দু'টি পোস্ট সরিয়ে নিলাম

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ১১/০৬/২০১০ - ৬:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটা সত্যই অনুধাবন করলাম শুধু, পাকিস্তানীদের দেয়া গালিটাকে সকলে ব্যক্তিগতভাবে নিচ্ছেন। ভাবছেন, আজ পাকিস্তানীদের গালি দিচ্ছে, কাল আমাকে দেবে, সময় থাকতে এই অসুরকে বধ করা হোক। অথচ কেউ এই ব্যাপারটা বিবেচনায় আনলেন না, এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট আইন আছে সচলায়তনে, এবং সহসচলদের অশালীনভাবে গালি দেয়ার কারণে সচলায়তন থেকে বহিষ্কার করার নজিরও রয়েছে। যারা নিজেদেরকে পাকিস্তানীদের পেছনের সারিতে দাঁড় করাচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের প্রশ্ন করুন, আপনি কি আরেকটু সম্মান ডিজার্ভ করেন না নিজের কাছে? আপনারা ভাবছেন আমি প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিয়েছি, কিন্তু আমি যখন প্রমিত ভাষায় মার্জিত শব্দে অপমানিত হই, আপনারা তখন কোনো প্যান্ডোরার বাক্স দেখেন না। আপনাদের ভয় কেবল বড় গালির, মিষ্টি কথার চিমটি নিয়ে মাথাব্যথা নেই। অথচ পৃথিবীতে যত লোক হাতির পায়ের নিচে মরে, তারচে বেশি লোক মারা যায় ম্যালেরিয়ায়।

তথাস্তু। আমি আমার পোস্ট দু'টি সরিয়ে নিয়েছি। সচলায়তনে আপনাদের উদ্বেগের কারণ হওয়া আমার অভিপ্রায় নয়। যাঁরাই এ তর্কে তৃতীয় ব্যক্তির বক্তব্যে আহত হলেন, দায়টুকু আমি আমার ঘাড়েই নিচ্ছি, যেহেতু পৃথিবীর প্রতিটি লোকের কাজের জন্যে আমিই জবাবদিহি করতে বাধ্য।

সচলায়তনে আপনাদের সময়টুকু আনন্দে কাটুক।

ধন্যবাদ।


মন্তব্য

হাসিব এর ছবি

কাজটা ঠিক হৈলো না ।

সুজন চৌধুরী এর ছবি

ধূর মিয়া!!!
তার চেয়ে কাঠির আগায় তেনা দিয়া পেচাইতে দিলেই হৈতো !


লাল গানে নীল সুর, হাসি হাসি গন্ধ

দ্রোহী এর ছবি

আমি সবসময়ই পোস্ট/মন্তব্য প্রকাশিত হবার পর তা মুছে ফেলার বিপক্ষে। আজও ....

কাজটা ঠিক হয় নাই।

তাসনীম এর ছবি

কাজটা ভালো হোল না হিমু। তোমার স্বাধীনতায় কেউ বাধা দিয়েছে বলে মনে হয় না। সবাই নিজের মতটাই প্রকাশ করেছে, এতে কথা কাটাকাটি হয়েছে, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে...মন্তব্যের চাপে বক্তব্য চাপা পড়েছে কিন্তু পোস্ট নামাতে কেউ বলেনি।

তাও এটা কেন করলে?

++++++++++++++
ভাষা হোক উন্মুক্ত

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

তারাপ কোয়াস [অতিথি] এর ছবি

হয়তো 'আমারা' পাকিস্থানীদের 'দুষ্ট পাকিস্থানী' সম্ভাষণে বেশী স্বস্তিবোধ করি!

হূমায়ুন আজাদের একটা প্রবচন মনে পড়লো "এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো।"

হিমু ভাই আপনি লিখুন আপনার মত করে, সবার পায়ের মাপে জুতা বানানোর দরকার নেই।

অতিথি লেখক এর ছবি

কাহিনী কি?কি হইলো? সারারাত জাইগা এখন আপনার তামশা দেখি নাকি? কাজটা ঠিক করেন নাই।

ভাই বুঝি না, পাকি গো কইল বাঙ্গালির এতো লাগে কেন?বাঙ্গালিরে কইলে তো পাকি গো লাগে না।
হিমু ভাই কি এখন আর মন খুলে মন্তব্য করবেন না? না করলে সমস্যা। যেদিন দেখবো আমার কোন একটা লেখায় আপনার কমেন্ট পড়ছে, সেদিন বুঝবো আমি কিছু একটা লিখছি। সেদিনের অপেক্ষায় আছি। সচলের অপেক্ষায় না। আর ভাই, কি এসে যে কে কি মনে করলো তাতে? আমি দেখছি আপনি বিষ্ঠা পাড়াতে না চাইলেওনাকনাকে বিষ্ঠা পাড়াতে হবে। তো ভাইবা লাভ কি?
ভালো থাকবনে বস।
পলাশ রঞ্জন সান্যাল

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- তোরে তো স্মার্টই ভাবতাম, কাজটা তো করলি ক্ষেতের মতো!

সরানোর প্রয়োজনীয়তা থাকলে সেটা প্রথমেই করা উচিত ছিলো, এখন এতোদিন পর, এতো যুক্তি-তর্কের পরে এই লেখাগুলো সরানোর কোনো মানেই হয় না।

তোর অবস্থান ভুল ছিলো না খারাপ, সেটা বিবেচনায় আসবে পরে। প্রথম কথা হলো, তুই তোর স্টেটমেন্টের পক্ষে যথাযথ যুক্তি উপস্থাপন করতে পেরেছিস কি না! কোনো কিছু বিচারের ক্ষেত্রে যুক্তি আর তার উপস্থাপনটাই জরুরী, কোনো আবেগ না। তোর ব্যবহৃত ভাষা নিয়ে যাঁরা যথেষ্ট নেতিবাচকতা পোষণ করছেন এবং তুই নিজে— উভয়পক্ষই আশাকরি এই জিনিসটা নিয়ে ওয়াকিবহাল।

ব্যস্ততার অজুহাতে সচলে সময়ক্ষেপণের পরিমান আশংকাজনক হারে কমে গেলেও, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যথেষ্ট সময় না দিয়েও ইদানিংকার ব্যাপারগুলো দেখে মোটেও ভালো লাগছে না। একটা কিছু উষ্কানীর গন্ধ পাচ্ছি। সেটা হতে পারে অনিচ্ছাকৃত কিংবা হতে পারে ইচ্ছাকৃত!

তবে, যে কারণেই হোক। সচলায়তনের জন্য খারাপই হবে ব্যাপারটা।

সচলায়তনকে যাঁরা সত্যিকারেই ভালোবাসেন, এবং কোনো না কোনোভাবে নিজেকে পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ভাবছেন, তাঁরা বোধকরি এই পরিস্থিতিটা প্রশমনে এগিয়ে আসবেন, এইটা একটা আহ্বান।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

তানভীর আনোয়ার এর ছবি

আপনি আপনার বক্তব্যে সবসময়ই পরিষ্কার ছিলেন, আপনার যুক্তিতেও কোন ফাটল ছিল না। পিয়ার প্রেশার (peer pressure) এর কারণে পোস্ট সরিয়ে নেওয়া কোন মতেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারো আচরণে আহত হয়ে আপনি এ কাজটি করে থাকতে পারেন, "যেহেতু পৃথিবীর প্রতিটি লোকের কাজের জন্যে আমিই জবাবদিহি করতে বাধ্য" - লিখতে পারেন, কিন্তু তাতে সত্য চাপা পড়ে যায় কি?

কমিউনিটি ব্লগ মানে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ পাঠকের রুচির লাগামে বাঁধা জোয়াল টানা লেখক হয়, তবে আশংকা করছি একদিন আর আজকের মত উৎসাহ নিয়ে অফিসের ফাঁকে ফাঁকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সচলে ঢুঁ মারা হবে না। একজন পাঠক হিসেবে এই সচলায়তন আমি দেখতে চাই না।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

আমি কামনা করছি, পাঠকের এই চাপ আপনার লেখালেখির স্বাধীন-চিন্তাকে আক্রান্ত করবে না।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

এই পোস্টটা নিজ ব্লগে সরানোর অনুরোধ জানাই। আমার ধারণা ভিতরে থাকলেও লোকে পড়ে আসবে গিয়ে।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি

আসলে ভালো মন্দ বিচার করা কঠিন কাজ। সময়ই বলে দেয় কোনটার ফল ভালো হলো আর কোনটার মন্দ। সুবিবেচনা সেইটাই যেটা আগে থেকে ফলাফলের এই ভালো-মন্দটা বুঝতে পারে। সবাই নানা প্রতিক্রিয়াতে যত রকম আশংকা ব্যক্ত করেছেন, সেগুলোর অনেকটাই ভবিষ্যতের এই ভালো-মন্দ ঘটা সম্পর্কে তাদের নিজস্ব অনুমান। কেউ ভাবছেন এগুলো কোমলমতি মানুষেরা পড়লে খারাপ ঘটবে, কেউ ভাবছেন, এটা সচলায়তনের ভাষিক কাঠামোতে প্রভাব ফেলবে, ইত্যাদি। এগুলো আসলেই ঘটতো কিনা আমরা নিশ্চিত জানি না, এবং এগুলোর সবগুলোও চিন্তা করার মত সমস্যা কিনা তাও মীমাংসিত নয়।

তো, সেখানে যুক্তি দিয়ে যখন আলোচনা চলে, সব ধরে নেয়া যায় ঠিকঠাকই চলছে। আর যুক্তিতে যখন দ্বিমুখী নীতি দেখা যায়, তখন ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। একজনের কাজের জবাবদিহিতা চাইতে গিয়ে যৌক্তিক দ্বিমুখিতার কারণে প্রশ্ন-উত্থাপনকারীকেও তখন জবাব দিতে হয় তার বক্তব্যের জন্য। ফলে, অনেকেই নিজে ভুল আচরণ করে ফেলার ফলে এবং অনেকক্ষেত্রে সেটা সনাক্ত করতে না পারার ফলে আর জবাব চাইবার অধিকারটা দৃশ্যতঃ হারিয়ে ফেলেন। অন্যের/অন্যদের আচরণের অসহিষ্ণুতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে নিজে অসহিষ্ণু হয়ে পড়েন। তখন যৌক্তিক ডিসকোর্স চালিয়ে নেয়া সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আর যুক্তি দিয়ে আলোচনা চালাবার পথ কঠিন হয়ে যাবার পরেও যখন যুক্তির বাইরে এসে হলেও আলোচনা চালিয়ে নেবার একটা চেষ্টা চলতেই থাকে, তখন সমস্যাগুলো প্রকটতর হয়।

তারপরেও কাউকে কিছু একটা ব্যবস্থা নিতে হয়। কারণ এটা তো আর কুরুক্ষেত্র নয় যে শেষ হবে শত্রু বধ করে। এখানে কেউ কারো শত্রু হবারও কথা না। তাই, হিমু ভাই একটা পদক্ষেপ নিয়েই ফেললেন। আর কিছু না হোক, ঝড়ের বেগ থামবে। অন্তত শর্ট টার্ম কল্যাণ তো হবেই। এই কর্মের লং টার্ম ভালো-মন্দ কি? সেটা বলা কঠিন কাজ। তবে, যে গুরুত্বপূর্ণ খবরটা ছিল মূল লেখায়, যেটা নিয়ে আমি সহ আরো অনেকেই আলোচনা করতে ব্যর্থ হয়েছি, সেটা হারিয়ে যাওয়াটা আমার ভালো লাগলো না। আর শর্ট টার্ম কল্যাণের জন্য একজনকে তার পোস্ট মুছে ফেলতে হবে, এটাতো ভালো লাগলো না মোটেই।

একটা কথা বলে শেষ করি। আমাদের কাছে অনেককিছুই ভালো লাগে না। ওগুলো ভালো না লাগার ব্যাপারটা আমাদের কাছে ধ্রুবসত্যের মত। কিন্তু যখন ব্যাখ্যা করতে বলা হয়, কেনো লাগে না, তখন কিন্তু খুব কঠিন হয়ে পড়ে ব্যাখ্যা করে বলাটা। আর যখন আরেকজনের কাজকে প্রভাবিত করার জন্য নিজের ভালো না লাগা ব্যক্ত করতে হয়, তখন যুক্তিগুলো ভালো করে শান দিয়ে না রাখলে, যুক্তি থেকে সামান্যতমও বক্তব্যের বিচ্যুতি ঘটলে, অভিযোগটা কার্যকর না হবার সম্ভবনাই বেশি। আর একটা অভিযোগের ফিরতি উত্তরগুলোও সমান বা ততোধিক চাঁছাছোলা হতে পারে।

সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি

এই ডিবেটে বলার তেমন কিছু ছিল না, কিন্তু পোস্টের প্রথম লাইন দেখে কিসু কথা মনে হইলো। আমার মনে হয় পাকিস্তানী বিষয়টা এইখানে রেড হেরিং। আসল বিষয় সচলে গালি-গালাজ ব্যবহারের মাত্রা। এইখানে লেখকের স্বাধীনতা নিয়া অনেক ধুয়া উঠছে উঠবো, কিন্তু সেইটাও ভূল প্যাচাল। সচল শুরুর দিন থেকেই মডারেটেড ব্লগ। সেই অর্থে সচলের কোন লেখকের কখনোই ঐ রকম স্বাধীনতা ছিল না, থাকা উচিতও না।

সচলের ওভারল পরিবেশ যাতে অন্যান্য ব্লগের মত না হয়, সেইটা নিয়া সচলের জন্মলগ্ন থেকে বহুত চিন্তা ভাবনা করা হইসে বলে জানি। আমু, সামু, নাগরিক ইত্যাদি সব ব্লগগুলাতে প্রচুর গালি গালাজ থাকে, কমেন্টে আর মূল লেখায়। ঐ কালচার এড়াইতেও সচলে এত কাঠখড় পোড়ানো, এত নিয়ম। যদ্দূর জানি, বহুকাল আগে এই ব্লগ থেকে লেখকও বিদায় করা হইছিলো এইসব কারনেই। অলৌকিক হাসান যখন আউট হইলো, তোমার সাথেই আমার আলাপ হইসিলো - তুমি যেই কথাটা আমাকে বলসিলা - they want it raw, এতো মডারেশন তাদের পসন্দ না, যা খুশী কওয়ার স্বাধীনতা চায়।

এই বিষয়ে তোমার প্রথম লেখা লেখসো, আচ্ছা গেলো। মূলত পাঠক তার প্রথম রেসপন্স লেখলো, আচ্ছা তাও গেলো। তার লেখায় কমেন্ট করতে গিয়া তুমি ঠিকই আবার গালিগুলা ইনক্লুড করলা, আচ্ছা তাও গেলো। এইসব তুমি করো। তারপর মূলো আবার লেখলো সচলভাষা ২, যেইটা আমার মতামত উনি না লেখলেও পারতো। হুদাই কথা বাড়ানো, এইসবে কোনই ফায়দা নেই, এইটা ওনার বোঝা দরকার ছিল। যাউজ্ঞা, তারপর তুমি ট্রাম্পের উপর ওভারট্রাম্প দিলা, কুশলজিজ্ঞাসা গল্পটা দিলা। এই এস্কেলেশান-এ বিন্দুমাত্র অবাক হই নাই কারন সূচাগ্র ধরণী তোমারে কখনো কনসীড করতে দেখি নাই। ব্লগের সিনিয়র লোকদের থেকে ম্যাচিউরিটি'র মত বেহুদা জিনিস আশা কইরা অপেক্ষা করতে করতে অনেকের বাল পাকছে, পাকবে। তোমার থেকে সৌজন্যবোধও অনেকটা সেই রকম।

যাউজ্ঞা, সো মূল কথাটা ঐ। তুমি হিমু যদি যত্রতত্র "মায়রে চুদি" লেখো, সেইটা পাকিস্তানীর মাই হোক বা আর কারও মা, সেইটা দেশপ্রেমের কারনে হোক আর লেখকের স্বাধীনতার কারনে হোক, তাইলে আরো অনেকেই অনেক কারনে তাদের ইচ্ছামত লেখতে পারে। আমি উপরে বাল পাকছে কথাটা লেখলাম, যেইটা আর সাধারাণত লেখতাম না। আপাতত এইটা আমার স্বাধীনতা হিসাবে দেখতে চাই, তাই মডুরা কাইন্ডলি এই কমেন্টটায় হাত দিয়েন না। ব্রডার পয়েন্ট এই - কি রকম ব্লগ চাও? তুমি গালি লেখলে ঠিক আছে, আর কেউ লেখলে ঠিক নাই? পাকি প্রশ্নে গালি লেখলে ঠিক আছে আর অন্য কারনে লেখলে ঠিক নাই? এই সব প্যারামিটার ডিফাইন কইরা দিয়া দেও, ম্যাংগো পাব্লিক জানবো আর মাইনা চলবো।

এই বিষয়ে আর কিসু বলার নাই।

রেনেট এর ছবি

চলুক
---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

s-s এর ছবি

চলুক "চিত্ত যেথা বোধশূন্য,উচ্চ যেথা ইগো"

নাশতারান এর ছবি

আমার মতে এটাও যথেষ্ট আপত্তিকর মন্তব্য।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

হিমু এর ছবি

কিছু কিছু বোধপূর্ণ ইগোম্যানিয়াক আমি জীবনে দেখেছি, যারা ওঁত পেতে থাকে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ সুযোগ বুঝে ঝাড়ার জন্য। আপনি তাদের একজন। আপনি অতীতে সচলায়তনে যাঁরা লেখেন, তাঁদের শিক্ষার দৌড় নিয়ে কুমন্তব্য করেছিলেন, আমার স্মরণে আছে। সুমন রহমান যখন একটা অসত্য অভিযোগ করে প্রথম আলোতে আর্টিকেল ফেঁদে বসেছিলো, আমি সেটার প্রতিবাদ করে একটা পোস্ট দেয়ায় সেখানে এসে সরবে বলেছিলেন, সুমন রহমান যা করেছে ঠিক করেছে। আপনার দৌড় এই কদাচিৎ চিমটি কাটা পর্যন্তই, যেটা কোনো ব্যক্তিবিশেষের ওপর নয়, গোটা সচলায়তনের ওপর আঘাত হানে। আর না, এটাকে সমালোচনা বলে না, নিজেকে সচলায়তনের অংশ দেখিয়ে আত্মসমালোচনাও বলে না। এটা পরিষ্কার ছোটোলোকি।

ব্যক্তিগত দ্বেষ প্রকাশ করতে চাইলে সেটা ব্যক্তির ওপর করাই ভালো, গোটা সচলায়তনের স্লোগানের প্যারোডি করে সচলায়তনকে ব্যঙ্গ করার কোনো মানে হয় না। আপনার যদি মনে হয় এখানে সবার চিত্ত বোধশূন্য, আপনি আপনার বোধপূর্ণ চিত্তটি নিয়ে কেন শুধু আলুপোড়া খাওয়ার জন্য গর্ত থেকে বের হন, সেটা আমার বোধের অগম্য।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

s-s এর ছবি

সচলায়তনকে নয়,আপনার সচলের আচরণকে প্যারডি করা হয়েছে,করে "চিত্ত বোধশূন্য" বলেছি,আপনার "উচ্চ ইগো"কে কটাক্ষ করেছি। এবং আপনি যে পরিমাণ কুমন্তব্য করেন এবং করে যাচ্ছেন লাগাতার গত প্রায় তিন বছর ধরে সেগুলোও স্মরণে আছে খুব ভালো করেই। ব্যক্তিগত বিদ্বেষের লেকচারটা নিজেকে সবার আগে দেয়া উচিত আপনার,আপনি কি গুণে দেখেছেন কয়টি কুতসিত গল্প আপনি কয়জন সচলকে আহত করে লিখেছেন? আপনি যে পরিমাণ ইতর ভাষার চর্চা করে যাচ্ছেন এবং তাকে "যুক্তি" বলছেন সেটা বললেই সেটাকে "আলুপোড়া খাওয়া"বলছেন,সেটা "বোধশূন্যতা" ও "ইগো" ছাড়া আর কিছু নয়। সুমন রহমানকে নিয়ে অথবা অন্য যে কাউকে পছন্দ না হলেই আপনি যা শুরু করেন,সেটার প্রতিবাদ করলেই"গোটা সচলায়তনের প্রতি বিদ্বেষ"বলে চেঁচামেচি করছেন কেন?সচলায়তনের বিরুদ্ধে তো আমার কিছু নেই!আপনি কুতসিতের চর্চা করবেন,সেটা নিয়ে কথা বললে,আপনাকে ব্যাঙ্গ করলে আমাকে সুমন রহমান বা অন্য কারো আনুসারী সচল-বিদ্বেষী বানিয়ে দূর করে দিতে চাইবেন,এটা তো মগের মুল্লুক না। আপনার দয়া বা দাক্ষিণ্যে যখন সচলে আসিনি,তখন আপনি ভাবেন বলেই আপনার মিথ্যায় তাল দিয়ে চলে যাবো না তো!আপনি কে আমাকে চলে যেতে বলার???? স্যরি,আপনার কথায় কিছুই হবেনা।

হিমু এর ছবি

শেষ থেকে শুরু করি। আপনাকে "চলে যেতে বলা" হলো কোথায়? একটু কোট করে দেখান।

আমাকে ব্যঙ্গ করতে গিয়ে আপনি খাটো করলেন সচলায়তনের স্লোগানটাকে। এটা কিন্তু খুব একটা অস্পষ্ট নিশানা নয়। আর একটু কষ্ট করে বলবেন কি, কয়জন সচলকে খাটো করে গল্প লিখেছি আমি? গুণে বলুন, টুপির নিচ থেকে কথা বার না করে। প্রয়োজনে লিঙ্ক দিতে পারেন। যদি বলেন এসবের সময় আপনার নেই, তাহলে এমন কথা বলবেন না, যেটা সাবস্ট্যানশিয়েট করার সময় আপনার হয় না। প্রয়োজনে এই মন্তব্যের আশপাশে যাদের বুড়ো আঙুল দেখা যাচ্ছে তাদের সাহায্য নিন।

ইতর ভাষা চর্চা না করেও যে ইতরামি করা যায়, তার সবচে সুন্দর নিদর্শন আপনি নিজেই। তাছাড়া গত তিন বছরে আমি যে সব "কুমন্তব্য" করেছি, তার প্রতিবাদ আপনার কাছ থেকে আসেনি, কারণ আপনার দৌড় হচ্ছে আরেক শিখণ্ডীর বক্তব্যের নিচে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠি ঠেসে ধরে সচলের স্লোগানের প্যারোডি করা।

সুমন রহমানের আচরণের প্রতিবাদ, প্রিয় s-s, সুবিনয় মুস্তফি, যার আজকের মন্তব্যের নিচে আপনার বুড়োআঙুলবাজি চলছে, করেছিলেন, আমার পরপরই। আমার চেয়ে তীব্র ভাষায়, যে লেখাটি শেষ হয়েছিলো, "নাউ মিস্টার রহমান, প্লিজ গেট লস্ট" দিয়ে। সেখানে আপনি টুঁ শব্দও করেননি। সুবিনয় পরে তার পোস্টটির শেষ লাইন পরিবর্তন করেছিলেন, গেট লস্টকে গো অ্যাওয়ে দিয়ে সরিয়ে। সুমন রহমানের আচরণের প্রতিবাদের প্রতিবাদ করে আপনি প্রমাণ করেছিলেন, সচলায়তনের প্রতি যে মিথ্যাচার সুমন রহমান করেছিলো, আপনি তা সমর্থন করেন। এটা কোনো সাধারণ তর্কে দ্বিমতের বিষয় নয়। সে কারণেই বলছি, এসব ছোটোলোকি আপনার নতুন নয়। আর পাইকারি হারে সচলায়তনের লেখকদের অশিক্ষিত আপনিই বলেছিলেন, সেটার সাক্ষী সচল স্নিগ্ধা এবং সচল সৌরভও, যাদের সাথে আপনি মন্তব্য চালাচালি করে কুঁইকুঁই করে খোঁড়া অজুহাত দিয়েছিলেন তখন।

আমি যদি গত তিন বছর ধরে কুমন্তব্য দিয়ে আসি, তাতে আমার ইগোর উচ্চতা বোঝা যায় না, বড়জোর প্রমাণিত হতে পারে আমি একজন অভদ্রলোক। আর আপনার ইগোর দৌড় বোঝা যায় কালেভদ্রে এসে আপনার নাক সিঁটকানো মন্তব্য দেখে। "হোলিয়ার দ্যান দাউ" অ্যাটিচ্যুডটা মাঝে মাঝে কত দুর্গন্ধময়, সেটা আপনার মন্তব্য পড়লে বোঝা যায়।

আমি কুৎসিতের চর্চা যদি করে থাকি, তাহলে আমার উদ্দেশ্য হবে অন্তত আপনার মতো কদর্য যেন কখনো হতে না পারি।

সচল থেকে আপনাকে বের হয়ে যেতে বলবো না কখনোই। আপনার মতো দৃষ্টান্ত অতিথিদের জন্যে প্রয়োজন, যাতে তাঁরা আপনাকে দেখে অন্তত শিখতে পারেন, কেমন আচরণ করা উচিত নয়।

আর গ্রো সাম স্পাইন। শিখণ্ডীদের আড়ালে নিজের বুড়ো আঙুলে শান দেয়াটা আপাতদৃষ্টিতে ভদ্র আচরণ মনে হলেও কাপুরুষতা। যা বলতে চান নিজেই বলতে পারেন।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

s-s এর ছবি

সুমন রহমানের আচরণের প্রতিবাদের প্রতিবাদ করে আপনি প্রমাণ করেছিলেন, সচলায়তনের প্রতি যে মিথ্যাচার সুমন রহমান করেছিলো, আপনি তা সমর্থন করেন। এটা কোনো সাধারণ তর্কে দ্বিমতের বিষয় নয়। সে কারণেই বলছি, এসব ছোটোলোকি আপনার নতুন নয়।

এটি আপনার হাইপোথিসিস এবং কন্সপিরেসি থিয়রি। সেটির বলি আমাকে না করতে অনুরোধ জানাই।
আমি খুবই স্পষ্ট ভাষায় মেহবুবা জুবায়েরের পোস্টে সুমন রহমানের লেখার প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং তাকে আমি খুবই খারাপ মনে করি। কিন্তু আপনার আমাকে সুমন রহমানের চামচা বানানো বা সচল-বিদ্বেষী বানানোর চেষ্টা তো সুমন রহমানের থেকেও নোংরা হয়ে যাচ্ছে। মডারেশনকেও আপনি আমার বিরুদ্ধে লাগাচ্ছেন?????? এখন কি মডারেশন কে দিয়ে আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করাবেন যেহেতু আমি বলেছি আপনি আমাকে যেতে বলার কে???? আপনি এত ভিন্ডিক্টীভ??? আনবিলিভেবল,হিমু। হোয়াই ডোন্ট ইঊ গ্রো সাম স্পাইন???

হিমু এর ছবি

প্রথমত, "সুমন রহমানের চামচা" টার্মটা আমি ব্যবহার করছি না, আপনি করছেন। আমি বলেছি, সুমন রহমানের মিথ্যাচারের যে প্রতিবাদ আমি করেছিলাম, সেটির প্রতিবাদ আপনি এসে করেছিলেন। বলেছিলেন সুমন রহমান যা বলেছে সেটা ঠিক আছে। আপনি তার মিথ্যাচারকে সমর্থন করেছিলেন।

আপনি সুমন রহমানকে খারাপ মনে করেন না ভালো মনে করেন, সেটা আমার দেখার বিষয় না। আপনি তার সেই মিথ্যাচারকে সমর্থন করেছিলেন, এবং সেটা সচলায়তনের স্বার্থবিরোধী ছিলো, কারণ তখন সচলায়তনকে বাংলাদেশে আনঅফিশিয়ালি ব্লক করা হয়েছিলো, এবং সুমন রহমান সেই ব্লককে সমর্থন করেছিলো।

মডারেশনকেও আপনি আমার বিরুদ্ধে লাগাচ্ছেন?????? এখন কি মডারেশন কে দিয়ে আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করাবেন যেহেতু আমি বলেছি আপনি আমাকে যেতে বলার কে????

এ অংশটুকু যে শুধু আমাকে ছোটো করা, তা-ই নয়, সচলায়তনের মডারেশনের প্রতি সুতীব্র তাচ্ছিল্য ও অবমাননা থেকে উদ্ভূত। হিমু সচলায়তনের মডারেটর নয়, একজন ব্লগার। সচলায়তনের মডারেশন যে একটি স্বতন্ত্র সত্ত্বা, সেটি যে সচল স্বীকার না করে, সে কি প্রকারান্তরে সচলায়তনের মডারেশনকেই অভিযুক্ত করছে না?



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

s-s এর ছবি

হিমু,আপনি অসংখ্যবার হিমু নামে মডারেটরসুলভ মন্তব্য করেছেন, ধমক ও চোখরাঙানি দিয়েছেন। আজকে "হিমু" একজন ব্লগার "মডারেটর" নয়,মডারেশ্নের প্রতি আমি কতটা "সুতীব্র" তাচ্ছিল্য প্রকাশ করছি এগুলো বলে আবারো আমাকে "সচলের মডারেশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়" বলে কালার দেয়ার চেষ্টা করছেন। আমি এই বক্তব্যটির ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে রাখছি, সচলায়তন ও মাডারেশনের বিরুদ্ধে নয় আপনি মডারেশন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন এই আশঙ্কাই আমি প্রকাশ করছি,কারণ স্বচ্ছতা সুশাসনের পূর্বশর্ত। আপনার মডারেশনকে বায়াস করে ফেলবার শক্তি নিয়ে কথা বলছি,"মডারেশন" অ্যাকাঊন্টটির বিরুদ্ধে কিছু বলছিনা। আজ পর্যন্ত এমন কিছু করিনি(আপনার সাথে এই কুতসিত বিতর্কে জড়ানো ব্যতীত), যার জন্য মডারেশন কখনও আমাকে কিছু বলেছে। সো, প্লিজ, সুমন রহমান কার্ডের মতো মডারেশন মানেনা কন্সপিরেসি থিয়রির নোংরামিটাও বন্ধ করুন। আমি সবসময়ই মডারেশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এই জন্য আজেবাজে কথা যখন যা মুখে আসে বলি না। আপনি যদি কুতসিত গালাগালি করেছি এই উদাহরণ দেখাতে পারেন তাহলে মডারেটরকে অভিযোগ করুন। উল্টোপাল্টা প্রভাব খাটিয়ে আমার লেখনীকে বন্ধ করা বা আমাকে কন্সপিরেসি থিয়রির বলি বানাবেন না।

হিমু এর ছবি

"সচলায়তন" অ্যাকাউন্ট থেকে ২০০৯ সালের ৬মে এই পোস্টটি এসেছে। এই পোস্ট আসার পর তো হিমুকে মডারেটর ডাকার সুযোগ থাকে না। এ কথা আপনিও জানেন। সে কথা জেনেও আপনি যখন বলছেন,

সচলায়তন ও মাডারেশনের বিরুদ্ধে নয় আপনি মডারেশন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন এই আশঙ্কাই আমি প্রকাশ করছি

মডারেশন প্রক্রিয়ায় আমি ততটুকুই হস্তক্ষেপ করতে পারি, যতটুকু আপনি পারেন।

সো, প্লিজ, সুমন রহমান কার্ডের মতো মডারেশন মানেনা কন্সপিরেসি থিয়রির নোংরামিটাও বন্ধ করুন। আমি সবসময়ই মডারেশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এই জন্য আজেবাজে কথা যখন যা মুখে আসে বলি না। আপনি যদি কুতসিত গালাগালি করেছি এই উদাহরণ দেখাতে পারেন তাহলে মডারেটরকে অভিযোগ করুন। উল্টোপাল্টা প্রভাব খাটিয়ে আমার লেখনীকে বন্ধ করা বা আমাকে কন্সপিরেসি থিয়রির বলি বানাবেন না।

আপনার এ কথার অর্থ একটিই, মডারেশনের হস্তক্ষেপকে "হিমু কর্তৃক প্রভাবিত" বলে অস্বীকার করা। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই বক্তব্য সচলায়তনের মডারেশনের নিরপেক্ষতা এবং স্বতন্ত্র অবস্থানের পরিপন্থী।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

আলমগীর এর ছবি

s-s
আমি অনুরোধ করি আপনি একটু সময় নিয়ে মন্তব্যের জবাব দিন।
কারণ কিছু কথা পরস্পরবিরোধী হয়ে যাচ্ছে।

আপনি একটা মন্তব্যে পুরো সিস্টেমের সততা ও মডারেটরদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন:


আমি সিস্টেমের সততা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি,মডারেশনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি

আবার এখন উল্টো বলছেন:

আমি এই বক্তব্যটির ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে রাখছি, সচলায়তন ও মাডারেশনের বিরুদ্ধে নয় আপনি মডারেশন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন এই আশঙ্কাই আমি প্রকাশ করছি,কারণ স্বচ্ছতা সুশাসনের পূর্বশর্ত।

আলমগীর এর ছবি

s-s
আমি অনুরোধ করি আপনি একটু সময় নিয়ে মন্তব্যের জবাব দিন।
কারণ কিছু কথা পরস্পরবিরোধী হয়ে যাচ্ছে।

আপনি একটা মন্তব্যে পুরো সিস্টেমের সততা ও মডারেটরদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন:


আমি সিস্টেমের সততা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি,মডারেশনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি

আবার এখন উল্টো বলছেন:

আমি এই বক্তব্যটির ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে রাখছি, সচলায়তন ও মাডারেশনের বিরুদ্ধে নয় আপনি মডারেশন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন এই আশঙ্কাই আমি প্রকাশ করছি,কারণ স্বচ্ছতা সুশাসনের পূর্বশর্ত।

s-s এর ছবি

আলমগীর ভাই ধন্যবাদ। এই কথাটি কখন বলেছি সেটি নিচে মডারেটরকে দেওয়া উত্তরে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। কারণ আমি হিমুকে করা উত্তরের পরপরই এই মন্তব্যটি দেখি। মডারেশনকে জিজ্ঞেস করেছি,কারণ হিমুর কথার পরপরই সেই উত্তরটা এসেছে। সেটি সচলায়তন অ্যাকাঊন্ট থেকে উত্তর দেবার পর ক্লিয়ার হয়েছে,তার আগ পর্যন্ত এই প্রশ্নটি ভ্যালিড ছিলো আমার মনে। আর মডারেশনের উত্তরে যখন ক্লিয়ার করা হলো সেটি হিমুর প্রভাবমুক্ত,তখন হিমুর কথার প্রতিবাদে বা আমাকে কর্নার্ড করার প্রতিবাদে বা আমাকে “মডারেশন-বিরোধী” বলার প্রতিবাদে সেটি "হিমু"কে বলেছি।কারণ আমি একাধিকবার হিমুকে মডারেটরসুলভ কথাবার্তা “হিমু” নিকেই বলতে দেখেছি।

সচলায়তন এর ছবি

হিমু লিখেছেন:
কুঁইকুঁই করে

সহব্লগারের প্রতি অবমাননাকর এই বাক্যাংশটি কাম্য নয়। উপরন্তু আপনাকে সহব্লগারের প্রতি আক্রমণাত্মক ভঙ্গীতে অনেক মন্তব্যে দেখা গিয়েছে।

সহব্লগারের প্রতি অবমাননাকর এবং আক্রমণাত্মক মন্তব্যের দায়ে আপনার একাউন্টটি রহিত করা হবে না কেন? - এই মর্মে কারণ দর্শানো হইল। তিনদিনের মধ্যে এখানে মন্তব্য অথবা contact এট সচলায়তন ঠিকানায় আপনার কাছ থেকে সন্তোষজনক উত্তর না পেলে আপনার একাউন্ট নিষ্ক্রীয় করা হতে পারে।

ধন্যবাদ।

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

হিমু এর ছবি

প্রিয় সচলায়তন,

কুঁইকুঁই করা সহসচলকে অপমানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত শব্দ নয়। যিনি অভিযোগটি উত্থাপন করেছেন, তিনি এটিকে কুকুরের সাথে তুলনা করে মিসলিড করার চেষ্টা করেছেন মাত্র। মানুষ কুঁইকুঁই করে কথা বলে, গোঁ গোঁ করে কথা বলে, ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে কথা বলে, হাউ হাউ করে কাঁদে, কাঁচুমাচু হয়ে বসে, খিলখিল করে হাসে, খুশিতে বাকুম বাকুম করে কথা বলে। এই শব্দ ব্যবহারের সাথে কোনো অপমানের কোনো সম্পর্ক নেই।

ধন্যবাদ।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সচলায়তন এর ছবি

s-s,
আপনার সচলায়তনের শ্লোগান নিয়ে এই অবমাননাকর এবং উস্কানীমূলক মন্তব্যের কারণে কেন আপনার একাউন্ট ব্লক করা হবে না - এই মর্মে কারণ দর্শানোর অনুরোধ থাকল। আগামী তিনদিনের মধ্যে এখানে মন্তব্যে অথবা contact এট সচলায়তন বরাবর যথাযথ কারণ দর্শাতে না পারলে আপনার একাউন্ট রহিত করা কিংবা অনুরূপ ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।

ধন্যবাদ।

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

ss এর ছবি

ধন্যবাদ,সচলায়তন।
কিন্তু তার আগে আমি জানতে চাই এটি ঃহিমুর সাথে বাকবিতণ্ডার পরপরই সচলের থেকে ইমেইল এলো কেন?
প্রথমতঃ সচলায়তনের কাছে আমি জবাব চাই এই মেইলটি হিমুর কাছ থেকে এসেছে কী'না। অথবা হিমু দ্বারা প্রভাবিত কী'না। কারণ সেও একজন মডারেটর।। যদি এটি সচল কর্তৃপক্ষীয় ইমেইল হয় তাহলে উপরের মন্তব্যে স্পষ্ট করে বলা আছে এটি কাকে কী ভাবে বলা। সচলকে ডিফেম করা যে উদ্দেশ্য নয় সেটি স্পষ্ট করে বলার পরেও আমার কাছে জবাব্দিহিতা চাওয়া হচ্ছে কেন?
এবং আমার ব্যাপারে যে মিথ্যাচার ও ডিফেমেশন হিমু করছে আমার অ্যাকাঊন্ট বন্ধ করানোর জন্য তাতে সচলের মডারেটদের সায় আছে কী'না।
আমি সিস্টেমের সততা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি,মডারেশনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি।
হিমুর মডারেশনের জোরে আমার অ্যাকাঊন্ট ব্লক হোক তা চাচ্ছিনা। সে জন্যই এটি জিজ্ঞেস করছি।
তারপর অবশ্যই উত্তর দিচ্ছি।
আমি উত্তর দিতে প্রস্তুত,কিন্তু অন্যায় মডারেশনের বলি হতে চাইছিনা।

হিমু এর ছবি

প্রিয় সচলায়তন, এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থায় না যাওয়ার অনুরোধ করি।

কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে গ্লানিকর ও হানিকর অভিযোগটি করা হয়েছে (আমি সচলদের কটাক্ষ করে কুৎসিত গল্প লিখি, যা সচলের নীতিমালায় বর্ণিত আইনবিরুদ্ধ), সেটির সপক্ষে প্রমাণ দেখানোর আহ্বান করছি। প্রমাণে ঐ ধরনের গল্পের লিঙ্ক, এবং কটাক্ষের শিকার সচলের নাম প্রকাশ করতে হবে। যদি যথাযথ প্রমাণ s-s এই পোস্টে দিতে না পারেন, আমি উদ্দেশ্যমূলক এবং উস্কানিমূলক ব্যক্তি আক্রমণের অভিযোগ জানাতে বাধ্য হব।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

s-s এর ছবি

এই মুহূর্তে সিরাতের নাম বিকৃত করে রিসাত নামে গল্প লেখার কথা মনে আসছে, সেটার উদাহরণ দিলাম। উস্কানি আমি কখনই দেইনি, ব্রং আপনি উপরের মন্তব্যে বল্লেন আমার কুঁইকুঁই করার কথা যেটি কুকুরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। আমি আপত্তি জানাচ্ছি গোটা মন্তব্যটিতে।

হিমু এর ছবি

সিরাতের নাম বিকৃত করে রিসাত করেছি এর মানে কী? রিসাত একটা প্রচলিত নাম। গল্পটার লিঙ্ক দিলাম আমিই, যাতে আপনার স্মরণশক্তিই শুধু এগজিবিট হয়ে না থাকে। এই গল্পটা যুদ্ধাপরাধীদের পরবর্তী জেনারেশনের প্রবাসে বসে অনলাইনে সক্রিয়তা নিয়ে লেখা, এবং কী ধরনের নাইভ কথাবার্তাকে তারা এন্টারটেইন করে ব্রেইনওয়াশের চেষ্টা চালায়, তা নিয়ে লেখা। এর মধ্যে ব্যক্তি সিরাত কতটুকু কটাক্ষের শিকার, কীভাবে আক্রান্ত, সেটা সবাই পড়ে দেখুক। এখানে উল্লেখ্য যে সিরাতকে তার পোস্টে ইংরেজি আর বাংলায় অত্যন্ত তীব্রভাবে আপনিও আক্রমণ করেছিলেন, তার ইংরেজি শব্দের আধিক্য আর শিবিরকে বেনিফিট অব ডাউট দেয়ার কারণে।

আপনি অভিযোগ করেছেন তিন বছরে আমি কতজন সচলকে কটাক্ষ করে কত কুৎসিত গল্প লিখেছি তা আমি নিজেও জানি না। আমি জানতে চাই, সেটা আপনি নিজে জানেন কি না। এই গল্পটি কোনদিক দিয়ে কুৎসিত, সেটাও জানতে চাই।

বাকি কুৎসিত গল্পগুলো কোথায়? লিঙ্ক দিন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মামুন হক হিমু নামটিকে উল্টিয়ে মুহি বানিয়ে দুই পর্বের একটি গল্প লিখেছিলেন আমার বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাকে কটাক্ষ করে। তিনি দ্রোহীর দাদাকে মলমবাজ বানিয়ে এবং দ্রোহীকে বানর বানিয়ে দুই পর্বের আরেকটি গল্প লিখেছেন সম্প্রতি। আপনি টুঁ শব্দ করেননি। আমি শুনতে চাই, এ ব্যাপারে আপনার কী মত।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

s-s এর ছবি

হ্যাঁ আমি তার কথার প্রতিবাদ জানিয়েছি,আর আপনি তাকে ভাঁড় বানিয়েছেন। আপনি সিরাতকে যা বলেছেন, সেটা তো সবাই দেখেছে, এখন কেন সাধু সাজবার চেষ্টা করছেন, অথবা আমার টূঁ শব্দ করা নিয়ে উদ্বেলিত হচ্ছেন? মামুন হকের আপনাকে নিয়ে করা গল্পটি পড়িনি, আর দ্রোহীকে নিয়ে করা গল্পটি তো তিনি নিজেই মুছে দিয়েছেন,তাহলে ঠিক কীভাবে পড়বো? আর আপনার নোংরামি মাদারচো আঁচড় কামড় টাইপের গল্পগুলো কি? সুন্দর? তারপর হ্যাশকারির গু নাংতি বেয়ে পড়ে বলাটা কি? ভদ্র? কথায় কথায় যেকোনো সময় লেখকদের বেশ্যার দালাল বলা যেখানে হাসান মোরশেদ লিখলেন ঘাতক বান্ধব সেটা কি,কুতসিত নয়? আপনার কন্টেন্ট নয় হিমু, বল্বার ভাষা ও ভঙ্গী নিয়ে বলছি। আপনার লেখা/ভাষা এই পরিমাণ ইতরামি ও কদর্যতার চর্চা করলেও তখনও আমি টুঁ শব্দ করিনি। কিন্তু আজকে জাস্ট বিয়ন্ড এভ্রিথিং এবং বিয়ন্ড এভ্রিবডি আপনার অ্যাটিচ্যুড দেখে বলেছি। না হ'লে সবসময়ই আপনার সাথে এই কুতসিত বক্যালাপে যেতে হত এবং আপনি আমাকে নিয়েঅ হয়তো কুতসিত একটি গল্প ফেঁদে বসতেন। হয়তো এখনও বসবেন এবং আরো কিছু মিথ্যা কথা বানাবেন, তাও না পারলে মডারেশন ডেকে এনে কলার ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বের করে দেবার হুমকি দেবেন। স্যরি, এ জন্যই আপনার সাথে আর কথা বলবো না। আমিওঃ আপনি যদি আমার কুঁইকুঁই করা এবং সুমন রহমানের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ শুধু ডিফেমেশ্নের জন্যই উপস্থাপন করেন সেটার জন্য ঊস্কানি ও নোংরামির জন্য আপনার বিরুদ্ধে ফ্ররমাল অভিযোগ আনবো। আমি আপনার সাথে আর কথা বলছি না, যদি না বাধ্য হই।

হিমু এর ছবি

আমি সিরাতকে নিয়ে কোনো গল্প লিখিনি, লিখেছি মাহিজাবিনকে নিয়ে। সে একটি কাল্পনিক চরিত্র। আপনার ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

"মাদার্চো-" গল্পটি একটি কল্পবিজ্ঞান গল্প, যেখানে আশারের ক্রোনোলজি নিয়ে একটা টুইস্ট আছে। এটিতে নোংরামি কোথায়? তাহলে গিবনের লেখা রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস কেন নোংরা নয়? ইদিপাস কেন নোংরা নয়? আপনার লেখা কবিতা "আদর" কেন নোংরা নয়?

"আঁচড়" আর "কামড়" গল্প দুইটা নোংরা? কেন নোংরা? আপনার বিদ্বেষকে জাস্টিফাই করার জন্য?

"হ্যাশকারির গু নাংতি বেয়ে পড়া"
কি অভদ্র? উত্তরবঙ্গে এটা একটা প্রচলিত প্রবাদ। আমি একজন শিক্ষিত, বয়স্ক মানুষের মুখ থেকেই এটি শুনেছি।

লেখকদের "বেশ্যার দালাল" বলেছি কোথায়, দেখান! আপনার কথা আমার মুখে গুঁজে দেবেন না! ভাড়া খাটা সাহিত্যিকদের সাহিত্যবেশ্যা বলা আমার উদ্ভাবন নয়। সাহিত্যগুণ্ডা আর সাহিত্যবেশ্যা শব্দ দু'টি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত, আপনি জানেন না সেটা আপনার জানার দীনতা।

আপনি আবারও আমাকে ইতর বলেছেন, এবং সেটি বিনা কারণে। ভাষার লালিত্য আমি আপনার চেয়ে কম জানি না, ভাষার কর্কশতাও আপনি আমার চেয়ে কম দেখাননি। সচলায়তনে কী ভাষায় লেখা হবে, এ ব্যাপারে যে গাইডলাইন আছে, আমি তা অতিক্রম করিনি। আপনি আমাকে যতবার ইতর ডেকেছেন আজ এই পোস্টে, ততবার আমি আমার কোনো লেখায় কাউকে ডাকিনি।

আমি আমার প্রতি s-s এর এই মাত্রাছাড়া অশালীন ব্যক্তি আক্রমণের দৃষ্টান্তমূলক প্রতিকার চাই।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

s-s এর ছবি

ধন্যবাদ,সচলায়তন।
কিন্তু তার আগে আমি জানতে চাই এটি ঃহিমুর সাথে বাকবিতণ্ডার পরপরই সচলের থেকে ইমেইল এলো কেন?
প্রথমতঃ সচলায়তনের কাছে আমি জবাব চাই এই মেইলটি হিমুর কাছ থেকে এসেছে কী'না। অথবা হিমু দ্বারা প্রভাবিত কী'না। কারণ সেও একজন মডারেটর।। যদি এটি সচল কর্তৃপক্ষীয় ইমেইল হয় তাহলে উপরের মন্তব্যে স্পষ্ট করে বলা আছে এটি কাকে কী ভাবে বলা। সচলকে ডিফেম করা যে উদ্দেশ্য নয় সেটি স্পষ্ট করে বলার পরেও আমার কাছে জবাব্দিহিতা চাওয়া হচ্ছে কেন?
এবং আমার ব্যাপারে যে মিথ্যাচার ও ডিফেমেশন হিমু করছে আমার অ্যাকাঊন্ট বন্ধ করানোর জন্য তাতে সচলের মডারেটদের সায় আছে কী'না।
আমি সিস্টেমের সততা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি,মডারেশনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি।
হিমুর মডারেশনের জোরে আমার অ্যাকাঊন্ট ব্লক হোক তা চাচ্ছিনা। সে জন্যই এটি জিজ্ঞেস করছি।
তারপর অবশ্যই উত্তর দিচ্ছি।
আমি উত্তর দিতে প্রস্তুত,কিন্তু অন্যায় মডারেশনের বলি হতে চাইছিনা।

সচলায়তন এর ছবি

সচলায়তন একাউন্টটি একটি সতন্ত্র মডারেটরের। এটি হিমুর দ্বারা প্রভাবিত নয়। একজন সচলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিত, হিমুর কোনরূপ প্রভাব ব্যতিরেকে, আপনার দ্বিতীয় মন্তব্য প্রকাশের আগে অথবা খানিক পরেই এই জবাবদিহী চাওয়া হয়।

সচলায়তনের মডারেটররা 'কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট' এবং 'সক পাপেটিং' এড়াতে অলিখিত ভাবে নীচের তিনটি বিষয় অনুসরন করেন:
১। নিজের ব্লগের মডারেটর নিজেই হন না
২। এক ব্লগে একাধিক ভূমিকায় অবতীর্ণ না হতে যথা সাধ্য চেষ্টা করেন
৩। গন্ডগোলের সুত্রে জড়িত থাকলে, মডারেটরদের আলোচনায় সক্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে চেষ্টা করেন।
৪। মডারেটর একাউন্ট থেকে তর্ক করে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন না।

আবারও উল্ল্যেখ করতে চাই যে এই সিদ্ধান্তে হিমুর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোন যোগসুত্র নেই।

উপরন্তু মডারেটরদের একাউন্ট তর্ক করে কাউকে বিনোদন দেবার জন্য নয়। এটা শুধু মাত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কার্যকর করার জন্য।

শীঘ্রই আপনার ফর্মাল উত্তর আশা করছি।

ধন্যবাদ।

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

s-s এর ছবি

ধন্যবাদ,সচলায়তন কর্তৃপক্ষ।আমি আপনার এই উত্তরের পরিপ্রেক্ষিতে ধরে নিচ্ছি এই অ্যাকাউন্টটি হিমুর মডারেশন ক্যাপাবিলিটি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়।
প্রথমেই আপনার ব্যাখ্যার জন্য ধন্যবাদ জানাই। যেহেতু হিমু বহু ক্ষেত্রে তার নিকেই মডারেটরসুলভ মন্তব্য করে থাকেন সে কারণে একজন সচল হিসেবে আমি নিরাপত্তার অভাব বোধ করেছি এবং তার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে চেয়েছি কারণ মডারেশনের বায়াস হলে পুরো প্রক্রিয়াটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আর আমি আপনার মন্তব্যটি দেখতে পেয়েছি আমার হিমুকে করা মন্তব্যের পরেই এর আগে মনজুরাউল নামে একজন ব্লগারকে বাগ্‌বিতণ্ডার এক পর্যায়ে হিমু এই ধরনের হুমকি দেয় এবং মডারেশন এর নাম দিয়ে তাকে বলা হয় না পোষালে সচল থেকে চলে যেতে। এছাড়াও হিমু অনেক সময়ে অনেকভাবে নানা অতিথি ও অন্যান্য সচলদেরকে না পোষালে চলে যান,কলহপ্রিয় হবেন না ইত্যাদি ধমক দেয়া অব্যাহত রাখেন। এ কথাগুলো আমার অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য বলা কারণ এই যে রঙিন মডু প্যানেল,তারা পূর্বের হিমু-অরূপ-মুর্শেদ-কনফুসিয়াস-সুমন চৌধুরীর কতটা প্রভাবমুক্ত সেটি বোঝা দরকার,যেটি একজন সচল হিসেবে আমার কাছে কখনই স্পষ্ট হয়নি। ইনফ্যাক্ট,কয়জন যে রঙ্গিলা মডু মানে কত রঙ্গের কয়জন সচলকে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজটি করছেন,সেটিও কখনো জানানো হয়নি। সুতরাং মডারেটরদের মধ্যে যেহেতু হিমুর কথাবার্তা নিয়ে আমার নিজেরই অস্বঃস্তি আছে, কারণ তার কথা যুক্তি আচরণ কিছুই আমার কাছে মডারেটরের মতো বা মডারেট লেভেলের মনে হয়না। একজন সচল হিসেবে যে শ্রদ্ধা আমি আশা করি,হিমুর মডারেশনে তার প্রতিফলন আমি দেখতে পাইনি। স্পেশ্যালি অতিথিদের সাথে তার আচরণ প্রায় সময়ই রূঢতা পেয়েছি, কিন্তু মডারেশনকে যে জানাবো, হিমুর নিজের হাতেই সে অভিযোগনামা যে পড়বে না তার নিশ্চয়তা কী,এই ভেবে আমি বহু বহু দিন চুপ ছিলাম।
আজকে "চিত্ত যেথা বোধশূন্য উচ্চ যেথা ইগো"সম্পূর্ণই তার প্রতি কটাক্ষবশতঃ তাকে ব্যাঙ্গ করে লেখা,কারণ দেখা যাচ্ছে ব্যাঙ্গ-বিদ্রূপের বিরুদ্ধে সচলায়তন,এমন কী সহ-সচলকে ব্যাঙ্গ করে বা কোন মানুষের নাম বিকৃত করে(হিমুই এটা সবচেয়ে বেশি করে)লেখা নিয়েও সচলায়তন মডারেট করেনা। বরং দ্রোহী নিজেই তার লেখার প্রতিবাদ জানান,আর মামুন হক সেখানে গিয়ে মাফ চেয়ে আসলে সেটা মিটমাট হয়ে যায়। তার মানে একজন যদি আরেকজনের দ্বারা আহত হন,আর সেটা যদি তারা নিজেদের মধ্যেই মিটমাট করে নিতে পারেন,তাহলে সচলায়তনের মডারেশন সহসচলকে করা ব্যাঙ্গবিদ্রূপপূর্ণ গল্পও আটকায়না। এখন আমার এই একটি বাক্য সচলে কোনোরকম অবমাননা বা উস্কানি কোনো কিছুর উদ্দেশ্যেই আমি দেইনি। হিমু যেরকম যখনতখন যা ইচ্ছা তাই তীব্র শ্লেষমূলক তীর্যক বাক্য মানুষকে বলে, সুবিনয়ের মন্তব্যে একমত প্রকাশ করার পর শুধুমাত্র সেই শ্লেষের একটি ছোট্ট অংশ হিমুকে দিলাম। হ্যাঁ, নীতিমালার কঠোর নীতিতে এটি হয়তো অপরাধ। কিন্তু হিমুর ক্ষেত্রে যেটি হরহামেশা স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয় সেটি আমি করলে কোনো একজন সচল হঠাৎ করে খুব "সেন্সেটিভ" হয়ে উঠবেন এটা অবশ্যই ভাবিনি। এখন যদি এটা দ্বারা সচলের প্রতি আমার অশ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়ে থাকে তাহলে সবিনয়ে বলছি সেটি মোটেও আমার উদ্দেশ্য ছিলোনা। সে কারণে সচলায়তনের প্রতি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।
কিন্তু হিমুকে বলা কোনো কিছুর জন্যই আমি দুঃখিত নই কারণ তার প্রতিমন্তব্যেই জানিয়েছি, হিমুর কোন্‌ জিনিসগুলোকে আমি উচ্চ ইগো বা বোধশূন্য বলে বিবেচনা করি।
এখন হতে পারে এটি সচলের আপ্তবাক্য, কিন্তু এটি নিয়ে যে ব্যাঙবিদ্রূপের জন্য মন্তব্যে ব্যবহৃত হওয়ার ক্ষেত্রে সচল কঠোর সেটা আগে কখনোই দেখিনি। সুতরাং সেটি একটি নতুন জিনিস জানলাম। সেটি পরিষ্কার করার জন্যও ধন্যবাদ।
আর আমার গত প্রায় তিন বছরের সচলের ব্যবহার, কথাবার্তা,মন্তব্যে আমি সবসময়ই চেষ্টা করেছি দৃঢ হতে কিন্তু নোংরামি না করতে। সুতরাং আমার পূর্বের রেকর্ড, অন্য সচলদের সাথে আমার মিথষ্ক্রিয়া এবং মন্তব্যের লগ দেখে মডারেশন প্যানেল যা ভালো মনে করেন, তা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
শেষে আবারও বলতে চাই, হিমুর আচরণের প্রতি আমার বিন্দুমাত্র সহানুভূতি নেই.কিন্তু এই একটি বাক্যের জন্য আমাকে যে মডারেশনের প্যানেলের সামনে দাঁড় করানো হলো, হিমুকে কতবার মডারেশনের সামনে দাঁড় করানো উচিত?
আমি বিনীতভাবে মডারেশন প্যানেলকে অনুরোধ করবো,পক্ষপাতিত্বের বশবর্তী না হয়ে আইনকে সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করতে।
তাতে যদি রায় আমার বিপক্ষেও যায় আমি তা মাথা পেতে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
ভালো থাকবেন।
বিনীত
এস-এস

স্বাধীন এর ছবি

সহমত। চলুক

বর্ষা এর ছবি

চলুক

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

অলৌকিক হাসান এর ছবি

অলৌকিক হাসান যখন আউট হইলো,

এভাবে লেখায় মনে হতে পারে অলৌকিক হাসানকে আউট করা হয়েছে। কিন্তু অলৌকিক হাসান নিজেই আউট হইছে। সচলে থাকার সময় মডারেশন নিয়া আমার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু একই নিয়ম সবার জন্য যখন থাকে না তখন আপত্তি জানাইতেই হয়।

অরূপের সঙ্গে আমার লাগছিল ডুয়েল পোস্ট নিয়া। রাগিব আর তীরন্দাজের পোস্ট ডুয়েল পোস্টের নিয়মের খড়্গে পড়ে না। আমি কাটা যাই। তাই সচলে নিজেরে রাখা জরুরি মনে করি নাই।

হিমু এর ছবি

সচলের লেখকদের স্বাধীনতা নিয়ে একটা ভুল স্বতসিদ্ধ থেকে আপনি আপনার মন্তব্য শুরু করেছেন। সচলায়তন মডারেটেড ব্লগ, কিন্তু সেই মডারেশন একজনের আক্রমণ থেকে আরেকজনকে রক্ষা করার জন্য। আমি যাতে একজন সুবিনয় মুস্তফিকে "মায়রে চুদি" বলে আক্রমণ করতে না পারি, সেই রক্ষাব্যূহ দেয়ার জন্যে। এখানে পাকিস্তানীরা রেড হেরিং না, খুব পরিষ্কার ভাবেই পাকিস্তানীরা মুখ্য অবজেকটিভ। একটু কষ্ট করে খুঁজে দেখাতে বলি, পাকিস্তানীদের ছাড়া আমার প্রায় পাঁচশো পোস্টে আর সাত হাজার কমেন্টে কাকে এই ভাষায় গালি দিয়েছি। আপনি একা না পারলে আরো কয়েকজনকে নিয়ে নামেন।

যার সাথে আলাপ, তার অনুমোদন না নিয়ে ব্যক্তিগত আলাপের রেফারেন্স দেয়া একটা অভদ্রতা, সেটা আপনি এতো বাল পাকানোর পরেও না শিখলে আমি আপনাকে শেখাতে যাবো না। তবে অন্য কারো কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন, যদি সেরকম কারো সাথে আদৌ পরিচয় থেকে থাকে।

আমার সৌজন্যবোধের ওপর আপনার আস্থা নাই জেনে ভালো লাগলো। সবাই আপনার মত নীরব, নেপথ্যে কলকাঠি নাড়া সুজন হলে তো সচলায়তনে লেখার লোকই পাওয়া যেতো না, সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়তো সচলায়তনে ফারুক ওয়াসিফকে ফিরিয়ে আনার জন্য দরখাস্ত লিখে সিগনেচার কালেকশন আর তলে তলে কীভাবে মডারেটর খ্যাদানো যায় সেই ফন্দিফিকির করে। তাই আমার মতো দুয়েকজন দুর্জনের উপস্থিতি সচলে মেনে নেন। আপনার মন্তব্য পড়ে দেখেন, যেখানে এস্কেলেশন আপনি দেখতে পান শুধু আমার রিয়্যাকশনে, অন্য কারো অ্যাকশনে না। বাথরুমে গিয়ে চোখ ধুয়ে আসলে ব্রডার পিকচার চোখে পড়বে। চোখ ভর্তি বিদ্বেষের কেতুর নিয়ে ব্রডার পিকচার দেখাতে আসে যারা, তাদেরকে শুধু মুখ ধুতেই বলতে পারি।

আমি কী রকম ব্লগ চাই, এই প্রশ্নটার উত্তর এই পোস্টে দেয়া আছে। প্রশ্নটা আপনি শেষ দুইটা পোস্টে করলে যথাযথ হতো, কিন্তু আপনি বোধহয় জনসংযোগে বিজি ছিলেন দেখে আর করার সময় পান নাই। আর কোনটা ঠিক আছে, সেটা সচলায়তনের মডারেটরদের জিজ্ঞাসা করবেন, আমার পোস্টে প্যানপ্যান করলে উত্তর পাবেন না।

আমার ধারণা, আপনার প্রকাশ্যে অনেক কিসুই বলার নাই। কারণ সবাই সেটা করতে পারে না।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি

ফারুক ওয়াসিফ-কে ফিরায় আনার অনেক চেষ্টা করসি, এইটা বলতে আমার এতটুকু সংকোচ নাই। কাজ হবে জানলে এখনও করতাম।

কপাল যে ওনার বদলে তোমার মত পাবলিক সচলে রয়ে গেছে। থাকো বাবা তুমি তোমার শাদদাদের বেহেশতে।
-------------------------
হাজার বছর ব্লগর ব্লগর

হিমু এর ছবি

আপনার এই ফেটিশ চরিতার্থ না হওয়ার কারণে আমি বড়জোর দুঃখ প্রকাশ করতে পারি। আর ফারুক ওয়াসিফকে আপনি সচলে তাঁর লেখার গুণের জন্য চান, নাকি তাঁকে সামনে রেখে আপনার বিবাদগুলো তাঁকে দিয়ে করিয়ে নিতে চান, সেটা আমার কাছে আজও স্পষ্ট হয়নি। আপনি যেভাবে গর্ত থেকে সময় বুঝে বেরোন, তাতে মনে হয়, ফারুককে ঐ বিবাদসঞ্চালনের জন্যেই আপনার প্রয়োজন ছিলো। অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি করার কী দরকার, যেখানে সবাই নিজের বগলে বন্দুক নিয়ে গোলাগুলি করতে পারে? এই হিম্মত না থাকলে আর ব্লগিং করতে আসা কেন?

আবার কবে এমন জমজমাট গ্যাঞ্জাম লাগবে জানি না। সেদিন আবারও গোলাপী মেঘ থেকে হার্প হাতে নেমে আপনার বাল পাকার গল্পের পাশাপাশি ব্রডার পিকচারের ম্যাটিনি শো দেখাতে নামবেন, এই আশা বুকে নিয়ে আপনার সাথে বাক্যালাপ শেষ করার খায়েশ ব্যক্ত করছি। তবে আপনি উত্তর দিলে, আমার যেটা স্বভাব, হয়তো আবার কিছু বলবো।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

লাল-মডু এর ছবি

সুবিনয় মুস্তফী, ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের উদ্দেশ্যে সচলায়তনের মডারেশনের বিরুদ্ধে বৎসরাধিককাল অন্তরালের রাজনীতি, জনসংযোগ ও গোষ্ঠীবদ্ধ আক্রমণে নেতৃত্বদানের জন্যে আপনার অ্যাকাউন্টটি ৬ মাসের জন্যে মডারেশনের আওতায় আনা হলো। ভবিষ্যতে এ কাজের পুনরাবৃত্তি ঘটলে আপনার বিরুদ্ধে কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিস্তারিত জানতে চাইলে এখানে দেখুন।

নাশতারান এর ছবি

তর্ক করতে করতে আমরা আসলে কী নিয়ে তর্ক করছি সেটাই ভুলে যাই মাঝে মাঝে। "পাকি"দের কেন গালি দেওয়া হলো সেটাই কি প্রশ্ন ছিলো? নাকি কেন "গালি" দেওয়া হলো? ডান হাত দিয়ে ভাত খাবো নাকি বাম হাত দিয়ে এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি দাঁড় করানো যায় যার কোনোটাই আসলে যুক্তি না। শেষমেষ এটা একান্তই ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপার। প্রকাশ্যে খিস্তি করা নিয়ে একেকজনের একেকরকম সংবেদনশীলতা নিয়েই বিবাদটা শুরু হয়েছিলো। কেউ গালি দেবেন, কেউ দেবেন না। সবার সংবেদনশীলতা যেহেতু কোনোদিনও একরকম হবে না তাই এই তর্কও কোনোদিন থামবে না যদি না আমরা থামতে চাই। পোস্ট সরানোটা ভালো লাগছে না মোটেও। কিন্তু এতে যদি এই তর্ক থামে, তবে তা-ই সই।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

অতিথি লেখক এর ছবি

হিমু ভাই,

আপনার লেখা পড়তেই আমার সচলে আসা। এই পোস্ট সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারটি পছন্দ হলোনা। আপনি আপনার কথা আপনার মতো করেই বলবেন, সমালোচনা হলে জবাব দিবেন, কিন্তু পোস্ট সরিয়ে নেয়াটা অশুভ লক্ষণ। এই বিষয়ে আমিও দ্রোহীদার সাথে একমত।

নবীন পাঠক

shahriarsajib@gmail.com

রেনেট এর ছবি

হিমু ভাইয়ের সাথে নিকট অতীতে বেশ কয়েকবার বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ার কারনে ইচ্ছে করেই অনেকদিন আর কোন তর্ক-বিতর্ক করি না। এখনও করার ইচ্ছা নেই। তবুও দু'কথা বলিঃ

এই পোস্ট পুরাই বেহুদা। জনাব হিমু তার পোস্ট সরিয়েছেন কি সরান নি, তা একটি আলাদা পোস্ট হয়ে প্রথম পাতায় ঝুলছে।

কেন?

লেখকের নাম হিমু না হলে আমি নিশ্চিত কোন না কোন মডু এসে পোস্টটি সরিয়ে নিত...(যথাযোগ্য কারণ দেখিয়ে...কারন নিজেদের আইনের পিছনে যুক্তি দেখাতে কর্তা ব্যাক্তিদের কখনই যুক্তির অভাব হয় না)

আর কোন কথা না বাড়াই...এই পোস্টটি কেন প্রথম পাতায় ঝুলবে, তা মডুদের কাছ থেকে জানতে চাই।

ধন্যবাদ।

(অপ্রাসঙ্গিকঃ একতারাটি আমার দেয়া)

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

সুরঞ্জনা এর ছবি

বেশ তো, আপনার আপত্তিটাও 'আপত্তি' জানিয়ে প্রকাশ করলেও হতো।
মডুরা কি করছেন সে বিষয়ে মডুদের সরাসরি জিজ্ঞাসা করাই ভালো, কন্ট্যাক্ট অ্যাট সচলায়তন তো রয়েছেই।

অন্যের ব্যাক্তিগত ক্ষোভের প্রকাশ যেখানে অপছন্দ করছেন, সেখানে নিজের ক্ষোভ জানান দিয়ে যাওয়া খুব একটা ভাল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে না।
............................................................................................
জগতে সকলই মিথ্যা, সব মায়াময়,
স্বপ্ন শুধু সত্য আর সত্য কিছু নয় ।

............................................................................................
এক পথে যারা চলিবে তাহারা
সকলেরে নিক্‌ চিনে।

রেনেট এর ছবি

১। "কন্ট্যাক্ট অ্যাট সচলায়তন" ছাড়া মডুদের কাছে প্রশ্ন রাখা যাবে না, এমন আপত্তির কথা কখনও শুনিনি।

২। অন্যের ব্যক্তিগত ক্ষোভ কুশল জিজ্ঞাসার মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি। "পোস্ট মুছে দিলাম" টাইপের আলাদা পোস্ট প্রথম পাতায় সচলায়তনে উৎসাহিত করা হয় না বলেই জানি। অবশ্য নিয়ম সবার জন্য সমান না হয়ে থাকলে ভিন্ন কথা।

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

স্পর্শ এর ছবি

পোস্টের শিরোনাম "দু'টি পোস্ট সরিয়ে নিলাম" হলেও এই পোস্ট একই সঙ্গে বিগত কিছুদিন ধরে এই লেখকের লেখা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে সে বিষয়ে নিজের 'হার' ঘোষণা করেছেন।

এই বিতর্কের ভলিউম এতটাই বড় ছিলো যে এই হারও এরকম জোরে শোরে একটা বড় পোস্ট দিয়ে ঘোষণা করা ঠিকই আছে।

পোস্ট মোছা ছাড়াও এই যে বাড়তি তথ্য সেটা, আগের 'বিতর্ক পোস্ট' গুলো প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়ে থাকলে, এটাকেও প্রথম পাতার দাবিদার করে।
বুঝলেন?


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

হিমু এর ছবি

আমার ধারণা, মডুরা যে কারণে মুমুর জন্মদিনে করা তোমার এক লাইনের অখাদ্য পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরায়নি, সেই একই কারণে আমারটাও সরায়নি। তবে এটা নিতান্তই ধারণার কথা বললাম, আশা করি কোনো মডু এসে তোমার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিয়ে যাবেন।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

রেনেট এর ছবি

যে পোস্টের রেফারেন্স দিলেন, সেটি যখন প্রকাশিত হয়েছিল, তখন টুঁ শব্দটি করেন নি (ভদ্রতা করে?)...আজ আপনাকে খোঁচা দেয়াতেই কি এই পালটা আক্রমন?
---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

হিমু এর ছবি

না রেনেট, আমি তো ভদ্রলোক না। তোমার ঐ পোস্টের প্রথম পাতায় ঝোলা নিয়েও আমার কোনো আপত্তি ছিলো না, কিংবা এখনও নেই। কিন্তু একটা পোস্ট কখন প্রথম পাতায় ঝুলতে থাকার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলবে, এ প্রশ্নটা খুব চিন্তা ভাবনা না করে নিছকই ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে ফস করে করার অভ্যাসও আমার নাই, যত বড় চামারই হই না কেন।

তোমাকে তোমার নিজের উদাহরণ দেয়ায় কি তুমি আক্রান্ত বোধ করলে? করে থাকলে দুঃখিত। তবে তুমি যেহেতু স্বীকার করলে, তুমি আমাকে আজ খোঁচা দিয়েছো, আমি কি জানতে পারি, এই খোঁচা তুমি কেন দিলে? তোমাকে কখনও অতীতে খুঁচিয়েছি বলে মনে করতে পারি না। কোনো গোষ্ঠীগত দায় চোকানোর জন্যে কি? নাকি নিছক বিনোদনের জন্যে? তুমি কি এখনও বিনোদিত বোধ করছো?

খোঁচাখুঁচি ভালো না রেনেট। একবার শুরু করলে বাড়তে থাকে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

রেনেট এর ছবি

আমি আর কথা না বাড়াই। ভালো থাকবেন।
---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

হিমু এর ছবি

রেনেট, একটু ওপরে তাকাও। যখন কিছু প্রশ্নের উত্তর দিলে পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে যায়, তখন কথা সামান্য বাড়ালে ক্ষতি কী?

তুমি বলেছো,

হিমু ভাইয়ের সাথে নিকট অতীতে বেশ কয়েকবার বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ার কারনে ইচ্ছে করেই অনেকদিন আর কোন তর্ক-বিতর্ক করি না। এখনও করার ইচ্ছা নেই। তবুও দু'কথা বলিঃ

তারপরে তুমি বলছো, তুমি আমাকে খোঁচা দিয়েছো।

ব্যাপারটা তাহলে এমন, তুমি খোঁচা দিতে চাও, কিন্তু তার কোনো প্রত্যুত্তরের মুখোমুখি হতে তুমি অনিচ্ছুক। কারণ তাহলে তোমার ভাষায় "তর্ক-বিতর্ক" হয়। এই যে একপাক্ষিক খোঁচা দিতে আসা, একে কি আমি ব্যক্তি আক্রমণ হিসেবে ধরে নিতে পারি? তোমার সাথে আমার কখনো সামনাসামনি দেখা হয়নি, কোনো মতাদর্শিক পার্থক্য নেই, বড় কোনো মতানৈক্য নেই, এবং আমি খুব দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে সচলায়তনে তোমাকে কোনো পোস্টে বা কমেন্টের উত্তরে আমি এই এক তরফা খোঁচা দিয়ে কিছু বলিনি। তারপরও তুমি কেন খোঁচা দিতে এলে? এটি কি তোমার কোনো গোপন দ্বেষকে চরিতার্থ করার জন্যে? নাকি তুমি কোনো একটি গোষ্ঠীর গোপন দ্বেষ চরিতার্থ করার ক্রিয়াটি সাধন করতে এলে? এই যে খোঁচাতে এলে, এর সুবিধাভোগী তো তুমি নিজে নও [দেখতেই তো পাচ্ছো], আমিও নই। সুবিধাটা তাহলে কে বা কারা ভোগ করছে রেনেট? তোমার ঘাড়ে বন্দুক রেখে কি কেউ গুলি করছে?

আমি তোমাকে কোনোভাবে আহত করতে চাই না, কিন্তু আমি একপাক্ষিক খোঁচায় বিশ্বাসী নই। আর আমাদের প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু ত্রুটি আছে, আমরা কেউ নিখুঁত তো নই। তুমি আমার ত্রুটি ধরিয়ে দিতে এলে কেন নিজের ত্রুটির কথা বিস্মৃত হও? আর সেটাকে ধরিয়ে দিতে গেলে কেন আক্রমণ নাম দাও, যখন তুমি নিজেই প্রক্রিয়াটার উদ্যোক্তা?

তুমি খুব ঠাণ্ডা মাথায় এই প্রশ্নের উত্তরগুলো ভেবে দেখ।

আর একটা জিনিস, তোমার অভিযোগের পর মডারেটররা পোস্টটিকে কিন্তু প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেখতে পাচ্ছি। কাজেই একটু ভরসা রাখো তাদের ওপর, কথায় কথায় তাদের শো-কজ না করে একটা মেইল করলেই তো কাজ হয়ে যায়। যদি তারা তোমার যুক্তি মেনে না নেয়, সচলে গলা ফাটালেও তো লাভ হবার কথা না, তাই না? আর আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে, তুমি যদি অনুরোধটা আমাকে করতে, আমি শুনতাম নিশ্চয়ই। পোস্টটা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তাই হয়তো মুর্শেদের অনুরোধটা যথাসময়ে রাখতে পারিনি। মডারেটরের হাতে আমাকে কানমলা খাওয়ানোর দরকারও তোমার ছিলো না হাসি

ভালো থাকো।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

কালো-মডু এর ছবি

এই পোস্টটি কেন প্রথম পাতায় ঝুলবে, তা মডুদের কাছ থেকে জানতে চাই।

ভবিষ্যতে কোনো কিছু জানতে চাইলে মডারেটরদের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে, তা জানতে চাইলে এখানে দেখুন। কোনো পোস্টে আপনার ব্যক্তিগত কৌতূহলের নিবৃত্তির জন্যে মডারেটরদের তলব করলে আপনার অ্যাকাউন্ট ৭ দিনের জন্যে মডারেশনের আওতায় আনা হবে।

সাফি এর ছবি

গ্যালারি নিশ্চয়ই এতক্ষণে আলুপোড়াখেকোতে ভরে গেছে, কে আছিস ভাই একটু লবণ দিয়ে যা

নজরুল ইসলাম এর ছবি

সচলায়তনের পরিবেশ সুস্থ আর সুন্দর থাকুক
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

পাকিস্তানীদের দেয়া গালিকে 'সকলে' ব্যক্তিগতভাবে নিচ্ছে কোথায়? অধিকাংশ পাঠকই তো তাকে সমর্থন জানালো। তাইলে এই পোস্ট সরিয়ে নেয়ার মাজেজা কি? গালি দেয়াটা ভুল ছিলো সেটা প্রমাণ করা?

আগের দুইটা পোস্ট ফিরে আসুক। আর এই পোস্ট প্রথম পাতায় থাকার যোগ্য কিনা মডুরা বিবেচনা করে দেখবেন। পোস্টে একতারা।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

হিমু এর ছবি

গালি দেয়া ভুল ছিলো না, তবে গালি দেয়া নিয়ে যে সেকেন্ডারি টার্শিয়ারি বিবাদ ফেনিয়ে উঠেছে, সেটা দেখতে ভালো লাগছিলো না, তাই পোস্ট সরিয়ে নিলাম। পোস্ট সরিয়ে নেয়া মানে ভুল স্বীকার করা নয়, তিক্ততার উপলক্ষ্য হতে না চাওয়া।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

রণদীপম বসু এর ছবি

কিছু কিছু পোস্টকে কেবল পোস্ট বা লেখা হিসেবে দেখলে হয় না। ওগুলো আয়না হয়ে আমাদের সামনে আসে। আমাদের যাদের অনেক সময়ই নিজেকে ফিরে দেখার সময় হয়ে ওঠে না, তারা ওই আয়নায় নিজেকে দেখার একটু সুযোগ পেয়ে যাই। ফিরে দেখি নিজেকে, ব্যবচ্ছেদ করি। একটা আকস্মিক অভিঘাতের মাধ্যমে আমাদের অজানা নিজেকে আবিষ্কার করি।

পাঠক যখন তার মন্তব্য-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে লেখককে ব্যবচ্ছেদ করেন বলে কথিত হয়, তখন কি আসলে শুধুই লেখককে ব্যবচ্ছেদ করেন, না কি ব্যবচ্ছিন্ন নিজেকেও উপাস্থপন করেন ? অভিঘাত যত তীব্র হয়, ব্যবচ্ছেদ প্রক্রিয়াটাও তত জোরালো হয়। এই ব্যবচ্ছেদ প্রক্রিয়ার মধ্যে যে যৌক্তিক ও অযৌক্তিক বিষয়টার দ্বন্দ্ব সামনে চলে আসে তাতে নিজেদের পুনঃ পুনঃ সরব উপস্থিতির মাধ্যমে আসলে আমরা নিজেকেও উপস্থাপন করি- আমাদের অবস্থান কী। একটা আয়না সরিয়ে নেয়া মানে আমাদের নিজেদের আবিষ্কারের একটা প্রক্রিয়া সরিয়ে নেয়া। এখানে আমরা এতগুলো আত্মস্বীকৃত শিক্ষিত সচেতন সাবালক মানুষ যদি নিজেদের ভাব বিনিময় করার যোগ্যতা রাখি বলে মনে করি, তাহলে আয়নার সামনে আতঙ্কিত হওয়ার তো কিছু দেখি না ! বরং ওই আয়নাটাই আমাদের নিজেদেরকে চমৎকার সুযোগ করে দেয়- আমরা কতোটা উন্মুক্ত হচ্ছি তা দেখার, বুঝার। আমাদের উন্মুক্তি আসলে আমরা কিভাবে কতোটা ধারণ করবো।

আর তাই হিমুর ওই দুটো পোস্ট সরিয়ে নেয়াকে আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারি না। রাজর্ষি দা'র সচলভাষা-১ এর আলোচনাকে যেমন আমি এপ্রিশিয়েট করি, যদিও আমি আমার নিজস্ব অবস্থান সেখানে মতামত আকারে উপস্থাপন করেছি। তেমনি হিমুর বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন দুটো নমুনার পাশাপাশি অবস্থান দেখে আমি দারুণ চমৎকৃত হয়েছি- একটি শিব, আরেকটি বানর। খুব সচেতনভাবেই হিমু তা করেছেন, যা অনেকেই পারে না। অত হাইপোথিটিক্যাল আলোচনায় না গিয়ে উদাহরণ তৈরির জন্য স্বেচ্ছায় বানর গড়ায়ও হিমু যে ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছেন তা-ই আমি পাঠক-প্রতিক্রিয়ায় হতাশার মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করেছি। ওখানে হিমু কি এই পাঠককে ভুল বুঝেছিলেন, না কি ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচনা টেনে লম্বা করতে চেয়েছিলেন সেটা রহস্য হয়েই থাকুক।

তবে হিমু তাঁর পোস্ট সরিয়ে যেমন নিজের লেখক স্বাধীনতাকে খর্ব করেছেন বলে আমার ধারণা, তেমনি একজন সচল-ব্লগার হিসেবে আমার স্বাধীনতাকেও ক্ষুণ্ন করেছেন বলে মনে করি। কারণ আমি এখনো স্পষ্ট নই সচল-ভাষায় কোনটা শ্লীল কোনটা অশ্লীল। এই আপেক্ষিক শ্লীল-অশ্লীলতার সংজ্ঞা নিরুপণ কি হয়ে গেছে ? এই গত রাতে 'অশ্লীল' শিরোনামে আমি ছোট্ট একটি গল্প লিখে শেষ করেছি যেখানে বাস্তব-সঞ্জাত চরিত্রের উপযোগী ভাষাকে কোন রাখঢাক ছাড়াই ব্যবহার করা হয়েছে। ওই অকৃত্রিম সংলাপগুলোই গল্পের শক্তি ও প্রাণ এবং মূল থিমও। গল্পকার হিসেবে নিজেকে সফল প্রমাণ করার ক্ষমতা আমার নেই, কিন্তু আমি দ্বিধাগ্রস্ত তা সচলে পোস্ট করতে পারবো কিনা।

আপাতত ওটা আমার ব্যক্তিগত ব্লগ-সাইটে তুলে রাখবো হয়তো। কিন্তু সচলায়তনের মতো প্রাগ্রসর মুক্তচিন্তক প্ল্যাটফরমে আমার দৃষ্টিতে একটা নির্ভেজাল শিল্পকে তার তুল্যমূল্য যাচাই করতে উপস্থাপন করতে পারবো কিনা এই ভাবনাটা আমার জন্যে যেমন লজ্জার, তেমনি অপমানেরও।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

হিমু এর ছবি

রণদা, গল্পটা এখনই সচলে পোস্ট করুন। সংশয়ে সংকল্প টলে গেলে তো মুশকিল। বিলম্ব না করে পোস্টান।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

রণদীপম বসু এর ছবি

ধন্যবাদ হিমু।
সেটা চেষ্টা করছি। তয় নেটের স্পীড এ মুহূর্তে খুব কম দেখছি। দেখা যাক কী হয়। তবে অনুরুদ্ধ হয়ে পোস্ট দেয়ার বিষয় হয়তো আমার মন্তব্যের পয়েন্ট ছিলো না। মূল প্রশ্নটাতে এসে কেন যেন আমরা সবাই গুলিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক্, পোস্ট ছাড়ি।

আর যুদ্ধের পাশাপাশি পাণ্ডুলিপির কাজ করছেন তো ? আমি কিন্তু আশাবাদী একদিন আপনার অন্যান্য বইয়ের সাথে 'বোকাদের পদ্য'ও বই আকারে পাবো।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

স্পর্শ এর ছবি

মন খারাপ
স্বাধীনতা আর সীমালঙ্ঘন এর পার্থক্য যারা বোঝে না তাদের কথায় আহত হয়ে লেখা সরিয়ে নিলেন? বিপন্ন বোধ করছি।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

নাশতারান এর ছবি

"স্বাধীনতা আর সীমালঙ্ঘন এর পার্থক্য যারা বোঝে না" কথাটা অনেকটা "বেশ কিছু অন্ধলোকের কড়া নাড়া "র মতো হয়ে গেলো না? এই পারস্পরিক আক্রমণের চক্রটা থামানো কি একেবারেই সম্ভব না? এখন থেকে কি আমরা সবাই এমন মিষ্টি মিষ্টি পরিশীলিত গালি দেবো?

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

স্পর্শ এর ছবি

'স্বাধীনতা' আর 'সীমালঙ্ঘন' কে গুলিয়ে ফেলা খুবই সহজ। সেটা ঘটেছে এবং সেটাই বলেছি।
কারো কোনোরকম অক্ষমতাকে কটাক্ষ করিনি কিন্তু। হাসি


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

নাশতারান এর ছবি

বেশ। এ নিয়ে বরং আর কোনো তর্কে না যাই। হাসি

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

আব্দুর রহমান প্রবাসী এর ছবি

আমার সরাসরি কথা অনেকের হয়তো পছন্দ হবে না বা এই মন্তব্য মডারেশন পার হয়ে আসবে বলেও মনে হয় না।

যে যাই বলুক, সচলায়তনের পরিবেশ আগের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ নাই। পক্ষ-বিপক্ষ আগেও অল্পস্বল্প ছিলো, এখন তা স্পষ্ট গ্রুপিং-এ পরিণত হয়েছে । অধিকাংশ সক্রিয় সচল ও হাচল কে কোন গ্রুপে আছে, তা প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। ঝগড়াঝাটি বা বিতর্কের সময় এই বিভাজন প্রকট হয়ে ওঠে। ব্যক্তি আক্রমণ করা ঠিক না বললেও সব গ্রুপিংই আসলে হয় কোনো ব্যক্তি বিরোধী (সে যেটাই করুক, তক্কে তক্কে থাকে সেই গ্রুপ, কখন তাকে ঘায়েল করা যায়) অথবা কোনো ব্যক্তিকে ঘিরে (সে যেটাই বলুক বা করুক, সেটাকে সেই গ্রুপ চোখমুখ বন্ধ করে সমর্থন জুগিয়ে যাবে)। এমন অবস্থায় পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় সুস্থ থাকবে বলে ভরসা হয় না। সচলের নিয়মিত পাঠক হিসেবে আমার জন্য এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। বাঙালিরা একসাথে সুখে-শান্তিতে থাকতে শিখলো না।

হিমু এর ছবি

আপনার এই আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হবে শীঘ্রই, এমনটাই আশা করি। আপনাকে তো নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে ঢুকতে দেখেছিলাম, আপনি সেটি ব্যবহার করেই পোস্ট আর মন্তব্য করেন না কেন?



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

রণদীপম বসু এর ছবি

না ভাই, আপনার সাথে আমি একমত হতে পারছি না। এখানে হয়তো আপানি আমাদের কলমযুদ্ধটাই দেখেন, ব্যক্তিজীবনটা দেখার সুযোগ হয়না বলে এমনটা ভাবছেন। আমাদের মধ্যে যখনই যার দেখা হয় একসাথে চা-বিড়ি ফুঁকি আর চুটিয়ে আড্ডা মারি এখনও। আমাদের সচল-বন্ধুদের কলমের মাহাত্ম্য এখানেই। এই ভার্চুয়াল যুদ্ধে বিভ্রান্ত না হওয়াই বোধকরি সংগত হবে। এখানে যতই যুদ্ধ করি, ব্যক্তিগত সম্পর্কে একটু আঁচড়ও পড়ে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

সংসপ্তক এর ছবি

মন খারাপ
.........
আমাদের দূর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

.........
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

দুর্দান্ত এর ছবি

শুরুতেই পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণা বোঝাতে গালাগাল দেবার দরকার ছিল না। এর পরের কথা কাটাকাটিগুলোর ও দরকার ছিল না। আগের পোস্টদুটো সরিয়ে নেবারও দরকার ছিল না। এই পোস্টটিরো কোন কারন নেই।

হিমু এর ছবি

এই কারণেই আপনি পাকিদের গালি দেন নাই। এ কারণেই আপনি পরে কথা কাটাকাটি করেননি। এ কারণেই আপনি আগের দু'টো পোস্ট দেননি বা সরাননি। এবং এ কারণেই এ পোস্টটি আপনি লেখেননি।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

অতিথি লেখক এর ছবি

হিমু ভাই, আপনি ভুল ভাবছেন। পাকিস্তানিদের দেওয়া গালিকে কেউ ব্যাক্তিগতভাবে নেয়নি। পোস্ট সরিয়ে ভালই করেছেন।
আপনার জন্য রইল শুভকামনা।।।।।।।

স্পর্শ এর ছবি

১) সচলায়তন একটা মডারেটেড ব্লগ। এখানে আমরা যারা লিখতে আসি আমরা কিছু নীতিমালা মাথায় রেখেই আসি।

২) হিমু ভাইয়ের লেখাটা 'অশ্লীলতার দায়ে' অভিযুক্ত হওয়ার পরে এখানকার মডারেটররাই বলেছেন যে সেটা 'অশ্লীলতা' হিসেবে গন্য হয়নি।

৩) ব্যক্তিগত ভাবে আমার মাথায়ও অশ্লীলতার যে সংজ্ঞা সেটার সাথে এখানকার মডারেটরদের ভাষ্যে মিল পাই।

৪) এবং এই মিল পাই বলেই আমি এখানে একজন 'সচল'।

লেখকের কন্ঠ চেপে ধরতে যারা উদ্দত হয়েছেন তারা একেক জন একেক কারণে সেটা করেছেন বলে মনে হয়ছে। যেমন-
ক। পাকি হোক আর যা হোক 'মায়ের সাথে ওটা করতে চাবে'! (এই দল গালির সব 'শালা'কে স্ত্রীর ভাই মনে করে)
খ। এ দেখে দলে দলে কাল থেকে সবাই 'গালিগালাজ' শুরু করবে! (এ দল সহসচলদের 'সেন্স' নিয়ে সন্দিহান)
গ। আমার আব্বু-আম্মু-সন্তান এটা দেখলে আমাকে খারাপ ভাববে? (এই দল সিম্পলি বিরক্তিকর)
ঘ। আমি এধরণের গালি দেখে অভ্যস্ত নই আমার 'অনুভুতিতে আঘাত' লেগেছে। ( অনুভুতিতে আঘাত লাগার কারণে কন্ঠরোধ করা এরা সাপোর্ট করে [facebook কেস])
...
এরকম আরো কিছু। সবাই যে এসব আশঙ্কা/আপত্তি সবগুলোই এক সাথে করেছেন তা কিন্তু নয়।

এবং আমার জানা প্রয়োজন শেষ পর্যন্ত কোন কোন আশঙ্কা জয়যুক্ত হলো?

নাহলে আমিও আমার কন্ঠরোধ করা হচ্ছে বলেই মনে করব।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

দুর্দান্ত এর ছবি

স্পর্শ, এই পোস্ট এ আপনার মন্তব্যগুলোতে আপনার আবেগের তাপ যতটা বোঝা যাচ্ছে, আপনার আসল বক্তব্যটি ততটা পরিস্কার বুঝতে পারছি না। আপনার নিজস্ব বক্তব্যটি কি?

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

বস, স্পর্শের মন্তব্যে তো আমি আবেগের চেয়ে ফ্যাক্ট বেশি পাচ্ছি।
অফটপিক: ঘৃণা জিনিসটা কি সবসময়ই পুরোপুরি আবেগের?

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

দুর্দান্ত এর ছবি

বলাইদা, আমার তো মনে হয় ঘৃণা শুধুই একটি আবেগ।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

দুর্দান্ত ভাই, অন্যদিকে আমার কাছে ক্ষমা, ঘৃণা, ভালোবাসা এগুলা শুধুই আবেগ নয়, অনেক সময়ই যৌক্তিক প্রয়োজন। যেমন, একজন আমার সাথে প্রচন্ড অন্যায় করলো, সে অন্যায়ের জন্য কোনোস শাস্তি পেলো না এবং সুযোগ পেলেই অন্যায়টা সে আবার করবে, এক্ষেত্রে তাকে ঘৃণা করাটা আমার জন্য একটা প্রয়োজন, যেটা অন্যায়ের বিচারের জন্য একটা গাইডিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং ভবিষ্যতেও সে অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করার আগে সাবধান করে দিবে।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

দুর্দান্ত এর ছবি

এভাবে বললে তো আমার কথা ফিরিয়ে নিতে হয়। আপনার সাথে আমি একমত।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

হাসি

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

আলমগীর এর ছবি

যখন প্রতিশোধ নেয়ার কিংবা প্রতিবাদ জানানোর উপায় থাকে না, ঘৃণা একমাত্র করণীয়।

স্পর্শ এর ছবি

যদিও আমার মনে হচ্ছে আমার বক্তব্য স্পষ্ট এবং কয়েক যায়গায় আমি ২২ সাইজের ফন্ট ব্যবহার করেছি এবং একদম পয়েন্ট দিয়ে দিয়ে মন্তব্য করেছি,
তারপরও, কোন কোন পয়েন্ট বা কোন কোন পয়েন্টের উদ্দেশ্য আপনার কাছে অস্পষ্ট সেটা বলুন। অথবা,
ক,খ,গ,ঘ... এই চারটি পয়েন্টের এক বা একাধিক পয়েন্টে টিকক দিন। এর বাইরে কোনো পয়েন্ট থাকলে সেটাও বলুন। তারপর আমি বোধগম্য ভাষায় সেটা বুঝিয়ে বলব। হাসি


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

দুর্দান্ত এর ছবি

ডুপ্লি ঘ্যাঁচাং

দুর্দান্ত এর ছবি

@ স্পর্শ, অনেকদিন আগে ছাত্র ছিলাম, তাই পয়েন্ট দিয়ে ও বড় করে কি লিখলেন, সেটা বুঝতে পারছি না। আপনি আরো সহজ করে বলুন। একদম গোড়া থেকে।

দুর্দান্ত এর ছবি

ডুপ্লি ঘ্যাঁচাং

আলমগীর এর ছবি

আমি নিজে গালি দিই না মানে আমি গালি পড়ি না তা না। তাই গালি বিষয়ে নিজের মতটুকু বলতে চাই। সচলায়তন যদ্দিন থেকে পড়ি গালি দেখেছি, অশিষ্ট শব্দও দেখেছি। প্রেক্ষাপট বিচারে প্রায় সবময়ই আমার বেঠিক কিছু মনে হয়নি। যে দু'এক স্থানে মনে হয়েছে, তা স্পষ্ট করে বলেছি। বরাহ বা ছাগু আমার বিবেচনায় কোন গালি নয়। এ'দুটো শব্দ নিয়ে মনে হয় অনেকের অস্বস্তি আছে।

লেখকের স্বাধীনতা আছে, সেটার অপপ্রয়োগ ঠেকাতে মডারেশন আছে। দেখা যাক বা না যাক মডারেটরদের কাজের সুফল ভোগ করি। আমি অন্তত মডারেটর বিহীন কোন সাইটে কিছু লিখব না, পড়বও না।

আমার বিশ্বাস সচলায়তনের সদস্য এবং পাঠকদের ম্যাচু্উরিটি আছে। সবার সব বিষয় বা প্রকাশ-ভঙ্গী পছন্দ হবে তা না। এতে বিরূপ মন্তব্যে লেখক ব্যক্তিগতভাবে আহত হবেন তাও না। একজনের বহু লেখা পছন্দ হতে পারে, কিছু লেখা অপছন্দ হতে পারে। তার মানে পেছনের লোকটা অপছন্দের তাতো না। আর অপছন্দের হলেও লেখায় আনন্দ পেতে অসুবিধা নেই। এখানে ঠিক-বেঠিক ভুল-শুদ্ধ হিসাব করাটা যায় না।

আমার ব্যক্তিগত মতে হিমুর দু'টো লেখার কোনটাই অগ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। তবে মডুর মন্তব্যে বিস্মিত হয়েছি। কারণ, বাঘার একটা লেখা শুধুমাত্র 'বাল' শব্দ থাকার কারণে সমালোচিত হয়েছে। আমার বিবেচনায় সেটা অবিবেচনা।

বক্তব্য প্রকাশ করে তা সরিয়ে নেয়াটা অর্থহীন যদি না বক্তব্যটা প্রত্যাহার করা হয়। আমি যা প্রকাশ করি ভেবে চিন্তেই করি। বিরূপ সমালোচনা হলে, সেটা মেনে নিয়েই উপভোগ করি। যদি ভাবনাটা ভুল মনে হয় কোনদিন সেটা প্রকাশ করতেও দ্বিধা নেই।

আমার মত হলো, হিমুর লেখাদুটো ফিরিয়ে আনা হোক, এ লেখাটা সরিয়ে নেয়া হোক; যদি না হিমু তার ভাবনা থেকেই সরে যায়।

নীল রোদ্দুর এর ছবি

সোজা কথা। বিপন্ন বোধ করছি এই দম বন্ধ করা সচলের অস্বস্তিকর পরিবেশে। স্বাধীন ভাবে নিশ্বাস নিতে চাই।.
--------------------------------------------------------
যখন প্রাণের সব ঢেউ
জেগে ওঠে, কথা বলে, রক্তের আশ্চর্য কলরবে
বৃষ্টির দুপুরে মনে পড়ে
বর্ষার মতন গাঢ় চোখ মেলে তুমি আছ দু'দিনের ঘরে।।
[শামসুর রাহমান]

-----------------------------------------------------------------------------
বুকের ভেতর কিছু পাথর থাকা ভালো- ধ্বনি দিলে প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়

সচলায়তন এর ছবি

হিমু এবং s-s,
সচলায়তনে বরাবর যে মিথষ্ক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়ে থাকে সেটি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্মানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। এই শ্রদ্ধা প্রদর্শনের দায় থেকে সচলদের কেউই মুক্ত নন। আপনাদের দু'জনই আপনাদের বক্তব্য স্বাধীনভাবে প্রকাশ করেছেন এবং সেটি করতে গিয়ে দু'জনই যে ভাষা বা ভঙ্গি ব্যবহার করেছেন তা দুঃখজনক। সেজন্যে আপনাদের দুজনের আচরণই কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে

আপনাদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর শ্রদ্ধা বজায় রেখেই, মডারেশনের পক্ষ থেকে এ পোস্টে এবার মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ করা হলো। সচলায়তনের পরিবেশ নির্ভার এবং স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেই মডারেশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

_________________________________
সচলায়তন.COM কর্তৃপক্ষ

হলুদ-মডু এর ছবি

কুঁইকুঁই করে

হিমু,
সচলায়তনে আপনার অ্যাকাউন্ট ২ সপ্তাহের জন্য মডারেশনের আওতায় আনা হলো। ভবিষ্যতে সহসচলদের বিরুদ্ধে অসংযত ভাষায় আক্রমণ করলে আপনার বিরুদ্ধে কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হলুদ-মডু এর ছবি

মডারেশনকেও আপনি আমার বিরুদ্ধে লাগাচ্ছেন?????? এখন কি মডারেশন কে দিয়ে আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করাবেন যেহেতু আমি বলেছি আপনি আমাকে যেতে বলার কে???? আপনি এত ভিন্ডিক্টীভ??? আনবিলিভেবল,হিমু। হোয়াই ডোন্ট ইঊ গ্রো সাম স্পাইন???

সচলায়তন ও মাডারেশনের বিরুদ্ধে নয় আপনি মডারেশন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন এই আশঙ্কাই আমি প্রকাশ করছি

আপনি যে পরিমাণ ইতর ভাষার চর্চা করে যাচ্ছেন এবং তাকে "যুক্তি" বলছেন সেটা বললেই সেটাকে "আলুপোড়া খাওয়া"বলছেন,সেটা "বোধশূন্যতা" ও "ইগো" ছাড়া আর কিছু নয়।

s-s,
সচলায়তনে আপনার অ্যাকাউন্ট ২ সপ্তাহের জন্য মডারেশনের আওতায় আনা হলো। ভবিষ্যতে সহসচলদের বিরুদ্ধে অসংযত ভাষায় আক্রমণ করলে কিংবা সচলায়তনের বিরুদ্ধে অবমাননাকর ভাষায় কথা বললে আপনার বিরুদ্ধে কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে।