কেউ সমাধান দেন।

O'Hare Airport Hires Goats to Mow the Lawn
http://www.good.is/posts/o-hare-airport-hires-goats-to-mow-the-lawn
আবার অনেক দিন পর। ফাঁকিবাজির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
আমি দিনের চেয়ে রাতে ছবি তুলতে পছন্দ করি বেশি, রাতের আলো টালো নিয়ে অনেক সময় অনেক মজার মজার প্যাটার্ন তৈরি করা যায়, রং ঝলমলে সাইন, ডিসপ্লে এগুলার ছবি তুলতেও আমি বেশ মজা পাই। তবে আজকের প্রধান বিষয় হল আতশবাজি বা ফায়ারওয়ার্কস। প্রথমে ছবি গুলো দেখে ফেলি,
কাতার জাতীয় দিবসের আতশবাজি, ২০১০ (প্রথম চেষ্টা )
বেশ কিছুদিন ধরেই ক্যামেরাটা বেকার ঘরে পড়ে ছিলো । না না কারনেই আর বের হওয়া হচ্ছিলো না । ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম, আমার দলে এমন আমি একাই না.... অনেক ভাই বেরাদারও আছে । কি আর করা..... সুদীপ্ত দা'র কাছে আর্জি পেশ করলাম, একটা ফটোওয়াকের কল করেন । দাদাও রাজি হয়ে গেলেন..... বলেই দিলেন গ্রুপের পক্ষ থেকে একটা ফটোওয়াকের ব্যবস্থা করাই যেতে পারে । 
ক'দিন আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম.... সাদা-কালো ছবি নিয়ে। তাই আজকে আবার লিখতে বসলাম। বরাবরের মতই ছবি নিয়ে। নাহ.... এইবার ঠিক সাদা-কালো না। বলা চলে পাঁচ মিশালি।
ছোটবেলা থেকেই আমি ছিলাম বিরাট বেকুব কিসিমের আর আমার বেকুবি দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে এখনো। আমার চারপাশের বন্ধুরা সব তখন চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলে, কথা মাটিতে পড়তে দেয়না। বড় হয়ে কি হবা এই জাতীয় প্রশ্ন দারুণ কনফিডেন্ট নিয়ে ঠাশ ঠাশ বলে দেয়, আমাকে জিগ্যেস করলে আমি একটা হাসি দেয়ার চেষ্টা করি কিন্তু মুখের একটা অবস্থা হত যেটা আমার ধারণা অনেকক্ষণ কেউ বাথরুম আটকে রাখলে যেরকম হয় অনেকটা সেরকম হত। কাজেই যে যা বলত মনে
[এই পোস্টটা গতকাল প্রায় পাঁচ ঘন্টা অনেক পরিশ্রম করে লিখেছিলাম, কিন্তু প্রিভিউ করতে গিয়ে এরর আসে, এবং যখন পিছনের পেজে যাই পোস্ট তখন হাওয়া! কান্দা বাকি ছিল শুধু
জানিনা এবার লিখলে আগের বারের মতন ভাল হবে কিনা]
সিঁড়ি বেঁয়ে গাড়ীবারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছি। অফিস যাব কিন্তু বাইরে ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে! আমাকে দেখে বৃষ্টি তার গতি আরও বাড়িয়ে দিলো। উপরওয়ালা মনে হয় আমাকে বিশেষ একটা পছন্দ করেন না, আমি যখন সিরিয়াস মুডে থাকি তখনি দেখা যায় উনি এধরনের ইয়ার্কি করেন! গেট থেকে মাথা বাড়িয়ে রিক্সা খোঁজার চেষ্টা করলাম!
শৈশবে অঙ্কন বিষয়ে আমাকে প্রথম যেদিন গ্রামের ছবি আঁকতে দেয়া হল, আমি হাজির হলাম আমার বড় বোনের কাছে। আপু তখন ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিচ্ছেন, ব্যাবহারিক খাতায় বেশ কিছু কারিশমা দেখিয়ে আমাদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন! আপু প্রথমে যেটা আঁকালেন সেটা একটা কুঁড়ে ঘর, তার উপরে কলা গাছের পাতা এসে পড়েছে, পাশে একটা খড়ের গাদা! এরপরে সেটা নকল করার জন্য আমি উঠেপড়ে লাগলাম!
ইদানিং মোটাসোটা বই দেখলেই ভয় পাই । তাই খুজে খুজে দোকান থেকে একটা চিকন বই বের করলাম । শিরোনাম – “বিষয়ঃচলচ্চিত্র” সত্যজিৎ রায়ের লেখা চলচিত্র সমালচনা। বইটি পড়ে যেটা মনে হলো - কিছু বিষয় স্থির কিম্বা চলমান দুটি ক্ষেত্রে সত্য । যেমন- বিষয়বস্তু যেমনই হোকনা কেন দশর্ককে সেটা বোঝানোর ক্ষেত্রে যে ভাষা ব্যাবহার করা হয়, ক্যামেরার সাথে সাথে কম্পোজিশন, কালার এবং আধুনিক টেকনোলোজি সেই ভাষা প্রকাশে সাহায্য
ফটোগ্রাফিতে বেশ মজার কিছু ব্যাপার আছে। এর মধ্যে আমার সব চেয়ে ইন্টারেস্টিং আর আজব লাগে লং এক্সপোজার বা লং শাটার। এ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম আগে।ছবিগুলা কেমন অন্যরকম বানায় দেয়। সন্ধ্যায় বা রাতের বেলায় আলোর অভাবে শাটার স্পীড বাড়িয়ে দেয়া বা স্লো করে দিয়ে আলো ঢুকানো ছবিতে
ছবি তোলার পরে সেগুলোর পোস্ট প্রোসেসিং নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন। কেউ কেউ প্রোসেসিং করা ছবি দেখে নাক সিঁটকান। কেউ বা বাহবা দেন। আসলে সঠিক কোনটা....???