Archive - এপ্র 25, 2011

হাঁটিতেছি

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৫/০৪/২০১১ - ৫:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দ্বিতীয় পর্ব

অন্যান্য আরো অনেকেরই মতো জীবনানন্দকে ঠিকমত বুঝে উঠবার আগেই ‘বনলতা সেন’-এর সাথে আমার পরিচয়। সেই পরিচয়ে তারুণ্যের মুগ্ধতাই ছিল বেশী। সে বয়সের মুগ্ধতার একটা আলাদা চরিত্র আছে। সেই চরিত্রগুণে সহজেই ‘বনলতা সেন’ ‘জীবনানন্দ’কে ছাপিয়ে যান। আমার প্রথম সেই পাঠ ছিল নিতান্তই অর্বাচীন পাঠকের পাঠ। তাই কবিতাটির প্রথম চরণেই খটকা লেগেছিল। ‘হাঁটিতেছি’, একি বিশ্রী গুরুচণ্ডালী। পাড়াগাঁর কবি, হয়তো


ঠাণ্ডু মিয়ার ক্ষুদ্রঋন

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: সোম, ২৫/০৪/২০১১ - ৪:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মরতে এসে আজরাইলও জান ফেরত দিলে বিপাকে পড়ে গেলো গোরখোদক ঠান্ডু মিয়া। নগরীর সবগুলো গোরস্তানে তার যাতায়াত। ঝড়বৃষ্টি বাদলা যে কোন দিনে আধঘন্টার মধ্যে কবর খুঁড়ে লাশের জন্য ঘর তৈরী করা তার জন্য নস্যি। জীবনে যতবার কবরে নেমেছে অতবেলা ভাতও খায়নি পেট ভরে। আজরাইলের সাথে পরিচয়টা বহুকাল আগেই। দেখতে দেখতে মুখ চেনা হয়ে গেলে যা হয়, আজরাইলের সুনজরে থেকে এত দুর্যোগ, এত মহামারী, এত ভয়াবহ দুর্ঘটনা কোন কিছুই তার সাতা


অবশেষে মোরগ মোসাল্লাম রেসিপি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/০৪/২০১১ - ১:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সপ্তাহান্তে হাতে কিছু সময় পেলে যে কয়টা জিনিস করতে পছন্দ করি, তার মধ্যে সবার ওপরে থাকে নতুন খাবারদাবার নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট। বলাবাহুল্য, তার মধ্যে অনেকগুলোই ফ্লপ হয়, দ্বিতীয়বার আর কখনোই করা হয় না। কিন্তু এর মধ্যেও কিছু কিছু খাবার বের হয়ে আসে, যেগুলো পাকাপাকিভাবে আমাদের প্রিয় রান্নার তালিকায় ঢুকে যায়, তার চমৎকার স্বাদের গুণে বা সহজ রান্না-পদ্ধতির গুণে। আজকে সেরকমই একটা রান্না হাজির করছি--মোরগ মোসাল্লাম।


এই গরমে ঘোল খান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/০৪/২০১১ - ৪:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুখবন্ধঃ ইহা কোন সাহিত্যকর্ম নয়। ইহা জীবনে প্রথমবারের মত একটি রেসেপি লেখার চেষ্টা মাত্র।


জ্বিন কামাল

সুজন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুজন চৌধুরী (তারিখ: সোম, ২৫/০৪/২০১১ - ২:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Lota's Kamal

আলাদিনের জাদুর লোটা, খুব হুঁশিয়ার সামাল
একটি ঘষায় বেরিয়ে আসে হেঁইয়ো লোটা'স কামাল !!!


ডিয়ার স্যার

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: সোম, ২৫/০৪/২০১১ - ২:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডিয়ার স্যার,

আমাদের মহান হেড স্যারের লেখা একটা কবিতা আমরা মাঝে মাঝে আওড়াই - চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির - বুদ্ধির ঊনতাহেতু আমরা সেইটা পুরাপুরি বুঝতে পারি না। সেইখানে তিনি আরো লিখেছিলেন - যেথা গৃহের প্রাচীর/ আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী/ বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি। ইংরেজিতে Where the world has not been broken up/ into fragments by narrow domestic walls। আমরা ছোট চিন্তার লোকেরা, খালি প্রাচীর তুলতে চাই। আপনারা বড় বড় মানুষ। প্রাচীর-টাচির তেমন একটা মানেন না। তাই আমাদের অল্পবিদ্যার জাতীয়তাবাদী দেয়ালগুলা আপনাদের মনে করুণার উদ্রেক করে।