দেশবিদেশের উপকথা-স্কটিশ, সুজন ও সমুদ্রকুমারী (সম্পূর্ণ)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শনি, ১৮/১২/২০১০ - ৭:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এখানে গল্পটা একসঙ্গে পুরোটা দিলাম।

সমুদ্রতীরের ছোট্টো গ্রামে থাকতো সুজন। বাপদাদাদের আমল থেকে তারা দক্ষ জেলে, সমুদ্রে মাছ ধরাই তাদের প্রধান কাজ। সুজন কিশোর বয়স থেকেই বাবার সঙ্গে যেত মাছ ধরতে। এখন তার বাবা-মা দুজনেই পরলোকে, এখন সে একাই মাছ ধরতে যায় নিজের নৌকা, জাল আর লোকজন নিয়ে।

সুজন কাজেকর্মে যেমন দড় তেমনি দেখতেও ভারী চমৎকার। তার সতেজ সবল দীর্ঘ চেহারা দেখে সবাই খুব প্রীত হয়। গ্রামের কুমারী মেয়েরা তাকে বিবাহ করার জন্য পাগল। কত সম্বন্ধ আসে সুজনের কাছে। কিন্তু সুজন সব ফিরিয়ে দেয়। সে বিবাহ বন্ধনে বাধা পড়তে চায় না, সে বলে, "এই বেশ ভালো আছি। সংসার করা মানেই হাজার হ্যাপা, আজ বৌ বলবে "এনে দে রেশমী চুড়ি/ নইলে যাবো বাপের বাড়ী/ দিবি বলে কাল কাটালি/ জানি তোর জারিজুরি", কাল ঠোঁট ফুলিয়ে বলবে "বলেছিলি যে স্নোপাউডার পমেটম এনে দিবি, কই সেসব? " পরদিন বলবে, "সোনার সুতায় কাজকরা রেশমীশাড়ী চাই আমার, এখুনি এনে দে, নইলে এক থাপ্পড়ে তোর দাঁতের হালি ফেলে দিবো, হ্যাঁ"-- ওরে বাপ রে, সে যেন সেধে খাল কেটে কুমীর আনা। ভাবলেই গায়ে জ্বর আসে।

দিন যায়, সুজন সারাদিন কাজকর্ম করে আর দিনের শেষে মাছটাছ সব হাটে চালান হয়ে গেলে সেদিনের পারিশ্রমিক সহকারীদের ঠিকঠাকমতন গুণে দিয়ে গুণগুণ গান গাইতে গাইতে একা ঘরে ফিরে আসে নিজের উপার্জন নিয়ে।

একদিন সে ফিরছিলো অমন, বেলাশেষের রাঙা আলোয় আকাশ ভরে আছে, সমুদ্র টলটল করছে পাত্রের কানায় কানায় ভরা রঙীন সুরার মতন। উতল বাতাস বইছে, ফাগুণ হাওয়া। সমুদ্রের দিকে চেয়ে সুজনের বুক হু হু করে উঠলো, " মনের জানালা ধরে উঁকি দিয়ে গেছে / যার চোখ তাকে আর মনে পড়ে না/ আর কোনো চোখ তবু মনে ধরে না।" কে সে? তাকে কি গত জন্মে সে দেখেছিলো কোনোদিন?

সমুদ্রে ছোটোবড়ো শিলা মাথা জাগিয়ে আছে, ওখানে সেল্কি মেয়েরা খেলছিলো। সেল্কি হলো জলমানুষ, ওরা সীলের চামড়া পরে থাকে। খেলার সময় চামড়া খুলে রেখেছে পাথরের উপরে, খুব আনন্দে সাঁতার কাটছে জলকন্যারা, একে অন্যের দিকে জল ছুঁড়ছে, হী হী হী হী করে হাসছে। সেই হাসিতে ভরে উঠছে ফাগুণ বাতাস, চরাচরে যেন স্বর্ণবৃষ্টি হচ্ছে। সুজন এত অবাক হয়েছে যে গতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে, একবার চোখের উপরে হাত বুলিয়ে নিয়ে বুঝে নিলো স্বপ্ন দেখছে কিনা। স্বপ্ন না, সত্যি! সেল্কিরা তাহলে গল্পকথা নয়, এরা তাহলে সত্যি আছে!

সম্বিত ফিরে পেয়ে চুপি চুপি গুঁড়ি মেরে সুজন এগোলো পাথরগুলোর দিকে, ওগুলো বেশী জলে না, সুজনের কোমরজল হবে ওখানে। একটা সীলচামড়া খুব কাছে, সেটা একটান মেরে নিয়েই সুজন জলছপছপ করে পাড়ের দিকে দৌড় দিলো। জলকন্যারা টের পেয়ে গেছে, সব্বোনাশ। ডাঙার মানুষ দেখে ফেলেছে ওদের। পড়ি কি মরি কে এসে সবাই ঝটাপট সীলচামড়া পরে ফেলেছে আর জলের উপরে মাথা জাগিয়ে দেখছে ডাঙার মানুষটাকে। পাড়ের দিকে যেতে যেতে সুজন ফিরে তাকিয়ে দেখে সেল্কিরা তার দিকে চেয়ে আছে নীরবে।

সব মাথা সীলের শুধু একটা মাথা এক মেয়ের, সে মেয়ে কেঁদে কেঁদে বলে, "ওগো ডাঙার মানুষ, ডাঙার মানুষ, দয়া করো আমায়। সীলের চামড়াটা ফেরত দাও গো, ওটা ছাড়া আমি সমুদ্রে থাকতে পারবো না। ওগো ভালোমানুষের ছেলে, নিজের উপরেও তো দয়া আশা করো তুমি, তবে আমাকে কেন দয়া করবে না? "

সুজনের হৃদয় বিগলিত হয় করুণায়, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে জলপ্রপাতের মতন নেমে আসে ভালোবাসার অনুভূতি। জীবনে সেই প্রথম। জলের মধ্যে কাঁদছে ঐ অপার্থিব সুন্দরী তরুণী, গভীর সমুদ্রের মতন তার চোখ, জলজ্যোৎস্নার মতন তার বরণ, ঝড়ের মেঘের মতন তার কেশরাশি, সেই তো তার স্বপ্নে দেখা মেয়ে, যার জন্য আজও সে কঠোর কৌমার্যব্রত ধারণ করে আছে!

সুজন বলে, "সাগর কন্যা, আমায় বিয়ে করবে? "

সাগরকন্যা অবাক হয়ে বলে, "তোমায় কেমন করে বিয়ে করবো? আমি যে সাগরের মানুষ!"

সুজন বলে, " তাতে কী? তুমি দিব্যি ডাঙায় থাকতে পারবে, এই এখন যেমন নি:শ্বাস নিচ্ছ তেমন নেবে। তোমার দু'খান পা ও তো আছে, হাঁটতেও পারবে চমৎকার! প্রথম প্রথম আমি না হয় ধরে ধরে তোমায় হাঁটাবো। ঐ পাহাড়ের চূড়ায় প্রার্থনাভবন, সেখানে আমাদের বিয়ে হবে। তুমি আমার সঙ্গে ডাঙায় থাকবে। এখানে কত কিছু আছে, পাহাড় আছে, নদী আছে, হাট আছে বাজার আছে সব তোমায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাবো। তোমায় কিনে দেবো সোনার চুড়ি রেশমী শাড়ী স্নো পাউডার পমেটম আতর যা তুমি চাও। অমত করিস না কন্যে, পায়ে পড়ি তোর। আমি তাহলে বাঁচবো না।"

সমুদ্রকুমারীর খুব একটা ইচ্ছা ছিলো কিনা কেজানে, কিন্তু সুজনের হাতে তার প্রাণভোমরা সিলচামড়াটা, সমুদ্রকুমারী রাজি হয়ে গেল সুজনের আরেকটু কষাকষির পরে।

পরদিন পাহাড়ের চূড়ার প্রার্থনাভবনে সুজনের সাথে বিবাহ হলো সমুদ্রকুমারীর। রাঙাচেলি পরা, মাথায় মুকুট, সারা গায়ে ফুলের গহনা। পৃথিবীর সাজে সমুদ্রকুমারীর রূপ যেন ফেটে পড়ছে। সারা গাঁয়ের লোক ভেঙে পড়লো দেখতে, নতুন বৌয়ের রূপ দেখে তো তারা থ। এ কি পৃথিবীর মেয়ে? এত রূপ কি মাটির পৃথিবীর মানুষের থাকে? এ যে সেই রূপকথালোকের কুঁচবরণ কন্যা মেঘবরণ চুল! সুজন এ মেয়ে পেল কোথা?

সুজন বলছিলো বৌ তার মামাবাড়ীর গাঁয়ের মেয়ে, ভাটির দেশে বাড়ী তার। আজই মাত্র এসে পৌঁছেছে, আগে কেউ দেখে নি কিনা, তাতেই লোকে অবাক হচ্ছে।

সুজন তার নতুন বৌ নিয়ে সুখে সংসার শুরু করে, বৌ ও কদিনের মধ্যেই দিব্যি মানিয়ে নেয়, গাঁয়ের মানুষদের দিব্যি আপনজন হয়ে যায়। এমন আশ্চর্যসুন্দর মেয়ে, তার উপরে স্বভাবটিও বড় মনকাড়া, সবাই তাকে খুব ভালোবেসে ফেলে। তার উপরে এ নতুন বৌয়ের গুণ কত, কেমন সুন্দর গান গায়, কেমন সুন্দর আশ্চর্য সব রান্নাবান্না করে, এমন সুন্দর হাতের কাজ!

বৌ রাঁধে বাড়ে ঘর গোছায় বাগান করে, সুজন সারাদিন কাজ করে আর মনে মনে ভাবে আহা, দিনের শেষে বৌয়ের কাছে ফিরে আসবে। বৌ কোনোদিন কিছু চায় না, তবু রোজই তার জন্য কিছু না কিছু উপহার নিয়ে ফেরে সুজন।

***

দেখতে দেখতে দিন যায় মাস যায় বছরের পর বছর ঘোরে। তাদের ঘরে চারটি ফুটফুটে ছেলে আর তিনটি ফুটফুটি মেয়ে জন্মায়। সবাই ভারী খুশী। শিশুদের কলরবে খেলাধূলায় হুটোপাটিতে ভরে ওঠে তাদের ঘর উঠান বাগান, সুজনের নিজের জীবনটাকে ধন্য মনে হয়।

আর সমুদ্রকন্যা? সেও বাচ্চাদের নাওয়ায় খাওয়ায় তাদের সঙ্গে হাসে, খেলা করে কিন্তু যখন সুজন থাকে না, তখন সে তন্নতন্ন করে ঘরে খোঁজে সেই সীলচামড়া! কোথায় সুজন রেখেছে ওটা? কোনোদিন কি পাওয়া যাবে না? কোনোদিন যদি পাওয়া যায়-

এমনি করে আরো কত বছর কেটে যায়। ছেলেমেয়েরা এখন বেশ বড়ো। বড়ো তিন ছেলে তো বাবার সঙ্গে সমুদ্রে যায় মাছ ধরতে। তারপরের চারজনও এখন বেশ বড়, সমুদ্রতীরে তারা শুধু খেলাই করে না, ঝিনুক কাঁকড়া এসব খাদ্য সংগ্রহ করে আনে।

একদিন সুজন সমুদ্রে গেছে বড় তিন ছেলেকে নিয়ে আর পরের তিনজন ছেলেমেয়ে সমুদ্রতীরে কাঁকড়া সংগ্রহ করছে। সবচেয়ে ছোটো মেয়েটির পায়ে ব্যথা বলে সে বাড়ীতে আছে।

সে দ্যাখে তার মা এখানে সেখানে কীজানি খোঁজে আর খোঁজে। সে বলে, "মা মাগো, তুমি কী খোঁজো? "

তার মা বলে, " ছোট্টো মনা রে, তোর ব্যাথা পায়ে জড়িয়ে দেবো বলে একটা সীলের চামড়া খুঁজি।"

মেয়ে হেসে বলে, " একটা সীলচামড়া কোথায় আছে আমি জা-আ-নি। "

তার মা থমকে দাঁড়িয়ে তার দিকে তাকায়, বলে " কোথায়?"

মেয়ে বলে, "বললে কী দেবে? মিষ্টি পিঠা দেবে? লাল মালা দেবে? গোলাপী জামা দেবে?"

অস্থির হয়ে তার মা বলে, "দেবো, সব দেবো। কোথায় ওটা?"

মেয়ে হাত দিয়ে দেখায়, ওই যেখানে দুই দেয়াল মিশেছে ছাদে, সেই কোণায় একটা ঝাপ আলগা, তার ভিতরে খানিকটা জায়গা আছে, সেখানে লুকানো ওটা। সে বলে, " একদিন দেখেছিলাম। মা তুমি তখন হাটে গেছিলে, সেদিন বাবা সেটা বার করে দেখে আবার ঢুকিয়ে রেখেছিলো। ওটা কি খুব দামী চামড়া মা? "

মুহূর্তের মধ্যে সমুদ্রকন্যা সেটা বার করে আনে, তার হারানো মানিক! সীলচামড়াটা বুকের কাছে চেপে ধরে গভীর করে শ্বাস নেয়। কতকাল পরে, আহা সে যে কতকাল-

এতকালের অবরুদ্ধ অশ্রু বন্যার মত নেমে আসে তার দুই গাল ভাসিয়ে।
মেয়ে অবাক হয়ে গেছে, সে তো মাকে আগে এভাবে ঝরঝরিয়ে কাঁদতে দেখেনি কখনো।

মা তাকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু খেয়ে বলে, "আসি রে সোনামণি। তোদের সাথে আর দেখা হবে না। তোরা ভালো থাকিস, তোরা ভালো থাকিস।"

সাগরকন্যা সীলচামড়া পরে নিয়ে সমুদ্রের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আহা, এতকাল পরে সে তার প্রিয়তমের কাছে ফিরে যাচ্ছে।

সুজনের নৌকা ফিরছিলো তখন, তার পাশ দিয়ে সাঁতরে যাবার সময় মুখের ঢাকা সরিয়ে সমুদ্রকুমারী বলে," সুজন, সুজন, তুমি বড় ভালো। অনেক দয়া করেছিলে আমায়। তোমার ঘরে আমার কোনো দু:খ ছিলো না। কিন্তু আমি যে সাগরকন্যা, সমুদ্রে আমার না ফিরে গিয়ে উপায় নেই। তোমার ছেলেমেয়েরা রইলো, তাদের নিয়ে তুমি সুখী হবে সুজন, তোমরা খুব ভালো থাকবে।"

সুজন আর তার তিন ছেলের অবাক চোখের সামনে সমুদ্রের নীল জলে মিলিয়ে গেল সমুদ্রকুমারী। একদিন সেখান থেকেই তাকে পেয়েছিলো সুজন, সেখানেই আবার হারিয়ে ফেললো তাকে।

সত্যি হারিয়ে ফেললো কি? রয়ে গেল তার ছেলেমেয়েরা, রয়ে গেল তার স্মৃতি। সেই নিয়ে সুজন রোজ আসবে যাবে সমুদ্রে, মাটির ডাঙার মানুষ সে, এর বেশী কী ই বা আশা করতে পারে? তার চোখের ফোঁটা ফোঁটা নোনাপানি সাগরের নোনাপানিতে মিশে যায়, অস্ফুটে সে বলে, "বিদায়,বিদায়।"

(শেষ)


মন্তব্য

অপছন্দনীয় এর ছবি

দারুণ। ধন্যবাদ গল্পটা প্রকাশের জন্য হাসি

তুলিরেখা এর ছবি

আমার পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ, অপছন্দনীয়। পড়ার জন্য। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

পাগল মন এর ছবি

ভালো কিছুর জন্য অপেক্ষা করাটা যে মধুর সেটা আরেকবার প্রমাণ হল।
অনেক ধন্যবাদ চমৎকার গল্পটার জন্য।
_________________________________________________
হায়রে মানুষ, রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস
তবুও তো ভাই কারোরই নাই, একটুখানি হুঁশ।

------------------------------------------
হায়রে মানুষ, রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস
তবুও তো ভাই কারোরই নাই, একটুখানি হুঁশ।

তুলিরেখা এর ছবি

দেখলেন তো! হাসি
যেসব থিওরি কিনা বেশ ভালো, তারা বারে বারেই প্রমাণিত হয়, কিছুতেই তাদের ভুল ধরা যায় না, পিছলে বেরিয়ে যায়। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

বাহ... কী সুন্দর বিচ্ছেদী গল্প... দারুণ লাগলো
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

তুলিরেখা এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ নজরুল।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

অতিথি লেখক এর ছবি

দিদি, আপনার তো ছ'মাসের ফাঁসী হওয়া উচিৎ! এই জিনিস কেউ দু'খন্ডে দেয়!

--- থাবা বাবা!

তুলিরেখা এর ছবি

সত্যি, উপকথা দুপর্বে দেওয়া অনুচিত। ফ্লো ভেঙে যায়।
আসলে সেদিন সময় ছিলো না লেখাটা শেষ করার, এদিকে খুব ইচ্ছে বন্ধুকে খানিকটা অন্তত পড়াবার, সে আবার শুধু সচলই পড়ে। হাসি
পরের উপকথাগুলোর সময় সাবধানে থাকবো।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

চলুক
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

তুলিরেখা এর ছবি

হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

নাশতারান এর ছবি

গল্প ভালো লেগেছে। কিন্তু সুজনের মতো সলনাময় পেমিকদের ভালু পাই না তা সে যতই ভালোবাসুক না কেন।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

তুলিরেখা এর ছবি

আমিও ভালা পাই না।
সেটাই অবশ্য এই গল্পের নীরব মরাল। এমন করলে শেষে পস্তাতে হয়।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

কৌস্তুভ এর ছবি

বাঃ। এইটা রূপকার্থেও চমৎকার গল্প।

তুলিরেখা এর ছবি

ধন্যবাদ। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।