নবাবনামা - এক

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: শনি, ১৮/০২/২০১২ - ১০:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলার নবাব মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন অত্যন্ত কড়া শাসক। মৌলবাদ হল অফ ফেম এর সুপারস্টার আওরঙ্গজেবের তল্পিবাহক মুর্শিদ কুলি, যেমন গুরু তেমনই তার চেলা। মানুষ প্রজা নিপীড়ন করে তিনি প্রজা জমিদার দুটাই নিপীড়ন করতেন। তিনি ছিলেন কনভার্টেড মুসলমান, দলে দলে লোকে খৎনা করে মুসলমান হচ্ছেনা দেখে তার খালি মনে হত কেনু কেনু। ঠিক আওরঙ্গজেবের মত (অথবা জিন্নার মত, অথবা মোল্লা ওমরের মত, অথবা জামাতের মত) তার দৃঢ় সংকল্প ছিল সোনার দেশটা মুসলমান দিয়ে ভরিয়ে তোলার।

বৃহত্তর মোগল বাংলার নবাব নিয়ে সিরিজের প্রথম পর্ব। জেমস হুইলারের “The History of India from the Earliest Ages: pt. I. Mussulman rule. pt.II. Mogul empire. Aurangzeb” অবলম্বনে।
….............................................।

সপ্তদশ সতাব্দীর শেষদিকে আওরঙ্গজেব হিন্দুদের ব্যাপক যন্ত্রনা করা শুরু করেন। বাংলা প্রদেশে তার ডান হাত হিসেবে একটি নবাব নিযুক্ত করা হয়, যাদের কাজ ছিল বাদশার ইচ্ছে বাস্তবে রূপান্তর করা। মূর্তি ধ্বসিয়ে দেয়া হল, মন্দির গুঁড়িয়ে দেয়া হল, উৎসব নিষিদ্ধ করা হল, বিবিধ দেবদেবী পূজা কঠোর হস্তে দমন করা হল। অনেক বাঙ্গালী মুসলমান হল, আবার কিছু বিদ্রোহ করে বসলো। আওরঙ্গজেব তার নাতি আজিমকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবাদার বা নবাব করে পাঠালেন, আর তার দেওয়ান অর্থাৎ অর্থমন্ত্রী নিযুক্ত হল এক ধর্মান্তরিত ব্রাহ্মন। তার নাম মীর জাফির খান।

আজিম ছিলেন একটি বলদ। তিনি শা আলমের ছেলে, যে শা আলম আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর বাহাদুর শা নামে তখতে বসেন। ঢাকায় তিনি অফিস বসান, আর সারা দেশের কোনাকাঞ্চি থেকে ধরে আনা মেয়ে চেখে দেখতে থাকেন। সারাদিন যুবতীর বগলের তলে সুরাপান করতে করতে চাটুকারের কথা শুনা ছিল তার রুটিন কাজ।

মীর জাফির খান, যিনি পরবর্তীতে মুর্শিদ কুলি খান নামে পরিচিত, ছিলেন একবারে ভিন্ন ধাতুতে গড়া। নয়া মুসলমানী জোশ তার শরীরে, ঐ জোশের প্রশংসা স্বয়ং আওরঙ্গজেবের কানেও গিয়েছিল। তিনি অর্থশাস্ত্রেও পটু ছিলেন, এত সুন্দরভাবে প্রফিট ম্যাক্সিমাইজ আর কস্ট মিনিমাইজ করতেন যে বাদশার প্রিয়পাত্র হতে তার সময় লাগেনি। অর্থ মন্ত্রনালয়ের সাধারন বেয়ারা থেকে প্রমোটিত হতে হতে তিনি একবারে দেওয়ান হয়ে বসেছিলেন।

আওরঙ্গজেবের আমলে দেওয়ানী অফিস আর নবাবী অফিসে দূরত্ব বজায় রাখা হত। নবাব হলেন প্রাদেশিক সামরিক নেতা, কাজী আর কোতয়ালের সাহায্যে তিনি দৃঢ়হস্তে আইনশৃঙ্খলা নজরে রাখতেন। দেওয়ানের কাজ খাজনা আদায় করা আর সরকারী খরচ অনুমোদন করা। মাঝে মধ্যে দুই অফিসে গ্যাঞ্জাম লাগতো। নবাব আর তার মদোমাতাল ইয়ারের দল আজাইরা টাকা চাইতো, কিন্তু নির্ধারিত বেতনের বাইরে এক পয়সাও বের হতনা। দেওয়ানের কড়া নজর ছিল ডেবিট ক্রেডিটের উপর, তিনি জানতেন আওরঙ্গজেবের সুনজরে আসার একমাত্র উপায় অচিন্ত্যনীয় পরিমান টাকা দিল্লীতে পাঠানো। আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর বিভিন্ন নবাবেরা দিল্লীর সাথে খাজনা নিয়ে মুলামুলি করতো, এক পর্যায়ে দিল্লীতে কিছুই পাঠানো হতনা প্রায়। এই ঘটনা আওরঙ্গজেবের আমলে সম্পূর্ণ অসম্ভব ছিল।

প্রতাপশালী বাদশার নাতি তরুণ আজিম মীর জাফিরের মত দেওয়ানের ঘাড় ত্যাড়ামীতে বিরক্ত হয়ে ভাবলেন দেই শালাকে শেষ করে। একদিন ঢাকায় একদল সিপাই তাকে ঘিরে ধরে বেতন চাই বেতন চাই বলে হাউকাউ লাগিয়ে দিল, তারপরে ফট করে ছুরি বের করে বসলো। মীর জাফিরও তলোয়ার বের করে তেড়ে গেলেন তাদের দিকে, তাই দেখে সিপাইরা দিল ছুট। তলোয়ার কোমরে ঝুলিয়ে এবার দেওয়ান সোজা প্রাসাদে গিয়ে আজিমকে দায়ী করলেন সবার সামনে। আজিম দেখল মহা বিপদ, দাদার কানে গেলে তিনি তাকে আস্ত রাখবেননা এটি তার ভালোই জানা ছিল। তিনি ঘন ঘন মাথা নেড়ে বললেন তিনি নির্দোষ, তার কিছুই জানা নেই। দায়ী ব্যাক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাসও দিলেন তিনি।

মীর জাফির ঠিকই আওরঙ্গজেবের কাছে নালিশ ঠুকে দিলেন, আর মুর্শিদাবাদে পালিয়ে গেলেন। শহরের নাম তখন ছিল মুকসুদাবাদ, পরে তিনি মুর্শিদ কুলী খান টাইটেল পাবার পরে শহরের নাম পালটে মুর্সিদাবাদ করা হয়। যাই হোক, আজিমকে কানে ধরে পাটনা পাঠানো হল, আর মীর জাফিরকে বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি ঘোষণা করা হল। একই সাথে তিনি দেওয়ানও থাকলেন। নয়া টাইটেল পেলেন মুর্শিদ কুলি খান।

নবাব হয়ে মুর্শিদ কুলি পয়সা আদায়ে মন দিলেন। ধরে ধরে অপদার্থ জমিদারদের গারদে পোরা হল, অথবা ট্রান্সফার করে ফাউল জায়গায় বসানো হল। জমিদারের বদলে নবাবের নিজস্ব অফিসার খাজনা আদায় শুরু করলো। তিনি মাইলের পর মাইল জমি মাপজোকের ব্যবস্থা করলেন, আর ঐ হিসেব অনুযায়ী নতুন খাজনা রেট বসানো হল। খাতকদের ধরে ভয়ংকর নির্যাতন করা হল। খাড়া সূর্যের আলোয় ন্যাংটো করে দাঁড় করিয়ে রাখা, পাজামার ভেতর আস্ত বিলাই ঢুকিয়ে দেয়া, মলমূত্রপুঁতিগন্ধপুঁজময় পুকুরে চুবিয়ে রাখা আরো কত কি। বৈকুণ্ঠ কথাটির অর্থ স্বর্গ। প্রস্রাবপাইখানাআবর্জনা পরিপূর্ণ পুকুরগুলোকে ফান করে ডাকা হত বৈকুণ্ঠ। তিনটি প্রদেশেই তিনি এরকম অরাজক শাসন চালিয়ে যেতে থাকলেন। তার সামনে রাজা জমিদার কেউ বসার অনুমতি পেতনা, এমনকি নিজেদের মধ্যে কথা বলাও ছিল নিষিদ্ধ।

হিন্দুরা মুর্শিদ কুলি খানকে ঘৃণা ও ভয়ের চোখে দেখত, আর মুসলমান ঐতিহাসিকেরা তাকে কোলে তুলে নেন। ইসলাম ধর্ম প্রচারে তিনি ছিলেন বিরামহীন। দুই হাজার হাফেজ তার দেয়া বেতনে নিয়মিত কুরান চেঁচিয়ে পড়তো, ঈদেচান্দে তিনি বিরাট দানখয়রাতের আসর বসাতেন। চালের দাম তিনি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রিত রাখতেন, তার চর ছিল সবদিকে। দাম বাড়ানোর কেউ চেষ্টা করলেই নেমে আসতো আযাব, সকল ব্যক্তিগত লেনদেন নিষিদ্ধ করে বাজারে মাল বিক্রয় বাধ্যতামূলক করা হয়। চাল রপ্তানী নিষিদ্ধ করা হয়, আর ইয়োরোপীয় জাহাজে দরকারের বেশি এক ছটাক চালও তিনি ওঠাতে দিতেননা।

মুর্শিদ কুলি খান বুড়ো হয়ে যাবার পর একটি সহকারী আমদানী করেন। ঐ লোকের নাম ছিল মুরাদ ফরাশ। তাকে একটি মসজিদ আর মাজার নির্মাণের কাজ দেওয়া হয়। মুরাদ হিন্দুদের চরম অপমান করে মসজিদ তৈরির কাজ শুরু করলো। মুর্শিদাবাদ আর আশপাশের এলাকার মন্দির থেকে ইট খুলে ঐ ইট দিয়ে মসজিদ গড়া হতে থাকে। গ্রামে গ্রামে জমিদারদের খবর পাঠানো হয় টেকা দেও নইলে ইটা খুইলা নিমু কইলাম। তাদের মাগনা শ্রমিক পাঠাতেও হুকুম দেওয়া হয়। কে আর বাধা দিবে, দিয়ে লাভই বা কি। মসজিদ মাজার দুইই তৈরি হল, আর তাকে ঘিরে উঠলো দোকানবাজার। ঐ বাজারের ট্যাক্সের পয়সায় মসজিদ মেরামত ফান্ড গঠিত হল।

মুর্শিদ কুলির কোন ছেলে ছিলনা, ছিল এক প্রিয় কন্যা। সেই কন্যার সাথে বিবাহ হয় সুজা খান নামে এক তুর্কীর। দুঃখের কথা তাদের মধ্যে পিয়ার মহব্বত হয়নি, উড়িষ্যার ডেপুটি নবাব হিসেবে প্রমোশন পেয়ে কটকে যাবার পর সুজা খানের প্রত্যঙ্গ বিবিধ দিকে ধাবিত হয়। মনের দুঃখে কন্যা পিতার কাছে ফিরত আসে, কোলে তাদের ছেলে সরফরাজ খান।

বৃদ্ধ নবাব জামাতার প্রতি ক্রুদ্ধ হন, আর নাতি সরফরাজের দিকে ঝুঁকে পড়েন। তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে তিনি দিল্লীতে পাত্তি লাগানোর ব্যবস্থা করেন যেন তার মৃত্যুর পর নবাবী সরফরাজের হাতে যায়। ১৭২৫ সালে মুর্শিদ কুলি খান মৃত্যুবরণ করেন।

…............................................................
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ লিখকের মতামতের জন্য অনুবাদক দায়ী নহেন।


মন্তব্য

সাম্য এর ছবি

মন্দিরের ইট খুলে নিয়ে মসজিদ বানানো !!

সত্যপীর এর ছবি

হ। কেমুন শয়তানী ভাইবা দেখেন?

..................................................................
#Banshibir.

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

তারপর সরফরাজের কী হল?

সত্যপীর এর ছবি

শুরু করলাম মাত্র নবাবনামা। দেখা যাক।

..................................................................
#Banshibir.

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম
চলুক তবে ।

পদ্মজা এর ছবি

সম্ভবত (যদি স্মৃতি বেইমানি না করে) এই সরফরাজ খাঁ'র দুই পুত্রকে হত্যা করে আলীবর্দী খাঁ ( নবাব সিরাজের নানা)। তারপর আমরা কমবেশি জানি। চোখ টিপি

সত্যপীর এর ছবি

আরে মেলাদিন পর, আছেন ক্যামন?

..................................................................
#Banshibir.

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

চলুক

আশফাক আহমেদ এর ছবি

"খাড়া সূর্যের আলোয় ন্যাংটো করে দাঁড় করিয়ে রাখা, পাজামার ভেতর আস্ত বিলাই ঢুকিয়ে দেয়া, মলমূত্রপুঁতিগন্ধপুঁজময় পুকুরে চুবিয়ে রাখা আরো কত কি।

"

শিট! এইভাবে নির্যাতন করা হত

-------------------------------------------------

ক্লাশভর্তি উজ্জ্বল সন্তান, ওরা জুড়ে দেবে ফুলস্কেফ সমস্ত কাগজ !
আমি বাজে ছেলে, আমি লাষ্ট বেঞ্চি, আমি পারবো না !
আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !

সত্যপীর এর ছবি

হ। পড়েছ মোগলের হাতে...

..................................................................
#Banshibir.

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি

তিনটি প্রদেশেই তিনি এরকম অরাজক শাসন চালিয়ে যেতে থাকলেন।

গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

১৮২৪ সালে জন্ম নেয়া জেমস হুইলার এর ভারতবর্ষের ইতিহাসনামা সর্বজন গ্রহণযোগ্য নয়। সিপাহী বিপ্লবের সময় তথা, ১৮৫৮ সালে তিনি ভারতে আসেন আর বইটি লেখেন ১৮৬৭ সালে। তার লেখায় মুঘল বিদ্বেষ থাকবে এটা স্বাভাবিক। কারণ, তার ভারত আগমনের সময় ইংরেজরা লোটা নিয়ে ভারতবর্ষের এমাথা-ওমাথা দৌঁড়ের মাঝে ছিলো।
মুর্শীদ কুলি খান নবাব হন ১৭১৭ সালে আর আওরঙ্গজেব মারা যান ১৭০৭ সালে। তিনি বাংলার দিউয়ান নিযুক্ত হবার আগে উড়িষ্যার সহকারী দিউয়ান ছিলেন।
তিনি জন্ম হতে হিন্দু ছিলেন নাকি, মুসলিম ছিলেন সেটা নিয়েও বির্তক আছে। এমনকি মুঘল দস্তাবেজে তাঁর নাম মীর হাদি; মীর জাফির খান নয়।
এটা সত্য তিনি জমিদারদের ভীষণ টাইট দিয়েছিলেন এবং মুর্শীদাবাদের নিয়ন্ত্রন সর্বত্র প্রতিষ্টা করেছিলেন।
হিন্দুদের বিষয়ে তিনি কঠোর হয়েছেন এ ধরণের প্রতিষ্ঠিত কোন প্রমাণ যতদূর জানি পাওয়া যায়নি।
ইংরেজদের টাট্টি পাতল করার জন্য তিনি খুব বিখ্যাত। দেঁতো হাসি
ভারতবর্ষের সমসাময়িক অন্যান্য শাসকদের তুলনায় মুর্শীদ কুলি খান অনেক ভালো ছিলেন।

আসাদুজ্জামান এর ছবি

আপনি ক্রস-রেফারেন্সের ঝামেলার মধ্যে যেতে চান না এটা উপলদ্ধি করতে পেরেছি। এ ধরনের অনুবাদ কর্মে 'ইতিহাস' ট্যাগটির গ্রহনযোগ্যতা কতটুকো তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়। লেখা বরাবরের মত সহজ-পাচ্য। তবে নিজস্ব মতের আরোপ ও মোটাদাগের সরলীকরন কিছুটা মাত্রা ছাড়ানো ; ইতিহাস বর্নন ও অনুবাদ -- দুটিতেই এ বস্তু বর্জনীয়। (পীর সাহেব, শুরুর লেখাগুলো নিঃসন্দেহে শ্রেয়তর ছিল। জ্যামস্‌ হুইলার এর উপ্রে বেশি ভরসা কইরেন না, বুজর্গ)

সত্যপীর এর ছবি

এ ধরনের অনুবাদ কর্মে 'ইতিহাস' ট্যাগটির গ্রহনযোগ্যতা কতটুকো তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়।

বুঝি নাই। "এ ধরনের অনুবাদ" বলতে ঠিক কি বুঝালেন? এটি একজনের লিখিত ভারতের ইতিহাস নিয়ে ইংরেজী রচনার অনুবাদ, ট্যাগে "ইতিহাস" নিয়ে প্রশ্ন তুলার আবার কি আছে? আপনার মতে ট্যাগ কি হওয়া বাঞ্ছনীয়? গল্প? উপন্যাস? ছড়া? নাটিকা? সাইন্স ফিকশন? বিশদ বুঝিয়ে বলুন।

জ্যামস্‌ হুইলার এর উপ্রে বেশি ভরসা কইরেন না, বুজর্গ

ডিসক্লেইমার লক্ষ্য করুন।

লেখা বরাবরের মত সহজ-পাচ্য।

লন আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

..................................................................
#Banshibir.

আসাদুজ্জামান এর ছবি

'পীরিতাহাস' দিলে ভাল হয়। সায়েন্স-ফিকশন ট্যাগ দিলেও আমার ব্যক্তিগত কোন ক্ষতি নাই। স্যালভর হার্ডিনগো খুঁজতে গিয়া লোকজন মুর্শিদ কুলি খাঁর দরবারে হুমড়ি খাইয়া ধরা খাইবো আর কি।

সত্যপীর এর ছবি

সায়েন্স-ফিকশন ট্যাগ দিলেও আমার ব্যক্তিগত কোন ক্ষতি নাই

আপনার ব্যক্তিগত ক্ষতিতে কারো কিছু আসে যায়না।

..................................................................
#Banshibir.

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

হাততালি

যাযাবর এর ছবি

চলুক

ধূসর জলছবি এর ছবি

চলুক

সত্যপীর এর ছবি

মুর্শীদ কুলি খান নবাব হন ১৭১৭ সালে আর আওরঙ্গজেব মারা যান ১৭০৭ সালে।

১৭০৩ সালে আওরঙ্গজেব নাতি আজিমকে পাটনা আর মুর্শিদ কুলিকে মুকসুদাবাদ সরিয়ে দেন। আওরঙ্গজেব তার উচ্চহারে রাজস্ব আদায় করা দেখে তাকে মনসবদার টাইটেল দিয়ে তার অধীনে কাজ করার জন্য মোগল ফৌজদার পাঠান। আওরঙ্গজেবের আমলেই মুর্শিদ কুলির প্রবল উত্থানের শুরু।

তিনি বাংলার দিউয়ান নিযুক্ত হবার আগে উড়িষ্যার সহকারী দিউয়ান ছিলেন।

তিনি বাংলা, হায়দ্রাবাদ, বিহার, দাক্ষিণাত্য প্রদেশের দেওয়ান ছিলেন নানা সময়। এছাড়াও তিনি বাংলার নবাব, উড়িষ্যার সুবাদারও ছিলেন। তার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল দেওয়ানী অফিসে বেয়ারা হিসেবে।

এমনকি মুঘল দস্তাবেজে তাঁর নাম মীর হাদি; মীর জাফির খান নয়।

হতে পারে। আনন্দবাজারের রামছহাগলেরা নাম বিকৃত করার বুদ্ধি ইংরেজদের থেকেই পেয়েছিল। উইকি তে দেখলাম মীর্জা হাদী। আপনি মীর হাদী কোথায় দেখেছেন?

তিনি জন্ম হতে হিন্দু ছিলেন নাকি, মুসলিম ছিলেন সেটা নিয়েও বির্তক আছে।

ঠিক কথা। কেউ বলে তিনি মারাঠা জেনারেল মুহাম্মদ কুলি খানের নাতি, তবে অধিকাংশের মত তিনি দাক্ষিণাত্যের উড়ে ব্রাহ্মন হিসেবে জন্ম নেন, ইস্ফাহানের সদাগর হাজী শাফী তাকে বড় করেন ও ধর্মান্তরিত করেন।

ভারতবর্ষের সমসাময়িক অন্যান্য শাসকদের তুলনায় মুর্শীদ কুলি খান অনেক ভালো ছিলেন।

অর্থাৎ বাঁশবনে শিয়াল রাজা? বাকীরা আরও খারাপ বলে তার বজ্জাতি জাস্টিফাইড হয়ে যা না। সম্ভবত একজন প্রকৃত ভালো লোক ছিলেন নবাব আলিবর্দী।

১৮২৪ সালে জন্ম নেয়া জেমস হুইলার এর ভারতবর্ষের ইতিহাসনামা সর্বজন গ্রহণযোগ্য নয়।

হতে পারে, সেজন্যেই ডিসক্লেইমার দেওয়া। তবে তার জন্মসাল উল্লেখ করার প্রয়োজনটা কি ছিল বুঝলামনা।

..................................................................
#Banshibir.

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি

অর্থাৎ বাঁশবনে শিয়াল রাজা? বাকীরা আরও খারাপ বলে তার বজ্জাতি জাস্টিফাইড হয়ে যা না।

পৃথিবীর কোন শাসককেই শতভাগ ভালো বলা যাবে না। মুর্শীদ কুলি খানের বিরুদ্ধে ধর্মান্ধতা, কুশাসনের প্রতিষ্ঠিত কোন প্রমাণ নেই। বরং শাসনকার্যে তিনি অনেকখানি সফল।

তবে তার জন্মসাল উল্লেখ করার প্রয়োজনটা কি ছিল বুঝলামনা।

জেমস সাহেবের বর্ণনার ধরণ সমসাময়িক ঐতিহাসিকের মতন।

Mughal Imperial Documents.
Publisher: National Archives of India.
--------------------------------------------------------------------------------------

অনুবাদে (গুড়)

যাযাবর এর ছবি

চলুক

দিগন্ত এর ছবি

মুর্শীদ কুলি খানের বিরুদ্ধে ধর্মান্ধতা, কুশাসনের প্রতিষ্ঠিত কোন প্রমাণ নেই।

এইটা আপেক্ষিক। কি কি সূত্র থেকে মুর্শেদকুলী খানের বিকল্প ইতিহাস জানা যেতে পারে তা নিয়ে কিছু বললে ভাল হত।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

যাযাবর এর ছবি

ইটা রাইখ্যা গেলাম...

সত্যপীর এর ছবি

রাগ করলেন ভাই? ইটাটা সরায় রাখেন পায় লাগতেসে খাইছে

..................................................................
#Banshibir.

তারেক অণু এর ছবি
উচ্ছলা এর ছবি

লেখা ভাল হলে আমার 'খাই খাই' বেড়ে যায়। আরও লেখা দেন। আজকেই দেন! এক্ষুনি দেন!

সত্যপীর এর ছবি

ভারি বকা দিচ্ছে লোকে, ভাল লাগল আপনার উপস্থিতি। আরও কয়টা কমেন্ট দেন। এক্ষনি দেন।

..................................................................
#Banshibir.

উচ্ছলা এর ছবি

বকাঝকা করা লোকের চাকরী। উনারা উনাদের চাকরী করুন, আপ্নি আপ্নার কাজ করুন। লিখে যদি আপ্নার ভাল লাগে, তাহলে একশ বার লিখবেন। ফ্যানের অভাব হবে না। লাইনের এক্কেবারে প্রথমে আছি। হাসি

বলেছিলাম না আপ্নি আমার প্রিয় ইতিহাস শিক্ষক! কোলাকুলি

সত্যপীর এর ছবি

হ ভেবেছিলাম বকা দেওয়া খালি আমার বসের চাকরি খাইছে

যাই হোক লিখে ব্যাপক মজা পাচ্ছি, দেখেন না লিখে ফ্লাড করে দিচ্ছি সচল? বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বানায় বানায় রচনা লিখা ছাড়া আগে কিসুই লিখিনাই, আর এখন লিখা শুরু করসি দুই মাসও হয় নাই ২৩খান পোস্ট নামাইসি। বিরাট লজ্জার কথা। তবে লিখা প্রকাশ হবে কিনা এইটা নিয়েই সংশয় ছিল, এখন আপনাদের দোয়ার উছিলায় (অথবা উচ্ছলায়) খালি লিখতে মুঞ্চায়।

মাইনষেরে এক কেজি আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- দেই ম্যাক্সিমাম, আপনেরে দিলাম এক টন আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

..................................................................
#Banshibir.

স্বপ্নহারা এর ছবি

আমি কিন্তু শ্যালিকাকে কইয়া দিবাম চোখ টিপি

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

সত্যপীর এর ছবি

খাইছে

..................................................................
#Banshibir.

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

আমিও আছি দাদা । দেঁতো হাসি

ধ্রুবনীল এর ছবি

পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম চলুক

ধুসর গোধূলি এর ছবি

ফাইভে থাকতে '১৩৩৯ খৃষ্টাব্দে ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ নিজেকে স্বাধীন নবাব হিসেবে ঘোষণা করেন' এই ডায়ালগ দিয়ে শুরু হওয়া একটা বি-শা-ল কাহিনি মুখস্ত করতে দিছিলো সমাজ স্যার। করছিলামও। কিন্তু ঠোটস্থ থাকার পরেও ভাগ্যের ফেরে ক্লাসে বলতে গিয়া শুরুতেই খাইছিলাম ধাক্কা। পাশ থেকে বন্ধুরা প্রথম লাইন ধরায়া দেয়ার পরেও রাগের চোটে চুপ কইরা আছিলাম। একটা অক্ষরও কই নাই। ফলশ্রুতিতে হেব্বি সে পিডা খাইছিলাম। ঠিক সেইদিন থাইকাই কানে ধরছি, নো মোর মোবারক শাহ এন্ড কোং। এই শালা শ্যালকের দৌহিত্র ইতিহাস খালি প্যাচ লাগায় মাথায়!

আপনার লেখা থেকে বুঝলাম, দেওয়ান বংশের জনগণ হইলো অর্থমন্ত্রীর বংশধর। এখন থেকে ট্যাকা পয়সার মামলায় তাগোরে স্মরণ করুম। সচলে একজন আছেন দেওয়ান বংশের পোলা। ভালোয় ভালোয় কইতাছিরে দেওয়াইন্যা, ট্যাকা ছাড়বি নাকি আংরেজ ডাকুম!

সত্যপীর এর ছবি

সচলে কাজী কিডা আসে দ্যাখেন, তারপরে হ্যার কাসে বিচার দেন।

..................................................................
#Banshibir.

ধুসর গোধূলি এর ছবি

কাজী, পীর, শাহেনশাহ- সবাই আছেন সচলে। এখন একজন মুরীদের বড় দরকার! হাসি

সত্যপীর এর ছবি

হি হি।

..................................................................
#Banshibir.

মন মাঝি এর ছবি

সারা দুনিয়াতেই রাজা-বাদশারা কম বেশি বদ আর অত্যাচারীই ছিল। তবে ইংরেজরা মুঘলদের ইতিহাস লিখতে গিয়ে এ ব্যাপারে প্রচুর নেতিবাচক অতিরঞ্জন করেছে, কল্পকাহিনিও হয়তো রচনা করেছে (সব ঔপনিবেশিক শক্তিই বোধহয় যে শাসকদের উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে তাদের সম্পর্কে কমবেশি খারাপ কথা বলে থাকে)।

এর পিছনে মনে হয় বৃটিশদের প্রধানত দু'টি উদ্দেশ্য কার্যকরী ছিল -

১। নিজেদের ক্ষমতা দখলকে জাস্টিফাই করা, হালাল করা (অনেকটা ক্ষমতা দখলের পর এর্শাদের ভাষনের মত হাসি )।

২। ডিভাইড এ্যান্ড রুল । ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ কমিউনিটিকে বুঝানো - দেখ তোমরা কত্তবড় বর্বর, শয়তান আর হারামজাদাদের শাসনে ছিলা। তোমাদের প্রাচীণ স্বর্ণসভ্যতাকে এরা ছারখার করে দিছিল। কত অত্যাচার করছে ওরা তোমাদের উপর। ওরা তোমাদের শত্রু! আর আমরা তোমাদের উদ্ধারকর্তা! আমরা তোমাদের ওদের হাত থেকে বাঁচাইছি! তোমরা ওদের কাছে ঘেঁষো না, আমাদের সাথে থাক। দেখ জ্ঞানেগুনে, সভ্যতায়, আমরা কত উন্নত। তন্নিষ্ঠচিত্তে আমাদের মত মহান সভ্য সাদা-চামড়ার ফেরেশ্‌তাদের পদসেবা করতে থাকলেই কেবল একদিন তোমাদের মোক্ষলাভ সম্ভব হবে। ওদের সাথে গেলে ওরা তোমাদের আবার খেয়ে ফেলবে, তোমরা অধঃপাতে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।

পরবর্তীকালে সে যুগের অধিকাংশ ভারতীয় ইতিহাসবিদ-বুদ্ধিজীবীই মনে হয় বৃটিশদের এই লিড কমবেশি গ্রহণ করেন।

৩। ১৮৫৭ সালের সিপাহী-বিদ্রোহজাত সংগ্রামের পর ২নং ন্যরেটিভটা্র প্রয়োজন মনে হয় বিশেষভাবে গুরুত্ব লাভ করে বৃটিশদের কাছে। ১৮৫৭ সালে্র সংগ্রামে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষই যোগ দিয়েছিলেন (সর্বত্র না অবশ্য)। সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থে বিভিন্ন দেশীয় কমিউনিটির মধ্যে এমন যেকোন রকম জোট, ঐক্য বা কমন পার্পাসের ভবিষ্যত সম্ভাবনা অঙ্কুর নয়, বীজেই বিনাশ করার দরকার হয়ে পড়ে বৃটিশদের। ১৮৫৭ সালে ভারতে আসা জেম্‌স হুইলারদের অনেককেই বোধহয় এই প্রেক্ষাপটে বৃটিশ নীতির একটা ফ্রন্টের নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে। যেমন অন্য ফ্রন্টে মনে হয় ম্যাক্‌কলে ছিলেন কিছু আগে।

****************************************

সত্যপীর এর ছবি

চরম কমেন্ট। সহমত।

সমস্যাটা অন্য জায়গায়, আসুন ধরি জেমস হুইলার এবং তাবত ইংরেজ ইতিহাস লিখক (লক্ষ্য করুন ইতিহাসবেত্তা লিখিনি, শুধুই ইতিহাস লিখক) হোয়াইট ম্যানস বার্ডেন হিসেবে ভারতবর্ষকে দেখিয়ে গিয়েছেন। এরা কালো এরা পচা এরা খালি মারামারি করে ইত্যাদি ইত্যাদি। ধরুন এসবই সত্যি। এইবার বলুন আমাকে আসল তথ্য দিচ্ছে কে? হুইলার মিথ্যাবাদী কিন্তু সে যা লিখেছে তার কাউন্টার যুক্তি কই? মুর্শিদ কুলি চরম খারাপ লোক আর সিরাজউদদউলা অন্ধকূপ হত্যাকারী এইসব মিথ্যা কথা খুব ভালো কথা, সত্যটা কে লিপিবদ্ধ করেছে কোথায়?

দোষ খালি ওদের আর আমরা ভিক্টিম এইটা ভুয়া কথা। আমরাই বা একটা বই লিখতে পারলাম কই?

..................................................................
#Banshibir.

মন মাঝি এর ছবি

দোষ খালি ওদের আর আমরা ভিক্টিম এইটা ভুয়া কথা।

খালি ওরাই সব বিষয়ে দোষী একথা তো আমি বলি নাই!! "অতিরঞ্জন" বলতে 'পুরো মিথ্যা' বুঝায় না - বরং যাহা কিছু রটে তাহা কিছু বটে টাইপের কিছু একটা বুঝায়। মূলে কিছু সত্যতা আছে (তার পরিমান যা-ই হোক) সেই কথাটারই বরং স্বীকৃতি দেয়া হয়।

আর আমরা ভিক্টিম এইটা ভুয়া কথা

বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের আমরা তো ভিক্টিমই, নাকি ? নাকি আমরা কখনো বৃটেন দখল করেছিলাম ?

আমরাই বা একটা বই লিখতে পারলাম কই?

আপনি বলছেন, এই উপমহাদেশের আধুনিক ইতিহাস-গবেষকরা ভারতবর্ষের ইতিহাসের উপর নতুন বা নিজস্ব গবেষনালব্ধ বইপত্র কিছু লেখেননি ? কিছুই লেখেননি কিম্বা স্রেফ নকলিবাজি করে গেছেন ? অ্যাঁ

কি জানি, আমি তো জানতাম এ বিষয়ে ভুরি ভুরি লেখা হয়েছে, অনেক প্রাইমারি গবেষনাও হয়েছে !! আমারই জ্ঞানের স্বল্পতা হয়তো !

কাউন্টার যুক্তি কই?

আবারো আমারই জ্ঞানের স্বল্পতা হয়তো! আমার এত দিন ধারণা ছিল বহু বিষয়ে/প্রসঙ্গে কাউন্টার-তথ্য/যুক্তি/প্রমান/ব্যাখ্যা/ইন্টারপ্রিটেশন/পার্স্পেক্টিভ পরবর্তীকালের উপমহাদেশীয় অনেক ইতিহাস-গবেষকই দিয়েছেন। ওদের ভুল, মিথ্যা, অতিরঞ্জন, বিকৃতি, ভিত্তিহীন বক্তব্য, ইত্যাদি ধরেছেন অনেক ক্ষেত্রেই। আপনি তাহলে সুনিশ্চিত ভাবে বলছেন এমন কিছু কেউ আদপেই করেনি ?

****************************************

যাযাবর এর ছবি

চলুক

সত্যপীর এর ছবি

বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের আমরা তো ভিক্টিমই, নাকি ? নাকি আমরা কখনো বৃটেন দখল করেছিলাম ?

সর্বনাশ, এইটা বুঝাই নাইরে ভাই। দুঃখিত, আমারই ভুল। আমরা অবশ্যই সাম্রাজ্যবাদের ভিক্টিম, নিঃসন্দেহে। আমি বলতে চাইছিলাম যে আমরা তাদের প্রোপাগান্ডার ভিক্টিম আর ওরা দোষী ওইটা ঠিক নয়।

আবারো আমারই জ্ঞানের স্বল্পতা হয়তো! আমার এত দিন ধারণা ছিল বহু বিষয়ে/প্রসঙ্গে কাউন্টার-তথ্য/যুক্তি/প্রমান/ব্যাখ্যা/ইন্টারপ্রিটেশন/পার্স্পেক্টিভ পরবর্তীকালের উপমহাদেশীয় অনেক ইতিহাস-গবেষকই দিয়েছেন।

আপনার জ্ঞানের স্বল্পতা নয়, আমার খোঁজার ব্যর্থতা। একটা উদাহরন দেই মন মাঝি ভাই। অন্ধকূপ হত্যা নিয়ে ছেলেবেলায় পাঠ্যপুস্তকে পড়েছিলাম যে এইটা মিথ্যা চক্রান্ত ভিত্তিহীন, এমনকী আবছা মনে পড়ে ডিটেল হিসেবও দেয়া ছিল যে ওইটুকু জায়গায় অতগুলো লালমুখো গোরা ঢুকানো অসম্ভব, অতিরঞ্জন। এখন আমি যখন বইএ খুঁজছি তখন সব জায়গায় সিরাজ এবং তার অন্ধকূপ হত্যার কথা ফলাও করে লিখা। তাই আমি কনফিউজড হয়ে যাই, চক্রান্তের কথা কোথায় পাই?

তবে আমি খুঁজি কপিরাইট এক্সপায়ার্ড বইতে, নতুন গবেষনা ভিত্তিক বইতে যদি সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ ইতিহাস লিখা থাকে বিভিন্ন কারনে তা আমার পক্ষে বের করা সম্ভব হয়না। তাই বলছিলাম ওরা দুইশ বছর আগে যে বই লিখে গেছে তার সমসাময়িক আমাদের কেউ কাউন্টার যুক্তিসহ বই লিখল কই? আপনার কথা ঠিক, বর্তমানে এমন বই হয়ত আছে। আমি অনলাইনে বা এদেশের লাইব্রেরীতে পাইনি, পাবোও না। আমি বরং পুরোন বইই অনুবাদ করে যাই, পরে মিলিয়ে দেখা যাবে সত্যাসত্য।

ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

..................................................................
#Banshibir.

দিগন্ত এর ছবি

অন্ধকূপ হত্যা নিয়ে ছেলেবেলায় পাঠ্যপুস্তকে পড়েছিলাম যে এইটা মিথ্যা চক্রান্ত ভিত্তিহীন, এমনকী আবছা মনে পড়ে ডিটেল হিসেবও দেয়া ছিল যে ওইটুকু জায়গায় অতগুলো লালমুখো গোরা ঢুকানো অসম্ভব, অতিরঞ্জন।

একই ইতিহাস আমরাও পড়েছি এবংমনে মনে প্রশ্নও করেছিলাম। প্রশ্নটা এরকম যে গোরার সংখ্যাটা কিছু কম হলে কি অপরাধ লঘু হয়ে যায়? ইংরেজ ঐতিহাসিক অতিরঞ্জন করেছিলেন বটে, কিন্তু ওই অতিরঞ্জনের অজুহাত দিয়ে যদি বলা হয় যে কোনও অন্ধকূপ হত্যা ঘটে নি, তাহলে তা তো আরো একরকমের অতিরঞ্জনই হল।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

সত্যপীর এর ছবি

ঠিক। সত্য ইতিহাস খুঁজে বের করা সহজ নয়।

..................................................................
#Banshibir.

দিগন্ত এর ছবি

কাউন্টার যুক্তিতে আমি খুবই আগ্রহী। আর কোন কোন বই থেকে বিকল্প পাওয়া যাবে সেটা জানা দরকার।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

দুর্দান্ত এর ছবি

১৮৫৭ সালে বা তারো আগে সিখ-ব্রিটিশ যুদ্ধের ঘটনার সাথে বাংগালী বিশেষ করে বেংগল প্রেসিডেন্সির জনতার সংশ্লিষ্টতার কথা বিস্তারিত জানতে পারলে ভালো লাগতো। বাঙ্গালী সিপাহীরা বিদ্রোহে যোগদান করেছে দেশ বাঁচাতে নাকি বেতন-ভাতার অসমতা ও বর্মা-চীনে পাঠানোর বিরুদ্ধে, সেটাও আমাদের খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা ইংরেজদের কথা বলতে বলতে ভুলে যাই যে উত্তর ভারতের সেনারা যে সিস্টেমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে, সেটা একশ বছরের কোম্পানীর পরতে পরতে বাঙ্গালী ও বাংলায় অভিবাসী মারোয়ারী গোমস্তাদের কর্তিত্বের বিরুদ্ধেও। সিপাহী বিদ্রোহের বহুল প্রচারিত সুত্রপাত যে পশুর চর্বি লাগানো কোকা, সেই চর্বির সরবরাহকারি কোম্পানিও বাংগালী গঙ্গাধর ব্যানার্জি এন্ড কোম্পানি।

উত্তর ভারতীয় সংগ্রামীদের মধ্যে জনতার অংশগ্রহন সীমিত ছিল। যেখানে জনতা সংগ্রামে অংশগ্রহন করেছে, সেটা তারা পেরেছে/করেছে স্থানীয় সমন্তদের সমর্থনে। নানা সাহেব ঝাসির রানী, এরা এই দলে। কিন্তু যেসব রাজ্য বা তালুকে পুরুষ উত্তরাধিকারি ছিল, মানে যারা 'ডক্ট্রিন অফ ল্যাপ্সচ' এর আওতায় পড়েনি, তারা কেউ ইংরেজদের বিরুদ্ধে যায়নি। তাই তাদের এলাকার জনতা সংগ্রামে অংশগ্রহন করেনি/করতে পারেনি। আবার স্থানীয় জমিদারির চাইতে কোম্পানি জমিদারি যাদের পছন্দ হয়েছিল, সেখানেও কোন সংগ্রামই হয়নি। মিরাটের পাশেই মোজাফফরাবাদ। যেখান কোম্পানির সেচপ্রকল বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, সেখানে কোন সংগ্রামই হয়নি।

এবার ভাবুন, বাংলা ও বিহারে জমিদারীগুলো যেমন 'ডক্ট্রিন অব ল্যাপ্স' এর আওতায় হুট করেই লাটে উঠে গিয়ে হাতবদল হয়ে যাচ্ছিল, তেমনটি যদি উত্তর ভারতে নতুন অধিকৃত অঞ্চলেও হতে শুরু করতো, তাহলে সেই নিলাম জেতার সম্ভাবনা কাদের সবচাইতে বেশী ছিল। আমি হলফ করে বলতে পারি কোলকাতার নব্য দালাল শ্রেনীর লোকেদের কাছে টাকার অভাব ছিলনা। থাকলেও উত্তর ভারতীয় ব্যাঙ্কাররাই অর্থায়নের ব্যাবস্থা করে দিত। কোম্পানী শাসন বলবত থাকলে উত্তর ভারত বাঙ্গালী ভিক্টোরিয়ান জমিদারদের উপনিবেশে পরিনত হত। আর ইংরেজদের এই শ্রেনীটি থেকে ভয় পাবার কোনদিনই কিছু ছিলনা।

মনমাঝির 'দ্বিতীয় ন্যারেটিভ' থিওরিটি তাহলে কাদের জন্য প্রয়োজন ছিল? বাংগালী জমিদারদের জন্য এর কোন প্রয়োজন নেই। কেননা এরা ব্রিটিশদের শত্রু নয়, এবং তারা বেঁচে থাকতে কষ্ট করে জনতার জন্য কোন ন্যারেটিভ তৈরীর কি দরকার? অধিকৃত প্রদেশ (পরে উত্তরপশ্চিম প্রদেশ ও ঔধ) এর বাইরে ১৭৫৭ সালের সংগ্রাম নিয়ে কারো কি কোন মাথাব্যাথা ছিল?

সত্যপীর এর ছবি

ডকট্রিন অফ ল্যাপস নিয়ে আগ্রহ জাগছে।

..................................................................
#Banshibir.

আসিফ হাসান এর ছবি

ইংরেজদের নিজেদের মহান দেখানো ও ডিভাইড এন্ড রুল পলিসি নিয়ে কোন সন্দেহ নেই কিন্তু সন্দেহ আছে সেটাকে কাউন্টার করতে গিয়ে তাদের ভিকটিমদের অতিরিক্ত চুনকাম করে ফেলা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে। কোন সম্রাট বা নবাব পুরোপুরি ভাল মানুষ নন এটা সর্বজনবিদিত কারন গদি টিকিয়ে রাখার জন্য এমন অনেক কিছুই করতে হয় যা ভাল মানুষের পক্ষে সম্ভব না। সংগে গদির বিষক্রিয়াতে হিতাহিত জ্ঞান লোপ পাওয়ার ব্যাপারটাও মাথায় রাখতে হবে। Absolute power corrupts absolutely।

মুর্শিদ কুলী খান হোক বা সম্রাট কণিষ্ক বা বিজয় সিংহ বা সিরাজউদ্দৌলা, মারা যাবার পর সবাইকে সুপারম‌্যান বানানোর চেষ্টা হয়। ইংরেজরা তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাদের আমলের লোকগুলোর নামে কালিমা লেপন করেছে ঠিকই কিন্তু এরা কেউই সিদ্ধ সাধুপুরুষ ছিলেন না সেটা নিশ্চিত। নিজের দেশের লোকদের হিরো বানানো সবদেশের কমন ব্যাপার যেমন রিচার্ড দ্য লায়নহার্টকে নিয়ে নানা পল্লীকথা চালু থাকলেও এটা এখন সবাই জানে যে ঐ লোকের রাজ্য চালানোর বেইল ছিলনা। এমন গন্ডায় গন্ডায় উদাহরন দেয়া যায়। সাধারনত সম্রাট বা নবাবরা সুবিধাবাদী মানুষ হন যারা নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অনেক ছাড় দিতে রাজী থাকেন। হিরোরা উঠে আসে সাধারন মানুষের কাতার থেকে তাই সিপাহী বিপ্লবের পর ফাঁসীতে ঝোলে সাধারন সেপাই আর বাহাদুর শাহরা হন নির্বাসিত। তাই যেকোন শাসকের ভাল এবং খারাপ দুটো দিক হাইলাইট হওয়া দরকার। এবং দুটো ভার্সন পড়ে নিজের মত করে সিদ্ধান্তে আসাই ভাল যে সে লোক কেমন ছিল। কারো কাছে গান্ধী সেরা নেতা কারো কাছে সুভাষ বোস। সবাইকে খুশি করা ঈশ্বরের পক্ষেই সম্ভব নয়, মানুষতো কোন ছাড়! দেঁতো হাসি

পীরব্রো, আপনার টিপিক্যাল রসালো বিবরণী একটু সিরিয়াস হয়ে যাওয়ায় হয়তো এই লেখাকে খুব সিরিয়াসলী নেয়া হচ্ছে। এটার প্রতিকার কি জানিনা। আমার কিন্তু বেশ ভালই লাগছে কারন পড়ার পর নিজে আবার কিছু রিসার্চ করে বা নিউরনগুলো ঘেটে হুইলারকে কিছু গালিগালাজ করার মাধ্যমে আর কিছু না হোক ইতিহাসের পাতাগুলো আবার ফিরে দেখা হচ্ছে। চলতে থাকুক। (বিজয় সিংহের দিকে যাবেন নাকি? একি সংগে শ্রীলংকার আধুনিক জাতিস্বত্তার প্রবর্তক এবং জেনোসাইড ও এথনিক ক্লিনসিন এর প্রবাদ পুরুষ গুরু গুরু )

সত্যপীর এর ছবি

পীরব্রো, আপনার টিপিক্যাল রসালো বিবরণী একটু সিরিয়াস হয়ে যাওয়ায় হয়তো এই লেখাকে খুব সিরিয়াসলী নেয়া হচ্ছে। এটার প্রতিকার কি জানিনা। আমার কিন্তু বেশ ভালই লাগছে কারন পড়ার পর নিজে আবার কিছু রিসার্চ করে বা নিউরনগুলো ঘেটে হুইলারকে কিছু গালিগালাজ করার মাধ্যমে আর কিছু না হোক ইতিহাসের পাতাগুলো আবার ফিরে দেখা হচ্ছে।

খাঁটি কথা। আমি কোন ইতিহাস পন্ডিত নই, সচলে জ্ঞানদান আমার উদ্দেশ্য নয়। আমার উদ্দেশ্য বাংলা তথা ভারতবর্ষকে নিয়ে লিখা পুরোন বই তর্জমা করা, বিবিধ কারনে ওইসব বই হয়তো সবার পড়া হয়ে ওঠেনা। কিন্তু এইখানে তর্জমা করার পরে লোকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে, এই ব্যাটা সত্যপীর আজাইরা দেশের লোকের বদনাম করিস ইংরেজের ধামাধরা আরও কত কি হাহা। কিন্তু ফাঁকে ফাঁকে আপনি আমি এবং আরো অনেক সহসচল যে চমৎকার ইতিহাস আলাপে মেতে উঠি ঐটে আমার এইসব হাবিজাবি পোস্টের সবচাইতে বড় কৃতিত্ব।

..................................................................
#Banshibir.

দিগন্ত এর ছবি

আমি একমত যে আমরাও খুব একটা সাধুপুরুষদের হাতে ছিলাম না আর ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের আমলে আমাদের দেশপ্রেম উথলে পড়ার ফলে এরা মহাপুরুষের স্থান নিয়ে নিয়েছে।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

Himadri এর ছবি

চরম চলুক

স্বপ্নহারা এর ছবি

গুরু গুরু

আমি ঠিক বুঝতেছিনা, লুকজন খালি প্যাঁচায় কেন। ইংরেজদের লেখা ইতিহাসের রসালো অনুবাদকে কেন লুকজন হোলি বুকের অপমান হিসাবে দেখতেছে! আপ্নে অনুবাদক, ঐতিহাসিক না, সেইটা কোটি বার কওয়ার পরও লুকজন আইস্যা, "এ ভাই, এ কি লিকেচেন। সব মিছা কতা। আপ্নে মিছা কচ্ছেন ক্যান!"

আমিতো মজাই পাচ্ছি। আমাদের পাঠ্যবইতে কালাপাহাড় থেকে শুরু করে সকল নবাবদের ফেরেশতাসম হারকিউলিসের ভাবমূর্তি মুখস্থ করে তাদের আমরা সুপার হিউম্যান হিসেবে দেখতে শিখেছি। ইতিহাস বইতে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস তিন প্যারায় শেষ করে হিন্দু আর মুসলিম শাসনের ইতিহাস আর ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাস নিয়ে চ্যাপ্টারের পর চ্যাপ্টার পড়েছি। কিন্তু সেই ইতিহাসের ভিন্ন আঙ্গিক টা আপনি আমাদের দেখাচ্ছেন। তাই আমি অনুবাদ্গুলো খুবই ভাল পাচ্ছি।

সবাই দোষে-গুণে মানুষ। রাজা-রাজড়া সবার সামনেটা দেখেছি, পেছনের কাপড় খুলতে থাকেন! ঐটাও দেখা দরকার। এইখানে সত্য কতখানি সেইটা দেখানো আপনার দায়িত্ব না। সাথে অনেকের সাথে যে ইতিহাসের আলোচনা উঠে আসছে সেটা অনেক বড় পাওয়া।

এর পর কার কাপড় খুলবে? চোখ টিপি অনেক মহানের খুলেছেন, দু্যেকটা মহীয়সিরও খোলার দাবী জানাই চোখ টিপি

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

সত্যপীর এর ছবি

যা পড়ছি তাই লিখছি ভাইয়া, নানাবিধ লোকে মূল লিখার ভুল ধরিয়ে দিচ্ছে আবার উল্টোপিঠটাও দেখাচ্ছে। অতি চমৎকার। মনে হচ্ছে আসরে বসে বই পড়ছি আর শেষে লোকে হাত তুলছে, "এইটা কি সত্যি...?"

দূর ভবিষ্যতে নবাব সিরিজ চালিয়ে যাবো কিছুদিন দেখি। এরপরে আবার ঔপনিবেশিক ইতিহাস। ব্যাক টু মোগল। আবার হয়তো হিন্দু বৌদ্ধ যুগ। ডিপেন্ড করে হাতের কাছে কি পাই তার উপর।

ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনি ও আপনার পরিবার ভালো?

..................................................................
#Banshibir.

স্বপ্নহারা এর ছবি

ব্যাচমেট না আমরা? শ্যালিকা কি জুনিয়র বিয়ে করছে? চোখ টিপি নাকি বাপ হওয়াতে লুকজন সিনিয়র ভাবে? ইয়ে, মানে...

চলতেছে। আপনেরা এসে ঘুরে যান এদিকে।

ভিন্নমতে সমস্যা নেই। কিন্তু বইয়ে লেখা আছে মানেই সেটা সত্য এইরকম ভাবার মানুষ আমাদের মধ্যে অনেক বেশি। তাই প্রথমে এক বই মাথায় ঢুকে গেলে সেটার ভিন্নদিক যে আছে সেটা আর কেউ গ্রহণ করতে চায় না। ধর্মগুরু অনেককে ওয়াজ-প্রার্থণা-বাণীতে বলতে দেখি, "আমার কথা না, বইয়ে লেখা আছে এটা"। আমি এই ভিন্নদিক গুলো আপনার লেখায় পাচ্ছি সেজন্যে চলুক, অনেক কিছু জানতেও পারছি কমেন্ট-আলোচনা থেকে।

যাউজ্ঞা, পীর সাহবের বহু নাম ছড়াইয়া গেসে। ছাগু সমাজে পীর সাবের উপরে বিলা বহু লুকজন পাইতেছি। হাসি

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

সত্যপীর এর ছবি

শ্যালিকা কি জুনিয়র বিয়ে করছে? নাকি বাপ হওয়াতে লুকজন সিনিয়র ভাবে

হিঃ হিঃ। জুনিয়রই তো, বয়েস মোটে পুনরো। খাড়ান খোমাখাতায় রিকুয়েস্ট পাঠাই।

যাউজ্ঞা, পীর সাহবের বহু নাম ছড়াইয়া গেসে। ছাগু সমাজে পীর সাবের উপরে বিলা বহু লুকজন পাইতেছি।

এইবার শান্তিতে মরতে পারবাম।

..................................................................
#Banshibir.

ধুসর গোধূলি এর ছবি

অনেক মহানের খুলেছেন, দু্যেকটা মহীয়সিরও খোলার দাবী জানাই

হ। জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন করা ঠিক না। এইটা আমরা হতি দিতি পারি ন।

স্বপ্নহারা এর ছবি

হ। অর্ধেক তার করিয়াছে নারী সেইটা ভুল্লে কেম্নে কী!

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

দুর্দান্ত এর ছবি

বাহারে, ইংরেজরা কইতাছে তুর্কীরা বাঞ্চোত। এতে আমাদের বাংগালীদের এতো জ্বলে কেন?

সত্যপীর এর ছবি

গুল্লি

..................................................................
#Banshibir.

স্বপ্নহারা এর ছবি

হাততালি

-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...

দিগন্ত এর ছবি

হক কথা !!


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

কৌস্তুভ এর ছবি

পচা অনুবাদকের পচা সিরিজ আমরা পচা লোকেরা উপভোগই করছি খাইছে

সত্যপীর এর ছবি

খাইছে

..................................................................
#Banshibir.

মুনসুর সজিব এর ছবি

বেশ ভালো লাগলো।

প্রখর-রোদ্দুর এর ছবি

পড়তে থাকি ।
চালিয়ে যেতে থাকুন-

Nat এর ছবি

চালের দাম তিনি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রিত রাখতেন, তার চর ছিল সবদিকে। দাম বাড়ানোর কেউ চেষ্টা করলেই নেমে আসতো আযাব, সকল ব্যক্তিগত লেনদেন নিষিদ্ধ করে বাজারে মাল বিক্রয় বাধ্যতামূলক করা হয়। চাল রপ্তানী নিষিদ্ধ করা হয়, আর ইয়োরোপীয় জাহাজে দরকারের বেশি এক ছটাক চালও তিনি ওঠাতে দিতেননা।
ভুল করে পরশংসা করে ফেললো মনে হয় খাইছে

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।