| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
মেয়েদের যে দুইটা জিনিষের প্রতি আমার চোখ বেশি আকৃষ্ট হয় কিংবা ঘোরাফেরা করতে থাকে তার একটা হলো চোখ।
কারো সঙ্গে কথা বলি আর না বলি, একশো আশি ডিগ্রী কৌণিক দূরত্বে চোখের রং, ঢং, আকৃতি সব দেখে ও চেখে ফেলার চেষ্টাটা অন্তত করি।
বছর দেড়েক আগে মেয়েটাকে যখন এমএসএনে দেখতে চাইলাম, অনেক গাঁইগুঁই করলো। কারো সাথে ভিডিও চ্যাট করে না, ভিডিও অন করলে অস্বস্তি হয় ইত্যাদি নানান হ্যাপার কথা বলে চললো। করবে না করবে না করেও শেষ পর্যন্ত সে ভিডিও অন করলো। আমার মনিটরে দেখা মিললো কিঞ্চিৎ কোঁকড়ানো চুল, প্রশস্ত কপাল আর গোলগাল একটা মুখ। খানিকটা জড়তা নিয়ে আড়ষ্ট হয়ে আছে। আমার ক্যামেরা অন করার ডিমান্ড করলো। বাইম মাছের মতো পিছলে ছুটে আসলাম। পরিণামে, বন্ধ হয়ে গেলো তাৎক্ষণিক সম্প্রচার।
মেয়েটার সঙ্গে শহরের কোথাও না কোথাও হঠাৎ দেখা হয়ে যায়। আগে কোথাও দেখেনি বলে আমাকে চিনতে পারেনি কখনোই। কিন্তু দেখা হলেই কেমন করে যেনো তাকাতো, সোজা চোখ বরাবর। কখনো ট্রাম স্টপে, কখনো ম্যাকডোনাল্ডসে, কখনো ভাইনাখ্ট মার্কটে কখনো বা বাসে উঠতে গিয়ে- আমার দেখা হয়ে যেতো ভ্যালেন্তিনার সঙ্গে।
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ভ্যালেন্তিনা। যুগোস্লাভিয়ার মেয়ে। খুব ফুটফুটে অবয়বে সামান্য কোঁকড়ানো চুল।
তার সঙ্গে আমার কদাচিৎ দেখা হয়। সেদিনও হলো, আগে যেমন হতো তেমনি, হঠাৎ। ও সাধারনতঃ যেভাবে তাকায় এবারও সেভাবেই তাকালো, একেবারে চোখের গহীনে। অপরিচিত চাহনীতে জিজ্ঞাসা নিয়ে তাকাই আমি। ও চোখ সরিয়ে নেয়।
আমি ভ্যালেন্তিনাকে চিনি। মনের ভেতরের চোখ দিয়ে তাকে দেখি আমি পরিচিতের দৃষ্টিতে। কিন্তু সে তো আমাকে আজও দেখে অপরিচিত এক পথিকের দৃষ্টিতে।
৩
অপ্রিয় মানুষ তার কাছে সবসময় আটপৌরে।.।.।. প্রথম দেখার দিন থেকেই। ![]()
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল
৭
কথা বার্তা শুরু করেন একদিন ![]()
-----------------------------------------
রাজামশাই বলে উঠলেন, 'পক্ষীরাজ যদি হবে, তা হলে ন্যাজ নেই কেন?'
৮
- কবি তো ঐ এক জায়গাতেই নীরব!
আটলান্টিক ও শুকায়া যায় পন্ডিত জ্বী। ![]()
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৯
আরে একদিন বিনয়ে বিগলিত হইয়া গিয়া কথা বলা শুরু করেন, কথা বলতে হাত পা কাঁপাকাঁপি টাইপ রোগ থাকলে ( যেইটা আমার আছে ) উষ্টা খাইয়া পড়েন ওর উপর, এই প্রাগৈতিহাসিক সিনেমাটিক ব্যাপারটা আসলেই কার্যকরী ( যদিও এইটাও আমার দ্বারা হয় না ), মনে সাহস আনেন, বিসমিল্লাহ বইলা আগায়া যান, কি আসে জীবনে !
-----------------------------------------
রাজামশাই বলে উঠলেন, 'পক্ষীরাজ যদি হবে, তা হলে ন্যাজ নেই কেন?'
১০
- আসল সমস্যাই তো ঐখানে। মাইয়াটা এমনে তাকায় যে ডরে আমার কইলজা শুদ্ধা শুকায়া যায়গা। শুকনা কইলজায় বিনয় পামু কই? কতোদিন ট্রাই দিছি। বুকডন পেটডন দিয়া ঠিক করছি আইজকা কথা কমুই কমু। দেখা হইলেই কার্টুন ছবির মতো টুশ কইরা চুপশাইয়া যাইগা বাল। ![]()
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
১১
এক কাম করেন, দূরের থিকা আগে লোকেট করেন কই আসে, চোখের দিকে তাকায়েন না, আস্তে আস্তে আগায়া যাইবেন দেন উষ্টা সহকারে পতনের চেষ্টা করেন কাছে আইসা
-----------------------------------------
রাজামশাই বলে উঠলেন, 'পক্ষীরাজ যদি হবে, তা হলে ন্যাজ নেই কেন?'
১২
- উষ্টাই যদি খাইতে পারতাম পন্ডিত জ্বী, তাইলে জীবনে কম করে হলেও হাজার খানেক 'সাগরিকা' শ্যুটিং হয়ে যেতো!
_____________________
<সযতনে বেখেয়াল>
১৩
- আসল সমস্যাই তো ঐখানে। মাইয়াটা এমনে তাকায় যে ডরে আমার কইলজা শুদ্ধা শুকায়া যায়গা। শুকনা কইলজায় বিনয় পামু কই? কতোদিন ট্রাই দিছি। বুকডন পেটডন দিয়া ঠিক করছি আইজকা কথা কমুই কমু। দেখা হইলেই কার্টুন ছবির মতো টুশ কইরা চুপশাইয়া যাইগা বাল।
১৪
- গরীবের দুঃখে মজাক করেন মিয়া ভাই? ![]()
কী লেখতে নিলাম কী লেখলাম!
কী লেখলাম, আর আপনে কী ভাবেন।
দুঃখ থুই আমি কোন সিন্দুকে? ![]()
____________
<সযতনে বেখেয়াল>
১৫
প্রথম পরামর্শ : হাটু কাঁপলে সংক্ষিপ্ত মিলিটারি ট্রেনিং নিতে পারেন, ওদের হাঁটু কাঁপে না।
দ্বিতীয় পরামর্শ: মনের দুঃখে যে আটলান্টিক শুকাইয়া ফালাইছেন, সেইখানে দুঃখ বুনতে পারেন। যা খাদ্যাভাব কয়দিন পরে দুঃখে কেবল মন না পেটও ভরাতে হবে। তখন কাজে লাগবে।
ঘোষণা: আগে মজনু হন, তারপর দেখেন কত সমবেদনা ঢালি।
১৬
- হাঁটু তো কাঁপে না, কাঁপে কইলজা।
আর আপনে কন ক্ষেতি করতে, আরে শুকানি কি যেমন তেমন শুকায় নাকি? একেবারে কাঠফাটা। এখন এই লোডশেডিং বাজারে ডিপটিউবঅয়েল যে চালাইয়া মাটি ভিজাইবেন সেই সুযোগ কই?
ডিজেলে চালাইবেন জনাব? তাইলে আপনের আশায় উলু।
তাইলে সবার শেষে কী মানে দাড়াইলো? খাদ্য সংকট সহসা ঘুচবে না! মরো বাঙালি, ভাতেই মরো।
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
১৭
একেবারে প্রথম প্যারার প্রথম লাইনে 'দুইটা জিনিষ' বিষয়ে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সেটার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বাকী লেখায় করা হয় নি। প্রথম প্যারায় অর্ধেক করা হলেও - বাকী অর্ধেক বাকী রয়ে গেছে।
পাঠক হিসাবে প্রতারিত বোধ করছি।
নোটঃ কাউয়া খেদানোর একটা বয়েস আছে, সময় আছে। সব বয়েসে কাউয়া খেদাইতে যাওয়া ঠিকনা।
১৮
- শিমুল ইজ অনেকাংশে রাইট।
আমার সাধরণতঃ লাজ শরম কিঞ্চিৎ কমই আছে। অন্তত ভাব ধরি সেরকমই। কিন্তু মেঘের আড়ালে বেলা বেড়ে যাওয়ার যে হ্যাপা, সেইটাই হাতে-পায়ে-কণ্ঠে শেকল পরিয়ে দেয়।
প্রথম প্যারার ব্যাপারে বলিতে চাই মাননীয় পাঠকপক্ষ, আমারে ব্যান খাওয়ানোর হীন চেষ্টার তেব্র নেন্দা জানাই। ![]()
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
২১
ট্রামে ফের দেখা হলে এভাবে শুরু করা যেতে পারে, "আমি ভালো হাত দেখতে পারি।" ....
২২
- তখন যদি হোম টাস্ক আমার গালে দিয়া দেয় তখন?
জাম্বাক ডলবো কে? আপনে? ![]()
খালি ডলা খাওয়ানের বুদ্ধি!
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
২৩
কি কয়!
হোমটাস্ক গালে দিয়া দিলে এমএসএনে গিয়া ধরবা। মাইর খাওয়া দুইটা জিনিসে স্ট্যাটাস আপগ্রেডে কামে দেয়। ১) পলিটিক্স - উঠতি নেতা টু ত্যাগী নেতা, ২) প্রেমপ্রীতি - বখাটে টু অনুশোচনা টু প্রশ্রয় টু হাইহ্যালো টু জানেরজান। ঠিকঠাক লাইগা থাকলে আপগ্রেড অনেক কুইকলি হবে।
২৪
- আপনের কথায় একটা গল্প মনে পড়লো।
কয় ছমিরণ এখন রঘু মিয়ার দুই বাচ্চার মা। বড়ই সুখের সংসার।
কথা হইলো, তাগো পরিচয় হইছিলো ক্যামনে!
হইছিলো কি, একবার ছমিরণ রঘু মিয়ারে ঘটাশ কইরা গালে ডুই দুইখান চড় দিছিলো ভরা মজলিশে।
গল্প শেষ।
আমার লাগবো না! ![]()
_________________
<সযতনে বেখেয়াল>
২৬
- নতুন আরেকটা গুঁড়াগল্পের সংকলন বাইর হইতাছে নাকি?
শ্যামদেশীয় সম্পাদক সাহেব কী বলেন!
________________
<সযতনে বেখেয়াল>
২৮
ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা
দেখলে ও চোখ আমি বোবা
-----------------------------------------
রাজামশাই বলে উঠলেন, 'পক্ষীরাজ যদি হবে, তা হলে ন্যাজ নেই কেন?'
২৯
- বোবা আর তব্দা কি একই জিনিষ?
আমি তো বোবা হইনা, তব্দা খাই। তাও তেরেসকোভার শীতবস্ত্রের ত্যাড়া কাভার দেইখা না, ডরে!
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৩০
ওকে, থুক্কুমুক্কু ফিরের থিকা !
ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা
দুচোখ যেন সুপারনোভা
দেখলে পরে তব্দা খেয়ে
ডুবতে খুঁজি জংলা ডোবা
-----------------------------------------
রাজামশাই বলে উঠলেন, 'পক্ষীরাজ যদি হবে, তা হলে ন্যাজ নেই কেন?'
৩১
- জংলা ডোবা ছাড়া অন্য কিছু নাই পন্ডিত জ্বী।
এই ধরেন, লেগুন, হৃদ, লেক, নিদেন পক্ষে সুইমিং পুল- এইরকম টলমলে পানিওলা কিছু দেন।
অখনি ডুবুম গিয়া! ![]()
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৩২
এইরকম বাইম মাছের মত পিছলাইছেন আরো কতজনের কাছ থিকা...সবিস্তারে আমরা জানতে চাই।
ছাই কি কারো কাছেই ছিলো না?
...........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
৩৩
- এইযে একজন আইছে, মৎস্য বিশেষজ্ঞ!
এখন শাইখ সিরাজের মতো, কালো ছালিতে মাছ চিপ্যা ধরতে আরাম নাকি সাদা ছালিতে সহজ- তার ছালিময় বয়ান শুনবেন জনৈক শ্রীমতি ছালা পাগলনীর দরবার হইতে তোবারক নিয়া আসা ছিমুলা বিবি।
সবাই বলেন, ইয়া খুদা রক্ষা করো! ![]()
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৩৪
এই বাইম মাছের জন্য মৎস্য বিশেষজ্ঞ হইতে হয় না।
ছাই বা ছালা কোনটারই দরকার নাই।
মাথার ওপর তুলে একটা আছাড় মারলেই...
সবাই বলেন, ইয়া হাবিবি !
...........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
৩৫
- আছাড় মারবেন আপনে, আর ইয়া হাবিবি কইবো সবাই?
ক্যান এত্তো শখ ক্যান?
হয় আপনে একলা ইয়া হাবিবি কইবেন, নাইলে সবাইরে একবার কইরা আছাড় মারতে দিবেন।
বাবা গোধু, পলা....!
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৩৬
হা হা হা
'সবাইরে একবার কইরা আছাড় মারতে দিবেন।'
আজকাল বাইম মাছের শরীরে কইমাছের প্রান থাকে নাকি?
একটা সিনেমার কথা মনে পড়লো..
পালাবি কোথায়...
........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
৩৭
- শোনেন,
পয়লা আছাড়েই বাইম মাছ শ্যাষ। মানে পটল ক্ষেতি শুরু করে দিবে। তারপর আপনে দশটা আছাড় মারেন আর দশ হাজার মারেন, ডাজন্ট মেক এনি ডিফারেন্স।
তাইলে হুদাকামে জনগণরে দিয়া ফাও ফাও ইয়া হাবিবি কওয়াইবেন ক্যান!
তয় সাবধান কইলাম, জনগণ কিন্তু বাইমের পরে, বোয়াল, রুই, কাতল, টেংরা, পুটি, খইলশা, চাউন্দা, টাকি, মাইলানি, মলা-ঢেলা সব আছাড় মারা ধরবো। সাধুরা সব সাবধান! ![]()
ইয়া হাবিবি
________
<সযতনে বেখেয়াল>
৩৮
হুমম
আমার উপদেশ বলি:
১) আপনি এরকম না কথা বলে বেশি চোখাচোখি করতে থাকলে হীত এ বিপরিত হতে পারে। ও আপনাকে স্টোকার ভেবে ভয়ে ধারের কাছেও পরে আর আসবেনা।
২) এমনকি আপনাকে ফলো করা দেখলে পুলিশেও খবর দিতে পারে।
একবার অপছন্দ হয়ে গেলে পরে কিন্তু আর চ্যান্স নাই।
সমাধান: আপনি নেট এ ওকে বলেন যে দেখা করতে চান। ফরমালি ওকে ডেট এ আস্ক আউট করেন ভালো কোথাও দেখা করার জন্য। আপনি তো জানেনই ও দেখতে কেমন তাই আপনি ওলরেডি এক সিড়ি ওপরে, আর ওখানে গিয়ে কথা বললে তো বসেই বলবেন তাই টেবিলের নিচে হাটু কাপাকাপি ও খেয়াল করবেনা। হাটুর বদলে গলার সর যেন আবার কাপাকাপি না শুরু করে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তবে একটা জিনিস, ফুল নিতে ভুলবেন না। আর খাবার দাবারে কিপটামি করা যাবেনা, এটলিস্ট প্রথম ডেট এ তো অবশ্যই না।
গুড লাক। ![]()
৩৯
- মানুষের গরমে মাথা আউলা হয়, আর তোমার দেখি হয়েছে ভয়ানক ঠান্ডায়।
যাও মাথায় গরম পানি ঢালো গিয়ে।
টাকলা আইছে মাথার চুলের গুণাগুণ বর্ণনা করতে!
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৪০
আমার বয়ফ্রেন্ড নাই দেখেকি আমার মতামতের কোনও মূল্য নাই ?? ![]()
যান যান আর কখনও কিছু বলবনা, এজন্যই বলে কারো গায়ে পরে কারো উপকার করতে নেই।
৪১
- তোমার (এবং তোমাদের) চিন্তা ভাবনা এতো ধ্বংসাত্বক কেনো বলতো।
একজন চায় তুলে আছাড় দিতে আর তুমি চাও গায়ে পড়তে, এগুলা কি? আমি কি সরকারী খাস জমি নাকি? ![]()
_________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৪২
আসেন তো মুমু, এইটাকে একটু সাইজ করি !
মেয়েদের কথা পাত্তা দেয় না, কত্তোবড় কলিজা !!
মেয়েদের সব কথায় বলতে হয়, 'ইয়েস ম্যাম'
নাইলে মেয়েরা বশীভূত হইবে কেমনে?
কিচ্ছু শিখলো না...
...........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
৪৪
সাইজ করা শুরু করেন। কত্ত বড় সাহস!
গোধু আবার "আমি ত সাইজ হইতেই চাই" বলে বাংলা সিনেমার ভিলেনের মত ডায়লগ শুরু করে না দেয়।
৪৫
- ভিলেনের মতো ডায়লগ নাহয় দিলাম, ![]()
কিন্তু আপনে আমার আপন লোক হইয়া আক্রমনকারীনির দলে যোগ দিলেন যে! ![]()
_____
<সযতনে বেখেয়াল>
১
মেয়েরা নাকি তাদের প্রিয় মানুষদের প্রত্যেকবার নতুন ভাবে দেখে ।.।.।. দেখতে চায়।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল