দিগ-বিদিগ

সাবিহ ওমর এর ছবি
লিখেছেন সাবিহ ওমর [অতিথি] (তারিখ: সোম, ৩০/০৮/২০১০ - ১:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি রাস্তাঘাট চিনি না। একই রাস্তা দিনের একেক সময় একেক রকম লাগে আমার কাছে। তার উপর আমি, বাংলায় যাকে বলে, দিগ্বিদিজ্ঞানশূণ্য। স্কুলের বাংলা বইয়ে বেগম রোকেয়ার একটা লেখায় ছিল, এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করা হলো তোমার দক্ষিণ হস্ত পূর্বে আর উত্তর হস্ত পচ্চিমে থাকিলে তোমার মুখ কোনদিকে থাকিবে? ছাত্রের উত্তর ছিল, আমার পশ্চাত দিকে (আমার ধারণা সে ‘মুখ’ ব্যাপারটা ভালমত ধরতে পারে নাই)। যাই হোক, আমার অবস্থা এর চেয়ে সামান্য ভাল। অন্তত অগ্র-পশ্চাত-আপ-ডাউনে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু নর্থ-সাউথ, ইস্ট-ওয়েস্ট? ইস্ট-ওয়েস্ট মহাখালিতে জানি, চাকরি খুঁজতে গেছিলাম একবার; নর্থ-সাউথ দর্শনের সৌভাগ্য হয় নাই।লোকজন বলে আকাশে সূর্যের পোজিশন দেখে নাকি দিশা ঠিক করে নেওয়া যায়। কিন্তু আমি তো সূর্য সবসময় এক জায়গাতেই দেখি...উপ্রে।

 
তাই আর হলো না। সব মিলিয়ে একটা দুষ্টচক্রের মধ্যে পড়ে গেছি। রাস্তাঘাট চিনি না বলে ঘর থেকে বের হই না, আবার বের হই না বলে রাস্তাঘাটও চিনি না। দুই একবার চেষ্টা করি নাই তা-না, কিন্তু তিনটা মোড় ঘুরলেই আমার মাথায় পেজগি লেগে যায়। দেশে থাকতে দোকানের সাইনবোর্ডে রাস্তার নাম দেখে হাতড়ে হাতড়ে কোনভাবে রাস্তা খুঁজে নিতাম। আর মামা-চাচার তো অভাব নাই। কিন্তু আম্রিকা এসে দেখি মহা মুশকিল। সব বাড়ি একরকম, সব রাস্তা, দোকানপাটও। এমনকি ম্যাপ দেখেও কিছু চিনি না। ম্যাপটা সোজা করে ধরেছি, না উল্টো করে সেটা বুঝতে পারলেও হত। মামা-চাচা-খালারও খুব যে অভাব তা-না, বরং সাহায্য চাইলে দরকারের চেয়ে বেশিই পাওয়া যায়। তারপরও সাইফুর’স এর কোচিং করা নাই বলেই কিনা কে জানে, মাতৃভাষায় বাৎচিত করার সময় যে ইংরাজি পেটের ভিতর ভুটভুট করে, সায়েবদের দেখা মাত্র সেটা পেটের ভিতরেই শুকিয়ে যায়, জিভ পর্যন্ত আর আসে না। দেশোয়ালি গাড়িয়াল ভাইরা না থাকলে তাই একেবারে আক্ষরিক অর্থেই মাঠে মারা যেতাম। এখন পর্যন্ত তাদের ঘাড়ে চড়েই এদিক-ওদিক ঘুরে নিচ্ছি। রবিগুরু বোধহয় এরকম সিচুয়েশনে পড়েই লিখেছিলেন, “এমনি করে যায় যদি দিন, যাক না!”
 
তারপরও মনে বেজায় দুষ্ক। বাসার মেনি বেড়ালটাকে বস্তাবন্দি করে ফেলে আসলে সে-ও তো পথ চিনে ফিরে আসতে পারে। আমি কেন পারি না? যাকে বলে রীতিমত পৌরুষে আঘাত! আবার ব্লগে উষ্টুম-ধুষ্টুম লেখার সময় মাঝে মাঝে এও মনে হয় যে ভাল গল্প-টল্প লিখতে হলে, মানে সুহান রিজওয়ানের মত সিরিকাস গল্প লিখতে গেলে, রাস্তাঘাট চেনা খুব দরকার। অলিগলি তস্যগলি না চিনলেও চলে, কিন্তু কমন কিছু জায়গা চেনা অতি জরুরি। যেমন ধরেন, আপনি যদি রাস্তাঘাট ভাল চেনেন তাহলে পূর্ণিমা রাতের বর্ণনা দিবেন এইভাবে, "অপূর্ব অমুক জায়গা থেকে এত নম্বর বাস ধরে এসে নামল শাহবাগে। শাহবাগের মোড়ে, যেখানে দুপুর বেলা ক্লান্ত ট্রাফিক পুলিশ অমুক পরিবহনের টিকেট কাউন্টারের ছাতার নিচে জ্বরছাড়া রুগীর মত একটানা ঘেমে যায়, ঠিক সেখানটায় দাঁড়িয়ে আমি আকাশের দিকে চোখ ফেরালাম। পশ্চিম আকাশের এক কোণে সদ্য ছুঁয়ে দেওয়া লজ্জাবতী পাতার মত জবুথবু হয়ে আছে কাঁপা কাঁপা এক ফালি চাঁদ, জাদুঘরের কার্নিশে তার প্রতিফলন এক চতুর্মাত্রিক স্পেসের দ্যোতনায়…” ইত্যাদি ইত্যাদি। কিংবা মহামতি সুহানকেই কোট করি,
 
"আরামবাগের সবুজ রঙের একটা মেসবাড়ির তেতলার কোণার ঘরে থাকা সেই লোকটা। সকাল বেলার ইঁদুর দৌড়ে যখন শহর ব্যস্ততায় জাগতে চায়, তখন ভীড় ঠেলে আরামবাগ থেকে নিউমার্কেটের বাসে ওঠার পর অপরিষ্কার শার্টের যে লোকটাকে আপনি প্রায়ই সহযাত্রী হিসেবে খুঁজে পান-এই গল্পের আরম্ভ হতে পারতো সেই লোকটার কথা দিয়ে।লোকটার সাথে আপনার আরো সাক্ষাৎ হতে পারে নিউমার্কেট ডাক অফিসের করণিকের টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে, সাক্ষাৎ হতে পারে অলস বিকেলে লালবাগ দূর্গের বাগানে, সাক্ষাৎ হতে পারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে টিএনটি কলোনীর বাদামের খোসা ছাড়ানো রাস্তায়।"
 
এইটা তো আমার পক্ষে সম্ভব না।আমি সারা জীবন বাসে ওঠার দুই মিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েছি, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা-তেলাপোকা-বমি-পকেটমার কোন কিছুই তাতে বাদ সাধতে পারেনি। রাস্তাঘাট খেয়াল করব কোত্থেকে? আরামবাগ বা টিএন্ডটি কলোনি যে কোন দুনিয়ায় আমার কোন আইডিয়াই নাই। যদি কোনদিন আরামবাগ যাওয়াই লাগে, আসাদ গেটে গিয়ে ‘আরামবাগ’ লেখা একটা বাসে চড়ে বসে দে ঘুম। আর শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে (আসলে ওখানে কোথায় ‘দাঁড়ানো’ যায় সেটাই এতক্ষণ ভেবে বের করতে পারলাম না) পশ্চিম দিক কোনটা সেটা বের করতে আমার রীতিমত কম্পাস লাগবে। শাহবাগের মোড় বাদ দেন। আমি বেনামাজি মানুষ, নিজের বাসাতেই এক গেস্ট পূর্ব দিক কোনটা জিজ্ঞেস করায় হ্যাং হয়ে গেছিলাম (পৃথিবীকে গ্রাফোসম্যানের মানচিত্রের বইয়ের মত ফেলেট ধরলে মক্কা বোধহয় এখান থেকে উত্তর-পূর্বে হয়, ঠিক পূর্বে না)।
 
পরে গুগল আর্থে নিজের বাসা বের করে জুম আউট করে দেখে নিয়েছিলাম যে আমার বিছানায় শুলে আটলান্টিক ওশান পড়ে হাতের ডানে, আর প্যাসিফিক বামে।কিন্তু আজকে আবার মনে করতে গিয়ে দেখি বিছানার কোন দিকে মাথাটা পেতেছিলুম সেটাই বেমালুম ভুলে বসে আছি! গররর…


মন্তব্য

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

ব্যক্তিগত আক্রমণ কর্তাসেন কিন্তু দেঁতো হাসি

... লিখাটার মাঝে কেমন একটা নারায়ন গঙ্গোপাধ্যয় ভাব আছে মনে হইলো। মনে হচ্ছিলো টেনিদা বাকি তিনমূর্তিকে গল্প শোনাচ্ছে।

_________________________________________

সেরিওজা

সাবিহ ওমর এর ছবি

ব্যাটা ফাউ ফাউ এডভার্টাইজ করলাম যে চোখে পড়লো না? উপকারীকে বাঘে খায়...

নৈষাদ এর ছবি

যাক, আন্তত একজন পাওয়া গেল। অদ্ভুত কান্ড, মানুষজন নির্দেশনা দেয় – চৌরাস্তায় গিয়ে উত্তর দিকের বাসাটা, পশ্চিমে যে রাস্থাটা চলে গেছে... রাতের বেলা কঠিন ব্যাপার।

“এমনি করে যায় যদি দিন, যাক না!” – রবিগুরুর নাকি? জানতাম না, মনে করতাম সুবীর নন্দীর।

বাউলিয়ানা এর ছবি

দেশে দিকবিদিক না জানা থাকলেতো সমস্যা নাই। আশপাশের একজনরে জিজ্ঞাসা করলেই দিশা পাওয়া যায়। কিন্তু বৈদেশে! ম্যাপ চিনে চলতে না জানলে খবরই আছে!

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

আপাতত লেখার উপ্রে আটলান্টিক, নিচে প্যাসিফিক হয়া আছে।
পইড়া মজা পাইলাম বাই দা ওয়ে হাসি

[আমি কিন্তু সবসময় দিক বলে ডিরেকশন দেই। আমার বন্ধুবান্ধবেরা খুব খেপে যায় এতে মন খারাপ ]
__________________________
Any day now, any day now,
I shall be released.


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

দ্রোহী এর ছবি

আপাতত লেখার উপ্রে আটলান্টিক, নিচে প্যাসিফিক হয়া আছে।

আমি কথাটা বলার জন্য নিচে নামতে গিয়ে দেখি আপনে লিখে ফেলেছেন। মন খারাপ


কি মাঝি, ডরাইলা?

মূলত পাঠক এর ছবি

তোফা!

কৌস্তুভ এর ছবি

ব্লগরব্লগর ভালু পাইলাম। হাসি

দ্রোহী এর ছবি

দুর্দান্ত লেখা! চমৎকার সেন্স অফ হিউমারের প্রকৃষ্ট উদাহরণ!


কি মাঝি, ডরাইলা?

মহাস্থবির জাতক এর ছবি

আমার মতো দিক্কানা আরো খুঁজে পেয়েছি ভেবে ভালো লাগছে। আমার বাবা আবার এসব ব্যাপারে চ্যাম্পিয়ন। ঠিকানা না জেনেই বাসা খুঁজে বের করে ফেলেন। হায়, বাবার কোন গুণই পেলুম্না।

কেম্নে মানুষ দিক বুঝে?
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

তিথীডোর এর ছবি

হো হো হো

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

সাবিহ ওমর এর ছবি

ইসব কী? এত করে বললাম ফরম্যাট করে দিতে, দিলই না! এইটা লাস্ট ওয়ার্নিং, এরপর যদি ঠিক না হয়...

দ্রোহী এর ছবি

এরপরও যদি ঠিক না হয় তাইলে আপনার পা আছে না? হো হো হো

আপনের পাসওয়ার্ড আমারে মেসেজ করেন। আমি ফরম্যাটিং ঠিক করে দিই। হো হো হো হো হো হো


কি মাঝি, ডরাইলা?

সাবিহ ওমর এর ছবি

মাঝি ডরাইসে...

এশার এর ছবি

শব্দটা হবে "দিগ বিদিক"।

সাবিহ ওমর এর ছবি

অনেগ সর্দিতো, ক গলতে পারছিঙ্গা...

নাজনীন খলিল এর ছবি

মজার লেখা। ভাল লাগল।

অস্থির চিত্ত [অতিথি] এর ছবি

যাক! এই দুনিয়ায় আমি একাই দিক কানা নই দেঁতো হাসি:D
লেখা ভালু পাইলাম দেঁতো হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

ভালা কথা মনে করায়া দিলেন ভাইডি। হোস্টলে নতুন ভর্তি হওয়ার পর আমার ধর্মপ্রান বন্ধু শুধাইল, দোস্ত, পশ্চিম কোন দিকে ?
আমি কইলাম, টাট্টিখানায় একটা ট্যুর দিয়া আয়, দুইটা দিক অটো ক্যানসেল হবে। এবার ফিফটি ফিফটি অপশন থেকে টিক দে দেঁতো হাসি.

অদ্রোহ।

অতিথি লেখক এর ছবি

লেখা চরম লাগলো। আমারও অনেকটা এই সমস্যা হয়।
বন্ধুদের বাসায় জন্মদিন খেতে যাই। পরের বছর আর বাসা চিনি না।
ভয়াবহ অবস্থা।

অতিথি লেখক এর ছবি

এখানে আসার আগে থেকেই জানতাম এখানে ফ্রী বাস, আর সব বাসই ভার্সিটির দিকে যায় বা ভার্সিটি থেকে ছেড়ে আসে। কিন্তু র‍্যুট চিনতে গিয়া দেখি আর কিছু বুঝিনা। হাতে একখান ম্যাপ নিয়ে একদিন সকালে হাটা দিলাম, মোড়ে মোড়ে গিয়া নিজের পজিশন কই সেটা খোঁজার চেষ্টা করি, কিন্তু কিছুতেই আর কিছু চিনিনা। তারপর হারায়া গিয়া আন্দাজী হাটতে হাটতে দেখি আমার ডিপার্টমেন্টের সামনে চলে আসছি। এবার ম্যাপে নিজের অবস্থান খুঁজে পেয়ে, ম্যাপ দেখে বাড়িতে চলে গেলাম। সেযে কি স্বস্তির ব্যাপার ছিল। গতকাল ও বাস থেকে নেমে পথ হারালাম, তখন সান্ত্বনা ছিল, ব্যাগেতো ল্যাপটপ আছেই, জংগলে কিছুক্ষণ হেটে অবশ্য একজনকে জিজ্ঞেস করে পথ খুঁজে পেয়েছি। একটা জিপিএস ট্র্যাকার কিনতে হবে।

লেখা অসাধারণ লেগেছে।

সজল

অতিথি লেখক এর ছবি

যাক, আমার মত আরো দিককানাদের পেয়ে খুব ভাল লাগছে। অনেক কষ্টে একটা রুল শিখেছি। পুবে মুখ করে দাঁড়ালে বাম দিকটা উত্তর। কিন্তু ঘাঁড় উচু করে চোখে পানি এনে সূর্যের দিকে তাকিয়ে, তারপর আবার এটা আবার পূর্বাহ্ন না অপরাহ্ন মানে সূয্যিমামা নিজেই পুবে না পশ্চিমে এসব হিসেব করে দিক ঠিক করা আমার কাছে স্টাটিসটিক্স এর চাইতেও কঠিন মনে হয় (এইচ, এস, সি তে স্টাটিসটিক্স খুব জ্বালিয়েছিল)। আচ্ছা ভাই অনিন্দ্য, সূর্য যখন আসলেই ঠিক মাথার উপরে বা পায়ের নিচে তখন দিক কিভাবে ঠিক করব একটু বলবেন।

সাবিহ ওমর এর ছবি

সবাইকে ধন্যবাদ হাসি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

১. লোকে যখন বলে, "আমাদের বাসার ডান পাশের বাসাটা", তখন আসলে কী বোঝায়? এটা কি তার বাসায় ঢোকার সময় ডানদিকে না বের হবার সময় ডান দিকে?

২. "অপজিটে" বলতে লোকে আসলে যে কী বোঝায় তা বুঝিনা। আমি এই পর্যন্ত "অপজিটে"র মানে খুঁজতে ডানে, বামে, সামনে রাস্তার উলটা দিকে, বাসার পিছনে সব রকম উদাহরণই পেয়েছি।

৩. একটা ম্যাপ সোজা করে ধরলে তার উপরের দিকটা উত্তর, নিচেরটা দক্ষিণ, ডান হাত পূর্ব আর বাম হাত পশ্চিম হবার কথা। কিন্তু ছাপানো ম্যাপগুলোর মধ্যে সবাই যে এই নিয়ম মেনে চলে তা নয়। আবার ছাপানো ম্যাপে খুব কমই যেটা মানা হয় সেটা হচ্ছে স্কেল। তাই দিক বা দূরত্বের জন্য ছাপানো ম্যাপের উপর ভরসা করলে বিপদ আছে।

৪. "এখান থেকে পনের মিনিটের রাস্তা"-এই কথার মানে কী? পনের মিনিট কি হাঁটবো নাকি গাড়ি চালিয়ে যাব? গাড়ি চালালে গাড়ি কত স্পীডে চালাবো?

এই সব প্রশ্নের কোনো উত্তর নাই। তাই পথ চলাতে "মাওলা ভরসা" বলে নেমে পড়ুন।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

কি ব্যাপার সচলে তো ফাটাফাটি লেখকদের একটা জোয়ার চলছে মনে হয়! অসাধারণ ভাল লাগল আপনার লেখা!

সাবিহ ওমর এর ছবি

আপনার মুখ থেকে এটা শুনে গর্বিত বোধ করছি। আপনার লেখা দারুণ লাগে।

মুস্তাফিজ এর ছবি

দিক নিয়ে সমস্যা না হইলেও আমার সমস্যা অন্যখানে যখন কাউকে জিজ্ঞেস করে উত্তর পাই "এই তো সামনেই"

...........................
Every Picture Tells a Story

নিবিড় এর ছবি

এইটা একটা বিরাট সমস্যা। আমার পিতাজান আমাকে কোন জায়গার ঠিকানা দেওয়ার সময় ঠিকানা দেয় ঠিক এইভাবে- মসজিদের উত্তর পাশ দিয়ে যে গলিটা গেছে সেইটা দিয়ে পশ্চিম পাশের তিন নম্বর বাড়িটা। এই ঠিকানা দিলেন বলেন কেমনে ঢাকা শহরে কোন বাড়ি খুজে পাই মন খারাপ


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

সিরাত এর ছবি

জিপিএস ইউজ করবা!

সাবিহ ওমর এর ছবি

গাড়ি নাই যে! আর জিপিএস তো চলে সিরাতুল মুস্তাকিমে। যেখানে ধুপ করে রাস্তা ক্রস করে ফেললেই হয়, সেখানে জিপিএস আরো দুই মাইল ঘুরায় আনবে ইউটার্নের জন্য খাইছে

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।