বৃষ্টিবৃত্ত

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: রবি, ১২/০৭/২০০৯ - ১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৃষ্টিকে আমরা মেঘ বলতাম। সেই ছোটবেলা। যতদিন পর্যন্ত না ভাষা দিয়ে নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার কথা ভাবার বয়সে পৌঁছেছি ততদিন পর্যন্ত। সিলেটে বৃষ্টি আর মেঘ দুটোকেই মেঘ বলে। তারপর যখন জানতে শুরু করলাম যে ছাপার অক্ষরের ভাষা হচ্ছে শিক্ষিত ও উন্নত মানুষের ভাষা এবং আমাদেরকে যে করেই হোক শিক্ষিত হয়ে মানুষ হতে হবে। আর শিক্ষিত ও মানুষ হবার একমাত্র উপায় হলো ছাপার অক্ষরকে অক্ষরে অক্ষরে ফলো করা। এবং উল্টো পিঠে অ-ছাপা বিষয়গুলোকে মগজ থেকে ঝেড়ে ফেলে দেয়া। কী আর করা? যে ভাষায় স্বপ্ন দেখি এবং চিন্তা করি সেই ভাষাটার যেহেতু ছাপায় কোনো অস্তিত্ব নেই সেহেতু আস্তে আস্তে আমাদের মতো অন্যদের সাথে আমরাও এই ভাষাটির জন্য লজ্জাবোধ করতে শুরু করলাম এবং চেষ্টা করতে লাগলাম মুখের ভাষার একেকটা শব্দের জায়গায় ছাপার অক্ষরের একেকটা শব্দ রিপ্লেস করে নিতে। সভ্য হওয়ার সেই প্রথম যুগেই সম্ভবত অসভ্যের মতো এই বৃষ্টি শব্দটি ঢুকে পড়েছিল আমার মুখে। কিন্তু তারপরও চান্স পেলেই আমি বৃষ্টিকে এখনও মেঘ বলি। কারণ মেঘ আসা- মেঘ পড়া- মেঘে ভেজা- মেঘের পানি। এই শব্দগুলো আমার যত ভেতর থেকে উঠে আসে বৃষ্টিটা তার ধারে-কাছেও যায় না। কিন্তু তারপরেও বৃষ্টিকে বৃষ্টিই বলতে হয়। যদি আরো বেশি শিক্ষিত হওয়ার কুবুদ্ধি কোনোদিন মাথায় ঢোকে তবে হয়তো বৃষ্টিকে আর বৃষ্টিও বলব না। বলব অন্য কোনোকিছু

বারোমাসি বৃষ্টির দেশে জন্ম আমার। সিলেটে। বৃষ্টিকে যে আলাদা করে দেখতে হয় কিংবা তাকে নিয়ে ভাবতে হয়; বৃষ্টিজবজব পুরো শৈশবেও তার কিছুই টের পাইনি আমি। বৃষ্টি হলে ভিজতে হয় কিংবা ভেজার জন্যই বৃষ্টি হয়; ভিজতাম আর আকাশে হা করে বৃষ্টির পানি খেতাম। মাঝে মাঝে মাথার সামনের দিকের চুল থেকে গড়িয়ে পড়া পানি চুষে খেতাম জিব বের করে। ব্যাস এইটুকুই। কিন্তু তখনও বুঝিনি বৃষ্টি শুধু শরীর ভেজায় না। মানুষের মন আর মগজও ভেজায়। মাঝে মাঝে পাগলাও বানিয়ে দেয় এই মেঘ অথবা বৃষ্টি

বৃষ্টিকে পড়তে শুরু করলাম একটা বিশেষ সময়ে এসে হঠাৎ করে। কীভাবে যেন একটা জায়গায় একটু একটু একটা গোলাপি সম্পর্ক হয়ে গেলো আমার। কীরকম যেন সম্পর্কটা। কেমন যেন টানে আর সারাদিন ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা করে রাখে। কেমন যেন একটা হাবিজাবি। মন ভালো হতে হতে খারাপ হয়ে যায় আবার খারাপ হতে হতে ভালো হয়ে যায়। এরকম একটা গোলাপি সম্পর্ক। ভালোই। কিন্তু ঝামেলা হলো ওর চোখে চালুনির চেয়ে বেশি ছিদ্র। কোনো দরজা নেই। কোনো লক-সিস্টেম নেই। যখন তখন ঝর ঝর...

চোখের এই ঝরঝরের মধ্যে সাহিত্যগন্ধ থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা একেবারে স্টুপিড বানিয়ে দেয়। সর্ব-বিষয়ে সহানুভূতিশীল বাঙাল সমাজ একেবারে ঘাড়ে এসে পড়ে- কী হয়েছে? কী বিত্তান্ত? উনি আপনার কে হন?...

যে কাঁদে তাকে তো আর উত্তর দিতে হয় না। তাকে কান্নার স্বাধীনতা দিয়ে লোকজন প্রশ্ন করে সাথের বেক্কলটাকে। তখন দুদিকে ঠেলা। একদিকে কান্না থামানো আর অন্যদিকে কান্নার কারণ দর্শানো। প্রশ্নজীবীদের ঠেকানো না গেলে কান্নাজীবীকে যথেষ্ট তেল মারার সুযোগ নেই। আবার কান্নাজীবীকে আটকানো না গেলে প্রশ্নজীবীদের তাড়ানো মুশকিল...

ইহাকে বলে মাইনকা চিপা। তাও আবার সিলেটের মতো তিন কাইকের শহরে। যেখানে এখনও এক সপ্তা চক্কর দিলে অর্ধেক মানুষকে চেহারায় চিনে ফেলা যায়। এবং রাস্তায় বের হলেই কমপক্ষে অর্ধেকের অর্ধেক পরিচিত লোকের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। সেরকম একটা শহরে রাজনীতি-নাটক-কবিতা-চুল-দাড়ি-ক্যাপ এবং বারোমাসি ব্যাগসহ আমার মতো একটা দর্শনীয় পাবলিকের পক্ষে কারো চোখের জল লুকানো যে কী রকম ঠেলা... তাও আবার কোনো টাইমটেবিল নেই। হাঁটতে হাঁটতে। বসতে বসতে কিংবা রিকশায় যেতে যেতে। কিংবা খামাখাই

শিং মাছ মাটি গর্ত করে এক পুকুর থেকে অন্য পুকুরে চলে যায়। ছোটবেলা আমার ধারণা ছিল আকাশেও বোধ হয় এরকম কোনো শিং মাছ গুঁতো টুতো মেরে মাঝে মাঝে ছিদ্র করে ফেলে আর সেই ছিদ্র দিয়ে আমাদের মাথার উপরে পানি পড়লে তাকে আমরা মেঘ কিংবা বৃষ্টি বলি। কিন্তু আমার এখনও কনফার্ম ধারণা ওর চোখে সত্যি সত্যি কোনো স্লুইস গেট ছিল না। ওর চোখটা ছিদ্র ছিদ্র আর মাথায় মগজের পরিবর্তে গ্যালন গ্যালন পানি...

সিনেমায় চোখের পানি দেখতে বেশ লাগে। সেই সিনেমা ফলো করতে গিয়েও কম ঝামেলা হয়নি। খালি হাতে কারো চোখের পানি মোছানো একটা জঘন্য ব্যাপার। ...কেমন যেন পিছলা-পিছলা; আঠা-আঠা হয় মানুষের চোখের পানি। আর অন্যদিকে আমার মতো বিড়ি খাওয়া হাতে কারো চোখের পানি মুছাতে গেলে সিগারেটের কষে তার চোখ থেকে আরো দ্বিগুণ পানি ঝরা শুরু হয়। সে আরেক ঝামেলা; কোনটা শারীরিক কষ্টে কান্না আর কোনটা মনের আনন্দে কান্না তা আলাদা করা মুশকিল...

কান্নার একটা গ্রামার আছে; কাউকে যদি কান্না থামানোর জন্য তেল মারা হয় তাহলে কিন্তু তার কান্না আরো বেড়ে যায়। আর পাত্তা না দিলে থেমে যায় খুব দ্রুত। কান্না তেল আর বাজার বুঝে ওয়াটার সাপ্লাই বাড়ায়-কমায়। আমি এই থিওরি মেনেই চলতাম। কিন্তু মুশকিল হলো কান্নাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া যায় না...

আমার বৃষ্টিপাঠ শুরু ওই কান্না থেকেই। ...তাকে চলে যেতে হলো। ...চলে গেলো। আর পুরোটা সময় জুড়েই আমার ছোটবেলার অশিক্ষিত মেঘের মতো আকাশের ছিদ্র দিয়ে ঝরতে থাকল ঝরঝর... আর হয়তো সেদিনই কিংবা তার পরপর বৃষ্টি উঠে এলো আমার কবিতায়-


‘ঝরুক/ ঝরে পড়–ক ছোটো বেলার উদোম গায়ে মাখা বৃষ্টি
তোমার বৃষ্টিতে আবার ম্লান করব আমি এই বিষণ্ন বেলায়
আমারতো কোনো ছাদ নেই
উপরে আকাশ; ঝড়ে-মেঘে তাণ্ডব
ঝরে বৃষ্টি- বাড়ে বন্যা
বন্যায় ভেসে যায় আমার ভুল জীবনের ছোট বাড়ি ঘর...

বৃষ্টি একটা হাবিজাবি নস্টালজিয়া আর মন খারাপের প্রতীক হয়ে গেলো আমার কাছে-

তার শেষ বেলার মুখ আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বারোমাসি বৃষ্টির নিচে
এ বৃষ্টির বিরাম নেই; অসময় বলে কিছু নেই
চোখ থেকে গালে- গাল থেকে হৃদয়ে গড়িয়ে পড়ে জল
আর আমি নির্বোধ শৈশবে দাঁড়িয়ে দেখি;
আকাশে ছিদ্র করে ঝরে পানি; মাটি ক্ষয় করে নামে পানি
পানি ঝরে- পানি নামে... ঝরে আর নামে...
নামে আর ঝরে পানি বারো মাস ধরে আমার
জন্ম নেয়া জংলি টিলায়

এরপর থেকেই কীভাবে যেন বৃষ্টি আমার কাছ থেকে আলাদা একটা জায়গা বের করে নিলো। ভিজতে না পারলেও প্রতিটা বৃষ্টির নিচে আমার দাঁড়াতে ইচ্ছে হতো। গায়ে মাখতে ইচ্ছে করতো প্রতিটা ফোঁটা...

আমার বৃষ্টিপাঠের অধ্যায় বদলে গেলো আরো কিছুদিন পরে। শীতে আর গরমে পাগলদের সমস্যা হয় জানতাম। বৃষ্টিকে কিছু মানুষ ভয় পায় তাও জানি। কিন্তু বৃষ্টিতে যে মানুষ পাগল হয়ে যায় সেটা জানা ছিল না। ... জেনে গেলাম এক বৃষ্টি-রোগীর পাল্লায় পড়ে। ...কোথাও দুয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়লেই সাথে সাথে ফোন- বৃষ্টি হচ্ছে...
- বৃষ্টি হচ্ছে তো আমি কী করব?
- আমি জানি না। কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছে

এর মানে কী?

মানে ঘোড়ার ডিম। মানে হলো বৃষ্টির সঙ্গে পাগলদের গ্রহযোগ আছে। এটা একটা রোগ। তবে এই রোগের কিছু সুবিধাও আছে-

বৃষ্টিটা ভেজালো বলেই শীত লাগছে বলে ঘনিষ্ঠ হয়ে গেলে তুমি
আর শীত লাগছে বলেই তোমাকে জড়িয়ে রাখা ছাড়া অন্য কিছু করার ছিল না আমার
বৃষ্টির নিচের জড়িয়ে যাবার পরে কি আর অভিমানের অস্তিত্ব থাকে কোথাও?
...আমাদের আবহাওয়া অফিস কি পারে না প্রতিদিন এরকম বৃষ্টি ঝরিয়ে দিতে?’

বৃষ্টি যে সত্যি সত্যি মানুষের চেহারা আর আচরণে এমন পরিবর্তন আনতে পারে না দেখলে কোনোদিনও বিশ্বাস করতাম না আমি-

সে কি জানে বৃষ্টির রাতে তুমি বাঘিনি হয়ে ওঠো আর হরিণ না পেলে নিজেকেই কামড়ে খাও?
নতুন মানুষ কি বৃষ্টির রাতে উপযুক্ত হরিণ হতে পারে তোমার থাবায়?
সে কি জানে বিড়াল পোষার নিয়ম; জানে কি সে তুমি এক সাদা বিড়াল হয়ে যাও বৃষ্টির রাতে?

কিছু মানুষ সত্যি সত্যি বৃষ্টির রাতে ক্রেজি হয়ে উঠে। অথবা তাদের মাথায় গণ্ডগোল শুরু হয়ে যায়। কিন্তু বৃষ্টি রোগটা সংক্রামক। ...আস্তে আস্তে বৃষ্টি আমাকেও খাওয়া শুরু করল। রিকশায় বৃষ্টি। হেঁটে হেঁটে বৃষ্টি। ঘুটঘুটে অন্ধকারে বৃষ্টি। এবং দিন তারিখ বেঁধে-ছুটি নিয়ে বৃষ্টি উদযাপন করা-

সেদিন কোনো ফুলহাতা জামা পরব না কেউ; না তুমি না আমি
ফুল হাতা জামা বৃষ্টির দিনে বড়ো বেশি ঝামেলায় ফেলে
এইসব ফুল হাতার জন্য যৌথ পানির নিচে ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা হয়ে পড়ে ভীষণ কঠিন’

অথবা

‘আমার জন্ম বৃষ্টির দেশে নদীর দেশে তোর
বৃষ্টি গড়িয়ে নদীতে গেলে সেই জল আকাশে বানায় মেঘ
একই পানির দুই রূপ ধরে তুই আর আমি পিঁপড়ার মতো জড়াজড়ি করে পার হই স্রোত
বৃষ্টির শীতে হিম হিম হলে একই অঙ্গ হয়ে উষ্ণতা দেই এক দেহ থেকে অন্যের দেহে’

বৃষ্টি আমার দৈনন্দিন হয়ে গেলো। মগজেও ঘুরঘুর করতে থাকল বৃষ্টি। বড়ো বেশি করে চোখে পড়া শুরু করল বৃষ্টি আর বৃষ্টির ক্যারিকেচার-


শাড়ির সাথে বৃষ্টির শত্র“তা বহু দিন
বৃষ্টি হলে আর শাড়ি পরে রাস্তায় নেমো না তুমি
ট্রাফিক-জামে আটকে যাবে পুরোনো শহর

.... আবার যেদিন আবহাওয়া বার্তায় বৃষ্টির কথা বলে
আমাকে টেলিফোন করো
তোমাকে শাড়ি পরিয়ে বৃষ্টির পূজা দেবো আমি’

বৃষ্টি- বৃষ্টি-রোগী আর বৃষ্টি রোগ আমাকে আর ছাড়েনি। কোথাও বৃষ্টি হলে আমার ফোন এখনও বেজে উঠে। মোবাইলে বৃষ্টির ছবি আসে। বৃষ্টির শব্দ শুনতে হয়। ভাগাভাগি করতে হয় বৃষ্টির জল-


‘তোমার সারাদিনের কোনো ভাগই চাই না আমি
না সকাল না দুপুর না রাত
শুধু বৃষ্টির ভাগটা চেয়েছি
প্লিজ
যখন বৃষ্টি হয় তখন আমাকেও রেখো পাশে’

কিন্তু বৃষ্টির সাথে কোথায় যেন একটা বিষণ্নতার সম্পর্ক আছে। ইচ্ছে করলেও একা একা বসে বৃষ্টিকে দিয়ে হাসানো যায় না। হাসিগুলো কেমন যেন ম্লান হয়ে উঠে। হোক সে বৃষ্টির কথা কিংবা বৃষ্টিহীনতার কথা-

‘আমাকে বাদ দিয়ে কি তোমার শহরে বৃষ্টিও হয়?
তুমি কি তাকে অনুমতি দাও তোমার শরীরে পড়ার?
এই বেহায়া বৃষ্টির দিনে কাকে শোনাও তুমি বৃষ্টির সুর- কাকে দেখাও ভেজা আগুনের ভাঁজ?
বৃষ্টির কসম কেটে কাকে আজ তুমি নিজের শহরে ডাকো?’

আমার কবিতায় নদী নেই। চাঁদ নেই। আমার কবিতা আগাগোড়া আমার জন্মস্থানের বারোমাসি বৃষ্টিতে ভেজা পাহাড় আর টিলা। কিন্তু যতদিন বৃষ্টির মাটিতে ছিলাম। অত করে টের পাইনি। টের পেলাম ছেড়ে আসার পরে-


ওই বৃষ্টিতে আমারো অংশ আছে
পুষ্পিতা শুধু তুমি বুঝে নিও সেই ভাগ’

হয় বৃষ্টির মাটি ছেড়ে আসা না হয় বৃষ্টি মানুষদের প্রভাব। যে কারণেই হোক। এখন আমার অনেক কিছুরই প্রতীক হয়ে গেছে বৃষ্টি-


শক্ত টোস্টকে যেমন চায়ে ভিজিয়ে নরম করে খায়
তোকেও তেমনি বৃষ্টিতে ভিজিয়ে নরম করে ভালবাসব আমি
তুই একটু বেশি কঠিন’

বৃষ্টি এখন আমার মগজে। মেঘ আর বৃষ্টিকে এখন আমি গ্রামার দিয়ে আলাদা করি। গ্রামার দিয়ে বিন্যাস করি। কিন্তু শৈশবের সেই যে বেলেমাটির টিলায় দাঁড়িয়ে দেখা বৃষ্টি। ঝরছে আর বালির ভেতরে লুকিয়ে যাচ্ছে; একটু পরে টিলার একটা অংশ ধসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিচে। সেই বৃষ্টিটাকে আমি খুঁজি। যে বৃষ্টিকে গ্রামার শেখার আগে স্বপ্ন দেখার ভাষায় আমি মেঘ বলতাম। আমার সেই মেঘ আর নেই-

আকাশে ট্রাফিক জ্যাম লেগে পৃথিবীতে বৃষ্টিরা বহুদিন বিলম্বে আসে
বৃষ্টিবাহিত মেলব্যাগের অপেক্ষায় ডাকবাবুর মেঠো কঙ্কাল
দরজা খুলে তাকায় ফেটে যাওয়া উঠানের বুকে’

আমি সেই ডাকবাবুর মেঠো কঙ্কাল। মেলব্যাগের মধ্যে বৃষ্টির অপেক্ষা করি আজো....
২০০৭.০৮.২৫ শনিবার- ২০০৭.০৮.২৬ রোববার


মন্তব্য

অনিকেত এর ছবি

লীলেন,

লেখা দিয়ে মুগ্ধ করে রেখেছ অনেক আগেই---কাজেই তোমার লেখায় নতুন করে মুগ্ধ হবার কোন মানে হয় না---

তবুও আবার মুগ্ধ হলাম !!

অবাক হলাম এইটে জেনে---আমরা কেবল এক মাটি থেকে উৎসারিত নই, বৃষ্টি নিয়ে তোমার মাতামাতি--আমাকে তোমার "বৃষ্টি ভাই" করেছে---

পুনশ্চঃ খেয়াল করেছ নিশ্চয়ি তোমাকে 'তুমি' 'তুমি' করছি এখানে---কারণ হল আমার বোনের কাছ থেকে জেনেছি---তুমি আমার সম-সাময়িক (যদিও অভিজ্ঞতায়,প্রাজ্ঞতায় তুমি দড়)।

অনিঃশেষ শুভকামনা----

মাহবুব লীলেন এর ছবি

বৃষ্টিভাই?

খাইছে
একটা বেটাপোলার লগে বৃষ্টিতে ভিজতে হবে জীবনে কল্পনাও করি নাই

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

আর কত চমৎকার লেখাকে হাবিজাবি বলবেন?
আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে বৃষ্টিটা আমার মগজেও ঢুকে যাচ্ছে।
ভীষণ সংক্রামক!
তবে বৃষ্টির মতোই লেখাটা মাঝে মাঝে সব ঝাপসা করে দিচ্ছে।
লোপামূদ্রার একটা চমৎকার গান ছেলেবেলার বৃষ্টি । ওটাও যেন একসাথে মগজে বাজছে।
গানটা না শুনলে শুনে দেখুন একবার।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

জ্বি স্যার পুরোটাই হাবিজাবি আর লোপামুদ্রার ছেলেবেলার বৃষ্টিটাও কে যেন একবার জোর করে শুনিয়ে দিয়েছিল আমাকে

আপনার মতো মগজে না বাজলেও মাঝে মাঝে ঠুকঠাক করে মাথার চান্দিতে

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

কপাল!
একটা বাজে গান কাউকে জোর করে শোনানোর অভিযোগ করলে বিশ্বাসযোগ্য হতো।
তাই বলে একটা চমৎকার গান আপনাকে জোর করে কেউ শুনিয়েছে?এটাই বিশ্বাস করতে বলেন?
কোথায় আপনি গানটা সম্পর্কে গলা(এখানে হাত !)খুলে প্রশংসা করবেন তা না উল্টো কেউ একজনের বিরুদ্ধে জোরাজুরির অভিযোগ তুলছেন!
পারেন ও স্যার আপনি।
হা হা হা

নন্দিনী  [অতিথি] এর ছবি

অসাধারণ ...

নন্দিনী

মাহবুব লীলেন এর ছবি

কোনটা?
বৃষ্টি না মেঘ না শাড়ির সাথে বৃষ্টির শত্রুতা?

আহমেদুর রশীদ [অতিথি] এর ছবি

ও বৃষ্টি এইবার একটু হেসে ওঠ, এই বৃষ্টি নৈবদ্যে...

মাহবুব লীলেন এর ছবি

বগলে ছাতা নিয়ে ঘোরা পাবলিকদের বৃষ্টি নিয়ে কথা বলা হারাম

রেজওয়ান এর ছবি

সচলে যখন থেকে লেখেন তখন থেকেই আমি লীলেন ভাইয়ের ফ্যান (আগে যে কেন পড়া হয়নি তার লেখা)। আর এটি পড়ে পুরো পাংখা!!!

পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?

মাহবুব লীলেন এর ছবি

পড়েন নাই বইলাই এই কথা কইলেন
পড়লে কইতেন অইন্য কথা

পান্থ, সচলাসক্তি কাটাতে আজকাল লগায় না এর ছবি

যাই, পরমা'র যাও ফিরে বৃষ্টি গানটা শুনে আসি! চোখ টিপি

মাহবুব লীলেন এর ছবি

একলা হুইন না মিয়া। দোকলা জোগাড় করো
বৃষ্টি নিয়া একলা লাফানিরে ইতরামি কয়

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

আমি বোধহয় চরম পর্যায়ের ইতর।
বৃষ্টি নিয়ে একলা একলাই লাফাই।
অনেক অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়ে ভেতর মোচড়ানো একটা ফিলিংস হলো।
বৃষ্টি ভেজাতে থাকুক আপনাকে এমনি করেই...

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আমি বোধহয় চরম পর্যায়ের ইতর।

সরল স্বীকারোক্তি
না করি কেমনে?

বিপ্লব রহমান এর ছবি

বৃষ্টির সঙ্গে পাগলদের গ্রহযোগ আছে। এটা একটা রোগ। তবে এই রোগের কিছু সুবিধাও আছে-

-বিপ্লব-


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

মাহবুব লীলেন এর ছবি


খালি সুবিধাবাদীরাই সেইটা বোঝে

মামুন হক এর ছবি

আপনার লেখা নিয়ে নতুন করে কিছু বলবনা লীলেন,
এই লেখাটা পড়তে পড়তে এত মগ্ন হয়ে গেছিলাম যে হঠাৎ দেখি পুরো মনিটর জুড়ে ঝম ঝমিয়ে বৃষ্টি নামছে। আমি বৃষ্টি থামাই নি, কারণ আমিও যে তোমার বৃষ্টি ভাই হাসি
দেশে আসছি, দেখা হবে।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মনিটরের যদি বৃষ্টির রোগ হয় তবে তারে শাওয়ারের নিচে ছেড়ে নিজে গিয়ে দাঁড়ান আসমানের নিচে

মুখে আর মাথায় যে জলের ফোঁটা ঝাপটা না দিতে পারে তারে কি আর বৃষ্টি বলা যায়?

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ষষ্ঠ উদ্বৃতির দ্বিতীয় লাইনে একটা শব্দ মিসিং (মনে হচ্ছে) আছে লীলেন্দা।

শাড়ির সাথে বৃষ্টির বিরোধের ঘটনাটা আরেকটু খুলতেন! বৃষ্টির আসল জায়গাটা নিয়াই বিশদ কিছু ল্যাখলেন নারে ভাই। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ঠ্যাংকু স্যার
মিসিং না। বৃষ্টি শব্দের সাথে একটা বেহুদা র বসে গিয়ে ঝামেলা করে ফেলছিল

০২

শাড়ির সাথে বৃষ্টির বিরোধ আরো খোলাই আছে মূল লেখায়
কিন্তু খোলামেলা জায়গায় ওইটা কোট করার মতো সাহস থাকলেও ডরে দেইনাই

নিবিড় এর ছবি

গতকাল তাইলে লোডশেডিং হয় নায় হাসি
আপনার লেখা নিয়ে বহু আগেই বলে দিয়েছি তাই নতুন করে কিছু বলার নাই। লুলাবর্ষ কাটিয়ে মাঝে মাঝে কিছু লিখা উচিত আপনার


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

মাহবুব লীলেন এর ছবি


লোডশেডিং ছিল না গতকাল আর লেখাটা যেহেতু পুরানা সেহেতু কনফার্ম করে বলা যাচ্ছে না লুলাবর্ষ আদৌ কাটলো কি না

লীন এর ছবি

অসাধারণ একটি লেখা। চলুক

______________________________________
বৃষ্টি ভেজা আকাশ

মাহবুব লীলেন এর ছবি

অসাধারণ না
তবে বৃষ্টির সিজনে চান্দিফাঁটা রোদ আর নাকভর্তি ধুলায় গড়াগড়ি খেতে খেতে এরকম কিছুই মনে হয় বারবার

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

ভাইজান, আপনি বড়ই স্বার্থপরের মত আমার মনটা খারাপ করে দিলেন... আমিও বৃষ্টিরোগী। মাথা ঠিক থাকেনা বৃষ্টির সময়। কাল থেকে ফাইনাল। এক পাগলের থেকে লিঙ্ক পেয়ে লেখাটা পড়ে মাথামুথা আউলায় গেল। অপেক্ষা করছি এখন বৃষ্টির জন্য। কখন সে আসবে, কখন আমি ভিজব।

নিজের সাথে নিজের করা প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছি আপনার জন্য। পরীক্ষার সময়ে লগ ইন করবনা ভেবেছিলাম। কিন্তু না করলে কিকরে প্রিয়তে নেই? বৃষ্টির সময় আবার পড়তে হবে যে!

ভাল থাকবেন সবসময়। আর এরকম মাথা পাগল করা লেখা পড়তে চাই আরও অনেক বেশি বেশি।

এই লাইন ক'টা আওরাচ্ছি মনে মনে,

শক্ত টোস্টকে যেমন চায়ে ভিজিয়ে নরম করে খায়
তোকেও তেমনি বৃষ্টিতে ভিজিয়ে নরম করে ভালবাসব আমি
তুই একটু বেশি কঠিন’

--------------------------------
কাঠবেড়ালি! তুমি মর! তুমি কচু খাও!!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

পরীক্ষা দিয়ে কী হবে?
পাশ করে অধ্যাপক হয়ে গেলে তো তখন আর বৃষ্টিকে হজম করার ক্ষমতা থাকবে না
বৃষ্টিকে মনে হবে আপদ

তারচেয়ে বৃষ্টিকে যতদিন হজমের ক্ষমতা আছে ততদিন বৃষ্টি নিয়ে থাকাই ভালো

পৃথিবীতে বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থা অনেক আছে কিন্তু বয়স্ক বৃষ্টির কোনো উদাহরণ নাই...

তাই...

০২

পরীক্ষা বাদ দিলে এরকম দশটা লেখা লিখে দেবো
আর দিয়ে ফেল করলে ৫টা
রাজি?

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

অবশেষে সে এল, ঝুমঝুমিয়ে ভিজিয়েই ক্ষান্ত হলনা আম্মুকে দিয়ে পরীক্ষার আগের দিন ভেজার জন্য আমাকে তুলোধুনা করিয়ে তবেই সে শান্ত হল।
তবে ভালবাসাটাই আসল, তাই আম্মুর বকাবকিকে আমি এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য দিক দিয়ে বর্ডার পার করিয়ে দিলাম... দেঁতো হাসি

মোটেও না ভাইয়া। আমি গত দশ বছর আগে যা ছিলাম আগামী দশ বছর পরে [দুই তিনটা বাচ্চা কাচ্চা নিয়েও... খাইছে ] তাইই থাকব! বৃষ্টিরোগ আদি ও অনাদি কাল থেকে আমার ছিল, আজও আছে, কালও থাকবে।
পাশ করে অধ্যাপক কেন হব গো? মানুষজনের ঘৃণা হজম করার ক্ষমতা আমার নাই। আমি দুনিয়া টাকে বাসযোগ্য করে যাব ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য। তার জন্যে নিজের পায়ের তলার মাটিটাকে শক্ততো করতেই হবে ভাইয়া।
দোয়া রাখবেন, আশা করি বৃষ্টি মাথায় নিয়েই আমি সফল হব... দেঁতো হাসি

বাদ দেয়া যেত [যেমন আজকেরটা দিয়েছি] কিন্তু এযে ফাইনাল। জাবি থেকে যে আমাকে এবার বের হতেই হবে! ... ইয়ে, মানে... ...

এম্নিতে আমার কথা রাখা যায় না? পিলিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইজ!

--------------------------------
কাঠবেড়ালি! তুমি মর! তুমি কচু খাও!!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

শাহেনশাহ সিমন [অতিথি] এর ছবি

চলুক

মাহবুব লীলেন এর ছবি

বুড়ো আঙ্গুলের বাংলা কিন্তু কলা

শাহেনশাহ সিমন [অতিথি] এর ছবি

এংরাজিতে আবার Cool। কোনটা নিবেন সেটা আপনার মর্জি

জি.এম.তানিম এর ছবি

পারেনও ভাই আপনি...

মনের মধ্যে অঝোরে শুরু হয়ে গেল...

গুরু গুরু
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

পারার মধ্যে পারলাম তো এই আফসোসটাই করতে
আর আফসোস মানেই হলো- ফান্দে পড়িয়া বগায় কান্দে রে....

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আমি যখন ছোট ছিলাম (মানে সচলায়তনে নতুন ছিলাম) তখন ভাবতাম বাংলাদেশে গিয়ে যাদের সাথে অবশ্যই দেখা করতে হবে, তার মধ্যে একজন হলেন আপনি।

লেখাটা খুবই সুন্দর।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আহারে
আপনি কেন সারা জীবন ছোটই থাকলেন না

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

ছোটবেলার ভাবনাগুলোর বাস্তবায়ন না করে কি শান্তি আছে?

কাজী আফসিন শিরাজী [অতিথি] এর ছবি

ভেবেছিলাম মুগ্ধতার ঘোর আরেকটু কমুক তারপর কিছু একটা বলা যাবে। তার কোন লক্ষন নাই, তাই নিরুপায় হয়ে মন্তব্য করছি। আপনি বৃষ্টিকে খুব ভালো করে বুঝতে চেয়েছেন আর খুব গভীরে গিয়ে তা অনুভব করেছেন।

ভাষার সেলাই মেশিনে কথার নকশা বানাতে আপনি ব্যাপক পারদর্শী। বল্গ ও ফেইসবুকের কল্যানে যে কটা ভালো লেখা পড়ার সৌভাগ্য হয় সেগুলোর সবগুলোই বড় মনোযোগ দিয়ে পড়ি, এই দীর্ঘ লেখাটা পড়তে একবারো ক্লান্ত মনে হয় নাই। বরং আপনার লেখার আদ্রতায় বাংলাদেশের ঝুম বৃষ্টির কথাই ঘুড়ে ঘুড়ে মনে পড়ল। আহা সেইসব বৃষ্টিতে কতদিন ভিজিনি। আপনার কবিতাগুলো খুব বেশি জীবনের কাছাকাছি থাকে, জীবনের ঝরঝরা প্রতিচ্ছবি। খুব ভালো লাগল। ভালো থাকুন।

মাহবুব লীলেন এর ছবি

কবিতা লেখা ভুলেই গেছি
ইদানীং ভাবছি ভুলে ভুলে আরো দুয়েকটা লিখে ফেলব

রাফি এর ছবি

অন্তর্জালের সম্পর্কটাকে বাস্তবে নিয়ে যেতে আমার কিছুটা অস্বস্তি থাকে; যে কারণে আমি সচলআড্ডায় খুব একটা উৎসাহী না। তবে একুশে বইমেলায় সচলের কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছিল, তাদের মধ্যে আপনাকে একদম আলাদা মনে হয়েছিল।

এই লেখাটা পড়ার পর আড্ডাবাজ মাহবুব লীলেনকে আবার নতুন করে চিনলাম।

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

---------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি,
বলি আমি এই হৃদয়েরে;
সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

মাহবুব লীলেন এর ছবি

চিনলেন তো চিনলেন একেবারে লুলাবর্ষে এসে
যে বছর সাকুল্যে তিনখান লেখা হবে কি না সন্দেহ

৯৬ আর ২০০৩ এর পরে এই ২০০৯ টাই আমার একেবারে লেখালেখি বিহীন বছর

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ভীষণ ভালো লাগলো, লীলেন ভাই!
____________
অল্পকথা গল্পকথা

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ঞ্যাঁ?

স্বপ্নাহত এর ছবি

একজন আপাদমস্তক বৃষ্টি প্রেমিক হিসেবে না লগায়া পারলাম না ।
মিয়া ভাই ক্যান যে এত কম কম লিখেন। শব্দের বৃষ্টিতে আমাদের ভিজতে দেবার ব্যাপারে এত কৃপণতা কেন আপনার?

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

মাহবুব লীলেন এর ছবি

তোমার লেখা কই?
বাংলাদেশের বালিকারা কি এখন আর তোমাকে উৎসাহ দেয় না?

খেকশিয়াল এর ছবি

সারমর্ম হইলো গিয়া - বৃষ্টিতে মাথা নষ্ট হয়
লেখায় ফাটায়া ফেলসেন

------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মাহবুব লীলেন এর ছবি

কথাখান ঠিক না
বৃষ্টিতে মাথা নষ্ট হয় না
হয় গণ্ডগোল

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

বৃষ্টি দেখলে অকারণেই ভাই আমার মন্টা উদাস হয়ে যায়। ছোটবেলার বন্ধুদের সাথে প্যাঁক কাদায় ফুটবল খেলতে মঞ্চায়...

আপনার লেখা পড়ে লীলেনদা, কেবলি বৃষ্টি দেখতে ইচ্ছা করতাসে। লেখাটা ভালো হইলেও , কামটা আপনি ভালা করলেন না...

---------------------------------------------------------------------------
- আমি ভালোবাসি মেঘ। যে মেঘেরা উড়ে যায় এই ওখানে- ওই সেখানে।সত্যি, কী বিস্ময়কর ওই মেঘদল !!!

এনকিদু এর ছবি

বৃষ্টিবৃত্ত তো বুঝলাম, বৃষ্টিবৃত্তি কি সম্ভব ?


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

জেবতিক রাজিব হক এর ছবি

লিখাটা অসাধারন হয়েছে লিলেন ভাই। কেমন যেন মন খারাপ হয়ে গেছে পড়ার পর।

ফকির লালন এর ছবি

আমিও গভীর বর্ষানুরাগী। খুব ভালো লাগলো।
বাংলাদেশের মতো এত রাজকীয় আর রোমান্টিক বর্ষা আর কোথায়ই বা হয়? সেইসাথে আপনার মতন এমন বর্ষাসক্তই বা কই আর পাওয়া যাবে?

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

জাস্ট দ্য মোস্ট প্রিয় পোস্ট! চলুক

অপারগ নাদানের মুখে এমন অপার মুগ্ধতার বাক্য বানান ক'রে জিনিস-টাকে নষ্ট করতে চাই না।
"এর চেয়ে অনেক ভালো চুপ ক'রে থাকা"।
___________
স্বাক্ষর?!
মাঝেসাঝে বুঝতে পাই- আমি
নিরক্ষর!

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

তিথীডোর এর ছবি

বৃষ্টি পড়লেই এই পোস্টটা পড়ি।

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

নিভু এর ছবি

ভালো লাগার সব এ ভাবেই হাইয়ে যায় ্‌ ফিরে পেতে ইচ্ছে হয় তবুও তা ধরা দেয় না

মাহবুব লীলেন এর ছবি

মেঘ পড়তেছে সমুদ্রের ওইপারে। তাই নিজের লেখাটাই আবার নিজে পইড়া নিলাম

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।