সাক্ষী সত্যানন্দ এর ব্লগ

প্রায়শ্চিত্ত-চঞ্চরী অথবা কামালের শক্তিশেল

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/১০/২০১৩ - ১২:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
নামের জন্য সুকুমার রায়ের এবং তথ্য-উপাত্তের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলের কাছে আমি বিশেষ কৃতজ্ঞ।
২।
উল্লেখিত কোন কোন চরিত্র কাল্পনিক, বাস্তবের সঙ্গে সামান্যতম মিল পাওয়া গেলে তা ফটোশপের কারসাজি বলে গন্য হবে।
৩।
পাকিস্তানের (ক্রিকেট খেলায় হোক আর যেখানেই হোক) সমর্থকেরা নিজ দায়িত্বে দূরে থাকুন। এই ছড়া পড়ে আপনাদের হৃদযন্ত্র, জননযন্ত্র কিংবা নিদেনপক্ষে আপনাদের পরিপাকতন্ত্রের শেষাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমি দায়ী নই।


স্পীকারজাদা (!)

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১০/২০১৩ - ১:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১। আব্দারঃ বহুদিন পর ছড়া লিখলাম, তাল হারালে আমার দোষ নেই

২। সতর্কীকরনঃ হাতি সাইজের না হলেও জিরাফ সাইজের ছড়া

৩। অনুরোধঃ আলোচ্য কেন্দ্রীয় চরিত্র নিজগুনে অশ্লীল হওয়ায় অ-প্রাপ্তমনস্ক পাঠকেরা এখানেই থামুন


হোক কলরব, ফুলগুলো সব, লাল না হয়ে... ... ...

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৯/২০১৩ - ১:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
সাময়িক জর্মন প্রবাসী হয়রানাবীরের বিবাহ হল সেই গত বছর। স্বামীপ্রবর তো গবেষণা নিয়েই ব্যাস্ত, ওইদিকে তার বৌয়ের ‘নাই কাজ তো খই ভাজ’ অবস্থা। এখন সে রাত-বিরাতে বিবাহানুষ্ঠানের এটেন্ডেন্স খাতা নিয়ে রোলকলে ব্যাস্ত। কালকে রাত সাড়ে তিনটায় হঠাত আমারে জিজ্ঞাসা করে আমি তাদের বিয়াতে গেছি কিনা। আমার নাকি ফোটুক পাওয়া যাচ্ছে না। বললাম- ৯ মাস আগের কথা তো আমারই মনে নেই। কাহিনি এইখানে শেষ হইলে সমস্যা ছিলনা- কিন্তু, ‘৯ মাস’ কথাটা মনের মধ্যে আটকায় গেল। শাহবাগী নাস্তিক ব্লগার তো, ৯ মাস শুনলেই আগে খালি মুক্তিযুদ্ধ মনে পড়ে। ৩০ শুনলে মাসের আগে লাখের হিসাব মাথায় আসে। ৭ শুনলে ভাগ্যের আগে মার্চের কথা মাথায় আসে। ১৪ কিংবা ২৫ শুনলে... নাহ, থাক- মাথা গরম হয়ে যাবে।


এসো কোয়ান্টামের রাজ্যে- ৫ (অথবা, কি ঘর বানাইমু আমি শূন্যেরও মাঝার)

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০৯/২০১৩ - ৯:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
৫৭ ধারা নিয়ে বেশ ভয়েই আছি- আজকের লেখায় আবার নিচুমানের এক বিজ্ঞানীর বেশরিয়তী কাজকারবারের গল্প শোনাব কিনা। অনুভূতি জিনিসটা বড়ই অনুভূতিপ্রবণ। মুশকিল হল, কেউ সেটাকে জিন্সের প্যান্ট আর আনডারওয়ার দিয়ে চেপেচুপে কলার মত প্যাকেট করে রাখে। (সুপারম্যান কিংবা ব্যাটম্যানের অতিমানবিক অনুভূতি সামাল দিতে তো প্যান্টের উপরেও এক্সট্রা প্রোটেকশন লাগে।) কেউ আবার সেটাকে দাঁড়া করিয়ে জিপার খুলে আদম স্টাইলে বাগিয়ে ধরে ঘুরে বেড়ায়। এমন দণ্ডায়মান অনুভূতি দেখলে লজ্জাও পাই, ভয়ও পাই। ভাবছি, নীলস বোরের গল্প না জানি কার কোন অনুভূতিতে টোকা দিয়ে বসে। কিন্তু আমাকে যে বলতেই হবে। এক কাজ করি বিজ্ঞানকে দুটো গাল দিয়ে শুরু করি, পরে সাক্ষী দিতে কাজে লাগবে।


ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৯/০৯/২০১৩ - ৫:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডিস্ক্লেইমার-১
জিপির থ্রিজির ঠেলায় একদিন পরে আপলোড করতে পারলাম। ক্রিয়ার কাল ঘটিত কোনও অসঙ্গতির জন্য আগাম দুঃখিত।

ডিস্ক্লেইমার-২
সাঈদ ভাইয়ের চমৎকার গোছানো লেখাটার পরে এই লেখাটা অগোছালো মনে হতে পারে।

ডিস্ক্লেইমার-৩
তথাকথিত ধর্মানুভূতি বেশি টনটনে হলে লেখাটি পড়বেন না দয়া করে


এসো কোয়ান্টামের রাজ্যে-৪ (অথবা, খাঁচার ভিতর অচিন পাখি)

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৩/০৯/২০১৩ - ১:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
বহুদিন পর আবার বিজ্ঞানের গল্প- আজকে পরমাণুর হাঁড়ির খবর দেব। নাম দেখে আবার ভেবে বসবেন না যে পরমাণু বুঝি তারেকাণুর খালাত ভাই। এই লোকের হাঁড়ির খবর রাখা সম্ভব না। এই দেখি এভারেস্ট তো ঐ কুমেরুতে। আজ পম্পেইয়ে মৌজ করে তো কাল এক্সট্রা টিকেট নিয়ে সাম্বা দেখতে যায়। কখনও আবার নাৎসি ক্যাম্পে ঘুরে এসে মনটা খারাপ করে দেয়। এত অ-স্থির মানুষের খবর রাখা আমার কাজ না। ঘুরে ফিরে তাই কাঠখোট্টা বিজ্ঞানই ভরসা। বিজ্ঞানের গল্পগুলো অবশ্য কম মজার না। সত্যপীরের বিক্রম যেমন খালি হাতে বাঘের চোখ উপড়ে বেড়ায়, বিজ্ঞানীরা তেমনি প্রকৃতির কাছা খুলে দিতে উদ্বাহু হয়ে বসে থাকেন। কি সুবিশাল ছায়াপথের ওপার, কি ছোট্ট পরমাণুর গভীরে- কোথাও তার লুকোবার জায়গাটি নেই। আর বিজ্ঞান তো আর অকাট-নিশ্চল ঐশীবাণী নয়। সে হল একেবারে আফ্রোদিতির মত চঞ্চলা। আজ ওমুক বিজ্ঞানীর সাথে খাতির তো কাল তমুক, পরশু থমুক- এমন। যখনই বিজ্ঞান দেখে যে আগের বিজ্ঞানীর তত্ত্বের সাথে তার আর বনছে না, ওমনি সে নতুন কোন বিজ্ঞানীর মাথা থেকে নতুন রূপে বের হয়। পরমাণুর হাঁড়ির খবর তাই দিনে দিনে কেবলই বদলেছে।


গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও চণ্ডীশিরা রহস্য

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৫/০৮/২০১৩ - ১২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
সাতসকালের ঘুমটা মাটি হতে মেজাজটাই খিঁচড়ে গেল ঝাকানাকার। একহাতে লুঙ্গি সামলে আরেক হাতে কান চুলকাতে চুলকাতে কোনমতে দরজা খুললেন গোয়েন্দাপ্রবর। দরজায় দারোগা কিংকর্তব্যবিমুঢ় চৌধারির হাসি হাসি মুখখানা দেখে খিঁচড়ানো মেজাজটা আরো এক ডিগ্রী উপরে উঠে গেল। এদের কি আক্কেল জ্ঞান নাই, পৌনে ছটা বাজে ঘড়িতে। কন্ঠে আধ পোয়া মেঘ আর এক ছটাক বৃষ্টি ঢেলে ঝাকানাকা বললেন – “আসুন”। সিঙ্গেল সোফায় বিশাল বপুটাকে কোনমতে আঁটিয়ে ইতি উতি চাইল কিঙ্কু। ভাবখানা বুঝে নিয়ে, কন্ঠে বৃষ্টি আরো এক ছটাক বাড়িয়ে উত্তর এল- “সামা খান ছুটিতে, ফাদার সিরিয়াস কাম শার্প অবস্থা একেবারে।” লাজুক হাসি দিয়ে বলল কিঙ্কু- “এই সাতসকালে... বুঝেনই তো স্যার... চলেন তারচেয়ে মোড়ের পরাটার দোকানে গিয়ে বসি।” “বসুন তবে, লুঙ্গিটা খুলে আসি”- ঝটপট উত্তর ঝাকানাকার।


এসো কোয়ান্টামের রাজ্যে -৩ (অথবা, আলোর স্রোতে পাল তুলেছে হাজার প্রজাপতি)

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৪/০৮/২০১৩ - ১২:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
সচলের থ্রি-ডি কবি এই সিরিজকে বলেছেন বিজ্ঞানের গল্প। আসেন, আজকে বিজ্ঞানের গল্পই শুনি। হরতালের মূডে আছি, আজকে বিজ্ঞানও বাদ, আলোর গল্প হবে। খবরদার, কেউ আলোর সাথে বিজ্ঞান মেশাবেন না! আগের দিন আইনস্টাইনকে বকাবকি করে বড়ই শর্মিন্দায় ছিলাম, আজকে একটু তার গুনগান গাই। [হু হু বাবা, আমার কাছ থেকে সাবধানে থাকবেন, একেকদিন একেক কথা বলি কিন্তু। সকালে এক কথা বলে বিকালে আরেক কথা বলার অধিকার কি জামাতের একলার নাকি? যাকগে, খেলার সাথে রাজনীতি না মেশাই। চলেন গল্প শুনি।]


মহামানবিক ভুল অথবা দুঃস্বপ্নের গল্প

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০৮/২০১৩ - ৯:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
আজকের দিনটা বড্ড মনখারাপের। বাংলা দিনপঞ্জির দিকে তাকালে জ্বলজ্বল করে তাকিয়ে থাকে মনখারাপ করা একটি তারিখ- বাইশে শ্রাবণ। রবি বুড়ো যতই বলে যান না কেন- “তখন কে বলে গো, সেই প্রভাতে নেই আমি”, এই দিনে বুড়োর ছবির দিকে তাকালে আনমনে ঠিকই সুর বেজে ওঠে- “তুমি কি কেবলই ছবি? শুধু পটে লিখা!” যাকগে, বাংলা তারিখ দেখে উদাস মনে বুড়োর পাঁচালি গাইতে আসিনি। মন খারাপ হয়েছিল আসলে ইংরেজি ক্যালেন্ডার দেখে- যেখানে ধুলো আর ছাইয়ের পটভূমিতে জ্বলছে- ছয় আগস্ট। ১৯৪৫ সালের এই দিনটিতেই “এনোলা গে” বিমানের চালক আলতো করে ছেড়ে দিয়েছিলেন “ছোট্ট খোকা”। সৃষ্টি হয়েছিল গত শতাব্দীর ভয়াবহতম মানবিক বিপর্যয়ের, যার অংশীদার রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত।


বন্যেরা বনে সুন্দর

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৪/০৮/২০১৩ - ২:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হাইকোর্টের ঐ ভবন থেকে যেমনি বলা- “ওগো,
অনেক তো ভাই ঘি খেয়েছ, এবার তুমি ভাগো।
আর দেব না দেশের ভাগা রক্তমাখা পাল্লায়,
এবার কেবল হাল ধরবে দেশের মাঝি-মাল্লায়।”

এইনা শুনে মার্খোরেদের মনটা বেজায় বিলা,
এদেশ-ওদেশ মিলিয়ে শুরু, হয়েছে কত খেলা।
ভিনদেশেতে মিছিল করে মৌদুদীদের চ্যালা-
অধ্যাপকের জাতটা চেনায়, লোক হাসিয়ে ম্যালা।
কাপড় খুলে লেঞ্জা বেরয়, সুশীল হামিদ মীরের,