Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

এরশাদাদু (৭০ বছর বা তদুর্দ্ধ)

সৌরজগতে স্বাগতম

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৯/০১/২০১২ - ৯:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকাল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চমকপ্রদ সব কাজ করতে পারেন। ধরুন কেউ যদি চাঁদে যেয়েও ম্যাচের কাঠি জ্বালায়, সেই আলোক শিখাও তারা নির্ণয় করতে পারবেন। অনেক দূরের নক্ষত্রদের সামান্যতম চঞ্চলতা আর টলোমলো গতিবিধি থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাদের আকৃতি, প্রকৃতি এমনকি আমাদের দৃষ্টিসীমার বাইরে বহুদূরে অবস্থিত গ্রহেরও সম্ভাব্য বসবাস যোগ্যতা নির্ণয় করতে পারেন। এই গ্রহগুলা এতই দুরে যে সেখানে যেতে নভোযানে করে আমাদের ৫ লক্ষ বছর লেগে যাবে। রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে তারা এত অসম্ভব রকমের মৃদু বিকিরণ গুচ্ছ ধরতে পারেন যে সেই প্রথম থেকে শুরু থেকে(১৯৫১ সাল থেকে) এ পর্যন্ত যত বর্হিঃ সৌরজগতীয় শক্তি তারা সংগ্রহ করেছেন তার মোট পরিমাণ কার্ল সেগান এর ভাষায় "একটা তুষার কণা যে শক্তিতে মাটিতে আঘাত করে তার থেকেও কম"।


কিভাবে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করবেন (শেষাংশ)

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৬/১২/২০১১ - ৭:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে সবথেকে বিস্ময়কর হচ্ছে যে শেষ পর্যন্ত সবকিছু কতটা ঠিকঠাক ভাবে ঘটেছে আমাদের জন্য। ধরুন মহাবিশ্ব যখন গঠিত হচ্ছিলো তখন যদি সামান্য একটু অন্যভাবে ঘটতো যেমন অভিকর্ষ যদি ভগ্নাংশ পরিমাণ শক্তিশালী বা দুর্বল হতো, যদি মহাবিশ্বের প্রসারণ সামান্য একটু দ্রুত বা ধীরগতিতে ঘটতো তাহলে হয়তো আপনাকে আমাকে বা আমরা যার উপর দাড়িয়ে আছি তা তৈরির জন্য যে স্থায়ী উপাদান(স্টেবল এলিমেণ্টস) দরকার তাই থাকতো না। অভিকর্ষ যদি কানাকড়ি পরিমাণও শক্তিশালী হতো তাহলে আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড হয়তো চুপসে যেত অনেকটা ভুল ভাবে টাঙ্গানো তাঁবুর মত, নির্ভুল মানের অভাবে যার সঠিক মাত্রা,ঘনত্ব আর গঠনের উপাদানগুলি হতো না। যদি সামান্য দুর্বল হতো, তবে কোনকিছুই সংযুক্ত হতো না, তখন আজীবনের জন্য মহাবিশ্ব হতো নিষ্প্রভ, ইতস্তত ছড়ানো শূন্যতা।


কিভাবে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করবেন (ক্রমশ)

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১২/১২/২০১১ - ৯:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অবশ্য এখনো অনেক কিছুই আমরা জানি না এবং অনেক কিছুই যা আমরা জানি বা জানতে পেরেছি তা জানতাম না দীর্ঘ সময় ধরে। এমনকি বিগ ব্যাং এর ধারণাটিও বেশ হাল আমলের। ১৯২০ এর দশকে এই ধারণাটি আলোচনায় আসে যখন এর প্রথম নিরীক্ষামূলক প্রস্তাব করেন এক বেলজিয়াম পণ্ডিত-পাদ্রী জর্জ লেমিত্রার, কিন্তু এটি কসমোলজিতে স্থায়ী আসন পায় ১৯৬০ দশকের মাঝামাঝিতে যখন দুইজন তরুণ রেডিও অ্যাস্ট্রোনোমার, অভূতপূর্ব এবং অনিচ্ছাকৃত এক আবিষ্কার করেন।


কিভাবে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করবেন

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/১২/২০১১ - ৫:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আসলে সেখানে কোন অন্ধকার নেই, কোন জায়গা নেই। সিংগুলারিটির চারদিকে কোন কিছু বেষ্টন করে নেই। কোন স্থান নেই যেখানটা এটা দখল করে রয়েছে। কোন জমি এর জন্য বরাদ্দ নেই। এমনকি আমরা জিজ্ঞাসা করতে পারবো না যে কত সময় ধরে সেটা ওখানে ছিল, বা এটা কি কিছু সময় পার হবার পর হঠাৎ করে অস্তিত্ব লাভ করেছে, অথবা এটা কি সেখানে অনন্তকাল ধরে সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিল। সময়ের অস্তিত্ব ছিল না। কোন অতীত ছিল না যেটা


প্রায় সব কিছুর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০২/১২/২০১১ - ৫:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিগত ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে আপনি অপ্রীতিকর ভাবে অক্সিজেন ত্যাগ করেছেন আবার নির্বোধের মত এতে আসক্ত হয়েছেন। আপনার পাখনা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গজিয়েছে, স্ফূর্তিবাজের মতন ঘুরে বেড়িয়েছেন, ডিম পেড়েছেন, চেরা জিভ দিয়ে বাতাসে ঝাঁকুনি দিয়েছেন, চকচকে এবং নরম হয়েছেন, লোমযুক্ত হয়েছেন, মাটির নিচে বাস করেছেন, গাছে বাস করেছেন, হরিণের মত বড় আবার ইঁদুরের মত ছোট আকৃতির হয়েছেন এবং আরও মিলিওন সংখ্যক জিনিসে পরিবর্তিত হয়েছেন । এ সব বিবর্তনের সময় সামান্যতম বিচ্যুতি ঘটলে হয়তো বর্তমানে আপনি কোন গুহার দেওয়ালে শেওলা চেটে খেতেন অথবা সিন্ধুঘোটকের মত কোন পাথুরে সমুদ্রতীরে অলস ভাবে শুয়ে থাকতেন কিংবা মাথার উপর ছিদ্র দিয়ে হাওয়া ছেড়ে ৬০ ফুট গভীর পানিতে ঝাপ দিতেন কিছু স্যাণ্ডওয়ার্ম খাওয়ার জন্য।


ফুলের সাথে কথোপকথন

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৮/১১/২০১১ - ১২:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এ দেশটাকে ফুলের দেশ বললে তা মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। যদিও আয়তনের দিক থেকে ঢাকার সাত ভাগের এক ভাগের চেয়েও কম তারপরেও আপনি প্রায় সব বাড়ির সামনেই বেশ জায়গা নিয়ে করা বাগান দেখতে পাবেন। শুধু বাসা বাড়ির সামনেই নয় পার্কে, বনে-বাদাড়ে দেখা মিলবে হাজারো ফুলের মেলা। বোধকরি ফুলের প্রতি এই ভালবাসাই এ দেশের অধিবাসীদের করেছে কোমল মনের আর সদাহাস্যময়।


ঝুঁকি নেয়া শিখতে হবে

ফারুক হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফারুক হাসান (তারিখ: শুক্র, ২৫/১১/২০১১ - ১২:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কারণ, not taking a risk now can be the most risky decision you have ever made.

প্রিন্সটনে এসে শুরু থেকেই শেখার কোনো সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। নিয়মিত ল্যাবের কাজের বাইরে নানান সেমিনার আর কর্মশালায় হাজির হতে চেষ্টা করি। পিএইচডি এবং পোস্টডকদের জন্য আয়োজিত সেরকমই একটা কর্মশালায় গিয়ে উপরের ঐ কথাটি শুনে একটু চমকে উঠলাম। এভাবে ভাবা হয়নি কখনো।


পদ্মা সেতু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৬/১০/২০১১ - ৯:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পদ্মা সেতু
তারেক মাহমুদ

হবে-হল-হচ্ছে বলে
তিন বছর কাটলো
নতুন করে আবুলটাও
ফন্দি যে আঁটলো।

সততার সার্টিফিকেট
কথায় কথায় আনে
তদন্তের দলে এখন
বিএনপিকেও টানে।

তদন্ত দল হলেই
গাইবে তারা সাফাই
বস্তা ভর্তি টাকা হাতে
আবুলটা যে লাফায়।

স্বপ্ন আসে স্বপ্ন ভাসে
স্বপ্ন পদ্মার জলে
পদ্মা সেতুর স্বপ্ন বুঝি
গেল রসাতলে।

দোহাই লাগে শেখ হাসিনা
করেন একটা হেতু


অলস শব্দাবলী

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৪/০৯/২০১১ - ১০:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথমদিকে প্রায়ই স্বদেশ এসে হানা দিতো স্বপ্নে, দেখতাম আমি হেটে চলেছি শৈশবের সেই বহু চেনা পথগুলিতে কিংবা কোন ধরনের নিমন্ত্রণ ছাড়াই প্রিয় বন্ধুবর্গের কেউ হাজির! তারপর যা হয়, সকালে উঠে একটা দীর্ঘশ্বাস এরপর ব্যস্ততায় ডুবে যাওয়া। ধীরে ধীরে স্বপ্নগুলার প্লট পরিবর্তন হতে লাগলো, এখানকার আর ওখানকার সবকিছু মিলিয়ে জটিল থেকে জটিলতার দর্শন। এবং অবশেষে স্বদেশী স্বপ্নগুলো হারিয়ে গেল পুরোপুরি। এখন আর ঘুমের ঘোরে আমি হাটি না আশৈশবের সেই পথে, পরিচ্ছন্ন চকচকে পীচ ঢালা কোন পাহাড়ি রাস্তা বা সমুদ্র এসে বসে থাকে পুরো সীমানা জুড়ে।


বর্ষাকাব্য

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৯/২০১১ - ১২:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বর্ষা নামলেই
অভব্যের মতো কাব্য করতে বসে যায়
ওরা-
কেন ! বৃষ্টি তো নিজেই কাব্য !