তুরস্কঃ চেনা যায় চাঁদ-তারা দেখে

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: রবি, ১৩/০১/২০১৩ - ৬:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটু ইতিহাস জেনে নেই

শুরু করি আর্মেনিয়ার গণহত্যার ইতিহাস দিয়ে। আর্মেনিয়ার গণহত্যা ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন আর তার ঠিক তার পরপর তৎকালীন 'অটোম্যান এম্পায়ার'দের ঘটানো একটি সুপরিকল্পিত গণহত্যা। নারী-পুরুষ-শিশু নির্বিশেষে এই গণহত্যার সাথে চলে ধর্ষণ। এই গণহত্যার কারণে মৃতের সংখ্যা ধরা হয় এক থেকে দেড় মিলিয়নের মধ্যে।

তৎকালীন এই 'অটোম্যান এম্পায়ার'ই হল বর্তমান তুরস্ক। কিন্তু বর্তমান তুরস্ক এই গণহত্যাকে স্বীকারই করে না। উইকিপিডিয়া বলছে [১],

The modern Republic of Turkey, which succeeded the Ottoman Empire in 1923, vehemently denies that a genocide took place and has resisted calls in recent years by scholars, countries, and international organizations to recognize them as so. The Armenian Genocide is acknowledged to have been one of the earliest modern genocides, as historians point to the organized manner in which the killings were carried out to eliminate the Armenians, and it is the second most-studied case of genocide after the Holocaust.

আধুনিক যুগের গণহত্যা শুরুই হয়েছে তুরস্কের হাত দিয়ে। শুধু আর্মেনিয়ার গণহত্যা নয়, তুর্কিদের ইতিহাসের একটা বড় অংশ জুড়েই আছে গণহত্যার ইতিহাস। অ্যাসিরিয়ান গণহত্যা, গ্রীক গণহত্যা এগুলো সবই তুরস্কের কীর্তি।

এগুলো মূল আলোচনার অংশ নয় বলে আলোচনা দীর্ঘায়ত করছি না। অনুসন্ধিৎসু পাঠক একটু গুগল করলেই জানতে পারবেন। আপাতত মূলকথা টুকে রাখুন।

একটু বর্তমানের কথা

৩১ জানুয়ারি ২০১২- বিবিসির একটা প্রতিবেদন [২]:

A French bill that makes it a criminal offence to deny that genocide was committed against Armenians has been referred to France's highest court. The bill, which covers the mass killing of Armenians by Ottoman Turks, was passed by both houses of parliament. But a group of senators have asked the constitutional court to examine it, in a move welcomed by Turkey. President Nicolas Sarkozy has yet to sign the bill, which Turkey has described as "racist". France has already recognised the killings in World War I as an act of genocide but the new bill means anyone denying it faces a year in jail and a fine of 45,000 euros ($57,000). Armenia says that up to 1.5 million people died in 1915-16 as the Ottoman empire split. Turkey, which rejects the term "genocide", has said the number of deaths was much smaller.

ব্যাখ্যা করার বোধহয় দরকার নেই। শুধু টুকে রাখুন।

এবার কিছু জানা ইতিহাস

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ। রাতের অন্ধকারে নিরস্ত্র বাঙ্গালীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানী হায়েনা। শুরু হয় নির্বিচারে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ। নয় মাস ধরে চলে পাকবাহিনীর সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ। মাত্র নয় মাসে ত্রিশ লাখ লোক শহীদ হয়, চার লক্ষ মা-বোন হন সম্ভ্রম হারা, এক কোটিরও বেশি লোককে দেশ ছেড়ে আশ্রয় নিতে হয় শরণার্থী শিবিরে। পাক-বাহিনীর সাথে সর্বত সহযোগিতায় ছিল কিছু পাকি-মনা এদেশীয় দোসর। যারা সুযোগ পেয়ে মীরজাফরীয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়; রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী নাম নিয়ে পাকবাহিনীকে সাহায্য করে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী হত্যার মত জঘন্য কাজে পাকবাহিনীকে সাহায্য করে। শুধু সাহায্য না তারা নিজেরাও লিপ্ত হয় খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ আর লুণ্ঠনের মত জঘন্য অপরাধের সাথে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস আসলে নতুন করে বলার কিছু নেই। ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য গণহত্যা শেষ হয় ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যে দিয়ে। এর পরে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফিরে আসেন, যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু হয়, সাথে সাথে শুরু হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ, পাস হয় 'আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩' যেই আইনের অধীনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরু হয় [৩]।

কিন্তু সেই বিচারের কাজ শেষ হবার আগেই কিছু কুলাঙ্গার স্বাধীনতাবিরোধী, কিছু ব্যক্তি স্বার্থে অন্ধ ক্ষমতালোভী পশুর চক্রান্তে সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু। শুরু হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের একটা অন্ধকার অধ্যায়। শুরু হয় স্বাধীনতা বিরোধীদের বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনরস্থাপনের চেষ্টা।

আরও কিছু ইতিহাস

২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪। এই দিন বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় তিন বছর পরে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় তুরস্ক আর পাকিস্তান [৪]। একথা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তিতে তুরস্ক ছিল অখুশি পক্ষ। কাকতালীয় কিনা জানিনা, কিন্তু তুরস্ক আর পাকিস্তানের একই দিনে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়াটা বেশ লক্ষ্য করার মত একটা ব্যাপার।

বর্তমানের কথা

স্বাধীনতার প্রায় চল্লিশ বছর পরে আবার শুরু হয়েছে সেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া। ততদিনে একাত্তরের সেই ঘাতক দালালরা বেশ জেঁকে বসেছে। গোলাম আজম পেয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব। স্বীকৃত রাজাকারেরা পেয়েছে মন্ত্রিত্বের স্বাদ, কেউ হয়েছে ধর্ম-বেচা বেহেশতের দালাল। স্কুল কলেজে বাচ্চারা শিখেছে ভুল ইতিহাস, বিকৃত ইতিহাস, অর্ধেক ইতিহাস। দেশে বিদেশে তারা টাকা আর মিথ্যে দিয়ে তৈরি করেছে, কিনে নিয়েছে অ্যাপোলোজিস্ট, লবিইস্ট। এই বিচারের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়েছে, নির্লজ্জভাবে। তাদের পত্র-পত্রিকা, টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক সাধারণ মানুষের মগজ ধোলাই চালিয়েছে, বিশেষত: ধর্মের নাম বেঁচে। কিন্তু সব বাঁধা অতিক্রম করে, বরাহদের কোটি কোটি ডলারের বিনিয়োগ নস্যাৎ করে বেশ ভালভাবেই এগিয়ে গেছে, এগিয়ে যাচ্ছে বিচার প্রক্রিয়া।

মূল কথা

গত কিছুদিনের বেশ কিছু পত্রিকায় খুব বিরক্তিকর একটা সংবাদ দেখা গেছে। একাত্তরের মানবতা-বিরোধী অপরাধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এদেশীয় দোসর রাজাকার বাহিনীর মূল হোতা গোলাম আজমসহ যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত অন্য জামায়াত নেতাদের মৃত্যুদণ্ড না দেয়ার অনুরোধ করেছে তুরস্ক। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ গুল সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আর রাষ্ট্রপতির কাছে লেখা এক চিঠির মাধ্যমে এ অনুরোধ জানান। চিঠিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট লিখেছেন [৫],

আমরা জানতে পেরেছি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অন্যদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের বিচার চলছে। প্রায় ৯০ বছর বয়সী এই নেতা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি বলে শোনা যাচ্ছে। তিনিসহ আরও বেশ কিছু বয়োজ্যেষ্ঠ ইসলামপন্থী নেতা বিচারের মুখোমুখি রয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগের।

তবে আশার কথা বাংলাদেশ সরকার খুব শক্তভাবেই তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে এই ঘটনার ব্যাপারে কঠোর মনোভাব জানিয়ে দিয়েছে। সাথে সাথে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষও অনলাইন, অফলাইনে তীব্রভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে। 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'র তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, মানব-বন্ধন হয়েছে, যেই মানব-বন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে যোগ দিয়েছে আরও সতেরটি সংঘটন।

তুরস্কের লজ্জাহীন আচরণের এই শেষ নয়, কিছুদিন আগে অন অ্যারাইভাল ভিসার অপব্যবহার করে তুরস্কের ১৪ সদস্যের একটি এনজিও প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার পরিদর্শন করেছেন [৫][৬]। তাদের মধ্যে মিশরের ব্রাদারহুডের সদস্যরাও ছিলেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তারা নাকি বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হচ্ছে কিনা সেই বিষয়ে তুরস্কের সরকারকে প্রতিবেদন জমা দেবেন। তাদের মৌলবাদী সংগঠনগুলোর পাণ্ডারা অন এরাইভাল ভিসার সুযোগ নিয়ে এখানে এসেছে, স্থানীয় তুর্কি এম্বেসি এদেরকে নিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধের সব ষড়যন্ত্রে শামিল হয়েছে [৭]। জামায়াতের মুখপাত্র 'দৈনিক সংগ্রাম এই বিষয়ে প্রত্যাশিতভাবেই তথাকথিত 'স্বচ্ছতার' দোহাই দিয়ে তেল চুকচুকে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ।

যে দেশে নিজেই বিশ্বের অন্যতম বড় গণহত্যার সাথে জড়িত, যেই দেশের নিজের ইতিহাস গণহত্যা আর ফ্যাসিবাদের ইতিহাস, যেই দেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটা গণহত্যাকে সরাসরি অস্বীকার সেই দেশের কিছু প্রতিনিধি এসে আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা আর মান যাচাই করে প্রতিবেদন করবে, সেই দেশের রাষ্ট্রপতি আমাদের সুবিচার আর শান্তির বাণী শোনাবেন, এটা আমার কাছে খুব নোংরা একটা রসিকতা।

আমি মনে করি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অন্য দেশের নাক গলানোর মত অনধিকার চর্চার জন্যে তুরস্কের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে, কারণ দর্শাতে হবে। তাছাড়া এই অনুরোধ শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েই অনধিকার চর্চাই নয়, বরং বাংলাদেশের মত একটা স্বাধীন দেশে, যেখানে বিচারবিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন, সেখানে একটা চলমান বিচার প্রক্রিয়ার রায় কী হবে সেটা নিয়ে মন্তব্য করা আদালতের চরম অবমাননা।

দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর পাকিস্তান সহ অনেক রাষ্ট্রই এই বিচারের ব্যাপারে অনেক কথা বলেছে, তথাকথিত 'মানবাধিকার', 'নিরপেক্ষতা', 'স্বচ্ছতা' ইত্যাদি শব্দ ব্যাবহার করে। কথা বলেছে বিভিন্ন তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থা, জামায়াতের কেনা আন্তর্জাতিক পত্রিকা, দালাল, লবিইস্ট, অ্যাপোলোজিস্ট। কিন্তু তুরস্কই প্রথম নির্লজ্জের মত আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিচার প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করল।

প্রত্যাশিতভাবেই জামায়াত তুরস্কের এই বরাহপনার খবর নিয়ে নির্লজ্জ মাতামাতি করে। জামায়েতের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে স্বাভাবিকভাবেই শোভা পাচ্ছে এই খবর [১০]। কিছু পাকিব্লগেও এই ইস্যুতে কথা হচ্ছে [১১]। যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাপারটাকে হালকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে তথাকথিত 'ইসলামিক দল'-এর কথা বলে। অবশ্য পাকিস্তানি আর জামায়াতের এই আচরণ প্রত্যাশিত।

তবে আশার ব্যাপার হল বেশ কিছু বিখ্যাত ইসলামিক দল তুরস্কের এই নির্লজ্জ অনধিকার চর্চার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারি ইস্যুকৃত এক চিঠিতে অন্যতম এবং নামকরা আন্তর্জাতিক ইসলামি দল 'ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক স্টাডিজ' বাংলাদেশের 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল'-এ চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ গুলের চিঠির ব্যাপারে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছে এভাবে [১২],

Islam strongly ordains trial of all crimes and Turkey as a Muslim nation is expected to uphold Islamic values. Mr Gul’s letter has failed Islam. It also failed Turkey as the historic center of Muslim world. The blood and tear-stained Bangladesh with about a thousand fields of mass-slaughter waited for 40 years to see justice carried out. Many millions still miss their near and dear murdered and raped ones. Mr Gul’s letter has insulted the victims of genocide. It also violated the sovereignty of Bangladesh and international ethics. His request “not to hang” Mr Azam is ridiculous and unfounded because the trial was not over and no verdict was given. His letter is an assault on the sovereignty of Bangladesh and interference to her justice system. It also deceptively implies that Bangladeshi government controls the judiciary while the fact is that the ICT is totally independent.

আরেকটি বিখ্যাত ইসলামিক সংগঠন 'ওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেস'-এর প্রেসিডেন্ট জনাব মাইক মোহাম্মদ গাউস আর উপদেষ্টা জনাব হাসান মাহমুদও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের চিঠির ব্যাপারে তার উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন এভাবে [১৩][১৪]

A Muslim should stand for up justice and support all such inquiries that bring justice to the people, in case where a Muslim cannot do anything, the least he can do is to speak up against injustice. Today, I am disappointed by the statement of Hon. President Gül. This amounts to interference and bias, aimed at prejudicing the system of a sovereign nation Bangladesh

শেষ কথা

আমি সরকারকে সাধুবাদ জানাই তুরস্কের এই নির্লজ্জ অনধিকার চর্চার বিপরীতে কঠোর জবাব দেয়ার জন্য। একটা স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ আর সেই দেশের আদালত অবমাননার জন্য তুরস্ক সরকারকে কারণ দর্শাতে বলা হোক।

তথাকথিত পর্যবেক্ষক দলের সফর আর তুরস্কের রাষ্ট্রপতির চিঠির বিষয়ে জানতে চাওয়ার জন্য তলব করা হয় তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে, যেখানে তার কাছে এই বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। চিঠির বিষয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বলেন,

যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে সম্ভাব্য যেসব জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে, তার পরিপ্রেক্ষিতে বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পরামর্শ দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

একটু হেসে আমি তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, তুরস্কের মত বন্ধুপ্রতিম দেশ বাংলাদেশের দরকার নাই।

পরিশিষ্ট

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখে তেমনি চেনা যায় [১৫][১৬] ... ... ...

রেফারেন্স
[১] Genocides in history
[২] France Turkey row: Genocide bill faces court hurdle
[৩] আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩
[৪] বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ
[৫] গোলাম আযমদের ‘ফাঁসি’ না দিতে তুরস্কের আবদার
[৬] তুরস্কের এনজিও প্রতিনিধি দল ভিসার অপব্যবহার করে ঠিক করেনি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
[৭] যুদ্ধাপরাধীদের বিচার: অভিযুক্তদের পক্ষে লবিং, সরকারের অসন্তোষ প্রকাশ
[৮] তুরস্কের প্রতিনিধি দলকে ভিন্নভাবে দেখা হচ্ছে কেন?
[৯] ট্রাইব্যুনালের বিচারের স্বচ্ছতা ও মান খতিয়ে দেখছে তুরস্ক সরকারের প্রতিনিধি দল
[১০] Turkey President’s letter to Bangladesh’s President: Stop immediately of Ghulam Azam’s trial
[১১] Turkish President urges halt to execution of Bangladesh Islamic leader
[১২] Institute of Islamic Studies slams Turkish President’s interference with the ICT
[১৩] PRESS RELEASE: Muslims denounce the statement by Turkish President Hon. Abdullah Gül
[১৪] Muslims denounce Turkish President Hon. Abdullah Gül interference
[১৫] পাকি পতাকা
[১৬] তুরস্কের পতাকা

ঋন স্বীকার (তথ্য): হিমু ভাই


মন্তব্য

অতিথি লেখক এর ছবি

আমিও এরকম কিছু লিখতে যাচ্ছিলাম। আপনার পোস্টটা খুব ভালো লাগল। আসলেই চাঁদ-তারা দেখে চেনা যায়।

দৈত্যকূলে প্রহ্লাদ

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অবনীল এর ছবি

আধুনিক যুগের গণহত্যা শুরুই হয়েছে তুরস্কের হাত দিয়ে। শুধু আর্মেনিয়ার গণহত্যা নয়, তুর্কিদের ইতিহাসের একটা বড় অংশ জুড়েই আছে গণহত্যার ইতিহাস। অ্যাসিরিয়ান গণহত্যা, গ্রীক গণহত্যা এগুলো সবই তুরস্কের কীর্তি।

এরা তো দেখি যুদ্ধাপরাধীদের আব্বা হুজুর, গাত্রদাহের কারন আরো পরিস্কার হলো। তথ্যবহুল লেখাটার জন্য ধন্যবাদ। সবার জানা দরকার।

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখে তেমনি চেনা যায়

উত্তম জাঝা!

___________________________________
অন্তর্জালিক ঠিকানা

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ। সবাই জানুক চাঁদ-তারার কথা।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অতিথি লেখক এর ছবি

যদিও একটি সরকারের কার্যক্রম প্রায়শঃই একটি দেশের কার্যক্রম বলে বিবেচিত হয়, তবুও একটি বিষয় বিবেচনার দাবী রাখে, সেটা হলো তুরস্কের ক্ষমতায় এখন চরম প্রতিক্রিয়াশীল ইসলামী দল "একেপি", যারা রাজনৈতিকভাবে জামায়াতের ভায়রা ভাই। সিএইচপি কিংবা "এমএইচপি" ক্ষমতায় থাকলে হয়তো ঘটনা এরকম হতো না।

আব্দুল্লাহ এ.এম.

হিমু এর ছবি

একেপি হচ্ছে তুর্কি বিম্পি। জামাতের তুর্কি সংস্করণ বেশ কয়েকটা পার্টি আছে, তার মধ্যে ফেলিসিটি পার্টি (সাদেত পার্তিসি) হচ্ছে জামাতের দোস্তো। এরা হচ্ছে সাকার ভাষায় কুকুর নাড়ানো লেজ।

আর্মেনীয় গণহত্যা অস্বীকারের ব্যাপারটা তুরস্কের সব বড় দলের মধ্যেই কমন। এই ব্যাপারে তাদের ভেদাভেদ নাই।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

মুসলিম ব্রাদারহুডের লোক একেপি, ফেলিসিটি দুই দলেই আছে। বিএনপিজামাত নিজেদের মধ‌্যে পার্থক্য সব জাগাতেই কমাইছে।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

চলুক

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তাপস শর্মা এর ছবি

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখে তেমনি চেনা যায়

পারফেক্ট উত্তম জাঝা!

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

মনি শামিম এর ছবি

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখে তেমনি চেনা যায়

গুল্লি

-মনি শামিম

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ শামিম ভাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

স্যাম এর ছবি

দারুন ত্রিমাত্রিক কবি - তথ্যগুলো কাজে লাগবে আমার কিছু ছাগল মুরুব্বীদের বুঝাতে
সচলায়তন আসলেই একটা অসাধারণ জায়গা - সত্যিই! হাসি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ। তথ্যগুলোর জন্য আসলে হিমু ভাই ধন্যবাদ পাবেন। আপাতত সবাইকে জানানোটাই হল মূল উদ্দেশ্য।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অরফিয়াস এর ছবি

কেনার সময়, চাঁদ-তারা দেখে কিনুন !! চোখ টিপি

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আর কোন দেশের পতাকা বা প্রতীকে কি চাঁদ-তারা আছে? থাকলে তাদের ইতিহাসটাও একটু ঘেঁটে দেখা দরকার।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অরফিয়াস এর ছবি

আজারবাইজান, মালায়শিয়া, মৌরিতানিয়া, আলজেরিয়া, তিউনেশিয়া, লিবিয়া এইসব দেশের পতাকা এবং প্রতীকে চাঁদ-তারার সগর্ব উপস্থিতি এবং খেয়াল কইরেন এদের অনেকেরেই রাজনৈতিক উত্থান-পতন সুবিধার না।

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

চলুক তাইত দেখতেছি।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

দীপ্ত এর ছবি

সুন্দর গোছানো লেখায় ধন্যবাদ।
তুরস্কের বিষয়ে কি বলব- যাদের হাতে রক্তের দাগ লেগে রয়েছে, বোধহয় তাদেরই সাজে গণহত্যার বিচার নিয়ে তালবাহানা করার।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সাফিনাজ আরজু এর ছবি

আমি মনে করি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অন্য দেশের নাক গলানোর মত অনধিকার চর্চার জন্যে তুরস্কের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে, কারণ দর্শাতে হবে। তাছাড়া এই অনুরোধ শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েই অনধিকার চর্চাই নয়, বরং বাংলাদেশের মত একটা স্বাধীন দেশে, যেখানে বিচারবিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন, সেখানে একটা চলমান বিচার প্রক্রিয়ার রায় কী হবে সেটা নিয়ে মন্তব্য করা আদালতের চরম অবমাননা।

সহমত। দারুন বলেছেন কবি ভাই।

তুরস্কের মত বন্ধুপ্রতিম দেশ বাংলাদেশের দরকার নাই

চলুক চলুক

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখে তেমনি চেনা যায়

গুল্লি গুল্লি

সবশেষে চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ এই লেখাটির জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। হাততালি

__________________________________
----আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে---

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

জাবেদুল আকবর এর ছবি

চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অমি_বন্যা  এর ছবি

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখে তেমনি চেনা যায় ।
খুব ভালো একটা লাইন। চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ বন্যা ভাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সুমাদ্রী এর ছবি

কয়েকদিন আগে তুরস্কে ঘুরতে গেসিলাম, তখন এই ব্যাপারগুলা জানা ছিলনা, জানলে এই ' একেপি 'র ইস্তানবুল অফিসের সামনে গিয়ে মুতে আসতাম।

অন্ধকার এসে বিশ্বচরাচর ঢেকে দেওয়ার পরেই
আমি দেখতে পাই একটি দুটি তিনটি তারা জ্বলছে আকাশে।।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আবার যাবেন, সমস্যা কী? বেশি করে পানি খেয়ে যাবেন।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

চলুক

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

কুমার এর ছবি

দারুণ লেখা। "নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখেও যায়" চলুক
*****লা তুরস্করে মুর্দাবাদ।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অতিথি লেখক এর ছবি

জর্জটাউন আর ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় মিলে কিছুদিন আগে একটা বিশাল লাদা ছেড়েছে নেটে, "৫০০ প্রভাবশালী মুসলীম" নামে একটা রিপোর্ট, লিস্টিতে ৪৩ নাম্বারটা একটু দেখেন। ছাগুরা কৃমির মত দুনিয়ার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে, আমাদের আরো সতর্ক থাকা জরুরী।

-- রামগরুড়

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

চলুক নিম্নশ্রেণীর প্রাণিরা খুব দ্রুত বংশ বিস্তার করে। কিন্তু কোথায় বংশ বিস্তার করতেছে এটার ট্র্যাক রাখা খব দরকার।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

আনু-আল হক এর ছবি

গুল্লি

রাহী এর ছবি

তাদের ২০১২ এর রিপোর্টেও "নিজামি'র নাম" রেগে টং

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

এদের দুরাবস্থা টের পাওয়া যায়। যেই লিস্টে নিজামির নাম আছে সেই লিস্টের বাকি এন্ট্রিগুলা খুব সুবিধাজনক হবে এটা মনে করার কোন কারণ নাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

রু এর ছবি

দারুণ একটা লেখা।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধন্যবাদ রু।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি

প্রেসিডেন্ট "গু"ল কে গু গুলে খাওয়ানো হোক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

দেঁতো হাসি

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

আনু-আল হক এর ছবি

দারুণ একটা পোস্ট, তারও চেয়ে বেশি হচ্ছে জরুরি একখানা পোস্ট। তুরস্করে বুঝাইয়া দেওয়া উচিত যে ওগো মতন দুই'চাইরটার লগে সম্পর্ক না-থাকা বরং সুবিধার। ইসরাইলের মতন শক্তশালী দেশের লগে না-থাইকা কি আমরা খারাপ আছি নাকি?

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখেও যায়

উত্তম জাঝা! শুধু তো দেখি রংয়ের ফাঁরাক: শুয়োরে শুয়োরে শালা-দুলাভাই

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

সেটাই ভাইয়া। শক্তের ভক্ত নরমের যম, কথাটা মনে রাখা দরকার।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

আকতার আহমেদ এর ছবি

খুবই দরকারী লেখা। শেয়ার করলাম।
ধন্যবাদ ত্রিমাত্রিক কবি।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ আকতার ভাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

রাহী এর ছবি

অসাধারন এবং একই সাথে সময়োপযোগী লেখা চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

অতিথি লেখক এর ছবি

ছাগলের কাচ্চি আগে ফেভারিট ডিশ ছিল; এখন মনে হইতেসে টার্কি রোস্টও একবার ট্রাই মাইরা দেখি!!

তথ্যবহুল চমৎকার এই লেখাটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ বহুমাত্রিক কবি।

ফারাসাত

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

টার্কি খাইতে আমার জঘন্য লাগছে। আর ছাগু খাইতে ভাল হইলেও অতিরিক্ত চর্বি থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই টার্কি আর ছাগু দু'টাকেই গদাম।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

নৃ এর ছবি

দারুণ তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট।
শেয়ার করছি।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

সম্ভবত ১৯৬৪ সালে ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তান, আর, সি, ডি (রিজিয়নাল কো-অপারেশন ফর ডেভেলপমেন্ট) চুক্তি করেছিল। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, এদের মধ্যে চিন্তাধারার একটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
লেখাটার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

হুম, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। আপনাকেও ধন্যবাদ।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

যুমার এর ছবি

নাক দেখে যেমন শুয়োর চেনা যায়, চাঁদ-তারা দেখেও যায়"

উত্তম জাঝা!

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

চরম উদাস এর ছবি

গুল্লি
দারুণ লেখা। মাস্টার্স এর সময় কিছু তুর্কীর সাথে কাজ করেছি। কয়েকজন বেশ ভালো ছিল। কিন্তু বেশ কয়েকজনের মধ্যে টিপিক্যাল পাইক্কা গুণাবলী দেখেতে পেয়েছি। ভাই ভাই বলে সামনে কেলিয়ে পিছন থেকে ছুরি মারার সিগনেচার পাইক্কা কোয়ালিটি আরকি।

স্যাম এর ছবি

ওশিলভ যেন কোন দেশের ছিল?!

চরম উদাস এর ছবি

তুর্কী দেঁতো হাসি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

তাইলে তো পাকিস্তানি না হইলেও তুর্কি লোকজন আপনার ুির ভাই দেঁতো হাসি

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

গুল্লি গুল্লি গুল্লি
এইটার একটা ইংরেজি অনুবাদ করে আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

স্যাম এর ছবি

চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

অনুবাদের কাজটা শুরু করতে পারি। এক সপ্তাহ হয়ত লাগবে। তারপর কেউ একটু চেক করে নিলেই কাজ হয়ে যায়। ছড়ানোর কাজটা আপনাকেই করতে হবে। আমাকে জানান তাইলে নজু ভাই।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তিথীডোর এর ছবি

লেখাটা মিস করে গিয়েছিলাম, গতকাল মনের মুকুরেতে চোখে পড়লো।
গুড জব। চলুক চলুক চলুক

অনুবাদ কি করা হয়েছিলো?

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

না। লেখার তারিখটা দেখো। এর কয়েকদিন পরেই শুরু হয় শাহবাগ। ভ্যাঙ্কুভারে তুরস্ক এমব্যাসির সামনে একটা মানব বন্ধন করার কথা ছিল। পরে জানতে পারলাম ভ্যাঙ্কুভার থেকে সরে গেছে তুরস্ক এম্ব্যাসি। কী করব ভাবতে ভাবতে, শাহবাগ শুরু হয়ে গেল। তারপর আর তুরস্কের কথা মনে থাকে কারও?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

আবার শুরু হোক প্রজেক্ট চলুক

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

ধুসর জলছবি এর ছবি

লেখাটা দরকার ছিল। হাততালি হাততালি

একটু হেসে আমি তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, তুরস্কের মত বন্ধুপ্রতিম দেশ বাংলাদেশের দরকার নাই।

গুরু গুরু সহমত।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ ধুসর।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

ফাহিম হাসান এর ছবি

চমৎকারভাবে ইতিহাসটা তুলে ধরেছ শান্ত। সাম্প্রতিক সব ঘটনার প্রেক্ষিতে লেখাটার খুব দরকার ছিল। চলুক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

ধইন্যবাদ ফাহিম।

অফটপিকঃ লেখা কই?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

shishircma এর ছবি

দারুণ তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

মির্জা এর ছবি

একটু যোগ করি, অটোমান টার্কদের কুকীর্তি জানেনা এমন মানুষ থাকার কথা না। এমনকি সৌদিরা পর্যন্ত বলে অটোমান টার্করা আসার আগে ইসলামের নামে সৌদিতে মানুষের উপর এত অত্যাচার হয়নি কখনো! সুতরাং ঐ জানোয়াগুলোর ব্যাপারে নতুন করে কিছু বলার নেই।
আমার খুব ভুল না হলে ১৯২৩ সালের পর থেকেই তুরস্ক নিজেকে একটা ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে আসছে। তুরস্ক আমার জানামতে পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে পাবলিক প্লেসে হিজাব নিষিদ্ধ!* অফিস-আদালত-বিশ্ববিদ্যালয়-স্কুল হিজাব নিষিদ্ধ। গত প্রায় ৯০ বছর ধরে হিজাব এবং এইধরনের তথাকথিত ধর্মিও বিধি-নিষেধকে তুরস্কে “এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা” হিসেবে দেখা হয়। ২০০৭ সালের ৬ মার্চের সানডে টাইমস এর রিপোর্টে বলা হয়ঃ ‘‘headscarves are banned inside Turkish hospitals, and doctors may not don a headscarf on the job’’
ঘটনা কি তাহলে?
ঘটনা হল তুরস্কের Justice and Development Party (AKP)। এদের এক সাবেক মন্ত্রীর হুসেইন সেলিকের ভাষায়: "the AK Party is a conservative democratic party [but] the AK Party's conservatism is limited to moral and social issues." এই ‘‘সোশ্যাল এবং মরাল’’ ইস্যুর একটা অংশ হল বোরকাসহ-ধর্মিও গোঁড়ামি ইত্যাদি-ইত্যাদিকে বিষয়গুলোকে তুরস্কের সমাজে ফিরিয়ে আনা। Reuters-এর ভাষায় এই রাজনৈতিক দলটি হল "Islamist-rooted" and "Islamic-leaning"।
(* গত বছরের শেষের দিকে এই বাটপারগুলোই বোরকার উপ্র থেকে "আংশিকভাবে" নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।)
একটি "Islamist-rooted" দল যে জামাতকে সাপোর্ট করবে এইটাইতো স্বাভাবিক। অটোমান টার্ক, ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলিজি, AKP-কে অতদূরে যেতে হয় না AKP-হচ্ছে হাফ-ইয়োরোপিয়ান ঘুমটার নীচে সরাসরি এক জামায়াতে ইসলামি!

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

চলুক

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

কৌস্তুভ এর ছবি

কোনো ইসলামি দল তুর্কীদের এই কাজটায় আপত্তি জানিয়েছে, এটা কি আমাদের কাছে এমন খুব গুরুত্বপূর্ণ যে সেটাকে আমাদের আশার কথা বলে দেখার দরকার আছে?

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

হেহে পয়েন্ট ঠিক আছে। আমাদের জন্যে পয়েন্টটা একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ না আসলে। কিন্তু আপামর ধার্মিক এবং বিশ্বাসী অনেকের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যেহেতু সেরকম লোকই আমাদের চারাপাশে সংখ্যাগরিষ্ঠ তাই তাদের একটু আশা দেখানোর চেষ্টা চোখ টিপি

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

বাঙালিকে দেখায়ো না আঙুল, হয়ে যাবে নিজেই ভন্ডুল

আব্দুল্লাহ গুল ২০০৩/৪ সালের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তা ছিলেন, সম্মানসূচক ডক্টরেটও পেয়েছিলেন। বক্তৃতা তো আর এক্সপাঞ্জ করা যাবে না, ডিগ্রীটা কি ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব?

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

কে করবে এই কাজ? কে শুরু করবে?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

আখেরে কাজটা সরকারের কিংবা সুনির্দিষ্টভাবে বললে ঢাবি কর্তৃপক্ষের,
কিন্তু নিদেনপক্ষে সে পর্যন্ত পৌঁছে দেবার দায়টা মনে হয় আমাদেরই ইয়ে, মানে...

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।