দেশবিদেশের উপকথা-হিরণ্যকশিপু(প্রথমাংশ)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শুক্র, ০৯/১০/২০০৯ - ১২:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের পর্বে দেখা গেছে হিরণ্যকশিপুর পাঁচ মিনিটের ছোটো যমজ ভাই হিরণ্যাক্ষকে দেবাদিদেব বিষ্ণু বরাহ অবতারে এসে হত্যা করেন। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে হিরণ্যকশিপু খুব রেগে গেল। তার রাগার সঙ্গত কারণ ছিলো। হিরণ্যাক্ষের এমন কোনো অপরাধ ছিলো না ছিলো না যে বরাহ অবতার হয়ে এসে বিষ্ণুর তাকে মারতে হবে। এদিকে হিরণ্যাক্ষের ঘরে প্রায় সদ্য-বিবাহিতা পত্নী, সেই মেয়েটির বিধবা জীবন কাটাতে হবে বিনা দোষে। সন্তান হারানো জননী দিতির কথা ভাবলে তো আরোই দুঃখ। যাই হোক তাঁদের যথাসাধ্য সান্ত্বনা দিয়ে হিরণ্যকশিপু তার সমস্ত সঙ্গীসাথী দৈত্য( তাদের সবাইকেও দৈত্যই বলা হচ্ছে ) দের জড়ো করলো।

সে তাদের বললো,"ভাইসব, হিরণ্যাক্ষ বিনা দোষে মারা গেল বিষ্ণুর হাতে, স্বয়ং দেবাদিদেব যে কিনা সর্বদা করুণার কথা বলে, সে এইভাবে পক্ষপাত দেখালো! কী ভয়ানক! সে বরাহ অবতার হয়ে এসে কৌশলে মেরেছে আমার ভাইকে। আমরাও ছেড়ে দেবো না। এখন থেকে আমরা তাদের শত্রু হলাম। আমরা শক্তি সংগ্রহ করে একদিন দল বেঁধে গিয়ে ওদের আক্রমণ করবো আর হত্যা করবো আদিত্যদের নেতাকে। আর এখন থেকে যে বিষ্ণুর উপাসনা করবে তাকে আমরা বাধা দেবো, না শুনলে হত্যা করবো। আমাদের রাজ্যে এসব চলবে না। ভাইসব, তোমরা আমার সঙ্গে শপথ করো এই করবে।" হিরণ্যকশিপুর কথা শুনে সকল সহযোগী শপথ করলো।

তারপরে শুরু হয়ে গেল ব্যাপক গন্ডগোল। দৈত্যরা প্রবল অত্যাচার শুরু করে দিলো বিষ্ণুভক্ত মানুষদের উপরে। অনেকে জানেই না ব্যাপারটা কি হয়েছে আর কেন এমন হচ্ছে, তারা বিনা দোষে অত্যাচারিত হতে লাগলো। কথা নেই বার্তা নেই শান্তির রাজ্যে সাংঘাতিক ফরমান! কেউ কেউ ভিটেমাটি ছেড়ে পালাতে শুরু করে দিলো যাদের যাবার উপায় আছে, আর যাদের উপায় নেই তারা অসহায়ভাবে মরতে লাগলো। এদিকে দৈত্যরা শক্তি সংগ্রহ করে দল বেঁধে গিয়ে যুদ্ধ করে আদিত্যদের তাড়িয়ে দিলো তাদের বাসভূমি থেকে।

এত রমরমা হবার পরে হিরণ্যকশিপু চাইলো ত্রিলোকের অধিপতি হতে। তার জন্য চাই কঠোর তপস্যা, ব্রহ্মার বর লাভ করেই তবে সে ত্রিভুবনের অধিপতি হতে পারবে। দলের নেকস্ট ইন কম্যান্ডকে সব দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে সে তপস্যার জন্য অরণ্যে গমনে প্রস্তুত হলো। তার পত্নী তখন অন্ত:সত্ত্বা। তাকে সে বুঝিয়ে বলে গেলো যাতে সে কোনো দুঃখ না পায়, সন্তান হলে যত্নে যেন মানুষ করে, সফল তপস্যার শেষে অভীষ্ট বর লাভ করে ফিরে এসে যখন সে তাদের দু'জনকে একসাথে দেখবে, তখন আনন্দ কতগুণই না বাড়বে। পত্নীকে দীর্ঘ বিদায়চুম্বনের শেষে হিরণ্যকশিপু রওনা হলো তপস্যায়।

এদিকে সে তপস্যায় চলে যেতেই খবর চলে গেছে আদিত্যদের কাছে, তারা তো "এই পেয়েছিস মওকা, করে ফেল্‌ আক্রমণ" এই কায়দায় বেশ ভালো করে দল বেঁধে আক্রমণ করেছে দৈত্যপুরী। আকস্মিক আক্রমণে দৈত্যরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে। প্রাসাদ খোলা পেয়ে ইন্দ্র তো সৈন্য নিয়ে ঢুকে পড়েছে। এক ঘরে ছিলো হিরণ্যকশিপুর পত্নী, আগেই বলেছি সে তখন গর্ভবতী। ইন্দ্র তাকে ধরে নিজের রথে উঠিয়ে নিয়ে চললো।

পথে নারদ ঋষি চলেছিলেন, তিনি তো এই দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত! আদিত্যরা এতদূর নেমেছে? এইভাবে অসহায়া, মা-হতে-চলেছে এমন মেয়েকে জোর করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে? তিনি এগিয়ে গেলেন, ইন্দ্রের রথ থামালেন।

ইন্দ্র তো নারদকে দেখে একেবারে নেমে পড়ে প্রণামট্রণাম করে তাকে প্রসন্ন করার চেষ্টা করল। নারদের প্রশ্নে সে বললো, "আরে আমি তো হিরণ্যকশিপুর বৌয়ের কোনো ক্ষতি করবো না। কিন্তু ওর গর্ভে হিরণ্যকশিপুর ছেলে আছে, সে হয়তো ভবিষ্যতে আমার শত্রু হবে। ছেলেটা জন্মালেই সেটাকে শেষ করে তারপরে নির্বিবাদে আমি হিরণ্যকশিপুর বৌকে ঘরে ফিরিয়ে দেবো।"

শুনে নারদ শিউরে উঠলেন, "তুমি জানো তুমি কি বলছো? অতি পাষন্ডেরাও এমন কথা বলে না। ছি ছি ছি। এক্ষুনি ওকে ছেড়ে দাও, আমার আশ্রমে ও সসম্মানে থাকবে। সেখানের তপস্বিনীরা ওর দেখাশোনা করবেন। আর তুমি জানো না ওর গর্ভে যে সন্তান আছে সে হবে পরম বিষ্ণুভক্ত। এই সন্তানের কারণেই পৃথিবী মুক্ত হবে দৈত্যদের অত্যাচার থেকে।"

ইন্দ্র "যথা আজ্ঞা" বলে মুক্ত করে দিলেন দৈত্যরাণীকে। নারদের সঙ্গে সে চলে গেল ঋষির আশ্রমে।আশ্রমে নিত্য বিষ্ণুভজনা হয়, বিষ্ণুবন্দনা হয়। নারদ তো সময় পেলেই বীণা বাজিয়ে গান করেন, সেই গানও জগদীশ্বরের বন্দনাগান। শান্তিময় সেই আশ্রমে দৈত্যরাণীর দিন বেশ ভালোই কাটে। তপস্বিনীরা রাণীর যত্নআত্তি করেন, আহা এই সময়ে মেয়েটা আপনজনের কাছছাড়া হয়ে রয়েছে-এই ভেবে বৃদ্ধা সাধিকাদের খুব মায়া হয়। নারদ সন্ধ্যাবেলা আরতির পরে যখন নামগান করেন, দৈত্যরাণী পাশে বসে শোনে। একদিন সে খুব অবাক হয়ে বললো, " ঋষি, এইসব গান শুনলে কেন আমার এমন অদ্ভুত আনন্দ হয়? আমি এর অর্থ ও প্রায় কিছুই বুঝি না, সুরও খুব পরিচিত নয়, তবু কেন যেন এইসব গান, এইসব কথা আমার মনের মধ্যে কিসের এক অচেনা তরঙ্গ তুলে দেয়! কেন এমন হয়?"

নারদ হেসে বলেন, "সুকল্যাণী, তোমার গর্ভে যে আশ্চর্য সন্তান আছে, তারই কারণে তোমার এমন মনে হয়। তুমি শুনছো বলে সেও শুনছে আর তার আনন্দই তুমি অনুভব করছো। তোমার কোনো চিন্তা নেই, তোমার সন্তান জন্মসিদ্ধ হবে, সেই পরম পুন্যবানের জন্য তোমার কূল পবিত্র হবে।"

দৈত্যরাণী অবাক হয়ে এইসব রহস্যকথা শোনে, গর্ভস্থ ভ্রূণ শুনতে পায়? সেও বুঝতে পারে? তারও আনন্দবেদনাবোধ আছে? কেজানে! বিশ্বাস হয় না। অবশ্য জগতের কতটুকুই বা জানা গেছে, সেই বা জানে কতটুকু!

এদিকে হিরণ্যকশিপু তো গভীর অরণ্যে কঠোর তপস্যা করছে ব্রহ্মার বরলাভের জন্য। তার অভীষ্ট অজর অমর হয়ে ত্রিলোকের একচ্ছত্র অধিপতি হওয়া। তার কঠিন তপস্যার তাপে ত্রিলোক জ্বালাভিভূত। ব্যাপার গুরুতর দেখে ব্রহ্মা সৃষ্টিরক্ষার জন্য দ্রুত নেমে আসেন হিরণ্যকশিপুর কাছে। যেখানে সে তপস্যা করছিলো সেখানে এসে ব্রহ্মা দেখেন পিঁপড়ের বিরাট ঢিবির আড়ালে প্রায় পুরোপুরি ঢাকা পড়ে গেছে দৈত্য (বাল্মিকীর গল্প মনে পড়ে? )। তারই ভিতর থেকে সে নিরন্তর তপস্যা করে চলেছে।

ব্রহ্মা প্রথমে বললেন, "বাছা হিরণ্যকশিপু! আমি এসে গেছি। উঠে পড়ো, আর তপস্যার দরকার নেই, আমি বর দেবো বলে এসে পড়েছি।"

হিরণ্যকশিপু ঢিবির ভিতর থেকে বের হলো, দীর্ঘ উপবাসে সে একেবারে অস্থিচর্মসার, "আরে এ কী অবস্থা হয়েছে রে তোর" বলে ব্রহ্মা তাড়াতাড়ি কমন্ডলু থেকে সঞ্জীবনী জল নিয়ে ওর উপরে ছিটিয়ে দিতেই হিরণ্যকশিপু ফের তার আগের শক্তিশালী সুন্দর চেহারা ফিরে পেল।

ব্রহ্মার সামনে লুটিয়ে পড়ে প্রণাম করে বললো, "হে দেবাদিদেব! আপনি প্রসন্ন হয়েছেন এ যে কতখানি সে কি করে বলি। প্রসন্ন যদি হয়েইছেন তবে আমায় অমর হবার বর দিন।"

ব্রহ্মা হেসে বলেন," এ ছোকরা কী যে বলে তার ঠিক নেই। আরে প্রতিটি সৃষ্ট জীবেরই মৃত্যুবরণ করতে হয়, এ একেবারে অলংঘ্য নিয়ম। এ বর দেওয়া যাবে না। অন্য বর চেয়ে নে, তাড়াতাড়ি বর দিয়ে আমিও ফিরি, তুইও ঘরের ছেলে ঘরে যা।"

খানিকক্ষণ ভেবে টেবে হিরণ্যকশিপু বলে, "তাহলে দেবাদিদেব, আমাকে এই বর দিন যেন আমার মরণ ঘরেও না হয়, বাইরেও না হয়, দিনেও না হয় রাতেও না হয়, কোনো মানুষের হাতেও না হয়, কোনো জন্তুর পাল্লায় পড়েও না হয়। যেন আমার মৃত্যু মাটিতেও না হয়, জলে ও না হয়, বাতাসেও না হয়। কোনো অস্ত্রেই যেন আমার মরণ না হয়।" (এক বিদেশী গণিতজ্ঞ্ এই অংশটা শুনে বলেছিলো হিরণ্যকশিপু লোকটা " ডিসক্রিট ম্যান ইন আ কনটিনিউয়াস ইউনিভার্স!" হাসি )

ব্রহ্মা হালকা একটু হেসে "ঠিক আছে, তাই হবে" বলে বর দিয়ে মিলিয়ে গেলেন। অভীষ্ট বরলাভ করে আনন্দে লাফাতে লাফাতে বাড়ী ফিরে গেল হিরণ্যকশিপু। আহা বেচারা, তার পরে যে কি হবে সে তখন কিছুই জানতো না!

(সঙ্গে থাকুন, বিরতির পরে বাকী অংশ হাসি )


মন্তব্য

হিমু এর ছবি

হিরণ্যকশিপু ব্লন্ড হলেও বুদ্ধিমান ছিলো দেখা যাচ্ছে হাসি



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

তুলিরেখা এর ছবি

বেশ বুদ্ধি ছিলো লোকটার, কিন্তু পরে যে কেন বুদ্ধিভ্রংশ হলো কে জানে। চিন্তিত
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মাহবুব লীলেন এর ছবি

হ সেইযুগে তাদের চাকরি করে খেতে হতো না বলে অত লম্বা জীবন চাইবার সাহস করত
কারণ ব্যাটারা জানতো না যে একশো বছর বাঁচলে কয়লক্ষবার চাকরির ইন্টারভিউ দিতে হয়

তুলিরেখা এর ছবি

রাজাগজাদের এযুগ ই বা কি সেযুগই বা কি! সব যুগেই জোশ! অপ্সরা নাচে, গন্ধর্ব গায়, কিন্নরে বাজায়, চষক ভরে কারণসুধা ঢেলে হাতে দেয় তরুনী দাসীরা, ডাইনে বাজে বাঁশি বায়ে বাজে বীণা। আগে চলে লোক, পিছে লশকর।
রাজাগজারা চিরকালই দীর্ঘজীবন চেয়ে এসেছে।
ব্রিটিশ আমলে দুই বাঙালি চাষী ঘোর বর্ষায় চাষের কাজ করতে করতে কথাবার্তা বলছে "বল্‌ তো মহারাণী ভিক্টোরিয়া এহন কি করতে আসে?"
"হে য় কি আর আমোগো মতো? এই বাদলায় বাইরইসে?হে য় এহন পান্তোভাত খাইয়া কাঁথামুড়ি দিয়া উব্বুত।"
হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মাহবুব লীলেন এর ছবি

বল্‌ তো মহারাণী ভিক্টোরিয়া এহন কি করতে আসে?"
"হে য় কি আর আমোগো মতো? এই বাদলায় বাইরইসে?হে য় এহন পান্তোভাত খাইয়া কাঁথামুড়ি দিয়া উব্বুত।"

আপনার এই গল্পটা যে কোনো উপকথা থেকে অনেক বেশি গ্রেট

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

গল্পটি সম্ভবতঃ তপন রায়চৌধুরী অথবা মিহির সেনগুপ্তের লেখায় আছে।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

মূলত পাঠক এর ছবি

তপন রায়চৌধুরীর বইয়ে আছে।

তুলিরেখা এর ছবি

তপন রায়চৌধুরীর বইটার নাম হলো "রোমন্থন বা ভীমরতিপ্রাপ্তের পরচরিতচর্চা।"
খুব রম্য আর চমৎকার রচনা! খুব আশা নিয়ে ওনার "বাঙালনামা" পড়তে শুরু করি রোমন্থন পড়ে অসম্ভব মুগ্ধ থাকায়, কিন্তু বাঙালনামা ভালো লাগলো না, খুব তিতো।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

কোনো মানুষের হাতেও না হয়, কোনো জন্তুর পাল্লায় পড়েও না হয়।

দেবদেবী বা রাক্ষসের কথা বাদ দিলো ক্যান ??

---------------------------------------------------------------------------

মধ্যরাতের কী-বোর্ড চালক

তুলিরেখা এর ছবি

দেবদেবী রাক্ষস দৈত্য দানব কিন্নর নাগ গন্ধর্ব এরা সবাই মানুষেরই নানা রেস! খুবই রেসিয়াল ছিলো ওরা! নানা ঝামেলা তার থেকেই বেঁধেছে।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

সাফি এর ছবি

আপনিও কি চা খেতে গেলেন নাকি?

তুলিরেখা এর ছবি

আমি তো আজকাল আর চা খাই না। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মূলত পাঠক এর ছবি

বাঃ বাঃ গল্প তো খাসা, তবে ঐ উব্বুতটা পড়ে আরো আনন্দ পেলাম। আমারো পান্তা খেয়ে উব্বুত হতে মঞ্চায়।

তুলিরেখা এর ছবি

মঞ্চাইলেই কি আর আজকাল ওসব মেলে? কোথায় বা সেই পান্তা, কোথায় বা ইলিশ, কোথায় বা সেই চিত্রবিচিত্র কাঁথা!
যাই হোক ধন্যবাদ টা আছে। আপনাকে ধন্যবাদ। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

মূলত পাঠক এর ছবি

আরে চাপা দিয়ে ঘুমাবো, তাতে চিত্রবিচিত্রের দরকার কী? আর পান্তার সাথে মরিচভাজা, সর্ষের তেল হলেই হবে, ইলিশ লাগবে না। আমরা চাষাভুষা মানুষ।

তুলিরেখা এর ছবি

আহা পান্তাভাতে পেঁয়াজপোড়া, আগুনঝাল মরিচ ডইলা আহহহহ!
কিন্তু এইডা কি করলেন? আপনে এক চাষা আরেক চাষারে এইভাবে টেম্পটেড কইরা গেলেন? চিন্তিত
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

স্নিগ্ধা এর ছবি

নামটা ঠিকমতো মনে আছে কিনা জানিনা, বোধহয় মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য হবেন, আপনার লেখা পড়ে ওনার গল্পের কথা মনে পড়ে যায়!

এই সিরিজটা নিদারুণ হচ্ছে হাসি

তুলিরেখা এর ছবি

নিদারুণ? দেঁতো হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

স্নিগ্ধা এর ছবি

যখন 'দারুণ'এ আর শানায় না তখন 'নি'দারুণ বলি দেঁতো হাসি

তুলিরেখা এর ছবি

পরের অংশে পেল্লাদ দেখা দেবে, পেল্লায় বড় সে অংশ। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

খেকশিয়াল এর ছবি

নতুন কইরা মজা পাইলাম, পেল্লাদের অপেক্ষায়
তুলিদি, এই সিরিজ শেষ হইলে কিছু আফ্রিকান উপকথা লেইখেন, অনুরোধ রইলো

------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

তুলিরেখা এর ছবি

দ্রিমু, স্রময় প্রাইলে স্রবই দ্রিমু। রফলা দিয়া দ্রিমু। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

এইভাবে দৌড়াইতে থাকেন, লীলেনের একশ' পুরাইতে তাইলে আর বেশি সময় লাগবোনা।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

তুলিরেখা এর ছবি

না না, একশো অনেক দেরি।
তবু যে শুভেচ্ছা দিলেন তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। -----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

বর্ষা এর ছবি

আপনার এই সিরিজটি অনেক ভালো লাগলো। আরো কিছু আশা করছি।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

তুলিরেখা এর ছবি

ধন্যবাদ বর্ষা।
সিরিজ এখনো শেষ হয় নি, আরো এক বা দুই পর্ব আসতে পারে।
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

বর্ষা এর ছবি

আরো কিছু উপকথা থেকে যদি অল্পকিছু চরিত্র আর ঘটনা নিয়ে এভাবে আরো কিছু লেখা দিতেন ভাল হতো। নইলে মূল বই পড়তে গিয়ে অনেক ঘটনার ভীড়ে কিছুই ঠিকমতো গেলা হয়নি।
********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

********************************************************
আমার লেখায় বানান এবং বিরাম চিহ্নের সন্নিবেশনের ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দিন।

s-s এর ছবি

পিডিয়েফে দিলে পুরোটা পড়প'নে, ইতং বিতং ব্রেক ভালু পুঁচ্ছিনা মন খারাপ পেল্লাদের গপ্পতো জানি জানি ---

তুলিরেখা এর ছবি

আহা, ব্রেক দিয়ে দিয়ে তারিয়ে তারিয়ে খাওয়ার মজাই আলাদা। হাসি
-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।