জগাখিচুড়ি - ০৯

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৫/২০১৪ - ৬:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পৃথিবীতে প্রেমিক পুরুষ তিন প্রকার। ভাই টাইপ, জামাই টাইপ আর পাই টাইপ। প্রথমটার সাথে মেয়েরা কিছুদিন আহ্লাদ করেটরে এক সময় চোখ কপালে তুলে বলে, ও আল্লাহ আমি আপনাকে বড় ভাইয়ের মতো মনে করি। দ্বিতীয়টার সাথে মেয়েরা বেশী কথাবার্তা বলে না। এরা ঠিক অত কথা বার্তা বলার মতো জিনিসও না। নিতান্ত নাড়ুগোপাল টাইপের ভদ্র ছেলে, আদর্শ স্বামী ম্যাটেরিয়াল। তাই ভাই টাইপকে দাগা দিয়ে মেয়েরা বেশী ঝামেলা না করে জামাই টাইপকে সরাসরি বিয়ে করে ফেলে। আর তৃতীয়টা? পাইকে মানুষ কি করে শুনি? (অঙ্কের ৩.১৪ পাই না গো, খাওয়ার pie)। ভাই টাইপ আবার দুই প্রকার, গামছা ভাই আর টয়লেট পেপার ভাই। প্রথম জনের সাথে মেয়েরা সুখদুঃখের (প্রধানত দুঃখের) আলাপ করে, তাদেরকে গামছা বানিয়ে চোখ মুছে, তারপর গামছা পুরা ভিজে গেলে উড়াল দেয়। গামছা ভাই কিছুদিন কষ্টে শিষ্টে থেকে আস্তে আস্তে শুকায়। তারপর আবার অন্য কারো গামছা হয় হয়। টয়লেট পেপার ভাইদের অবস্থা আরও খারাপ। তারা আরও অনেক বাজে ভাবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাবহারের পর তাদের জীবন ওইখানেই ফ্ল্যাশ হয়ে যায়। আমার জীবন কেটেছে ভাই টাইপ হয়ে। আফসোস ঐ যুগ Game of Thrones ছিলোনা। এই যুগে এসে 'ওগো আমি তোমাকে বড় ভাইয়ের মতো দেখি' বললে নিশ্চিত 'বুকে আইস ওগো আমার Lannister বইন' বলে আমিও ছুটে যেতাম।

অনেককাল পরে আবার জগা লিখতে বসলাম। জগাখিচুড়ি একটু ইয়ে টাইপের ইয়ে আরকি। অপ্রাপ্তমনস্ক বা দুর্বল অনুভূতির অধিকারীদের পড়া একদমই বারণ। পরে পড়ে চেঁচামেচি শুরু করবেন ,লেখক দেশ ও জাতির শ্লীলতা হানি করে ফেলল গো সেটা হবে না। শ্লীলতা অশ্লীলতা নিয়ে ইতোমধ্যে ত্যানার মধ্যে আছি। কিছুদিন আগে শ্লীল অশ্লীল নিয়ে ব্যাপক জ্ঞান ঝাড়লাম ফেসবুকে। এই সুযোগে সেটা টুকলি করে রাখি এই জগাতে। যারা আগেই পড়েছেন লাফ দিয়ে পরের প্যারায় চলে যান।

লেখালেখি করে সবচেয়ে বেশী যে বিষয়ে কথা শুনতে হয়েছে তা হচ্ছে শ্লীলতা অশ্লীলতা বিষয়ে। মা জীবনে আগে আমার লেখা পড়েনি। চুপিচুপি লিখে যেতাম অনলাইনে। বই প্রকাশের পর ঘটনা প্যাঁচ খেয়ে গেল। ফোন করে বলে, তোর নাকি বই বের হইছে? আমি না ঠিক বই না, ইয়ে মানে এমনেই আরকি বলে আমতা আমতা করি। আব্বা বড় ভাইয়ের কাছে বই নেয়ার জন্য হাজির হল। বড় ভাই গম্ভীর গলায় বলল, নিতেছ নাও কিন্তু বন্ধুবান্ধবকে দেয়ার আগে একটু নিজে পড়ে নিও। আব্বা ভুরু কুঁচকে বলে, বেশী অশ্লীল? আমি মিনমিন করে বলি, এই মানে বড়দের বই একটু। আম্মা বই পড়ে ভুরু কুঁচকে রিভিউ দেয়, পুলার বয়স কম তো তাই একটু ছ্যাবলামি লেখা লিখে। বয়স বাড়লে একদিন হুমায়ূন আহমেদের মতো লিখবে ঠিক। আব্বা বই পড়তে পড়তে খ্যাঁকখ্যাঁক করে হাসে, আমার আর রিভিউ লাগে না। আবার বই একটু অশ্লীল আছে এইরকমের প্রচারণা বিক্রি বাট্টার জন্য ভালো। বিশেষ শ্রেণীর পাঠক লোল ফেলতে ফেলতে হাজিত হয়, ফিসফিস করে এক কপি চায়। পরে অবশ্য লেখায় রুমান্টিক কিছু না পেয়ে লেখকের মায়রে বাপ সেভেন আপ বলে চোদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে। শ্লীল অশ্লীল অনেকের কাছে খুব জটিল বিষয়। আমার কাছে সহজ। সংজ্ঞা দিয়ে বুঝাতে পারবোনা তবে উদাহরণ দেয়া যায়। গালে পাকিস্তানী পতাকা এঁকে ক্রিকেট মাঠে গিয়ে লাফানো অশ্লীল, যে লাফায় তাকে গালি দেয়া আমার কাছে শ্লীল। রাস্তায় দাড়িয়ে ভালোবাসার মানুষটিকে চুমু খাওয়া আমার কাছে শ্লীল, মেরি মি আফ্রিদি লিখে দেশের স্টেডিয়ামে বসে প্রেম নিবেদন করা আমার কাছে অশ্লীল। এরশাদের হাসি আমার কাছে অশ্লীল, সেই হাসি দেখে জানোয়ারের অতীত ভুলে তাকে ভাঁড় ভেবে যারা হাসে তারাও আমার কাছে অশ্লীল। কোন বীরাঙ্গনা মায়ের গল্প শুনে চরম আক্রোশে সমস্ত পাকিস্তানকে শুয়োরের পয়দা বলে গালি দেয়াটা আমার কাছে শ্লীল, গালি না দেয়াটাই অশ্লীল। কাদেরকে মোল্লা বলা আমার কাছে অশ্লীল, কসাই বলা শ্লীল। গোলাম আযমকে ভাষাসৈনিক বলা অশ্লীল, রাজাকারের জন্য মানবতা দেখানো অশ্লীল। পুটুকে পুটু বলা শ্লীল, বলদকে বলদ বলা শ্লীল, ধান্দাবাজকে ধান্দাবাজ বলা শ্লীল, সবদিক ব্যালেন্স করে সুশীলতার মসলিন ত্যানা প্যাঁচানো চরম অশ্লীল।

সে যাই হোক শ্লীল অশ্লীল বিষয়ক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা বাদ দিয়ে প্রেম পিরীতির আলাপে যাই। লেখালেখির শুরু প্রেম পিরীতি দিয়ে। অথচ এখন হাবিজাবি কতকিছু লিখি কিন্তু প্রেম বিষয়ে কিছু লিখি না। আগের জগাখিচুড়িতে IRC চ্যাট যুগের কথা লিখেছিলাম। IRC চ্যাট যুগের আগে ছিল ইমেইলের যুগ। যারা লম্পট, চ্যাটে শিকার ধরে ফোন নাম্বার বাগানো থাকতো তাদের লক্ষ্য। আমার মতো মুখচোরা চরিত্রবান যারা তাদের লক্ষ্য থাকতো ইমেইল এড্রেস যোগার করা। তারপর টুকটাক ইমেইল আদান প্রদান। বাইরে আজকে কি চমৎকার বৃষ্টি হচ্ছে, কি সুন্দর হাওয়া দিচ্ছে, কত সুন্দর চাঁদ উঠেছে ইত্যাদি পিনপিনে আলাপ। এগুলো লিখতে লিখতে লেখালেখিতে হাত পাকানো। আমার বড় ভাইও সাহিত্যিক। আমরা লৌহযুগ হলে তারা ছিলেন প্রস্তর যুগে। ওই যুগে ইমেইলও আবিষ্কার হয়নি। রাফ খাতা বা গোলাপি প্যাডে হাতে লিখা চিঠি ভরসা। লিখেটিখে পাঁচ টাকা বকশিশ সহ গুঁজে দিতে হতো মেয়ের ছোট ভাইয়ের হাতে। মেয়ের ছোট ভাইটাই না থাকলে ভেতরে ঢিল পুরে 'ইয়া মাবুদে এলাহি জায়গা-মত ল্যান্ড করিস' বলে মেয়ের জানালা বরাবর তাক করে ছুড়ে মারা। বড়ভাইয়ের সাহিত্যে হাত পাকানো ঐ হাতে লেখা চিঠি লিখে। আমার ইমেইল লিখে। তবে ভবিষ্যতে যদি বড় সাহিত্যিক হয়ে যাই তাইলে বিরাট বিপদের বিষয় হবে। রবীন্দ্রনাথের মতো যদি আমার সব চিঠি আর চ্যাট লগ প্রাক্তন প্রেমিকাদের মেইল বক্স ঘেঁটে ঘেঁটে বের করে প্রকাশ করা হয় বেইজ্জতি কারবার হয়ে যাবে। রবি বুড়ো ঘাগু লোক ছিলেন। আগেই বুঝেছিলেন সব চিঠিমিঠি ফাঁস হয়ে যাবে। তাই জীবনে কাউকে চিঠি লিখে 'ডু ইউ হ্যাভ ওয়েবক্যাম বেইবি' ও জিজ্ঞেস করেন নাই, 'ক্যান উই হেভ সেক্স চ্যাট পিলিজ' ও বলেন নাই। বরং চামে চিকনে কল্যাণীয়েষু বলে চিঠি শুরু করে উত্তরায়ণ শুভার্থী শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে শেষ করেছেন। মাঝখানে -

সকালবেলা শীতের বাতাস দিচ্ছে। আকাশে মেঘগুলো দল বেঁধে আনাগোনা করছে, সূর্যকে একবার দিচ্ছে ঢাকা, একবার দিচ্ছে খুলে। পাহাড় বললে যে-ছবি মনে জাগে এ একেবারেই সেরকম নয়। শৈলশিখরশ্রেণী কোথাও দেখা যাচ্ছে না–বারান্দা থেকে অনতিদূরেই সামনে ঢালু উপত্যকা নেমে গিয়েছে, তলায় একটি ক্ষীণ জলের ধারা এঁকে বেঁকে চলেছে; সামনে অন্য পারের পাড়ি অর্ধচন্দ্রের মতো, তার উপরে নারকেলবন আকাশের গায়ে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে ......

এইসব বলেটলে প্রকৃতির বর্ণনা দিয়েছেন।

আমার চিঠি খুললে হালকা পাতলা প্রকৃতির বর্ণনা যে পাওয়া যাবে না তা নয়। তবে দুই এক লাইন প্রকৃতির পরেই হয়তো আসল ল্যাজ বেড়িয়ে পড়বে। হ্যাঁগো, তোমাকে যে ওয়েবক্যাম কিনতে বলেছিলুম তার কতদূর। ওয়েবক্যাম আসিলে আমরা দুজনে একাকী বিজনে কতই না মজা হইবেক। ইত্যাদি ইত্যাদি নানা আলাপ পাওয়া যাবে।
ওয়েবক্যাম একটা ইয়ে টাইপের জিনিস। জায়গামতো থাকেনা, খালি নীচে নেমে যায়। কপোত কপোতী ভিডিও চ্যাটিং শুরু করে। কপোত বলে, ওগো তোমাকে তো দেখা যাচ্ছে না, শুধু বাড়ির ছাদ দেখা যায়। ক্যাম একটু নীচে নামাও। কপোতী কিছুক্ষণ মুলামুলি করে ক্যাম নীচে নামায়। কিছুক্ষণ আবার রোদ, বৃষ্টি, চাঁদ, সূর্য, আলো, হাওয়া ইত্যাদি নিয়ে আকামের আলাপের পর আবার কপোতের উশখুশ শুরু হয়। হ্যাঁগো, তোমাকে ঠিকমতো দেখাই যায়না। ক্যামটা একটু নামাও না তো, তোমার অত সুন্দর থুঁতনিটা দেখি। কপোতী এইবারে একটু সন্দেহগ্রস্থ হয়, এরকম আর কতজনের থুঁতনি দেখা হয়েছে শুনি। কিছুক্ষণ মান অভিমান কসম কীরা কাটার পর ক্যাম আরেকটু বাঁকা হয়ে নীচে নামে। এরপরে আবার কিছুক্ষণ ফুল, গাছ, লতা, পাতা, পাখি ইত্যাদি নিয়ে পিনপিনে আলাপ চলে। কপোত আবার উশখুশ করে। হ্যাঁগো, তোমার গলাখানা কি সুন্দর গো, কখনো তো দেখলামই না ঠিক মতো। ক্যামটা যদি আরেকটু ইয়ে। এভাবে ওয়েবক্যাম আর চরিত্র দুটাই আস্তে আস্তে নীচে নামে, প্রেম ভালোবাসা উপরে উঠে।

প্রেম পিরীতি একটা বেশ ইয়ের বিষয়। সম্পর্ক একটা আরও ইয়ের বিষয়। ঐযে শুরুতে যে বললাম প্রেমিক পুরুষের ভাই টাইপ। আমাদের বেশিরভাগের কপালে ওটাই ছিল। বন্ধু রনির মতো কিছু পাকা খেলোয়াড় ব্যতিক্রম ছিল। শুরু হতো ভাইজান বলে, শেষে ভাইজানের ভাই কাটা পরে শুধু জান হয়ে যেত। আর আমাদের মতো নাদানদের পরিণতি সেই তোয়ালে ভাই বা টয়লেট পেপার ভাই। বাল্যকালে এরকম ভাই হতে হতে এখন তাই ভাই ডাক শুনলেই মন মেজাজ বিলা হয়ে 'ভাই বলে ডাকো যদি দেব গলা টিপে' অবস্থা হয়েছে । ধরা যাক কোন তরুণী নিষ্পাপ মনে ফেসবুকে একটু খেজুরে গল্প জুড়ে দিল -

- ভাইয়া কেমন আছেন
- ভালো আছি
- জিজ্ঞেস করলেন না ভাইয়া আমি কেমন আছি
- তুমি কেমন আছ
- আমিও ভালো আছি ভাইয়া
- ভাইয়ার কি মন খারাপ
- না
- তাহলে কথা বলেন না কেন ভাইয়া
- ধুরবাল (মনে মনে)

চাচা ডাক, মামা ডাক। দরকার হইলে খালুজান বলে ডাক। কিন্তু ভাই বলে ডাকবি কেন?
সে যাই হোক। বরং প্রেম পিরীতির আলাপে ফিরে আসি। আমাদের সময়ের চিঠি বা ইমেইল যুগের প্রেম পিরীতি ছিল অদৃশ্য। এখন ফেসবুক ভিত্তিক প্রেম রীতিমতো অশ্লীলভাবে দৃশ্যমান। পাবলিক স্ট্যাটাস দিয়ে মিস্টিমিস্টি আলাপ চলে দুজনে।
শেষকরি এক হালি ছোট ছোট জগাখিচুড়ি প্রেমের গল্প দিয়ে। একেবারে জীবন থেকে নেয়া।

গল্প এক - ময়না খাইছো
- ময়না খাইছো
- হ্যাঁ খাইছি
- কি খাইছো
- ভাত
- আর
- ডাল
- আর
- গরু
- ঝাল ছিল
- একটু
- তোমার ঝাল লাগছে
- একটু
- ঠাণ্ডা পানি খাও
- আচ্ছা

কাণ্ড দেখে মনে হয় আরে ধুর, তোর ময়না খাইছে কিনা তারে ফোন দিয়া জিগা। নাইলে মেসেজ দিয়া জিগা। পাবলিক পোস্ট করে জিগানোর কি আছে তোর ময়না খাইছে কিনা। কিন্তু বাস্তবে অত বেরসিক হতে পারিনা। বসে বসে বরং ময়নার খাওয়া দেখি। এবারে দ্বিতীয় গল্প।

গল্প দুই - জান কি কর?

- জান কি কর
- কিছু না
- সারাদিন কি করলা
- তেমন কিছু না
- সকালে কি করলা
- কিছু না
- সন্ধ্যায়
- কিছু না
- কালকে কি করবা জান
- কিছু না
- জান এখন কি কর
- কিছু না

জান কিছু করে না। তবুও জানের জান সারাদিন ধরে পাব্লিকালি তাকে জিজ্ঞেস করেই যায়, জান কি কর। এরপরের গল্প।

গল্প তিন- তুমি কেন দুষ্ট
- তুমি এত দুষ্ট কেন
- না, তুমি দুষ্ট
- না তুমি বেশী দুষ্ট
- না তুই দুষ্ট
- না তুই
- আচ্ছা, আমরা দুজনেই দুষ্ট।

কে দুষ্ট, কি দুষ্ট, কি নিয়ে দুষ্টামি করলো জানার জন্য আমার পেট গুড়গুড় করে। কিন্তু জানা আর হয়না। এবারে শেষ গল্প।

গল্প চার- পাখি ঘুমাইছ?
-পাখি ঘুমাইছ?
- ... ...
- পাখি উঠছো?
- হ্যাঁ উঠছি
- কখন উঠছ
- এখন উঠছি
- কখন ঘুমাইছিলা?
- রাতে ঘুমাইছি
- পাখি কি ঘুমাও?
- হ্যাঁ ঘুমাই
- পাখি উঠছ?
- হ্যাঁ উঠছি

দিনরাত এভাবে চলে। পাখি ঘুমায়, আবার পাখি উঠে, আবার ঘুমায়, আবার উঠে, তারপর আবার ঘুমায়, আবার উঠে, আবার ঘুমায় ...
ধুর, আমি নিজেই দেখি লুপে পড়ে গেলাম। তার চেয়ে বরং আজকের জগা এখানেই শেষ করি একটু মাথায় পানি ঢালি গিয়ে। ময়না ভাত খাক, জান কিছু না করুক, তুই তুমি দুষ্টামি করুক, পাখি ঘুমাক, সবার মাঝে প্রেম পিরীতি বাড়ুক।


মন্তব্য

স্পর্শ এর ছবি

উত্তম জাঝা!


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

চরম উদাস এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

desichele এর ছবি

Lannister বইন !!! গড়াগড়ি দিয়া হাসি

চরম উদাস এর ছবি

খাইছে

অতিথি লেখক এর ছবি

এতোদিন পরে এতো ছোট পোস্ট নিয়া হাজির হইলেন? চ্যাট করতে করতে আর উঁকি-ঝুকি মেরে কপোত-কপোতিদের প্রেমালাপ দেখে জনগণের চাহিদা ভুলে গেলে চলবে বস?

- সুচিন্তিত ভুল

চরম উদাস এর ছবি

ছুট কই ?? অ্যাঁ

আলতাইর এর ছবি

নিজ দায়িত্বে ঝাঁকি দিয়া বড় করেন খাইছে

অতিথি লেখক এর ছবি

জগাখিচুড়ি আসলেই খিচুড়ি। চাল নিয়ে, নাকি ডাল নিয়ে, নাকি চুলা নিয়ে কমেন্ট করবো বুঝতে পারছিনা।

- ফরহাদ হোসেন মাসুম

চরম উদাস এর ছবি

খাইছে

অনিকেত এর ছবি

ভাই রে, আপ্নে পারেনও--- গুরু গুরু

চরম উদাস এর ছবি

থিন্কু

অতিথি লেখক এর ছবি

সবচেয়ে বেশি ইন্টারেস্টিং হইলো টয়লেট পেপার ভাইরা - কারন তারা জাইনাও বারবার ব‌্যাবহারিত হয়.....

নিখাদ সত্যি লিখসেন...টিনেজ লাইফ মনে পইরা গেলো... হে হে হে

~~ন্যান্সি ফ্যান্সি দেঁতো হাসি

চরম উদাস এর ছবি

হে হে হে হে

অতিথি লেখক এর ছবি

পড়ে আনন্দ পাইলাম দেঁতো হাসি

সোহেল লেহস

চরম উদাস এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

সাফি এর ছবি

বস আপনের স্ট্যান্ডার্ডের তুলনায় এই লেখায় একটু কমতি লাগলো। তাও মজা পাইছি।

চরম উদাস এর ছবি

এসো নিজে করি লেখা নিয়ে ব্যস্ত আছি তাই এডা একটু ফাকিঝুকি লেখা হইছে আরকি ইয়ে, মানে...

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

ইপ্পি!! এসো নিজে করি আসছে তাহলে!!!!

____________________________

মরুদ্যান এর ছবি

চার তারা দাগাইলাম (আগের সবগুলিতে পাঁচ তারা দাগাইসি) দেঁতো হাসি

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে

চরম উদাস এর ছবি

আর একটা নাম্বার দেন স্যার, পিলিজ লাগে ...

নীড় সন্ধানী এর ছবি

সকালে মেজাজ একটু বিলা হইছিল, আপনার এটা পড়ে একদম ফকফকা হয়ে গেল হো হো হো

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

চরম উদাস এর ছবি

চোখ টিপি

মেঘলা মানুষ এর ছবি

বিশেষ প্রয়োজনে আপনার নাম লিখে গুগল সার্চ দিতে যাচ্ছিলাম, অমনি দেখি আপনার লেখা হাজির প্রথম পাতায়।
আপনি তো 'মিরাকল'! (কুদরত নিয়ে আপনার লেখাটার কথা মনে পড়ে গেল)

ভালো ‌থাকুন শুভেচ্ছা হাসি

চরম উদাস এর ছবি

হ, কুদরতি ব্যাপার পুরাই। কিন্তু আমার নাম লিখে গুগল মারেন কেন? বিষয়ডা কি? পিডানোর মতলব? ইয়ে, মানে...

মেঘলা মানুষ এর ছবি

আপনার 'স্বলেহন' লেখাটার লিংক খুঁজছিলাম বিশেষ একটা কারণে। চোখ টিপি

আর সচলায়তনের গুগল সার্চ রেজাল্টে যে আপনার নাম 'লটকায়া' আছে সেটা কি দেখেছেন?

আপনে পাত্থর!

অতিথি লেখক এর ছবি

মজা পাইছি। শেষের এক হালি গল্পের ঘটনা কি সত্য? এইরকম স্ট্যাটাসও দেয় মানুষ-জন!!

গোঁসাইবাবু

চরম উদাস এর ছবি

জীবন থেকে নেয়া

অতিথি লেখক এর ছবি

বস, জগাখিচুড়ি'র মত হয় নাই, আগে যেমন হৈত আর কি!

(মৃষৎ, পাসোবার্ড মনে নাই তাই লগাইতে পারি না)

চরম উদাস এর ছবি

ওঁয়া ওঁয়া

Rashed এর ছবি

অপ্রিয় সত্য! হাততালি

চরম উদাস এর ছবি

চোখ টিপি

অতিথি লেখক এর ছবি

মানি না। লেখার চেয়ে ডিসক্লেইমার বেশি বড়। মিয়া আপনি অলস হয়ে গেছেন।
"সাহিত্যিক" কি চলতেসে, না ঝুলে গেসে?

-অভিমন্যু সোহম।

চরম উদাস এর ছবি

ঝুলে গেছে ইয়ে, মানে...

আশালতা এর ছবি

ভাইয়া, কেমন আছেন ভাইয়া ? আপনার লেখা পড়ে খুব ভাল্লাগ্লো ভাইয়া। দেঁতো হাসি

----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি

চরম উদাস এর ছবি

খাইছে ... খুব মজা নিচ্চেন, না?? আপনি তো সবার ঠাম্মি, আপনি বইন হতে যাবেন কোন দুঃখে?

অতিথি লেখক এর ছবি

...অনেকদিন কোন লেখা পড়ে এত টা হাসিনি মনে হয়... পুরোপুরি সমতল (flat) হয়ে গেলাম। পুরাই complex (জটিল)... নিশাচর জীব। দুঃখিত, হাসির তোড়ে নাম টা লিখতেই ভুলে গেছি।

চরম উদাস এর ছবি

খাইছে

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি


এইটা কোন ধরনের ভাইয়া, জানাইলে ভাল হয়।

চরম উদাস এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

হিমু এর ছবি

চরম উদাস এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি
ইয়া খোদা ...

দীনহিন এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

.............................
তুমি কষে ধর হাল
আমি তুলে বাঁধি পাল

দীনহিন এর ছবি

উত্তম জাঝা!

.............................
তুমি কষে ধর হাল
আমি তুলে বাঁধি পাল

অরফিয়াস এর ছবি

আম্রা তো আইআরসি পার কইরা ইয়াহু ক্যাম যুগের মানুষ, বুঝেনই তো।

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনি আরেক জনের প্রেমের অনুভূতি নিয়ে যা তা লেখবেন কেনু? ১০০% প্রেমের দেশে এইসব চইলত্য ন হো হো হো । কেউ তার প্রেমিকা কে জানটুস বলুক আর লইট্টা মাছ বলুক সে নিয়ে লেখালেখির কি আছে খাইছে ? লাইনে থাকুন।

মাসুদ সজীব

মন মাঝি এর ছবি

সকালবেলা শীতের বাতাস দিচ্ছে। আকাশে মেঘগুলো দল বেঁধে আনাগোনা করছে, সূর্যকে একবার দিচ্ছে ঢাকা, একবার দিচ্ছে খুলে। পাহাড় বললে যে-ছবি মনে জাগে এ একেবারেই সেরকম নয়। শৈলশিখরশ্রেণী কোথাও দেখা যাচ্ছে না–বারান্দা থেকে অনতিদূরেই সামনে ঢালু উপত্যকা নেমে গিয়েছে, তলায় একটি ক্ষীণ জলের ধারা এঁকে বেঁকে চলেছে; সামনে অন্য পারের পাড়ি অর্ধচন্দ্রের মতো.....

ধুর, আপনি আর কিসের চরম উদাস , ১০০ বছর আগেই রবি খুড়ো দেখি আপনার চেয়েও চরম ছিল! ফাজিল মিচকা নাম্বার ওয়ান! দেঁতো হাসি

তবে আপনাকেও ধন্যবাদ, আপনার কারনে বর্ণচোরা রসিক ঠাকুরের লেখা হঠাৎ করে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা আলোকে পড়তে পারলাম। চোখ টিপি

লেখা জটিল হইছে! চলুক

****************************************

সুবোধ অবোধ এর ছবি

ম্যালাদিন পর জগা। যা হইছে তাই সই। ফাকিঝুকি মারলেও ভাল্লাগছে বেশ। দেঁতো হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

'বুকে আইস ওগো আমার Lannister বইন' লা‌‌ইনটা পুরাই "ইটের জবাবে লোহা" লাগলো।লেখাটা কড়া হইসে। হাততালি

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক
ভালো লাগছে।

ভালো থাকবেন।
আপনার জন্য শুভকামনা।
---------------------------------
কামরুজ্জামান পলাশ

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

আপনেও গেম অব থ্রোন্স দেখেন? আপনারে ভদ্দরনোক ভাবছিলাম দেঁতো হাসি

তয় এই লেখাটা আপনের লেভেলে যায় নাই। বেপার না, জগাখিচুরি ১০ এ পোষায়ে দিয়েন।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

পলাশীর প্রান্তর এর ছবি

হো হো হো

সত্যপীর এর ছবি

ওহ। ফাডায়ালাইসেন ভাই। ইউ হ্যাব ট্রুলি বার্স্ট ইট।

..................................................................
#Banshibir.

তাসনীম এর ছবি

প্রস্তর যুগের প্রেমকাহিনি মনে পড়ল।

আমার এক বন্ধু প্রেম পত্রে লিখেছিল - তুমি যদি আমার দিকে তাকাও তাহলে আমি ভাববো তুমি আমাকে ভালোবাসো, আর তুমি যদি আমার দিকে নাও তাকাও তাহলেও ভাববো তুমি আমাকে ভালোবাসো, এই ধরনের লেখার অর্থ জিজ্ঞেস করতে সে জানালো যে সে সবগুলো অপশন কভার করেছে এতে। সে যাই হোক চিঠির বাহক হলো বন্ধুর ছোটভাই না, বরং বড় ভাই। সেই বড় ভাই একটু কম বুদ্ধির মানুষ ছিলেন - আমাদের দুই ক্লাস নিচে পড়তেন। সে ওই চিঠি ডেলিভারি দিল মেয়ের বড় বোনের কাছে।

এইখানে বলে রাখা ভালো যে মেয়ের বড় ভাই পাড়ার বড় মাস্তান। চিঠি ভুল জায়গাতে ডেলিভারি হয়েছে জেনে আমরা পত্রপাঠ বন্ধুর বাসা থেকে চম্পট দেই। কিন্তু সেই বেচারা কই যাবে?

পরদিন সকালে মাস্তান বড়ভাইয়ের মাস্তানিয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করে বলল - ভাই আমাকে মাফ করে দেন। মাস্তান ভাইকে আসলে বড়বোন কিছুই বলেন নি - সম্ভবত উনিও চাননি পরিস্থিতি গরম হোক। মাস্তান ভাই আকাশ থেকে পড়লেন - মাফ চাইছো কেন?

পরিস্থিতি তখন অনুকূল এবং প্রতিকূল - মাস্তান ভাইকে কি বলা যায় গতকাল বিকেলে আপনার বোনকে প্রেমপত্র দিয়েছি? আবার মাফ চাওয়ার কারণে কিছু একটা তো বলতে হবে।

যাই - হোক জগাখিচুড়ি ভালো লেগেছে কিন্তু অন্যান্যগুলোর তুলনায় একটু কম মশলা পড়েছে।

________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...

অতিথি লেখক এর ছবি

চরম চলুক

-আনন্দময়ী মজুমদার

এক লহমা এর ছবি

হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ, এইবারে তুমি এট্টুস কোমল করে উদাস হয়েছ। তবে রবিবুড়োর উদ্ধৃতির অংশটা আমাদের সময়ের ওনার অনেক কবিতার সেরম স্মৃতিগুলোকে মনে পড়িয়ে দিল। যেমন, নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ আসলে কার কথা? চোখ টিপি

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

আরন্যক নীলকণ্ঠ এর ছবি

পাই টাইপ সম্পর্কে তেমন কিছু কইলেন না যে!?

তারেক অণু এর ছবি

শুরুটা বেশ ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিক আগের সুনাম ধরে রাখতে পারে নাই, আপনি ফাঁকিবাজ হয়ে যাচ্ছেন চউ দা!

অতিথি লেখক এর ছবি

পাই খাইলো কিডা?

চউদা ফাঁকিবাজী কর্পেন, এ হতেই পারে না। ফাঁকতালে কেউ একজন পুরোটা পাই একাই মেরে দিয়েছে। আমি এর বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবী করছি।

----ইমরান ওয়াহিদ

অতিথি লেখক এর ছবি

চরম কিন্তু উদাসীয় নহে দেঁতো হাসি

কড়িকাঠুরে

শাব্দিক এর ছবি

আমিও পাই টাইপ সম্পর্কে ডিটেল জানতে চাই "ভাইয়া"।

---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।

খেকশিয়াল এর ছবি

হো হো হো হো হো হো

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মেহবুবা জুবায়ের এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

--------------------------------------------------------------------------------

অতিথি লেখক এর ছবি

ইর আগে কমেন্ট দিলাম, সিডা কনে গেলো বুজতি পারলাম না।
যেডাই হোক, ভালু হয়েছে।

চরম উদাস, পরেরডাতে ফাডাই ফালান।

--------------------------
কামরুজ্জামান পলাশ।

অতিথি লেখক এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

ভালাই। আগে ভাবছিলাম আমি একলাই চ্যাটে উল্টাপাল্টা করি। এহন দেহি বড় বড় মাইনষ্যেও করে।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।