এ কোন আলোয় আলোকিত করা হচ্ছে

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৭/২০১৪ - ২:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হালনগদঃ
চোর আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা চুরি করেই চলেছে।
চোর আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা কর্তৃক আজকে জুলাই ১৮ , ২০১৪-র চুরি, সম্পাদকীয় পাতায় নীতি গল্প -
http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/07/19/85967
উপরের লেখাটির জন্য আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা চুরি করেছে আমার করা ঈশপের গল্প-র অনুবাদের ৫ নং গল্প। আমার অনুবাদের লিঙ্ক এখানে
http://www.sachalayatan.com/ek_lohoma/50053

কখনো ভাবিনি এমন একটি পোস্ট দেব। ফেব্রুয়ারীর ১৯ তারিখে প্রিয় ব্লগার চরম উদাস পোস্ট দিয়েছিলেন বই চুরি নিয়ে। লেখার স্বত্বাধিকার এবং তার অপহরণ নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছিল সে পোস্টে। ওনার সাথে সহমত প্রকাশ করেছিলাম পোস্টটিকে অত্যন্ত জরুরী পোস্ট জানিয়ে।

তখনো জানতাম না, আমার নিজেকেও এই নিয়ে চাবি বাজাতে হতে পারে, এত তাড়াতাড়ি, বই ত দূরে থাক, ছোট ছোট কয়েকটা অনুবাদ করেই।

কয়েকদিন আগে গুগল খেলা খেলতে খেলতে একটি বাক্যে নজর আটকে গেল - বিয়ে করে প্রাণ গেল। ভাবলাম, কোন হতভাগিনীর কাহিনী। লিঙ্ক ধরে এগোতে গিয়ে দেখি - কি কান্ড! আমার নিজেরই লেখা বয়ান। তবে সংবাদ নয়, গল্প, অনুবাদ, ঈশপের গল্পের অনুবাদ।

একটি দৈনিক বাংলা পত্রিকার ওয়েবসাইটে গল্পটি বসান আছে, সম্পাদকীয় পাতায়, “নীতি গল্প” বিভাগে, সেদিনের নীতিগল্প হিসেবে। গল্পের শেষে দেওয়া আছে “ঈশপের গল্প অবলম্বনে।”
কিন্তু কোথাও উল্লেখ নেই এই অনুবাদটি তারা কোথা থেকে সংগ্রহ করেছে। পড়লে মনে হবে অনুবাদের কাজটা পত্রিকার তরফ থেকেই করা হয়েছে।

ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখলাম, আমার অনুবাদগুলি নিয়ে এ কাজটি তারা নিয়মিত করে যাচ্ছেন এই বছরের মে মাসের শেষ দিক থেকে। মনে হয়, ২৫শে মে থেকে। তার আগে ঐ বিভাগে ঈশপের গল্পের যে অনুবাদগুলি তারা প্রকাশ করেছেন, সেগুলির সূত্র আমার জানা নেই। কিন্তু ঐ তারিখের পর থেকে যেমন ইচ্ছে তারিখ বসিয়ে যতবার খোঁজ চালালাম সব বারই আমার অনুবাদ উঠে এল।

অনুবাদগুলির যা যা বৈশিষ্ট্য চোখে পড়লঃ
(১) গল্প অংশটি প্রায় সর্বদাই হুবহু এক। কদাচিৎ দু’-একটি শব্দ ছাড়া।
(২) শিরোনাম মাঝে মাঝে সম্পাদিত বা আলাদা।
(৩) আমার অনুবাদে আমি যেটা “প্রাচীন বচন” বলে লিখেছি, এই পত্রিকায় তা “উপদেশ" বলে লেখা হয়েছে। এই অংশটি কখনো কখনো খানিকটা পাল্টানো হয়েছে। কখনো কখনো একই রাখা হয়েছে।
(৪) আমার লেখার “আমি বলি” অংশটা বাদ দেওয়া হয়েছে।
(৫) কখনো উল্লেখ করছেন না, অনুবাদটি কার করা, কোন ওয়েবাসাইটে সেটি ইতিমধ্যে প্রকাশিত বা কোন ওয়েবসাইট থেকে তারা সেটি যোগাড় করেছেন।
(৬) অনুবাদটি প্রকাশ করছেন তাদের সম্পাদকীয়র নীতি গল্প বিভাগে।

বুঝলাম, বাংলাভাষায় ঈশপের গল্পের যে কোন অনুবাদে ওনাদের যথেচ্ছ অধিকার। কোন গল্প যেই অনুবাদ করে থাকুক, সেটা নিজেদের পত্রিকায় প্রকাশের জন্য ওনারা অনুবাদক কি প্রকাশককে কোনরকম স্বীকৃতি জানানোর দায় স্বীকার করেন না। আমার কাছে এটি অদ্ভুত মনে হওয়ায় গত ৩০শে জুন আমি নীচের ঠিকানাগুলিতে একটি ইমেইল পাঠাই। ঠিকানাগুলি যোগাড় করেছিলাম পত্রিকাটির ওয়েবসাইটটি থেকেই।

ঠিকানাগুলিঃ

ইমেইলে লিখিঃ

“আলোকিত বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ,

আমার করা ইশপের গল্পের অনুবাদগুলি, অনুবাদকারীর নাম উল্লেখ না করে, সেই অনুবাদ যেখানে প্রকাশিত হয়েছিল সেই প্রকাশনাসূত্রের কোন উল্লেখ না করে, অনুবাদক এবং অনুবাদের প্রকাশকের কোন অনুমতি না নিয়ে দিনের পর দিন নিজেদের সম্পাদকীয় পাতায় নীতি গল্প হিসেবে প্রকাশ করে চলেছেন। এ কেমন নীতি আপনাদের?

আশা করি সত্বর উত্তর দেবেন। আপনাদের উত্তর-এর অপেক্ষায় থাকলাম।

এক লহমা"

আজ পর্যন্ত কোন উত্তর পাইনি। কিন্তু জুলাই ৪ এর সম্পাদকীয়তে দেখলাম আমায় রেহাই দেওয়া হয়েছে। আমার অনুবাদ না নিয়ে অন্য কারো করা অনুবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

জুলাইয়ের ১২ তারিখে পুরনো রোগ ফিরে এল। দুটি শব্দ বাদ দিয়ে গল্প অংশের অনুবাদটি হুবহু প্রকাশ করা হয়েছে।
১৩ই জুলাইঃ শিরোনামে একটি শব্দ ছাড়া বাকি সমস্তটা এক রয়েছে।
১৪ই জুলাইঃ একটু সম্পাদনার ছোঁয়া রয়েছে।
আগ্রহী পাঠক দেখে নিতে পারেন, লিঙ্ক দিলাম
http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/07/14/84980
http://www.sachalayatan.com/ek_lohoma/50229 (৩৪ নং গল্পটি)
১৫ই জুলাইঃ শিরোনাম আর উপদেশ ছাড়া বাকি সমস্তটা এক রয়েছে।

আগের প্রকাশগুলির কয়েকটি লিঙ্ক এখানে দিলাম

মোরগ ও বাতাই পাখি (আমার অনুবাদের ২৪ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/29/81878
বিয়ে করে প্রাণ গেল (২৭ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/28/81591
বিধবা মহিলা ও কাজের মেয়ে (২০ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/21/80214
দুই কলসির গল্প (১৮ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/18/79595
নির্বোধ ব্যাঙ (১৪ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/15/78945
খরগোশ ও ব্যাঙের দল (১১ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/11/78343 (এটিতে উপদেশটির কথাগুলি বদলে দেওয়া হয়েছে। গল্পর অনুবাদ হুবহু আমার অনুবাদটি নিয়ে নেওয়া হয়েছে)
কুকুর আর ঝিনুক (৯ নং গল্প)ঃ http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/06/08/77750

আন্তর্জালে ঈশপের গল্পগুলি সকলে সহজেই বাংলা ভাষায় পড়তে পারবে এই আশায়, এই আকাঙ্খায় এই অনুবাদগুলি শুরু করেছিলাম, সচলায়তনের পড়ুয়াদের আগ্রহে, উৎসাহে এখনো করে চলেছি। সেই অনুবাদগুলিকে এমন ভাবে দিনের দিনের পর দিন কোন সংস্থা আমায় বা সচলায়তনকে না বলে, না জানিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, কোথা থেকে নিয়েছে সেটার উল্লেখ পর্যন্ত করছে না, এতটা খোলাখুলি নির্লজ্জতা কি ভাবে সম্ভব? এটা তারা করছে কি ভাবে?

এমনকি এ নিয়ে প্রশ্ন করলে একটা উত্তর দেওয়ার বোধটুকু পর্যন্ত তারা দেখায়নি!

ভবিষ্যতে কি ব্যবস্থা নেবো এখনো ঠিক করিনি। আপাততঃ এদের এই নীতি গল্পের কথা সচল পাঠকের নজরে নিয়ে এলাম। আগামী দিনগুলিতে যেদিন যেমন নজরে পড়বে এদের এই কাজের পরিচয় এখানে রেখে যেতে থাকার ইচ্ছে রাখি।

এই পাতাটি কি এখন থেকে এদের কীর্তি-দেয়াল হয়ে উঠবে? দেখা যাক।

তাদের সম্পাদকীয় পাতায় নীতি গল্প হিসেবে আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা চুরি করে লেখা প্রকাশ করেই চলেছে।
আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা কর্তৃক আমার অনুবাদ চুরির সর্বশেষ সংযোজন এখানে দিলাম।

কীর্তি-দেয়ালে সাম্প্রতিক সংযোজনঃ

জুলাই ১৬, ২০১৪ আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা কর্তৃক চুরি, সম্পাদকীয় পাতায় নীতি গল্প - http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/07/16/85359
উপরের লেখাটির জন্য আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা চুরি করেছে আমার করা ঈশপের গল্প-র অনুবাদের ৩৮ নং গল্প। আমার অনুবাদের লিঙ্ক এখানে http://www.sachalayatan.com/ek_lohoma/50505

জুলাই ১৭, ২০১৪ আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা কর্তৃক চুরি, সম্পাদকীয় পাতায় নীতি গল্প -
http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2014/07/17/85506
উপরের লেখাটির জন্য আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা চুরি করেছে আমার করা ঈশপের গল্প-র অনুবাদের ৩৬ নং গল্প। আমার অনুবাদের লিঙ্ক এখানে
http://www.sachalayatan.com/ek_lohoma/50505


মন্তব্য

মেঘলা মানুষ এর ছবি

এদের মেধাস্বত্ব নিয়ে কোন ভাবনাই নেই।
ধিক্কার জানাই এই লেখা চুরির রেগে টং

নীড় সন্ধানী এর ছবি

এ তো দেখি উন্মুক্ত চৌর্যবৃত্তি! এই পত্রিকার নামও তো শুনি নাই জীবনে। মন খারাপ

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

অতিথি লেখক এর ছবি

এক লহমা দা আমি আমার সীমিত জ্ঞান দিয়ে যা বুঝলাম তাতে মনে হয় এখানে ব্যাপারটা সমানে সমানে করতে হবে। তারা মনে হয় আপনাকে জবাবদিহি করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। তাই আমার মনে হয় এই ব্যাপারে সচলায়তন যদি তাদের কাছে জবাবদিহি চায় তাহলে হয়ত তারা তা আমলে আনলেও আনতে পারে।

ফাহিমা দিলশাদ

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

সত্যিই এক লহমা বিচিত্র এই আলো!

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি

বাহঃ! বাঃ!! আলোর ঝলকানিতে তো চোখে অন্ধকার দেখার যোগার

কল্যাণ এর ছবি

কানসা বরাবর এক একটা রাম-থাবড় দেয়া দর্কার বদমাইশ চোরগুলার।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

তিথীডোর এর ছবি

ফ্লিকার থেকে ছবি চুরি যায়, ব্লগ থেকে লেখা।
দুনিয়া ভরা সব চোট্টা আর চুন্নির দল এখন‍! রেগে টং

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

দীনহিন এর ছবি

চুন্না-চুন্নিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই!

(অঃ টঃ কিছুটা মনস্তাপে আছি, লহমা দাদা! দেখেন, আমার লেখাটেখা কেউ চুরি করে না, দীনহিন লেখাগুলিতে চোরেরও অরুচি!! )

.............................
তুমি কষে ধর হাল
আমি তুলে বাঁধি পাল

অতিথি লেখক এর ছবি

দুর্ভাগ্যজনক। তবে আপনি যেভাবে মোলায়েম নরম-সরম একটা মেইল দিয়েছেন, তাতে কাজ হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। লেখা চুরি থামাতে চাইলে হুমকি ধামকি ছাড়া পথ নেই।

এই ধরনের একটা মেইল দিয়ে দেখতে পারেন, কাজ হওয়ার কথা:
Dear Editor,
It has come to my notice that your paper XYZ, in the editorial of 12-13-2014, has blatantly copied my ABC work from PQR, which is a violation of Intellectual Property act of 19XX

I am hereby giving you 48 hours notice to remove the plagiariarized material from your website.

After 48 hours, I will notify Bangladesh Press Council, Copyright violation Acts commission (এরকম বানায়া আরো ২/১ টা নাম দেন) and will take the matter to appropriate judicial court of Dhaka.

--দিফিও

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

প্রেস কাউন্সিল কি আসলেই কামের কিছু? চিন্তিত
আমার তো মনে হয় নিজেদের মধ্যে ঝগড়া বাধলে ডেকে এনে মিটমাট করায় দেয়া ছাড়া এর আর কোনও কাজ নাই।

ডিসিরা সংবাদপত্রের উপরে হুমকি ধামকি করার ক্ষমতা চেয়েছিলেন কদিন আগে, এইটা নিয়ে সর্বমহলে খুব সমালোচনা হল কয়দিন, কিন্তু এই কথাটা সবাই চেপে যান যে বাংলাদেশে "সংবাদপত্র" জিনিসটার কোনও জবাবদিহিতার যায়গা নেই। এছাড়া প্রত্যেকের কমবেশি আছে, এমনকি যে রাজনীতিবিদদের নিয়ে সবাই কথা বলতে বলতে তুলাধুনা করে ফেলেন তাঁদেরও আছে, কিন্তু মিডিয়ার নেই। ইয়ে, মানে...

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

অতিথি লেখক এর ছবি

না, কামের কিছু না তেমন। দুঃখজনকভাবে, এই দেশে পত্রিকা লেখা চুরি করলে লেখকের করার কিছু থাকেনা তেমন, তাই ভয়-দেখানো মেইল-ই ভরসা। কাজও হইতে দেখছি এইভাবে। সো এইখানে প্রেস কাউন্সিল তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু না, তবে এই নাম দেখলে চোর এডিটর মেইল ডিলিটের আগে ২/১ বার ভাববে, এইটুকুই।

--দিফিও

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

হুমম... মন খারাপ

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

তাহসিন রেজা এর ছবি

দুনিয়া ভরা সব চোট্টা আর চুন্নির দল এখন‍! রেগে টং

------------------------------------------------------------------------------------------------------------
“We sit in the mud, my friend, and reach for the stars.”

অলীক জানালা _________

হাসিব এর ছবি

চোর চোট্টায় ভরে গেলো দেশ। এগুলোর কোন বিচারও নাই।

স্যাম এর ছবি
এক লহমা এর ছবি

কি কান্ড!

ব্যানার্জী, আপনার লিঙ্ক ধরে একখানা চমৎকার সাইট-এর সন্ধান পেলাম। অনেক আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- ভাই!

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

অতিথি লেখক এর ছবি

চোরদের কত রকমের যুক্তি থাকে, নিজেদেরকে জাস্টিফাই করার জন্য। কাজী আনোয়ার হোসেনের কত কত সমর্থক! এখানে আপনার সাথে অনেকে একমত পোষণ করবে, কিন্তু কেন যেন কাজীদার চুরি অনেকের কাছেই চুরি মনে হয়না।

সেও কিন্তু একই কাজ করছে। লেখকের নাম ছাড়া নিজের নামে লেখা ছাপিয়ে দিচ্ছে। শুধু অনুবাদ করছে বলে কিন্তু এই অধিকার সে পেয়ে যায়না। এটা নিয়ে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম সচলেই, "মৌলিক বই চুরি" শিরোনামে। সেখানে আমাকে অনেকে যাচ্ছেতাই বললো।

- ফরহাদ হোসেন মাসুম

অতিথি লেখক এর ছবি

পত্রিকার নাম আবার আলোকিত বাংলাদেশ! খাইছে আমারে!

গোঁসাইবাবু

এক লহমা এর ছবি

অসম্ভব তাড়ার মধ্যে আছি। যা আগে কখনো করিনি তাই করতে হচ্ছে। সকলকে একসাথে এই মন্তব্যে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ইতিমধ্যে আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাটি আরো দু'টি অনুবাদ চুরি করেছে। আমার লেখার শেষে তাদের লিঙ্ক জুড়ে দিয়েছি। যতদিন চোর পত্রিকা আলোকিত বাংলাদেশ আমার লেখা থেকে চুরি চালাবে, আমিও ততদিন এখানে তাদের চুরির খবর তুলতে থাকব।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

হিমু এর ছবি

এই ওয়েবসাইটের রেজিস্ট্র্যান্ট কে?

কল্যাণ এর ছবি

রেজিস্ট্র্যান্ট হল সর্দার মইন উদ দিন (Sarder Moin Ud Din)।

এই ব্যাক্তির ঠিকানা ঢাকার বনানী। সাইটের হুইজ লিঙ্কে বিস্তারিত পাওয়া যাবে, মোবাইল নাম্বার সহ।

নোটঃ মন্তব্য সম্পাদনা করে ইংরজী হুইজ তথ্যের বিস্তারিত অংশ মুছে দিলাম। বিশাল ইংরেজী টেক্সট খুব খারাপ দেখাচ্ছিল। দুঃখিত।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

এক লহমা এর ছবি

অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

আয়নামতি এর ছবি

দাদাই তুমি বিখ্যাত হয়া গেলা তুমারে অভিনন্দন!
খুবই সততার সাথেই চুরি করেছে তারা। হেহেহে কিভাবে?

আমার লেখার “আমি বলি” অংশটা বাদ দেওয়া হয়েছে।

এইটা বাদ দিলু। কত্ত সৎ বলো!
এরপর থেকে তুমি লেখার মাঝে মাঝে "আমি একটা চুর" বাক্যটা গুঁজে দিও। এইসব চুরেরা খুব মন দিয়ে পড়ে না সবটা।
বুদ্ধিটা কেমন বলো এবার? দেঁতো হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

এক আলু ফুটুশোপ দিয়ে একজনরে এভারেষ্টে উঠায়া দিছে, আরেক আলু এখন আপনার লেখা চুরি করেছে। দুনিয়ার সব আলু কি এক নাকি? বড় ভাইয়েরা চুরি করে পার পেয়ে গেলে ছোট ভাইয়েরা সাহস তো পাবেই চোখ টিপি

মাসুদ সজীব

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

লাফাং মন খারাপ

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

গরররর----- কী করা যায় বলেন দেখি? ওদের অফিসের সামনে একদিন প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকবো নাকি?

____________________________

অতিথি লেখক এর ছবি

দাদা শুধু পত্রিকায় নয়, ফেবুতেও সচলের লেখা অনেকেই নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছে। আজকে অামার প্রথম কবিতাটি সার্চ দিতে গিয়ে তেমন এক মহান ব্যাক্তির দেখা পেলাম। যিনি পেজে নিজের ইমরান নামে চালিয়ে দিয়েছেন।

মাসুদ সজীব

এক লহমা এর ছবি

সজীব, দেখে এলাম চুরিটা। যা কুৎসিত চোরটার খোমাখাতাটা তাতে ওর মতন লোক এই রকম কদর্য কাজ করবে এটাই বোধ হয় স্বাভাবিক।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি

ভয়াবহ ব্যাপার! চোর, চোর, চোর। এইধরণের অভিযোগ আমার কিছু ব্লগার বন্ধুদের কাছ থেকেও শুনেছি। রাগ হচ্ছে।

-----------------------------------
অন্ধ, আমি বৃষ্টি এলাম আলোয়
পথ হারালাম দূর্বাদলের পথে
পেরিয়ে এলাম স্মরণ-অতীত সেতু

আমি এখন রৌদ্র-ভবিষ্যতে

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।