ আমলের বৃদ্ধের মতো সবেধন নীলমণি ঠাহর করে বুকের কাছে খাবলা দিয়ে ধরে রাখার প্রয়াস তার! তারচেয়ে তার বিজয়কে উন্মুক্ত করে দিলে কিংবা ইউনিকোডের ছায়াতলে নিয়ে এলে তো আজকে তারই জয়জয়কার করতো লোকে! না করলেও অন্তত পাবনায় তো পাঠানোর কথা কেউ বলতো না।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

একুশ তাপাদার [অতিথি] এর ছবি

জয়তু অভ্র ! জয়তু বাংলা !

জব্বার হিংসুটে ব্যবসায়ী, অভ্রের বিকাশ উনার সহ্য না হবারই কথা। সহজিয়া লেখনী সিষ্টেমের কারনে কিন্তু বর্তমান প্রবনতা বলে শেষ পর্যন্ত সদর্পে টিকে থাকবে অভ্র, বিজয় নয়

তিথীডোর এর ছবি

অভ্র টিমের প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা...........
সাথে আছি, থাকবো।

--------------------------------------------------
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

তৌফিক হাসান [অতিথি] এর ছবি

আমিও আভ্রর জন্যই বাংলা লিখতে পারছি। অভ্র না থাকলে হয়ত কম্পিউটারে বাংলায় লিখতেই পারতাম না। বাংলা লেখার এই সফটওয়্যারটার জন্য, (তাও আবার পুরা ফ্রি) অভ্র টিমের প্রতি রইল কৃতজ্ঞতা।
মিথ্যাচারের জন্য মোস্তফা জব্বারকে ধিক্কার। মেহেদী আমরা আপনার পাশে আছি।

কানা বাবা এর ছবি

জব্বার কাগুর অভিযোগের উত্তরতো কেউ দিলো না। উনি যে বললেন উনার অনুমোতি ছাড়া ইউনিবিজয় লেআউট অভ্রতে সংযোযন করা পাইরেসি, এ কথা মোক্ষম জবাব কি হতে পারে?

/----------------------------------------------------
ওইখানে আমিও আছি, যেইখানে সূর্য উদয়
প্রিয়দেশ, পাল্টে দেবো, তুমি আর আমি বোধহয়
কমরেড, তৈরি থেকো,গায়ে মাখো আলতা বরণ
আমি তুমি, আমি তুমি, এভাবেই লক্ষ চরণ।।

অভ্রনীল এর ছবি
তৌফিক হাসান [অতিথি] এর ছবি

মোস্তফা জব্বার যে দাবি করছে সেটা পুরাই অর্থহীন। আভ্রতে ইউনিবিজয় (বিজয় না) এর লে-আউট আছে। সেটার সাথে অবশ্য বিজয়ের লে-আউটের মিল আছে। কিন্তু কিছু পরিবর্তনও আছে। এই পরিবর্তন করা হয়েছে কপিরাইটের ঝামেলা থেকে দূরে থাকার জন্য। ডেভেলাপারদের ভাষায়ঃ
"This layout is a slightly modified version of Bijoy keyboard layout of Ananda Computers.
The modification has been made to avoid breaking copyright laws and to suit the old layout with UNICODE standard.

As it is redesigned by OmicronLab, this UniBijoy keyboard layout is entirely a property of OmicronLab."

আবার কাগুর কি-বোর্ডের লে-আউটের সাথেতো পুরানো টাইপরাইটারের বাংলা মুনীর লে-আউটের মিল আছে। তাইলেতো কাগুরটাও পাইরেটেড।

মুস্তাফা সাধ  এর ছবি

জব্বার একটা <সেন্সর্ড>।
আমি অবশ্য অভ্রের ভক্ত না, আমি লেখি নিজের বানানো একটা অ্যাপ্লিকেশনে, যেটা কখনই মানুষের দোরে পৌঁছে দিতে পারি নাই। কিন্তু মানুষ অভ্রের গুণে যে অন্তত বঙ্গলিপিতে বাংলা লিখছে এর জন্য অভ্র গোষ্ঠী ধন্যবাদের দাবীদার। আর জব্বার সাহেবের মত কুলাঙ্গারেরা যতদিন এদেশের তথ্যপ্রযুক্তির ধ্বজাধারী হয়ে থাকবে ততদিন এদেশ কম্পিউটার জগতে আদরনীয় মেহমান হয়েই থাকবে, এর বেশি কিছু হবে না।

black Shirt এর ছবি

Reevi mv‡n‡ei gv_v Lvivc| Avgv‡`i wK DwPZ bv ‡m e¨vcv‡i wKQy Kiv? GKRb gvby‡li Amy¯_Zv wb‡q nvmv nvwm Kivi wK cÖ‡qvRb? Avmyb bv mevB wg‡j UvKv Zywj Dbv‡K cvebv cvVv‡bvi R‡b¨

জববার সাহেবের মাথা খারাপ। আমাদের কি উচিত না সে ব্যাপারে কিছু করা? একজন মানুষের অসুস্থতা নিয়ে হাসা হাসির কি প্রয়োজন? আসুন সবাই মিলে টাকা তুলি উনাকে পাবনা পাঠানোর জন্যে

অনেক আগে (২০০৬) এ একটা প্রগ্রাম লিখেছিলাম শখের বশে, ফনেটিক ব্যবহার করে বাংলা লেখার জন্যে. ওই এপ্লিকেশনে বিজয় ফন্ট ব্যবহার করতাম (উপরের হাবিজাবি অইটাতেই লেখা) আমিও হ্যাকার হয়ে গেলাম, কি মজা, অনেক দিনের শখ মিটলো ঃ) ঃ)

পত্রিকায় কেউ লিখতে পারবেন? ব্লগে লিখে হবে না শুধু।

অভ্র টিমের পাশে আছি।

রুবাঈত এর ছবি

অভ্র নিয়ে প্রচার প্রয়োজন। মোস্তফা জব্বারের মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করে কোন জাতীয় দৈনিকে লেখা দরকার খুব দ্রুত। নইলে IT ignorant জনসাধারনের কাছে অভ্র পাইরেটেড সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ব্লগারদেরকে এই ব্যাপারে আহবান করছি।

রানা মেহের এর ছবি

অভ্রনীল আর আমার অভিগ্গতা প্রায় একই।

পত্রিকায় অভ্রের ওপর একটা লেখা আসা খুব জরুরী
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

হিমেল [অতিথি] এর ছবি

বিভিন্ন ব্লগ ও ফেসবুক থেকে জানতে পারি, জব্বর কাকুর এই সব পাগল প্রলাপের কথা। কাকুর মাথায় যে কবে জ্ঞান বুদ্ধি হবে আল্লাহ ভাল জানেন।

অভ্রের কাছে আমি কৃতজ্ঞ সব সময়, অভ্রের জন্যই আমার মতো অনেকের নেটে বাংলা লেখার সুযোগ হয়েছে।

আপনার লেখাটি ভাল লাগলো ভাইয়া। আসলে এসব লেখা পত্রিকায় ছাপা হওয়া দরকার তাহলে হাজার হাজার মানুষ বিষয়টি জানবে।

রাজকন্যা এর ছবি

আমি নিজে আসলে এত কিছু জানতাম না, যদি না এই লেখাটা পড়তাম। ধন্যবাদ।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।