"আইটি বিশেষজ্ঞ বন্ধু ও তার বউ"

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ৩০/০৯/২০০৯ - ৯:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকাল প্রোগামারদের অনেক সুবিধা কোডিং করা , অনেক কিছু নাকি অন্তর্জালে একটু খুজে দেখলেই পাওয়া যায়। আমি ও এক সময় আইটিতেই চাকরি করতাম তবে যন্ত্র কৌশল বিভাগে। আমি ও অনেক দিন অনেক নকশা খুজে বের করেছি অন্তর্জাল থেকে। আমাদের দেশের একটা অংশ এগিয়ে গেছে , এখন দেশে অনেকেই অন্তর্জাল ব্যাবহার করে এবং সেই সুবাদে পরিচয় হয় অনেক অচেনা ছেলে মেয়ের সাথে। যোগাযোগ থাকেলে যা হয়, মৌলভী সাহেবরাতো যুক্তি দেন যেখানে নর নারী সেখানেই শয়তানের ওকালতি। আমার এ গল্প আমার এক বন্ধুকে নিয়ে যে কিনা আইটি তে পড়ালেখা করে এখন সে পেশাতেই নিয়োজিত। আমার বন্ধুটি ও সেই দোষে দুষ্ট। সে অনেক ধরনের সামাজিক অন্তর্জালীয় সূতোয় বাধাঁ পরে এখন দেশে বিদেশে অনেক মেয়ে বান্ধবী বানিয়ে সেগুলোর সাথে সে হরেক রকমের মনরঞ্জনে ব্যাস্ত।

আমি তার দীর্ঘ দিনের বন্ধু , তার পালিয়ে বিয়ে করার অন্যতম সাক্ষী, এবং তাকে টাকা ধার দেবার এক মাত্র কোষাগার। তার ধারনা আমার সব কিছুর সমস্যা হতে পারে , টাকার সমস্যা নাকি কোন দিনই হয়না। কথাটা শুনে জিয়াউর রহমানের একটা কথ্য মনে পড়ে গেলো “বগুড়ার লোকের টাকার সমস্যা নাই” আমি বলি সাধু সাধু। আমি কেপ্পন না হলে টাকা ধার দেওয়া তো দূরের কথা গাত্রে বস্ত্র দেওয়া দায় হয়ে যেতো। আমি যেহেতু আমার বন্ধুর অন্যতম আশ্রয়, আমি ও বুয়েট পাশ করে তার বাসায় সপ্তাহে ৫ দিন হামলা চালায়তাম (ভাবী রান্না ভাল করেন) , এবং তাহার শ্যালক আমার পূর্ব পরিচিত হওয়ায় মাঝে মাঝে সেখানে রাত কেটে যেতো। তার কোম্পানির দেওয়া নড়নযোগ্য গনক যন্ত্রখানী আমি মাঝে মাঝেই নাড়া চাড়া করতাম। পোলার কিছু গুনাবলির অন্যতম কিছু উল্লেখ করা গেল।

১। পোলার উচ্চতা ৫-১১ইঞ্চি।
২। গাত্র বর্ণ সাদা।
৩। চেহারা মাশাআল্লাহ সুন্দর।
৪। খুব সুন্দর করে মিথ্যা কথা বলতে পারে।
৫। খরচা করার সময় খেয়াল থাকেনা টাকার হিসাব।
৬। সুন্দরী নারীর প্রতি তার আশেষ দূর্বলতা।

যে ছাই আমি লিখি না কেন আমার বন্ধু মহলে তা অনেক জনপ্রিয় বিশেষ করে তাদের হয়ে আমি যখন তাদের বালিকা বান্ধবীদের কাছে প্রেম পত্র এবং পরে মুঠফোনের বার্তা লিখতাম এবং ওপাশের উতলা দেখে নিজে হতাশ হতাম আমি কাউরে পটাইতে পারলাম না :(। বিয়ের পর সে বউ কে কেমন করে বশ করে রাখে এবং নিজে কেমন করে বউয়ের চোখ কে ফাঁকি মেরে অন্য মেয়েদের সাথে ছলাকলা করে সেই সব নিয়েই আজকের গল্প।

কেমনে তার বউ তাকে আরো ভালবাসবে তার সূত্রঃ

সে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন মেয়েকে তার কাল্পনিক প্রেমিকা বানিয়েছিলো এবং তার বউ কে সে এইটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে ঐ মেয়ে তার জন্য পাগল কিন্তু সে পাত্তা দেয় নাই। মেয়ে ইংরেজীতে সিটি কলেজে পড়ে। এমন কি মেয়ের নাম ও বলে দেয়। ঐ নামের কোন মেয়ের নাম আমি আমার জীবনেতো শুনিই নাই উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ও পড়তো বলে আমার মনে হয় না। কিন্তু আমার সরল ভাবীটা ভয়ে ভয়ে থাকে , আমার বন্ধু মেয়ের প্রতি দূর্বল হলে তাও সে সামলাইতে পারবে , কয় দিন কয়টা পিড়ার বারি দিলে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মেয়ে যে দূর্বল, সে যদি খারাপ ব্যাবহার করে আর ঐ মেয়ের কাছে আমার বন্ধু চলে যায় তাহলে তো ফিরে আনার কোন উপায় থাকবে না। ভাবী থাকে ভয়ে ভয়ে আর আমার বন্ধু বাড়ির ঝুল বারান্দায় বিষের কাঠিতে সুখ টান দেয় আর আমারে বার্তা পৌছায় বলে “তোমার ভাবী ঐ মেয়ের ব্যাপারে জিগাইলে এই এই বলবা”, আমার সাফ কথা মিছা কথা আমি কইতে পারব না, কয় এই ব্যাপারে যত মিছা কথা কবা সব পাপের ভাগ হামার, তুমি কইয়ে যাও” আমি বলি ব্যাটা কত নিচ। নিজের বউরে কেউ এই রকম ছেড়াবেড়া অবস্থায় রাখে নি।

কেমনে সে তার বউরে ভয় দেখায়ঃ

আগেই বলেছি সে পালায়ে বিয়ে করেছে, তো মেয়ের বাবা মা ও মেনে নেয় নাই আর ছেলের বাবা তার বিশাল মোছে তাও দেয় আর বলে দেখি মেয়ের বাপ কি কয়? আমি থাকি মহা চিপায়, মেয়ে মনে করে বিয়েটা টিকে রাখার আমি একটা মাধ্যম এবং অনেক সহযোগী এক হাত , ছেলের বাবা মনে করে ছেলেকে এই পথ থেকে একমাত্র আমিই ফেরাতে পারি, ছেলে মনে করে আমার বন্ধু সব সময় আমার পক্ষে কথা বলবে আমার বউয়ের দিকে ও না আমার বাপের দিকে ও না আমি ও বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো যা বলত করে যেতাম, আমি আবার বন্ধু বলতে অজ্ঞান।
১২৮-পূর্বরাজাবাজার মসজিদের পাশে আমার অনেক গুলো বাল্যবন্ধু থাকি, এবং আইবিএ এর ছাত্রাবাসের সামনের ভ্যান গাড়িতে বসে আমরা খোশগল্পে মত্ত, এমন সময় দেখি ভাবী আমার দিকে আগায় আসে ,আরে ভাবী এইখানে?! ভাবি বলে চলেন আমি গাড়ি নিয়ে আসছি , আমি বলি কেন কি সমস্যা , বলে গাড়িতে চলেন বলতেছি। পরে শুনি আমার বন্ধু তার সাথে ঝগড়া করে তিন দিন বাড়ি যায় নাই। কই আছে কোন খবর জানে না, খালি বার্তা লিকে পাঠায় কথা বলেনা। সে কোথায় কোথায় থাকতে পারে আমাকে সেই সেই জায়গায় নিয়ে যেতে বলে, আমি সংবাদ সংগ্রহ করে দেখি সে এক আপুর বাসায় যেখানে আগে আমি অনেক কয়বার গেছি। সেখান থেকে গিয়ে বের করে এনে বাড়ি নিয়ে যাই। আমাকে বলে “তুমি মিঞা বলতে গেছো কেন আমি কই আছি একটু নাচাইতেছি”। এই হল আমার বন্ধু।

কেমনে সে বউয়ের চোখ ফাঁকি দেয়ঃ

ভাবি গনক যন্ত্রে গান শুনিতে পারলে ও অন্তর্জালের ব্যাবহারে একেবারে বিশেষ অজ্ঞ। এমনকি ক্ষুদ্র বার্তার ব্যাবহার ও জানতেন না, আমার বন্ধু তার নিজের বউকে যে একটু হাতে খড়ি দেবে এই ব্যাপারে তার ও কোন আগ্রহ দেখিনাই কোনদিন। এই সুযোগে ঘরে বসেই বউয়ের সামনেই সে অনেক কিছু করছে আর বউকে বোঝায় অফিসের অনেক কাজ। মাঝে মাঝেই সে বউকে অন্য ঘরে অথবা নিজে অন্য ঘরে চলে যায় এবং বলে তোমার ঘুমের সমস্যা হতে পারে। অনেক গুনের জন্য সে অনেক মেয়েকেই পটাইতে পারে এবং মাঝে মাঝেই তাদেরকে লাঞ্চের জন্য দাওয়াত করে এবং যখন দেখে মেয়ে মোটামুটি আয়ত্বে তখন বলে আমি বিবাহিত। বাংগালী ললনারা অনেক ভদ্র তাই আমার বন্ধুটি এখন ও জুতা খায় নাই আমি অবশ্য এই ব্যাপারটিতে একশত ভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারলাম না। মাঝে মাঝে আমারে বোঝায় বোকা বউ থাকার অনেক সুবিধা! আমি বলি তাই নাকি।

দশদিন চোরের একদিন গৃহস্থেরঃ

আমি একদিন তার বাসায় আমি তার কর্মক্ষেত্রের গনক যন্ত্রখানী নিয়ে নাড়াচড়া করতেছিলাম, এমন সময় তার গুগল বার্তার নথি রাখবার জায়গায় ঢুকে পড়ি এবং কিছু ছবি দেখে তা আর ও ভাল ভাবে পর্যবেক্ষনের জন্য খুলে ফেলি! কি সর্বনাশ এতো এক বাঙ্গালী ললনার। পেছনে ভাবী সেটা আর আমি দেখিনি! ভাবী বলে দেখি দেখি কার ছবি! আমি তখন পালাই পালাই করছি বলি আজ আমার বন্ধু সাথে আমার ও মাইর আছে , পাপ কি আর কম করেছি তার পাল্লাই পড়ে! সব আজ সুদ সহকারে ওসুল হবে। আমার বন্ধু তখন এক প্রতিষ্ঠান ছেড়ে আর এক প্রতিষ্ঠান ঢুকেছে, ছবিটি আগের প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীর এবং এই মেয়েকে ভাবী চেনেন। ভাবী বলে এই মেয়ের ছবি এখন তোমার গণক যন্ত্রে কেনো? কেনো ? কেনো? ভাবীর চিৎকারে ফ্ল্যাট কাঁপে আমি ভয়ে পালাই শ্যালকের কামারায়। সকালে উঠে নাস্তা না করেই কর্মক্ষেত্রে পলায়ন এবং দুইদিন পর আমার বন্ধুর একটা বার্তা পাই “এডা একটা কাম করলা ক্যা বা ছামছু”? (এই কথা আমার বন্ধুর বাপ তার মোসায়েব ছামছুকে প্রায় বলে থাকে)

আমি দুই সপ্তাহ আমার বন্ধুর সাথে ভয়ে দেখা করি নাই...

গরীব
সাউথ কোরিয়া


মন্তব্য

সচল জাহিদ এর ছবি

এই লেখাগুলি নিছক ব্যক্তিগত বলে মনে করি এবং এর থেকে আমার মনে হয়না পাঠকের নেবার মত বা আনন্দ পাবার মত কিছু আছে। আপনার কাছ থেকে আরো ভাল কিছু লেখা আশা করছি।

আমি একদিন তার বাসায় আমি তার কর্মক্ষেত্রের গনক যন্ত্রখানী নিয়ে নাড়াচড়া করতেছিলাম, এমন সময় তার গুগল বার্তার নথি রাখবার জায়গায় ঢুকে পড়ি এবং কিছু ছবি দেখে তা আর ও ভাল ভাবে পর্যবেক্ষনের জন্য খুলে ফেলি!

এই বিষয়টা কতটা নৈতিক সেটা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়।

এই কথা আমার বন্ধুর বাপ তার মোসায়েব ছামছুকে প্রায় বলে থাকে

বুঝলামনা
----------------------------------------------------------------------------
জাহিদুল ইসলাম
zahidripon এট gmail ডট কম


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

আলমগীর এর ছবি

রম্যরচনা লেখা আসলে কঠিন।
যেমন:

আমি কেপ্পন না হলে টাকা ধার দেওয়া তো দূরের কথা গাত্রে বস্ত্র দেওয়া দায় হয়ে যেতো।

যা লিখতে চেয়েছেন তার উল্টোটা লিখে ফেলেছেন!

আপনার আরো লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।

মোস্তফা [অতিথি] এর ছবি

সত্য কথা !
গরীব

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

“এডা একটা কাম করলা ক্যা বা ছামছু”

এ লাইনটা ছাড়া আপনার এই লেখায় হাসার মত আর কিছু পেলামনা।

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

মাহবুব লীলেন এর ছবি

তা ওই বন্ধু আর তার বউয়ের মাঝখানে কাবাবের হাড্ডি আপনার মূল ধান্দাটা কী?

বন্ধু আর তার বউয়ের ফাটলে নিজে ঢুকে পড়া?

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

ভাষায় কিছুটা দুর্বলতা থাকলেও আমার কাছে ভালোই লেগেছে।
রম্য রচনা লেখার কৌশল শেখার জন্য হিমুকে ধরা যেতে পারে। তবে মূলকথা মনে হয়, লেখাটা লেখার সময় নিজেই উপভোগ করা। অর্থাৎ, নিজেই লেখক, নিজেই পাঠক হওয়া। নিজে মজা পেলে অধিকাংশ পাবলিকই মজা পাবে।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

মূলত পাঠক এর ছবি

লেখক লেখে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি থেকেই, কিন্তু লেখার সময় তাকে সার্বজনীন (বা অন্ততঃ বহুজনীন) না করতে পারলে সে লেখার স্থান ব্যক্তিগত ডায়েরির পাতাতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। পাঠক যদি দশ মিনিটও খরচ করে পড়তে, সেটাও একটা বিনিয়োগ, কাজেই লেখকের দায়িত্ব থাকেই। দুর্ভাগ্য, এ লেখা (বা একই লেখকের আগের লেখাগুলির অধিকাংশই) সে দাবী মেটাতে সক্ষম হয়নি।

সচল কিছু বিশ্বমানের পত্রিকা না হতেই পারে, কিন্তু সেজন্য লেখার মান নিয়ে কোনো চিন্তাভাবনা করার দরকার ফুরিয়ে যায় না। কিছু সহৃদয় পাঠক লেখকের উৎসাহবর্ধনের উদ্দেশ্যে ভালো কথা বলেন, যদিও পৃষ্ঠপোষণ অর্জনের জন্যও একটা মিনিমাম মান রাখা দরকারি। দুর্ভাগ্য এ লেখাগুলি সম্বন্ধে সে কথাও বলতে পারি না।

একটা প্রশ্ন আসে, তাহলে পড়ার দরকার কী। সত্যি কথা, দরকার বিশেষ নেই। আগে এ জাতীয় লেখা দু ছত্র পড়ে পাতা উল্টে চলে যেতাম। ইদানিং শোনা গেলো নতুনদের লেখা নাকি কেউ পড়তে চায় না, বা পড়লেও মন্তব্য করে না আলস্যবশতঃ। সেই অপবাদ ঘোচানোর জন্যই পড়ি, মন্তব্য এখনো না করার চেষ্টা করি, কারণ করলে যা বেরোবে তার নমুনা দেখাই যাচ্ছে। নবীন লেখকের মন ভেঙে যাওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা।

তার পরেও মন্তব্য কেন? কারণ ঐ আলমগীর যা বলেছেন সে থেকে বলি। শুধু রম্যরচনা কেন, অনেক জিনিসই কঠিন। মানুষ সেই কঠিন কর্ম করতে যায় যখন, তখন প্রস্তুত হয়ে যায়, বা অন্তত চেষ্টা করে প্রস্তুত হবার। এবং এই প্রস্তুতির অর্থ কিন্তু যাই-বেরোক-কলম-দিয়ে তাকে পাঠকের পাতে ঢেলে দেওয়া নয়। জ্ঞানের মতো শোনাবে, কিন্তু কিছু গল্পের বই না পড়ে গল্প লিখতে বসলে সে প্রডাক্ট বালখিল্যতার পর্যায়ে যাবার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। পড়ার পরেও আরো অনেক রাস্তা বাকি থাকে, কিন্তু বইপত্র পড়লে বাক্যবিন্যাস ও লেখনীর শক্তিটুকু আসে। সেটা একটা সূচনা হতে পারে। দুর্ভাগ্য, এ লেখাগুলিতে সে চিহ্নও দেখা গেলো না। বানান ভুলের মিছিল, তার কিছু শুদ্ধরূপ না জানা থাকায়, আর অনেকই যত্নের অভাবে। অতিথি পর্বে এডিট করা যায় না বলে এই সময় লেখা পোস্ট করার আগে পড়ে নেওয়া আরো বেশি জরুরী। আশা করছি পড়ার পরের ভার্শন এটা নয়, হলে ভয়ানক ব্যাপার।

আজকাল অনেকের সমালোচনা করে ফেলছি, হয়তো নিজে লিখি কম বলেই। কিন্তু নতুন যাঁরা যোগ দিয়েছেন তাঁদের কারোর লেখাই ভালো হয় না এমন কথা আমি বলবো না। একটা উদাহরণ দিই, তমিজউদ্দীন লোদি'র কবিতাগুলোর মান নিয়ে আমার সংশয় হয় না। এবং সে কথা কবিতায় লিখেও যাই। খারাপ কথা লিখতে ভালো লাগে না, তাই লিখি না। এমন একটা আশা থাকে যে হয়তো আগামীতে মানোন্নয়ন হবে, সেক্ষেত্রে সমালোচনার দরকারই পড়বে না। কিন্তু লেখার আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র নিয়েই এতো অবহেলা যে লেখার বিষয়গুণ শিগগির বাড়বে এমন আশা করছি না। বাড়লে খুশি হবো। যে কথা স্নিগ্ধা আরেকটি পোস্টে লিখেছেন সেই জাতীয় কথাই বললাম, ওঁর মতো স্নিগ্ধতা আমার লেখায় নেই সেটা লিখতে গিয়ে টের পেলাম। যদি এই সমালোচনা কিছু উপকারে লাগে তো ভালো, না হলে আর কী, কয়েক দিন আগে শুনলাম এক বিদ্বান ব্লগলেখক সচলকে বাথরুম বলে গালি পেড়েছেন (দেখার সৌভাগ্য হয় নি সে সব মন্তব্য), সেই পথেই গালি দিতে পারেন। গালি অর নো গালি, পরের লেখাটায় আমার সব আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করে ভালো কিছু লিখলে আনন্দ পাবো এবং প্রশংসা করে যাবো, এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলাম।

দময়ন্তী এর ছবি

এই পরনিন্দা পরচর্চার ব্লগটি পড়ে কেমন গা ঘিনঘিন করছে৷৷ কারো বাড়ীর দরজা খোলা থাকলেই যেমন আমরা ঢুকে জিনিসপত্র তুলে আনি না, সেরকমই কারো পিসি বা ল্যাপটপ ব্যবহার করলেও তাঁর ব্যক্তিগত ফোল্ডার হাঁটকাই না৷
ছি:
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

আলমগীর এর ছবি

দিদি
লেখাটা কাঁচা হাতের লেখা তবু মডারেটর পরিষদ পার হয়েই প্রকাশিত হয়েছে। লেখাটা অনেকেরই ভাল লাগেনি, কিন্তু প্রতিক্রিয়া প্রকাশে সবাই উদার্য দেখিয়েছেন। একজন নতুন ব্লগার এটুকু প্রত্যাশা করতে পারেন।

দময়ন্তী এর ছবি

আলমগীর,

আপনার বক্তব্য আমি বুঝেছি৷ মডারেশান পার হয়ে এসেছে ঠিক কথা৷কিন্তু কারো নামে আগাগোড়া নিন্দেমন্দ করা, অন্যের ব্যক্তিগত জিনিস ঘাঁটাঘাঁটি করাটা আমার কাছে অত্যন্ত অনৈতিক৷ সেজন্যই ঔদার্য্য দেখাতে পারলাম না৷ এঁর আগের লেখাটায় আমি তেমন কোন মন্তব্য করিনি, কারণ সেটা শুধুই একটা "বাজে লেখা' ছিল৷ কিন্তু এটা আমার নীতিবোধে আঘাত করেছে৷

Let us agree to disagree কেমন? হাসি
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

আলমগীর এর ছবি

হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

dhar kora chobidhar kora chobi


কৃতজ্ঞতা

montbbo

আমি আর কিছু কইলাম না!

গরীব
সাউথ কোরিয়া

অমিত এর ছবি

ল্যাপটপের ব্যাপারটায় অনেকের বেশ আপত্তি দেখা যাচ্ছে
আমার কিন্তু এরম বেশ কয়েকটা(সবাই না তাই বলে) বন্ধু আছে যারা আমার ব্যক্তিগত ল্যাপটপ ঘাটলে আমি কিছুই মনে করব না বা আমি তাদেরটা ঘাটলে তারাও কস্মিনকালে কিছু মনে করবে না

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।