Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ইতিহাস

মিলানের দিন-রাত্রি

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ১৩/১১/২০১১ - ৩:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পৃথিবীর যে কয়টি সত্যিকারের ঐতিহাসিক, সুবিশাল, জাঁকজমকপূর্ণ শহর শতাব্দীর পর শতাব্দী ব্যপী একইসাথে প্রাচীন ইতিহাসের ছোঁয়া ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে মিলান নগরী তার মাঝে অন্যতম । তার সাথে আবার কয়েক দশক ধরে যোগ হয়েছে ফুটবল উম্মাদনা, বিশ্বের আর কোন শহরে বিশ্বমানের এমন দুটি ফুটবল ক্লাব আছে!


বাভারিয়ার রূপকথার দুর্গ

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শনি, ১২/১১/২০১১ - ৪:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

neuschwanstein-castle-bavaria-germany


রবীন্দ্রনাথের জমিদারগিরি—জমিদারের রবীন্দ্রগিরি : তৃতীয় পর্ব

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১২/১১/২০১১ - ২:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


কুলদা রায়
এমএমআর জালাল

বাকী রাখা খাজনা
মোটে ভাল কাজ না।।
( --হীরক রাজার দেশ/ সত্যজিৎ রায়)

খাজনা আদারের কাছারি------------------------------


আরশোলা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/১১/২০১১ - ১০:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কলেজে থাকতে যে বিষয়গুলো আমাদের বেশি কষ্ট দিত তার মধ্যে একটা ছিল ‘প্র্যাক্টিকাল ক্লাস’। পদার্থবিদ্যা, রসায়ন আর জীববিদ্যার ভয়াবহ তিনটি ল্যাব আমাদের দিকে তাকিয়ে দাঁত বের করে হাসতো। সবচেয়ে অসহ্য ছিল জীববিদ্যা; বায়োলজি ল্যাব ক্লাস। গাছের শিকড়-বাকড় থেকে শুরু করে কেঁচো, ব্যাং, তেলাপোকার মত জঘন্য জিনিস কাটাকুটি করতে হত। আর এর জন্য প্রত্যেকের কাছে ‘ডিসেকশন কিট’ থাকা ছিল বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে থাকতো


রবীন্দ্রনাথের জমিদারগিরি—জমিদারের রবীন্দ্রগিরি : দ্বিতীয় পর্ব

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৯/১১/২০১১ - ৪:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
জমিদারির খোঁজে--------------------

কলিমখানের : জন্মসূত্র--হত্যাসূত্র-------------------------------------
বঙ্গীয় শব্দার্থ কোষে ৩৮৯ পৃষ্ঠায় কলিম খান রবি চক্রবর্তী লিখেছেন : জমি--(জমিদার, জমী, জমীন, জমীনদান)


জাফর ইকবাল স্যার এর উপরে মৌলবাদী আক্রমণ এবং বাংলাদেশে মৌলবাদের উৎপত্তি ও বিকাশের ইতিহাস

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/১১/২০১১ - ৭:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]সাম্প্রতিক একটি ইস্যু হল জাফর ইকবাল স্যার এর উপর মৌলবাদীদের আক্রমণ। অনেক লেখা হয়েছে এই ধর্মান্ধের নিয়ে। পোস্টগুলির অনেক শেয়ার হয়েছে ফেইসবুকে, মানুষের প্রতিবাদ দেখে বেশ ভাল লাগছে। আমার খুব কাছের একজন মানুষের ফেইসবুক প্রোফাইলে এমন একটি লেখা দেখলাম, দেখার পর থেকেই মৌলবাদীদের উত্থান নিয়ে কিছু না লিখে পারলাম না। যাহোক মৌলবাদের নীল নকশা কারীদের মুখোশটা সবার সামনে তুলে ধরার জন্য সচলে আবার


ইতিহাস পুনর্পাঠ (১১ - ১২)

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শুক্র, ০৪/১১/২০১১ - ১১:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১১.
আমাদের ইতিহাসের বই বলে, পাল রাজ বংশ ৭৫০ খ্রীষ্টাব্দ (গোপাল) থেকে ১১৬১ খ্রীষ্টাব্দ (মদনপাল) পর্যন্ত চারশ’ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা শাসন করেছে। আবার একই বই বলছে, সেন রাজ বংশ ১০৭০ খ্রীষ্টাব্দ (হেমন্তসেন) থেকে ১২৩০ খ্রীষ্টাব্দ (কেশবসেন) পর্যন্ত বাংলা শাসন করেছে। তার মানে, পাল রাজত্বের শেষ ৯২ বছরে তাদের সাথে সেন রাজাদের রাজত্বও বাংলায় ছিলো। একটু গোলমাল হয়ে গেলো না? আসুন, আরেকটু গোলমাল বাঁধানো যাক।


১৯৫০ এর বরিশাল থেকে ২০০২ গুজরাট। জীবন্ত চোখের উপাখ্যান। ৪

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৪/১১/২০১১ - ৯:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আজকাল কোন কাজকর্ম নেই। তাই এন আইডল ব্রেন ইজ একটা শয়তানের কারখানা - এর নিয়ম অনুযায়ী নানা উৎকট ভাবনা মাথায় জন্ম নেয়। তাই হয়তোবা জয়গুণের কিশোর ছেলের বলা একটি কথা গত কিছুদিন ধরে মাথায় কিলবিল করছে- “মা, দ্যাশ স্বাধীন অইছে, এইবার চাউলের দাম হস্তা অইব।”[‘সূর্য দীঘল বাড়ি’, - আবু ইসহাক।] সেদিন ছিল স্বাধীনতার জন্ম দিন। দুটি ভাগে ফালাফালা হল আমার দেশ। এবং রাতের চাঁদটাও সাক্ষী রইলো কি করে আমরা ভিকি


পাঠ পরবর্তী প্রাসঙ্গিক-অপ্রাসঙ্গিক চিন্তাভাবনাঃ যদ্যপি আমার গুরু

আশফাক আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন আশফাক আহমেদ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৯/১০/২০১১ - ১:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

০।
এই লেখাটিকে মোটাদাগে কোন 'পাঠ প্রতিক্রিয়া' বলা যাবে না নিশ্চয়ই। পাঠ প্রতিক্রিয়ায় পাঠক পঠিত গ্রন্থের উপর একটা চমৎকার আলোচনা আশা করেন। সেরকম কিছু আশা করলে বিজ্ঞ পাঠককে হতাশ হতে হবে। কেননা "যদ্যপি আমার গুরু" পড়ার পর থেকেই অনেকদিন ধরে জমে থাকা কিছু কথা ভাষায় ফুটিয়ে তোলার জন্য কীবোর্ডটা আকুপাকু করছে। কিন্তু কিছুতেই লেখাটা গুছিয়ে নিতে পারছি না। আমি আসলে কাকে ফোকাস করে লিখবো- আহমদ ছফাকে, প্রফেসর রাজ্জাককে না সরল অর্থে এই বইটাকে? তার উপর আহমদ ছফা ও এই বইটির পূর্বাপর নিয়ে সচল শুভাশীষদা এতো চমৎকার একটা সিরিজ লিখেছেন, যে এরপর কিছু বলতে যাওয়াটাই বাহুল্য হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু য়ামাদের গুরু তো অনেক আগেই বলে গিয়েছেন, "ওরে প্রাণের বাসনা, প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি"। সেই ভরসাতেই লেখাটায় হাত দিলাম। ভুলত্রুটি কিছু হলে বিজ্ঞ পাঠক ক্ষমাসুলভ দ্‌ষ্টিতে দেখবেন, এইটুকু আশা করতেই পারি।